সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَعْمَرُ بْنُ بِشْرٍ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ أَنْ تُفْتَرَشَ
২০২১. আবীল মালিহ রাহি. তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিংস্র জন্তুর চামড়া বিছানা (ফারাশ) হিসেবে ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তিরমিযী, লিবাস ১৭৭১; আহমাদ ৫/৭৪, ৭৫; আবূ দাউদ, লিবাস ৪১৩২; নাসাঈ, ফারা’আ ওয়াল আতীরাহ ৭/১৭৬; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ১/১৬৪; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/২৬৪; হাকিম১/১৪৪, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন; ইবনু আবী শাইবা ১৪/২৪৯-২৫০ নং ১৮২৭০ মুরসাল হিসেবে; মুরসাল হিসেবে এটি আরও বর্ণনা করেছেন, তিরমিযী ১৭৭২, এবং তিনি বলেন, এটি অধিক সহীহ। তবে এর মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হওয়াটা এর কোনো ক্ষতি করে না; কারণ, এটি নির্ভরযোগ্য রাবী হতেই মারফু’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে এবং তাতে কিছু বাড়তি রয়েছে; আর বিশ্বস্ত রাবীর বাড়তি অংশও কবুলযোগ্য।
أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ
২০২২. (অপর সনদে) আবীল মালিহ রাহি. তার পিতা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবূ দাউদ, লিবাস ৪১৩২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ الْأَسْقِيَةِ فَقَالَ مَا أَدْرِي مَا أَقُولُ لَكَ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أَيُّمَا إِهَابٍ دُبِغَ فَقَدْ طَهُرَ
২০২৩. আব্দুর রহমান্ ইবনু ওয়া’লা বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে (চামড়ার) মশক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কি বলবো, আমি জানিনা, তবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে কোন চামড়াকে পাকা করা হলেই তা পবিত্র হয়ে যায়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, হায়েয ৩৬৬;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৮৫; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৯২ তে। আর এটি সামনে ২৬১৩ নং এও বিস্তারিত আসছে।
حَدَّثَنَا يَعْلَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ جُلُودِ الْمَيْتَةِ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِبَاغُهَا طَهُورُهَا قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ تَقُولُ بِهَذَا قَالَ نَعَمْ إِذَا كَانَ يُؤْكَلُ لَحْمُهُ
২০২৪. আব্দুর রহমান্ ইবনু ওয়া’লা বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মৃত জন্তুর চামড়া (ব্যবহার করা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “(চামড়া) পাকা করাই এর পবিত্র হওয়া।“[1] আবূ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করা হলো, এটি আপনার মত কি? তিনি বললেন: হাঁ, যখন এর গোশত খাওয়া হবে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে ইবনু ইসহাক এটি ‘আন আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মুদাল্লিস।
তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, তামহীদ ৪/১৭৪;
তবে হাদীসটি সহীহ। আর সেটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। আরও দেখুন, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯০ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২৩।
أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ يَزِيدَ بْنِ قُسَيْطٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ أُمِّهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُسْتَمْتَعَ بِجُلُودِ الْمَيْتَةِ
২০২৫. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত জন্তুর দাবাগাত (পাকা) করা চামড়া হতে উপকৃত হতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: মালিক, সাইদ ১৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৮৬ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَاتَتْ شَاةٌ لِمَيْمُونَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ اسْتَمْتَعْتُمْ بِإِهَابِهَا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا مَيْتَةٌ قَالَ إِنَّمَا حُرِّمَ أَكْلُهَا
২০২৬. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মায়মূনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর একটি বকরী মারা গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “যদি তোমরা এর চামড়া দিয়ে উপকৃত হতে!“ তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা তো মৃত। তিনি বললেন, “এ তো কেবল ভক্ষণ হারাম করা হয়েছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, যাকাত, ১৪৯২; মুসলিম, হায়িয ৩৬৩;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৮৪ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৯৮ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ الزُّبَيْدِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ مَا تَقُولُ فِي الثَّعَالِبِ إِذَا دُبِغَتْ قَالَ أَكْرَهُهَا
২০২৭. (অপর সনদে) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এ হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1] আবূ মুহাম্মদকে বলা হলো, শৃগাল (এর পাকা করা চামড়া) সম্পর্কে আপনার মত কি? তিনি বললেন, আমি সেটি মাকরূহ মনে করি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে, হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ الْحَسَنِ وَعَبْدِ اللَّهِ ابْنَيْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِمَا عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ عَلِيًّا قَالَ لِابْنِ عَبَّاسٍ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءِ يَوْمَ خَيْبَرَ وَعَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الْإِنْسِيَّةِ
২০২৮. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবার যুদ্ধের দিন মহিলাদের সাথে মুত‘আহ (বিয়ে)[1] করা থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।[2]
[1] ((নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে মুত‘আহ বিবাহ বলা হয়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে ক্ষেত্র বিশেষে যেমন যুদ্ধ চলাকালীন সময় ও সফরে বৈধ ছিল। কিন্তু তখনও সাধারণতঃ এভাবে বিবাহ বৈধ ছিল না। পরে খায়বারের যুদ্ধে এ ধরনের বিবাহকে হারাম ঘোষণা করা হয়। অতঃপর অষ্টম হিজরীতে মাক্কাহ বিজয়ের সময় মাত্র তিন দিনের জন্য তা বৈধ করা হয়েছিল। এরপর তা চিরতরে হারাম করা হয়। কিন্তু শিয়া মতাবলম্বীদের মতে মুত‘আহ বিবাহ অদ্যাবধি বৈধ এবং পুণ্যের কাজ। এবং মুত‘আহকারী ব্যক্তি বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। (না‘উযুবিল্লাহ) (সহীহ বুখারী, (বঙ্গানুবাদ: তাওহীদ পাবলিকেশন্স), ৪২১৬ নং হাদীসের টীকা হতে।– অনুবাদক))
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: মালিক, নিকাহ ৪১; বুখারী, মাগাযী ৪২১৬, যাবাইহ ওয়াস সাইদ ৫৫২৩; মুসলিম, নিকাহ ১৪০৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৪০, ৪১৪৩, ৪১৪৫ তে। এটি ২২৪৩ নং এও রয়েছে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَامَ رَجُلٌ يَوْمَ خَيْبَرَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُكِلَتْ الْحُمُرُ أَوْ أُفْنِيَتْ الْحُمُرُ ثُمَّ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُفْنِيَتْ الْحُمُرُ أَوْ أُكِلَتْ الْحُمُرُ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا فَنَادَى إِنَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يَنْهَيَانِكُمْ عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ فَإِنَّهَا رِجْسٌ
২০২৯. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। খায়বার যুদ্ধের দিন একজন লোক দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! (গানীমাতের) গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে কিংবা নিঃশেষ করে ফেলা হচ্ছে। এরপর লোকটি (দ্বিতীয়বার এসে) বলল, নিঃশেষ করে ফেলা হচ্ছে কিংবা গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে হুকুম দিলেন। সে লোকজনের সামনে গিয়ে ঘোষণা দিলঃ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল তোমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করছেন। কেননা, তা অপবিত্র।’’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৯৯১, সালাত ৩৭১; মুসলিম, সাইদ ১৯৪০।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮২৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৭৪ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৩৪ তে। আরও দেখুন, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস যা সামনে ২০৩৬ (অনুবাদে ২০৪২) নং এ আসছে।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ قَالَتْ أَكَلْنَا لَحْمَ فَرَسٍ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ
২০৩০. আসমা’ বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে মদীনায় আমরা ঘোড়ার গোশত খেয়েছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, সাইদ ৫৫১০; মুসলিম, সাইদ ১৯৪২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৭১ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩২৪ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ خَيْبَرَ عَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الْأَهْلِيَّةِ وَأَذِنَ فِي لُحُومِ الْخَيْلِ
২০৩১. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবার যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী ৪২১৯,; মুসলিম, সাইদ ১৯৪১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭৮৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৬৮ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৯১ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ شَرَفٍ يَرْفَعُ الْمُؤْمِنُونَ فِيهَا أَبْصَارَهُمْ وَهُوَ حِينَ يَنْتَهِبُهَا مُؤْمِنٌ
২০৩২. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আর লুটতরাজ ও ছিনতাইকারী যখন মূল্যবান সামগ্রী লুটতরাজ ও ছিনতাই করে এবং মু’মিনগণ সে দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে থাকে, তখন সে মুমিন থাকে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, মাযালিম ২৪৭৫; মুসলিম, ঈমান ৫৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৯৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৬৩ তে।
حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ يَعْلَى بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِي لَبِيدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النُّهْبَةِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا فِي الْغَزْوِ إِذَا غَنِمُوا قَبْلَ أَنْ يُقْسَمَ
২০৩৩. আব্দুর রহমান ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিনতাই-লুটতরাজ করা হতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: তাহাবী, মুশকিলিল আছার ১/১৩০; ইবনু আবী শাইবা, ৭/৫৯ নং ২৩৬৯; আহমাদ ৫/৬২, ৬৩; আবূ দাউদ, জিহাদ ২৭০৩; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ৬৪৫;
আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইমরাণ ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩২৬৭, ৫১৭০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২৭০, ১৬৮০ তে। এছাড়া ছা’লাবা ইবনুল হাকাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও এর শাহিদ রয়েছে যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫১৬৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৭৯ তে।
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي وَاقِدٍ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا بِأَرْضٍ تَكُونُ بِهَا الْمَخْمَصَةُ فَمَا يَحِلُّ لَنَا مِنْ الْمَيْتَةِ قَالَ إِذَا لَمْ تَصْطَبِحُوا وَلَمْ تَغْتَبِقُوا وَلَمْ تَخْتَفِئُوا بَقْلًا فَشَأْنُكُمْ بِهَا قَالَ النَّاسُ يَقُولُونَ بِالْحَاءِ وَهَذَا قَالَ بِالْخَاءِ
২০৩৪. আবী ওয়াকিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এমন এক এলাকায় বাস করি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে। এমতাবস্থায় আমাদের জন্য মৃত জন্তুর খাওয়া হালাল হবে কি? তিনি বললেন: “যদি তোমরা সকালে খাবার-পানিয় কিছুই না পাও, সন্ধ্যায়ও খাবার-পানিয় কিছু না পাও, আবার কোনো শাক-সবজিও তোলার মতো না পাও, তবে কেবল তোমার এমন অবস্থাতেই (মৃত জীব খাওয়ার অনুমতি রয়েছে)।“[1] তিনি বলেন, লোকেরা এটিকে ‘حَ’ দ্বারা উচ্চারণ করে থাকে, কিন্তু আসলে এটি হবে ‘خَ’ দ্বারা।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/২১৮; তাবারাণী, কাবীর ৩/২৫১ নং ৩৩১৫, ৩৩১৬; বাইহাকী, যাহাইয়া ৯/৩৫৬; তবে কয়েকটি শাহিদ একে শক্তিশালী করে। আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬৯১৮ তে এর বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ بَحِيرٍ عَنْ ضِرَارِ بْنِ الْأَزْوَرِ قَالَ أَهْدَيْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِقْحَةً فَأَمَرَنِي أَنْ أَحْلُبَهَا فَحَلَبْتُهَا فَجَهَدْتُ فِي حَلْبِهَا فَقَالَ دَعْ دَاعِيَ اللَّبَنِ
২০৩৫. যিরার ইবনু আযওয়ার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি গর্ভবতী (উট বা ছাগল) হাদীয়া দেওয়া হলো। তখন তিনি আমাকে আদেশ করলেন যে, আমি যেন এর দুগ্ধ দোহন করি। ফলে আমি সেটির দুগ্ধ দোহন করলাম এবং একে দোহন করতে গিয়ে বেশ কষ্টে পড়ে গেলাম। তখন তিনি বললেন: “দুধের উদ্দেশ্য ছাড়ো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৮৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৯৯৯ তে। এছাড়াও, ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ৪৭০ তে।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدٍ الْقَارِظِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ قَتْلِ الضِّفْدَعِ
২০৩৬. আব্দুর রহমান্ ইবনু উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যাঙহত্যা করতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৪৯৯; আবূ দাউদ, তিব্ব ৩৮৭১; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ৬৩৬; হাকিম ৪/৪১১; নাসাঈ, সাইদ ওয়ায যাবাইহ ৭/২১০; হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ قَتْلِ أَرْبَعَةٍ مِنْ الدَّوَابِّ النَّمْلَةِ وَالنَّحْلَةِ وَالْهُدْهُدِ وَالصُّرَدِ
২০৩৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি প্রাণী হত্যা করতে নিষেধ করেছেন: পিঁপড়া, মৌমাছি, হুদহুদ পাখি এবং সুরাদ পাখি (সাদা পেট, সবুজ পিঠ, বড় মাথা ও লম্বা ঠোটবিশিষ্ট এক প্রকার শিকারী পাখি)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, নং ৮৪১৫; আহমাদ ১/৩৩২; আবূ দাউদ, আদাব ৫২৬৭; ইবনু মাজাহ, সাইদ ৩২২৪।
আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬৪৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১০৭৮ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أُمِّ شَرِيكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِقَتْلِ الْأَوْزَاغِ
২০৩৮. উম্মু শারীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গিরগিটি জাতীয় প্রাণী হত্যা করতে নির্দেশ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ এবং এটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, বাদউল খালক ৩৩০৭; মুসলিম, সালাম ২২৩৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬৩৪ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৫৩ তে।
حَدَّثَنَا أَبُو زَيْدٍ سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْمُجَثَّمَةِ وَعَنْ لَبَنِ الْجَلَّالَةِ وَأَنْ يُشْرَبَ مِنْ فِي السِّقَاءِ
২০৩৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মুজাসসামা’ (যে প্রাণীকে পাথর ইত্যাদি নিক্ষেপের দ্বারা হত্যা করা হয়) খেতে এবং ‘জাল্লালাহ’ (নাপাকী দ্রব্য আহারকারী)-এর দুধপান করতে এবং মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তাখরীজ: আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৯৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৬৩ তে। ((আবূ দাউদ, আত’আমাহ ৩৭৮৬; তিরমিযী, আত’আমাহ ১৮২৬; নাসাঈ, যাহাইয়া ৭/২৪০।– ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২০০১ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))
أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَيْدِ الْكَلْبِ فَقَالَ مَا أَمْسَكَ عَلَيْكَ فَكُلْ فَإِنَّ أَخْذَهُ ذَكَاتُهُ وَإِنْ وَجَدْتَ مَعَهُ كَلْبًا فَخَشِيتَ أَنْ يَكُونَ قَدْ أَخَذَهُ مَعَهُ وَقَدْ قَتَلَهُ فَلَا تَأْكُلْهُ فَإِنَّكَ إِنَّمَا ذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ عَلَى كَلْبِكَ وَلَمْ تَذْكُرْهُ عَلَى غَيْرِهِ
২০৪০. আদী ইবনু হাতীম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আমি কুকুরের দ্বারা প্রাপ্ত শিকার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে তিনি বললেনঃ যে শিকারকে কুকুর তোমার জন্য ধরে রাখে সেটি খাও। কেননা, কুকুরের শিকার করা যবেহর হুকুম রাখে। তবে তুমি যদি তোমার কুকুরের সঙ্গে অন্য কুকুর পাও এবং তুমি আশঙ্কা কর যে, অন্য কুকুরটিও তোমার কুকুরের শিকার ধরেছে এবং হত্যা করেছে, তাহলে তা খেও না। কারণ, তুমি তো কেবল নিজের কুকুর ছাড়ার সময় বিসমিল্লাহ বলেছ। অন্যের কুকুরের জন্য তা বলনি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ । এটি বুখারী ও মুসিলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, উযূ ১৭৫ অংশবিশেষ; মুসলিম, সাইদ ওয়ায যাবাইহ ১৯২৯।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৮০, ৫৮৮১ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৩৮, ৯৩৯, ৯৪২ তে।