সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ صَالِحِ بْنِ صَالِحِ بْنِ حَيٍّ الْهَمْدَانِيِّ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ الشَّعْبِيِّ فَأَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ خُرَاسَانَ فَقَالَ يَا أَبَا عَمْرٍو إِنَّ مَنْ قِبَلَنَا مِنْ أَهْلِ خُرَاسَانَ يَقُولُونَ فِي الرَّجُلِ إِذَا أَعْتَقَ أَمَتَهُ ثُمَّ تَزَوَّجَهَا فَهُوَ كَالرَّاكِبِ بَدَنَتَهُ فَقَالَ الشَّعْبِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ بْنُ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ يُؤْتَوْنَ أَجْرَهُمْ مَرَّتَيْنِ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ آمَنَ بِنَبِيِّهِ ثُمَّ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَآمَنَ بِهِ وَاتَّبَعَهُ وَعَبْدٌ مَمْلُوكٌ أَدَّى حَقَّ اللَّهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ فَلَهُ أَجْرَانِ وَرَجُلٌ كَانَتْ لَهُ أَمَةٌ فَغَذَّاهَا فَأَحْسَنَ غِذَاءَهَا وَأَدَّبَهَا فَأَحْسَنَ تَأْدِيبَهَا فَأَعْتَقَهَا وَتَزَوَّجَهَا فَلَهُ أَجْرَانِ ثُمَّ قَالَ لِلرَّجُلِ خُذْ هَذَا الْحَدِيثَ بِغَيْرِ شَيْءٍ فَقَدْ كَانَ يُرْحَلُ فِيمَا دُونَ هَذَا إِلَى الْمَدِينَةِ قَالَ هُشَيْمٌ أَفَادُونِي بِالْبَصْرَةِ فَأَتَيْتُهُ فَسَأَلْتُهُ عَنْهُ
২২৮৩. সালিহ ইবনু সালিহ ইবনু হাই আল হামদানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শা’বী (রহঃ) এর নিকট ছিলাম। এমতাবস্থায় খুরাসানের অধিবাসী এক লোক এসে তাকে বললো, হে আবী আমর! কোনো ব্যক্তি যদি তার ক্রীতদাসীকে মুক্ত করে দিয়ে তাকে বিয়ে করতো, তবে খুরাসানের প্রাচীন অধিবাসীরা বলতো যে, সে যেন নিজের কোরবানীর পশুর পিঠে আরোহণকারী ব্যক্তির মতো। তখন শা’বী বললেন, আবূ বুরদা (র), তাঁর পিতা আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্zwnj; সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তিন ধরনের লোকের জন্য দুটি সওয়াব দেয়া হবে: (১) আহলে কিতাবের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি তার নবীর ওপর ঈমান এনেছে এবং এরপর এই নবী (মুহাম্মদ সা) কে পেয়েছে এবং তাঁর উপরও ঈমান এনেছে এবং তাঁর অনুসরণ করেছে। (২) যে ক্রীতদাস আল্লাহ্zwnj;র হক আদায় করে এবং তার মালিকের হকও আদায় করে- তার জন্য রয়েছে দু’টি সাওয়াব (৩) যার একটি বাঁদী ছিল, আর সে উত্তমরূপে তার ভরণপোষণ করতো, তারপর তাকে সে সুন্দরভাবে আদব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে এরপর তাকে আযাদ (মুক্তিদান) করে বিয়ে করেছে; তার জন্য দুটি সওয়াব রয়েছে।“ [1]
এরপর তিনি (বর্ণনাকারী) (তাঁর ছাত্রদের) কাউকে বললেন, কোন কিছুর বিনিময় ছাড়াই হাদীসটি গ্রহণ করো, অথচ এর চাইতে ছোট হাদীসের জন্যও লোক (দূর-দূরান্ত থেকে) সওয়ার হয়ে মদীনায় আসত।
হুশাইম বলেন, আমি বসরায় থাকতে এটি জানতে পারলাম, এরপর আমি তার নিকট এসে এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৯৭ (এবং অন্যত্র); মুসলিম, ঈমান ১৫৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২৫৬, ৭৩২৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৮৬ তে।
أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ صَالِحِ بْنِ حَيٍّ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ
২২৮৪. (অপর সনদে) আবূ বুরদা (রহঃ), তাঁর পিতা আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ فِي رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَلَمْ يَكُنْ فَرَضَ لَهَا شَيْئًا وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَمَاتَ عَنْهَا قَالَ فِيهَا لَهَا صَدَاقُ نِسَائِهَا وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ وَلَهَا الْمِيرَاثُ قَالَ مَعْقِلٌ الْأَشْجَعِيُّ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ امْرَأَةٍ مِنْ بَنِي رُوَاسٍ بِمِثْلِ مَا قَضَيْتَ قَالَ فَفَرِحَ بِذَلِكَ قَالَ مُحَمَّدٌ وَسُفْيَانُ نَأْخُذُ بِهَذَا
২২৮৫. ‘আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তাকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, সে এক মহিলাকে বিবাহ করার পর তার সাথে সহবাস ও মাহর ধার্য করার পূর্বে মারা গেছে। রাবী বলেন, সেই ব্যাপারে ‘আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সেই মহিলা তার পরিবারের অন্যান্য নারীদের সমপরিমাণে মাহর পাবে, তাকে ইদ্দাতও পালন করতে হবে এবং সে মীরাসও পাবে। মাকিল আল-আশজাঈ বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বনী রুআস গোত্রের এক মহিলা বিরওয়া বিনতে ওয়াশিকের ক্ষেত্রেও আপনার ফায়সালার অনুরূপ ফয়সালা দিয়েছেন।[1]
তিনি বলেন, ফলে একথা শুনে তিনি আনন্দিত হলেন। আবূ মুহাম্মদ ও সূফিয়ান বলেন, আমরা এ মত গ্রহণ করেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০৯৮, ৪০৯৯, ৪১০০, ৪১০১ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২৬৩, ১২৬৪, ১২৬৫ তে।
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَيْتِ حَفْصَةَ فَسَمِعَتْ صَوْتَ إِنْسَانٍ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ سَمِعْتُ صَوْتَ إِنْسَانٍ فِي بَيْتِكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرَاهُ فُلَانًا لِعَمِّ حَفْصَةَ مِنْ الرَّضَاعَةِ قَالَتْ عَائِشَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَوْ كَانَ فُلَانٌ حَيًّا لِعَمِّهَا مِنْ الرَّضَاعَةِ دَخَلَ عَلَيَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ الْوِلَادَةِ
২২৮৬. ‘আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন। এমন সময় তিনি জনৈক ব্যক্তির গলার আওয়াজ শুনতে পেলেন। ‘আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার ঘরে (প্রবেশের অনুমতি প্রার্থী) একজন লোকের গলার আওয়াজ শুনতে পেলাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তাকে হাফসাহর অমুক দুধ চাচা বলে মনে হচ্ছে।“ তখন ‘আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আচ্ছা আমার অমুক দুধ চাচা যদি জীবিত থাকত তাহলে সে কি আমার ঘরে প্রবেশ করতে পারত? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হ্যাঁ, পারত। কেননা, জন্মসূত্র যাদেরকে হারাম করে, দুধপানও তাকে হারাম করে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: মালিক, রাদা’আ ১; বুখারী, শাহাদাত ২৬৪৬; মুসলিম, রাদা’আ ১৪৪৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৩৭৪ তে। পরবর্তী হাদীস দু’টিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ أَنَّ عَمَّهَا أَخَا أَبِي الْقُعَيْسِ جَاءَ يَسْتَأْذِنُ عَلَيْهَا بَعْدَمَا ضُرِبَ الْحِجَابُ فَأَبَتْ أَنْ تَأْذَنَ لَهُ حَتَّى يَأْتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَسْتَأْذِنَهُ فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَتْ جَاءَ عَمِّي أَخُو أَبِي الْقُعَيْسِ فَرَدَدْتُهُ حَتَّى أَسْتَأْذِنَكَ قَالَ أَوَ لَيْسَ بِعَمِّكِ قَالَتْ إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ فَقَالَ إِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ قَالَ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَقُولُ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ الْوِلَادَةِ
২২৮৭. ‘আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কের চাচা আবীল কাইসের ভাই এলেন এবং আমার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন, আর এটা পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হবার পরের ঘটনা। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অনুমতি নেয়া ব্যতীত তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসার পর তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। আয়িশাহ বলেন, আমার দুধ সম্পর্কের চাচা আবীল কাইসের ভাই এসেছিলেন, কিন্তু আমি আপনার কাছে অনুমতি না নেয়ায় তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি। তিনি বললেন, “তিনি কি তোমার চাচা নন?“ আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে মহিলা দুধ পান করিয়েছেন, কোন পুরুষ আমাকে দুধ পান করায়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তিনি তোমার চাচা, কাজেই তাঁকে তোমার কাছে আসার অনুমতি দাও।“ তিনি বলেন, তিনি আরও বলতেন, জন্মসূত্র যাদেরকে হারাম করে, দুধ সম্পর্কও তাদেরকে হারাম করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, রাদাআ ২/৬০১-৬০২; বুখারী, নিকাহ ৫২৩৯; মুসলিম, রাদাআ ১৪৪৫।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫০১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১০৯, ৪২১৯, ৪২২০ তে।
أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ الْوِلَادَةِ
২২৮৮. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “জন্মসূত্র যাদেরকে হারাম করে, দুধ সম্পর্কও তাদেরকে হারাম করে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, রাদাআ (১৫)।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৩৭৪। আগের হাদীসগুলিও দেখুন।
قَالَ مَالِكٌ وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
২২৮৯. (অপর সনদে) আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, রাদাআ (১); এটি পূর্বে ২২৮৩ নং এ গত হয়েছে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَالْمَصَّتَانِ
২২৯০. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “দু’-এক চুমুক দুধপান (কাউকে) হারাম করে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, রাদাআ ১৪৪৫।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭১০, ৪৮১২, ৪৮১৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২২৭, ৪২২৮ তে।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً وَعِنْدِي أُخْرَى فَزَعَمَتْ الْأُولَى أَنَّهَا أَرْضَعَتْ الْحُدْثَى فَقَالَ لَا تُحَرِّمُ الْإِمْلَاجَةُ وَلَا الْإِمْلَاجَتَانِ
২২৯১. উম্মু ফাযল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি একটি স্ত্রীলোককে বিয়ে করেছি এবং আমার অপর স্ত্রীও রয়েছে। আর আমার প্রথম স্ত্রীর ধারণা সে নববধু (আমার দ্বিতীয় স্ত্রী)-কে দুধপান করিয়েছে। তখন তিনি বললেন: “দু’-এক চুমুক দুধপান (কাউকে) হারাম করে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, রাদাআ ১৪৫১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৭২ তে।
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ أَخْبَرَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ نَزَلَ الْقُرْآنُ بِعَشْرِ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُنَّ مِمَّا يُقْرَأُ مِنْ الْقُرْآنِ
২২৯২. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নির্দিষ্টভাবে দশ ঢোক দুধপানকে হারাম করে কুরআনের আয়াত নাযিল হয়। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওফাত লাভ করেন আর তা (এভাবেই) কুরআন হতে পঠিত হতে থাকে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, রাদাআ (১৭); মুসলিম, রাদাআ ১৪৫২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবনুল জাউযীর নাসিখুল কুরআন ও মানসূখাহ’ যা নাওয়াসিখুল কুরআন নামে খ্যাত; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২২১, ৪২২২ তে।
এ বিষয়টি নিয়ে উলামাগণ মতভেদ করেছেন। ((মুহাক্কিক্ব উলামায়ে কেরামের মতভেদ উল্লেখ করার পর বলেন:) এ হাদীস বিষয়ে সঠিক কথা হলো, এটি পরিত্যাগ করা। কেননা, এখানে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তা কুরআন, কিন্তু এর কুরআনে থাকা সাব্যস্ত নয়।... আল্লাহই ভাল জানেন।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ الْأَسْلَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعِ قَالَ الْغُرَّةُ الْعَبْدُ أَوْ الْأَمَةُ
২২৯৩. হাজ্জাজ আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে) জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার থেকে দুগ্ধপানের হক ও মর্যাদা কিভাবে আদায় করা যায়? তিনি বললেন, “(দুধমাকে) ‘গুররা’ তথা একটি দাস বা দাসী (প্রদান করার মাধ্যমে)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। (তবে, ইবনু হিব্বানের মুহাক্বিক্ব শাইখ আরনাউত্ব এ হাদীসের রাবী হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যে, তাকে ইবনু হিব্বান ব্যতীত আর কেউ ‘নির্ভরযোগ্য’ বলেননি। আর ইবনু হাজ্জাজ থেকে উরওয়া ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি। তা সত্ত্বেও তিরমিযী তার হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।– আল ইহসান, তাক্বরীব ইবনু হিব্বান হা/৪২৩০ এর টীকা দ্র: অনুবাদক))
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২২৭, ৪২২৮ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২৬৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৮৬ তে।
((আহমাদ ৩/৪৫০; আব্দুর রাযযাক ১৩৯৫৬; আবূ দাউদ, নিকাহ ২০৬৪; তিরমিযী, রাদা’আ ১১৫৩; নাসাঈ নিকাহ ৬/১০৮... আল ইহসান, তাক্বরীব ইবনু হিব্বান হা/৪২৩০ এর টীকা দ্র: অনুবাদক))
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ حَدَّثَنِي عُقْبَةُ بْنُ الْحَارِثِ ثُمَّ قَالَ لَمْ يُحَدِّثْنِيهِ وَلَكِنْ سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ الْقَوْمَ قَالَ تَزَوَّجْتُ بِنْتَ أَبِي إِهَابٍ فَجَاءَتْ أَمَةٌ سَوْدَاءُ فَقَالَتْ إِنِّي أَرْضَعْتُكُمَا فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَأَعْرَضَ عَنِّي قَالَ أَبُو عَاصِمٍ قَالَ فِي الثَّالِثَةِ أَوْ الرَّابِعَةِ قَالَ كَيْفَ وَقَدْ قِيلَ وَنَهَاهُ عَنْهَا قَالَ أَبُو عَاصِمٍ وَقَالَ عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ فَكَيْفَ وَقَدْ قِيلَ وَلَمْ يَقُلْ نَهَاهُ عَنْهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَذَا عِنْدَنَا
২২৯৪. ‘উকবাহ ইবনুল হারিস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আবূ ইহাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কন্যাকে বিয়ে করলে তাঁর নিকট জনৈকা কালো ক্রীতদাসী এসে বলল, আমি তোমাদের উভয়কে (‘উকবাহ কে এবং তার নববধূকে) দুধ পান করিয়েছি।’ (একথা জানার পর) আমি মদিনায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তখন তিনি আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
আবূ আসিম বলেন, তিনি তৃতীয় কিংবা চতুর্থবারে বলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ “এ কথা বলার পরও কীভাবে (তুমি তার সঙ্গে সংসার করবে)?“ এভাবে তিনি তার (স্ত্রী) থেকে তাঁকে বারণ করলেন।’[1]
আবূ আসিম বলেন: আর আমর ইবনু সাঈদ ইবনু আবীল হুসাইন, আবী মুলাইকাহ হতে একথা বর্ণনা করেছেন: “এ কথা বলার পরও কীভাবে (তুমি তার সঙ্গে সংসার করবে)?“ কিন্তু ‘এভাবে তিনি তার (স্ত্রী) থেকে তাঁকে বারণ করলেন’- একথাটুকু তিনি বর্ণনা করেননি।আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমাদের নিকট এভাবেই (বর্ণিত হয়েছে)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৮৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২১৬, ৪২১৭, ৪২১৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৯০ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَجُلٌ فَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ وَكَأَنَّهُ كَرِهَ ذَلِكَ فَقُلْتُ إِنَّهُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ فَقَالَ انْظُرْنَ مَا إِخْوَانُكُنَّ فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ مِنْ الْمَجَاعَةِ
২২৯৫. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে এলেন। সে সময় এক লোক তার কাছে বসা ছিল। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারায় ক্রোধের ভাব প্রকাশ পেল, যেন তিনি এ ব্যাপারে অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বললেন, এ আমার ভাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যাচাই করে দেখ, তোমাদের ভাই কারা? কেননা কেবল (দুধপানের দ্বারাই) ক্ষুধা (নিবারণ হয়, এমন) সময়ের দুধপান দ্বারাই দুধপান (জনিত সম্পর্ক) কার্যকরী হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, শাহাদাত ২৬৪৭, নিকাহ ৫১০২; মুসলিম, রাদা’আ ১৪৫৫; আবূ দাউদ, নিকাহ ২০৫৮; নাসাঈ, নিকাহ ৬/১০২; ইবনু মাজাহ, নিকাহ ১৯৪৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২২৮৫; তায়ালিসী ১/৩০৮ নং ১৫৬৯; বাইহাকী, নিকাহ ৭/৪৬০; আহমাদ ৬/৯৪., ১৭৪; ইবনুল জারুদ, ৬৯১; কুদাই, মুসনাদুশ শিহাব নং ১১৭৬, ১১৭৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আল মুসনাদ ৯৬৪।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ جَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو وَكَانَتْ تَحْتَ أَبِي حُذَيْفَةَ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ إِنَّ سَالِمًا مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ يَدْخُلُ عَلَيْنَا وَأَنَا فُضُلٌ وَإِنَّمَا نَرَاهُ وَلَدًا وَكَانَ أَبُو حُذَيْفَةَ تَبَنَّاهُ كَمَا تَبَنَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدًا فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللَّهِ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ ذَلِكَ أَنْ تُرْضِعَ سَالِمًا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا لِسَالِمٍ خَاصَّةً
২২৯৬. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। সাহলাহ বিনতু সুহাইল ইবনু আমর, যিনি আবূ হুযায়ফা ইবনু উতবাহ ইবনু রবিয়াহ’র স্ত্রী ছিলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গমন করেন এবং বলেন, ইয়া রাসূলূল্লাহ্! আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস সালিম আমাদের নিকট এমন অবস্থায় প্রবেশ করে যখন আমরা সাধারণ পোশাকে (তথা এক কাপড়ে) থাকি। আমরা তাকে আমাদের পুত্র হিসাবে গণ্য করি। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যায়িদকে পালক পুত্র হিসাবে লালন পালন করেন, তদ্রুপ তাকেও আবী হুযাইফা পালক পূত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন, (هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللَّهِ ادْعُوْهُمْ لِآبَآئِهِمْ) অর্থাৎ তোমরা তাদেরকে ডাক তাদের পিতার পরিচয়ে। আল্লাহর নিকট এটি অধিক ন্যায়সঙ্গত। (সূরা আল আহযাব: ৫) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে তাকে নির্দেশ দিলেন যে, সে যেন সালিমকে (পাঁচবার) দুধ পান করায়।[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন, এ ব্যাপারটি সালিমের জন্য বিশেষ অনুমতি ছিল, (যা অন্যদের জন্য নয়)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী ৪০০০, নিকাহ ৫০৮৮, ; মুসলিম, রাদা’আ ১৪৫৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২১৩, ৪২১৪, ৪২১৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৮০ তে।
ইমাম নাবাবী তার শারহে মুসলিম ৩/৬৩৩ তে বলেন: ‘আর উলামাগণ এ মাস’আলায় মতভেদ করেছেন। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ও দাউদ বলেছেন: এ হাদীসের কারণে বালিগ ব্যক্তিকে দুধপান করানো দুধপানের মর্যাদার কারণে সাব্যস্ত, যেভাবে ছোট বালককে দুধপান করানো সাব্যস্ত আছে।’
বাকী সাহাবী, তাবিঈন ও বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত সকল দেশের উলামাগণ বলেছেন: ‘দু’বছরের অধিক বয়স্ক সন্তানের ক্ষেত্রে বাদে অন্য ক্ষেত্রে দুধপান সাব্যস্ত নয়। তবে আবী হানীফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: সে মেয়াদ আড়াই বছর। যুফার বলেন: তিন বছর, মালিক হতে একটি বর্ণনায়: দু’বছর কয়েকদিন। জমহুর উলামাগণ দলীল পেশ করেন আল্লাহর কিতাব থেকে: মাতাগণ তাদের সন্তানদের দুধ পান করাবে পূর্ণ দু’বছর।“ (সুরা বাকারাহ: ২৩২) এবং এরপর সহীহ মুসলিমে উল্লেখিত হাদীস: “কেবল (দুধপানের দ্বারাই) ক্ষুধা (নিবারণ হয়, এমন) সময়ের দুধপান দ্বারাই দুধপান (জনিত সম্পর্ক) কার্যকরী হবে।“ ও অন্যান্য মাশহুর হাদীস দ্বারা।...
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي قَيْسٍ عَنْ الْهُزَيْلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ
২২৯৭. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হিল্লাকারী (হালালকারী) পুরুষ ও যার জন্য হিল্লা করা হয়-এ উভয়কে লা’নত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫০৫৪ তে।
((আহমাদ ১/৪৪৮,৪৫০,৪৫১, ৪৬২; তিরমিযী, নিকাহ ১১২০; নাসাঈ, তালাক ৬/১৪৯ সহীহ সনদে; এছাড়া এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আলী, উকবাহ ইবনু আমির, আবী হুরাইরাহ, ইবনু আব্বাস, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে। বিস্তারিত দেখুন, মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্ককৃত মুসনাদে আবী ইয়ালা হা/৫০৫৪ এর টীকাটি।– অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ هِنْدًا أُمَّ مُعَاوِيَةَ امْرَأَةَ أَبِي سُفْيَانَ أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ وَإِنَّهُ لَا يُعْطِينِي مَا يَكْفِينِي وَبَنِيَّ إِلَّا مَا أَخَذْتُ مِنْهُ وَهُوَ لَا يَعْلَمُ فَهَلْ عَلَيَّ فِي ذَلِكَ جُنَاحٌ فَقَالَ خُذِي مَا يَكْفِيكِ وَوَلَدَكِ بِالْمَعْرُوفِ
২২৯৮. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত যে, আবী সুফিয়ানের স্ত্রী মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মা হিন্দা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আবী সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার ও আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে ব্যয় করে না। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি আমার গুনাহ হবে? তখন তিনি বললেন, “তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়সঙ্গতভাবে গ্রহণ করতে পার।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ ২২১১; মুসলিম, আকযিয়া ১৭১৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৩৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৫৫, ৪২৫৬, ৪২৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৪৪ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ وَإِذَا مَاتَ صَاحِبُكُمْ فَدَعُوهُ
২২৯৯. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো সে, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম। আর তোমাদের সাথী (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে) যখন মারা যাবেন, তখন তোমরা তাঁর জন্য দু’আ করবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৫৫ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২৬৩ তে।
((তিরমিযী, মানাকিব ৩৮৯৫- অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ تَزَوَّجَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا بِنْتُ سِتِّ سِنِينَ فَقَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَنَزَلْنَا فِي بَنِي الْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ فَوُعِكْتُ فَتَمَرَّقَ رَأْسِي فَأَوْفَى جُمَيْمَةً فَأَتَتْنِي أُمُّ رُومَانَ وَإِنِّي لَفِي أُرْجُوحَةٍ وَمَعِي صَوَاحِبَاتٌ لِي فَصَرَخَتْ بِي فَأَتَيْتُهَا وَمَا أَدْرِي مَا تُرِيدُ فَأَخَذَتْ بِيَدِي حَتَّى أَوْقَفَتْنِي عَلَى بَابِ الدَّارِ وَإِنِّي لَأَنْهَجُ حَتَّى سَكَنَ بَعْضُ نَفَسِي ثُمَّ أَخَذَتْ شَيْئًا مِنْ مَاءٍ فَمَسَحَتْ بِهِ وَجْهِي وَرَأْسِي ثُمَّ أَدْخَلَتْنِي الدَّارَ فَإِذَا نِسْوَةٌ مِنْ الْأَنْصَارِ فِي الْبَيْتِ فَقُلْنَ عَلَى الْخَيْرِ وَالْبَرَكَةِ وَعَلَى خَيْرِ طَائِرٍ فَأَسْلَمَتْنِي إِلَيْهِنَّ فَأَصْلَحْنَ مِنْ شَأْنِي فَلَمْ يَرُعْنِي إِلَّا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضُحًى فَأَسْلَمَتْنِي إِلَيْهِ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ بِنْتُ تِسْعِ سِنِينَ
২৩০০. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাকে বিবাহ করেন, তখন আমার বয়স ছিল ছয় বছর। তারপর আমরা মদিনায় এলাম এবং বনু হারিস ইবনু খাযরাজ গোত্রে অবস্থান করলাম। সেখানে আমি জ্বরে আক্রান্ত হলাম। এতে আমার চুল পড়ে গেল। পরে যখন আমার মাথার সামনের চুল জমে উঠল। সে সময় আমি একদিন আমার বান্ধবীদের সাথে দোলনায় খেলা করছিলাম। তখন আমার মাতা উম্মে রূমান আমাকে উচ্চস্বরে ডাকলেন। আমি তাঁর কাছে এলাম। আমি বুঝতে পারিনি, তার উদ্দেশ্য কী? তিনি আমার হাত ধরে ঘরের দরজায় এসে আমাকে দাঁড় করালেন। আর আমি হাঁফাচ্ছিলাম। শেষে আমার শ্বাস-প্রশ্বাস কিছুটা প্রশমিত হল। এরপর তিনি কিছু পানি নিলেন এবং তা দিয়ে আমার মুখমন্ডল ও মাথা মাসেহ করে দিলেন। তারপর আমাকে ঘরের ভিতর প্রবেশ করালেন। সেখানে কয়েকজন আনসারী মহিলা ছিলেন। তাঁরা বললেন, ‘কল্যাণময়, বরকতময় এবং সৌভাগ্যমন্ডিত হোক।’ তিনি আমাকে তাদের কাছে দিয়ে দিলেন। তাঁরা আমার অবস্থা ঠিক করে দিলেন, তখন ছিল দ্বিপ্রহরের পূর্ব মুহূর্ত। হঠাৎ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেই আমি হকচকিয়ে গেলাম। তাঁরা আমাকে তাঁর কাছে তুলে দিল। সে সময় আমি নয় বছরের বালিকা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, মানাকিবু সাহাবাহ ৩৮৯৫; মুসলিম, ফাযাইলুস সাহাবাহ ২৪৩৮।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৯৮, ৪৬০০, ৪৬২৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭০৯৭ তে।
أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مُرْهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا وَيُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ أَمْسَكَ وَإِنْ شَاءَ طَلَّقَ قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ
২৩০১. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেন। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তাকে নির্দেশ দাও যে, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুমতী হয় এবং আবার পবিত্র হয়। অতঃপর সে যদি ইচ্ছে করে, তাকে রেখে দিবে আর যদি ইচ্ছে করে তবে সহবাসের পূর্বে তাকে তালাক দেবে। আর এটাই তালাকের সময়কাল, যে সময়ে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার জন্য আল্লাহ্ তা’আলা এর বিধান দিয়েছেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, তালাক ৫৩ সহীহ সনদে; বুখারী, তালাক ৫২৫১; মুসলিম, তালাক ১৪৭১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৬৩, ৪২৬৪ তে।
এছাড়াও, বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ১১/১৭৯ নং ১৫১৭৩; দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/১৬৪।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ سَمِعْتُ سَالِمًا يَذْكُرُ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ طَلَّقَ ابْنُ عُمَرَ امْرَأَتَهُ فَقَالَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لِيُطَلِّقْهَا وَهِيَ طَاهِرٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد رَوَاهُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَوَكِيعٌ أَوْ حَامِلٌ
২৩০২. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যখন ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার স্ত্রীকে তালাক দিলেন, তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন: “তাকে নির্দেশ দাও যে, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় এবং অতঃপর সে যেন সেই মহিলার পবিত্রাবস্থায় তাকে তালাক দেয়।“[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ইবনুল মুবারাক ও ওয়াকী’ (রহঃ) (এর সাথে অতিরিক্ত) বর্ণনা করেছেন: “অথবা, গর্ভবতী অবস্থায়।“[2]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আগের ও পরের টীকা দু’টি দেখুন।
[2] আর ওয়াকী’র হাদীসটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম, তালাক ১৪৭১ (৫); আবূ ইয়ালা, আল মুসনাদ নং ৫৪৪০।