সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بِشْرٍ يَرُدُّ الْحَدِيثَ إِلَى أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ الرَّجُلُ تَكُونُ لَهُ الْجَارِيَةُ فَيُصِيبُ مِنْهَا وَيَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ أَفَيَعْزِلُ عَنْهَا وَتَكُونُ عِنْدَهُ الْمَرْأَةُ تُرْضِعُ فَيُصِيبُ مِنْهَا وَيَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ فَيَعْزِلُ عَنْهَا قَالَ لَا عَلَيْكُمْ أَنْ لَا تَفْعَلُوا فَإِنَّمَا هُوَ الْقَدَرُ قَالَ ابْنُ عَوْنٍ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلْحَسَنِ فَقَالَ وَاللَّهِ لَكَأَنَّ هَذَا زَجْرًا وَاللَّهِ لَكَأَنَّ هَذَا زَجْرًا
২২৬৩. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কোনো লোকের বন্দী দাসী রয়েছে, যার সাথে সে সঙ্গত হয়। কিন্তু সে গর্ভবতী হোক- তা সে চায় না। এমতাবস্থায় সে তার সাথে আযল- (নিরুদ্ধ সঙ্গম করা) করবে কি? আবার কোনো লোকের দুগ্ধদায়িনী স্ত্রী রয়েছে, যার সাথে সে সঙ্গত হয়। কিন্তু সে চায় না যে, সে গর্ভবতী হোক। এমতাবস্থায় সে তার সাথে আযল- (নিরুদ্ধ সঙ্গম করা) করবে কি? তিনি বললেন, তোমরা যদি তা (আযল) না কর তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কারণ তা হলো (আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত) তাকদীর।“[1]
ইবনু আউন বলেন, এরপর আমি এটি হাসান (রহঃ) এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, আমার মনে হয়, এটাই হলো নিষেধাজ্ঞা বা ধমক স্বরূপ! আল্লাহর কসম, আমার মনে হয়, এটাই হলো নিষেধাজ্ঞা বা ধমক স্বরূপ!
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূর্ণরূপ। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৩০৬ এবং পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ أَحَدٌ أَغْيَرَ مِنْ اللَّهِ لِذَلِكَ حَرَّمَ الْفَوَاحِشَ وَلَيْسَ أَحَدٌ أَحَبُّ إِلَيْهِ الْمَدْحُ مِنْ اللَّهِ
২২৬৪. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাশীল কেউ নেই এবং এ কারণেই তিনি সকল অশ্লীল কাজ হারাম করেছেন। আর আল্লাহর চেয়ে অধিক প্রশংসাপ্রিয় আর কেউ নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, নিকাহ, ৫২২০; মুসলিম, তাওবাহ ২৭৬০।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫১২৩, ৫১৬৯, ৫১৭৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৯৪ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنِي ابْنُ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مِنْ الْغَيْرَةِ مَا يُحِبُّ اللَّهُ وَمِنْهَا مَا يُبْغِضُ اللَّهُ فَالْغَيْرَةُ الَّتِي يُحِبُّ اللَّهُ الْغَيْرَةُ فِي الرِّيبَةِ وَالْغَيْرَةُ الَّتِي يُبْغِضُ اللَّهُ الْغَيْرَةُ فِي غَيْرِ رِيبَةٍ
২২৬৫. জাবির ইবনু আতীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, “গীরাত (আত্মমর্যাদাবোধ) (দু‘ধরণের; একটি হলো-) যা আল্লাহ্ পছন্দ করেন এবং (অপরটি)- যা আল্লাহ্ অপছন্দ করেন। যে ‘গীরাত’ মহান আল্লাহ্ পছন্দ করেন, তা হলো- সন্দেহের ক্ষেত্রে গীরাতের প্রদর্শন। আর যে ‘গীরাত’ আল্লাহ্ অপছন্দ করেন, তা হলো- যেখানে কোনরূপ সন্দেহের অবকাশ নেই, সে বিষয়ে গীরাত দেখানো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৯৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩১৩ তে।
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ وَرَّادٍ مَوْلَى الْمُغِيرَةِ عَنْ الْمُغِيرَةِ قَالَ بَلَغَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ يَقُولُ لَوْ وَجَدْتُ مَعَهَا رَجُلًا لَضَرَبْتُهَا بِالسَّيْفِ غَيْرَ مُصْفَحٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَعْجَبُونَ مِنْ غَيْرَةِ سَعْدٍ أَنَا أَغَيْرُ مِنْ سَعْدٍ وَاللَّهُ أَغَيْرُ مِنِّي وَلِذَلِكَ حَرَّمَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَلَا شَخْصَ أَغَيْرُ مِنْ اللَّهِ وَلَا أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ الْمَعَاذِرِ وَلِذَلِكَ بَعَثَ النَّبِيِّينَ مُبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ وَلَا شَخْصَ أَحَبُّ إِلَيْهِ الْمَدْحُ مِنْ اللَّهِ وَلِذَلِكَ وَعَدَ الْجَنَّةَ
২২৬৬. মুগীরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে যদি দেখি, তাকে সরাসরি খোলা তরবারি দিয়ে হত্যা করব। এ কথা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ “তোমরা কি সা’দের আত্মমর্যাদাবোধ দেখে বিস্মিত হচ্ছ? আমি তার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আর আল্লাহ্ আমার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আল্লাহ্ আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন হবার কারণে প্রকাশ্য ও গোপনীয় (যাবতীয়) অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন কেউই নেই। অক্ষমতা প্রকাশকে আল্লাহর চেয়ে অধিক পছন্দ করেন এমন কেউই নেই। আর এজন্য তিনি নবী, ভীতি প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদদাতাদেরকে পাঠিয়েছেন। প্রশংসা আল্লাহর চেয়ে আর কারো কাছে অধিক প্রিয় নয়। তাই তিনি জান্নাতের ওয়াদা দিয়েছেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: আহমাদ ৪/২৪৮; বুখারী, তাওহীদ, ৭৪১৬; মুসলিম, লি’আন ১৪৯৯। হাকিম ৪/৩৫৮; ইবনু আবী শাইবা, ৪/৪১৯; ইবনু আবী আসিম, আস সুন্নাহ নং ৫২২, ৫২৩।
حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى الْعَامِرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا بَاتَتْ الْمَرْأَةُ هَاجِرَةً لِفِرَاشِ زَوْجِهَا لَعَنَتْهَا الْمَلَائِكَةُ حَتَّى تَرْجِعَ
২২৬৭. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোন স্ত্রীলোক যদি স্বামীর বিছানা পরিত্যাগ করত: (অন্যত্র) রাত্রি যাপন করে, তাহলে ফেরেশ্তাগণ এমন স্ত্রীর উপর লা’নত দিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে (স্বামীর বিছানায়) ফিরে না আসে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, বাদাউল খালক, ৩২৩৭; মুসলিম, নিকাহ ১৪৩৬।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬১৯৬, ৬২১৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৭২, ৪১৭৩, ৪১৭৪ তে।
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ عُوَيْمِرًا الْعَجْلَانِيَّ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ رَجُلًا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا أَيَقْتُلُهُ فَيَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَاذْهَبْ فَأْتِ بِهَا قَالَ سَهْلٌ فَتَلَاعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا فَرَغَا مِنْ تَلَاعُنِهِمَا قَالَ كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا فَطَلَّقَهَا ثَلَاثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَكَانَتْ تِلْكَ بَعْدُ سُنَّةَ الْمُتَلَاعِنَيْنِ
২২৬৮. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, ‘উওয়াইমির’ আজলানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ তার স্ত্রীর সঙ্গে পরপুরুষকে (ব্যভিচার-রত) দেখতে পায়, আর তাকে হত্যা করে ফেলে, তবে আপনারা কি তাকে হত্যা করবেন? অথবা,(যদি সে স্বামী হত্যা না করে), তবে সে কী করবে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তুমি ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তুমি গিয়ে তাঁকে (তোমার স্ত্রীকে) নিয়ে আস।“ সাহল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এরপর তারা দু’জনে লি‘আন (পরস্পরকে অভিশাপ দিতে আরম্ভ) করলো। আমি সে সময় (অন্যান্য) লোকের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ছিলাম। উভয়ের লি‘আন করা শেষ হয়ে গেলে তিনি (উওয়াইমির) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এখন যদি আমি তাকে (স্ত্রী হিসেবে) ধরে রাখি তবে এটা তার উপর মিথ্যারোপ করা হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আদেশ দেয়ার পূর্বেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন।
ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, এটাই লি‘আনকারীদ্বয়ের ব্যাপারে সুন্নাত হয়ে দাঁড়াল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, তালাক, ৫২৫৯; মুসলিম, লি’আন ১৪৯২। এছাড়াও, বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ২৩৬৬; ইবনু আব্দুল বারর, তামহীদ ৬/১৮৩-১৮৫; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/১৫৫-১৫৬;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৮৪, ৪২৮৫ তে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ عُوَيْمِرًا أَتَى عَاصِمَ بْنَ عَدِيٍّ وَكَانَ سَيِّدَ بَنِي عَجْلَانَ فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ طَلَّقَهَا ثَلَاثًا
২২৬৯. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, ‘উওয়াইমির’ আজলানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ’আসেম ইবনু ‘আদী আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট আসলেন, যিনি ছিলেন বনী আজলান গোত্রের নেতা।’ এরপর তিনি (সাহল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন তবে সেখানে ‘‘তিনি তাকে তিনবার তালাক দিলেন’-এ কথা উল্লেখ করেননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ سُئِلْتُ عَنْ الْمُتَلَاعِنَيْنِ فِي إِمَارَةِ مُصْعَبِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا فَمَا دَرَيْتُ مَا أَقُولُ قَالَ فَقُمْتُ حَتَّى أَتَيْتُ مَنْزِلَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَقُلْتُ لِلْغُلَامِ اسْتَأْذِنْ لِي عَلَيْهِ فَقَالَ إِنَّهُ قَائِلٌ لَا تَسْتَطِيعُ أَنْ تَدْخُلَ عَلَيْهِ قَالَ فَسَمِعَ ابْنُ عُمَرَ صَوْتِي فَقَالَ ابْنُ جُبَيْرٍ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقَالَ ادْخُلْ فَمَا جَاءَ بِكَ هَذِهِ السَّاعَةَ إِلَّا حَاجَةٌ قَالَ فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ فَوَجَدْتُهُ وَهُوَ مُفْتَرِشٌ بَرْذَعَةَ رَحْلِهِ مُتَوَسِّدٌ مِرْفَقَةً أَوْ قَالَ نُمْرُقَةً شَكَّ عَبْدُ اللَّهِ حَشْوُهَا لِيفٌ فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُتَلَاعِنَانِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ نَعَمْ إِنَّ أَوَّلَ مَنْ سَأَلَ عَنْ ذَلِكَ فُلَانٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْكَ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ أَحَدَنَا رَأَى امْرَأَتَهُ عَلَى فَاحِشَةٍ كَيْفَ يَصْنَعُ إِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى أَمْرٍ عَظِيمٍ وَإِنْ تَكَلَّمَ فَمِثْلُ ذَلِكَ قَالَ فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ فَقَامَ لِحَاجَتِهِ فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الَّذِي سَأَلْتُكَ عَنْهُ قَدْ ابْتُلِيتُ بِهِ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى هَؤُلَاءِ الْآيَاتِ الَّتِي فِي سُورَةِ النُّورِ وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ حَتَّى خَتَمَ هَؤُلَاءِ الْآيَاتِ قَالَ فَدَعَا الرَّجُلَ فَتَلَاهُنَّ عَلَيْهِ وَذَكَّرَهُ بِاللَّهِ وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الْآخِرَةِ فَقَالَ مَا كَذَبْتُ عَلَيْهَا ثُمَّ دَعَا الْمَرَأَةَ فَوَعَظَهَا وَذَكَّرَهَا وَأَخْبَرَهَا أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الْآخِرَةِ فَقَالَتْ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَكَاذِبٌ فَدَعَا الرَّجُلَ فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنْ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنْ الْكَاذِبِينَ ثُمَّ أُتِيَ بِالْمَرْأَةِ فَشَهِدَتْ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنْ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةَ أَنَّ غَضَبَ اللَّهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنْ الصَّادِقِينَ ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا
২২৬০. সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, মুসআব ইবনু জুবাইর যখন (ইরাক অঞ্চলের) আমীর তখন লিআনকারী স্বামী-স্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কিনা সে বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু এই বিষয়ে কি বলব তা আমার জানা ছিল না। তাই আমি আমার ঘর থেকে উঠে আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বাড়িতে গেলাম এবং তার গোলামকে বললাম, ‘তাঁর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাও।’ সে বলল যে, তিনি দুপুরের বিশ্রাম নিচ্ছেন। ফলে আপনি তার কাছে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সময় ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (নিজে ভিতর থেকে) আমার কণ্ঠ শুনে বললেন, ইবনু জুবাইর, ভিতরে এসো। কোন প্রয়োজন ছাড়াঅন্য কিছু তোমাকে এখানে নিয়ে আসেনি।
ইবনু জুবাইর বলেন, আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম। দেখলাম তিনি কনুইকে বালিশ বানিয়ে কিংবা, আব্দুল্লাহ’র সন্দেহ, আঁশ বা তুলা ভরা একটি বালিশে মাথা রেখে উটের পিঠে ব্যবহৃত আসনের একটি গদিতে শুয়ে আছেন। আমি বললাম, হে আবূ আবদুর রহমান, লিআনকারী স্বামী-স্ত্রীর একজনকে আরেকজন থেকে কি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে?
তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ্ , হ্যাঁ। এই বিষয়ে অমুক সর্বপ্রথম জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বলেছিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্, কি বলেন, আমাদের কেউ যদি তার স্ত্রীকে অপকর্মে লিপ্ত দেখতে পায় তবে সে কি করবে? আর সে যদি চুপ থাকে, তাহলে তো সে মারাত্মক এক বিষয়ে চুপ রইল। আবার যদি সে এই বিষয়ে কথা বলে তবুও অনুরূপ (ভীষণ এক বিষয়ে সে কথা বলল)।
ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (এই কথা শুনে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে রইলেন, তাকে কোন জবাব দিলেন না।
এই এই ঘটনার পর ঐ সাহাবী আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। বললেন, যে বিষয়ে আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম সে বিষয়ে আমিই নিপতিত। তখন আল্লাহ্ তা’আলা সূরা নূরের এই আয়াত নাযিল করেন:
“আর যারা নিজেদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নাই।
পঞ্চমবার বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহর লা’নত।
আর স্ত্রীর শাস্তি রহিত হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দেয় যে তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী। এবং পঞ্চমবারে বলে, তার স্বামী সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গযব।“... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। [সূরা নূর ২৪ : ৬-৯]
অনন্তর তিনি ঐ ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং আয়াতগুলো তাকে তিলাওয়াত করে শোনালেন, তাকে নছীহত করে বুঝালেন এবং জানালেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের আযাবের তুলনায় সহজতর।
সে বলল, আমি আমার স্ত্রী সম্পর্কে মিথ্যা বলিনি।
এরপর তিনি মহিলাটির ডাকলেন এবং তাকে নসীহত করলেন ও উপদেশ দিলেন। আর তাকে জানালেন, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের আযাবের তুলনায় সহজতর।
মহিলাটি বলল, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন। সে নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।
রাবী বলেন অতঃপর তিনি পুরুষটিকেডাকলেন। অতঃপর সে চারবার আল্লাহর কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, সে যদিমিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লা’নত। এরপর তিনি মহিলাটিকে নিয়ে আসা হলো। এরপর মহিলাটিও চারবার আল্লাহর কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, পুরুষটি মিথ্যা বলেছে। পঞ্চমবারে সে বলল, পুরুষটি যদি সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে তার নিজের উপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে। অতঃপর তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, লি’আন ১৪৯৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৬৫৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৮৬ তে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنِي مَالِكٌ قَالَ سَمِعْتُ نَافِعًا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ فَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ الْمُتَلَاعِنَيْنِ وَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِأُمِّهِ
২২৭১. ইবনু ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লি‘আনকারী পুরুষ ও তার স্ত্রী উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। আর সন্তানকে তার মায়ের নিকট দিয়ে দিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: মালিক, তালাক ৩৫; বুখারী, তালাক, ৫৩১৫; মুসলিম, লি’আন ১৪৯৩(৮)।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৭২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৮৮ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ أَوْ أَهْلِهِ فَهُوَ عَاهِرٌ
২২৭২. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোনো ক্রীতদাস যদি তার মালিকের কিংবা তার পরিবারের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করে, তবে সে ব্যভিচারী।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ৩/৩০১; আবূ দাউদ, নিকাহ ২০৭৮; ইবনু আবী শাইবা, ৪/২৬১; ইবনুল জারুদ, নং ৬৮৬; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৩/২৯৬, ২৯৭; ইবনু আদী, আল কামিল ২/৭২৭, ৩/৯২৫; বাইহাকী, নিকাহ ৭/১২৭; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৭/৩৩৩; তিরমিযী, নিকাহ ১১১১, ১১১২ সনদ যঈফ; আব্দুর রাযযাক, নং ১২৯৭৯; হাকিম ২/১৯৪; মুসনাদুল মাউসিলী নং ২২৫৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০০০।
حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا مِنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ فَهُوَ زَانٍ
২২৭৩. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন ক্রীতদাস যদি তার মালিকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করে, তবে সে ব্যভিচারী।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান: ১. মানদাল ইবনু আলী যঈফ; ২. ইবনু জুরাইজ এটি ‘আন’আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: তুরসূসী, আল মুসনাদে ইবনু উমার নং ৯৩; ইবনু মাজাহ নিকাহ ১৯৬০; আবূ নুয়াইম, যিকরু আখবারুল আসবাহান ১/৯১; আবূ দাউদ, নিকাহ ২০৭৯: ‘কোনো দাস তার মনিবের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করলে তা বাতিল।“ আবূ দাউদ বলেন, হাদীসটি যঈফ; এটি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য; বাইহাকী, নিকাহ ৭/১২৭; আব্দুর রাযযাক ১২৯৮২; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৬১।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَرْفَعُهُ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ
২২৭৪. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, (তিনি বলেছেনঃ) “বিছানা যার সন্তান তার; আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (এর শাস্তি)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, রা’দা’আ ১৪৯৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি এবং এর শাহিদসমূহ উল্লেখ করেছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১১৬ তে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ
২২৭৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিনী আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “বিছানা যার সন্তান তার।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: মালিক, আকযিয়াহ ২০; বুখারী, বুয়ূ, ২০৫৩; মুসলিম, রা’দা’আ ১৪৫৭।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪১৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১০৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৪০ তে।
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ كَانَ عُتْبَةُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ عَهِدَ إِلَى أَخِيهِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنْ يَقْبِضَ إِلَيْهِ ابْنَ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ فَقَالَ عُتْبَةُ إِنَّهُ ابْنِي فَلَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْفَتْحِ أَخَذَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ ابْنَ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ فَإِذَا هُوَ أَشْبَهُ النَّاسِ بِعُتْبَةَ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ لَكَ يَا عَبْدُ بْنَ زَمْعَةَ مِنْ أَجْلِ أَنَّهُ وُلِدَ عَلَى فِرَاشِ أَبِيهِ وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجِبِي مِنْهُ يَا سَوْدَةُ بِنْتَ زَمْعَةَ مِمَّا رَأَى مِنْ شَبَهِهِ بِعُتْبَةَ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَسَوْدَةُ بِنْتُ زَمْعَةَ
২২৭৬. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিনী ‘আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, তিনি যেন যাম’আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্রকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তার অধীনে নিয়ে আসেন। উতবাহ (তাকে) বলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পূত্র। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মক্কা বিজয়ের কালে যাম’আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্রকে সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নিয়ে নিলেন। আর সে ছিল অন্যান্য লোকের চেয়ে উতবাহ ইবনু আবী ওয়াক্কাসের সাথে সর্বাধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। (এদিকে যামআর পুত্র ‘আব্দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র।) তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “হে ‘আব্দ ইবনু যামআ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য।“ কেননা, সে ছেলেটি তার পিতার শয্যায় (তার দাসীর গর্ভে) জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যামআ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে লক্ষ্য করে) বললেন: “তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে।“ কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। আর সাওদাহ ছিলেন: যাম’আহ’র মেয়ে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের বিস্তৃত রূপ।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ حِينَ أُنْزِلَتْ آيَةُ الْمُلَاعَنَةِ أَيُّمَا امْرَأَةٍ أَدْخَلَتْ عَلَى قَوْمٍ نَسَبًا لَيْسَ مِنْهُمْ فَلَيْسَتْ مِنْ اللَّهِ فِي شَيْءٍ وَلَمْ يُدْخِلْهَا اللَّهُ جَنَّتَهُ وَأَيُّمَا رَجُلٍ جَحَدَ وَلَدَهُ وَهُوَ يَنْظُرُ إِلَيْهِ احْتَجَبَ اللَّهُ مِنْهُ وَفَضَحَهُ عَلَى رُءُوسِ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ كَعْبٍ الْقُرَظِيُّ وَسَعِيدٌ يُحَدِّثَهُ هَذَا وَقَدْ بَلَغَنِي هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
২২৭৭. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লিআন সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “যে নারী কোন সম্প্রদায়ের সাথে এমন সন্তানকে শামিল করে যে তাদের নয়, তার সাথে আল্লাহর কোন সম্পর্ক নেই এবং আল্লাহ কখনো তাকে তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। আর যে পুরুষ নিজের সন্তানকে চিনতে পেরেও অস্বীকার করলো, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার থেকে আড়ালে থাকবেন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী (সমস্ত) সৃষ্টিকুলের সামনে তাকে অপমান করবেন।“[1] আব্দুল্লাহ বলেন: মুহাম্মদ ইবনু কা’ব আল কুরাযী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এটি এভাবে বর্ণনা করেন: এ হাদীস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকেই আমার নিকট পৌঁছেছে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১০৮ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৩৫ তে। এছাড়াও, হাফিজ তার তালখীসুল হাবীর ৩/২২৬ তে একে আবী দাউদ, নাসাঈ ও ইবনু হিব্বান, হাকিম এর দিকে সম্বোন্ধিত করে বলেছেন: দারুকুতনী তার ইলাল গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন। এর সাথে সাঈদ আল মাকবুরী হতে আব্দুল্লাহ ইবনু ইউনূসের একাকী বর্ণনা বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। আর তাকে এ হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো হাদীস থেকে তার পরিচয় পাওয়া যায় না।
((আবূ দাউদ, তালাক ২২৬৩; নাসাঈ ৫/১৭৯-১৮০; ইবনু মাজাহ ২৭৪৩- অনুবাদক))
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ زَيْدٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْبَرَاءِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَقِيتُ عَمِّي وَمَعَهُ رَايَةٌ فَقُلْتُ أَيْنَ تُرِيدُ فَقَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى رَجُلٍ نَكَحَ امْرَأَةَ أَبِيهِ فَأَمَرَنِي أَنْ أَضْرِبَ عُنُقَهُ وَآخُذَ مَالَهُ
২২৭৮. বারাআ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর পূত্র ইয়াযীদ তার পিতা হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার মামা (আবূ বুরদা) এর সাথে আমার সাক্ষাত হলো। আর তার হাতে একটি পতাকা ছিল। আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, কোথায় যাচ্ছেন? তিনি বললেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক লোকের নিকট পাঠিয়েছেন যে লোক তার বাবার স্ত্রীকে (সৎমাকে) বিয়ে করেছে। ফলে তিনি আমাকে তার মাথা কেটে ফেলা ও তার সম্পদ হরণ করে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। আর এটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী (সহীহ)।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৬৬, ১৬৬৭, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১১২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫১৬ তে। ((আবূ দাউদ, হুদুদ ৩৩৫৬, ৪৪৫৭; নাসাঈ, নিকাহ ৬/১০৯; তিরমিযী, আহকাম ১৩৬২; ইবনু মাজাহ ২২৬০৭;- আরনাউত্বের সহীহ ইবনু হিব্বান, ৪১১২ নং হাদীসের টীকা হতে।- অনুবাদক))
حَدَّثَنِي مُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ يُسَمَّى زِيَادًا قَالَ قُلْتُ لِأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ أَزْوَاجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتْنَ كَانَ يَحِلُّ لَهُ أَنْ يَتَزَوَّجَ قَالَ نَعَمْ إِنَّمَا أَحَلَّ اللَّهُ لَهُ ضَرْبًا مِنْ النِّسَاءِ وَوَصَفَ لَهُ صِفَةً فَقَالَ لَا يَحِلُّ لَكَ النِّسَاءُ مِنْ بَعْدُ مِنْ بَعْدِ هَذِهِ الصِّفَةِ
২২৭৯. যিয়াদ নামক এক আনসারী ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞেস করলাম, যদিও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিবাহের বিষয়টি প্রশস্ত ছিল, তবুও তাঁর জন্য কি (যে কোনো নারীকে)বিয়ে করা হালালই রয়ে গিয়েছিল? তিনি বলেন, হাঁ। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর জন্য বিভিন্ন শ্রেণির নারীদের হালাল করেছিলেন। আর তিনি তাঁর নিকট (এসকল হালাল নারীদের) বৈশিষ্ট্যসমূহের বিবরণ দিয়েছেন। আর আল্লাহ যে বলেছেন: “এরপর আপনার জন্য কোন নারী বৈধ নয়“- এখানে ‘এরপর’ অর্থ ‘এ সকল বৈশিষ্ট্যসমূহ বাদে’।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আলাল মুসনাদ ৫/১৩২; বুখারী, কাবীর ৩/৩৫৯-৩৬০; আরও দেখুন, বুখারী, আত তারীখ ১/২৩৬ ও ৩/৩৫৯-৩৬০; তা’জিলুল মুনফা’আহ পৃ: ১৪১, ৩৬০।
((তবে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে এ আয়াতের ব্যাখ্যায় এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে বিস্তারিতভাবে- তিরমিযী হা/৩২১৫ তে। তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান।– অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ مَا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَحَلَّ اللَّهُ لَهُ أَنْ يَتَزَوَّجَ مِنْ النِّسَاءِ مَا شَاءَ
২২৮০. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুর পূর্বে তাঁর জন্য ইচ্ছামাফিক যেকোনো মহিলাকে বিবাহ করা বৈধ করে দিয়েছিলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর ইবনু জুরাইজ এটি ‘হাদ্দাসানা’ শব্দে বর্ণনা করেছেন যা রয়েছে তাবারী’তে।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৩৬৬ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ২১২৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৩৭ তে।
((তিরমিযী, তাফসীর ৩২১৬; নাসাঈ, নিকাহ ৬/৫৬; তাবারী, জামিউল বায়ান (তাফসীর তাবারী) ২২/৩২; হাকিম ২/৪৩৭; বাইহাকী ৭/৫৪।– সহীহ ইবনু হিব্বান তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আরনাউত্ব হা/৬৩৬৬ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْتَقَ صَفِيَّةَ وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا
২২৮১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে মুক্তিদান করেন এবং তার মুক্তিদানকেই তার (বিয়ের) মোহরাণা হিসেবে গণ্য করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ, ২২২৮; মুসলিম, নিকাহ ১৩৬৫(৮৫)।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩০৫০, ৩১৩২, ৩১৫১,৩১৭৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০৬১, ৪০৬৪ তে।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْتَقَ صَفِيَّةَ وَتَزَوَّجَهَا وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا
২২৮২. (অপর সনদে) আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে মুক্তিদান করে তাঁকে বিয়ে করেন এবং তার মুক্তিদানকেই তার (বিয়ের) মোহরাণা হিসেবে গণ্য করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।