সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ كُرْدُوسٍ عَنْ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
২৯৪৩. আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৮ নং ১১২৫১।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ كُرْدُوسٍ عَنْ أَبِي مُوسَى أَنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
২৯৪৪. (অপর সনদে) আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।
أَخْبَرَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ مَرْوَانَ عَنْ عُثْمَانَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَبًا
২৯৪৫. উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: দেখুন, পূর্বের ও পরের হাদীসটি। এছাড়া এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে (২৮৯৩ নং এ)।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى وَمُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِى إِسْحَاقَ عَنْ عُثْمَانَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَباً
২৯৪৬. (অপর সনদে) উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৩; দারুকুতনী ৪/৯২।
حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِى بُرْدَةَ قَالَ لَقِيتُ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ بِالْمَدِينَةِ فَقَالَ يَا ابْنَ أَبِى مُوسَى أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّ الْجَدَّ لاَ يُنَزَّلُ فِيكُمْ مَنْزِلَةَ الأَبِ وَأَنْتَ لاَ تُنْكِرُ قَالَ قُلْتُ وَلَوْ كُنْتَ أَنْتَ لَمْ تُنْكِرْ . قَالَ مَرْوَانُ فَأَنَا أَشْهَدُ عَلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ شَهِدَ عَلَى أَبِى بَكْرٍ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَباً إِذَا لَمْ يَكُنْ دُونَهُ أَبٌ
২৯৪৭. আবী বুরদাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মদীনায় মারওয়ান ইবনুল হাকাম এর সাথে সাক্ষাত করলাম। তখন তিনি বললেন: হে ইবনু আবী মূসা! আমাকে কি খবর দেওয়া হয়নি যে, আপনাদের মাঝে দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করা হয় না, আর আপনিও তার বিরোধীতা করেন না? তিনি বলেন, আমি বললাম, কিন্তু আপনি যদি আমি (আমার স্থলে) হতেন, তবে আপনিও তার বিরোধীতা করতেন না। মারওয়ান বলেন, কিন্তু আমি উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন, যদি তার অধ:স্তন অন্য কোনো পিতা না থাকতো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে ২৯৪১ নং এ। সেখানে তাখরীজ দেখুন।
حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ وَعَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَبًا
২৯৪৮. ইকরিমা সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৮। ইবনু হাযম এটি সাহাবী, তাবিঈ ও তাবি’-তাবিঈগণ হতে বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَعَلَهُ الَّذِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا أَحَدًا خَلِيلًا لَاتَّخَذْتُهُ خَلِيلًا وَلَكِنْ أُخُوَّةُ الْإِسْلَامِ أَفْضَلُ يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ جَعَلَهُ أَبًا يَعْنِي الْجَدَّ
২৯৪৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে তাকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু ইসলামী ভ্রাতৃত্বই সর্বোত্তম।“-তথা আবূ বাকরকে, আর এই তিনিই তাকে অর্থাৎ দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: হাকিম ৫/৩৩৯; বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৮।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮৪ তে।
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ ابْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
২৯৫০. ইবনু যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ফাযাইলু আসাহাবীন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নং ৩৬৫৮; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৮-২৮৯ নং ১১২৫২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৯।
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِنَّ الْجَدَّ قَدْ مَضَتْ سُنَّتُهُ وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا وَلَكِنَّ النَّاسَ تَحَيَّرُوا
২৯৫১. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, দাদার (মীরাস) সম্পর্কিত সুন্নাত অতীত হয়েছে। আর আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন। কিন্তু এখন লোকদের ‘ইখতিয়ার’ (বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা) গ্রহণ করেছে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ আশআস এর দুর্বলতার কারণে।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৬ তে হাসান বলেন: যদি আমি লোকদের কোনো বিষয়ে অভিভাবকত্ব লাভ করতাম, তবে দাদাকে পিতার স্থলবর্তী বানিয়ে দিতাম। এর সনদ সহীহ।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ إِنَّ أَوَّلَ جَدٍّ وَرِثَ فِي الْإِسْلَامِ عُمَرُ
২৯৫২. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইসলামে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ই সর্বপ্রথম দাদাকে মীরাছ দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪১।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ أَوَّلُ جَدٍّ وَرِثَ فِي الْإِسْلَامِ عُمَرُ فَأَخَذَ مَالَهُ فَأَتَاهُ عَلِيٌّ وَزَيْدٌ فَقَالَا لَيْسَ لَكَ ذَاكَ إِنَّمَا أَنْتَ كَأَحَدِ الْأَخَوَيْنِ
২৯৫৩. (অপর সনদে) শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসলামে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ই সর্বপ্রথম দাদাকে মীরাছ দিলেন।যখন সে তার সম্পদ গ্রহণ করলো, তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে তাকে বললেন, এটা তো তোমার নয়, তুমি তো দুই ভায়ের একজনের সমতুল্য।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৬ নং ১১২৭৭।
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ عِيسَى الْحَنَّاطِ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَانَ عُمَرُ يُقَاسِمُ بِالْجَدِّ مَعَ الْأَخِ وَالْأَخَوَيْنِ فَإِذَا زَادُوا أَعْطَاهُ الثُّلُثَ وَكَانَ يُعْطِيهِ مَعَ الْوَلَدِ السُّدُسَ
২৯৫৪. শা’বী (রহঃ) (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এক ভাই ও দু’ভাই’র সাথে দাদাকেও (মীরাস) বন্টনে শরীক করতেন। আর যদি ভাই অধিক হতো, দাদাকে দিতেন এক তৃতীয়াংশ; আর (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকলে দাদাকে এক ষষ্ঠাংশ দিতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে ঈসা ইবনু আবী ঈসা, মাইসারাহ, তিনি মাতরূক বা পরিত্যক্ত রাবী। বাকী বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত।
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯২ নং ১১২৬৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯ সনদ সহীহ।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ لَمَّا طُعِنَ اسْتَشَارَهُمْ فِي الْجَدِّ فَقَالَ إِنِّي كُنْتُ رَأَيْتُ فِي الْجَدِّ رَأْيًا فَإِنْ رَأَيْتُمْ أَنْ تَتَّبِعُوهُ فَاتَّبِعُوهُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ إِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَكَ فَإِنَّهُ رَشَدٌ وَإِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَ الشَّيْخِ فَلَنِعْمَ ذُو الرَّأْيِ كَانَ
২৯৫৫. মারওয়ান ইবনু হাকাম থেকে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আহত হলেন, তিনি তাদের (সাহাবীগণের) নিকট দাদা (এর মীরাস) সম্পর্কে পরামর্শ চেয়ে বললেন, আমি দাদা সম্পর্কে একটি অভিমত ঠিক করেছিলাম, তা তোমরা চাইলে তা অনুসরণ করতে পার। তখন উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, আমরা যদি আপনার রায় বা মতামত অনুসরণ করি, তবে সেটা তো সঠিক পথ। আর যদি আমরা শাইখ (আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এর মতামত অনুসরণ করি, তবে তিনি কতই না উত্তম রায় প্রদানকারী ছিলেন![1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। এটি গত হয়েছে ৬৫৫ নং এ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৫১, ১৯০৫২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৩, ২৮৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; হাকিম ৪/৩৪০; এর সনদ সহীহ, হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَتَبَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِلَى عَلِيٍّ وَابْنُ عَبَّاسٍ بِالْبَصْرَةِ إِنِّي أُتِيتُ بِجَدٍّ وَسِتَّةِ إِخْوَةٍ فَكَتَبَ إِلَيْهِ عَلِيٌّ أَنْ أَعْطِ الْجَدَّ سُبُعًا وَلَا تُعْطِهِ أَحَدًا بَعْدَهُ
২৯৫৬. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তখন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন বসরায়। তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট চিঠি লিখলেন: আমার নিকট দাদা এবং ছয় ভাই (এর মাঝে মীরাস বন্টনের মাস’আলা) এসেছিল। তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে লিখে পাঠালেন, দাদাকে এক চতুর্থাংশ দাও এবং তার পরে আর কাউকে (ভাইদেরকে) কিছু দিও না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৮ (সনদ সহীহ), ১১২৬৯। দেখুন, ফাতহুল বারী ১২/২১।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي سِتَّةِ إِخْوَةٍ وَجَدٍّ قَالَ أَعْطِ الْجَدَّ السُّدُسَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَأَنَّهُ يَعْنِي عَلِيًّا الشَّعْبِيُّ يَرْوِيهِ عَنْ عَلِيٍّ
২৯৫৭. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, দাদা এবং ছয় ভাই (এর মাঝে মীরাস বন্টন) সম্পর্কে তিনি বলেন, দাদাকে এক চতুর্থাংশ দাও। আবূ মুহাম্মদ বলেন, ‘তিনি’ অর্থাৎ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। তথা শা’বী আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণনা করছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৮ সনদ সহীহ। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَخًا حَتَّى يَكُونَ سَادِسًا
২৯৫৮. আব্দুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইয়ের স্থলবর্তী করতেন, এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ يُشَرِّكُ الْجَدَّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى السُّدُسِ
২৯৫৯. হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ভাইগণের সাথে দাদাকে (মীরাসে) এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত অংশীদার করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪ সনদ সহীহ। এখানে রয়েছে: ভাই পাঁচ জন হলে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের সাথে দাদাকে দিতেন এক পঞ্চমাংশ, আর ভাই এর চেয়ে অধিক সংখ্যক হলে, দাদাকে দিতেন এক ষষ্ঠাংশ, এর চেয়ে কম দিতেন না।’
حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ كَانَ عَلِيٌّ يُشَرِّكُ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ حَتَّى يَكُونَ سَادِسًا
২৯৬০. আব্দুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইয়ের স্থলবর্তী করতেন এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাথরীজ: এটি গত হয়েছে ২৯৫৫ নং এ।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ عَلِيٌّ يُشَرِّكُ الْجَدَّ إِلَى سِتَّةٍ مَعَ الْإِخْوَةِ يُعْطِي كُلَّ صَاحِبِ فَرِيضَةٍ فَرِيضَتَهُ وَلَا يُوَرِّثُ أَخًا لِأُمٍّ مَعَ جَدٍّ وَلَا أُخْتًا لِأُمٍّ وَلَا يَزِيدُ الْجَدَّ مَعَ الْوَلَدِ عَلَى السُّدُسِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ غَيْرُهُ وَلَا يُقَاسِمُ بِأَخٍ لِأَبٍ مَعَ أَخٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِذَا كَانَتْ أُخْتٌ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَأَخٌ لِأَبٍ أَعْطَى الْأُخْتَ النِّصْفَ وَالنِّصْفَ الْآخَرَ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْأَخِ نِصْفَيْنِ وَإِذَا كَانُوا إِخْوَةً وَأَخَوَاتٍ شَرَّكَهُمْ مَعَ الْجَدِّ إِلَى السُّدُسِ
২৯৬১. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইদের সাথে এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত (মীরাসে) শরীক করতেন। আর প্রত্যেক অংশীদারকে তার নির্ধারিত অংশ দিতেন। বৈপিত্রেয় ভাই ও বোনকে দাদার সাথে মীরাস দিতেন না। (মৃতব্যক্তির) সন্তান থাকলে দাদাকে এক ষষ্ঠাংশের বেশি দিতেন না। আর সহোদর ভাইয়ের সাথে বৈমাত্রেয় ভাইকে মীরাসে অংশীদার করতেন না। আর যখন এক সহোদর বোন এবং এক বৈমাত্রেয় ভাই হতো, তখন বোনকে দিতেন অর্ধেক সম্পদ এবং অপর অর্ধাংশ দাদা ও ভাইয়ের মাঝে আধা-আধি করে বন্টন করে দিতেন। আর ভাইবোন অনেক হলে দাদার সঙ্গে তারা এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত শরীক করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৮ নং ১১২৮২ বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْعَبْسِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعْقِلٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ الْجَدِّ فَقَالَ أَيُّ أَبٍ لَكَ أَكْبَرُ فَقُلْتُ أَنَا آدَمُ قَالَ أَلَمْ تَسْمَعْ إِلَى قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى يَا بَنِي آدَمَ
২৯৬২. আব্দুর রহমান বিন মা’কিল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দাদা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন্ দাদা সবচেয়ে বড়? আমি বললাম, আদম। তিনি বললেন, তুমি কি মহান আল্লাহর বাণী শোনো নি, “হে বনী আদম!“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত। তবে আব্দুল্লাহ ইবনু খালিদ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শোনেননি। আর এদের উভয়ের মাঝে যাহ্হাক রয়েছে।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৯ নং ১১২৫৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬।