হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2163)


حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ الْخُزَاعِيُّ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ الْبَرَاءِ ابْنِ ابْنَةِ أَنَسٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ أُمِّ سُلَيْمٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَرِبَ مِنْ فَمِ قِرْبَةٍ قَائِمًا




২১৬৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে দাঁড়িয়ে পানি পান করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমাদ ৬/৩৭৬, ৪৩১; তিরমিযী, শামাইল ২১৫; তাবারাণী, আল কাবীর ২৫/১২৭ নং ৩০৭।









সুনান আদ-দারিমী (2164)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ عَنْ أَبِي الْبَزَرِيِّ يَزِيدَ بْنِ عُطَارِدَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنَّا نَشْرَبُ وَنَحْنُ قِيَامٌ وَنَأْكُلُ وَنَحْنُ نَسْعَى عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




২১৬৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমরা দাঁড়িয়ে পান করতাম এবং হাঁটতে হাঁটতে খেতাম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫২৪৩, ৫৩২২, ৫৩২৫ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৬৯, ১৩৭০, ১৩৭১।

এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৫ নং ৪১৬৭।









সুনান আদ-দারিমী (2165)


أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ نَحْوَهُ




২১৬৫. (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৫ নং ৪১৭০। আরো দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৩-২০৬।









সুনান আদ-দারিমী (2166)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الشُّرْبِ قَائِمًا قَالَ فَسَأَلْتُهُ عَنْ الْأَكْلِ فَقَالَ ذَاكَ أَخْبَثُ




২১৬৬. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, আমি তাঁকে (দাঁড়িয়ে) খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,“ সেটি তো আরও অধিক মন্দ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আশরিবাহ ২০২৪;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৬৭, ২৯৭৩, ৩১১১, ৩১৬৫, ৩১৯৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2167)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي زِيَادٍ الطَّحَّانِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِرَجُلٍ رَآهُ يَشْرَبُ قَائِمًا قِئْ قَالَ لِمَ قَالَ أَتُحِبُّ أَنْ تَشْرَبَ مَعَ الْهِرِّ قَالَ لَا قَالَ فَقَدْ شَرِبَ مَعَكَ شَرٌّ مِنْهُ الشَّيْطَانُ




২১৬৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে পানি পান করতে দেখে তাকে বলেন,“তুমি বিড়ালের সাথে পান করতে পছন্দ করবে কি?“ সে বললো, না। তিনি বললেন: “এর চেয়েও অধিক অনিষ্টকারী শয়তান তোমার সাথে পান করেছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/৩০১; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৩/১৯; দেখুন, ফাতহুল বারী ১০/৮২।

ইমাম নাবাবী এ উভয় প্রকার হাদীসের সমন্বয় সাধনে তার শারহে মুসলিম ৪/৭৭ এ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। যার সংক্ষিপ্ত সার: দাঁড়িয়ে পান করার নিষেধাজ্ঞা মুলত: মাকরূহ তানযীহী। আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাঁড়িয়ে পান করার বর্ণনা মুলত: তা জায়েয বর্ণনা করে দেওয়া উদ্দেশ্য।“ আরও দেখুন, ফাতহুল বারী ১০/৮১-৮৫; ইবনু আবী শাইবা ৮/২০৩-২০৬।









সুনান আদ-দারিমী (2168)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الَّذِي يَشْرَبُ فِي آنِيَةٍ مِنْ فِضَّةٍ فَإِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ




২১৬৮. উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি রৌপ্য পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের অগ্নি প্রবিষ্ট করায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৬৩৪; মুসলিম, লিবাস ২০৬৫;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮৮২, ৬৯১৩, ৬৯৩৯, ৬৯৯৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৪১, ৫৩৪২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2169)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ خَرَجْنَا مَعَ حُذَيْفَةَ إِلَى الْمَدَائِنِ فَاسْتَسْقَى فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِإِنَاءٍ مِنْ فِضَّةٍ فَرَمَى بِهِ وَجْهَهُ فَقُلْنَا اسْكُتُوا فَإِنَّا إِنْ سَأَلْنَاهُ لَمْ يُحَدِّثْنَا فَلَمَّا كَانَ بَعْدُ قَالَ أَتَدْرُونَ لِمَ رَمَيْتُهُ قُلْنَا لَا قَالَ إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُهُ وَذَكَرَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ نَهَى عَنْ الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَعَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَقَالَ هُمَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الْآخِرَةِ




২১৬৯. ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে মাদাইন অভিমুখে বের হলাম। এরপর একসময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন তাঁর নিকট একজন গোত্রপতি একটি রূপার পাত্র নিয়ে হাজির হলো। তিনি সেটি তার মুখের উপর ছুঁড়ে মারলেন। তখন আমরা বললাম: তোমরা থামো। কেননা, আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা না করলে, তিনি আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেন না। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেন, আমি এটি কেন নিক্ষেপ করেছি তা কি তোমরা জানো? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, আমি এ ব্যক্তিকে এরূপ করতে (এর আগে) নিষেধ করেছিলাম। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উদ্ধৃত করে বলেন, তিনি স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে পান করতে এবং মোটা ও পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তি এও বলেছেন, “এ দু’টি বস্তু দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য তা আখিরাতের ভোগ্য বস্তু।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আতইমাহ ৫৪২৬, আশরিবাহ ৫৬৩৩; মুসলিম, লিবাস ওয়ায যিনাত ২০৬৭;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৩৯, ৫৩৪৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৪৪, ৪৪৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2170)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ حَدَّثَنِي جَابِرٌ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حُمَيْدٍ السَّاعِدِيُّ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَبَنٍ فَقَالَ أَلَا خَمَّرْتَهُ وَلَوْ تَعْرِضُ عَلَيْهِ عُودًا




২১৭০. আবী হুমাইদ সাঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক বাটী দুধ নিয়ে আসলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ তুমি এটিকে ঢাকলে না? একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, আশরিবাহ ৫৬০৫, ৫৬০৬; মুসলিম, লিবাস ২০১০;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৭০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2171)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدٍ عَنْ سُهَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِتَغْطِيَةِ الْوَضُوءِ وَإِيكَاءِ السِّقَاءِ وَإِكْفَاءِ الْإِنَاءِ




২১৭১. অবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযুর পানি ঢেকে রাখতে, মশকের মুখ বন্ধ করতে এবং খালি পাত্র উপুড় করে রাখতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/৩৬৭; ইবনু মাজাহ, আশরিবাহ ৩৪১১; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ১২৮; বাইহাকী, তাহারাত ১/২৫৭।

এর শাহিদ রয়েছে বুখারী, বাদাউল খালক ৩৩০৪; মুসলিম, আশরিবাহ ২০১২। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৭২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2172)


أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ حَبِيبٍ عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى الْجُهَنِيِّ قَالَ قَالَ مَرْوَانُ لِأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ هَلْ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَى عَنْ النَّفْخِ فِي الشَّرَابِ قَالَ نَعَمْ




২১৭২. আবীল মুছান্না আল জুহানী (রহঃ) বলেন, মারওয়ান আবূ সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পানীয় দ্রব্যে ফুঁক দিতে নিষেধ করতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: এটি ২১৬৭ (অনুবাদে ২১৫৭) নং এ গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (2173)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيِّ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ النَّفْخِ فِي الشَّرَابِ




২১৭৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানীয় দ্রব্যে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসনাদুল হুমাইদী (আমাদের তাহক্বীক্বকৃত) নং ৫৩৫।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪০২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩১৬ তে। এছাড়া, বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৩০৩৫।









সুনান আদ-দারিমী (2174)


حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَسُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاقِي الْقَوْمِ آخِرُهُمْ شُرْبًا




২১৭৪. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “লোকদেরকে পানি পরিবেশনকারী সর্বশেষে পান করবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, মাসাজিদ ৬৮১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৩৩৮ তে। এছাড়াও, তাবারাণী, সগীর ২/৪০।









সুনান আদ-দারিমী (2175)


أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبَانُ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ قُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ قَوْلُ اللَّهِ لَهُمْ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا فَقَالَ سَأَلْتَنِي عَنْ شَيْءٍ مَا سَأَلَنِي عَنْهُ أَحَدٌ قَبْلَكَ أَوْ أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِي قَالَ هِيَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُسْلِمُ أَوْ تُرَى لَهُ




২১৭৫. উবাদাহ ইবনু ছামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া নবীয়াল্লাহ! আল্লাহ তা’আলার বাণীর (অর্থ কি?): “তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে রয়েছে সুসংবাদ।“ (ইউনূস: ৬৪) তিনি বললেন, “তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, যা তোমার পূর্বে কেউ কিংবা আমার উম্মাতের কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেনি।“ তিনি বলেন, “এটি হলো সুস্বপ্ন যা কোনো মুসলিম দেখে থাকে, কিংবা তার সম্পর্কে (অন্যকে) দেখানো হয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ, যদি আবী সালামাহ উবাদাহ হতে শ্রবণ করেন। ইবনু খিরাশ বলেন, আবী সালামাহ উবাদাহ ইবনু ছামিত হতে কিছু শোনেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ: তাবারী, তাফসীর ১১/ ১৩৩, ১৩৪,১৩৫, ১৩৬; আহমাদ ৫/৩১৫; ইবনু মাজাহ, তা’বীরুর রু’ইয়া ৩৮৯৮; তিরমিযী, রু’ইয়া ২২৭৬; হাকিম ৪/৩৯১ মুনকাতি বা বিচ্ছন্ন সনদে।

এর শাহিদ রয়েছে ইবনু আব্বাসের হাদীস সহীহ মুসলিম, সালাত ৪৭৯ তে।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৭, ২৩৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৯৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৯৫। তে।









সুনান আদ-দারিমী (2176)


أَخْبَرَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُؤْيَا الْمُؤْمِنِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنْ النُّبُوَّةِ




২১৭৬. উবাদাহ ইবনু ছামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “মুসলিমের স্বপ্ন নবুওয়াতের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, তা’বীর ৬৯৮৭; মুসলিম, রু’ইয়া ২২৬৪;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩২৩৭ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১১/৫১-৫২ নং ১০৫০২; তায়ালিসী ১/৩৪৯ নং ১৭৮৮; হাইছাম ইবনু কুলাইব, আল মুসনাদ নং ১১৬৭, ১১৬৮।

আর আনাসের হাদীসের আমরা তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৪৩০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৪৩ তে। সনদ সহীহ, আর এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2177)


حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سِبَاعِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أُمِّ كُرْزٍ الْكَعْبِيَّةِ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ ذَهَبَتْ النُّبُوَّةُ وَبَقِيَتْ الْمُبَشِّرَاتُ




২১৭৭. উম্মু কুরয আল কা’বিয়াহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “নবুওয়াত সমাপ্ত হয়ে গেছে, তবে মুবাশশিরাত বা সুসংবাদ অবশিষ্ট রয়ে গেছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৪৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৫১ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2178)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَمَثَّلُ مِثْلِي




২১৭৮. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখে, সে যেন (সত্যই) আমাকেই দেখল। কেননা, শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২৫০ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১১/৫৫ নং ১০৫১৬।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা ও আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যা বুখারী বর্ণনা করেছেন। এর তাখরীজ আমরা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৪৮৮ ও ৩২৮৫ তে। এছাড়া আবী দারদার হাদীসের আমরা তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৯৫ তে। যেমন জাবিরের হাদীস আমরা তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২২৬২ তে ও আবী জুহাইফাহর হাদীস ৮৮১ নং এ। দেখুন, ইবনু আবী, শাইবা, ১১/৫৫-৫৬।









সুনান আদ-দারিমী (2179)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ الزُّبَيْدِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَأَى الْحَقَّ




২১৭৯. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখে, সে যেন প্রকৃতপক্ষে (আমাকে) দেখল।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩০৬; বুখারী, তা’বীর ৬৯৯৬; মুসলিম, রু’ইয়া ২২৬৭।









সুনান আদ-দারিমী (2180)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ مِنْ اللَّهِ وَالْحُلْمُ مِنْ الشَّيْطَانِ فَإِذَا حَلَمَ أَحَدُكُمْ حُلْمًا يَخَافُهُ فَلْيَبْصُقْ عَنْ شِمَالِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ وَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهَا لَا تَضُرُّهُ




২১৮০. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের তরফ হতে হয়ে থাকে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক মন্দ স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলে আর শয়তানের ক্ষতি হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। তা হলে এমন স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, বাদাউল খালক ৩২৯২; মুসলিম, রু’ইয়া ২২৬১;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৫৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2181)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ إِنْ كُنْتُ لَأَرَى الرُّؤْيَا تُمْرِضُنِي فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِأَبِي قَتَادَةَ قَالَ وَأَنَا إِنْ كُنْتُ لَأَرَى الرُّؤْيَا تُمْرِضُنِي حَتَّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ مِنْ اللَّهِ فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مَا يُحِبُّ فَلْيَحْمَدْ اللَّهَ وَلَا يُحَدِّثْ بِهَا إِلَّا مَنْ يُحِبُّ وَإِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ فَلْيَتْفُلْ عَنْ يَسَارِهِ ثَلَاثًا وَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا وَلَا يُحَدِّثْ بِهَا أَحَدًا فَإِنَّهَا لَنْ تَضُرَّهُ




২১৮১. আবূ সালামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে ফেলত। অবশেষে আমি আবূ ক্বাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট তা বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে দিত। অবশেষে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, “পছন্দনীয় স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই যখন কেউ পছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে এবং এমন লোকের কাছেই বলবে, যাকে সে পছন্দ করে। আর যখন অপছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন যেন সে এর ক্ষতি ও শয়তানের ক্ষতি থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তিনবার থু থু ফেলে আর সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, তা’বীর ৭০৪৪; মুসলিম, রু’ইয়া ২২৬১;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2182)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ مَخْلَدِ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرُّؤْيَا ثَلَاثٌ فَالرُّؤْيَا الْحَسَنَةُ بُشْرَى مِنْ اللَّهِ وَالرُّؤْيَا تَحْزِينٌ مِنْ الشَّيْطَانِ وَالرُّؤْيَا مِمَّا يُحَدِّثُ بِهِ الْإِنْسَانُ نَفْسَهُ فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مَا يَكْرَهُهُ فَلَا يُحَدِّثْ بِهِ وَلْيَقُمْ وَلْيُصَلِّ




২১৮২. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “স্বপ্ন তিন প্রকার: সুস্বপ্ন যা আল্লাহর তরফ হতে সুসংবাদ, শয়তানের তরফ থেকে ভয় দেখানো এবং মানুষ মনে মনে যে কল্পনা করে। তাই যদি কেউ অপছন্দনীয় কিছু দেখে তবে সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। বরং উঠে যেন (নফল) সালাত আদায় করে নেয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, তা’বীর ৭০১৭; মুসলিম, রু’ইয়া ২২৬৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৪০। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।