হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1221)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ قَالَ لَمَّا أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّاقُوسِ فَذَكَرَ نَحْوَهُ




১২২১. মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দি রব্বিহ বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘নাকুস’ (ঘন্টা) বানানোর নির্দেশ দিলেন.... ।’ অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকাটি।









সুনান আদ-দারিমী (1222)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ يَرْفَعُهُ قَالَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ




১২২২. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মারফু’ হিসেবে (তথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “বিলাল রাত থাকতেই আযান দেয়, কাজেই ইবনু উম্মু মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পারো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬১৭; সহীহ মুসলিম ১০৯২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৫৪৩২, ৫৪৯২, ৫৫৪১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬৯, ৩৪৭০, ৩৪৭১ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬২৩ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1223)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ وَعَنْ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُؤَذِّنَانِ بِلَالٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى تَسْمَعُوا أَذَانَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ الْقَاسِمُ وَمَا كَانَ بَيْنَهُمَا إِلَّا أَنْ يَنْزِلَ هَذَا وَيَرْقَى هَذَا




১২২৩. নাফিঈ’ হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে,[1]

এবং কাসিম রাহি. হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু’জন মুয়াযযিন ছিল: বিলাল ও ইবনু উম্মু মাকতুম। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বিলাল রাত থাকতেই আযান দেয়, কাজেই ইবনু উম্মু মাকতুম আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পারো।“[2]তারপর কাসিম বলেন, আর উভয়ের মাঝে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র এতটুকু যে একজন নামতেন এবং আরেকজন (আযান দিতে) উঠতেন।

[1] ইবনু উমারের হাদীসটি সহীহ বুখারী-সহীহ মুসলিমে রয়েছে, যা মুলত আগের হাদীসটি।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬২২, ৬২৩; মুসলিম ১০৯২ (৩৮)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৭৩ ও মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৩৮৫ সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬৯, ৩৪৭০, ৩৪৭১ টীকাসহ।









সুনান আদ-দারিমী (1224)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ فَارِسٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ بْنِ سَعْدٍ الْمُؤَذِّنِ أَنَّ سَعْدًا كَانَ يُؤَذِّنُ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَفْصٌ حَدَّثَنِي أَهْلِي أَنَّ بِلَالًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤْذِنُهُ لِصَلَاةِ الْفَجْرِ فَقَالُوا إِنَّهُ نَائِمٌ فَنَادَى بِلَالٌ بِأَعْلَى صَوْتِهِ الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنْ النَّوْمِ فَأُقِرَّتْ فِي أَذَانِ صَلَاةِ الْفَجْرِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُقَالُ سَعْدٌ الْقَرَظُ




১২২৪. মুয়াযযিন হাফস ইবনু উমার ইবনু সা’দ হতে বর্ণিত, আর সা’দ ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদের মুয়াযযিন। হাফস বলেন, আমার পরিবার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, (একদা) বিলাল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফজরের সালাতের জন্য ডাকতে আসলেন। তখন সে বললো, তিনি তো ঘুমিয়ে আছেন। তারপর বিলাল অতি উচ্চ স্বরে এ বলে ডেকে উঠলেন: ‘সালাতু খইরুম মিনান্নাওম’ (ঘুম হতে সালাত উত্তম)। তখন ফজরের আযানে এটি বজায় রাখা (অনুমোদিত) হলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী (জাহালাত) রয়েছে।

তাখরীজ: তাবারাণী, আল কাবীর ৬/৪০ নং ৫৪৪৯; ইবনু আবী আছিম, আল আহাদুল মাছানী নং ২২৫৫।

‘আস সালাতু খইরুম মিনান্নাওম’ বাক্যটি সহীহ, দেখুন, আবী মাহযুরা’র হাদীস সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৯ ও মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১/৪৭২-৪৭৫।









সুনান আদ-দারিমী (1225)


أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثْنَى مَثْنَى وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ إِذَا قَالَ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَالَهَا مَرَّتَيْنِ فَإِذَا سَمِعْنَا الْإِقَامَةَ تَوَضَّأَ أَحَدُنَا وَخَرَجَ




১২২৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আযানের বাক্যগুলি দু’বার করে এবং ইকামতের বাক্যগুলি একবার করে বলা হতো। কিন্তু ইকামতের মধ্যে ‘ক্বদ ক্বমাতিস সালাহ’ বলার সময় এ বাক্যটি দু’বার বলা হতো। আমরা যখন (মুয়াযযিনের) ইকামত শুনতাম, তখন আমাদের কেউ উযু করতে যেত, এরপর (সালাতের আদায় করতে) বের হতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়েদ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৪, ১৬৭৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন ২৯০, ২৯১। ((আবু দাউদ ৫১০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৪০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমা ৩৭৪; আহমাদ ২/৮৫, ৮৭; দাওলাবী, আল কুন্নী ২/১০৬; হাকিম ১/১৯৭, ১৯৮, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন; নাসাঈ ২/৩২/২০, ২১; বাইহাকী ১/৪১৩।- শাইখ আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৪ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (1226)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ




১২২৬. আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬০৩; সহীহ মুসলিম ৩৭৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৯২, ২৮৯৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৫, ১৬৭৬, ১৬৭৭ এ। আরও দেখুন, পরবতী হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1227)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ سِمَاكِ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ إِلَّا الْإِقَامَةَ




১২২৭. (অপর সূত্রে) আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়, তবে ‘ইকামত (এর অতিরিক্ত বাক্যগুলি)[1] ব্যতীত।[2]

[1] ‘ইকামত ব্যতীত’ অর্থ ইকামতের শব্দগুলি তখা ‘ক্বদ ক্বমাতিস সালাহ’। এটি বিজোড় নয়, এ বাক্যটি দু’বার বলতে হবে। দেখুন, সহীহ মুসলিম এ বাবের ৩৭৮ নং হাদীসটি।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (1228)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ عَامِرٍ الْأَحْوَلِ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ نَحْوًا مِنْ عِشْرِينَ رَجُلًا فَأَذَّنُوا فَأَعْجَبَهُ صَوْتُ أَبِي مَحْذُورَةَ فَعَلَّمَهُ الْأَذَانَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَه إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَالْإِقَامَةَ مَثْنَى مَثْنَى




১২২৮. আবী মাহযুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশজন লোককে এভাবে আযান দিতে নির্দেশ দেন, ফলে তারা আযান দিতে থাকে। তখন আবী মাহযুরার কণ্ঠস্বর তাঁকে মুগ্ধ করে; ফলে তিনি তাকে (এ বাক্যসমূহ দ্বারা) আযান শিক্ষা দেন: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ।

আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’আর ইকামত (শিক্ষা দেন) জোড়া জোড়া বাক্যে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৪১৬-৪১৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮০,. ১৬৮১, ১৬৮২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৮, ২৮৯ ও আবী ইয়ালা, মু’জামুশ শুয়ুখ নং ১৩৬ এ। আরও দেখুন, আগের টীকাটি।









সুনান আদ-দারিমী (1229)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَحَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ قَالَا حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا عَامِرٌ الْأَحْوَلُ قَالَ حَجَّاجٌ فِي حَدِيثِهِ عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ قَالَ حَدَّثَنِي مَكْحُولٌ أَنَّ ابْنَ مُحَيْرِيزٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا مَحْذُورَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَّمَهُ الْأَذَانَ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً وَالْإِقَامَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً




১২২৯. আবী মাহযুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ঊনিশটি বাক্যে আযান এবং সতেরোটি বাক্যে ইকামাত শিক্ষা দেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৪১৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1230)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَأَى بِلَالًا أَذَّنَ قَالَ فَجَعَلْتُ أَتْبَعُ فَاهُ هَاهُنَا وَهَاهُنَا بِالْأَذَانِ




১২৩০. আবী জুহাইফা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বিলাল কে আযান দিতে দেখেছেন। তিনি বলেন, তারপর থেকে (তার অনুসরণ করে) আযানে আমি মুখ এদিক সেদিক (ডানে-বামে) ফিরাই।[1]



[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ। বরং হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ৬৩৪; সহীহ মুসলিম ৫০৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮৮৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৬৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯১৬ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1231)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ بِلَالًا رَكَزَ الْعَنَزَةَ ثُمَّ أَذَّنَ وَوَضَعَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ فَرَأَيْتُهُ يَدُورُ فِي أَذَانِهِ قَالَ عَبْد اللَّهِ حَدِيثُ الثَّوْرِيِّ أَصَحُّ




১২৩১. আবী জুহাইফার পিতা হতে বর্ণিত, বিলাল বর্শা পুঁতে দিলেন, তারপর আযান দিলেন, আর তার zwj;দু’টি আঙ্গুল তার দু’কানে স্থাপন করলেন। অতঃপর আমি তাকে আযানের মধ্যে (ডানে-বামে) ঘুরতে দেখলাম।’[1] আব্দুল্লাহ বলেন: ছাওরী’র হাদীস অধিক সহীহ।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ’র কারণে। তবে হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1232)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا مُوسَى هُوَ ابْنُ يَعْقُوبَ الزَّمْعِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ أَخْبَرَنِي سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثِنْتَانِ لَا تُرَدَّانِ أَوْ قَلَّ مَا تُرَدَّانِ الدُّعَاءُ عِنْدَ النِّدَاءِ وَعِنْدَ الْبَأْسِ حِينَ يُلْحِمُ بَعْضُهُ بَعْضًا




১২৩২. সাহল ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “দু’টি বিষয় ফেরত দেওয়া হয়না“ অথবা, তিনি বলেন, “দু’টি সময়ের (দু’আ) কদাচিতই ফেরত দেওয়া হয়: আযানের সময়ের দু’আ এবং যুদ্ধকালীন সময়ের দু’আ, যখন তারা একে অপরকে হত্যা করতে থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ। আল হাফিয (ইবনু হাজার) তাখরীজুল আযকার’ পৃ: ৩৭৮-৩৮২ তে বলেছেন: এ হাদীসটি হাসান সহীহ...। এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত কেবল মুসা বাদে। তার ব্যাপারে মতভেদ আছে। আর মূসার ব্যাপারে আমি হাদীস ৫০১১ তে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

তাখরীজ: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১০৬৫; আবু দাউদ ২৫৪০; তাবারাণী, আল কাবীর ৬/১৩৫ নং ৫৭৫৬; সহীহ ইবনু zwj;খুযাইমা ৪১৯; হাকিম ১/১৯৮; বাইহাকী ১/৪১০, ৩/৩৬০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২০. ১৭৬৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৯৭,২৯৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1233)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا سَمِعْتُمْ الْمُؤَذِّنَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ




১২৩৩. আবী সাঈদ রা: বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা মুয়াযযিনকে (আযান দিতে) শুনবে, তখন সে যা বলে, (তার জবাবে) তোমরাও সেরূপই বলবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ ইবনু খুযাইমা ৪১১; বুখারী ৬১১; সহীহ মুসলিম ৩৮৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৮৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1234)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى مُعَاوِيَةَ فَنَادَى الْمُنَادِي فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَه إِلَّا اللَّهُ قَالَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ يَحْيَى وَأَخْبَرَنِي بَعْضُ أَصْحَابِنَا أَنَّهُ لَمَّا قَالَ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ ثُمَّ قَالَ مُعَاوِيَةُ سَمِعْتُ نَبِيَّكُمْ يَقُولُ هَذَا




১২৩৪. ঈসা ইবনু তালহা বলেন, আমরা মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট প্রবেশ করলে মুয়াযযিন আযান দিতে আরম্ভ করল: ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। যখন সে (মুয়াযযিন) বললো, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও বলছি, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, যখন সে (মুয়াযযিন) বললো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও (অনুরূপ) সাক্ষ্য দিচ্ছি।’[1](রাবী) ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের কোনো কোনো সাথী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সে যখন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বললো, তখন তিনি ‘লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বললেন। তারপর মুয়াবিয়া রা: বললেন, আমি তোমাদের নবীকে এরূপই বলতে শুনেছি।’[2]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আবু উমার (সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণের মতভেদ উল্লেখ করে মুহাক্বিক্ব বলেন) বাকী রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে এ সনদের মধ্যে (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী বা) জাহালত রয়েছে।

[2] তাহখ্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬১২, ৬১৩, ৯১৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৬৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮৪, ১৬৮৭ তে। আরও দেখুন, হাফিজ ইবনু হাজার তাখরীজুল আযকার পৃ: ৩৪১ এবং পরবর্তী হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1235)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ مُعَاوِيَةَ سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




১২৩৫. মুহাম্মদ ইবনু আমর তার পিতা (আমর) হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনতে পেলেন। যখন সে (মুয়াযযিন) বললো: ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ‘আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও বলছি, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, তারপর ‘আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বললেন: আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। মুয়াযযিন যখন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বললো, তখন তিনি ‘লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বললেন। মুয়াযযিন যখন বললেন: ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ,’ তখন তিনি বললেন, ‘লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ । তারপর মুয়াযযিন বললেন: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তখন তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তারপর তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৪৫; আরও দেখুন, হাফিজ ইবনু হাজার তাখরীজুল আযকার পৃ: ৩৬১-৩৬২ এবং পূর্ববর্তী টীকাটি।









সুনান আদ-দারিমী (1236)


أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ إِذَا نُودِيَ بِالصَّلَاةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ لَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لَا يَسْمَعَ الْأَذَانَ فَإِذَا قُضِيَ الْأَذَانُ أَقْبَلَ وَإِذَا ثُوِّبَ أَدْبَرَ فَإِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ فَيَقُولُ اذْكُرْ كَذَا وَكَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ قَبْلَ ذَلِكَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد ثُوِّبَ يَعْنِي أُقِيمَ




১২৩৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান বাতকর্ম করতে করতে পিছন ফিরে পলায়ন করতে থাকে, যাতে সে আযান শুনতে না পায়। এরপর যখন আযান শেষ হয়, তখন সে ফিরে আসে। আবার যখন পূণরায় ডাকা (সালাতের জন্য ‘ইকামাত’ দেয়া) হয়, তখন আবার সে পলায়ন করে। অতঃপর ডাকা (ইকামত) শেষ হলে সে পূনরায় ফিরে এসে লোকদের মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর। (এভাবে সে এমনসব বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়) যা ইতিপূর্বে তার স্মরণে আসেনি।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬০৮; সহীহ মুসলিম ৩৮৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫৮, ৫৯৬৪, ৫৯৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬, ১৬৮৪, ১৬৮৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1237)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ الْمُحَارِبِيِّ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رَأَى رَجُلًا خَرَجَ مِنْ الْمَسْجِدِ بَعْدَ مَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَقَالَ أَمَّا هَذَا فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ




১২৩৭. আবী শা’ছা’ই আল মুহারিবী হতে বর্ণিত, আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুয়াযযিন আযান দেওযার পর এক ব্যক্তিকে মসজিদ হতে বের হয়ে যেতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: একি! এ ব্যক্তিতো আবীল কাসিম (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরোধিতা করলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৬৫৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৬২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০২৮ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1238)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ حِينَ زَاغَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى بِهِمْ صَلَاةَ الظُّهْرِ




১২৩৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, (একদা) সূর্য ঢলে পড়লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেরিয়ে এলেন এবং লোকদেরকে নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৪০; সহীহ মুসলিম ২৩৫৯ (১৩৬); আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩১০৫, ৩১৩৪, ৩১৩৫, ৩৬০১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৬, ১৫০২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1239)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلَاةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا عِنْدِي عَلَى التَّأْخِيرِ إِذَا تَأَذَّوْا بِالْحَرِّ




১২৩৯. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন গ্রীষ্মকালীন উত্তাপ বৃদ্ধি পায়, তখন সালাত ঠাণ্ডা করে (কিছুটা বিলম্বে) আদায় করবে। কেননা, উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নি:শ্বাস (উত্তাপ বিচ্ছুরণ ও বিস্তার) থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে।“[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: আমার মতে, এর অর্থ হলো যখন গরমের কারণে কষ্ট হয়, তখন (সালাতকে) পিছিয়ে দেয়া।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৩৩, ৫৩৪; সহীহ মুসলিম ৬১৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫০৪,১৫০৬, ১৫০৭ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1240)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْعَوَالِي فَيَأْتِيهَا وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ




১২৪০. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসরের সালাত আদায় করতেন, এরপর কোনো গমনকারী আওয়ালী (মদীনা হতে চার মাইল দূরের একটি স্থান)-এর দিকে রওয়ানা হয়ে যেতো এবং সেখানে পৌঁছেও যেতো, আর তখনও সূর্য বেশ উপরে থাকতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ৫৫০, ৫৫১; সহীহ মুসলিম ৬২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫১৮ ,১৫১৯, ১৫২০ ((মুহাক্বিক্ব ভূলবশত: ১৬১৮, ১৬১৯, ৬১২০ নং বলে উল্লেখ করেছেন-অনুবাদক)) এ।