সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ نِيَارٍ أَنَّ رَجُلًا ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يَنْصَرِفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُ أَنْ يُعِيدَ
২০০১. আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত শেষ করার আগেই এক ব্যক্তি কুরবানী করেছিলেন। তখন তিনি তাকে পুণরায় কুরবানী করার আদেশ দিলেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا فَرَعَ وَلَا عَتِيرَةَ
২০০২. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “(ইসলামে) ‘ফারাআ’ বা ‘আতীরা’ নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, আক্বীক্বাহ ৫৪৭৩; মুসলিম, আযাহী ১৯৭৬;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৯০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১২৬ তে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ وَكِيعِ بْنِ حُدُسٍ عَنْ أَبِي رَزِينٍ الْعُقَيْلِيِّ لَقِيطِ بْنِ عَامِرٍ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا كُنَّا نَذْبَحُ فِي رَجَبٍ فَمَا تَرَى قَالَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ قَالَ وَكِيعٌ لَا أَدَعُهُ أَبَدًا
২০০৩. আবু রাযীন লাকীত ইবন আমির উকাইলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা (জাহিলী যুগে) রজব মাসে পশু যবাহ করতাম। এখন আপনি আমাদেরকে কী আদেশ করেন? তিনি বললেনঃ “এতে কোন ক্ষতি নেই।“[1] (বর্ণনাকারী) ওকী’ বলেনঃ আমি কখনোই তা পরিত্যাগ করবো না।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৬৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৯১ তে। আগের হাদীসটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ عَنْ حَبِيبَةَ بِنْتِ مَيْسَرَةَ بْنِ أَبِي خُثَيْمٍ عَنْ أُمِّ كُرْزٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي الْعَقِيقَةِ عَنْ الْغُلَامِ شَاتَانِ مُكَافِئَتَانِ وَعَنْ الْجَارِيَةِ شَاةٌ
২০০৪. উম্মু কুরয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকীকা সম্পর্কে বলেছেন: ছেলের জন্য দুটো ছাগল যথেষ্ট হবে আর মেয়ের জন্য একটি ছাগল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৬০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩১৩ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৪৯ তে। আরও দেখুন, আবী ইয়ালা, মু’জামুস শুয়ূখ নং ৪৯।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الضَّبِّيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَعَ الْغُلَامِ عَقِيقَةٌ فَأَهْرِيقُوا عَنْهُ الدَّمَ وَأَمِيطُوا عَنْهُ الْأَذَى
২০০৫. সালমান ইবনু ‘আমির আয যব্বী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “সন্তানের সঙ্গে ‘আক্বীক্বাহ সম্পর্কিত। তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত (অর্থাৎ ‘আক্বীক্বাহর জন্তু যবহ) কর এবং তার অশুচি (চুল, নখ ইত্যাদি) দূর করে দাও।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ, যদি হাফসাহ সালমান হতে শ্রবণ করে থাকেন। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: ((বুখারী, কিতাবুল আক্বীক্বাহ, নং ৫৪৭১-৫৪৭২ - অনুবাদক)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৪২ তে। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ৫/২২২-২২৭।
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ عَنْ سِبَاعِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أُمِّ كُرْزٍ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْغُلَامِ شَاتَانِ مِثْلَانِ وَعَنْ الْجَارِيَةِ شَاةٌ
২০০৬. উম্মু কুরয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকীকা সম্পর্কে বলেছেন: “ছেলের জন্য সাদৃশ্যপূর্ণ দুটো ছাগল আর মেয়ের জন্য একটি ছাগল (যথেষ্ট হবে)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বে গত হয়েছে (নং ২০০৪)।
أَخْبَرَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ غُلَامٍ رَهِينَةٌ بِعَقِيقَتِهِ يُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ سَابِعِهِ وَيُحْلَقُ وَيُدَمَّى وَكَانَ قَتَادَةُ يَصِفُ الدَّمَ فَيَقُولُ إِذَا ذُبِحَتْ الْعَقِيقَةُ تُؤْخَذُ صُوفَةٌ فَيُسْتَقْبَلُ بِهَا أَوْدَاجُ الذَّبِيحَةِ ثُمَّ تُوضَعُ عَلَى يَافُوخِ الصَّبِيِّ حَتَّى إِذَا سَالَ شَبَهُ الْخَيْطِ غُسِلَ رَأْسُهُ ثُمَّ حُلِقَ بَعْدُ قَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبَانُ بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ وَيُسَمَّى قَالَ عَبْد اللَّهِ وَلَا أُرَاهُ وَاجِبًا
২০০৭. সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আকীকার সাথে প্রতিটি শিশু বন্ধক থাকে। তার পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে পশু যবাহ করা হবে, আর তার মাথা মুন্ডন করা হবে এবং রক্ত (মাথায়) লাগানো হবে।“
অতঃপর কাতাদা (রাহি.) রক্ত লাগান সম্পর্কে বলতেনঃ যখন আক্বীক্বার পশু যবেহ করা হবে, তখন তার কিছু লোম নিয়ে পশুর কর্তিত শিরার সামনে রাখতে হবে এবং তা বাচ্চার মাথার উপর রাখতে হবে, এমনকি তা রশির মতো হয়ে (তাতে রক্ত) গড়িয়ে পড়বে। তার মাথা ধুয়ে ফেলে মাথা মুন্ডন করতে হবে।[1]
আফফান বলেন, আবান এ হাদীস বর্ণনার সময় বলেন, “এবং নাম রাখতে হবে।“ আব্দুল্লাহ বলেন, আমি একে ওয়াজিব মনে করি না।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/১২, ১৭, ৬৬; আবূ দাউদ, আযাহী ২৮৩৭, ২৮৩৮; ইবনুল জারুদ নং ৯১০; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ১/৪৫৩; তিরমিযী, আযাহী ১৫২২; নাসাঈ, আক্বীক্বাহ ৭/১৬৬; ইবনু মাজাহ, যাবাইহ ৩১৬৫; তাবারাণী, আল কবীর ৭/২০১ নং ৬৮৩১,৬৮৩২; হাকিম ৪/২৩৭; বাইহাকী, যাহাইয়া ৯/২৯৯; তায়ালিসী ১/২৩১ নং ১১১৭; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৬/১৯১।
কোনো কোনো হাদীসে ‘রক্ত লাগাতে হবে’ এর পরিবর্তে ‘নাম রাখতে হবে’ এসেছে।
((মুহাক্কিক্ব উভয় হাদীসের বর্ণনাসমূহ একত্রিত করে বিস্তারিত আলোচনার পর বলেন)) পূর্বের আলোচনার সারসংক্ষেপ হলো, এ উভয় বর্ণনাই সহীহ। এটি মানসূখ বা রহিত হওয়ার বিপরীতে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যাই এর চেয়ে অধিক, যা বর্ণনা করেছেন, আবী ইয়ালা, আল মুসনাদ নং ৪৫২১; ইবনু হিব্বান নং ৫৩০৮; মাওয়ারিদ নং ১০৫৭, যার উভয়টি আমাদের তাহক্বীক্বকৃত। এর শব্দগুলি হলো: আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: জাহিলিয়াতের যুগে যখন তারা কোনো বাচ্চার পক্ষ হতে আক্বীক্বাহ করতো, তখন এক টুকরা সুতি কাপতে আক্বীক্বার জন্তুর রক্ত মাখাতো, এরপর সেটি বাচ্চার মাথায় রাখতো। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমরা রক্তের স্থানে জাফরান জাতীয় সুগন্ধি লাগাও।“
আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬২৭২ তেও এর তাখরীজ করেছি। দেখুন, নাইল ৫/২২৫-২২৬; মুশকিলিল আছার ১/৪৫৩-৪৫৬।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ حَفِظْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اثْنَتَيْنِ قَالَ إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذَّبْحَ وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ ثُمَّ لِيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ
২০০৮. শাদ্দাদ ইবনু আউস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে দু’টো বিষয় মুখস্ত রেখেছি। তিনি বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা প্রতিটি জিনিসের প্রতি দয়া-অনুগ্রহ প্রদর্শন করাকে ফরয করেছেন। অতএব তোমরা (কোন কিছু) হত্যা করলে উত্তম পন্থায় হত্যা করবে; আর (কোনোকিছু) যবেহ করলেও উত্তম পন্থায় যবেহ করবে। তোমাদের মধ্যে কেউ (যবেহ করলে) যেন তার ছুরিকে ভালভাবে ধারালো করে নেয় এবং যবেহ করার পশুটিকে আরাম দেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটিও সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সাইদ ১৯৫৫; ((আবূ দাউদ, আযাহী ২৮১৫; তিরমিযী, দিয়াত নং ১৪০৯; নাসাঈ, যাহাইয়া ৭/২২৭; ইবনু মাজাহ, যাবাইহ ৩১৭০-ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৯৭০ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৮৩-৫৮৮৪ তে।
এছাড়াও তাবারাণী, আওসাত ২/১০৫; তার সূত্রে খতীব বাগদাদী, তারীখ বাগদাদ ৫/২৭৮ ও সাহমী, তারীখ জুরজান পৃ: ৩৮৬ তে। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ৪/১৪৩ ও নাসবুর রায়াহ ৪/১৮৭-১৮৮।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ امْرَأَةً كَانَتْ تَرْعَى لِآلِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ غَنَمًا بِسَلْعٍ فَخَافَتْ عَلَى شَاةٍ مِنْهَا أَنْ تَمُوتَ فَأَخَذَتْ حَجَرًا فَذَبَحَتْهَا بِهِ وَإِنَّ ذَلِكَ ذُكِرَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُمْ بِأَكْلِهَا
২০০৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, কা‘ব ইবনু মালিক -এর একটি দাসী ‘সালা’ পর্বতে তার বকরী চরাত। (একদা) তিনি এর মধ্যকার কোনো একটি বকরী মরে যাওয়ার আশংকা করলে একটি পাথর দ্বারা সেটিকে যবহ্ করল। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর নিকট উপস্থাপন করলে তিনি তাদেরকে সেটি খাওয়ার নির্দেশ দেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। (হাদীসটিও সহীহ।)
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৯২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৭৫। ((বুখারী, যাবাইহ ৫৫০৫; মালিক, যাবাইহ ৪ ২/৪৮৯।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ وَعُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ وَعَفَّانُ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ أَبِي الْعُشَرَاءِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمَا تَكُونُ الذَّكَاةُ إِلَّا فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ فَقَالَ لَوْ طَعَنْتَ فِي فَخِذِهَا لَأَجْزَأَ عَنْكَ قَالَ حَمَّادٌ حَمَلْنَاهُ عَلَى الْمُتَرَدِّي
২০১০. আবূল উশারা (রহঃ) তার পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ, কণ্ঠনালী এবং বুকের উপরিভাগ (এ আঘাত করা) ছাড়া কি যবেহ হয় না? তিনি বললেন,তুমি যদি তার উরুতেও আঘাত করতে পার তবে তা-ও তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।“[1] হাম্মাদ বলেন: আমরা এটিকে কুপে পতিত পশু যবেহ’র ব্যাপারে আরোপ করি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৫০৩ তে। ((আবূ দাউদ, আযাহী ২৮১৫; তিরমিযী, দিয়াত নং ১৪০৯; নাসাঈ, যাহাইয়া ৭/২২৭; ইবনু মাজাহ, যাবাইহ ৩১৭০-ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৯৭০ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))
এছাড়া, ইবনু আবী শাইবা ৫/৩৯৩-৩৯৪; বুখারী, কাবীর ২/২২; তাবারাণী, কাবীর ৭/১৬৭-১৬৮ নং ৬৭১৯, ৬৭২০, ৬৭২১; ইবনু আদী, আল কামিল ১/২০৯;
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنِي الْمِنْهَالُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ خَرَجْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ فَإِذَا غِلْمَةٌ يَرْمُونَ دَجَاجَةً فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ مَنْ فَعَلَ هَذَا فَتَفَرَّقُوا فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَنَ مَنْ يُمَثِّلُ بِالْحَيَوَانِ
২০১১. সা‘ঈদ ইবনু যুবাইর হতে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ আমি ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে মদীনার কোনো এক রাস্তায় বের হলাম। তথন একদল তরুণ একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছিল। ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ কাজ কে করেছে? তখন তারা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন: যে ব্যক্তি জীব-জন্তুর অঙ্গহানি করে তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা‘নাত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, যাবাইহ ওয়াস সাইদ ৫৫১৫; মুসলিম, সাইদ ওয়ায যাবাইহ ১৯৫৮;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৬৫২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬১৭ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ تِعْلَى عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صَبْرِ الدَّابَّةِ قَالَ أَبُو أَيُّوبَ لَوْ كَانَتْ دَجَاجَةً مَا صَبَرْتُهَا
২০১২. আবূ আয়্যূব আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃরাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেঁধে রেখে পশুহত্যা করতে নিষেধ করেছেন। আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যদি একটি মুরগীও হয়,তবু তাকে আমি এভাবে হত্যা করব না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬০৯; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৭২।
এবং এর শাহিদ হলো আগের হাদীসটি। আর ইবনু আব্বাসের হাদীসটি যা আমরা তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৯৭ তে, যেটি পরবর্তী হাদীস।
এছাড়া আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফর এর হাদীসটিও এর শাহিদ যেটি আমরা তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৭৯০ তে।
حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ نَهَى عَنْ الْمُجَثَّمَةِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الْمُجَثَّمَةُ الْمَصْبُورَةُ
২০১৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মুজাসসামা’ (যে প্রাণীকে পাথর ইত্যাদি নিক্ষেপের দ্বারা হত্যা করা হয়)করতেনিষেধকরেছেন।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ‘মুজাসসামা’ (চাঁদমারি করা) অর্থ ‘আল মাসবূরাহ’ (বেঁধে তীর/পাথর দ্বারা হত্যা করা)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, যাবাইহ ওয়াস সাইদ ৫৫১৫; মুসলিম, সাইদ ওয়ায যাবাইহ ১৯৫৭;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৯৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬০৮ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ هُوَ ابْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّ قَوْمًا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ قَوْمًا يَأْتُونَا بِاللَّحْمِ لَا نَدْرِي أَذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ أَمْ لَا فَقَالَ سَمُّوا أَنْتُمْ وَكُلُوا وَكَانُوا حَدِيثَ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ
২০১৪. উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত যে, কিছু সংখ্যক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বহু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসে, আমরা জানি না, তারা বিসমিল্লাহ পড়ে যবেহ করেছিল কিনা? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,তোমরা এর উপর আল্লাহর নাম লও এবং তা খাও আর তারা জাহিলিয়্যার যুগের খুব নিকটবর্তী ছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ’ ২০৫৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৪৭; আরও দেখুন, রাযী, ইলালুল হাদীস ২/১৭ নং ১৫২৫ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبَايَةَ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ عَنْ جَدِّهِ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ أَنَّ بَعِيرًا نَدَّ وَلَيْسَ فِي الْقَوْمِ إِلَّا خَيْلٌ يَسِيرَةٌ فَرَمَاهُ رَجُلٌ بِسَهْمٍ فَحَبَسَهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ لِهَذِهِ الْبَهَائِمِ أَوَابِدَ كَأَوَابِدِ الْوَحْشِ فَمَا غَلَبَكُمْ مِنْهَا فَاصْنَعُوا بِهِ هَكَذَا
২০১৫. রাফি#39; ইবনু খাদীজ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক সময় একটি উট পালিয়ে গেল। দলে অশ্বের সংখ্যা ছিল খুব কম (যাতে আরোহন করে তারা উটটি ধরতে পারে)। অবশেষে একটি লোক উটটির প্রতি তীর ছুঁড়ে উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ প্রাণীর মধ্যে বন্য জন্তুর মত পালিয়ে যাবার স্বভাব আছে। কাজেই যখন কোন প্রাণী তোমাদেরকে পরাভূত করবে (তোমাদের থেকে পালিয়ে যাবে), তখন তার সঙ্গে তোমরা এমন আচরণ করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, শিরকাহ, ২৪৮৮, (যাবাইহ ওয়াস সাইদ ৫৪৯৮); মুসলিম, আযাহী ১৯৬৮;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪১৪, ৪১৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৮৬ তে।
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو هُوَ ابْنُ دِينَارٍ عَنْ صُهَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَامِرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَتَلَ عُصْفُورًا بِغَيْرِ حَقِّهِ سَأَلَهُ اللَّهُ عَنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قِيلَ وَمَا حَقُّهُ قَالَ أَنْ تَذْبَحَهُ فَتَأْكُلَهُ
২০১৬. আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি চড়ূই না-হাক্কভাবে (অযথা) হত্যা করে, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো ইয়া রাসুলুল্লাহ! এর হাক্ব কি? তিনি বললেনঃ“(এর হাক্ব এই যে) তুমি একে যবাহ করবে অতঃপর তা খাবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ((নাসাঈ, সাইদ ৭/২৩৯; আহমাদ--ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৯৭৮ এর টীকা হতে।– অনুবাদক)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৯৮ তে।
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ بَشِيرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ يُؤْكَلُ قَالَ نَعَمْ
২০১৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, বাচ্চার মাতার যবেহই গর্ভস্থিত বাচ্চার যবেহ।[1] আবূ মুহাম্মদ-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তা কি খাওয়া যাবে? তিনি বললেন: হাঁ।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: ((আবূ দাউদ, আযাহী নং ২৮২৭। --ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৯৭৯ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮০৮ ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬১২৪ তে।
আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রা:) হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৯২, ১২০৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৮৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৭৭ তে।
أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السَّبُعِ
২০১৮. আবূ সা‘লাবা আল খুশানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: মালিক, সাইদ ১৩ সহীহ সনদে; বুখারী, সাইদ, ৫৫৩০; মুসলিম, সাইদ ১৯৩২;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৯৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৭৯ তে। এছাড়াও, বাইহাকী, আল মা’রিফাহ নং ১৯১৯৮, ১৯১৯৯, ১৯২০১; তাবারাণী, আল কাবীর ২২/২০৮-২১৩।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ ابْنُ عَمِّ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْخَطْفَةِ وَالْمُجَثَّمَةِ وَالنُّهْبَةِ وَعَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ
২০১৯. আবূ সা‘লাবা আল খুশানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপহরণ করা, চাঁদমারি করা ও লুণ্ঠন করা থেকে এবং দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খাওয়া থেকে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ২২/২০৯ নং ৫৫১; বাইহাকী, যাহাইয়া ৯/৩৩৪; আগের হাদীসটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَكُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ
২০২০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে এবং বড় নখর-বিশিষ্ট বা থাবাযুক্ত যাবতীয় পাখির গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সাইদ ১৯৩৪; ((আবূ দাউদ, আতআমাহ ৩৮০৩-৩৮০৫; নাসাঈ, সাইদ ৭/২০৬- ফাওয়ায আহমেদ, তাহক্বীক্ব দারেমী নং ১৯৮২।- অনুবাদক))
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১৪, ২৪৯১, ২৬৯০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৮০ তে।