হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1181)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ لِامْرَأَتِهِ خَلِّلِي شَعْرَكِ بِالْمَاءِ قَبْلَ أَنْ تَخَلَّلَهُ نَارٌ قَلِيلَةُ الْبُقْيَا عَلَيْهِ




১১৮১. ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণিত, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার স্ত্রীকে বলেন: “জাহান্নামের আগুন তোমার চুলে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তোমার চূলে (এর গোড়ায়) পানি ছড়িয়ে দাও, (ফলে) তাতে (আগুনে) এর (তোমার মাথার চুলের) অবস্থান হবে সামান্য সময়ই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত। তবে এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। ইবরাহীম হুযাইফার সাক্ষাত লাভ করেননি।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪; সামনে সংযুক্ত সনদে আসছে ১১৯৭, ১১৯৮ (অনূবাদে ১১৯১, ১১৯২) নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (1182)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ صَدَقَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْحَنَفِيِّ حَدَّثَنِي جُمَيْعُ بْنُ عُمَيْرٍ أَحَدُ بَنِي تَيْمِ اللَّهِ بْنِ ثَعْلَبَةَ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ أُمِّي وَخَالَتِي عَلَى عَائِشَةَ فَسَأَلَتْهَا إِحْدَاهُمَا كَيْفَ تَصْنَعِينَ عِنْدَ الْغُسْلِ فَقَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَطَهَّرُ طُهُورَهُ لِلصَّلَاةِ وَيُفِيضُ عَلَى رَأْسِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ وَنَحْنُ نُفِيضُ عَلَى رُءُوسِنَا خَمْسًا مِنْ أَجْلِ الضَّفْرِ




১১৮২. বানী তাইমিল্লাহ ইবনু ছা’লাবাহ গোত্রের এক ব্যক্তি জুমাই ইবনু উমাইর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার মা ও খালার সাথে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার নিকট প্রবেশ করলাম। তাদের মধ্যে কোন একজন তাকে জিজ্ঞেস করলো, আমরা কিভাবে গোসল করবো?তখন তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতের পবিত্রতা অর্জনের মতো করে পবিত্রতা অর্জন করতেন (ওযু করতেন)। তিনি তাঁর মাথায় তিনবার পানি প্রবাহিত করতেন। আর আমরা আমাদের মাথায় পাঁচবার পানি প্রবাহিত করতাম আমাদের চুলে খোঁপা বাঁধা থাকার কারণে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। জুমাই ইবনু উমাইর আমাদের নিকট যঈফ, যা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৮৫৭ এ রয়েছে। অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: আবু দাউদ ২৪১; বাইহাকী ১/১৮০; ইবনু মাজাহ ৫৭৪।









সুনান আদ-দারিমী (1183)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زَاذِي عَنْ أَبِي زُرْعَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ الْمَرْأَةِ تَغْتَسِلُ تَنْقُضُ شَعْرَهَا فَقَالَتْ بَخٍ وَإِنْ أَنْفَقَتْ فِيهِ أُوقِيَّةً إِنَّمَا يَكْفِيهَا أَنْ تُفْرِغَ عَلَى رَأْسِهَا ثَلَاثًا




১১৮৩. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে গোসল করবে। (গোসলের সময়) সে কি তার চুল খুলবে? তখন তিনি বললেন: বাহ! তবে তো সে এক আউন্স (উকিয়া) পানি (অতিরিক্ত) খরচ করে ফেলবে! নিশ্চয়ই তার মাথায় তিনবার পানি ঢালা-ই তার জন্য যথেষ্ট হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১০৪৮।









সুনান আদ-দারিমী (1184)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تُخَلِّلُهُ بِأَصَابِعِهَا




১১৮৪. আলকামাহ রাহি. হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (মহিলা গোসল করার সময়) তার আঙ্গুলসমূহ দিয়ে তা (তার চুল) খিলাল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এতে হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ রয়েছে, (তিনি যঈফ)।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪।









সুনান আদ-দারিমী (1185)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ فِي الْحَائِضِ وَالْجُنُبِ يَصُبَّانِ الْمَاءَ صَبًّا وَلَا يَنْقُضَانِ شُعُورَهُمَا




১১৮৫. আবী যুবাইর হতে বর্ণিত, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হায়িযগ্রস্ত এবং ‘জুনুবী’ মহিলা (এর গোসল) সম্পর্কে বলেন, তারা উভয়ে প্রচুর পরিমাণে পানি ঢালবে । কিন্তু তাদের চুল (খোঁপা বাঁধা থাকলে) খুলবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আগের হাদীসটির মতই যঈফ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪।









সুনান আদ-দারিমী (1186)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ مِثْلَهُ




১১৮৬. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত, আতা হতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদও আগেরটির মতোই যঈফ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪।









সুনান আদ-দারিমী (1187)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مَنْصُورٍ قَالَ قَالَ إِبْرَاهِيمُ إِذَا بَلَّتْ أُصُولَهُ وَأَطْرَافَهُ لَمْ تَنْقُضْهُ




১১৮৭. মানছুর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবরাহীম রাহি. বলেছেন, (মহিলাদের গোসলের সময়) যখন তার চুলের গোড়া ও এর আশপাশ ভিজে যায়, তখন আর তার চুল (এর খোঁপা) খোলার প্রয়োজন নেই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি। তবে এর শাহিদ হলো পরবর্তী উম্মু সালামার হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1188)


حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ نِسَاءَ ابْنِ عُمَرَ وَأُمَّهَاتِ أَوْلَادِهِ كُنَّ إِذَا اغْتَسَلْنَ لَمْ يَنْقُضْنَ عِقَصَهُنَّ مِنْ حَيْضٍ وَلَا جَنَابَةٍ




১১৮৮. নাফি’ রাহি. হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রীগণ ও তাঁর উম্মু ওয়ালাদ (সন্তানদানকারী দাসী)-গণ যখন গোসল করতেন, তখন তারা তাদের চুলের খোঁপা খুলতেন না; না হায়িযের গোসলে, আর না জানাবাতের গোসলে।[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪; আব্দুর রাযযাক নং ১০৪৭; সামনে ১২০৩ (অনূবাদে ১১৯৭) নং এ আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (1189)


حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أُمِّ مُحَمَّدٍ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّهَا قَالَتْ لَا تَنْقُضْنَ عِقَصَكُنَّ مِنْ حَيْضٍ وَلَا مِنْ جَنَابَةٍ




১১৮৯. উম্মু মুহাম্মাদ হতে বর্ণিত, উম্মু সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তারা তাদের চুলের খোঁপা খুলবে না; না হায়িযের গোসলে, আর না জানাবাতের গোসলে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। উম্মু মুহাম্মদ আমিনাহ অথবা আমিইয়া বিনতে আব্দুল্লাহ। আমরা তার সম্পর্কে কোনো সমালোচনা পাইনি। ফলে এটি ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী। দেখুন, পরবর্তী টীকাটি।









সুনান আদ-দারিমী (1190)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ جَاءَتْ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ إِنِّي أَشُدُّ ضَفْرَ رَأْسِي أَوْ عُقَدَهُ قَالَ احْفِنِي عَلَى رَأْسِكِ ثَلَاثَ حَفَنَاتٍ ثُمَّ اغْمِزِي عَلَى إِثْرِ كُلِّ حَفْنَةٍ غَمْزَةً




১১৯০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, আমি তো আমার মাথায় শক্ত করে বেণী করি অথবা খোঁপা বাঁধি। (এমতাবস্থায় গোসলের সময় আমি কি তা খুলে ফেলবো?) তিনি বললেন: “(দুই হাতের কোষ ভরে পানি নিয়ে) মাথায় তিন আঁজলা পানি ঢালো, অতঃপর প্রতি আঁজলা পানির স্থান ভালভাবে চাপ দিয়ে নেড়ে দাও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৩০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৯৫৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৯৬।...

এছাড়া ইবনু আবী শাইবা ১/৭৩।









সুনান আদ-দারিমী (1191)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حُذَيْفَةَ أَنَّهُ قَالَ لِامْرَأَتِهِ اسْتَأْصِلِي الشَّعْرَ لَا تَخَلَّلُهُ نَارٌ قَلِيلٌ بُقْيَاهَا عَلَيْهِ قَالَ مَنْصُورٌ يَعْنِي الْجَنَابَةَ




১১৯১. হাম্মাম ইবনুল হারিছ হতে বর্ণিত, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার স্ত্রীকে বলেন, তুমি তোমার চুল উপড়ে ফেলো, (তাহলে) জাহান্নামের আগুন তোমার চুলে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না; (ফলে) তাতে এর (তোমার মাথার চুলের) অবস্থান হবে সামান্য সময়ই।[1]

মানসূর বলেন: অর্থা জানাবাতের অবস্থায়।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/১৮০; ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক নং ১০৫৩ মুনকাতি’ ও মাজহুল সনদে। দেখুন, তাহযীবুর আছার, মুসনাদে আলী নং ৪৩৪, ৪৩৬।









সুনান আদ-দারিমী (1192)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حُذَيْفَةَ أَنَّهُ قَالَ لِامْرَأَتِهِ اسْتَأْصِلِي الشَّعْرَ بِالْمَاءِ لَا تَخَلَّلُهُ نَارٌ قَلِيلٌ بُقْيَاهَا عَلَيْهِ




১১৯২. (অপর সনদে) হাম্মাম ইবনুল হারিছ হতে বর্ণিত, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার স্ত্রীকে বলেন, তুমি তোমার চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছাও, (তাহলে) জাহান্নামের আগুন তোমার চুলে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না; (ফলে) একে (তোমার মাথাকে) তাতে (আগুনে) সামান্যই অবস্থান করতে হবে (তথা অবস্থান করতে হবে না)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, জা’ফর ইবনুল হারিছ এর জন্য।

তাখরীজ: আগের টীকাটি এবং তাহযীবুল আছার মুসনাদে আলী নং ৪৩৬ দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1193)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ إِذَا اغْتَسَلَتْ الْمَرْأَةُ مِنْ الْجَنَابَةِ فَلَا تَنْقُضْ شَعْرَهَا وَلَكِنْ تَصُبُّ الْمَاءَ عَلَى أُصُولِهِ وَتَبُلُّهُ




১১৯৩. আবীয যুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: যখন কোনো মহিলা জানাবাতের গোসল করবে, সে যেন তার চুল (এর খোঁপা) না খোলে। তবে সে তার চুলের গোড়ায় পানি ঢালবে এবং তা ভালভাবে ভিজিয়ে দেবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ’র জন্য।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪। আরও দেখুন, গত ১১৯১ (অনূবাদে ১১৮৫) নং হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1194)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْمَرْأَةِ تُصِيبُهَا الْجَنَابَةُ وَرَأْسُهَا مَعْقُوصٌ تَحُلُّهُ قَالَ لَا وَلَكِنْ تَصُبُّ عَلَى رَأْسِهَا الْمَاءَ صَبًّا حَتَّى تُرَوِّيَ أُصُولَ الشَّعْرِ




১১৯৪. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, আতা রাহি. হতে এমন মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত আছে, যে ‘জুনুবী’ হয়েছে, আর তার মাথার চুল বেণী করা রয়েছে, (গোসলের সময়) সে কি বেণী খুলে ফেলবে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, না। তবে তার মাথায় অধিক পরিমাণে পানি ঢালতে হবে যতক্ষণ না তার চুলের গোড়া ভিজে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১০৫৫, ১০৫৬ (ভিন্ন ও অতিরিক্ত শব্দসহ) যঈফ সনদে। আরও দেখুন, গত ১১৯২ (অনূবাদে ১১৮৬) নং হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1195)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ حَدَّثَتْنِي حَبِيبَةُ بِنْتُ حَمَّادٍ حَدَّثَتْنِي عَمْرَةُ بِنْتُ حَيَّانَ السَّهْمِيَّةُ قَالَتْ قَالَتْ لِي عَائِشَةُ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ أَمَا تَسْتَطِيعُ إِحْدَاكُنَّ إِذَا طَهُرَتْ مِنْ حَيْضِهَا أَنْ تُدَخِّنَ شَيْئًا مِنْ قُسْطٍ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ فَشَيْئًا مِنْ آسٍ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ فَشَيْئًا مِنْ نَوًى فَإِنْ لَمْ تَجِدْ فَشَيْئًا مِنْ مِلْحٍ




১১৯৫. আমরাহ বিনতে হায়্যান আস সাহমিয়্যাহ বলেন, আমাকে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন হায়িয হতে পবিত্রতা অর্জন করে, তখন সে কি ‘কুশতু’ জাতীয় কোনো সুগন্ধি ধোঁয়া ব্যবহার করতে পারে না? তা না পেলে, মেহিদীর সুগন্ধি, তাও না পেলে কোনো (গাছের শক্ত) আঁটি, তাও না পেলে অন্তত: লবন দিয়ে হলেও?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: আমি এ শব্দে আমি কোথাও পাইনি। দেখুন, সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীস নং ৩৩২ ও সুনানে বাইহাকী ১/১৮৩ এবং পরবর্তী হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1196)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِذَا اغْتَسَلَتْ الْمَرْأَةُ مِنْ الْحَيْضِ فَلْتُمِسَّ أَثَرَ الدَّمِ بِطِيبٍ




১১৯৬. মু’আযা আল আদাবিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, যখন কোনো মহিলা হায়িয হতে পবিত্রতা অর্জন করবে, তখন সে যেন রক্তের চিহ্নের স্থানে কোনো সুগন্ধি দ্বারা পরশ বুলিয়ে নেয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি, তবে এর অনুরূপ হাদীস সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, যা আগের হাদীসের তাখরীজে উল্লেখিত হয়েছে।- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (1197)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ نِسَاءَهُ وَأُمَّهَاتِ أَوْلَادِهِ كُنَّ يَغْتَسِلْنَ مِنْ الْحِيضَةِ وَالْجَنَابَةِ وَلَا يَنْقُضْنَ شُعُورَهُنَّ وَلَكِنْ يُبَالِغْنَ فِي بَلِّهَا




১১৯৭. নাফি’ রাহি. হতে বর্ণিত, ইবুন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার স্ত্রীগণ ও উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) গন হায়িযের এবং জানাবাতের গোসল করতেন, তবে তারা চূল খুলতেন না। কিন্তু তা (পুরোপুরি) ভিজে যাওয়া পর্যন্ত (পানি) পৌঁছাতে থাকতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৪ সহীহ সনদে। এটি ১১৯৪ (অনূবাদে ১১৮৮) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (1198)


أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا بَأْسَ أَنْ تَتَنَاوَلَ الْحَائِضُ مِنْ الْمَسْجِدِ الشَّيْءَ




১১৯৮. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, মসজিদ হতে হায়িযগ্রস্ত নারীর কোনো কিছু এনে দেওয়ায় কোনো দোষ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৬০;পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1199)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ تَتَنَاوَلُ الْحَائِضُ الشَّيْءَ مِنْ الْمَسْجِدِ وَلَا تَدْخُلُهُ




১১৯৯. মানছুর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম রাহি. বলেন, হায়িযগ্রস্ত মহিলা মসজিদ হতে কোনো কিছু এনে দিতে পারবে, তবে সে তাতে প্রবেশ করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান জা’ফর ইবনুল হারিসের কারণে।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৬০ সহীহ সনদে; আগের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1200)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ الْجُنُبُ يَأْخُذُ مِنْ الْمَسْجِدِ وَلَا يَضَعُ فِيهِ




১২০০. হিশাম হতে বর্ণিত, কাতাদা রাহি. বলেন, ‘জুনুবী’ (অপবিত্র) ব্যক্তি মসজিদ হতে কোনো কিছু নিতে পারবে, কিন্তু তাতে অবস্থান করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩৬০ সহীহ সনদে।