হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2143)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بَلَغَ عُمَرَ أَنَّ سَمُرَةَ بَاعَ خَمْرًا فَقَالَ قَاتَلَ اللَّهُ سَمُرَةَ أَمَا عَلِمَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ حُرِّمَتْ عَلَيْهِمْ الشُّحُومُ فَجَمَلُوهَا فَبَاعُوهَا قَالَ سُفْيَانُ جَمَلُوهَا أَذَابُوهَا




২১৪৩. ইবন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট এই সংবাদ পৌছল যে, সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদ বিক্রি করেছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ সামুরার সর্বনাশ করুক। সে কি জানে না যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহুদী জাতির উপর অভিশাপ দিয়েছেন। তাদের উপর চর্বি হারাম করা হয়েছিল। এরপর তারা তা গলিয়ে বিক্রি করে।[1]

সুফিয়ান বলেন, جَمَلُوهَا তথা ‘তা গলাতো’ অর্থ: ‘তরলে রুপান্তরিত করত’।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ ২২২৩; মুসলিম, মুসাক্বাহ ১৫৮২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৯৩৮, ৬২৫৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2144)


حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَكِرَ فَاجْلِدُوهُ ثُمَّ إِذَا سَكِرَ فَاجْلِدُوهُ ثُمَّ إِذَا سَكِرَ فَاجْلِدُوهُ ثُمَّ إِذَا سَكِرَ فَاضْرِبُوا عُنُقَهُ يَعْنِي فِي الرَّابِعَةِ




২১৪৪. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন কোনো ব্যক্তি নেশা করে, তোমরা তাকে চাবুক মারবে। অতঃপর পুণরায় নেশা করলে তাকে চাবুক মারবে। অতঃপর পুণরায় নেশা করলে তাকে চাবুক মারবে। অতঃপর পুণরায় নেশা করলে তার গর্দান মেরে দাও। অর্থাৎ চতুর্থবারে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪৪৭ ও ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫১৭ তে।

আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে মুয়াবিয়া হতে, আমরা যার পূর্ণাঙ্গ টীকা সহ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ১৩/৩৪৯-৩৫৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪৪৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫১৯ তে। আরও দেখুন, নিসবুর রায়াহ ৩/৩৪৬-৩৪৭।









সুনান আদ-দারিমী (2145)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَسْرِقُ السَّارِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ




২১৪৫. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন ব্যভিচারী মু’মিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না এবং কোন চোর মু’মিন অবস্থায় চুরি করে না এবং কোন মদ্যপায়ী মু’মিন অবস্থায় মদ পান করে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, মাযালিম ২৪৭৫; মুসলিম, ঈমান ৫৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২৯৯, ৬৩০০, ৬৩৬৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬, ৫১৭২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৬২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2146)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ كَانَ يُنْبَذُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي السِّقَاءِ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ سِقَاءٌ نُبِذَ لَهُ فِي تَوْرٍ مِنْ بِرَامٍ




২১৪৬. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য মশকে নবীয প্রস্তুত করা হতো। মশক না পাওয়া গেলে (পাথর নির্মিত) গামলা জাতীয় বড় পাত্রে নবীয প্রস্তুত করা হতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ১৯৯৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭৬৯ ; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৮৭, ৫৩৯৬, ৫৪১২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৩২০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2147)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو السَّيْبَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أَبَاهُ أَوْ أَنَّ رَجُلًا مِنْهُمْ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا قَدْ خَرَجْنَا مِنْ حَيْثُ عَلِمْتَ وَنَزَلْنَا بَيْنَ ظَهْرَانَيْ مَنْ قَدْ عَلِمْتَ فَمَنْ وَلِيُّنَا قَالَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا كُنَّا أَصْحَابَ كَرْمٍ وَخَمْرٍ وَإِنَّ اللَّهَ قَدْ حَرَّمَ الْخَمْرَ فَمَا نَصْنَعُ بِالْكَرْمِ قَالَ اصْنَعُوهُ زَبِيبًا قَالُوا فَمَا نَصْنَعُ بِالزَّبِيبِ قَالَ انْقَعُوهُ فِي الشِّنَانِ انْقَعُوهُ عَلَى غَدَائِكُمْ وَاشْرَبُوهُ عَلَى عَشَائِكُمْ وَانْقَعُوهُ عَلَى عَشَائِكُمْ وَاشْرَبُوهُ عَلَى غَدَائِكُمْ فَإِنَّهُ إِذَا أَتَى عَلَيْهِ الْعَصْرَانِ كَانَ خَلًّا قَبْلَ أَنْ يَكُونَ خَمْرًا




২১৪৭. দায়লামীর পূত্র আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত। তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, একদা তার পিতা অথবা তাদের মধ্যকার অপর এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসা করেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি তো জানেন, আমরা কোথা থেকে আমরা এসেছি, আবার আপনি এও জানেন যে, আমরা কাদের মাঝ দিয়ে এসেছি ? আমাদের ওলী বা তত্তাবধানকারী কে? তিনি বলেনঃ “আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল।“ তখন তারা বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এমন অঞ্চলে বাস করি যেখানে প্রচুর আংগুর ও মদ উৎপাদন হয়। আর মদ তো আল্লাহ হারাম করেছেন। এখন আঙ্গুরের ব্যাপারে আমরা কি করবো? তিনি বলেনঃ “তোমরা তা শুকিয়ে কিশমিশ হিসেবে রেখে দেবে।“ এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আমরা কিশমিশ দিয়ে কি করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা তা চামড়ার মশকের মধ্যে ভিজিয়ে রাখবে। তা সকালে ভিজিয়ে রেখে সন্ধ্যায় পান করবে এবং সন্ধ্যায় ভিজিয়ে রেখে সকালে পান করবে। আর দু’বেলা অতিক্রান্ত হলে তা মদে পরিণত হওয়ার পূর্বে তা সিরকায় পরিণত হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুহাম্মদ ইবনু কাছীর যঈফ। তবে অনেক বিশ্বস্ত রাবী তার অনূসরণে বর্ণনা করেছেন যেমন আমরা তাখরীজে উল্লেখ করেছি।

তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ১৮/৩৩১ নং ৮৫১; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৫২৪৪; আবূ ইয়ালা মাউসিলী সংক্ষেপে নং ৬৮২৫; আহমাদও সংক্ষেপে ৪/২৩২; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তারজমাহ ৮৬৭ সহীহ সনদে এবং অপর একটি সহীহ সনদে। এছাড়া আহমাদ ৪/৩৩২; আবূ দাউদ, আশরিবাহ ৩৭১০; নাসাঈ, কুবরা নং ৫২৪৫ এ অপর একটি সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2148)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَزْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ فَقَالَ حَرَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَقِيتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ صَدَقَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ




২১৪৮. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে মাটির কলসে তৈরী করা নবীয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হারাম করেছেন। এরপর আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে সাক্ষাত করে তাকে ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্যটি জানালাম। তখন তিনি বললেন: আবূ আব্দুর রহমান ঠিকই বলেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত। তবে সাঈদ হতে তাঁর স্মৃতিশক্তি এলোমেলো হওয়ার পূর্বে তাঁর থেকে যারা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্যে সাঈদ ইবনু আমিরের নাম উল্লিখিত হয়নি। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ১৯৯৭; ]

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৪০৩।

এছাড়া, তাবারাণী, কাবীর ১২/৪৩ নং ১২৪২০; আরো দেখুন, ১২৩৫৫, ১২৪৪৭, ১২৫৫৫, ১২৬৩২, ১২৯৫৯, ১২৯৫০।









সুনান আদ-দারিমী (2149)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَنْتَبِذُوا فِي الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ




২১৪৯. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা দু’ব্বা (লাউয়ের খোল) ও মুযাফফাত’ (আলকাতরার প্রলেপযুক্ত পাত্র) এ নবীয প্রস্তুত করো না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৫৮৭; মুসলিম, আশরিবাহ ১৯৯২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৪৫, ৩৫৮৯, ৩৫৯৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2150)


أَخْبَرَنَا أَبُو زَيْدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ أَوْ سَمِعْتُهُ سُئِلَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَسَأَلْتُ ابْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُحَرِّمَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَوْ مَنْ كَانَ مُحَرِّمًا مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَلْيُحَرِّمْ النَّبِيذَ قَالَ وَحَدَّثَنِي أَخِي عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَعَنْ الْبُسْرِ وَالتَّمْرِ




২১৫০. আবীল হাকাম বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে কলসে তৈরী করা নবীয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম বা তাকে জিজ্ঞেস করতে শুনলাম। তখন তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কলস ও ‘দুব্বা’(লাউয়ের খোল থেকে তৈরী পাত্র) থেকে নিষেধ করেছেন। আমি ইবনুয যুবাইর রাহি. কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনিও ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরূপ কথা বললেন।

তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হারামকৃত বস্তুকে হারাম জেনে খুশী হয়, অথবা, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হারামকৃত বস্তুকে হারাম জানে, সে যেনো নবীযকে হারাম জানে।তিনি বলেন, আমার ভাই আবী সাঈদ খুদরী হতে বর্ণনা করেন, যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কলস ও ‘দুব্বা’(লাউয়ের খোল থেকে তৈরী পাত্র) ও মুযাফ্ফাত (আলকাতরার প্রলেপযুক্ত পাত্রের ব্যবহার) থেকে এবং কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুর (এর নবীয) থেকে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ১/২৭, ২২৯; তায়ালিসী ১/৩৩৪ নং ১৬৯৯; তাবারাণী, কাবীর ১২/১৫২-১৫৩ নং ১২৭৩৮; মাওকুফ হিসেবে বর্ণনাটি তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ২৩৪৪;

আর ইবনু যুবাইরের হাদীসটি আমরা তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৮০৯ তে।

আর আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন মুসনাদুল মাওসিলী নং ১২২৩ তে, এর সনদে জাহালাত রয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ। দেখুন, মুসনাদুল মাওসিলী নং ১০৪১, ১১৩৯, ১১৭৬, ১১৭৭, ১২১১, ১৩২২, ১৪৪০।









সুনান আদ-দারিমী (2151)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ زَيْدٍ الرَّقَاشِيِّ أَنَّهُ أَتَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُغَفَّلٍ فَقَالَ أَخْبِرْنِي بِمَا يَحْرُمُ عَلَيْنَا مِنْ الشَّرَابِ فَقَالَ الْخَمْرُ قَالَ قُلْتُ هُوَ فِي الْقُرْآنِ قَالَ مَا أُحَدِّثُكَ إِلَّا مَا سَمِعْتُ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَدَأَ بِالِاسْمِ أَوْ قَالَ بِالرِّسَالَةِ قَالَ نَهَى عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالنَّقِيرِ




২১৫১. ফুযাইল ইবনু যাইদ আর রাক্কাশী রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফ্ফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর এসে বললেন, আমাদের যে সকল পানীয় হারাম করা হয়েছে, আপনি আমাকে সেগুলি জানান। তিনি বললেন, মদ। তিনি বলেন, আমি বললাম, তা তো কুরআনেই আছে।

তিনি বললেন, আমি তোমাকে কেবল এমন হাদীসই বর্ণনা করব, যা আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি।– তিনি তাঁর নাম দিয়ে কিংবা রিসালাত দিয়ে শুরু করলেন।তিনি বলেন, তখন তিনি বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘দুব্বা’ (লাউয়ের খোলের) ও ‘হানতাম’ (মাটি দ্বারা তৈরী এক প্রকার সবুজ কলস) ও ‘নাকির’ (খেজুর গাছের মুল-কাণ্ড খুঁড়ে বানানো কাঠের পাত্র বিশেষ) ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/৩৩৭-৩৩৮ নং ১৭১৬; আহমাদ ৪/৮৬, ৫/৫৭; তাবারাণী, আওসাত নং ৫২৭৬।









সুনান আদ-দারিমী (2152)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَسَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ وَاللَّفْظُ لِيَزِيدَ قَالَا أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَنْتَبِذُوا الزَّهْوَ وَالرُّطَبَ جَمِيعًا وَلَا تَنْتَبِذُوا الزَّبِيبَ وَالتَّمْرَ جَمِيعًا وَانْتَبِذُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى حِدَتِهِ




২১৫২. আবূ ক্বাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা খুরমা ও তাজা-পাকা খেজুর এবং কিসমিস ও খুরমা একত্র করে নবীয প্রস্তুত করো না। আর এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদাভাবে ভিজিয়ে ‘নবীয’ তৈরী করবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/, ২৯৫, ৩০৭, ৩১০ ;বুখারী, আশরিবাহ ৫৬০২; মুসলিম, আশরিবাহ ১৯৮৮; নাসাঈ, আল কুবরা ৫০৭০, ৫০৭৬, ৫০৭৭; ইবনু মাজাহ, আশরিবাহ ৩৩৯৭।









সুনান আদ-দারিমী (2153)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَقُولُوا الْكَرْمَ وَقُولُوا الْعِنَبَ أَوْ الْحَبَلَةَ




২১৫৩. ওয়ায়িল ইবনু হুজর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আর তোমাদের কেউ আঙ্গুরকে (বুঝানর জন্য) ‘আল কারামু’ বলবে না বরং ‘আল ইনাবু’ ও ‘আল হাবলাহ’ বলবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আলফাজ ২২৪৮; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ২/২০৮।

আবী হুরাইরা হতে এ বাবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সমিমল্লিত ভাবে বর্ণিত। আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি zwj;মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৩০ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯২৯ এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৮৩২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2154)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ السُّدِّيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ فِي حِجْرِ أَبِي طَلْحَةَ يَتَامَى فَاشْتَرَى لَهُمْ خَمْرًا فَلَمَّا نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ أَجْعَلُهُ خَلًّا قَالَ لَا فَأَهْرَاقَهُ




২১৫৪. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তিনি আবূ তালুহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বাড়িতে ইয়াতীম হিসাবে ছিলেন। আর তিনি তাদের জন্য মদ কিনে আনতেন। এরপর যখন মদ হারাম করে আয়াত নাযিল হলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে তার নিকট তা উল্লেখ করলেন। তখন আবূ তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু জিজ্ঞাসা করেনঃ আমি কি এ দিয়ে সির্কা বানাব না? তিনি বলেনঃ “না।“ ফলে তিনি তা ঢেলে ফেলে দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, ইসমাঈল সুদ্দী’র কারণে।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ১৯৮৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪০৪৫, ৪০৫১ তে।

এছাড়াও, ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ৪/১৪৮।









সুনান আদ-দারিমী (2155)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَرِبَ لَبَنًا وَعَنْ يَسَارِهِ أَبُو بَكْرٍ وَعَنْ يَمِينِهِ رَجُلٌ أَعْرَابِيٌّ فَأَعْطَى الْأَعْرَابِيَّ فَضْلَهُ ثُمَّ قَالَ الْأَيْمَنَ فَالْأَيْمَنَ




২১৫৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দুধ পান করতে দেখেন। তখন তাঁর বাম দিকে ছিলেন আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এবং ডান দিকে জনৈক মরুবাসী বেদুঈন বসা ছিল। তিনি (দুধ পান) করে বাকী দুধ উক্ত বেদুঈনকে দিয়ে বলেনঃ “ডান দিক, ডান দিকে দাও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, মুসাকাহ ২৩৫২; মুসলিম, আশরিবাহ ২০২৯;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৫২,৩৫৫৩, ৩৫৫৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৩৩, ৫৩৩৪, ৫৩৩৬ এবং zwj;মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২১৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2156)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يُشْرَبَ مِنْ فِي السِّقَاءِ




২১৫৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবূ দাউদ, আশরিবাহ ৩৭১৯; ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৭-২০৮ নং ৪১৮০; তাবারাণী, আল কাবীর ১১/৩০৬ নং ১১৮১৯, ১১৮২১; আহমাদ ১/২২৬, ২৯৩, ৩২১; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮২৬; বুখারী, আশরিবাহ ৫৬২৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৩০৪০; ইবনু মাজাহ, আশরিবাহ ৩৪২১; আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৮০, ২৪৯৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩১৬ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৬৮।









সুনান আদ-দারিমী (2157)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُشْرَبَ مِنْ فِي السِّقَاءِ




২১৫৭. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৬২৭, ৫৬২৮;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি zwj;মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৭৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2158)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ اخْتِنَاثِ الْأَسْقِيَةِ




২১৫৮. আবূ সা#39;ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ বাঁকা করে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৬৫২৫, ৬৫২৬; মুসলিম, আশরিবাহ ২০২৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি zwj;মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৬, ১১২৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩১৭ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৭।









সুনান আদ-দারিমী (2159)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَزْرَةُ بْنُ ثَابِتٍ عَنْ ثُمَامَةَ قَالَ كَانَ أَنَسٌ يَتَنَفَّسُ فِي الْإِنَاءِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا وَزَعَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَتَنَفَّسُ فِي الْإِنَاءِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا




২১৫৯. ছুমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পাত্র হতে (পান করার সময়) দুই কিংবা তিনবার দম নিতেন, আর তাঁর ধারণা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্র হতে দুই কিংবা তিন দমে (পানি) পান করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৬৩১; মুসলিম, আশরিবাহ ২০২৮;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩২৯ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/২১৮ নং ৪২২৪৪।









সুনান আদ-দারিমী (2160)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ حَبِيبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى قَالَ كُنْتُ عِنْدَ مَرْوَانَ فَجَاءَ أَبُو سَعِيدٍ فَقَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لَا أَرْوَى مِنْ نَفَسٍ وَاحِدٍ قَالَ فَأَبِنْ الْإِنَاءَ عَنْ فِيكَ ثُمَّ تَنَفَّسْ قَالَ إِنِّي أَرَى الْقَذَاةَ قَالَ أَهْرِقْهُ




২১৬০. আবীল মুছান্না রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মারওয়ানের নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় সেখানে আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রবেশ করলেন। আর তিনি বললেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি তো এক শ্বাসে পানি পান করে তৃপ্তি পাই না। তিনি বললেন: “তাহলে তোমার মুখ থেকে পানির পেয়ালাটি সরিয়ে নিবে এবং শ্বাস ফেলবে।“ লোকটি বলল, পাত্রে আবর্জনা পরিলক্ষিত হলে? তিনি বললেন: “তা ঢেলে ফেলে দাও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩২৭ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৬৭।

এছাড়াও, আহমাদ ৩/৫৭; ইবনু আবী শাইবা ৮/২২০ নং ৪৩২০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১১/৩৭২ নং ৩০৩৬; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ১/৩৯১। দেখুন, ফাতুহল বারী ১০/৯৩; নাইলুল আওতার ৯/৭৮-৮০; ইবনু আবী শাইবা ৮/২৬-২১৮।









সুনান আদ-দারিমী (2161)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا بَالَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَمَسَّ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ وَلَا يَسْتَنْجِي بِيَمِينِهِ وَلَا يَتَنَفَّسْ فِي الْإِنَاءِ




২১৬১. আবী কাতাদা তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “তোমাদের কেউ যখন পেশাব করে তখন সে যেন ডান হাত দিয়ে তার পুরূষাঙ্গ স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে ইসতিনজা না করে এবং (পান করার সময়) যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ছাড়ে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, উযু ১৫৩-১৫৪; মুসলিম, ত্বহারাত ২৬৭;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩২৯ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/২১৮ নং ৪২২৪৪।









সুনান আদ-দারিমী (2162)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَتَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ يَعُودُهُ وَجَدْوَلٌ يَجْرِي فَقَالَ إِنْ كَانَ عِنْدَكُمْ مَاءٌ بَاتَ فِي الشَّنِّ وَإِلَّا كَرَعْنَا




২১৬২. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক লোকের কাছে গেলেন। এরপর তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন। আর (পাশ দিয়ে) পানির নহর প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি আনসারীকে বললেনঃ “তোমার কাছে যদি মশকে রাখা গত রাতের পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাও। আর না থাকলে আমরা (নদীতে) মুখ লাগিয়েই পান করব।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৬১৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি zwj;মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০৯৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩১৪, ৫৩৮৯ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/২২৮-২২৯ নং ৪২৬৮।