সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَتَّابٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: لَوْلَا أَنِّي أَخْشَى أَنْ أُخْطِئَ لَحَدَّثْتُكُمْ بِأَشْيَاءَ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَوْ قَالَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - وَذَاكَ أَنِّي سَمِعْتُهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৪১. আত্তাব বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমার যদি ভুল হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই এমন সব বিষয়ে হাদীস শুনাতাম, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি কিংবা যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। কেননা, আমি এটি তাঁর নিকট শুনেছি: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনুল জাউযী, আল মাউযু’আত ১/৭৯; বুখারী, ১০৮; মুসলিম, মুকদ্দমা ২; তায়ালিসী ১/৩৮ নং ৯৭; বিস্তারিত তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯০৯; সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’ ১/৪৩।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنبَأَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَعَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ وَعَنِ التَّيْمِيِّ، وَعَنْ عَتَّابٍ مَوْلَى ابْنِ هُرْمُزَ سَمِعُوا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৪২. আব্দুল আযীয, হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান, তাইমী এবং ইবনু হুরমুযের আযাদকৃত গোলাম আত্তাব থেকে বর্ণিত, তারা সকলেই আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬৩, নং ৬৩০৩; আহমাদ, ৩/১১৩,১১৪, ১৬৬, ১৭৪, ২০৩, ২২৩, ২৭৮, ২৮০; তাহাবী, মুশকিলুল আছার, ১/১৬৯; দেখুন পূর্বের টীকা।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِيَّاكُمْ وَكَثْرَةَ الْحَدِيثِ عَنِّي، فَمَنْ قَالَ عَلَيَّ، فَلَا يَقُلْ إِلَّا حَقًّا، - أَوْ إِلَّا صِدْقًا - وَمَنْ قَالَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح محمد بن إسحاق صرح بالتحديث عند أحمد وغيره فانتفت شبهة التدليس
২৪৩. আবু কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি: হে মানবমণ্ডলী! তোমার আমার থেকে অধিক হাদীস বর্ণনা করা হতে বিরত থাকো। তবে যে ব্যক্তি আমার থেকে (হাদীস) বলতে চায়, সে যেন সত্য বা সঠিক ব্যতীত অন্য কিছু না বলে। আর যে ব্যক্তি আমার উপর এমন কথা আরোপ করল, যা আমি বলিনি, তবে সে জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নিল।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমদ, ৫/২৯৭; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬১ নং ৬২৯৫; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামা ৩৫; হাকিম ১/১১১; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১/১৭২।
أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৪৪. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আমার ধারণা, এ মুহাম্মদ ইবনু বাশার যদি মাহফুয হয়, তবে তিনি মুহাম্মদ ইবনু সীরীন হবেন, তাহলে এটি মুসনাদে আহমাদ ৩/১১৩ ও ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৫৯ তে আসেম ইবনু সুলাইমান হতে, তিনি আনাস হতে... এ সনদ সহীহ।
তাখরীজ: পূর্বের হাদীস দুটি ২৪১, ২৪২ দেখুন। এছাড়া, বিভিন্ন সনদে এটি দেখুন তাহাবী, মুশকিলুল আছার, ১/১৬৪-১৭৫ ও ইবনুল জাউযীর আল মাউযু’আত ১/৫৫-৯৮।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ النَّاسِ، وَلَكِنْ: قَبْضُ الْعِلْمِ قَبْضُ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا، اتَّخَذَ النَّاسُ رُءُوسًا جُهَّالًا فَسُئِلُوا، فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح والحديث متفق عليه
২৪৫. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ মানুষদের (অন্তর) থেকে ইলমকে জবরদস্তিভাবে উঠিয়ে নেন না, বরং আলিমদেরকে উঠিয়ে নেয়ার মাধ্যমে ইলমকে উঠিয়ে নেন। ফলে যখন একজন আলিমও অবশিষ্ট থাকবেন না, তখন ‘জাহিল/মূর্খ’-দেরকে লোকেরা তাদের নেতা (অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব) বানিয়ে নেবে। তখন তাদেরকে (মাস’আলা-মাসায়েল) জিজ্ঞাসা করা হলে তারা ইলম ছাড়াই ফাতওয়া দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।[1]
[1] তাহক্বিক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১০০, ৭৩০৭ ; সহীহ মুসলিম ৪/৪৭ নং ২৬৭৩; (আহমদ ৬৫২১); ইবনু আবী শাইবা, ১৫/১৭৭ নং ১৯৪৩৬... বিস্তারিত তাখরীজ দেখুন সহীহ ইবনু হিব্বান ৪৫৭১, ৬৭১৯, ৬৭২৩।
أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، أَنبَأَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أبي مَالِكٍ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: خُذُوا الْعِلْمَ قَبْلَ أَنْ يَذْهَبَ». قَالُوا: وَكَيْفَ يَذْهَبُ الْعِلْمُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ، وَفِينَا كِتَابُ اللَّهِ؟ قَالَ: فَغَضِبَ، ثُمَّ قَالَ: «ثَكِلَتْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ أَوَلَمْ تَكُنِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ، فَلَمْ يُغْنِيَا عَنْهُمْ شَيْئًا؟ إِنَّ ذَهَابَ الْعِلْمِ أَنْ يَذْهَبَ حَمَلَتُهُ، إِنَّ ذَهَابَ الْعِلْمِ أَنْ يَذْهَبَ حَمَلَتُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف حجاج بن أرطاة ولكنه حديث حسن بشواهده
২৪৬. আবী উমামা রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইলমকে উঠিয়ে নেওয়ার পূর্বেই তোমরা তা শিক্ষা কর।“ তারা বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব বিদ্যমান থাকা অবস্থায় কিভাবে ইলম উঠে যাবে? বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি রেগে গেলেন। তারপর বললেন, “তোমাদের মা তোমাদেরকে হারিয়ে ফেলুক! বনী ইসরাঈলদের নিকট কি তাওরাত ও ইনজিল ছিল না? কিন্তু সেগুলি তাদের কোনো কাজেই আসল না। ইলম উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হল ইলমের বাহককে (আলিমগণকে) উঠিয়ে নেওয়া। ইলম উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হল ইলমের বাহককে (আলিমগণকে) উঠিয়ে নেওয়া।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, হাজ্জাজ বিন আরতাহ যঈফ। কিন্তু শাহিদ থাকার কারণে হাদীসটি হাসান।
তাখরীজ: আহমাদ ও তাবারানীতে রয়েছে। আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওযাইদ হা/৯৯০ এর তাখরীজে। এটি আরও রয়েছে, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৬, ১৩৭; খতীব, তারীখ ২/২১২;....।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا هِلَالٌ هُوَ: ابْنُ خَبَّابٍ، قَالَ: سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قُلْتُ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، مَا عَلَامَةُ هَلَاكِ النَّاسِ؟ قَالَ: إِذَا هَلَكَ عُلَمَاؤُهُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৪৭. হিলাল ইবনু খাব্বাব বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আবু আব্দুল্লাহ, লোকদের ধ্বংসের আলামত কী? তিনি বললেন, যখন তোমাদের আলিমগণ মৃত্যুবরণ করবেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১৫/৪০; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০২৩; ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আ নং ২১৩; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৮৩; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২/২৫৩ নং ১৬৬২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২৭৬..।
أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مَسْعُودُ بْنُ سَعْدٍ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، عَنْ سَلْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: " لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا بَقِيَ الْأَوَّلُ حَتَّى يَتَعَلَّمَ - أَوْ يُعَلِّمَ - الْآخِرَ، فَإِذا هَلَكَ الْأَوَّلُ قَبْلَ أَنْ يُعَلِّمَ - أَوْ يَتَعَلَّمَ - الْآخِرُ، هَلَكَ النَّاسُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف مسعود بن سعد متأخر السماع من عطاء
২৪৮. আব্দুল্লাহ ইবনু zwj;রুবাইয়্যিআহ থেকে বর্ণিত, সালমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, লোকেরা ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন প্রথম যুগের লোকেরা (সাহাবীগণ) তাদের মাঝে থাকবেন এবং পরবর্তী লোকেরা ইলম শিক্ষা করতে থাকবে, অথবা শিক্ষা দিতে থাকবে। তারপর যখন পরবর্তীগণ ইলম শিক্ষা পাওয়া - কিংবা শেখার পূর্বেই পূর্ববর্তীরা মৃত্যুবরণ করবে, তখনই লোকেরা ধ্বংস হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এতে ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। মাসউদ ইবনু সা’দ আতা থেকে কিছু শোনা থেকে পিছিয়ে রয়েছে।
তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৫১ তে অপর সনদে। এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য হলেও এতেও ইনকিতা রয়েছে। সামনেও নং ২৫৫ তে এটি বর্ণিত হয়েছে অপর সনদে। এ সমস্ত সনদ মিলিয়ে আছারটি হাসান পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا أَبُو كُدَيْنَةَ، عَنْ قَابُوسَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا ذَهَابُ الْعِلْمِ؟» قُلْنَا: لَا. قَالَ: ذَهَابُ الْعُلَمَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৪৯. কাবুস তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, তোমরা জান কি ইলম উঠে যাওয়া (অর্থ) কী? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন: আলিমগণের মৃত্যু বরণ করা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এর তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০০৭। ১০০৬ ও দেখুন। এছাড়া আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৫৩;
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: قَالَ حُذَيْفَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «أَتَدْرِي كَيْفَ يُنْقَصُ الْعِلْمُ؟» قَالَ: قُلْتُ: كَمَا يُنْفَضُ الثَّوْبُ، وَكَمَا يَقْسُو الدِّرْهَمُ. قَالَ: «لَا»، وَإِنَّ ذَلِكَ لَمِنْهُ، قَبْضُ الْعِلْمِ: قَبْضُ الْعُلَمَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده محمد بن أسعد منكر الحديث
২৫০. আবু ওয়াইল থেকে বর্ণিত, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমরা জান কি, ইলম কিভাবে হ্রাস পাবে? তিনি বলেন, আমি বললাম, পোশাক যেভাবে ছোট হয়ে যায়, দিরহাম যেভাবে অচল হয়ে যায়।
তিনি বললেন, না, এর কোনটাই নয়। বরং ইলম উঠিয়ে নেওয়া হলো: আলিমদেরকে উঠিয়ে নেওয়া (মৃত্যু দান)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : (এর রাবী মুহাম্মদ ইবনু আস’আদ সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসগণের মতামত আলোচনা করেছেন, কিন্তু তিনি কোন হুকুম লাগাননি। তবে পূর্বের হাদীসগুলি এর শাহিদ হওয়ায় তা সহীহ বা হাসান পর্যায়ের ইনশা আল্লাহ।- অনুবাদক)
তাখরীজ: দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ (আমার তাহক্কিক্বকৃত) নং ১০০৫ এর টীকা।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «مَا لِي أَرَى عُلَمَاءَكُمْ يَذْهَبُونَ وَجُهَّالَكُمْ لَا يَتَعَلَّمُونَ؟ تعلَّموا قَبْلَ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ، فَإِنَّ رَفْعَ الْعِلْمِ ذَهَابُ الْعُلَمَاءِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه سالم لم يدرك أبا الدرداء فيما نعلم
২৫১. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কী হল! আমি দেখছি তোমাদের আলিমগণ চলে যাচ্ছেন এবং তোমাদের মুর্খরা (ইলম) শিখছে না? ইলম উঠিয়ে নেয়ার আগেই তোমরা তা শিক্ষা কর। কেননা, ইলম উঠে যাওয়া ( অর্থ) হল আলিমগণের চলে যাওয়া (মৃত্যুবরণ করা)।[1]
[1] তাহক্কীক্ব: এর সনদ যঈফ। কেননা, এতে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আমরা যা জানতে পেরেছি, তাতে সালিম আবী দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন। (তবে এটি ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ ১০৩৬ নং তে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। তাখরীজ দেখুন)
তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৪৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০৪৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২১২, ২২১; অপর সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০৩৬, এর সনদ সহীহ।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ بُرْدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: النَّاسُ عَالِمٌ، وَمُتَعَلِّمٌ، وَلَا خَيْرَ، فِيمَا بَعْدَ ذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه سليمان بن موسى لم يدرك أبا الدرداء
২৫২. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (কল্যাণ লাভকারী) মানুষ দু’ প্রকার: ১. আলিম ও ২. ইলম শিক্ষার্থী। এ ব্যতীত আর যারা রয়েছে, তাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ। সুলায়মান ইবনু মুসা আবী দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেন নি। (তবে আহমাদ, যুহদ পৃ. ১৩৬ তে এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। তাখরীজ দেখুন)
তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৩৬, এর সনদ সহীহ; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমদ, যাওয়াইদ আলায যুহদ পৃ. ১৩৬; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩০ নং ৬১৭২; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ১/২১২-২১৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৮, ১৪০।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: مُعَلِّمُ الْخَيْرِ، وَالْمُتَعَلِّمُ فِي الْأَجْرِ سَوَاءٌ، وَلَيْسَ لِسَائِرِ النَّاسِ بَعْدُ خَيْرٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع كما قدمنا
২৫৩. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কল্যাণকর বিষয় শিক্ষাদানকারীর এবং শিক্ষার্থীর প্রতিদান (সাওয়াব) একই সমান; আর এ (দু’প্রকারের লোক) ব্যতীত গোটা মানবজাতির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে এর সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে; যেমন পূর্বে বলে এসেছি।
তাখরীজ: আব্দুল্লাহ ইবনু আহমদ, যাওয়াইদ আলায যুহদ পৃ. ১৩৬; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩০ নং ৬১৭৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৪১।
أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ، أَنبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: اغْدُ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا أَوْ مُسْتَمِعًا، وَلَا تَكُنِ الرَّابِعَ فَتَهْلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف الحسن هو البصري وقد عنعن
২৫৪. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “ হয় আলিম হয়ে যাও, নয়তো (ইলম) শিক্ষাকারী হও, নয়তো মনযোগী শ্রোতা হয়ে যাও; এ (তিন ব্যতীত) চতুর্থ প্রকারের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। তাহলে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। হাসান বাছরী তিনি ‘আন ‘আন’ পদ্ধতিতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (তবে বুখারীর সনদটি সহীহ- তাখরীজ দেখুন।-অনুবাদক)
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৯ নং ৬১৭১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৯; ইয়াকুব আল ফাসওয়ায়ী, আল মা’রেফাত ওয়াত তারীখ ৩/৩৯৯; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১১৬; বুখারী, আত তারীখুল কাবীর ৪/৯৯; এর সনদ সহীহ। ইবনু হাযম, আল ইহকাম ৬/১০৪৫ হাসান সনদে।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا خَالِدٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، قَالَ: قَالَ سَلْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا بَقِيَ الْأَوَّلُ حَتَّى يَتَعَلَّمَ الْآخِرُ، فَإِذَا هَلَكَ الْأَوَّلُ قَبْلَ أَنْ يَتَعَلَّمَ الْآخِرُ، هَلَكَ النَّاسُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :لم يحكم عليه المحقق
২৫৫. আব্দুল্লাহ বিন রাবীয়াহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালমান রা. বলেছেন, “লোকেরা ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের থাকবে যতদিন পূর্ববর্তীগণ (সাহাবীগণ) জীবিত থাকবেন, আর পরবর্তী লোকেরা ইলম শিক্ষা করতে থাকবেন। তারপর যখন পরবর্তীগণ ইলম শিক্ষা করার পূর্বেই পূর্ববর্তীগণ মৃত্যুবরণ করবেন, তখনই লোকেরা ধ্বংস হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ হাদীসটি পূর্বে ২৪৮ নং এ গত হয়েছে। সেখানে দেখুন। (সনদের রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে সনদে ইনক্বিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। তবে কয়েকটি সনদের সমন্বয়ে সামগ্রিকভাবে এ আছারটি হাসান স্তরে উন্নীত হয়- ২৪৮ নং এর টীকা হতে।- অনুবাদক)
أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَا: أَنبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْأَحْنَفِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ «تَفَقَّهُوا قَبْلَ أَنْ تُسَوَّدُوا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২৫৬. আহনাফ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেছেন, তোমাদেরকে নেতা বানানোর পূর্বেই তোমরা দীনের গভীর জ্ঞান অর্জন কর।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৯ নং ৬১৬৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৯; ওয়াকী’, আয যুহদ নং ১০২; খতীব, ফাকীহ ওয়াল zwj;মুতাফাককিহ ২/৭৮; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৬৬৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৫০৮-৫০৯।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: تَطَاوَلَ النَّاسُ فِي الْبِنَاءِ فِي زَمَنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ عُمَرُ: «يَا مَعْشَرَ الْعُرَيْبِ، الْأَرْضَ الْأَرْضَ، إِنَّهُ لَا إِسْلَامَ إِلَّا بِجَمَاعَةٍ، وَلَا جَمَاعَةَ إِلَّا بِإِمَارَةٍ، وَلَا إِمَارَةَ إِلَّا بِطَاعَةٍ، فَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى الْفِقْهِ، كَانَ حَيَاةً لَهُ وَلَهُمْ، وَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى غَيْرِ فِقْهٍ، كَانَ هَلَاكًا لَهُ وَلَهُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده علتان: الأولى جهالة صفوان بن رستم والثانية الانقطاع. وعبد الرحمن بن ميسرة لم يدرك تميما الداري
২৫৭. তামীম দারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু’র জামানায় লোকেরা সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেন, হে আরব জাতি! যমীনে, যমীনে (বসবাস কর, উচ্চ দালান নির্মাণ করোনা)। কেননা, নিশ্চয়ই জামা’আত ব্যতীত ইসলাম নেই, আর ইমারত (নেতৃত্ব) ব্যতীত জামা’আত নেই, আর আনুগত্য ব্যতীত ইমারত (নেতৃত্ব) নেই। ফলে প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞানের ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে হবে তার নিজের জন্য ও তার জাতির জন্য জীবন সমতুল্য। আর , প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞান ব্যতীত অন্য কিছুর ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে তার নিজের ও জাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। ১. সাফওয়ান ইবনু রুস্তম অজ্ঞাত ২. এতে ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতা বিদ্যমান। আব্দুর রহমান ইবনু মায়সার তামীম দারীর সাক্ষাত লাভ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ৩২৬।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ الْمُهَاصِرَ بْنَ حَبِيبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: إِنِّي لَسْتُ كُلَّ كَلَامِ الْحَكِيمِ أَتَقَبَّلُ، وَلَكِنِّي أَتَقَبَّلُ هَمَّهُ وَهَوَاهُ، فَإِنْ كَانَ هَمُّهُ وَهَوَاهُ فِي طَاعَتِي، جَعَلْتُ صَمْتَهُ حَمْدًا لِي وَوَقَارًا، وَإِنْ لَمْ يَتَكَلَّمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف صدقة بن عبد الله ضعيف والحديث مرسل
২৫৮. মুহাসির ইবনু হাবীব বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা বলেন: ‘আমি প্রত্যেক জ্ঞানগর্ভ কথাকেই কবুল করি না, বরং তার নিয়ত ও মন-মানস (এর টান) কে আমি কবুল করি। যদি তার নিয়ত ও মন-মানস (এর টান) আমার আনুগত্যের প্রতি হয়ে থাকে, তবে আমি তার নিরবতাকেও আমার গুণকীর্তণ ও সম্মান প্রদর্শন হিসেবে ধরে নেই, যদিও সে কোনো কথা বলেনি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। সদাকাহ ইবনু আব্দুল্লাহ যঈফ। আর হাদীসটি মুরসাল।
তাখরীজ: এ হাদীস এখানে ব্যতীত আর কোথাও আমি পাইনি। খতীব তিবরিযী তার মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থে নং ৫৩৩৮ এ একে দারেমী’র দিকে সম্বন্ধ করেছেন।
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، يَرْفَعُ الْحَدِيثَ أنَّ اللَّهَ قَالَ: «أَبُثُّ الْعِلْمَ فِي آخِرِ الزَّمَانِ حَتَّى يَعْلَمَهُ الرَّجُلُ وَالْمَرْأَةُ، وَالْعَبْدُ وَالْحُرُّ، وَالصَّغِيرُ وَالْكَبِيرُ، فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ بِهِمْ، أَخَذْتُهُمْ بِحَقِّي عَلَيْهِمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى أبي الزاهرية حدير بن كريب وهو مرسل
২৫৯. মুয়াবিয়াহ ইবনু সালিহ, আবূ যাহিরিয়্যাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি একে মারফু’ হাদীস হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আমি আখেরী যামানায় ইলমকে (সকলের মাঝে) ছড়িয়ে দেব, যাতে নারী-পুরুষ, কৃতদাস-স্বাধীন ব্যক্তি, ছোট-বড় নির্বিশেষে সকলেই তা শিখে নেয়। যখন আমি তাদের ব্যাপারে একাজ করব (তাদের জ্ঞান শিক্ষার সুযোগ করে দেব), অত:পর আমি তাদের উপর আমার হকের বিষয়ে তাদেরকে পাকড়াও করব।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আবী যাহিরিয়্যাহ পর্যন্ত সহীহ। কিন্তু তা মুরসাল।
তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ১২১০; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ৬/১০০।
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «مَنْ طَلَبَ شَيْئًا مِنْ هَذَا الْعِلْمِ فَأَرَادَ بِهِ مَا عِنْدَ اللَّهِ، يُدْرِكْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، وَمَنْ أَرَادَ بِهِ الدُّنْيَا، فَذَاكَ وَاللَّهِ حَظُّهُ مِنْهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى الحسن
২৬০. হাসান (রহঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি এ জ্ঞানের কোনো অংশ তালাশ (অন্বেষণ) করে এবং এর দ্বারা তার zwj;একমাত্র উদ্দেশ্য হয় আল্লাহর নিকট যা আছে তা (অর্থাৎ সাওয়াব), তবে ইনশা আল্লাহ সে তা লাভ করবে। আর এ (ইলম) দ্বারা যার উদ্দেশ্য হবে দুনিয়া কামাই, তবে আল্লাহর কসম! সে এর দ্বারা তা-ই লাভ করবে (সাওয়াব পাবে না)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাসান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: খতীব, ইকিতিদাউল ইলমুল আমল নং ১০৩।