হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1321)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ جَدَّتَهُ مُلَيْكَةَ دَعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِطَعَامٍ صَنَعَتْهُ فَأَكَلَ ثُمَّ قَالَ قُومُوا فَلِأُصَلِّيَ بِكُمْ قَالَ أَنَسٌ فَقُمْتُ إِلَى حَصِيرٍ لَنَا قَدْ اسْوَدَّ مِنْ طُولِ مَا لُبِسَ فَنَضَحْتُهُ بِمَاءٍ فَقَامَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَفَفْتُ أَنَا وَالْيَتِيمُ وَرَاءَهُ وَالْعَجُوزُ وَرَاءَنَا فَصَلَّى لَنَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفَ




১৩২১. আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণিত। তাঁর দাদী মুলাইকাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে খাবার খাওয়ানোর জন্য আমন্ত্রণ জানালেন। এরপর তিনি এসে খাওয়া-দাওয়া করলেন এবং বললেন: “তোমরা দাঁড়িয়ে যাও, যাতে আমি তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করতে পারি।“

আনাস বলেন, এরপরে আমি উঠে গিয়ে আমাদের একটি মাদুর নিয়ে এলাম, যেটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে কালো হয়ে গিয়েছিলো। ফলে আমি তাতে পানি ছিটিয়ে দিলাম, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উপর দাঁড়ালেন আর আমি ও এক ইয়াতিম বালক তার পিছনে কাতারবদ্ধ হলাম, আর বৃদ্ধা (আমার দাদী) আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন। এরপর তিনি আমাদেরকে নিয়ে দু’রাকা’আত সালাত আদায় করলেন, এরপর তিনি ফিরে গেলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩৮০; সহীহ মুসলিম ৬৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী’ নং ৪২০৬, ৪২২৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২০৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২২৮।









সুনান আদ-দারিমী (1322)


أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ عَنْ الْوَلِيدِ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ النَّاجِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُومُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ مِنْ الظُّهْرِ قَدْرَ ثَلَاثِينَ آيَةً وَفِي الْأُخْرَيَيْنِ عَلَى قَدْرِ النِّصْفِ مِنْ ذَلِكَ وَفِي الْعَصْرِ عَلَى قَدْرِ الْأُخْرَيَيْنِ مِنْ الظُّهْرِ وَفِي الْأُخْرَيَيْنِ عَلَى قَدْرِ النِّصْفِ مِنْ ذَلِكَ




১৩২২. আবী সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের সালাতের প্রথম দু’রাকা’আতে তিরিশ আয়াত পাঠের সময় পরিমাণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং শেষ দু’রাকা’আতে তার অর্ধেক পরিমাণ দাঁড়াতেন; আর আসরের সালাতে যুহরের শেষ দু’ রাকা’আতের সম পরিমাণ সময় দাঁড়াতেন এবং শেষ দু’রাকা’আতে এর অর্ধেক পরিমাণ সময় দাঁড়াতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৫২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮২৫, ১৮২৮ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1323)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ الْوَلِيدِ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ بِنَحْوِهِ وَزَادَ قَدْرَ قِرَاءَةِ الم تَنْزِيلُ السَّجْدَةِ




১৩২৩. আবী সাঈদ হতে (অপর সনদে), অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে অতিরিক্ত রয়েছে, “(তাঁর) কিরা’আতের পরিমাণ ছিল [“আলিফ লাম মিম, তানযীল।“ সুরা: সিজদা] পাঠের সমান।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৫২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, আগের টীকাগুলি।









সুনান আদ-দারিমী (1324)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ




১৩২৪. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর ও আসরের সালাতে ওয়াস্ সামাই ওয়াত্ ত্বরিক্ব’ (সুরা আত ত্বরিক্ব: ১) ও “ওয়াস্zwnj; সামাই যাতিল বুরুজ“ (সুরা: আল বুরুজ: ১) পাঠ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮২৭ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ৪৬৫ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1325)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِسُورَتَيْنِ مَعَهَا فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ وَصَلَاةِ الْعَصْرِ وَيُسْمِعُنَا الْآيَةَ أَحْيَانًا وَكَانَ يُطَوِّلُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى




১৩২৫. ইবনু আবী কাতাদার পিতা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর ও আসরের সালাতের প্রথম দু’রাকা’আতে উম্মুল কুরআন (সুরা ফাতিহা) এবং এর সাথে আরও দু’টি পাঠ করতেন। কখনো কখনো তিনি কোনো কোনো আয়াত আমাদেরকে শুনাতেন, আর তিনি প্রথম রাকা’আতে দীর্ঘ (কিরা’আত) করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৭৮; সহীহ মুসলিম ৪৫১; আবু আউয়ানাহ ২/১৫২; নাসাঈ ২/১৬৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৩১; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য আরও দেখুন পরবর্তী টীকাটি।









সুনান আদ-দারিমী (1326)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ




১৩২৬. ইয়াহইয়া হতে তার সনদেও অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: দেখুন, আগের ও পরের টীকাগুলি।









সুনান আদ-দারিমী (1327)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ بِأُمِّ الْكِتَابِ وَبِسُورَتَيْنِ وَفِي الْأُخْرَيَيْنِ بِأُمِّ الْكِتَابِ وَكَانَ يُسْمِعُنَا الْآيَةَ وَكَانَ يُطِيلُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى مَا لَا يُطِيلُ فِي الثَّانِيَةِ وَهَكَذَا فِي صَلَاةِ الْعَصْرِ وَهَكَذَا فِي صَلَاةِ الْغَدَاةِ




১৩২৭. ইবনু আবী কাতাদার পিতা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের সালাতের প্রথম দু’রাকা’আতে উম্মুল কুরআন (সুরা ফাতিহা) এবং এর সাথে আরও দু’টি পাঠ করতেন এবং পরবর্তী দু’রাকা’আত কেবল উম্মুল কিতাব (সুরা ফাতিহা) পাঠ করতেন। কখনো কখনো তিনি কোনো কোনো আয়াত আমাদেরকে শুনাতেন। আর তিনি প্রথম রাকা’আতে দীর্ঘ (কিরা’আত) করতেন, কিন্তু দ্বিতীয় রাকা’আতে তত দীর্ঘ করতেন না। আর আসরের সালাতেও তিনি এরূপ করতেন এবং ফজরের সালাতেও তিনি এরূপ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসিলম ৪৫১ (১৫৫); বুখারী ৭৭৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮২৯; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন, আগের টীকাগুলিতে।









সুনান আদ-দারিমী (1328)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ أَنَّهَا سَمِعَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِالْمُرْسَلَاتِ




১৩২৮. উম্মুল ফাদল হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মাগরিব সালাতে ‘সুরা মুরসালাত’ পড়তে শুনেছেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৬৩; সহীহ মুসলিম ৪৬২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৭১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৩২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৪০।









সুনান আদ-দারিমী (1329)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِالطُّورِ




১৩২৯. জুবাইর ইবনু মুতয়িম এর পিতা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মাগরিব সালাতে ‘সুরা তূর’ পড়তে শুনেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৬৫; zwj;মুসলিম ৪৬৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৯৩, ৭৪০৭, ৭৪১৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৬৬।









সুনান আদ-দারিমী (1330)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ مُعَاذًا كَانَ يُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ يَأْتِي قَوْمَهُ فَيُصَلِّي بِهِمْ فَجَاءَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَصَلَّى الْعَتَمَةَ وَقَرَأَ الْبَقَرَةَ فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ فَصَلَّى ثُمَّ ذَهَبَ فَبَلَغَهُ أَنَّ مُعَاذًا يَنَالُ مِنْهُ فَشَكَا ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمُعَاذٍ فَاتِنًا فَاتِنًا فَاتِنًا أَوْ فَتَّانًا فَتَّانًا فَتَّانًا ثُمَّ أَمَرَهُ بِسُورَتَيْنِ مِنْ وَسَطِ الْمُفَصَّلِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد نَأْخُذُ بِهَذَا




১৩৩০. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, মু’য়ায রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করতেন, এরপর সে তার কওমের লোকদের নিকট ফিরে গিয়ে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতনে। একরাতে ‘আতামাহ’ (‘ঈশা) -এর সালাতে তিনি সুরা বাকারা পড়তে লাগলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি এসে (একাকী) সালাত আদায় করে চলে গেলো। এরপর তার নিকট খবর পৌঁছল যে, মু’য়ায তাকে তিরস্কার করেছেন। তাই সে এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অভিযোগ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুয়াযকে বললেন:

“ফাতিনান, ফাতিনান, ফাতিনান, (ফিতনা সৃষ্টিকারী) অথবা ফাত্তানান, ফাত্তানান, ফাত্তানান“ (ফিতনা সৃষ্টিকারী)। এরপর তাকে ‘ওয়াসাতুল মুফাসসাল’ সুরা সমূহ থেকে দু’টি সূরা পাঠ করতে নির্দেশ দিলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন, আমরা এ মত গ্রহণ করেছি।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭০০, ৭০১; মুসলিম ৪৬৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮২৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৪০, ২৪০০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৮৩।









সুনান আদ-দারিমী (1331)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلَاقَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَمِّي يَقُولُ إِنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعَهُ يَقْرَأُ فِي إِحْدَى الرَّكْعَتَيْنِ مِنْ الصُّبْحِ وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ قَالَ شُعْبَةُ وَسَأَلْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى قَالَ سَمِعْتُهُ يَقْرَأُ بْ ق




১৩৩১. যিয়াদ ইবনু ’ইলাকা বলেন, আমি আমার চাচাকে বলতে শুনেছি, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছেন। তখন তিনি তাঁকে ফজর সালাতের দু’রাকা’আতের এক রাকাআতে [والنخل باسقات সুরা ক্বফ: ১০] পড়তে শুনেছেন।শু’বা বলেন, আমি তাকে আরেকবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: আমি তাঁকে [“ক্বফ।“] (সুরা ক্বফ: ১) পড়তে শুনেছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৫৭; এছাড়া পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1332)


أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلَاقَةَ عَنْ قُطْبَةَ بْنِ مَالِكٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ فِي الرَّكْعَةِ الْأُولَى وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ




১৩৩২. কুতবাহ ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফজর সালাতের প্রথম রাকা’আতে [ والنخل باسقات لها طلع نضيد] (‘সুরা ক্বফ: ১০) পড়তে শুনেছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আর এটি আগের হাদীসের পুনরাবৃত্তি। ফলে সেটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1333)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ سَرِيعٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الصُّبْحِ إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ فَلَمَّا انْتَهَى إِلَى هَذِهِ الْآيَةِ وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ جَعَلْتُ أَقُولُ فِي نَفْسِي مَا اللَّيْلُ إِذَا عَسْعَسَ




১৩৩৩. আমর ইবনু হুরাইছ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফজর সালাতে [إذا الشمس كورت] (‘সুরা তাকভীর: ১) পড়তে শুনেছেন। অতঃপর যখন তিনি ( والليل إذا عسعس ) (সুরা তাকভীর: ১৭) এ আয়াতে পৌঁছেন, তখন আমি মনে মনে বলতে লাগলাম, ‘আল লাইলি ইযা আসআস’ (অর্থ: রাতের কসম, যখন তা বিদায় নিয়েছে) আবার কী?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ আল মাসউদী’র কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৫৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪৫৭, ১৪৬৩, ১৪৬৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮১৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৭৭।









সুনান আদ-দারিমী (1334)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ الْوَلِيدِ عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ بِنَحْوِهِ




১৩৩৪. (অপর সূত্রে) আমর ইবনু হুরাইছ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (1335)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا عَوْفٌ عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلَامَةَ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ أَبِي عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ وَهُوَ عَلَى عِلْوٍ مِنْ قَصَبٍ فَسَأَلَهُ أَبِي عَنْ وَقْتِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَ الظُّهْرَ إِذَا دَحَضَتْ الشَّمْسُ وَكَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى أَهْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ قَالَ وَنَسِيتُ مَا ذَكَرَ فِي الْمَغْرِبِ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ الَّتِي تَدْعُونَ الْعَتَمَةَ وَكَانَ يَنْصَرِفُ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ وَالرَّجُلُ يَعْرِفُ جَلِيسَهُ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا مِنْ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ




১৩৩৫. সাইয়ার ইবনু সালামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সাথে আবী বরযাহ আল আসলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি তখন বাঁশ বা বেতের তৈরী একটি উঁচু আসনে উপবিষ্ট ছিলেন। আমার পিতা তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন, ‘হাজির’ যাকে তোমরা ‘যাহিরাহ’ (যুহর) বলে ডাকো, এ সালাত তিনি সুর্য় মধ্য আকাশ হতে ঢলে পড়লে আদায় করতেন। আর তিনি আসর সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, এরপর (সালাত শেষে) আমাদের কেউ মদীনার শেষ প্রান্তে অবস্থিত তার পরিবারের নিকট চলে যেতো এবং তখনও সূর্য উজ্জ্বল থাকতো।তিনি (রাবী) বলেন, তিনি মাগরিব সম্পর্কে কী বলেছিলেন, আমি তা ভুলে গেছি। আর যাকে তোমরা ‘আতামাহ’ বলে ডাকো, সেই ’ইশার সালাতকে তিনি বিলম্বে আদায় করতে পছন্দ করতেন। আর তিনি যখন ফজরের সালাত (শেষ করে) ফিরতেন তখন কোনো লোক তার পাশের সঙ্গীকে চিনতে পারতো। আর তিনি এতে ষাট থেকে একশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫৪১, মুসলিম ৬৪৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪২২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫০৩, ১৮২২ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1336)


أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ أَخْبَرَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ عَنْ تَمِيمِ بْنِ طَرَفَةَ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَسْجِدَ وَقَدْ رَفَعُوا أَبْصَارَهُمْ فِي الصَّلَاةِ فَقَالَ لَتَنْتَهُنَّ أَوْ لَا تَرْجِعُ إِلَيْكُمْ أَبْصَارُكُمْ




১৩৩৬. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন, আর তারা সালাতরত অবস্থায় আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছিল। তখন তিনি বললেন, “তোমরা অবশ্যই (এ থেকে) বিরত হবে, নচেত তোমাদের দৃষ্টিশক্তি আর তোমাদের নিকট ফিরে আসবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪২৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪৭৩ এ।









সুনান আদ-দারিমী (1337)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَرْفَعُونَ أَبْصَارَهُمْ إِلَى السَّمَاءِ فِي صَلَاتِهِمْ فَاشْتَدَّ قَوْلُهُ فِي ذَلِكَ حَتَّى قَالَ لَتَنْتَهُنَّ عَنْ ذَلِكَ أَوْ لَيَخْطَفَنَّ اللَّهُ أَبْصَارَكُمْ




১৩৩৭. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “লোকদের কী হলো যে, তারা সালাতরত অবস্থায় তাদের দৃষ্টি আকাশের দিকে উঠিয়ে রাখে?“ এ সম্পর্কে তাঁর কথা কঠিন হতে লাগল। এমনকি তিনি বললেন: “তোমরা অবশ্যই এ থেকে বিরত হবে, নচেত আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের দৃষ্টিশক্তি হরণ করে নেবেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৫০। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯১৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৮৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1338)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا أَبُو يَعْفُورٍ الْعَبْدِيُّ حَدَّثَنِي مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ كَانَ بَنُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ إِذَا رَكَعُوا جَعَلُوا أَيْدِيَهُمْ بَيْنَ أَفْخَاذِهِمْ فَصَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ سَعْدٍ فَصَنَعْتُهُ فَضَرَبَ يَدِي فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ يَا بُنَيَّ اضْرِبْ بِيَدَيْكَ رُكْبَتَيْكَ ثُمَّ فَعَلْتُهُ مَرَّةً أُخْرَى بَعْدَ ذَلِكَ بِيَوْمٍ فَصَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَضَرَبَ يَدِي فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا وَأُمِرْنَا أَنْ نَضْرِبَ بِالْأَكُفِّ عَلَى الرُّكَبِ




১৩৩৮. মুস’আব ইবনু সা’দ বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ যখন রুকূ করতেন, তখন তারা হাত দু’টিকে তাদের উভয় উরুর মাঝে রাখতেন। এরপর আমি একবার সা’দ রা: এর পাশে সালাত আদায় করলাম এবং আমিও একাজ (হাত উরুর মাঝে রাখা) করলাম। তখন তিনি আমার হাতে আঘাত করলেন। এরপর তিনি সালাত শেষে বললেন, হে বালক, তুমি তোমার দু’হাত তোমার দু’হাঁটুতে স্থাপন করবে। এরপর আরেকদিন আমি তার পাশে সালাত আদায় করার সময় আবার এ কাজ করলাম। তখন তিনি আমার হাতে আঘাত করলেন। এরপর সালাত শেষে তিনি বললেন, আমরা ঐরকম করতাম (হাঁটুর মাঝে হাত রাখতাম), এরপর আমাদেরকে আদেশ দেয়া হলো যে, আমরা যেন আমাদের হাতের তালু আমাদের হাঁটুর উপর স্থাপন করি।[1]



[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৯০; মুসলিম ৫৩৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৯, ৮১২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৮২, ১৮৮৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1339)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ مُصْعَبٍ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ




১৩৩৯. আবী ইসহাক হতে, তিনি মুস’আব হতে, তার সনদেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (1340)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ سَالِمٍ الْبَرَّادِ قَالَ وَكَانَ أَوْثَقَ عِنْدِي مِنْ نَفْسِي قَالَ قَالَ لَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيُّ أَلَا أُصَلِّي بِكُمْ صَلَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَكَبَّرَ وَرَكَعَ وَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ وَفَرَّجَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ حَتَّى اسْتَقَرَّ كُلُّ شَيْءٍ مِنْهُ




১৩৪০. আতা ইবনু সায়িব বলেন, যিনি আমার নিকট আমার আপন সত্তার চেয়েও অধিক নির্ভরযোগ্য সেই সালিম আল বাররাদ বলেন, আবী মাসউদ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে বললেন, আমি কি তোমাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করবো না? তিনি (রাবী) বলেন, এরপর তিনি তাকবীর দিলেন ও (কিরা’আত শেষে) রুকূতে গেলেন এবং তিনি তার উভয় হাত দু’হাটুর উপর স্থাপন করলেন, আর তার আঙ্গুল সমূহের মাঝে ফাঁক করে রাখলেন, এমনকি সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্থির হয়ে গেলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। হাম্মাম আতা থেকে শ্রবন করা হতে পিছিয়ে রয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১১৯, ১২০; আবু দাউদ ৮৬৩; তার সূত্রে বাইহাকী ২/১২৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ নং ৫৯৮; হাকিম ১/২২৪; নাসাঈ ২/১৮৬ সহীহ সনদে।