হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2463)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ زُهْرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ مَوْلَى عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ عُثْمَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ إِنِّي كُنْتُ كَتَمْتُكُمْ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَرَاهِيَةَ تَفَرُّقِكُمْ عَنِّي ثُمَّ بَدَا لِي أَنْ أُحَدِّثَكُمُوهُ لِيَخْتَارَ امْرُؤٌ لِنَفْسِهِ مَا بَدَا لَهُ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ رِبَاطُ يَوْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ يَوْمٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنْ الْمَنَازِلِ




২৪৬৩. উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর আযাদকৃত দাস আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে মিম্বারে আরোহন করে বলতে শুনেছি, তোমরা আমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশংকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শ্রুত একটি হাদীস আমি তোমাদের থেকে গোপন রেখেছিলাম। পরে আমার খেয়াল হলো যে তা তোমাদের কাছে বর্ণণা করি যাতে প্রত্যেকেই নিজ নিজ বিবেচনা মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “আল্লাহর পথে একদিন (সীমান্ত) পাহারা দেওয়া অন্য কোন স্থানে এক হাজার দিন অতিবাহিত করার চেয়েও উত্তম।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: বাইহাকী, ৯/৩৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬০৯ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৫৯২ তে। ((তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৬৭; নাসাঈ, জিহাদ ৬/৪০- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪২৪ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2464)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ مِشْرَحٍ قَالَ سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كُلُّ مَيِّتٍ يُخْتَمُ عَلَى عَمَلِهِ إِلَّا الْمُرَابِطَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَإِنَّهُ يُجْرَى لَهُ عَمَلُهُ حَتَّى يُبْعَثَ




২৪৬৪. উক্ববা ইবনু আমির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: “প্রত্যেক ব্যক্তির মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার আমল শেষ হয়ে যায়, কেবল আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দানকারী ব্যতীত। পুনুরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার জন্য আমল চালু থাকে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইবনু লাহিয়া’হর দুর্বলতার কারণে এবং যদি এটি তার থেকে উবাইদুল্লাহর বর্ণনা হয়। ((এর সহীহ শাহিদ থাকায় হাদীসটি সহীহ-যা তাখরীজে উল্লেখ করা হয়েছে- আল্লাহই ভাল জানেন।–অনুবাদক))

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৫০; তাবারাণী, কাবীর ১৭/৩০৮ নং ৪৪৮; হাকিম ২/১৪৪।

আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ফুযালাহ ইবনু উবাইদ থেকে ((আবূ দাউদ, জিহাদ নং ২৫০০- অনুবাদক)), আমরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬২৪ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬২৪ তে। ((এর অপর শাহিদ রয়েছে সালমান ফারসী হতে তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ নং ১৬৬৫ এবং তে বর্ণনা করেছেন যাতে রয়েছে: ‘কিয়ামত পর্যন্ত তার আমল বৃদ্ধি পেতে থাকে।“ তিরমিযী একে হাসান গারীব এবং আলবানী একে সহীহ (আবূ দাউদ এর তাহক্বীক্বে ও সহীহুল জামি’ তে) বলেছেন।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2465)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ عَنْ عُرْوَةَ الْبَارِقِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ




২৪৬৫. উরওয়াহ আল বারিকী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বেঁধে দিয়েছেন: তা হলো সাওয়াব ও গণীমাত।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৫০; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৭৩।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮২৮ তে। সেখানে আমরা এর কিছু শাহিদ হাদীসও উল্লেখ করেছি। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১২/৪৮০ নং ১৫৩৩১, ১৫৩৩৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, নং ২৪২৮, ২৮২৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2466)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُصَيْنٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي السَّفَرِ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عُرْوَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ الْأَجْرُ وَالْمَغْنَمُ




২৪৬৬. (অপর সনদে) উরওয়াহ আল বারিকী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বেঁধে দিয়েছেন: তা হলো সাওয়াব ও গণীমাত।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (2467)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ عُلَيِّ بْنِ رَبَاحٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَشْتَرِيَ فَرَسًا فَأَيُّهَا أَشْتَرِي قَالَ اشْتَرِ أَدْهَمَ أَرْثَمَ مُحَجَّلَ طَلْقَ الْيَدِ الْيُمْنَى أَوْ مِنْ الْكُمْتِ عَلَى هَذِهِ الشِّيَةِ تَغْنَمْ وَتَسْلَمْ




২৪৬৭. আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি একটি ঘোড়া ক্রয়ের ইচ্ছা করেছি। এখন আমি কোন্ প্রকারের ঘোড়া কিনব? তিনি বললেন: “তুমি ক্রয় করবে কালো বর্ণের ঘোড়া, যার নাক ও উপরের ওষ্ঠটি সাদা; আরোহনের স্থান থেকে নিচের দিকে পায়ের গিরার মধ্যবর্তী স্থান সাদা; ডান পায়ের অংশবিশেষ সাদা; অথবা, (কালো বর্ণের ঘোড়া যদি না হয় তবে) লাল-কালো রঙের মিশ্রণে এভাবে সজ্জিত ঘোড়া। (এর মাধ্যমে) তুমি লাভ করবে গণিমাত এবং নিরাপত্তা।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৭৬ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬৩৩ তে। ((তিরমিযী, ফাযাইলুল জিহাদ ১৬৯৭; ইবনু মাজাহ, জিহাদ ২৭৮৯; আহমাদ ২২০৫৫।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2468)


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَابِقُ بَيْنَ الْخَيْلِ الْمُضَمَّرَةِ مِنْ الْحَفْيَا إِلَى الثَّنِيَّةِ وَالَّتِي لَمْ تُضَمَّرْ مِنْ الثَّنِيَّةِ إِلَى مَسْجِدِ بَنِي زُرَيْقٍ وَأَنَّ ابْنَ عُمَرَ كَانَ فِيمَنْ سَابَقَ بِهَا




২৪৬৮. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের জন্যে তৈরী ঘোড়াকে ‘হাফইয়া’ (নামক স্থান) থেকে ‘সানিয়া’ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর যে ঘোড়া যুদ্ধের জন্য তৈরী নয়, সে ঘোড়াকে ‘সানিয়া’ থেকে যুরাইক গোত্রের মসজিদ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর এই প্রতিযোগিতায় আব্দুল্লাহ ইবনু উমার অগ্রগামী ছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: মালিক, জিহাদ ৪৫; বুখারী, জিহাদ ৪২০; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৭০।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৬৮৬, ৪৬৮৭, ৪৬৯২ তে। এছাড়াও, তাবারাণী, আওসাত ৮৯৬৪ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2469)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنِي الزُّبَيْرُ بْنُ الْخِرِّيتِ عَنْ أَبِي لَبِيدٍ قَالَ أُجْرِيَتْ الْخَيْلُ فِي زَمَنِ الْحَجَّاجِ وَالْحَكَمُ بْنُ أَيُّوبَ عَلَى الْبَصْرَةِ فَأَتَيْنَا الرِّهَانَ فَلَمَّا جَاءَتْ الْخَيْلُ قَالَ قُلْنَا لَوْ مِلْنَا إِلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فَسَأَلْنَاهُ أَكَانُوا يُرَاهِنُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَأَتَيْنَاهُ وَهُوَ فِي قَصْرِهِ فِي الزَّاوِيَةِ فَسَأَلْنَاهُ فَقُلْنَا يَا أَبَا حَمْزَةَ أَكُنْتُمْ تُرَاهِنُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُرَاهِنُ قَالَ نَعَمْ لَقَدْ رَاهَنَ عَلَى فَرَسٍ لَهُ يُقَالُ لَهُ سَبْحَةُ فَسَبَقَ النَّاسَ فَانْهَشَّ لِذَلِكَ وَأَعْجَبَهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد انْهَشَّ يَعْنِي أَعْجَبَهُ




২৪৬৯. আবী লাবীদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আমি ও হাকাম ইবনু আইয়্যুব হাজ্জাজের শাসনামলে বসরাহ’তে ঘোড়া চালাতাম। এরপর (একবার) আমরা বাজির নিকট এলাম। যখন ঘোড়ার (উপর বাজি ধরার) প্রসঙ্গ এলো, তখন আমরা বললাম, আমরা যদি আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে পেতাম, তবে তাকে জিজ্ঞাসা করতাম, আপনারা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে বাজি ধরতেন?

তিনি বলেন, এরপর আমরা তাঁর নিকট গেলাম, আর তখন তিনি ‘যাবিয়াহ’ নামক স্থানে তাঁর আপন প্রাসাদে অবস্থান করছিলেন। এরপর আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তাঁকে বললাম, ইয়া আবূ হামযাহ! আপনারা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে বাজি ধরতেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বাজি ধরতেন? তিনি বললেন: হাঁ। আল্লাহর কসম! তিনি ‘সাবহাহ’ নামক ঘোড়ার উপর বাজি ধরেছেন। এরপর একটি লোক (দৌড় প্রতিযোগীতায়) এগিয়ে গেল, ফলে (তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য) তিনি আনন্দিত হয়ে দ্রুত সেদিকে এগিয়ে গেলেন। আর এটি যেন তাঁকে মুগ্ধ করলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ

তাখরীজ: আহমাদ ৩/১৬০, ২৫৬; তাবারাণী, আওসাত নং ৮৮৪৫; বাইহাকী, সাবাক্বা ওয়ার রমিয়া ১০/২১।









সুনান আদ-দারিমী (2470)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ جَاهِدُوا الْمُشْرِكِينَ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ وَأَلْسِنَتِكُمْ




২৪৭০. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তোমরা তোমাদের জান- মাল দিয়ে এবং জিহ্বা (তথা কথা বা লেখনির) দ্বারা মুশরিকদের বিরদ্ধে যুদ্ধ কর।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৮৭৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭০৮ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬১৮ তে। ((আবু দাউদ, জিহাদ ২৫০৪; নাসাঈ, জিহাদ ৬/৭; আহমাদ ৩/১২৪, ১৫৩, ২৫১; হাকিম ২/৮১ - ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪৩১ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2471)


أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ قَوْمٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ عَلَى النَّاسِ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ ظَاهِرُونَ




২৪৭১. মুগীরা ইবনু শুবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমার উম্মতের একটি দল সর্বদাই লোকদের উপর বিজয়ী থাকবে, এমনকি আল্লাহর হুকুম অর্থাৎ কিয়ামত এসে যাবে, আর তখনও তাঁরা বিজয়ীই থাকবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/২৪৪, ২৪৮, ২৫২; বুখারী, মানাকিব ৩৬৪০, ই’তিসাম বিল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ ৭৩১১, তাওহীদ ৭৪৫৯; মুসলিম, ইমারাহ ১৯২১।









সুনান আদ-দারিমী (2472)


أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ عَلَى الْحَقِّ




২৪৭২. উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “আমার উম্মতের একদল লোক সর্বদাই হাক্বের পক্ষে বিজয়ী থাকবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: তায়ালিসী, মানহাতুল মা’বুদ ২/১৯৭ নং ২৬৯৬; যিয়া আল মাকদিসী, আল মুখতারাহ নং ১২০, ১২১; বুখারী, কাবীর ৪/১২; কুযায়ী, মুসনাদুশ শিহাব নং ৯১৩; হাকিম ৪/৫৫০; হাকিম বলেন, এটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ; যাহাবী বলেন, এটি বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী। এটিই ঠিক।









সুনান আদ-দারিমী (2473)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ هُوَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بَعْدِي مِنْ أُمَّتِي قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ حَلَاقِيمَهُمْ يَخْرُجُونَ مِنْ الدِّينِ كَمَا يَخْرُجُ السَّهْمُ مِنْ الرَّمِيَّةِ ثُمَّ لَا يَعُودُونَ فِيهِ هُمْ شَرُّ الْخَلْقِ وَالْخَلِيقَةِ قَالَ سُلَيْمَانُ قَالَ حُمَيْدٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّامِتِ فَلَقِيتُ رَافِعًا أَخَا الْحَكَمِ بْنِ عَمْرٍو الْغِفَارِيِّ فَحَدَّثْتُهُ هَذَا الْحَدِيثَ قَالَ رَافِعٌ وَأَنَا أَيْضًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




২৪৭৩. আবু যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমার পর আমার উম্মাত থেকে এমন একটি দল আবির্ভুত হবে - যারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু কুরআন তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দীন থেকে বেরিয়ে যাবে যেমন বেরিয়ে যায় তীর তার লক্ষ্যস্হল ভেদ করে। এরপর তারা আর এতে (দীনে) ফিরে আসবে না। তারা হলো জগতের সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট সৃষ্টি।“রাবী সুলাইমান বলেন, হুমাইদ বলেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনু সামিত বলেন, হাকাম ইবনু আমর গিফারীর ভাই রাফিঁর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সাথে সাক্ষাত করলাম। এরপর তার নিকট আমি হাদীসটি উল্লেখ করলাম। তখন রাফি’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এ হাদীস আমিও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শুনেছি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, যাকাত ১০৬৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৭৩৮ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2474)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ حَدِيدٍ عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً بَعَثَهَا مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ قَالَ فَكَانَ هَذَا الرَّجُلُ رَجُلًا تَاجِرًا فَكَانَ يَبْعَثُ غِلْمَانَهُ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَكَثُرَ مَالُهُ




২৪৭৪. সাখর আল্-গামিদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেবর্ণনা করেন,তিনি এ বলে দু‘আ করেছেনঃ ‘‘হে আল্লাহ্! আমার উম্মতের মধ্যে যারা ভোর বেলায় সফরে বের হয় তাদেরকে বরকত দান করো।’’ আর য়খন তিনি কোন সেনাদল বা সাঁজোয়া বাহিনী পাঠাতেন, তখন ভোর বেলাতেই পাঠাতেন। অত্র ব্যক্তি (হাদীসের বর্ণনাকারী সাখ্র রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি তাঁর ছেলেদের দিনের প্রথমাংশে (ভোরে) পাঠাতেন (আর বেশ লাভবান হতেন)। এরূপে তাঁর ধন-সম্পদ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৫৪, ৪৭৫৫ তে। এছাড়াও, বুখারী, কাবীর ৪/৩১০; ইবনুল কানি’, মুজামুস সাহাবাহ নং ৪৬৩; ইবনু হুমাইদ নং ৪৩২। ((আবূ দাউদ, জিহাদ ২৬০৫- ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/২৪৩৫ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))

এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু মাসউদ, ইবনু সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম হতে হাদীস বর্ণিত আছে, যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলীতে পর্যায়ক্রমে ৪২৫, ৫৪০৬, ৭৫০০ নং তে। এবং নাওয়াস্ ইবনু সাম’আন ও আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি আবী ইয়া’লা’র মু’জামুশ শুয়ূখ নং ২৭১, ২৭২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2475)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَقَلَّمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْرُجُ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا إِلَّا يَوْمَ الْخَمِيسِ




২৪৭৫. কা‘বইবনুমালিকরাদ্বিয়াল্লাহু আনহুহতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃহস্পতিবার ছাড়া অন্য দিন সফরের উদ্দেশ্যে খুব কমই বের হতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৩/৪৫৬; বুখারী, জিহাদ ২৯৪৯; সাঈদ ইবনু মানসূর, নং ২৩৮০; তাবারাণী, কাবীর ১৯/৬০ নং ১১০; আবীশ শাইখ, আখলাকুন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; ইবনু খুযাইমা, নং ২৫১৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2476)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ وَابْنُ لَهِيعَةَ قَالَا حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ شَرِيكٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَيْرُ الْأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الْجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ




২৪৭৬. আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর নিকট শ্রেষ্ঠ সঙ্গী হল সেই যে তার সঙ্গী-সাথীর নিকট উত্তম, আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী হল সেই যে তার প্রতিবেশীর নিকট উত্তম।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাঁ, ইবনু লাহিয়্যাহ যঈফ তবে এর মুতাবিয়াত রয়েছে।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫১৮, ৫১৯ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ২০৫১ তে।

((তিরমিযী, বিরর ওয়াস সুলহ ১৯৪৪; আহমাদ ২/১৬৭-১৬৮; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/৩০-৩১; ইবনু মানসূর ২৩৮৮; - ফাতহুল মান্নান, শারহু দারেমী হা/২৫৯৪ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2477)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ يُونُسَ وَعُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرُ الْأَصْحَابِ أَرْبَعَةٌ وَخَيْرُ الْجُيُوشِ أَرْبَعَةُ آلَافٍ وَخَيْرُ السَّرَايَا أَرْبَعُ مِائَةٍ وَمَا بَلَغَ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا فَصَبَرُوا وَصَدَقُوا فَغُلِبُوا مِنْ قِلَّةٍ




২৪৭৭. ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সর্বোত্তম সঙ্গী সংখ্যা হল চার। সর্বোত্তম পূর্ণ বাহিনী হল চার হাজারের। আর সর্বোত্তম খন্ড বাহিনী হল চার শতের। আর বার হাজার সদস্যের বাহিনী ধৈর্য্যধারণ করলে এবং নিষ্ঠা অবলম্বন করলে কখনো সংখ্যাল্পতার কারণে পরাজিত হতে পারে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭১৭ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬৬৩ তে। ((আবু দাউদ, জিহাদ ২৬১১; তিরমিযী, সিয়ার ১৫৫৫।- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪৩৮ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2478)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَمَّرَ رَجُلًا عَلَى سَرِيَّةٍ أَوْصَاهُ فِي خَاصَّةِ نَفْسِهِ بِتَقْوَى اللَّهِ وَبِمَنْ مَعَهُ مِنْ الْمُسْلِمِينَ خَيْرًا وَقَالَ اغْزُوا بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ قَاتِلُوا مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ اغْزُوا وَلَا تَغْدِرُوا وَلَا تَغُلُّوا وَلَا تُمَثِّلُوا وَلَا تَقْتُلُوا وَلِيدًا




২৪৭৮. বুরায়দা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সেনাদলের উপর কাউকে আমীর (সেনাপতি) নিযুক্ত করে পাঠাতেন, তখন আমীরকে লক্ষ্য করে বিশেষভাবে উপদেশ দিতেন, যেন সে নিজে আল্লাহ্ কে ভয় করে চলে আর তাঁর সঙ্গী মুসলিক সৈন্যদের প্রতি কল্যাণকামী হয়। আর তিনি বলতেন: “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধে অবতীর্ণ হও এবং ঐ সকল কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যারা আল্লাহর তা’আলার সাথে কুফরী (অস্বীকার) করেছে। তোমরা যুদ্ধ করে যাও, কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করো না, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আত্মসাত করো না, নিহত শত্রুর নাক-কান ইত্যাদি কেটে বিকৃত করো না এবং কোন শিশুকে হত্যা করো না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১; এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১২/৪৫৮; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ২/২১৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪১৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৩৯ তে। ((আবূ দাউদ, জিহাদ ২৬১২; তিরমিযী, সিয়ার ১৬১৭।- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪৩৯ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))









সুনান আদ-দারিমী (2479)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ فَإِنْ لَقِيتُمُوهُمْ فَاثْبُتُوا وَأَكْثِرُوا ذِكْرَ اللَّهِ فَإِنْ أَجْلَبُوا وَضَجُّوا فَعَلَيْكُمْ بِالصَّمْتِ




২৪৭৯. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে লোক সকল! শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হবার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তা’আলার নিকট নিরাপত্তার দু’আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা দৃঢ়পদ থাকবে এবং অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করবে। আর তারা যখন শোরগোল ও চেঁচামেচি করবে, তখন তোমাদের উপর নিরবতা অবলম্বন করা অপরিহার্য।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদ হলো ইবনু আনআম আল আফরিকী। তার সম্পর্কে হাফিজ (ইবনু হাজার) বলেন: “তার ব্যাপারে সঠিক কথা হলো সে যঈফ। তার কারণ তার অধিক সংখ্যক মুনকার হাদীস বর্ণনা করা, যা এমন একটি কাজ যা নেককার গণেকে আঘাত করে।“

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, নং ৯৫১৮; ইবনু আবী শাইবা, ১২/৪৬১-৪৬২ নং ১৫২৬৫; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৫৩।

আর "তোমরা দৃঢ় থাক" এ অংশের শাহিদ রয়েছে ইবনু আবী আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বুখারী, জিহাদ ২৯৬৬ এবং আবী হুরাইরা হতে বুখারী জিহাদ ৩০২৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (2480)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ صُهَيْبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدْعُو أَيَّامَ حُنَيْنٍ اللَّهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ




২৪৮০. সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন (যুদ্ধের) দিন দু’আয় বলেছেন: “হে আল্লাহ! আমি আপনার সাহায্যেই প্রচেষ্টা করি এবং আপনার সাহায্যেই আক্রমণ করি এবং আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/৩৩২, ৩৩৩, ৬/১৬; তাবারাণী, কাবীর ৮/৪৮ নং ৭৩১৮; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৫৩।









সুনান আদ-দারিমী (2481)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَمَّرَ رَجُلًا عَلَى سَرِيَّةٍ أَوْصَاهُ إِذَا لَقِيتَ عَدُوَّكَ مِنْ الْمُشْرِكِينَ فَادْعُهُمْ إِلَى إِحْدَى ثَلَاثِ خِلَالٍ أَوْ خِصَالٍ فَأَيَّتُهُمْ مَا أَجَابُوكَ إِلَيْهَا فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ فَإِنْ هُمْ أَجَابُوكَ فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى التَّحَوُّلِ مِنْ دَارِهِمْ إِلَى دَارِ الْمُهَاجِرِينَ وَأَخْبِرْهُمْ إِنْ هُمْ فَعَلُوا أَنَّ لَهُمْ مَا لِلْمُهَاجِرِينَ وَأَنَّ عَلَيْهِمْ مَا عَلَى الْمُهَاجِرِينَ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّهُمْ يَكُونُونَ كَأَعْرَابِ الْمُسْلِمِينَ يَجْرِي عَلَيْهِمْ حُكْمُ اللَّهِ الَّذِي يَجْرِي عَلَى الْمُؤْمِنِينَ وَلَيْسَ لَهُمْ فِي الْفَيْءِ وَالْغَنِيمَةِ نَصِيبٌ إِلَّا أَنْ يُجَاهِدُوا مَعَ الْمُسْلِمِينَ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا أَنْ يَدْخُلُوا فِي الْإِسْلَامِ فَسَلْهُمْ إِعْطَاءَ الْجِزْيَةِ فَإِنْ فَعَلُوا فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ وَقَاتِلْهُمْ وَإِنْ حَاصَرْتَ أَهْلَ حِصْنٍ فَإِنْ أَرَادُوكَ أَنْ تَجْعَلَ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ نَبِيِّهِ فَلَا تَجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَلَا ذِمَّةَ نَبِيِّهِ وَلَكِنْ اجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّتَكَ وَذِمَّةَ أَبِيكَ وَذِمَّةَ أَصْحَابِكَ فَإِنَّكُمْ إِنْ تُخْفِرُوا بِذِمَّتِكُمْ وَذِمَّةِ آبَائِكُمْ أَهْوَنُ عَلَيْكُمْ مِنْ أَنْ تُخْفِرُوا ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ رَسُولِهِ وَإِنْ حَاصَرْتَ حِصْنًا فَأَرَادُوكَ أَنْ يَنْزِلُوا عَلَى حُكْمِ اللَّهِ فَلَا تُنْزِلْهُمْ عَلَى حُكْمِ اللَّهِ وَلَكِنْ أَنْزِلْهُمْ عَلَى حُكْمِكَ فَإِنَّكَ لَا تَدْرِي أَتُصِيبُ حُكْمَ اللَّهِ فِيهِمْ أَمْ لَا ثُمَّ اقْضِ فِيهِمْ بِمَا شِئْتَ




২৪৮১. সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সেনাদলের উপর কাউকে আমীর (সেনাপতি) নিযুক্ত করে পাঠাতেন, তখন আমীরকে লক্ষ্য করে (একথা বলে) উপদেশ দিতেন: “যখন তুমি তোমার মুশরিক শত্রুদের সাক্ষাত পাবে তখন তাদেরকে তিনটি বিষয়ের মধ্য হতে যে কোন একটি গ্রহণ করার জন্য আহবান জানাবে। আর যে কোন একটি গ্রহণ করলে তুমি তাতে সায় দিবে এবং তাদের উপর আত্রমণ চালানো হতে বিরত থাকবে।

১. তুমি (প্রথমে) তাদেরকে ইসলামের দিকে আহবান জানাবে। যদি এতে সাড়া দেয়, তুমি মেনে নিবে আর তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হতে বিরত থাকবে। তারপর তাদেরকে নিজ দেশে ছেড়ে মুহাজিরদের দেশে অর্থাৎ মদীনায় হিজরত করার আহবান জানাবে। আর তাদেরকে অবহিত করে দিবে যে, হিজরত করার পর মুহাজিরগণ যে সকল সুযোগ-সুবিধাভোগ করেন, তারাও সে সকল সুবিধা ভোগ করবে। আর (জিহাদের) যে সকল দায়- দায়িত্ব মুহাজিরদের ওপর বর্তায়, তাদের ওপরও তা সমভাবে বর্তাবে। তারা যদি এ প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানায় (রাযী না হয় বা প্রত্যাখ্যান করে আর নিজ দেশেই অবস্থান করতে চায়) তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা হবে বেদুঈন মুসলিমগণের মতো। তাদেরকে আল্লাহ আদেশ- নিষেধ ও বিধি- বিধান মেনে চলতে হবে যেরূপে মুসলিমগণ তা মেনে চলেন। ‘ফাই’ ও গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদের) কোন ভাগ তারা পাবে না, যদি মুজাহিদগণের সাথে প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে।

২. আর যদি তারা ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তবে (তাদের নিরাপত্তার জন্য) জিয্ইয়া প্রদান করার প্রস্তাব দিবে। যদি তারা তা প্রদান করে, তবে তুমি মেনে নিবে এবং তাদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবে না।

৩. যদি তারা (জিযইয়া দিতে) অস্বীকার করে তবে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আর যখন তুমি কোন শত্রুর দূর্গ অবরোধ করবে আর তারা তাদের ব্যাপারে তোমার নিকট আল্লাহ্ ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র যিম্মাহ’ বা প্রতিশ্রুতি/অঙ্গীকার কামনা করে, তবে তাদেরকে আল্লাহ্ ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র যিম্মাহ’ বা আশ্রয় প্রদান করবে না। তবে তুমি তোমার, তোমার পিতার ও তোমার সঙ্গী-সাথীদের ‘যিম্মা বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করতে পার। কেননা, আল্লাহ্ ও রাসূলের যিম্মাহ’ বা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেয়ে তোমাদের ও তোমাদের পিতা-পিতামহের যিম্মা বা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা তোমাদের জন্য সহজতর। আর যদি তুমি কোন শত্রুর দূর্গ অবরোধ করো, আর তখন তারা আল্লাহর বিধান ভিত্তিতে দুর্গ হতে অবতরণের ইচ্ছা প্রকাশ করবে, তখন তুমি আ্লাহ্ অথবা রাসূলের নির্দেশের ভিত্তিতে তাদের অবতরণ করাবে না বরং তোমার নিজ সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদেরকে অবতরণ করাবে। কারণ, তোমার জানা নেই তাদের ব্যাপারে আল্লাহর নির্দেশ তুমি ঠিকমত কার্যকর করলে কী-না। এরপরে তাদের ব্যাপারে তোমার ইচ্ছানুযায়ী ফয়সালা করবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১; আরও দেখুন, বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৮৪।









সুনান আদ-দারিমী (2482)


قَالَ عَلْقَمَةُ فَحَدَّثْتُ بِهِ مُقَاتِلَ بْنَ حَيَّانَ فَقَالَ حَدَّثَنِي مُسْلِمُ بْنُ هَيْصَمٍ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ




২৪৮২. নু’মান ইবনু মুক্বাররিন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদটি আগের সনদে মাওসূল হিসেবে (অবিচ্ছিন্ন সূত্রে) বর্ণিত হয়েছে। আর এর সনদটি জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১;

বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৮৪।