হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2443)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ أَبِي الْخَيْرِ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ أَنَّهُ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ




২৪৪৩. উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: (“তাদের বিরুদ্ধে তোমরা সাধ্যমত শক্তি সঞ্চয় কর।“: সুরা আনফাল: ৬০)এরপরে তিনি তিনবার বললেন: “জেনে রাখ, নিশ্চয়ই ‘শক্তি’ হলো ‘তীর নিক্ষেপ’।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, ইমারাহ ১৯১৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭৪৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭০৯ তে। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৪৪৯; তায়ালিসী ১/২৪১ নং ১১৮২ অন্ধকারাচ্ছন্ন সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2444)


أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ الْأَزْرَقِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُدْخِلُ الثَّلَاثَةَ بِالسَّهْمِ الْوَاحِدِ الْجَنَّةَ صَانِعَهُ يَحْتَسِبُ فِي صَنْعَتِهِ الْخَيْرَ وَالْمُمِدَّ بِهِ وَالرَّامِيَ بِهِ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ارْمُوا وَارْكَبُوا وَلَأَنْ تَرْمُوا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ تَرْكَبُوا وَقَالَ كُلُّ شَيْءٍ يَلْهُو بِهِ الرَّجُلُ بَاطِلٌ إِلَّا رَمْيَ الرَّجُلِ بِقَوْسِهِ وَتَأْدِيبَهُ فَرَسَهُ وَمُلَاعَبَتَهُ أَهْلَهُ فَإِنَّهُنَّ مِنْ الْحَقِّ وَقَالَ مَنْ تَرَكَ الرَّمْيَ بَعْدَمَا عُلِّمَهُ فَقَدْ كَفَرَ الَّذِي عُلِّمَهُ




২৪৪৪. উকবা ইবনে ‘আমের আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ একটি তীরের উপলক্ষে তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেনঃ (১) তীর নির্মাতা যে তা নির্মাণকালে কল্যাণের আশা করে, (২) (জিহাদে) যে এতে (নিক্ষেপে) সাহায্য করে এবং (৩) এই তীর নিক্ষেপকারী।“

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেনঃ “তোমরা তীরন্দাজী করো এবং ঘোড়দৌড় শিক্ষা করো। তবে তোমাদের ঘোড়দৌড় শেখার তুলনায় তীরন্দাজী শিক্ষা করা আমার কাছে অধিক প্রিয়।“

তিনি আরও বলেন: “কোনো মুসলিম ব্যক্তির সকল ক্রীড়া-কৌতুকই বৃথা। তবে তার ধনুক দ্বারা তীর নিক্ষেপ, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দান এবং তার স্ত্রীর সাথে তার ক্রীড়া-কৌতুক বৃথা নয়। কারণ এগুলো উপকারী ও বিধিসম্মত।তিনি আরও বলেন: “যে ব্যক্তি তীরন্দাজী শিক্ষা করার পর তা ত্যাগ করলো, তাকে যে তাকে শিক্ষা দিয়েছে, তার (শিক্ষার) সাথে সে নাফরমানী করলো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৪৪, ১৪৬, ১৪৮; ইবনু আবী শাইবা ৫/৩২০,৩৪৯, ৯/২৩ নং ৬৩৭৫; ইবনু মাজাহ, জিহাদ ২৮১১; তায়ালিসী ১/২৪১, ২৪২ নং ১১৭৯; বাইহাকী, সাবাক্বা ওয়ার রমিয়াহ ১০/১৩; তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৩৭; তাবারাণী, কাবীর ১৭/২৪১ নং ৯৪১; আবূ দাউদ, জিহাদ ২৫১৩; নাসাঈ, জিহাদ ৬/২৮; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৪৫০; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতুত তারীখ ২/৫০১, ৫০২; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ১/৩৬৮; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ১০৬২; খতীব, মাওযিহ ১/১১৪; মিযযী, তাহযীবুল কামাল ৮/৭৫, ৭৬ বিচ্ছিন্ন সনদে; আব্দুর রাযযাক, জামি’ মা’মার নং ২১০১০ জাইয়্যেদ সনদে; এর শেষাংশ বর্ণনা করেছেন মুসলিম , ইমরাহ ১৯১৯।

আর এর প্রথম অংশের শাহিদ আবী হুরাইরা হতে রয়েছে হাকিম ২/৯৫ খতীব ৩/১২৮, ৬/৩৬৭ এ সনদ দু’টিই যঈফ।

আর এর দ্বিতীয় অংশের শাহিদ জাবির হতে রয়েছে নাসাঈ, কুবরা ৮৯৩৮, ৮৯৩৯, ৮৯৪০; দ্বিতীয় অংশের সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (2445)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنِي عَمِّي مُوسَى بْنُ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ مَجْرُوحٍ يُجْرَحُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ إِلَّا بَعَثَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَجُرْحُهُ يَدْمَى الرِّيحُ رِيحُ الْمِسْكِ وَاللَّوْنُ لَوْنُ الدَّمِ




২৪৪৫. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহর পথে আহত ব্যক্তিকে মহামহিম আল্লাহ কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উঠাবেন যে, তার ক্ষতস্থান হতে রক্ত ঝরতে থাকবে, তার ঘ্রাণ হবে কস্তুরীর মত সুগন্ধে ভরপুর, আর তার রং হবে রক্তিম বর্ণ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, ওযু ২৩৭; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৭৬;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২৬৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৫২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১২৩ তে। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৫৭১।









সুনান আদ-দারিমী (2446)


أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ شُرَيْحٍ يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلَ بْنَ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ سَأَلَ اللَّهَ الشَّهَادَةَ صَادِقًا مِنْ قَلْبِهِ بَلَّغَهُ اللَّهُ مَنَازِلَ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ




২৪৪৬. সাহল ইবন হুনায়ফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে শাহাদাত প্রার্থনা করে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে শহীদদের মর্যাদায় পৌছে দিবেন, যদি সে তার বিছানায়ও মারা যায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, ইমারাহ ১৯০৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬/১০৭ আনাসের হাদীসের শাহিদ হিসেবে; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩১৯২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2447)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الرِّفَاعِيُّ حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَجِدُ الشَّهِيدُ مِنْ أَلَمِ الْقَتْلِ إِلَّا كَمَا يَجِدُ أَحَدُكُمْ مِنْ أَلَمِ الْقَرْصَةِ




২৪৪৭. আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কাউকে একবার চিমটি কাটায় যতটুকু ব্যাথা পাও, শহীদ তার কতলের সময় ততটুকুই কষ্ট পায়।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৫৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬১৩ তে। ((তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৬৮; নাসাঈ, জিহাদ ৬/৩৬- -- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর তাহক্বীক্ব টীকা নং ২৪০৮।- অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2448)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ نَفْسٍ تَمُوتُ فَتَدْخُلُ الْجَنَّةَ فَتَوَدُّ أَنَّهَا رَجَعَتْ إِلَيْكُمْ وَلَهَا الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا إِلَّا الشَّهِيدَ فَإِنَّهُ وَدَّ أَنَّهُ قُتِلَ كَذَا مَرَّةً لِمَا رَأَى مِنْ الثَّوَابِ




২৪৪৮. আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর জান্নাতে প্রবেশ করবে, দুনিয়া এবং তাতে যা কিছু আছে সব কিছু তাকে দিলেও সে আর দুনিয়াতে ফিরে আসা পছন্দ করবে না। কিন্তু শহীদের কথা ভিন্ন। কেননা, সে যখন দেখবে শহীদ হওয়ার কত ফযীলত তখন (সে দুনিয়াতে ফিরে আসতে ভালবাসবে), যেন সে এভাবে আল্লাহর পথে আবার কতল হতে পারে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর হাদীসটি বুখারী মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৭৯৫; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৭৭;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৭৯, ৩০১৯, ৩০২০, ৩০৫৬, ৩২২৪, ৩২৬০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2449)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ سَأَلْنَا عَبْدَ اللَّهِ عَنْ أَرْوَاحِ الشُّهَدَاءِ وَلَوْلَا عَبْدُ اللَّهِ لَمْ يُحَدِّثْنَا أَحَدٌ قَالَ أَرْوَاحُ الشُّهَدَاءِ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِي حَوَاصِلِ طَيْرٍ خُضْرٍ لَهَا قَنَادِيلُ مُعَلَّقَةٌ بِالْعَرْشِ تَسْرَحُ فِي أَيِّ الْجَنَّةِ شَاءُوا ثُمَّ تَرْجِعُ إِلَى قَنَادِيلِهَا فَيُشْرِفُ عَلَيْهِمْ رَبُّهُمْ فَيَقُولُ أَلَكُمْ حَاجَةٌ تُرِيدُونَ شَيْئًا فَيَقُولُونَ لَا إِلَّا أَنْ نَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا فَنُقْتَلَ مَرَّةً أُخْرَى




২৪৪৯. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে শহীদদের রূহগুলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যদিও তিনি আমাদেরকে কাউকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন না। তিনি বললেন: শহীদদের রূহগুলি কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকটবর্তী স্থানে সবুজ পাখির পেটের ভিতর অবস্থান করবে, যাদের জন্য আরশের সাথে ঝুলন্ত অনেকগুলো বাতি থাকবে। সে পাখি যেকোনো জান্নাতে ইচ্ছামত উড়ে বেড়াবে এবং তারা (আরশের সঙ্গে লটকানো) ঝাড়ে ফিরে আসবে। তাদের রব একবার তাদের সম্মুখে আবির্ভূত হয়ে বলবেন: “তোমাদের আরো কোন প্রয়োজন আছে কি? তোমরা কি কোনো কিছুর আকাংখা কর?“ তখন তারা বলবে: না। তবে আমরা দুনিয়ায় ফিরে যেতে চাই অত:পর আবার (আপনার পথে) নিহত হই।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/২৩৫ নং ১১৪৩; ইবনু আবী শাইবা ৫/৩০৮; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৮৭; ইবনু মাজাহ, জিহাদ ২৮০১; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৬৩;

তিরমিযী, তাফসীর ৩০১১।









সুনান আদ-দারিমী (2450)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى هُوَ الصَّدَفِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى الْأُمْلُوكِيِّ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ عَبْدٍ السُّلَمِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْقَتْلَى ثَلَاثَةٌ مُؤْمِنٌ جَاهَدَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِذَا لَقِيَ الْعَدُوَّ قَاتَلَ حَتَّى يُقْتَلَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ فَذَلِكَ الشَّهِيدُ الْمُمْتَحَنُ فِي خَيْمَةِ اللَّهِ تَحْتَ عَرْشِهِ لَا يَفْضُلُهُ النَّبِيُّونَ إِلَّا بِدَرَجَةِ النُّبُوَّةِ وَمُؤْمِنٌ خَلَطَ عَمَلًا صَالِحًا وَآخَرَ سَيِّئًا جَاهَدَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِذَا لَقِيَ الْعَدُوَّ قَاتَلَ حَتَّى يُقْتَلَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ مُمَصْمِصَةٌ مَحَتْ ذُنُوبَهُ وَخَطَايَاهُ إِنَّ السَّيْفَ مَحَّاءٌ لِلْخَطَايَا وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَ وَمُنَافِقٌ جَاهَدَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فَإِذَا لَقِيَ الْعَدُوَّ قَاتَلَ حَتَّى يُقْتَلَ فَذَاكَ فِي النَّارِ إِنَّ السَّيْفَ لَا يَمْحُو النِّفَاقَ قَالَ عَبْد اللَّهِ يُقَالُ لِلثَّوْبِ إِذَا غُسِلَ مُصْمِصَ




২৪৫০. উতবাহ ইবনু আবদ আস সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “শহীদ হলো তিন প্রকার, মুমিন ব্যক্তি যে তার জান-মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ (লড়াই) করে, আর যখন সে শত্রুর সম্মুখীন হয়, তখন লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়।“ এ ব্যক্তি সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এ হলো পরীক্ষিত শহীদ যে আল্লাহর আরশের নিচে অবস্থিত আল্লাহ তা’আলার (রহমত, সন্তুষ্টি ও নিরাপত্তার) শামিয়ানার মধ্যে থাকবে। আর নবীগণ এদের থেকে শ্রেষ্ঠ হবেন কেবল নবুয়াতের মর্যাদার কারণে।

আরেক মুমিন ব্যক্তি যে নিজের মধ্যে কিছু নেক আমল এবং কিছু বদ আমলের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে। সে ব্যক্তি তার জান-মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ (লড়াই) করে, আর যখন সে শত্রুর সম্মুখীন হয়, তখন লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়।“ এ ব্যক্তি সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পবিত্র; তা (শাহাদাত) তার গুনাহসমূহ ও ভুল-ত্রুটিগুলিকে মোচন করে দিয়েছে। (কেননা,) নিশ্চয়ই তরবারী হলো সকল অপরাধ মোচনকারী। আর সে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে।

“আর এক মুনাফিক যে তার জান-মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ (লড়াই) করে, আর যখন সে শত্রুর সম্মুখীন হয়, তখন লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়। এ ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে। (কেননা,) নিশ্চয়ই তরবারী নিফাক (কপটতা-অন্তরের ঈমানহীনতা)-কে মোচন করতে পারে না।“[1]

আব্দুল্লাহ (দারেমী) বলেন, যখন কাপড়কে ধোয়া হয়, সেই কাপড়কে ‘مُصْمِصَ’ বলা হয়।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুয়াবিয়া ইবনু ইয়াহইয়ার দুর্বলতার কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৬৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬১৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2451)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فَخَطَبَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ ذَكَرَ الْجِهَادَ فَلَمْ يَدَعْ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْهُ إِلَّا الْفَرَائِضَ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهَلْ ذَلِكَ مُكَفِّرٌ عَنْهُ خَطَايَاهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ إِذَا قُتِلَ صَابِرًا مُحْتَسِبًا مُقْبِلًا غَيْرَ مُدْبِرٍ إِلَّا الدَّيْنَ فَإِنَّهُ مَأْخُوذٌ بِهِ كَمَا زَعَمَ لِي جِبْرِيلُ




২৪৫১. আর কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মধ্যে দাঁড়িয়ে কথা বলতে আরম্ভ করলেন। প্রথমে তিনি আল্লাহর যথাযথ হামদ ও ছানা বর্ণনা করলেন, এরপর (আল্লাহর রাস্তায়) জিহাদের সম্পর্কে আলোচনা করলেন। আর আল্লাহর নির্ধারিত ফরযসমূহ ব্যতীত অন্য সকল কিছুর চেয়ে জিহাদকে উত্তম ইবাদত বলে জানালেন। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো: ইয়া রাসুলল্লাহ! দেখুন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হয়, তাহলে কি তা তার সব পাপ মোচন কর দেবে? তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। যদি সে ধৈর্য সহকারে সওয়াবের আশায় সামনে অগ্রসর হয়ে পিছু না হটে যুদ্ধ করে, তবে ঋণ ব্যতীত। কেননা, তা আদায় করা হবে- জিবরীল (আঃ) আমাকে এরুপ জানিয়েছের।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, ইমারাহ ১৮৮৫;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২৯ তে।

এর শাহিদ রয়েছে জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৫৭।









সুনান আদ-দারিমী (2452)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ هُوَ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ عَامِرِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الطَّاعُونُ شَهَادَةٌ وَالْغَرَقُ شَهَادَةٌ وَالْغَزْوُ شَهَادَةٌ وَالْبَطْنُ وَالنُّفَسَاءُ




২৪৫২. সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্লেগ বা তাউন রোগে মারা যায়-সে শহীদ; যে ব্যক্তি (নদী ইত্যাদিতে) ড়ূবে মরেছে-সে শহীদ, (আল্লাহর রাস্তায়) অভিযানে মৃত ব্যক্তি শহীদ;পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ; আর যে মহিলা নেফাসকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করে-সেও শহীদ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: আহমাদ ৩/৪০০, ৪০১, ৪৬৬; ইবনু আবী শাইবা ৫/৩৩৩; তাবারাণী, কাবীর ৮/৫৬ নং ৭৩২৮, ৭৩২৯, ৭৩৩০; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ তারজমাহ নং ৪৫১; বুখারী, কাবীর ৬/৪৫২; নাসাঈ, কুবরা ২১৮১।









সুনান আদ-দারিমী (2453)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ شَهَادَةٌ وَالطَّاعُونُ شَهَادَةٌ وَالْبَطْنُ شَهَادَةٌ وَالْمَرْأَةُ يَقْتُلُهَا وَلَدُهَا جُمْعًا شَهَادَةٌ




২৪৫৩. উবাদাহ ইবনু সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ “আল্লাহর রাস্তায় নিহত ব্যক্তি শহীদ, যে ব্যক্তি প্লেগ বা তাউন রোগে মারা যায়-সে শহীদ;যে পেটের পীড়ায় মরেছে-সে শহীদ; যে স্ত্রীলোক সন্তান ধারণের কারণে পেটের সন্তানসহ মৃত্যু বরণ করে-সেও শহীদ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৩/৩১৫ (সহীহ সনদে), ৩১৭, ৩২৩; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আলাল মুসনাদ ৫/৩২৮-৩২৯; বাযযার, কাশফুল আসতার ২/২৮৬ নং ১৭১৮ হাসান সনদে, নং ১৭১৭; তাবারাণী, আল আওসাত ৯৩১০।









সুনান আদ-দারিমী (2454)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ قَيْسٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ كُنَّا نَغْزُو مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا لَنَا طَعَامٌ إِلَّا السَّمُرُ وَوَرَقُ الْحُبْلَةِ حَتَّى إِنَّ أَحَدَنَا لَيَضَعُ كَمَا تَضَعُ الشَّاةُ مَا لَهُ خِلْطٌ ثُمَّ أَصْبَحَتْ بَنُو أَسَدٍ يُعَزِّرُونِي لَقَدْ خِبْتُ إِذَنْ وَضَلَّ عَمَلِيَهْ




২৪৫৪. সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংগে থেকে যুদ্ধ করেছি। তখন ‘সামুর’ ও ‘হুবলা’ (নামক দু’ প্রকার) গাছের পাতা ব্যতীত আমাদের কোন আহার্য ছিল না। এমনকি আমাদেরকে (কোষ্ঠকাঠিন্য হেতু) উট অথবা ছাগলের ন্যায় বড়ির মত মল ত্যাগ করতে হত। আর এখন কি-না (এ অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে,) বনু আসাদ আমাকে (ইসলামের ব্যাপারে) তিরস্কার করছে! তাহলে তো আমি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছি এবং আমার আমলসমূহ বৃথাই গেছে।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, ফাযাইলুস সাহাবাহ ৩৭২৮; মুসলিম, যুহদ ২৯৬৬।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৮ তে।

আহমাদ ২/১৮৯, ২১৫; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬৫৫; বাইহাকী, দিয়াত ৮/৮১; আবূ দাউদ, দিয়াত, ৪৫৬৬; নাসাঈ, কাসামাহ ৮/৫৭ তিরমিযী, দিয়াত ১৩৯০; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৭৮১।









সুনান আদ-দারিমী (2455)


أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا جَبَلَةُ بْنُ عَطِيَّةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ غَزَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَهُوَ لَا يَنْوِي فِي غَزَاتِهِ إِلَّا عِقَالًا فَلَهُ مَا نَوَى




২৪৫৫. উবাদা ইবন সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং উটের রশি ব্যতীত তার আর কিছুর নিয়্যত থাকলো না; সে যা-নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে (কোন সাওয়াব সে পাবে না)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৩৮ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬০৫ এ। ((নাসাঈ, জিহাদ ৬/২৪, ২৫; আহমাদ ও হাকিম।- – ফাওয়ায আহমাদের দারেমী হা/২৪১৬ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2456)


أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي بَحْرِيَّةَ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْغَزْوُ غَزْوَانِ فَأَمَّا مَنْ غَزَا ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ وَأَطَاعَ الْإِمَامَ وَأَنْفَقَ الْكَرِيمَةَ وَيَاسَرَ الشَّرِيكَ وَاجْتَنَبَ الْفَسَادَ فَإِنَّ نَوْمَهُ وَنُبْهَهُ أَجْرٌ كُلُّهُ وَأَمَّا مَنْ غَزَا فَخْرًا وَرِيَاءً وَسُمْعَةً وَعَصَى الْإِمَامَ وَأَفْسَدَ فِي الْأَرْضِ فَإِنَّهُ لَا يَرْجِعُ بِالْكَفَافِ




২৪৫৬. মু’আয ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুদ্ধ দু‘প্রকার: যে ব্যক্তি (জিহাদের মাধ্যমে) আল্লাহ সন্তুষ্টি অনুসন্ধান করে এবং ইমামের অনুগত থাকে, নিজের উৎকৃষ্ট সম্পদ (যুদ্ধে) ব্যয় করে, সঙ্গীদের সাথে কোমল আচরণ করে, ঝগড়া-ফ্যাসাদ ও অপকর্ম হতে বেঁচে থাকে। তার নিদ্রা ও জাগ্রতহয়। পূণ্যে পরিণত কিছুই অবস্থার সব আর যে ব্যক্তি অহংকার, লোক দেখানো ও খ্যাতি-সুনামের জন্য যুদ্ধ করে এবং ইমামের বা নেতার অবাধ্য হয় এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, সে সামান্য পরিমাণ পুণ্য নিয়েও বাড়ি ফিরতে পারবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, বাকীয়া ইবনুল ওয়ালিদ এটি ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। তবে আহমাদ ও আবূ দাউদে এটি ‘হাদ্দাছানা’ শব্দে বর্ণিত হয়েছে।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/ ২৩৪; আবূ দাউদ, জিহাদ, ২৫১৫; নাসাঈ, কুবরা ৮৭৩০; আব্দু ইবনু হুমাইদ নং ১০৯; তাবারাণী, কাবীর ২০/৯১-৯২ নং ১৭৬; মুসনাদুশ শামিয়্যিন ১১৫৭; হাইছাম ইবনু কুলাইব, আল মুসনাদ ১৩৯৪; হাকিম ২/৮৫; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৪২৬৫; সিয়ার ৯/৬৮; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৫/২২০; সহীহ সনদে; হাকিম একে সহীহ বলেছেন, এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন।; ইবনু মানসূর নং ২৩২৩ যঈফ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (2457)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْحَارِثِ عَنْ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ لَمْ يَغْزُ أَوْ يُجَهِّزْ غَازِيًا أَوْ يَخْلُفْ غَازِيًا فِي أَهْلِهِ بِخَيْرٍ أَصَابَهُ اللَّهُ بِقَارِعَةٍ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ




২৪৫৭. আবূ উমামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। তিনি ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি যুদ্ধের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধ করল না অথবা কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ করল না বা যোদ্ধার অনুপস্থিতিতে তার পরিবারের কোন সাহায্য সহযোগীতা করল না, তাকে আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামতের পূর্বে’ তার উপর কোন আকস্মিক দুর্ঘটনা আপতিত করবেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: আবূ দাউদ, জিহাদ, ২৫০৩; বাইহাকী, সিয়ার ৯/৪৮; ইবনু মাজাহ, জিহাদ ২৭৬২; তাবারাণী, কাবীর ৮/২১১ নং ৭৭৪৭।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা হতে সহীহ মুসলিম, ইমারাহ ১৯১০ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2458)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ جَهَّزَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ خَلَفَ فِي أَهْلِهِ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ مِثْلَ أَجْرِهِ إِلَّا أَنَّهُ لَا يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الْغَازِي شَيْئًا




২৪৫৮. যাইদ ইবনু খালিদ জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় কোন যোদ্ধাকে আসবাব পত্র সরবরাহ করে কিংবা, কোন যোদ্ধার জিহাদে গমনের পর তার পরিবার পরিজনের দেখা শোনা করে, তবে তার জন্যও যোদ্ধার সম পরিমাণ সাওয়াব লেখা হয়, কিন্তু যোদ্ধার সাওয়াব থেকে কিছুই কম করা হয় না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৪৩; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৯৫।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৩০, ৪৬৩১, ৪৬৩২, ৪৬৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৩৭ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬১৯ ও মাউসিলী, মু’জামুশ শুয়ূখ নং ৩১৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2459)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَقَ قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ يَقُولُ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدًا فَجَاءَ بِكَتِفٍ فَكَتَبَهَا وَشَكَا ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ ضَرَارَتَهُ فَنَزَلَتْ لَا يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ




২৪৫৯. বারা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন এ আয়াতটি: “মুমিনদের মধ্যে যারা (জিহাদে না গিয়ে) বসে থাকে, তারা সমান নয়।“ (সুরা নিসাঃ ৯৫) নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে ডেকে নিলেন। তিনি কোন জন্তুর কাঁধের চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনু উম্মু মাকতুম তাঁর দৃষ্টিহীনতার ব্যাপারে অভিযোগ করলে নাযিল হয়: “মুমিনদের মধ্যে যারা (জিহাদে না গিয়ে) বসে থাকে, তারা সমান নয়, তবে ওযরগ্রস্ত ব্যক্তি ব্যতীত.......।“ (সুরা নিসাঃ ৯৫)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৩১, ২৮৩২; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৯৮।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭২৫ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2460)


أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن أنس بن مالك قال حدثتني أم حرام بنت ملحان أن النبي صلى الله عليه وسلم قال في بيتها يوما فاستيقظ وهو يضحك فقلت يا رسول الله ما أضحكك قال أريت قوما من أمتي يركبون ظهر هذا البحر كالملوك على الأسرة قلت يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم قال أنت منهم ثم نام أيضا فاستيقظ وهو يضحك فقلت يا رسول الله ما أضحكك قال أريت قوما من أمتي يركبون هذا البحر كالملوك على الأسرة قلت يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم قال أنت من الأولين قال فتزوجها عبادة بن الصامت فغزا في البحر فحملها معه فلما قدموا قربت لها بغلة لتركبها فصرعتها فدقت عنقها فماتت




২৪৬০. উম্মে হারাম বিনতে মিলহান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে দুপুরের বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এরপর জেগে উঠে মুচকি হাসতে লাগলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি হাসছেন কেন? তিনি বললেন, “আমার উম্মাতের এমন কিছু লোককে আমাকে দেখানো হলো যারা এই নীল সমুদ্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করছে, যেমন বাদশাহ সিংহাসনে আরোহণ করে।“

আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন: “তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত।“ এরপর তিনি দ্বিতীয়বার নিদ্রা গেলেন এবং এরপর জেগে উঠে মুচকি হাসতে লাগলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি হাসছেন কেন? তিনি বললেন, “আমার উম্মাতের এমন কিছু লোককে আমাকে দেখানো হলো যারা এই নীল সমুদ্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করছে, যেমন বাদশাহ সিংহাসনে আরোহণ করে।“

আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন: “তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত।“

এরপর তিনি পুনরায় নিদ্রা গেলেন এবং এরপর জেগে উঠে মুচকি হাসতে লাগলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি হাসছেন কেন? তিনি বললেন, “আমার উম্মাতের এমন কিছু লোককে আমাকে দেখানো হলো যারা এই নীল সমুদ্রের পৃষ্ঠে আরোহণ করছে, যেমন বাদশাহ সিংহাসনে আরোহণ করে।“

আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বললেন: “তুমি তাদের প্রথমদিকের অন্তর্ভূক্ত।“রাবী বলেন, এরপর উবাদাহ ইবনু সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বিয়ে করেন এবং (মুআবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথে যখন মুসলিমরা প্রথম সমুদ্র পথে অভিযানে বের হয় তখন) তিনি সস্ত্রীক সমুদ্র অভিযানে বের হন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে তাকে (উম্মে হারামকে) আরোহণের জন্য একটি খচ্চর সওয়ারী হিসেবে দেওয়া হয়, সেটি তাকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং এতে তার ঘাড় মটকে যায় এবং তিনি মারা যান।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৭৮৮; মুসলিম, ইমারাহ ১৯১২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৬৭৫, ৩৬৭৬ আনাস এর হাদীসের তাখরীজে ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬০৮, ৭১৮৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2461)


أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ الْفَزَارِيُّ عَنْ هِشَامٍ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ قَالَتْ غَزَوْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعَ غَزَوَاتٍ أُدَاوِي الْجَرِيحَ أَوْ الْجَرْحَى وَأَصْنَعُ لَهُمْ الطَّعَامَ وَأَخْلُفُهُمْ فِي رِحَالِهِمْ




২৪৬১. উম্মু আতিয়্যা আল-আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাদের আহতদের চিকিৎসা করতাম, তাদের খাবার তৈরী করতাম এবং তাদের সাওয়ারী ও মালপত্রের (রক্ষণাবেক্ষণের জন্য) পশ্চাতে থাকতাম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১২/৫২৫ নং ১৫৪৯৭; মুসলিম, সিয়ার ১৮১২; ইবনু মাজাহ ২৮৫৬; আহমাদ ৫/৮৪, ৬/৪০৭।









সুনান আদ-দারিমী (2462)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ أَيْمَنَ قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَرَجَ أَقْرَعَ بَيْنَ نِسَائِهِ فَطَارَتْ الْقُرْعَةُ عَلَى عَائِشَةَ وَحَفْصَةَ فَخَرَجَتَا مَعَهُ جَمِيعًا




২৪৬২. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (কোনো যুদ্ধে) গমণ করতেন, তখন তিনি তাঁর স্ত্রীদের মাঝে লটারী করতেন। একদা লটারীতে আয়িশা ও হাফসার নাম উঠলে তারা উভয়ে একসাথে তাঁর সাথে বের হন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: এটি ২২৫৪ নং এ গত হয়েছে।