সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ قَالَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَعَلَى أَهْلِ الذَّهَبِ أَلْفُ دِينَارٍ
২৪০৩. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন যাতে ছিল: “যার নিকট স্বর্ণ (মুদ্রা) রয়েছে, তাকে (দিয়াত হিসেবে) এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা দিতে হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এটি বিস্তারিত উল্লেখ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৫৯ তে ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯৩ তে। দেখুন, নাইলূল আওতার ৭/১৬২-১৬৪।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ مِنْ مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى شُرَحْبِيلَ بْنِ عَبْدِ كُلَالٍ وَالْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ كُلَالٍ وَنُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ كُلَالٍ قِيَلِ ذِي رُعَيْنٍ وَمَعَافِرَ وَهَمَدَانَ فَكَانَ فِي كِتَابِهِ وَإِنَّ فِي النَّفْسِ الدِّيَةَ مِائَةٌ مِنْ الْإِبِلِ
২৪০৪. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন: “বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ হতে যিরু’আইন, মু’আফির ও হামদানের শাসক যথাক্রমে শুরাহবীল ইবনু আবদি কুলাল, হারিছ ইবনু আবদি কুলাল এবং নু’আইম ইবনু আবদি কুলালের প্রতি।“ আর তাঁর চিঠিতে ছিল: “কাউকে হত্যা করার দিয়াত হলো: একশত উট।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকাটি।
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَكَانَ فِي كِتَابِهِ وَفِي الْأَنْفِ إِذَا أُوعِبَ جَدْعُهُ الدِّيَةُ وَفِي اللِّسَانِ الدِّيَةُ وَفِي الشَّفَتَيْنِ الدِّيَةُ وَفِي الْبَيْضَتَيْنِ الدِّيَةُ وَفِي الذَّكَرِ الدِّيَةُ وَفِي الصُّلْبِ الدِّيَةُ وَفِي الْعَيْنَيْنِ الدِّيَةُ وَفِي الرِّجْلِ الْوَاحِدَةِ نِصْفُ الدِّيَةِ وَفِي الْمَأْمُومَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ وَفِي الْجَائِفَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ وَفِي الْمُنَقِّلَةِ خَمْسَ عَشَرَةَ مِنْ الْإِبِلِ
২৪০৫. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন, আর তাঁর চিঠিতে ছিল: যদি কারো নাক পুরোপুরি কাটা যায়, তবে এর ফলে সে পূর্ণ দিয়াত পাবে; আবার জিহবা কাটা গেলে সে পূর্ণ দিয়াত পাবে; আবার যার উভয় ঠোঁট কাটা যাবে, সেও পূর্ণ দিয়াত পাবে; যার অণ্ডকোষদ্বয় কাটা যাবে সেও পূর্ণ দিয়াত পাবে; যার পুরুষাঙ্গ কাটা যাবে সেও পূর্ণ দিয়াত পাবে, পিঠের (কিংবা মেরুদণ্ড বা কোমরের) আঘাতেও সে পূর্ণ দিয়াত পাবে; যার উভয় চোখ নষ্ট হবে, সেও পূর্ণ দিয়াত পাবে। আর কারো এক পা কাটা গেলে, সে অর্ধেক দিয়াত পাবে। আর যদি কারো মাথার গভীরে পৌঁছে যায়, এমন যখম হয়, তবে তাকে এজন্য দিয়াতের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হবে; এবং পেটের গভীর আঘাতের জন্য দিয়াতের এক-তৃতীয়াংশ প্রদান করা হবে; আর হাড় বেরিয়ে পড়ে, এমন আঘাতের জন্য পনেরটি উট (দিয়াত হিসেবে) পাবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এ হাদীসটি পরিপূর্ণ ভাবে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৫৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯৩ এ। আরও দেখুন, পূর্বের টীকাদু’টি।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ خِشْفِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَ الدِّيَةَ فِي الْخَطَإِ أَخْمَاسًا
২৪০৬. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, ভুল বশতঃ হত্যার দিয়াতের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ প্রকারের উট নির্ধারণ করেছেন।[1] (সেগুলি হলো: দ্বিতীয় বর্ষে উপনীত বিশটি মাদি উট ও বিশটি নর উট এবং তৃতীয় বর্ষে উপনীত বিশটি মাদী উট, চতুর্থ বর্ষে উপনীত বিশটি মাদী উট এবং পঞ্চম বর্ষে উপনীত বিশটি মাদী উট।)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, হাজ্জাজ বিন আরতাহ এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: আহমাদ ১/৩৮৪; বাইহাকী, দিয়াত ৮/৭৫।
তবে এটির ব্যাখ্যাসহ বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ১/৪৫০; আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৪৫; তিরমিযী, দিয়াত ১৩৮৬; বাইহাকী, দিয়াত ৮/৭৫; নাসাঈ, কুবরা নং ৭০০৫; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৩১; দারুকুতনী ৩/১৭৩।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الرِّفَاعِيُّ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ عَبْدًا لِأُنَاسٍ فُقَرَاءَ قَطَعَ يَدَ غُلَامٍ لِأُنَاسٍ أَغْنِيَاءَ فَأَتَى أَهْلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ لِأُنَاسٍ فُقَرَاءَ فَلَمْ يَجْعَلْ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا
২৪০৭. ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “দরিদ্র লোকের একটি ক্রীতদাস ধনী ব্যক্তির একটি দাসের হাত কেটে দেয়। তখন তার পরিবারের লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে তো একজন দরিদ্র লোক! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উপর কোন দিয়াত নির্ধারণ করেননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ৪/৪৩৮; আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৯০; বাইহাকী, দিয়াত ৮/১০৫; নাসাঈ, কুবরা নং ৬৯৫৩; তাবারাণী, কাবীর ১৮/২০৮ নং ৫১২ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ غَالِبٍ التَّمَّارِ عَنْ مَسْرُوقِ بْنِ أَوْسٍ عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْأَصَابِعُ سَوَاءٌ قَالَ فَقُلْتُ عَشْرٌ عَشْرٌ قَالَ نَعَمْ
২৪০৮. আবূ মূসা আল আশ’আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “(দিয়াতের ক্ষেত্রে) সব আঙ্গুলই সমান।“ তিনি বলেন, আমি বললাম, (প্রতিটি আঙ্গুলের জন্য দিয়াত কি) দশ-দশটি করে উট? তিনি বললেন: “হাঁ।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৩৪, ৭৩৩৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২৭ এ। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৯২ নং ৭০৪০। ((আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫৫৬; নাসাঈ, দিয়াত নং ৪৮৫০, ৪৮৫১; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৫৩; আহমাদ ৬৬৪৩, ৬৭৩৩।– ফাওয়ায আহমাদের দারেমী হা/২৩৬৯ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَذَا وَهَذَا سَوَاءٌ وَقَالَ بِخِنْصِرِهِ وَإِبْهَامِهِ
২৪০৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “এটি ও এটি (দিয়াতের ক্ষেত্রে) সমান।“ আর তিনি কনিষ্ঠাঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলির প্রতি ইঙ্গিত করে একথা বলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, দিয়াত ৬৮৯৫।
এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৯০ নং ৭০৩৩; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৭৮২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২৮ এ।
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَفِي كُلِّ إِصْبَعٍ مِنْ أَصَابِعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ عَشْرٌ مِنْ الْإِبِلِ
২৪১০. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন (যাতে ছিল): “হাতের ও পায়ের প্রতিটি আঙ্গুলের জন্য দিয়াত হলো- দশটি উট।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৫৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯৩ এ। ((এটি কয়েকবার গত হয়েছে।–অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ مَطَرٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَوَاضِحِ خَمْسًا خَمْسًا مِنْ الْإِبِلِ
২৪১১. আমর ইবনে শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাড় উন্মুক্তকারী প্রতিটি যখমের দিয়াত পাঁচটি করে উট ফায়সালা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান মাত্বর ইবনু তাহমান আল ওয়ারাক এর কারণে।
তাখরীজ: আহমাদ ২/১৮৯, ২১৫; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৫৫; বাইহাকী, দিয়াত ৮/৮১; আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৬৬; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৫৭ তিরমিযী, দিয়াত ১৩৯০; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৭৮১।
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَفِي كُلِّ إِصْبَعٍ مِنْ أَصَابِعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ عَشْرٌ مِنْ الْإِبِلِ وَفِي الْمُوضِحَةِ خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ
২৪১২. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন (যাতে ছিল): “হাতের ও পায়ের প্রতিটি আঙ্গুলের জন্য দিয়াত হলো- দশটি উট এবং হাড় উন্মুক্তকারী প্রতিটি যখমের দিয়াত পাঁচটি করে উট।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৫৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯৩ তে।
তবে এর বেশকিছু শাহিদ হাদীস রয়েছে। এরজন্য দেখুন এ বাবের হাদীস সমূহ। আর আমরা এর বিভিন্ন অংশ পিছনে বর্ণনা করে এসেছি হাদীস নং ২৩৯৯, ২৪০৯, ২৪১০, ২৪১১, ২৪১৬ (অনুবাদে সেগুলি ২৩৯০, ২৪০০, ২৪০১, ২৪০২, ২৪০৭) নং এ।
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ مَطَرٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَسْنَانِ خَمْسًا خَمْسًا مِنْ الْإِبِلِ
২৪১৩. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁতের (প্রতিটি দাঁতের বিনিময়ে) দিয়াত পাঁচটি উট ফায়সালা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, মাত্বর ইবনু তাহমান আল ওয়ারাক এর কারণে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৮৬ নং ৭০১৪; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৫৫; বাইহাকী, দিয়াত ৮/৮৯; আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৬৩ জাইয়্যেদ সনদে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَفِي السِّنِّ خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ
২৪১৪. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন (যাতে ছিল): “দাঁতের দিয়াত হলো পাঁচটি উট।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আগের হাদীসগুলিতে আমাদের টীকাসমূহ দেখুন।
তবে, পূর্বের হাদীসটি এর শাহিদ।
حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قَتَادَةُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ زُرَارَةَ بْنَ أَوْفَى عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ رَجُلًا عَضَّ يَدَ رَجُلٍ قَالَ فَنَزَعَ يَدَهُ فَوَقَعَتْ ثَنِيَّتَاهُ فَاخْتَصَمُوا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَعَضُّ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ كَمَا يَعَضُّ الْفَحْلُ لَا دِيَةَ لَكَ
২৪১৫. ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, একজন লোক তার দাঁত দিয়ে অন্য একজনের হাত কামড়ে ধরে। ঐ লোক তার হাতকে টেনে ছাড়িয়ে নেওয়ার ফলে প্রথম লোকটির সামনের দুটি দাঁত উপড়ে যায়। তারা দুজনেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অভিযোগ উত্থাপন করলে তিনি বললেনঃ “তোমাদের কোন লোক কি (মর্দা) উটের মত দাঁত দিয়ে তার ভাইকে কামড় দেয়? তোমার কোন দিয়াত প্রাপ্য নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, দিয়াত ৬৮৯২; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৯৮, ৫৯৯৯ তে। এছাড়াও, তাহাবী, মুশকিলিল আছার ২/১১৯ সহীহ সনদে; বাইহাকী, আশরিবাহ ওয়াল হাদ্দ ফিহা ৮/৩৩৬;
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعَجْمَاءُ جُرْحُهَا جُبَارٌ وَالْبِئْرُ جُبَارٌ وَالْمَعْدِنُ جُبَارٌ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ
২৪১৬. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত (ক্ষতিপুরণ দেওয়া হতে) দায়মুক্ত, কূপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, খনি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত, আর রিকাযে (গুপ্তধনে) এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: দেখুন, আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১১০ ((বুখারী, যাকাত ১৪৯৯; মুসলিম, হুদূদ ১৭১০-হুমাইদী ১১১০ থেকে।– অনুবাদক।)); এটি গত হয়েছে ১৭১০ এ। আরও দেখুন, পরবর্তী হাদীস দু’টি।
أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ جُرْحُ الْعَجْمَاءِ جُبَارٌ وَالْبِئْرُ جُبَارٌ وَالْمَعْدِنُ جُبَارٌ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ
২৪১৭. (অপর সনদে) আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত (ক্ষতিপুরণ দেওয়া হতে) দায়মুক্ত, কূপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, খনি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত, আর রিকাযে (গুপ্তধনে) এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ১৭১০ এ। আগের ও পরের হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمَعْدِنُ جُبَارٌ وَالسَّائِمَةُ جُبَارٌ وَالْبِئْرُ جُبَارٌ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ
২৪১৮. (অপর সনদে) আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খনি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত, মুক্তভাবে বিচরণকারী চতুষ্পদ জন্তু (-এর আঘাত ক্ষতিপুরণ দেওয়া হতে) দায়মুক্ত, কূপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, আর রিকাযে (গুপ্তধনে) এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীস দু’টির পূনরাবৃত্তি।
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ نُضَيْلَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ امْرَأَتَيْنِ كَانَتَا تَحْتَ رَجُلٍ فَتَغَايَرَتَا فَضَرَبَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِعَمُودٍ فَقَتَلَتْهَا وَمَا فِي بَطْنِهَا فَاخْتَصَمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَضَى فِيهِ غُرَّةً وَجَعَلَهَا عَلَى عَاقِلَةِ الْمَرْأَةِ
২৪১৯. মুগীরা ইবন শু#39;বা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (হুযায়ল গোত্রের) জনৈক ব্যক্তির দু#39;টি স্ত্রী ছিল। উভয়ের মাঝে মতভেদ হলে তাদের একজন অন্যজনকে (তাবুর) খুঁটি দিয়ে আঘাত করে সেই স্ত্রীলোকটিকে এবং তার গর্ভস্থিত সন্তানকে মেরে ফেললো। তখন তারা এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে মামলা দায়ের করলো। এরপর তিনি হত্যাকারী মহিলার আত্নীয়-স্বজনের উপর ঐ মৃত সন্তানের দিয়াত স্বরূপ একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, দিয়াত ৬৯০৫, ৬৯০৬; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৮২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১৬ তে।
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرٍو هُوَ ابْنُ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عُمَرَ نَشَدَ النَّاسَ قَضَاءَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْجَنِينِ فَقَامَ حَمَلُ بْنُ مَالِكِ بْنِ النَّابِغَةِ فَقَالَ كُنْتُ بَيْنَ امْرَأَتَيْنِ فَضَرَبَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِمِسْطَحٍ فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنِينِهَا بِغُرَّةٍ وَأَنْ تُقْتَلَ بِهَا
২৪২০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে লোকদের মাঝে জিজ্ঞাসা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামগর্ভস্থিত সন্তান হত্যার ব্যাপারে কি নির্দেশ দিতেন? তখন হামল ইবনু মালিক ইবনু নাবিগা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বলেনঃ আমি দু#39;জন মহিলার মাঝখানে ছিলাম। এদের একজন অপরজনকে রুটি বানানো বেলুন দিয়ে আঘাত করে; (ফলে সে মারা যায় এবং তার গর্ভের সন্তানও মারা যায়)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে গর্ভের সন্তানের জন্য দিয়াত স্বরুপ একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দেন এবং নিহত মহিলার বিনিময়ে হত্যাকারী মহিলাকে কতলের জন্য হুকুম দেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আবূ দাউদে ইবনু ইসহাক কর্তৃক এটি ‘হাদ্দাসানা’ বলে বর্ণিত আছে
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০২১ এবং ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২৫ তে। ((আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৭২;
নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৪৭-৪৮, ৭৮; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৪১- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৮১।- অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَتَيْنِ مِنْ هُذَيْلٍ اقْتَتَلَتَا فَرَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِحَجَرٍ فَقَتَلَتْهَا وَمَا فِي بَطْنِهَا فَاخْتَصَمُوا فِي الدِّيَةِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَضَى أَنَّ دِيَةَ جَنِينِهَا غُرَّةُ عَبْدٍ أَوْ وَلِيدَةٍ وَقَضَى بِدِيَتِهَا عَلَى عَاقِلَتِهَا وَوَرِثَتْهَا وَرَثَتُهَا وَلَدُهَا وَمَنْ مَعَهَا فَقَالَ حَمَلُ بْنُ النَّابِغَةِ الْهُذَلِيُّ كَيْفَ أُغَرَّمُ مَنْ لَا شَرِبَ وَلَا أَكَلَ وَلَا نَطَقَ وَلَا اسْتَهَلَّ فَمِثْلُ ذَلِكَ يُطَلُّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا هُوَ مِنْ إِخْوَانِ الْكُهَّانِ مِنْ أَجْلِ سَجْعِهِ الَّذِي سَجَعَ
২৪২১. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ হুযায়ল গোত্রের দু’ মহিলা মারামারি করার সময় একে অপরকে পাথর দিয়ে আঘাত করে। যার ফলে তার ও তার গর্ভস্থিত সন্তানের মৃত্যু ঘটে। তখন সে মহিলার আত্নীয়-স্বজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়াতের ব্যাপারে মামলা দায়ের করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থিত মৃত সন্তানের জন্য দিয়াতস্বরূপ একটি দাস বা দাসী দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন এবং তা হত্যাকারী মহিলার আত্নীয়-স্বজনদের পরিশোধ করতে বলেন। এরপর তিনি ঐ দিয়াতের মালের উত্তরাধিকারী হিসাবে নিহত মহিলার স্বামী ও সন্তানদের নির্ধারিত করেন। তখন হামল ইবনু মালিক ইবনু নাবিগা হুযালী বলেনঃ আমি সে বাচ্চার দিয়াত কিরূপে দেব, যে খাদ্য-পানীয় গ্রহণ করেনি কথা বলেনি এবং কাঁদেওনি? সুতরাং তার খুনের বিনিময় তো বাতিল যোগ্য। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “মনে হচ্ছে, সে গণকদের ভাই।“ এ ব্যক্তির এরূপ ছন্দ করে কথা বলার কারণে (তিনি একথা বলেন)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, তিব্ব ৫৭৫৮, দিয়াত ৬৯০৫, ৬৯১০; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৮১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১৭, ৬০১৮, ৬০২০, ৬০২২ তে।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِيَةُ قَتِيلِ الْخَطَإِ شِبْهِ الْعَمْدِ وَمَا كَانَ بِالسَّوْطِ وَالْعَصَا مِنْهَا أَرْبَعُونَ فِي بُطُونِهَا أَوْلَادُهَا
২৪২২. আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “অনিচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ভুলবশত হত্যার ন্যায়, যা চাবুক বা লাঠির দ্বারা সংঘটিত হয়। (এর দিয়াতের পরিমাণ হলে - একশো উট) যার মধ্যে থাকবে চল্লিশটি গর্ভবতী উট।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১১ এবং ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫২৬ তে। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০/৪৪। ((আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৪৭; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৪০, ৪২ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে ; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৭ - ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৩৮৩।- অনুবাদক ))