হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (1561)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ




১৫৬১. (অপর সূত্রে) সাহল ইবনু আবী হাছমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনূরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৪১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৯৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৯০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1562)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ حُبِسْنَا يَوْمَ الْخَنْدَقِ حَتَّى ذَهَبَ هَوِيٌّ مِنْ اللَّيْلِ حَتَّى كُفِينَا وَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى وَكَفَى اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ الْقِتَالَ وَكَانَ اللَّهُ قَوِيًّا عَزِيزًا فَدَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَالًا فَأَمَرَهُ فَأَقَامَ فَصَلَّى الظُّهْرَ فَأَحْسَنَ كَمَا كَانَ يُصَلِّيهَا فِي وَقْتِهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْعَصْرَ فَصَلَّاهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْمَغْرِبَ فَصَلَّاهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْعِشَاءَ فَصَلَّاهَا وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا




১৫৬২. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: খন্দকের যুদ্ধের দিন আমাদেরকে (সালাত হতে) বিরত রাখা হয়েছিল এমনকি রাত নেমে এলো, কিন্তু সেটিই আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আর তা-ই হলো আল্লাহ তা’আলার এই আয়াতের বক্তব্য: [“যুদ্ধে মু’মিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহই হলেন সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী।“ (আহযাব ৩৩:২৫)]

তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল -কে ইকামত দেওয়ার আদেশ করেন। তখন তিনি যুহরের সালাতের ইকামত দেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াক্তের মধ্যে সে সালাত যেভাবে উত্তমরূপে আদায় করেন, তেমনিভাবে তিনি যোহরের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) আসরের সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি আসরের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) মাগরিবের সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি মাগরিবের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) ঈশার সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি ঈশার সালাত আদায় করেন। আর এটি ছিল (যুদ্ধের) এ আয়াত নাযিল হওয়ার পূর্বের ঘটনা: [“অতঃপর যদি তোমরা (শত্রুর ভয়ের) আশংকা করো, সে অবস্থায় পদব্রজে বা যানবাহনাদির উপর (সালাত আদায় করে নেবে)...।“ সূরা: বাক্বারা ২: ২৩৯][1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((নাসাঈ, মাওয়াক্বিত (বাব:৫৫) ও আযান (বাব:২৩); আহমাদ ৩/২৫- দারেমী, ফাওয়ায আহমাদের তাহক্বীক্বকৃত, নং ১৫২৪ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৯৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৯০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1563)


حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ قَيْسٍ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَيْسَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنْ النَّاسِ وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَقُومُوا فَصَلُّوا




১৫৬৩. আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ কোনো লোকের মৃত্যুর কারণে সংঘটিত হয় না। বরং এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। তাই যখনই তোমরা এ দু’টিতে (চন্দ্র-সূর্যে) গ্রহণ সংঘটিত হতে দেখবে, তখনই তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হয়ে যাবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, কুসূফ ১০৪১; মুসলিম, কুসূফ ৯১১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৬০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1564)


أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيُّ وَمُسَدَّدٌ قَالَا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ حَدَّثَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي كُسُوفٍ ثَمَانَ رَكَعَاتٍ فِي أَرْبَعِ سَجَدَاتٍ




১৫৬৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় আট রুকূ’ ও চার সিজদাসহ (দু’ রাকা’আত) সালাত আদায় করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ। ...

তাখরীজ: আহমাদ ১/২২৫; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৬৭; মুসলিম, কুসূফ ৯০৮; বাইহাকী ৩/৩২৭; নাসাঈ, কুসূফ ৩/১২৮-১২৯; আরও দেখুন ১৫৬৯ নং ও পরবর্তী হাদীসের টীকা দুটি।









সুনান আদ-দারিমী (1565)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ يَهُودِيَّةً دَخَلَتْ عَلَيْهَا فَقَالَتْ أَعَاذَكِ اللَّهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَأَلَتْهُ أَيُعَذَّبُ النَّاسُ فِي قُبُورِهِمْ قَالَ عَائِذٌ بِاللَّهِ قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكِبَ يَوْمًا مَرْكَبًا فَخَسَفَتْ الشَّمْسُ فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَ ثُمَّ عَمَدَ إِلَى مَقَامِهِ الَّذِي كَانَ يُصَلِّي فِيهِ فَقَامَ النَّاسُ خَلْفَهُ فَأَطَالَ الْقِيَامَ ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ ثُمَّ رَفَعَ فَأَطَالَ الْقِيَامَ وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ تَجَلَّتْ الشَّمْسُ فَدَخَلَ عَلَيَّ فَقَالَ إِنِّي أُرَاكُمْ تُفْتَنُونَ فِي قُبُورِكُمْ كَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ سَمِعْتُهُ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ




১৫৬৫. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, এক ইয়াহুদী মহিলা তাঁর নিকট এলো। এরপর সে (মহিলাটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে) বলল, ‘আল্লাহ তা’আলা আপনাকে কবরের আযাব হতে রক্ষা করুন।’ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এলে তাঁকে তিনি (আয়িশা) জিজ্ঞেস করলেন, লোকদেরকে কি তাদের কবরে আযাব দেওয়া হবে? রাসূলুল্লাহ্zwnj; (সা) বললেনঃ “(তা থেকে) আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।“ (এরপর) কোন এক দিন রাসূলুল্লাহ্zwnj; (সা) সাওয়ারীতে আরোহণ করেন। তখন সূর্যগ্রহণ আরম্ভ হয়। তিনি ফিরে আসেন এবং (সাওয়ারী হতে) অবতরণ করেন। রাসূলুল্লাহ্zwnj; সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই স্থানে গেলেন যেখানে তিনি সালাত আদায় করতেন। তারপর (তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং) লোকেরাও তাঁর পেছনে দাঁড়ালো। তিনি দীর্ঘ কিয়াম করলেন। এরপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ’তে থাকলেন। তারপর (মাথা) উঠালেন, আবার দীর্ঘ কিয়াম করলেন। তবে এ কিয়াম প্রথম কিয়ামের চাইতে স্বল্পস্থায়ী ছিল। এরপর তিনি আবার দীর্ঘ রুকূ’ করেন। তবে এ রুকূ’ প্রথম রুকূ’র চাইতে স্বল্পস্থায়ী ছিল। তারপর তিনি দু’টি সিজদা করলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে পুনরায় (প্রথম রাকা’আতের) অনুরূপ করেন। এরপর সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেলো, তখন তিনি আমার নিকট প্রবেশ করলেন। এরপর বললেন: “আমি তোমাদেরকে দেখলাম, তোমাদের কবরে তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ফিতনায় ফেলা হচ্ছে।“আমি তাঁকে (এও) বলতে শুনেছি: “আল্লাহুম্মা ইন্নী ’আ’উযুবিকা মিন আযাবিল ক্বাবরী, ওয়া ’আ’উযুবিকা মিন আযাবিন নার।“[1] (অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি কবরের আযাব হতে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আমি জাহান্নামের আযাব হতেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’)

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, কুসূফ ১০৪৯, ১০৫০; মুসলিম, কুসূফ ৯০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৮৪১ (বিস্তারিত টীকাসহ); সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৪০, ২৮৪১, ২৮৪২, ২৮৪৫, ২৮৪৬ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৯, ১৮০ তে।...









সুনান আদ-দারিমী (1566)


حَدَّثَنَا أَبُو يَعْقُوبَ يُوسُفُ الْبُوَيْطِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِدْرِيسَ هُوَ الشَّافِعِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَسَفَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَكَى ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ صَلَاتَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَطَبَهُمْ فَقَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَافْزَعُوا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ




১৫৬৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় সালাত আদায় করেছেন। এরপর ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) সালাত ছিল দু’ রাকা’আত। আর এ দু’ রাকা’আতের প্রত্যেক রাকা’আতে দু’টি করে রুকূ’ করেন। এরপর তিনি তাদেরকে খুতবা দেন। তিনি (খুতবায়) বলেন: “নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। আর কারো মৃত্যু বা জন্মগ্রহণের কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ সংঘটিত হয় না। তাই যখনই তোমরা তা (চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্য গ্রহণ হতে) দেখবে, তখনই ভীতিসহ আল্লাহর যিকিরের (সালাতের) প্রতি ধাবিত হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (২); বুখারী, কুসূফ ১০৫২; মুসলিম, কুসূফ ৯০৭; বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৭০৩৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৩২, ২৮৫৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1567)


قَالَ وَأَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ




১৫৬৭. (অপর সূত্রে) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে (অনুরূপ) বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (১); বুখারী, কুসূফ ১০৪৪; মুসলিম, কুসূফ ৯০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৮৪০, ৪৮৪১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৪০ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৯, ১৮০ তে। দেখুন, আগের ১৫৬৮ নং হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1568)


قَالَ وَأَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ خَسَفَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَكَتْ أَنَّهُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ رَكْعَتَيْنِ




১৫৬৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায় করেছেন। এরপর তিনি (আয়িশা) বর্ণনা করেন যে, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেন, যার প্রত্যেক রাকা’আতে দু’টি করে রুকূ’ করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (৩); দেখুন, আগের হাদীসটি।









সুনান আদ-দারিমী (1569)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ حِينَ كَسَفَتْ الشَّمْسُ بِعَتَاقَةٍ




১৫৬৯. আসমা বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, সূর্যগ্রহণের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাসমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (৪); বুখারী, আল ইলম (৮৬); মুসলিম, কুসূফ ৯০৫।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৫৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1570)


قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حُذَيْفَةَ مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ عَنْ أَسْمَاءَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ




১৫৭০. (অপর সনদে) আসমা বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, আল ইতক্ব ২৫১৯; পূর্বের হাদীস ওটীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (1571)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيُّ أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَخْبَرَهُ عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ يَذْكُرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بِالنَّاسِ إِلَى الْمُصَلَّى يَسْتَسْقِي فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ




১৫৭১. আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, লোকদের সঙ্গে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে মুসাল্লা’র (সালাত আদায়ের মাঠের) উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং তাঁর চাদর উল্টে নিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ইসতিসক্বা ১০০৫; মুসলিম, ইসতিসক্বা ৮৯৪;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৬৪, ২৮৬৫, ২৮৬৬, ২৮৬৭ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৯, ৪২০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1572)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ أَنَّ عَمَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بِالنَّاسِ إِلَى الْمُصَلَّى يَسْتَسْقِي لَهُمْ فَقَامَ فَدَعَا اللَّهَ قَائِمًا ثُمَّ تَوَجَّهَ قِبَلَ الْقِبْلَةِ فَحَوَّلَ رِدَاءَهُ فَأُسْقُوا




১৫৭২. আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ) বর্ণনা করেন যে, লোকদের সঙ্গে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে মুসাল্লা’র (সালাত আদায়ের মাঠের) উদ্দেশ্যে বের হলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং দাঁড়ানো অবস্থায়ই আল্লাহর নিকট দু’আ করলেন, এরপর তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হলেন এবং তাঁর চাদরটি উল্টে নিলেন, তখন তাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি। বুখারী, ইসতিসকা, ১০২৩।









সুনান আদ-দারিমী (1573)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَيْءٍ مِنْ الدُّعَاءِ إِلَّا فِي الِاسْتِسْقَاءِ




১৫৭৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘ইসতিসক্বা’র (বৃষ্টি জন্য) দু’আয় ব্যতীত আর কোথাও (কোনো দু’আয়) দু’হাত তুলতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ইসতিসকা, ১০৩১; মুসলিম, ইসতিসকা ৮৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৩৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৬৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1574)


أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ




১৫৭৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ জুমু’আ’র (সালাতে) আসে, সে যেনো গোসল করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ ৮৭৭; মুসলিম, জুমু’আ ৮৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৮০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২২৩, ১২২৪, ১২২৫, ১২২৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬২০, ৬২১, ৬২২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1575)


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ




১৫৭৫. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক সাবালক ব্যক্তির উপর জুমু’আ’র দিন গোসল করা ওয়াজিব।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, আযান ৮৫৮; মুসলিম, জুমু’আ ৮৪৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৭৮, ১১০০, ১১২৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২২৮, ১২২৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৫৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1576)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ




১৫৭৬. (অপর সনদে) আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনূরুপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (1577)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ فَعَرَّضَ بِهِ عُمَرُ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا زِدْتُ أَنْ تَوَضَّأْتُ حِينَ سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَقَالَ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا أَلَمْ تَسْمَعْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ




১৫৭৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি (মসজিদে) প্রবেশ করলো। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে ইঙ্গিতে কিছু বললেন। অতঃপর জবাবে লোকটি বললো: হে আমীরুল মু’মিনীন! আযান শুনার পর আমি উযূ ব্যতীত আর বেশি কিছু করতে পারিনি। তখন তিনি (উমার) বললেন: আর কেবলমাত্র উযুই? তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শোনোনি: “যখন তোমাদের কেউ জুমু’আ’র (সালাতে) আসে, সে যেনো গোসল করে“?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৭৮; মুসলিম, জুমু’আ ৮৪৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৩০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1578)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ لِلْجُمُعَةِ فَبِهَا وَنِعْمَتْ وَمَنْ اغْتَسَلَ فَهُوَ أَفْضَلُ




১৫৭৮. সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন উযূ করে, সে কতই না উত্তম কাজ করে। আর যে ব্যক্তি গোসল করে- তবে (প্রকৃতপক্ষে) সেটিই তো সর্বোত্তম।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে সামুরাহ হতে হাসানের কিছু শ্রবণ করা সাব্যস্ত নয়। (ফলে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন)

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৯৭; আহমাদ ৫/২২; খতীব, তারীখ বাগদাদ ২/৩৫২; বাইহাকী, তাহারাত ১/২৯৫; আবু দাউদ, তাহারাত ৩৫৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১১৯; তাবারাণী, আল কাবীর ৭/১৯৯ নং ৬৮১৭; বাইহাকী, মা’রেফাতুস সুনান নং ২১০৪, ৬৩৭৪; ইবনু আব্দুল বারর, তামহীদ ১০/৭৯; নাসাঈ, জুমু’আ ৩/৯৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৭৫৭; তিরমিযী, সালাত ৪৯৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৩৩৫; আব্দুর রাযযাক নং ৫৩১১ মুরসাল হিসেবে বিশ্বস্ত রাবীগণের সূত্রে; তিরমিযী বলেন: সামুরা’র হাদীসটি হাসান।’...

আমি বলছি: এ বাবে আনাস, জাবির, আবী সাঈদ, ইবনু আব্বাস, আব্দুর রহমান ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যা আমরা একত্রিত করেছি ও তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩০৯২, ৩০৯৩, ৩০৯৪, ৩০৯৫, ৩০৯৬ তে। আরও দেখুন, আনাস রা: এর হাদীসটি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৩৩১ তে।

মুলত: এ সকল হাদীসের কোনেটির সনদই দূর্বলতা হতে মুক্ত নয়। তবে সবগুলি সনদ সামগ্রিকভাবে হাদীসটিকে শক্তিশালী করে এবং একে হাসান পর্যায়ে উন্নীত করে। আল্লাহই ভাল জানেন।









সুনান আদ-দারিমী (1579)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَدِيعَةَ عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ مِنْ دُهْنِهِ أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبِ بَيْتِهِ ثُمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى




১৫৭৯. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী সালমান ফারিসী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন গোসল করে এবং যথাসাধ্য উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে ও নিজের তেল ব্যবহার করে বা নিজ ঘরের সুগন্ধি ব্যবহার করে, এরপর (মসজিদে) চলে যায় এবং দু’জন লোকের মাঝে ফাঁক না করে, তারপর তার ভাগ্যে নির্ধারিত সালাত আদায় করে এবং যখন ইমাম (খুতবা দেওয়ার জন্য) বের হন, তখন চুপ থাকে, তা হলে এ জুমু’আ এবং পরবর্তী জুমু’আর মধ্যবর্তী তার যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৮৩, ৯১০; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/২৩২; ইবনু আবী শাইবা ২/১৫২; তায়ালিসী ১/২৪২ নং ৬৭৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৭৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (1580)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي صَلَاةِ الْغَدَاةِ تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ




১৫৮০. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুমু’আর দিন ফজর সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম [“তানযীল...“ আস সিজদা] এবং [“হাল আতা আলাল ইনসান“]।[1] (আল ইনসান: ১)

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৯১; zwj;মুসলিম, জুমুআ ৮৮০; নাসাঈ, ইফতিতাহ ২/১৫৯।