হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1441)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ الْفَرَّاءُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ أَبِي ثُمَامَةَ الْحَنَّاطِ قَالَ أَدْرَكَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ بِالْبَلَاطِ وَأَنَا مُشَبِّكٌ بَيْنَ أَصَابِعِي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ ثُمَّ خَرَجَ عَامِدًا إِلَى الصَّلَاةِ فَلَا يُشَبِّكُ بَيْنَ أَصَابِعِهِ




১৪৪১. আবী ছুমামাহ আল হান্নাত্ব বলেন, কা’ব ইবনু ’ঊজরাহ আমাকে (মসজিদের) আঙিনায় এমতাবস্থায় পেলেন, যখন আমি আমার (হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মাঝে প্রবিষ্ট করা অবস্থায় ছিলাম। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ ওযু করে সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়, সে যেন তার (উভয় হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ না করায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, আবী ছুমামাহ আল হান্নাত্ব এর কারণে।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৩৬, ২১৪৯, ২১৫০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৫, ৩১৬ তে। পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1442)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَعَمَدْتَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلَا تُشَبِّكَنَّ بَيْنَ أَصَابِعِكَ فَإِنَّكَ فِي صَلَاةٍ




১৪৪২. কা’ব ইবনু ‘ঊজরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তুমি ওযু করে মসজিদে (যাওয়ার) ইচ্ছা করবে, তখন তুমি (উভয় হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ না করাবে না। কেননা, তুমি তো সালাতরত (বলেই গণ্য)।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, ইবনু ইজলান এর কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং- ২১৪৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৬ তে। পরবর্তী ও পূর্ববর্তী টীকা দু’টিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1443)


أَخْبَرَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَوَضَّأَ ثُمَّ خَرَجَ يُرِيدُ الصَّلَاةَ فَهُوَ فِي صَلَاةٍ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى بَيْتِهِ فَلَا تَقُولُوا هَكَذَا




১৪৪৩. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ওযু করে সালাতের উদ্দেশ্যে (মসজিদের দিকে) বের হয়, সে তো সালাতেই রত থাকে, যতক্ষণ না সে তার বাড়িতে ফিরে আসে। ফলে তোমরা এইভাবে ধরো না।“- অর্থাৎ: তিনি তাঁর এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে প্রবেশ করালেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু খুযাইমা নং ৪৪৬; হাকিম ১/২০৬ হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী ‘বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ’ বলেছেন।









সুনান আদ-দারিমী (1444)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ الْمَلَائِكَةُ تُصَلِّي عَلَى الْعَبْدِ مَا دَامَ فِي مُصَلَّاهُ الَّذِي يُصَلِّي فِيهِ مَا لَمْ يَقُمْ أَوْ يُحْدِثْ تَقُولُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ




১৪৪৪. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা যতক্ষণ তার ‘মুসাল্লা’য় তথা তার সালাত আদায়ের স্থানে বসে থাকে, তার (সেখান থেকে) উঠে না দাঁড়ানো অথবা তার ‘হাদাছ’ (ওযু নষ্ট) না হওয়া পর্যন্ত ফিরিশতাগণ তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে: ‘হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাকে রহম করুন’।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী zwj;মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী ৪৪৫; মুসলিম ৬৪৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৫৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1445)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ




১৪৪৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কিয়ামত সঙ্ঘটিত হবে না, যতক্ষণ মসজিদসমূহের ব্যাপারে লোকেরা পরস্পর গর্ব-অহংকারের প্রতিযোগীতায় লিপ্ত না হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬১৩, ১৬১৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩০৭, ৩০৮ তে। ((মুসনাদে আবী ইয়ালা আল মাউসিলী ৫/১৮৪ নং ২৭৯৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/৩৫০ নং ৪৬৪))









সুনান আদ-দারিমী (1446)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا جُحَيْفَةَ يَقُولُ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْبَطْحَاءِ بِالْهَاجِرَةِ فَصَلَّى الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ وَالْعَصْرَ رَكْعَتَيْنِ وَبَيْنَ يَدَيْهِ عَنَزَةٌ وَإِنَّ الظُّعُنَ لَتَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ




১৪৪৬. হাকাম ইবনু উতাইবাহ বলেন, আমি আবী জুহাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন দুপুর বেলায় ‘বাতহা’ (মক্কার একটি উপত্যকা)-এর দিকে বের হয়ে গেলেন। এরপর (সেখানে) তিনি যুহরের দু’ রাকা’আত ও আসরের দু’ রাকা’আত (কসর) সালাত আদায় করলেন, তখন তাঁর সামনে একটি বর্শা (প্রোথিত) ছিল। আর তাঁর সামনে দিয়ে (উটের হাওদার মধ্যে আরোহনকারীনী) মহিলারা যাতায়াত করছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখলীজ: বুখারী ১৮৭; zwj;মুসলিম ৫০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮৮৭, ৮৯১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৬৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯১৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1447)


أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَتْ تُرْكَزُ لَهُ الْعَنَزَةُ يُصَلِّي إِلَيْهَا




১৪৪৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য একটি বর্শা স্থাপন করা হতো, সেটির দিকে (মুখ করে) তিনি সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৯৪; মুসলিম ৫০১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৭৭।









সুনান আদ-দারিমী (1448)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ




১৪৪৮. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, তখন সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে গমণ করতে না দেয়। আর যদি সে (গমণকারী) তা না মানে, তবে সে (মুসল্লী) যেন তার সাথে লড়াই করে। কেননা, নিশ্চয়ই সে একটি শয়তান।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫০৯; মুসলিম ৫০৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৬৭, ২৩৬৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1449)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْأَحْمَرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي إِلَى رَاحِلَتِهِ




১৪৪৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বাহনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৩০, ৫০৭; মুসলিম ৫০২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৩৬, ৫৪৫৯, ৫৫৮৮, ৫৬৪৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৭৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1450)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي وَهِيَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ عَلَى فِرَاشِ أَهْلِهِ اعْتِرَاضَ الْجَنَازَةِ




১৪৫০. উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর হতে বর্ণিত, তার নিকট আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাতে) সালাত আদায় করতেন, আর তিনি তখন তাঁর ও তাঁর কিবলার মাঝে জানাযার মতো আড়াআড়িভাবে বিছানায় শুয়ে থাকতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমে একই সূত্রে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী ৩৮২, ৩৮৩; মুসলিম ৫১২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৯০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৪১, ২৩৪২, ২৩৪৩, ২৩৪৪, ২৩৯০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1451)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّهُ قَالَ يَقْطَعُ صَلَاةَ الرَّجُلِ إِذَا لَمْ يَكُنْ بَيْنَ يَدَيْهِ كَآخِرَةِ الرَّحْلِ الْحِمَارُ وَالْكَلْبُ الْأَسْوَدُ وَالْمَرْأَةُ قَالَ قُلْتُ فَمَا بَالُ الْأَسْوَدِ مِنْ الْأَحْمَرِ مِنْ الْأَصْفَرِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا سَأَلْتَنِي فَقَالَ الْأَسْوَدُ شَيْطَانٌ




১৪৫১. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গাধা, কালো কুকুর ও নারী কোনো লোকের সালাত নষ্ট করে দেয়, যখন তার সামনে হাওদার পিছনের কাঠের মতো (উঁচু) কোনো বস্তু তার সামনে না থাকে।তিনি বলেন, আমি বললাম, হলুদ- লাল (কুকুর) হতে কালো রং এর (কুকুরের পার্থক্য) কী? তখন তিনি বললেন, তুমি যেভাবে আমাকে জিজ্ঞেস করছো, আমিও সেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন: “কালো (কুকুর)টি একটি শয়তান।“[1]

[1] তাহক্বক্বি: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫১০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৮৩, ২৩৮৪, ২৩৮৫, ২৩৮৮, ২৩৮৯, ২৩৯১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1452)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جِئْتُ أَنَا وَالْفَضْلُ يَعْنِي عَلَى أَتَانٍ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي بِمِنًى أَوْ بِعَرَفَةَ فَمَرَرْتُ عَلَى بَعْضِ الصَّفِّ فَنَزَلْتُ عَنْهَا وَتَرَكْتُهَا تَرْعَى وَدَخَلْتُ فِي الصَّفِّ




১৪৫২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি এবং ফাযল এলাম-তথা একটি গাধীর পিঠে আরোহন করে এলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনা কিংবা আরাফাতে সালাত আদায় করছিলেন। তখন আমি কোনো একটি কাতার অতিক্রম করে গাধীর পিঠ থেকে অবতরণ করলাম এবং চরবার উদ্দেশ্যে একে ছেড়ে দিয়ে আমি কাতারের মধ্যে ঢুকে পড়লাম।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৬; মুসলিম ৫০৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৮২ তে।...









সুনান আদ-দারিমী (1453)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ قَالَ أَرْسَلَنِي أَبُو جُهَيْمٍ الْأَنْصَارِيُّ إِلَى زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَسْأَلُهُ مَا سَمِعَ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَقُومَ أَحَدُكُمْ أَرْبَعِينَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي قَالَ فَلَا أَدْرِي سَنَةً أَوْ شَهْرًا أَوْ يَوْمًا




১৪৫৩. বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু জুহাইম আল আনসারী আমাকে যাইদ ইবনু খালিদ আল জুহানীর নিকট জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন যে, যে ব্যক্তি মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণ করে, তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে তিনি কী শুনেছেন। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণ করার চেয়ে তোমাদের কারো চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য উত্তম।“তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি জানি না, তা (চল্লিশ) বছর, মাস, নাকি দিন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫০৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1454)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ أَنَّ بُسْرَ بْنَ سَعِيدٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ أَرْسَلَهُ إِلَى أَبِي جُهَيْمٍ يَسْأَلُهُ مَاذَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي الْمَارِّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي فَقَالَ أَبُو جُهَيْمٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ أَرْبَعِينَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُو النَّضْرِ لَا أَدْرِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً




১৪৫৪. বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাইদ ইবনু খালিদ আল জুহানী তাকে আবু জুহাইমের নিকট একথা জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন যে, মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণকারী ব্যক্তি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে তিনি কী বলতে শুনেছেন। তখন আবু জুহাইম বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণকারী ব্যক্তি যদি জানতো যে, এর জন্য তার উপর কী (পাপের বোঝা) চেপেছে, তবে চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য উত্তম হতো।“[1] আবু নাযর (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি জানি না, চল্লিশ দিন, মাস নাকি বছর।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫১০; মুসলিম ৫০৭; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান ২৩৬৬ ও মুসনাদুল হমাইদী নং ৮৩৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1455)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا أَفْلَحُ هُوَ ابْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنِي سَلْمَانُ الْأَغَرُّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا كَأَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنْ الْمَسَاجِدِ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ




১৪৫৫. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার সালাতের সমান, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহহি।

তাখরীজ: বুখারী ১১৯০; সহীহ মুসলিম ১৩৯৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৫৭, ৫৮৭৫, ৬১৬৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬২১, ১৬২৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1456)


أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ




১৪৫৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে (আদায়কৃত) একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে (আদায়কৃত) এক হাজার সালাত অপেক্ষা উত্তম, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/১৬, ২৯, ৫৩, ৫৪, ৬৮, ১০২; মুসলিম ১৩৯৫; ইবনু মাজাহ ১৪০৫; ইবনু আবী শাইবা ২/৩৭১।









সুনান আদ-দারিমী (1457)


حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ




১৫৫৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে (আদায়কৃত) একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে (আদায়কৃত) এক হাজার সালাত অপেক্ষা উত্তম, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৯০; সহীহ মুসলিম ১৩৯৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৫৭, ৫৮৭৫, ৬১৬৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬২১, ১৬২৫ ও মসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৯ তে। আরও দেখুন, পূর্বের ১৪৫৮ (অনূবাদে ১৪৫৪) নং হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1458)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ الْكَعْبَةِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى




১৫৫৮. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন স্থানের উদ্দেশ্যে হাওদা বাঁধা (সফর করা) যাবে না: কা’বার মসজিদ (মসজিদুল হারাম), আমার এ মসজিদ (মসজিদে নববী) এবং মসজিদুল আকসা’ (বায়তুল মাকদিস)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৮৯; মুসলিম ১৩৯৭; ((আবু দাউদ ২০৩৩; তিরমিযী (আবু সাঈদ খুদরী হতে) ৩২৬; নাসাঈ ; ইবনু মাজাহ ১৪০৯; আহমাদ ২/২৩৪, ২৭৮, ৫০১)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৮৮০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬১৯, ১৬৩১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1459)


حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ عَنْ جُنَادَةَ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ مَشَى فِي ظُلْمَةِ لَيْلٍ إِلَى صَلَاةٍ آتَاهُ اللَّهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ




১৫৫৯. আবী দারদা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে কোনো সালাতের দিকে হেঁটে যায়, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে নূর প্রদান করবেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। আর হাদীসটির কয়েকটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৪৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪২২; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২১০৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1460)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْأَحْوَصِ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ اللَّهُ مُقْبِلًا عَلَى الْعَبْدِ مَا لَمْ يَلْتَفِتْ فَإِذَا صَرَفَ وَجْهَهُ انْصَرَفَ عَنْهُ




১৪৬০. আবী যারর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা সালাতের মধ্যে যতক্ষণ (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত না করে (বা অন্যমনস্ক না হয়), ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তার দিকে লক্ষ্য রাখেন। অপরদিকে যখন সে (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত করে (বা অন্যমনস্ক হয়), তখন আল্লাহও তার দিক থেকে তাঁর দৃষ্টি ফিরিয়ে নেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ’র যঈফ হওয়ার কারণে। ((তবে এর অনেকগুলো শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ। একে সহীহ বলেছেন হাকিম ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন-সুনানে দারেমী, তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ফাওয়ায আহমদ নং ১৪২৩ এর টীকা দ্র: -অনুবাদক))

তাখরীজ: আহমাদ ৫/১৭৫; আবু দাউদ ৯১০; নাসাঈ, কুবরা ১১১৮।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির, আবী হুরাইরা, আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম, আবী দারদা’আ ও ইবনু মাসউদ রা: হতে যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৪৫২, ২৪৫৩, ২৪৫৪, ২৪৫৫, ২৪৫৭, ২৪৫৯ তে, যা একে শক্তিশালী করে।