হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (261)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عِيسَى، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: «لَا تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ لِثَلَاثٍ لِتُمَارُوا بِهِ السُّفَهَاءَ، وَتُجَادِلُوا بِهِ الْعُلَمَاءَ، وَلِتَصْرِفُوا بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْكُمْ، وَابْتَغُوا بِقَوْلِكُمْ مَا عِنْدَ اللَّهِ، فَإِنَّهُ يَدُومُ وَيَبْقَى وَيَنْفَدُ مَا سِوَاهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده محمد بن عون وهو متروك. وباقي رجاله ثقات




২৬১. ইবরাহীম ইবনু মুসা বলেন, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তোমরা এ তিনটি উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করো না: ১. এর (জ্ঞানের) মাধ্যমে মুর্খদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করার জন্য, ২. এর মাধ্যমে আলিমগণের সাথে তর্ক-বিতর্ক করার জন্য, ৩. এর মাধ্যমে লোকদের চেহারা (দৃষ্টি/মনযোগ) তোমাদের দিকে আকর্ষণ করার জন্য। আর তোমাদের কথার মাধ্যমে আল্লাহর নিকট যা রয়েছে , তা (অর্থাৎ সাওয়াব) প্রত্যাশা কর। কারণ, তা-ই স্থায়ী ও অবশিষ্ট থাকবে। আর তা ব্যতীত সবকিছুই নিঃশেষ হয়ে যাবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে মুহাম্মদ ইবনু আউন রয়েছে, সে মাতরুক (পরিত্যক্ত রাবী)। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল zwj;মুতাফাককিহ নং ৮১০; আরও দেখুন জামিই’ বায়ানিল ইলম, নং ২৫৭।









সুনান আদ-দারিমী (262)


وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ قَالَ: كُونُوا يَنَابِيعَ الْعِلْمِ مَصَابِيحَ الْهُدَى، أَحْلَاسَ الْبُيُوتِ، سُرُجَ اللَّيْلِ، جُدُدَ الْقُلُوبِ، خُلْقَانَ الثِّيَابِ، تُعْرَفُونَ فِي أَهْلِ السَّمَاءِ، وَتَخْفَوْنَ عَلَى أَهْلِ الْأَرْضِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




২৬২. একই সনদে তিনি আরও বলেন, “তোমরা জ্ঞানের ঝর্ণা হও, হেদায়েতের আলোকবর্তিকা হও, গৃহসমূহের পরিচ্ছদ হও (গৃহের জন্য অপরিহার্য্য), রাতের প্রদীপ হও, অন্তরসমূহের ঐকান্তিকতা হও, পুরাতন পোশাক খণ্ড হয়ে যাও, আসমানবাসীর নিকট সুপরিচিত হও এবং জমিনবাসীর নিকট অপরিচিত (গোপন) হও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি পূর্ববতী হাদীসের সনদ।

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান, ১৭২৯; এর সনদও যঈফ।









সুনান আদ-দারিমী (263)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَارَةَ بْنِ حَزْمٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَطْلُبُ هَذَا الْعِلْمَ أَحَدٌ لَا يُرِيدُ بِهِ إِلَّا الدُّنْيَا، إِلَّا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ عَرْفَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى عبد الله بن عبد الرحمن وهو مرسل بل ربما كان معضلا




২৬৩. আব্দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি এ ইলম অন্বেষণ করবে এবং এর মাধ্যমেnbsp; দুনিয়া (এর সম্পদ)-ই তার একমাত্র উদ্দেশ্যে হবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাতের সুঘ্রাণও হারাম করে দিবেন।“[1]

[1] তাহাক্বীক্ব: আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি মুরসাল; বরং সম্ভবত এটি মু’দ্বাল। কিন্তু আবী হুরাইরা হতে বর্ণিত এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩১ নং ৬১৭৮।

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ২৫২; আবু দাউদ ৩৬৬৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ নং ১১৪৫; আহমদ ২/৩৩৮ আবু হুরাইরা হতে....। হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।









সুনান আদ-দারিমী (264)


أَخْبَرَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِلشَّعْبِيِّ: أَفْتِنِي أَيُّهَا الْعَالِمُ، فَقَالَ: «الْعَالِمُ مَنْ يَخَافُ اللَّهَ» عَزَّ وَجَلَّ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




২৬৪. মালিক ইবনু মিগওয়াল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শা’বীকে কোন এক ব্যক্তি বলল, হে আলিম, আপনি আমাকে একটি বিষয়ে ফতওয়া দিন। তখন তিনি বলেন, আলিম হল ঐ ব্যক্তি যে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লাকে ভয় করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১৪/৪৮ নং ১৭৫১৭; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ৪/৩১১।









সুনান আদ-দারিমী (265)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مَزْيَدٍ، عَنْ أَوْفَى بْنِ دَلْهَمٍ: أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ، تُعْرَفُوا بِهِ، وَاعْمَلُوا بِهِ، تَكُونُوا مِنْ أَهْلِهِ، فَإِنَّهُ سَيَأْتِي بَعْدَ هَذَا زَمَانٌ لَا يَعْرِفُ فِيهِ تِسْعَةُ عُشَرَائِهِمُ الْمَعْرُوفَ، وَلَا يَنْجُو مِنْهُ إِلَّا كُلُّ نُوَمَةٍ فَأُولَئِكَ أَئِمَّةُ الْهُدَى وَمَصَابِيحُ الْعِلْمِ، لَيْسُوا بِالْمَسَايِيحِ وَلَا الْمَذَايِيعِ الْبُذْرِ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: نُوَمَةٌ: غَافِلٌ عَنِ الشَّرِّ، الْمَذَايِيعُ: كَثِيرُ الْكَلَامِ، وَالْبُذْرُ: النَّمَّامُونَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع أوفى بن دلهم لم يسمع عليا فيما نعلم




২৬৫. আওফা ইবনু দালহাম হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তোমরা ইলম শিক্ষা কর, তাহলে এর দ্বারাই তোমরা পরিচিতি লাভ করবে, তোমরা এর দ্বারা আমল করতে পারবে, আর তোমরা জ্ঞানের বাহক হয়ে যাবে। কেননা, নিশ্চয় এ যামানার পরেই এমন এক যামানা আসবে, যখন দশজনের নয়জন লোকই ভালো কথা/কাজ (মা’রুফ) বিষয়ে জানবে না। আর এ (ফিতনা) থেকে অখ্যাত (অকল্যাণ থেকে বেখেয়াল) ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত আর কেউ রক্ষা পাবে না। আর তারাই হলেন সঠিকপথের ইমাম (আলিম) এবং ইলমের আলোকবর্তিকা। আর তারা মন্দ কাজ ও চোগলখুরীতে ব্যস্ত থাকে না, এবং তারা লোকদের মাঝে কুৎসা ও অশ্লীলতার প্রচারকারী নন।[1]

আবু মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: ‘نومة ‘: অকল্যাণ (ফিতনা) থেকে বেখেয়ালী ব্যক্তিবর্গ। المذاييع: বাচালতা, অধিক কথা বলা। البذر চোগলখোর, কুৎসা রটনাকারীগণ।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে এ সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, আওফা বিন দুলহাম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কিছু শ্রবণ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৩০; দেখুন শুয়াবুল ঈমান ৯৬৭০।









সুনান আদ-দারিমী (266)


أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ بَعْدَ أَنْ تَعْلَمُوا، فَلَنْ يَأْجُرَكُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِالْعِلْمِ حَتَّى تَعْمَلُوا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده رجاله ثقات غير أن يزيد بن جابر الأزدي لم يدرك معاذ بن جبل




২৬৬. ইয়াযীদ ইবনু জাবির বলেন, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তোমরা জ্ঞান অর্জন করার পরে তোমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী আমল কর। কেননা, তোমরা আমল না করা পর্যন্ত কখনোই আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে ইলমের সাওয়াব দিবেন না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে ইয়াযীদ ইবনু জাবির আল আযদী মুয়ায ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাৎ লাভ করেননি। আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৬২; তার থেকে আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২৩৬; খতীব, ইকতিদাউল ইলম নং ৭, ৮ মারফু’ হিসেবে; তবে সঠিক হল এটি মাওকুফ।









সুনান আদ-দারিমী (267)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدِ بْنِ حَازِمٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مَزْيَدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، يُحَدِّثُ: عَنْ سَعْدٍ أَنَّهُ أَتَى ابْنَ مُنَبِّهٍ فَسَأَلَهُ عَنِ الْحَسَنِ وَقَالَ لَهُ: كَيْفَ عَقْلُهُ؟ فَأَخْبَرَهُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّا لَنَتَحَدَّثُ - أَوْ نَجِدُ فِي الْكُتُبِ - أَنَّهُ مَا آتَى اللَّهُ سُبْحَانَهُ عَبْدًا عِلْمًا فَعَمِلَ بِهِ عَلَى سَبِيلِ الْهُدَى، فَيَسْلُبَهُ عَقْلَهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ اللَّهُ إِلَيْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده سعد وما عرفته وباقي رجاله ثقات




২৬৭. সা’দ বর্ণনা করেন যে, তিনি ইবনু মুনাব্বিহ’র নিকট এসে তাঁকে হাসান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং তাকে বললেন: তার বিবেক-বুদ্ধির কী অবস্থা? তখন তিনি (তার সম্পর্কে) তাকে জানালেন। এরপর বললেন, নিশ্চয়ই আমরা বলাবলি করি, কিংবা আমরা কিতাবসমূহে পেয়েছি যে, আল্লাহ তাঁর একজন বান্দাকে ইলম দান করলেন, অত:পর সে ব্যক্তি তার জ্ঞান-বুদ্ধি অনুযায়ী হেদায়েতের পথে আমল করলো। তারপর আল্লাহ তার জ্ঞান-বুদ্ধি ছিনিয়ে নেন, এমনকি এভাবেই তিনি তাকে মৃত্যু দেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে সা’দ রয়েছে যাকে আমি চিনি না; অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। (তবে সা’দের সূত্র ছাড়াই ইয়াযিদ সরাসরি ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ’র সাথে সাক্ষাত করে এটি শুনেছেন। এবং এর সনদের রাবীগণকে বিশ্বস্ত বলা হয়েছে।- ফাতহুল মান্নান, হা/২৭৫ এর টীকা দ্রষ্টব্য।-অনুবাদক)

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৪/৪৫৯ নং১৭৪০ ও ১৮৮৩; (আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আয যুহদ /৩৮০ নং ১৫২৭-ফাতহুল মান্নান)









সুনান আদ-দারিমী (268)


أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ بْنِ قَيْسٍ، قال: حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ سَيْفٍ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: «إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ، عَالِمٌ لَا يَنْتَفِعُ بِعِلْمِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف جدا ابن القاسم هو عبد الغفار بن القاسم بن قيس قال ابن المديني: كان يضع الحديث




২৬৮. আবু কাবশা আস সালুলী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: কিয়ামত দিবসে আল্লাহ’র নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট অবস্থা হবে ঐ ব্যক্তির, যেই আলিম তার ইলম দ্বারা উপকৃত হয়নি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৪০; তার সনদে আবী নুয়াইম, হিলইয়া ১/২২৩; এবং ইবনু আব্দুল বার, জামি’ই বায়ানিল ইলম নং ১০৭৮; এ সনদে অজ্ঞতা রয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (269)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا أَبُو قُدَامَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ مَنْ يَزْدَدْ عِلْمًا، يَزْدَدْ وَجَعًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده علتان: الأولى مالك بن دينار لم يدرك أبا الدرداء فالإسناد منقطع والثانية: أبو قدامة وهو: الحارث بن عبيد وهو ضعيف




২৬৯. মালিক ইবনু দীনার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি তার জ্ঞান বৃদ্ধি করল, সে তার কষ্ট-যন্ত্রণাকে বৃদ্ধি করল।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। ১. মালিক ইবনু দীনার আবু দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেননি। ফলে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। ২. আবু কুদামাহ হলেন হারিছ ইবনু উবাইদ, তিনি দুর্বল রাবী।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯০০।









সুনান আদ-দারিমী (270)


أَخْبَرَنَا وقالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: " مَا أَخَافُ عَلَى نَفْسِي أَنْ يُقَالَ لِي: مَا عَلِمْتَ، وَلَكِنْ أَخَافُ أَنْ يُقَالَ لِي: مَاذَا عَمِلْتَ؟




২৭০. (একই সনদে) আবী দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আমার নিজের ব্যাপারে ভয় পাই না যে, আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কী শিক্ষা করেছ? বরং আমি নিজের ব্যাপারে ভয় পাই যে, আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কী আমল করেছ?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদও পূর্বের হাদীসটির সনদের অনুরূপ। (তবে অন্য সনদে ইবনু আব্দুল বারর এটি বর্ণনা করেছেন যা সহীহ। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

তাখরীজ: থতীব, ইকতিদাউল ইলম ওয়াল আমল, মাওকুফ হিসেবে; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৩৯; ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১২০১; ইবনু আবী শাইবা ১৩/৩১১ নং ১৬৪৪৬; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৩৬; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২১৩। তবে ইবনু আব্দুল বার অপর সনদে কাছীর বিন আব্দুল্লাহ হতে তিনি আবু দারদা হতে এটি বর্ণনা করেছেন জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১২০৪, এর সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (271)


أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ جُرَيْجٍ، يَذْكُرُ عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنَ اللَّيْلِ، خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف




২৭১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতে সামান্য সময় জ্ঞান চর্চা করা সারা রাত্রি জাগরণ (তথা সালাত আদায়) করার চেয়ে উত্তম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। (তবে বাইহাকীর বর্ণনাটির সনদ সহীহ। তাখরীজ দ্রষ্টব্য- অনুবাদক)

তাখরীজ: মা’মার, আল জামি’ (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক এর সাথে সংযুক্তভাবে প্রকাশিত) নং ১১/২৫৩ নং ২০৪৬৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০৭; বাইহাকী, আল মাদখাল নং ৪৫৯ এর সনদ সহীহ; আর অনেক শাহিদ আছার রয়েছে। দেখুন, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯৬-১০৬; আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৪-১৯।









সুনান আদ-দারিমী (272)


أَخْبَرَنَا، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، " إِنِّي لَأُجَزِّئُ اللَّيْلَ ثَلَاثَةَ أَجْزَاءٍ: فَثُلُثٌ أَنَامُ، وَثُلُثٌ أَقُومُ، وَثُلُثٌ أَتَذَكَّرُ أَحَادِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلَّمَ




২৭২. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাত্রিকে তিনটি ভাগে ভাগ করি। এক তৃতীয়াংশ সময় আমি ঘুমাই, আর এক তৃতীয়াংশ সময় আমি রাতের সালাত আদায় করি এবং এক তৃতীয়াংশ সময় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসসমূহ চর্চা (শিক্ষা) করি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ পূর্বের সনদের অনুরূপ। এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও আমি পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (273)


أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «مَنِ ابْتَغَى شَيْئًا مِنَ الْعِلْمِ يَبْتَغِي بِهِ وَجْهَ اللَّهِ سُبْحَانَهُ، آتَاهُ اللَّهُ مِنْهُ مَا يَكْفِيهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




২৭৩. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোনো প্রকার জ্ঞান অন্বেষণ করে, আর এতে তার একমাত্র লক্ষ্য হয় আল্লাহ সুবহানাহু’র সন্তুষ্টি লাভ, তবে আল্লাহ তাকে এই পরিমাণ ইলম দান করেন, যা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১৩/৫৫৩ নং ১৭২৪৮; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৮; আবী খায়ছামা, আল ইলম নং-১১১।









সুনান আদ-দারিমী (274)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، قَالَ: سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ، عَنْ حَدِيثٍ فَحَدَّثَنِيهِ، فَقُلْتُ: إِنَّهُ يُرْفَعُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَقَالَ: لَا عَلَى مَنْ دُونَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَبُّ إِلَيْنَا فَإِنْ كَانَ فِيهِ زِيَادَةٌ أَوْ نُقْصَانٌ، كَانَ عَلَى مَنْ دُونَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى الشعبي




২৭৪. আসিম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি শা’বী রাহিমাহুল্লাহকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যা তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছিলেন। আমি বললাম: এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছানো হয়ে থাকে। তখন তিনি বললেন, না, বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির উপর (এ হাদীসটি) আরোপ করা আমাদের নিকট অধিক পছন্দনীয়। কেননা, যদি এতে কোনো অতিরিক্ত সংযোজন কিংবা বিয়োজন থাকে, তবে তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত অপর কারোর উপর আরোপ করাই শ্রেয়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : শা’বী পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল zwj;মুছান্নাফ ৮/৭৫৪ নং ৬২৭৫।









সুনান আদ-দারিমী (275)


أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمُحَاقَلَةِ وَالْمُزَابَنَةِ» فَقِيلَ لَهُ: أَمَا تَحْفَظُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا غَيْرَ هَذَا، قَالَ: بَلَى، وَلَكِنْ أَقُولُ قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ عَلْقَمَةُ، أَحَبُّ إِلَيَّ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح وهو مرسل




২৭৫. ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘মুহাক্বালাহ’[1] (পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে ফসল বিক্রয় কিংবা বর্গা চাষ) এবং ‘মুযাবানাহ’[2] (গাছে থাকা অবস্থায় ফল বিক্রয়) থেকে নিষেধ করেছেন। তখন তাকে বলা হল, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এটি ব্যতীত আর কোনো হাদীস স্মরণ রেখেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই। তবে আমার নিকট অধিক প্রিয় হল আমার একথা বলা যে, ‘আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) বলেছেন’, ‘আলক্বামা বলেছেন’।[3]

[1] ইবনুল আছীর, তার আন নিহায়া গ্রন্থে বলেন, মুহাক্বালাহ সম্পর্কে ইখতিলাফ রয়েছে। বলা হয়: খাদ্যশস্য দ্বারা জমি ইজারা বা ভাড়া নেওয়া। আবার বলা হয়: নির্ধারিত অংশ যেমন এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা অনুরূপ খাদ্যশস্য প্রদানের শর্তে জমি চাষ।

আবার বলা হয়: ফসল পাওয়ার পূর্বে বিক্রি করা। ...

[2] মুযাবানাহ: শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছে থাকা খেজুরের ক্রয়-বিক্রয়।

[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। তবে এটি মুরসাল।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৯০; এর শাহিদ রয়েছে আবু সাঈদ আল খুদরীর হাদীসে, যা বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া জাবির কর্তৃক বর্ণিত সহীহ হাদীস রয়েছে যা মুসনাদে মাউসিলী নং ১৮০৬, ১৮৪৫ ও ২১৪১ এ।









সুনান আদ-দারিমী (276)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: " كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا حَدَّثَ بِحَدِيثٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: هَذَا: أَوْ نَحْوَهُ، أَوْ شِبْهَهُ، أَوْ شَكْلَهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده فيه علتان: إسماعيل بن عبيد الله المخزومي لم يدرك أبا الدرداء ومحمد بن كثير الثقفي الصنعاني ضعيف




২৭৬. ইসমাঈল ইবনু উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন একথা বলতেন: “অথবা এর অনুরূপ’, ‘অথবা এরকম’ ‘কিংবা এইরূপ’ (বলেছেন)।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. ইসমাঈল ইবনু উবাইদুল্লাহ আল মাখযুমী আবী দারদাআ’র সাক্ষাত লাভ করেননি। ২. মুহাম্মদ ইবনু কাছীর ছাকাফী দুর্বল বর্ণনাকারী।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৭৩; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৬।









সুনান আদ-দারিমী (277)


أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: " كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا حَدَّثَ حَدِيثًا، قَالَ: اللَّهُمَّ إِلَّا هَكَذَا، أَوْ كَشَكْلِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع: ربيعة بن يزيد لم يدرك أبا الدرداء




২৭৭. রবীয়াহ ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন: “হে আল্লাহ! তবে এইরূপ, কিংবা এর অনুরূপ (তিনি বলেছেন)।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে এটি মুনক্বাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। রবীয়াহ ইবনু ইয়াযীদ আবু দারদা’র সাক্ষাৎ পাননি।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৮৪; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৫; .... পরবর্তী আছারটি দেখুন। এর পূর্ণ তাখরীজ দেখুন, মাজমাওয যাওয়াইদ নং ৬১২।









সুনান আদ-দারিমী (278)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَنبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ: كُنْتُ لَا تَفُوتُنِي عَشِيَّةُ خَمِيسٍ إِلَّا وَآتِي فِيهَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَمَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ لِشَيْءٍ، قَطُّ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، حَتَّى كَانَتْ ذَاتَ عَشِيَّةٍ فَقَالَ: «قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ» قَالَ: " فَاغْرَوْرَقَتْ عَيْنَاهُ وَانْتَفَخَتْ أَوْدَاجُهُ، فَأَنَا رَأَيْتُهُ مَحْلُولَةً أَزْرَارُهُ، وَقَالَ: «أَوْ مِثْلُهُ، أَوْ نَحْوُهُ، أَوْ شَبِيهٌ بِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




২৭৮. আমর ইবনু মাইমুন বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সান্ধ্যকালীন সমাবেশ কখনো আমার হাতছাড়া হয়নি। আর আমি তাকে কোনো বিষয়ে কখনো বলতে শুনিনি ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’। কিন্তু একদিন সন্ধ্যায় যখন তিনি বলে ফেললেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’, আমর ইবনু মাইমুন বলেন, তখন তার দু’চোখ অশ্রু প্লাবিত হয়ে গেলো এবং (ভয়ে) ঘাড়ের শাহরগ স্ফীত হয়ে উঠল। তখন আমি লক্ষ্য করলাম, তার জামার বোতাম খোলা ছিল । আর তিনি বলছেন: ‘অথবা এর অনুরূপ’ কিংবা ‘এর মত’ কিংবা এ জাতীয় (কথা তিনি বলেছেন)।’[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ৮/৭৫৩-৭৫৪ নং ৬২৭৩; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ২৩; বুসীরী মিছবাহুয যুজাজাহতে বলেন: এর সনদ সহীহ, এর সকল রিওয়ায়েতের উপর ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নির্ভর করেছেন।









সুনান আদ-দারিমী (279)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا أَشْعَثُ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، وَابْنِ سِيرِينَ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، كَانَ إِذَا حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَيَّامِ تَرَبَّدَ وَجْهُهُ وَقَالَ: هَكَذَا أَوْ نَحْوَهُ، هَكَذَا أَوْ نَحْوَهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار




২৭৯. শা’বী ও ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত যে, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন কোনো কোনো দিন রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তার চেহারা পাংশুটে (ভয়ে ফ্যাকাসে)[1] হয়ে যেতো। আর তিনি বলতে থাকতেন: ‘এইরূপ’, অথবা ‘এর অনুরূপ’, ‘এইরূপ’, অথবা ‘এর অনুরূপ’।“[2]

[1] রাগের সময় ভীষণ লাল বর্ণ ধারণ করা।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এ সনদে আশ’আস ইবনু সিওয়ার রয়েছে। পরের (নং ২৮৯), পূর্বের ও তার পূর্বের আছারগুলি দেখুন। (ইবনু মাসউদ হতে পূর্বের হাদীসে সহীহ সনদে এরূপ গত হয়েছে, যা এর শাহিদ হতে পারে- অনুবাদক)

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেন নি- অনুবাদক)









সুনান আদ-দারিমী (280)


أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا تَوْبَةُ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: قَالَ لِي الشَّعْبِيُّ: " أَرَأَيْتَ فُلَانًا الَّذِي يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ؟ قَعَدْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَنِصْفًا فَمَا سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا إِلَّا هَذَا الْحَدِيثَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




২৮০. তওবা আল আম্বারী বলেন, শা’বী আমাকে বলেছেন: তুমি কি অমুক ব্যক্তিকে দেখেছো, যে বলে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’? আমি ইবনু উমার এর সাথে দু’বছর কিংবা দেড় বছর যাবত বসেছি, কিন্তু তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কেবল এই হাদীসটি ব্যতীত আমি আর কোনো হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৫৫ নং ৬২৭৮; রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৩৯; বাইহাকী, আদ দুহায়া ৯/৩২৩।