হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2383)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِأَبِي بَكْرٍ لَا تُقْسِمْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الْحَدِيثُ فِيهِ طُولٌ




২৩৮৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলেন: “তুমি কসম করো না।“[1] আবূ মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন, এ সম্পর্কে দীর্ঘ হাদীস রয়েছে।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: এটি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে বিগত ২২০২ নং এ। ((মুসলিম, আইমান ১৬৫১; নাসাঈ, আইমান ৭/১০-১১; আহমাদ, ২/১৮৫, ২০৪, ৩৬১ ও ৩/৭৬ ও ৪/২৫৬; ইবনু মাজাহ, কাফফারাত ২১০৮।–ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/২৩৪৪ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2384)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرٍو هُوَ ابْنُ مُرَّةَ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا يُقَالُ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو زَمَنَ الْجَمَاجِمِ يُحَدِّثُ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ عَدِيَّ بْنَ حَاتِمٍ فَحَلَفَ أَنْ لَا يُعْطِيَهُ شَيْئًا ثُمَّ قَالَ لَوْلَا أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَى غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا فَلْيَأْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ وَلْيُكَفِّرْ عَنْ يَمِينِهِ




২৩৮৪. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর নামক মাথায় পক্ষাক্ষাতগ্রস্ত এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক আদী ইবনু হাতিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট কিছু চাইল। তখন তিনি শপথ করলেন যে, তিনি তাকে কিছুই দেবেন না। অতঃপর তিনি বললেন, আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একথা বলতে না শুনতাম, তিনি বলেছেন: “কোন ব্যক্তি শপথ করার পর অপর কোনো বিষয়ে কল্যাণ দেখতে পেলে সে যেন ঐ কল্যাণকর কাজটি করে এবং তার শপথের কাফফারা আদায় করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রয়েছে, যে হাসানের মুক্ত দাস ছিল। আর তার ব্যাপারে বুখারী, তার কাবীর ৫/১৫১ ও ইবনু আবী হাতিম, জারহ ওয়াত তা’দীল ৫/১১৭ এ কোনো প্রশংসা বা সমালোচনা কোনোটাই করেননি। ফলে এটি ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী। অন্যান্য বর্ণনাকারী গণ বিশ্বস্ত। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, আইমান ১৬৫১; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩৪৬ তে।

এছাড়াও, বুখারী ৫/১৫১।









সুনান আদ-দারিমী (2385)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَمُرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ سَمُرَةَ لَا تَسْأَلْ الْإِمَارَةَ فَإِنَّكَ إِنْ أُعْطِيتَهَا عَنْ مَسْأَلَةٍ وُكِلْتَ إِلَيْهَا وَإِنْ أُعْطِيتَهَا مِنْ غَيْرِ مَسْأَلَةٍ أُعِنْتَ عَلَيْهَا فَإِذَا حَلَفْتَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَيْتَ غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا فَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكَ وَأْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ




২৩৮৫. আবদুর রহমান ইবনু সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আবদুর রহমান ইবনু সামুরা, শাসন ক্ষমতা বা নেতৃত্ব চেয়ে নেবে না। কেননা যদি চাওয়ার কারণে তা তোমাকে তা দেয়া হয়, তবে এর (ভাল মন্দের) দায়-দায়িত্ব তোমার প্রতিই সোপর্দ করা হবে। আর যদি চাওয়া ছাড়াই তা তোমাকে তা দেয়া হয়, তবে এই বিষয়ে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তুমি সাহায্য প্রাপ্ত হবে। আবার কোন বিষয়ে কসম করার পরে অন্য একটি বিষয়কে যদি তা থেকে উত্তম দেখতে পাও, তবে তোমার কসমের কাফফারা দিয়ে দিবে এবং ঐ ভাল কাজটি করবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, আহকাম ৭১৪৭; মুসলিম, আইমান ১৬৫২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩৪৮ তে। এছাড়াও, ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৯২৯; ইবনুল কানি’, মুজামুস সাহাবাহ, তারজমাহ ৬৪৫।









সুনান আদ-দারিমী (2386)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ نَحْوَ الْحَدِيثِ




২৩৮৬. (অপর সূত্রে) আবদুর রহমান ইবনু সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: … এ বলে তিনি অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2387)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ الشَّرِيدِ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ إِنَّ عَلَى أُمِّي رَقَبَةً وَإِنَّ عِنْدِي جَارِيَةً سَوْدَاءَ نُوبِيَّةً أَفَتُجْزِئُ عَنْهَا قَالَ ادْعُ بِهَا فَقَالَ أَتَشْهَدِينَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَتْ نَعَمْ قَالَ أَعْتِقْهَا فَإِنَّهَا مُؤْمِنَةٌ




২৩৮৭. শারিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললাম: আমার মায়ের উপর একটি দাসমুক্তি ওয়াজিব ছিল। এখন আমার একটি ‘নুয়াইবী (সুদান অঞ্চলের) কালো দাসী রয়েছে। (আমি যদি তাকে মুক্ত করি,) তবে তা আমার মায়ের পক্ষ হতে যথেষ্ট হবে কি? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে এসো। (তাকে নিয়ে আসলে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই? সে বলেঃ হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে আযাদ করে দাও; সে মুমিন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, মুহাম্মদ ইবনু আমর এর কারণে।

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩৪২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১১৮৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2388)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمِينُكَ عَلَى مَا صَدَّقَكَ بِهِ صَاحِبُكَ




২৩৮৮. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তোমার কসম তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তোমার সাথী তা সত্য বলে মনে করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/২২৮ ; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৯/২২৫; মুসলিম, আইমান ১৬৫৩; আবূ দাউদ, আইমান ওয়ান নুযূর ৩২৫৫; তিরমিযী, আহকাম ১৩৫৪; ইবনু মাজাহ, কাফ্ফারাত ২১২১; ইবনু আদী, কামিল ৪/১৬৫০; উকাইলী, আদ দু’আফা ২/২৫১; দারুকুতনী ৪/৩০৩; বাইহাকী, নুযুর ১০/৬৫; হাকিম ৪/৩০৩ খতীব, মাওদহ ১/২৫৫-২৫৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ, নং ২৫১৫।









সুনান আদ-দারিমী (2389)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَتْ يَمِينُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّتِي يَحْلِفُ بِهَا لَا وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ




২৩৮৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলে কসম করতেন, তা ছিল: “না, কসম অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারীর।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ক্বদর ৬৬১৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ৫৪৪২, ৫৪৭২, ৫৫২০, ৫২২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩৪২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2390)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ بْنِ فُضَيْلٍ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ أَبِي الْعَوْجَاءِ السُّلَمِيِّ عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ أُصِيبَ بِدَمٍ أَوْ خَبْلٍ وَالْخَبْلُ الْجُرْحُ فَهُوَ بِالْخِيَارِ بَيْنَ إِحْدَى ثَلَاثٍ فَإِنْ أَرَادَ الرَّابِعَةَ فَخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ بَيْنَ أَنْ يَقْتَصَّ أَوْ يَعْفُوَ أَوْ يَأْخُذَ الْعَقْلَ فَإِنْ أَخَذَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا ثُمَّ عَدَا بَعْدَ ذَلِكَ فَلَهُ النَّارُ خَالِدًا فِيهَا مُخَلَّدًا




২৩৯০. আবূ শুরায়হ আল-খুযাঈ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যার কেউ নিহত হয় অথবা যাকে আহত করা হয় তার তিনটি বিকল্প বিষয়ের যে কোন একটি গ্রহণ করার এখতিয়ার আছে। সে চতুর্থটি গ্রহণ করতে চাইলে তোমরা তার উভয় হাত ধরে রাখো (তাকে বাধা দাও)। সে হত্যাকারীকে হয় হত্যা করবে অথবা ক্ষমা করবে অথবা দিয়াত (আর্থিক ক্ষতিপূরণ) গ্রহণ করবে। যে ব্যক্তি এই (তিনটি বিকল্পের) কোন একটি গ্রহণ করার পর আরও কিছু (অতিরিক্ত) দাবি করবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে সে স্থায়ী হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আর হাদীসটি মুনকার (অস্বীকৃত)।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৪৪১ নং ৮০৪৫; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৩; আহমাদ ৪/৩১; আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৪৯৬; বুখারী, কাবীর ৩/২২৪; দারুকুতনী ৩/৯৬; বাইহাকী, জানাইয়াত ৮/৫২; মারিফাহ নং ১৫৮৮৫; দেখুন, মীযানুল ই’তিদাল ২/১৬৯-১৭০।









সুনান আদ-দারিমী (2391)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَكَانَ فِي كِتَابِهِ أَنَّ مَنْ اعْتَبَطَ مُؤْمِنًا قَتْلًا عَنْ بَيِّنَةٍ فَإِنَّهُ قَوَدُ يَدِهِ إِلَّا أَنْ يَرْضَى أَوْلِيَاءُ الْمَقْتُولِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد اعْتَبَطَ قَتَلَ مِنْ غَيْرِ عِلَّةٍ




২৩৯১. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন যাতে ছিল: “যে ব্যক্তি বিনা কারণে কোনো মু’মিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে কিসাস ওয়াজিব হবে । তবে সে যদি নিহত ব্যক্তির ওয়ালী বা অভিভাবকদেরকে (ক্ষমা করতে কিংবা রক্তমূল্য নিতে) রাজি করাতে পারে, তবে (সে রক্ষা পেতে পারে)।“[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ‘ই’তাবাত্বা’ অর্থ বিনা কারণে।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: এর অংশবিশেষ বর্ণনা করেছেন বুখারী, আল ইলম ১১২ ((নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৫৭-৫৮-৫৯-৬০; মালিক, মুআত্তা, উকুল হা/১।))









সুনান আদ-দারিমী (2392)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا بُشَيْرُ بْنُ يَسَارٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ قَالَ خَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍ أَحَدُ بَنِي حَارِثَةَ إِلَى خَيْبَرَ مَعَ نَفَرٍ مِنْ قَوْمِهِ يُرِيدُونَ الْمِيرَةَ بِخَيْبَرَ قَالَ فَعُدِيَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ فَقُتِلَ فَتُلَّتْ عُنُقُهُ حَتَّى نُخِعَ ثُمَّ طُرِحَ فِي مَنْهَلٍ مِنْ مَنَاهِلِ خَيْبَرَ فَاسْتُصْرِخَ عَلَيْهِ أَصْحَابُهُ فَاسْتَخْرَجُوهُ فَغَيَّبُوهُ ثُمَّ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ فَتَقَدَّمَ أَخُوهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَهْلٍ وَكَانَ ذَا قِدَمٍ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَابْنَا عَمِّهِ مَعَهُ حُوَيِّصَةُ بْنُ مَسْعُودٍ وَمُحَيِّصَةُ فَتَكَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَكَانَ أَحْدَثَهُمْ سِنًّا وَهُوَ صَاحِبُ الدَّمِ وَذَا قَدَمٍ فِي الْقَوْمِ فَلَمَّا تَكَلَّمَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْكُبْرَ الْكُبْرَ قَالَ فَاسْتَأْخَرَ فَتَكَلَّمَ حُوَيِّصَةُ وَمُحَيِّصَةُ ثُمَّ هُوَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تُسَمُّونَ قَاتِلَكُمْ ثُمَّ تَحْلِفُونَ عَلَيْهِ خَمْسِينَ يَمِينًا ثُمَّ نُسَلِّمُهُ إِلَيْكُمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا كُنَّا لِنَحْلِفَ عَلَى مَا لَا نَعْلَمُ مَا نَدْرِي مَنْ قَتَلَهُ إِلَّا أَنَّ يَهُودَ عَدُوُّنَا وَبَيْنَ أَظْهُرِهِمْ قُتِلَ قَالَ فَيَحْلِفُونَ لَكُمْ بِاللَّهِ إِنَّهُمْ لَبُرَءَاءُ مِنْ دَمِ صَاحِبِكُمْ ثُمَّ يَبْرَءُونَ مِنْهُ قَالُوا مَا كُنَّا لِنَقْبَلَ أَيْمَانَ يَهُودَ مَا فِيهِمْ أَكْبَرُ مِنْ أَنْ يَحْلِفُوا عَلَى إِثْمٍ قَالَ فَوَدَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ عِنْدِهِ بِمِائَةِ نَاقَةٍ




২৩৯২. সাহল ইবনু আবু হাছমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। বনী হারিছা গোত্রের একব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবন সাহল তার গোত্রের কতক লোকের সঙ্গে রসদ-সামগ্রী আনতে খায়বারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এরপর আব্দুল্লাহ’র উপর অত্যাচার করা হয় এবং তিনি নিহত হন। আর তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়, যাতে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর তাকে খায়বারের একটি কুপে নিক্ষেপ করা হয়। তা দেখে তার সাথীরা চিৎকার করে উঠেন। এরপর তারা তাকে বের করে দাফন করেন। এরপর তারা মদীনায় ফিরে এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হন। তার ভাই আব্দুর রহমান ইবন সাহল আগে থেকেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার বিশেষ একটি সম্পর্ক ছিল।

এসময় তার সাথে তার চাচাতো ভাইদ্বয় হুওয়ায়্যিসা ইবন মাসউদ এবং মুহাইয়িসা ছিলেন। আব্দুর রহমান ছিলেন সকলের ছোট। আব্দুর রহমান, যিনি ছিলেন রক্তপণের হকদার এবং ক্বওমের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তি, তিনিই প্রথম কথা বলতে আরম্ভ করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে বয়সে বড় তাদেরকে (সম্মান কর)। তিনি চুপ হয়ে গেলে হুওয়ায়্যিসা ইবন মাসউদ এবং মুহাইয়িসা কথা আরম্ভ করলেন এবং তিনিও তাদের সাথে কথায় শরীক ছিলেন।

তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা হত্যাকারীর নাম বলো। এরপর তোমরা পঞ্চাশবার শপথ করো। তাহলে তাকে তোমাদের হাতে সোপর্দ করবো।“ তারা বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা যা জানি না, সে সম্পর্কে কিভাবে আমরা শপথ করতে পারি? তাকে কে হত্যা করেছে তাতো আমরা জানিনা। তবে ইয়াহুদীরা আমাদের শত্রু। আর সে তো তাদের শাখা গোত্রের মাঝেই নিহত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তারা (ইয়াহুদীরা) তোমাদের সম্মুখে শপথ করবে যে, তারা নিশ্চয়ই তোমাদের এ সাথীর খুনের অভিযোগ হতে দায়মুক্ত। তবেই তারা এ অভিযোগ থেকে দায় মুক্ত হবে।“ তারা বললেনঃকাফিরদের শপথ আমরা মেনে নিতে পারি না। তাদের মধ্যে পাপ কাজের ক্ষেত্রে শপথ করার মতো কতো লোকই তো রয়েছে। এ অবস্হায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ হতে তাদের দিয়াত একশত উট আদায় করে দেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, সুলহ ২৭০২; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৬৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০০৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী ন্ং ৪০৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2393)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ وَكَانَ فِي كِتَابِهِ أَنَّ الرَّجُلَ يُقْتَلُ بِالْمَرْأَةِ




২৩৯৩. আমর ইবনু হাযম তার পিতা হতে, তার দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানবাসীদের নিকট একটি পত্র লিখেছিলেন যাতে ছিল: “নারীর (হত্যার) জন্য পুরুষকে হত্যা করা হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: আমরা এর বিস্তারিত তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৫৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯৩ তে।

আমরা বলছি: তবে এ অংশের শাহিদ হাদীস রয়েছে আনাস থেকে যেটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত, আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ২৮১৮, ২৮৬৬, ৩১৪৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৯১, ৫৯৯২, ৫৯৯৩ তে। এটি পরবর্তী হাদীস মুলত।









সুনান আদ-দারিমী (2394)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ جَارِيَةً رُضَّ رَأْسُهَا بَيْنَ حَجَرَيْنِ فَقِيلَ لَهَا مَنْ فَعَلَ بِكِ هَذَا أَفُلَانٌ أَفُلَانٌ حَتَّى سُمِّيَ الْيَهُودِيُّ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا فَبُعِثَ إِلَيْهِ فَجِيءَ بِهِ فَاعْتَرَفَ فَأَمَرَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُضَّ رَأْسُهُ بَيْنَ حَجَرَيْنِ




২৩৯৪. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, এক ইয়াহূদী একটি দাসীর মাথা দু’টি পাথরের মাঝখানে রেখে থেঁতলে দিয়েছিল। তাকে জিজ্ঞেস করা হল, কে তোমাকে এরূপ করেছে? অমুক ব্যক্তি, অমুক ব্যক্তি? যখন জনৈক ইয়াহূদীর নাম বলা হল- তখন সে দাসী মাথার দ্বারা হ্যাঁ সূচক ইশারা করল। ইয়াহূদীকে লোক পাঠিয়ে ধরে আনা হল। সে অপরাধ স্বীকার করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে নির্দেশ দিলেন। তখন তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝখানে রেখে থেঁতলে দেয়া হল।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, খুসূমাত ২৪১৩; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ২৮১৮, ২৮৬৬, ৩১৪৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৯১, ৫৯৯২, ৫৯৯৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2395)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَلِيٍّ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ هَلْ عَلِمْتَ شَيْئًا مِنْ الْوَحْيِ إِلَّا مَا فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى قَالَ لَا وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ مَا أَعْلَمُهُ إِلَّا فَهْمًا يُعْطِيهِ اللَّهُ الرَّجُلَ فِي الْقُرْآنِ وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ قُلْتُ وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ قَالَ الْعَقْلُ وَفِكَاكُ الْأَسِيرِ وَلَا يُقْتَلُ مُسْلِمٌ بِمُشْرِكٍ




২৩৯৫. আবূ জুহাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের নিকট আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব ব্যতীত ওয়াহীর কোনো কিছু আপনি জানেন কি? তিনি উত্তরে বললেন, সেই মহান সত্তার শপথ, যিনি শস্য বিদীর্ণ করেছেন এবং প্রাণের সৃষ্টি করেছেন! আল্লাহ্ তা’আলা কুরআন সম্পর্কে একজন মানুষকে যে প্রজ্ঞা দেন এবং এই সহীফার মধ্যে যা কিছু আছে, তার বেশি কিছু আমি জানি না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, সহীফার মধ্যে কী আছে? তিনি বললেন, তাতে রক্তপণ এবং যুদ্ধবন্দী মুক্তি সম্পর্কিত বিধান আছে। তাতে আরো আছে, কোনো মুশরিকের (হত্যার) দায়ে কোন মুমিনকে (কিসাস স্বরূপ) হত্যা করা যাবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ইলম ১১১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ৩৩৮, ৪৫১, ৫৬২, ৬২৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী ন্ং ৪০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2396)


أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَونٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ وَلَا يُقَادُ بِالْوَلَدِ الْوَالِدُ




২৩৯৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “মসজিদের ভিতর হদ্দ কার্যকর করা যাবে না এবং ছেলেকে খুনের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা যাবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইসমাঈল ইবনু মুসলিম আল মাক্কীর কারণে এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি এর বিভিন্ন সনদ থাকায় এবং (হাকিম ইবনু হিযাম হতে) এর শাহীদ হাদীস থাকার কারণে সহীহ।

আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি এবং এর সকল সনদ একত্র করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ ন্ং ২০৭৫ তে এহাদীসের শাহীদ হিসেবে জুবাইর ইবনু মুতঈম এর হাদীসটিতে। এছাড়াও: ইবনু আবী শাইবা ১০/৪৩ নং ৮৭০০; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৪/১৮; সাহমী, তারিখ জুরজান পৃ: ৪৩০ তে। দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ ন্ং ২০৭৫, ২০৭৬, নাসবুর রায়াহ ৪/৩৪০, ৩৪১ ও তালখীসুল হাবীর ৪/৭৭। ((তিরমিযী, দিয়াত ১৪০১; ইবনু মাজাহ, হুদুদ ২৫৯৯, ২৬৬১।-অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2397)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَتَلَ عَبْدَهُ قَتَلْنَاهُ وَمَنْ جَدَعَهُ جَدَعْنَاهُ قَالَ ثُمَّ نَسِيَ الْحَسَنُ هَذَا الْحَدِيثَ وَكَانَ يَقُولُ لَا يُقْتَلُ حُرٌّ بِعَبْدٍ




২৩৯৭. সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করে আমরা তাকে হত্যা করব; আর কেউ তার দাসের অঙ্গছেদন করলে আমরাও তার অঙ্গছেদন করব।“ বর্ণনাকারী বলেন, এরপর হাসান এ হাদীসটি ভুলে যান এবং বলতে থাকেন দাসের খুনের দায়ে মনিবকে হত্যা করা হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, হাসানের সামুরা ইবনু জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করাটা সাব্যস্ত নয়।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/১০-১১, ১২, ১৯ ; আবূ নুয়াইম, যিকরু আখবারু আসবাহান ১/১৮৬; ইবনু আবী শাইবা ৯/৩০৩ নং ৭৫৫৭; আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫১৫, ৪৫১৬, ৪৫১৭; তাবারাণী, কাবীর ৭/১৯৭ নং ৬৮০৮, ৬৮০৯; ইবনু আদী, কামিল ২/৭২৯; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/২১; তিরমিযী, দিয়াত ১৪১৪; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৬৩; তায়ালিসী ১/২৯৩ নং ১৪৯৩; হাকিম ৪/৩৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ, ১০/১৭৭ নং ২৫৩৩।









সুনান আদ-দারিমী (2398)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ عَوْفٍ عَنْ حَمْزَةَ أَبِي عُمَرَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ الْحَضْرَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أُتِيَ بِالرَّجُلِ الْقَاتِلِ يُقَادُ فِي نِسْعَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِوَلِيِّ الْمَقْتُولِ أَتَعْفُو قَالَ لَا قَالَ فَتَأْخُذُ الدِّيَةَ قَالَ لَا قَالَ فَتَقْتُلُهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّكَ إِنْ عَفَوْتَ عَنْهُ فَإِنَّهُ يَبُوءُ بِإِثْمِكَ وَإِثْمِ صَاحِبِكَ قَالَ فَتَرَكَهُ قَالَ فَأَنَا رَأَيْتُهُ يَجُرُّ نِسْعَتَهُ قَدْ عَفَا عَنْهُ




২৩৯৮. ওয়ায়েল ইবন হুজর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তাঁর কাছে একজন হত্যাকারীকে আনা হয়। যার গলায় চামড়ার রশি বাঁধা ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেনঃ “তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে?“ সে বলেঃ না। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “তুমি কি রক্তপণ গ্রহণ করবে?“ সে বলেঃ না। তখন তিনিআবার তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ “তুমি কি তাকে হত্যা করবে?“ সে বলেঃ হাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দেখ, যদি তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তবে সে ব্যক্তি তোমার ও নিহত ব্যক্তির গুনাহ নিয়ে ফিরবে।“ এ কথা শুনে সে ব্যক্তি তাকে ছেড়ে (ক্ষমা করে) দেয়।

রাবী বলেনঃ তখন আমি সে হত্যাকারী ব্যক্তিকে রশি টানতে টানতে যেতে দেখি অথচ তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫০০, ৪৫০১, ৪৫১৫, নাসাঈ, কাসামাহ ৮/১৫, ১৬, ১৭, ২১; বাইহাকী, জানাইয়াত ৮/৫৫; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ১৫৯০১; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৮০ সনদ সহীহ।

বুখারী, আইমান ওয়ান নুযুর ৬৬৭৫, ইসতিতাবাহ মুরতাদীন ৬৯২০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ, ১/৮৫ নং ৪৪।









সুনান আদ-দারিমী (2399)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْكَبَائِرُ الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ وَقَتْلُ النَّفْسِ شُعْبَةُ الشَّاكُّ أَوْ الْيَمِينُ الْغَمُوسُ




২৩৯৯. আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কবীরা গুনাহসমূহ হল, আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা অথবা - ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা কসম করা। এখানে শু’বা (র)-এর সন্দেহ হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে হত্যা করা না মিথ্যা কসমের কথা বলেছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, দিয়াত ৬৮৭০; আইমান ওয়ান নুযূর ৬৬৭৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ, ১/৮৫ নং ৪৪; নাসাঈ, তাহরীমুদ দাম ৭/৮৯; কাসামাহ ৮/৬৩; ইসতিতাবাহ মুরতাদীন ৬৯২০।









সুনান আদ-দারিমী (2400)


حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ ثَابِتِ بْنِ الضَّحَّاكِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعْنُ الْمُؤْمِنِ كَقَتْلِهِ وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِشَيْءٍ فِي الدُّنْيَا عُذِّبَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ




২৪০০. সাবিত ইবনু দাহহাক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “কোনো মু’মিন ব্যক্তিকে অভিশাপ দেওয়া তাকে হত্যা করার শামিল, আর যে ব্যক্তি কোন কিছু (অস্ত্র) দিয়ে দুনিয়াতে আত্মহত্যা করে, তাকে তা দিয়েই কিয়ামত দিবসে ‘আযাব দেয়া হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, জানাইয ১৩৬৩; মুসলিম, ঈমান ১১০।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ১৫৩৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৩৬৬, ৪৩৬৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী ন্ং ৮৭৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2401)


حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِحَدِيدَةٍ فَحَدِيدَتُهُ فِي يَدِهِ يَتَوَجَّأُ بِهَا فِي بَطْنِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِسُمٍّ فَسُمُّهُ فِي يَدِهِ يَتَحَسَّاهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا وَمَنْ تَرَدَّى مِنْ جَبَلٍ فَقَتَلَ نَفْسَهُ فَهُوَ يَتَرَدَّى فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا




২৪০১. আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে লোক লোহার ফলা দিয়ে আত্মহত্যা করবে, সে লোহার ফলা জাহান্নামের আগুনের ভিতরেও তার হাতেই থাকবে, চিরকাল সে তা দিয়ে নিজের পেটে আঘাত করতে থাকবে। আর যে লোক বিষপানের মাধ্যমে আত্মহত্যা করবে, তার বিষ জাহান্নামের আগুনের মধ্যেও তার হাতেই থাকবে, চিরকাল সে জাহান্নামের মধ্যে তা পান করতে থাকবে। যে লোক পাহাড়ের উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে, সে চিরকাল সে জাহান্নামের ভিতর ঐভাবে লাফিয়ে পড়তে থাকবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, তিবব ৫৭৭৮; মুসলিম, ঈমান ১০৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৯৮৬, ৫৯৮৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2402)


حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَتَلَ رَجُلٌ رَجُلًا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِيَتَهُ اثْنَيْ عَشَرَ أَلْفًا فَذَلِكَ قَوْلُهُ وَمَا نَقَمُوا إِلَّا أَنْ أَغْنَاهُمْ اللَّهُ وَرَسُولُهُ مِنْ فَضْلِهِ بِأَخْذِهِمْ الدِّيَةَ




২৪০২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (আদী গোত্রের) জনৈক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তি কর্তৃক নিহত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বার হাযার দিরহাম ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেন। আর এটাই মহান আল্লাহর বাণী’-(-র অর্থ): “আর তারা একমাত্র এ কারণেই দোষারোপ করেছিল যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাঁর স্বীয় অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করেছেন।“ (সুরা তাওবা: ৭৪) তথা তাদের দিয়াত গ্রহণের মাধ্যমে (তাদেরকে অভাবমুক্ত করেছেন)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((এর রাবী মুহাম্মদ বিন মুসলিম সম্পর্কে বিভিন্ন নাকিদ মুহাদ্দিসের ইখতিলাফপূর্ণ মতামত উল্লেখ পূর্বক মুহাক্বিক্ব তাকে ‘চলনসই’ (লা বা’সা বিহী) বলে উল্লেখ করেন। আর হাদীসটি মুরসাল হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে উসূল হিসেবে উল্লৈখ করেছেন যে, বিশ্বস্ত রাবীর ইরসাল গ্রহণযোগ্য।–অনুবাদক))

তাখরীজ: আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫৪৬; নাসাঈ, কুবরা ৭০০৬, ৭০০৭; তিরমিযী, দিয়াত ১৩৮৮; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৯, ২৬৩২; তাবারী ১০/১৮৭; দারুকুতনী ৩/১৩০ নং ১৫২; বাইহাকী ৮/৭৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩৯৩। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ৪/২৩।