সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا صَدَقَةُ أَخْبَرَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ حَجَّاجٍ الصَّوَّافِ عَنْ يَحْيَى عَنْ هِلَالٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بِنَحْوِهِ
১৫৪১. (অপর সূত্রে) মুআবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনূরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৪৪৭, ৪৪৮। এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি। সেখানে পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ ضَمْضَمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِقَتْلِ الْأَسْوَدَيْنِ فِي الصَّلَاةِ قَالَ يَحْيَى وَالْأَسْوَدَيْنِ الْحَيَّةُ وَالْعَقْرَبُ
১৫৪২. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, সালাতরত অবস্থায় দু’টি কালো প্রাণিকে মেরে ফেলার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদেশ করেছেন। ইয়াহইয়া বলেন: কালো রং এর প্রাণী দু’টি হলো: সাপ ও বিচ্ছু।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৫১, ২৩৫২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫২৬, ৫২৮ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْ تَقْصُرُوا مِنْ الصَّلَاةِ إِنْ خِفْتُمْ فَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ قَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوهَا
১৫৪৩. ইয়া’লা ইবনু উমাইয়া বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম, আল্লাহ তা’আলা তো বলেছেন: [“যদি তোমরা আশংকা করো, তবে তোমরা তোমাদের সালাত সমূহ ‘কসর’ করলে এতে তোমাদের কোনো পাপ নেই।“ (সূরা: নিসা: ১০১)] আর এখনতো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছে! (ফলে, এখনতো আর সালাত কসর করার প্রয়োজন নেই!)তখন তিনি বললেন: যে ব্যাপারটিতে তুমি বিস্মিত হচ্ছো, আমিও তাতে বিস্মিত হয়েছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে (এটি) তোমাদের জন্য একটি সাদাকা (বিশেষ দান)। তাই তোমরা সেটি কবুল করো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৯, ২৭৪০, ২৭৪১। এছাড়াও, ফাসওয়ী, আল মা’রেফাতুত তারীখ ২/২০৫; খতীব, আল মাওদিহ ১/৩০৪; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৪৭; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১৪৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৪/২৬৬-২৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১০২৪; ইবনুল আ’রাবী, মু’জাম নং ৯৩২; আব্দুর রাযযাক নং ৪২৭৫।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَبُو بَكْرٍ رَكْعَتَيْنِ وَعُمَرُ رَكْعَتَيْنِ وَعُثْمَانُ رَكْعَتَيْنِ صَدْرًا مِنْ إِمَارَتِهِ ثُمَّ أَتَمَّهَا بَعْدَ ذَلِكَ
১৫৪৪. সালিমের পিতা (ইবনু উমার) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনায় দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেছেন। (অর্থাৎ কসর করেছেন) আবূ বাকর দু’ রাকা’আত, উমার দু’ রাকা’আত এবং উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম তাঁর শাসনামলের প্রথমভাগে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেছেন। এর পরবর্তীতে তিনি (উছমান) সালাত সম্পূর্ণ (তথা চার রাকা’আত) আদায় করেছেন।[1]
[1]তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, তাক্বসীরুস সালাত ১০৮২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯৪; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ২৭৯৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৪৩, ২৭৪৪, ২৭৪৮ তে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ صَلَّيْنَا الظُّهْرَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَصَلَّيْنَا مَعَهُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ
১৫৪৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা মদীনাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে চার রাকা’আত সালাত আদায় করলাম। এরপর তাঁর সাথে ‘যুল হুলাইফা’-তে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ১০৮৯; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯০; পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَبِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ
১৫৪৬. ইবরাহীম ইবনু মায়সারাহ ও মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদীনায় চার রাকা’আত এবং ‘যুল হুলাইফা’-তে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) (১০৮৯) ১৫৪৬, ১৫৪৭, ১৫৪৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯০; পূর্ববর্তী হাদীসটি দেখুন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ يَذْكُرُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنَّ الصَّلَاةَ أَوَّلَ مَا فُرِضَتْ رَكْعَتَيْنِ فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلَاةُ الْحَضَرِ فَقُلْتُ مَا لَهَا كَانَتْ تُتِمُّ الصَّلَاةَ فِي السَّفَرِ قَالَ إِنَّهَا تَأَوَّلَتْ كَمَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ
১৫৪৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় সালাতকে দু’ রাকা’আত করে ফরয করা হয়। অতঃপর সফরে সালাতকে সেভাবেই (দু’ রাকা’আত) বজায় রাখা হয়েছে এবং নিজ আবাসে সালাতকে পূর্ণ (চার রাকা’আত) করা হয়েছে।
(বর্ণনাকারী যুহুরী বলেন) আমি (উরওয়া কে) বললাম, তিনি নিজে সফরে পূর্ণ সালাত (চার রাকা’আত) আদায় করেন কেন?তিনি (উরওয়া) বললেন: উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যেভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন, তিনিও (আয়িশা রা:) সেভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ৩৫০, ১০৯০; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৫; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ২৬৩৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৬, ২৭৩৭ তে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى هُوَ ابْنُ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ يَقْصُرُ حَتَّى قَدِمْنَا مَكَّةَ فَأَقَامَ بِهَا عَشَرَةَ أَيَّامٍ يَقْصُرُ حَتَّى رَجَعَ وَذَلِكَ فِي حَجِّهِ
১৫৪৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে (হাজ্জের সফরে) বের হলাম। তখন আমরা মক্কায় না পৌঁছা পর্যন্ত তিনি সালাত কসর করে যাচ্ছিলেন। আর তিনি সেখানে দশদিন অবস্থান করলেন এবং আর ফিরে না আসা পর্যন্ত কসর করতে থাকলেন। আর সেটি ছিল তাঁর হাজ্জে (এর সফর)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ১০৮১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯৩; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৫১, ২৭৫৪ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُكْثُ الْمُهَاجِرِ بَعْدَ قَضَاءِ نُسُكِهِ ثَلَاثٌ
১৫৪৯. ’আলা ইবনুল হাযরামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “হাজ্জ্বের কার্যাবলী সম্পন্ন করার পরে মুহাজিরগণের জন্য মক্কায় অবস্থান হবে তিনদিন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, (মানাক্বিবুল আনসার) ৩৯৩৩; মুসলিম, আল হাজ্জ ১৩৫২; এছাড়াও, ইবনু ক্বনি’, মু’জামুস সাহাবাহ নং ৮৩৭; আব্দুর রাযযাক নং ৮৮৪২; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯০৬, ৩৯০৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৬৭ তে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَفْصٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ قَالَ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمُهَاجِرِينَ أَنْ يُقِيمُوا ثَلَاثًا بَعْدَ الصَّدَرِ بِمَكَّةَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ
১৫৫০. #39;আলা ইবনুল হাযরামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘তাওয়াফুস সদর’ সম্পন্ন করার পরে মুহাজিরগণের জন্য মক্কায় তিনদিন অবস্থানের অনুমতি দিয়েছেন।“[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন: এটি আমারও মত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
‘সদর সম্পন্ন করার পরে’ অর্থ: হাজ্জের কার্যাবলী সম্পন্ন করার পরে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُصَلِّيَ الْمَكْتُوبَةَ نَزَلَ فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ
১৫৫১. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্zwnj; সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাহনের উপর থাকা অবস্থায় পূর্ব দিকে ফিরেও সালাত আদায় করেছেন। কিন্তু যখন তিনি ফরয সালাত আদায় করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি বাহন থেকে নেমে যেতেন এবং কিব্zwnj;লামুখী হতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯৯; মুসলিম, মাসাজিদ ৫৪০; ((আবু দাউদ, সালাতুস সফর ১২২৭; তিরমিযী, সালাত ৩৫১; নাসাঈ, সাহু ৩/২৬- ফাওয়ায আহমাদ এর দারেমী, ১৫১৪ নং এর টীকা দ্র:- অনুবাদক))।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১২০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১২০ ((এটি মুদ্রণজনিত ভূল হতে পারে, এটি মুলত: রয়েছে ২৫০৮, ২৫১০, ২৫১১, ২৫১২ নং এ- অনুবাদক)) তে।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ أَنَّ عَامِرَ بْنَ رَبِيعَةَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَبِّحُ وَهُوَ عَلَى الرَّاحِلَةِ وَيُومِي بِرَأْسِهِ قِبَلَ أَيِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ وَلَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ
১৫৫২. আমির ইবনু রাবী’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্zwnj; সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে দেখেছি, বাহনের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় বাহনের মুখ যেদিকেই ফিরানো থাকতো, তিনি সেদিকে ফিরেই মাথা দিয়ে ইশারা করে সালাত আদায় করতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্zwnj; সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরয সালাতে এরূপ করতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহের মুখস্তশক্তি অত্যন্ত দুর্বল। তবে (হাদীসটি সহীহ) এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯৩; মুসলিম, মাসাজিদ ৭০১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২০২ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ أَنَّ أَبَا الطُّفَيْلِ عَامِرَ بْنَ وَاثِلَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ أَخْبَرَهُ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ غَزْوَةِ تَبُوكَ وَكَانَ يَجْمَعُ الصَّلَاةَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ بَعْدَ ذَلِكَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا
১৫৫৩. মু’আয ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের বছরে আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে বের হয়েছিলাম। সে সময়ে তিনি সালাত জমা’ (একত্রিত) করতেন: (অর্থাৎ) যুহর ও আসর সালাত একত্রে আদায় করতেন এবং (তাঁবুতে) প্রবেশ করতেন; অতঃপর (সময় হলে) আবার তিনি (তাঁবু হতে) বের হয়ে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪৫৮, ১৫৯১, ১৫৯৫ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ৫৪৯ তে।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْخَطْمِيِّ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ فَجَمَعَ بَيْنَهُمَا
১৫৫৪. আবী আইয়্যুব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হাজ্জে মুযদালিফা’র) ‘জাম’আ’ নামক স্থানে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , হাজ্জ্ব ১৬৭৪; মুসলিম, হাজ্জ্ব, ১২৮৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৮৭ তে। এছাড়া এটি সামনে ১৯২৫ নং এ আসছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ إِذَا جَدَّ بِهِ السَّيْرُ
১৫৫৫. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (সফরে) দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলতেন, তখন মাগরিব ও ঈশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফির, ৭০৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৪২২, ৫৪৩০, ৫৪৮৫। এটি সামনে ১৯২৬ নং এও আসছে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ وَسَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ قَالَا صَلَّى بِنَا سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ الْمَغْرِبَ ثَلَاثًا فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ الْعِشَاءَ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ صَنَعَ بِهِمْ فِي ذَلِكَ الْمَكَانِ مِثْلَ ذَلِكَ وَحَدَّثَ ابْنُ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ فِي ذَلِكَ الْمَكَانِ مِثْلَ ذَلِكَ
১৫৫৬. হাকাম ও সালামা ইবনু কুহাইল উভয়ে বর্ণনা করেন, সাঈদ ইবনু জুবাইর ‘জাম’আ’ নামক স্থানে আমাদেরকে নিয়ে এক ইকামতে মাগরিবের তিন রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। এরপর সালাম ফিরিয়েই দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ঈশার দুই রাকা’আত (কসর) সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি (ইবনু উমার) এ স্থানে তাদেরকে সাথে নিয়ে এরূপ করেছেন। আর ইবনু উমার রা: বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ স্থানে এরূপ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, তাক্বসীরুস সালাত ১০৯২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ১২৮৮।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৮৫৯ তে।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ
১৫৫৭. শু’বাহ রাহি. তাঁর সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ وَعَمِّهِ عُبَيْدِ اللَّهِ ابْنَيْ كَعْبٍ عَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَقْدَمُ مِنْ سَفَرٍ إِلَّا بِالنَّهَارِ ضُحًى ثُمَّ يَدْخُلُ الْمَسْجِدَ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَجْلِسُ لِلنَّاسِ
১৫৫৮. কা’ব ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা সকাল বেলায় (দু’হা’র সময়) সফর হতে প্রত্যাবর্তন করতেন। এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন, অতঃপর লোকদের জন্য বসতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , জিহাদ ৩০৮৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৭১৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৩৭০ তে।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةً قِبَلَ نَجْدٍ فَوَازَيْنَا الْعَدُوَّ وَصَافَفْنَاهُمْ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي لَنَا فَقَامَ طَائِفَةٌ مِنَّا مَعَهُ وَأَقْبَلَ طَائِفَةٌ عَلَى الْعَدُوِّ فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَنْ مَعَهُ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفُوا فَكَانُوا مَكَانَ الطَّائِفَةِ الَّتِي لَمْ تُصَلِّ وَجَاءَتْ الطَّائِفَةُ الَّتِي لَمْ تُصَلِّ فَرَكَعَ بِهِمْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ كُلُّ رَجُلٍ مِنْ الْمُسْلِمِينَ فَرَكَعَ لِنَفْسِهِ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ
১৫৫৯. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নাজদের দিকে একটি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। সেখানে আমরা শত্রুর মুখোমুখী সমান্তরালভাবে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালাম। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। একদল তাঁর সঙ্গে সালাতে দাঁড়ালেন এবং অন্য একটি দল শত্রুর মুখোমুখী অবস্থান নিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে যারা ছিলেন তিনি তাঁদের নিয়ে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা করলেন। এরপর এ দলটি যারা সালাত আদায় করেনি, তাঁদের স্থানে চলে গেলেন এবং যারা সালাত আদায় করেনি, তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে এগিয়ে এলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের সঙ্গে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা করলেন এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম ফিরালেন। এরপর মুসলিমগণের প্রত্যেকে উঠে দাঁড়ালেন এবং নিজে নিজে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা (সহ সালাত শেষ) করলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী , সালাতুল খওফ ৯৪২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৩৯।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৭৯ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ قَالَ يُصَلِّي الْإِمَامُ بِطَائِفَةٍ وَطَائِفَةٌ مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ فَيُصَلِّي بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً وَيَذْهَبُ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ أَصْحَابِهِمْ وَيَجِيءُ أُولَئِكَ فَيُصَلِّي بِهِمْ رَكْعَةً وَيَقْضُونَ رَكْعَةً لِأَنْفُسِهِمْ
১৫৬০. সাহল ইবনু আবী হাছমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি সালাতুল খাওফ (ভীতিকালীন সালাত) সম্পর্কে বলেন, ইমাম একদলকে নিয়ে সালাত আদায় করবেন এবং অপর দল শত্রুর মুখোমুখি অবস্থানে থাকবেন। ফলে তিনি (ইমাম) তাঁর সঙ্গের লোকদের নিয়ে এক রাকা’আত সালাত আদায় করবেন এবং এরা (সালাত আদায়কারী দলটি) তাদের সাথী (যে দলটি এখনও সালাত আদায় করেননি)-দের কাতারের স্থানে চলে যাবে এবং তারা (যে দলটি এখনও সালাত আদায় করেননি) চলে আসবেন এবং (তিনি) ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকা’আত সালাত আদায় করবেন। আর তারা (বাঁকী) এক রাকা’আত নিজে নিজে আদায় করে নিবেন।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী ৪১৩১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৪১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৮৫, ২৮৮৬ তে।