সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ سُمَيْعٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَوَدِدْتُ أَنِّي وَالَّذِينَ يُخَالِفُونِي فِي الْجَدِّ تَلَاعَنَّا أَيُّنَا أَسْوَأُ قَوْلًا
২৯৬৩. এক ব্যক্তির সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যারা ‘দাদার সম্পর্কে আমার মতামতের বিরোধীতা করে, আমার মনে চায় যে, আমার এবং তাদের মধ্যে যার কথা অধিক মন্দ, তাকে পরস্পর লা’নত দেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২৪, এখানে রয়েছে: তাউস (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন: আমরা (ফারাইযে) যে অংশ নির্ধারণ করেছি, সে ব্যাপারে যারা আমার বিরোধীতা করে, আমার মনে চায় যে, আমরা একত্র হই, এরপর রুকনে (ইয়ামানী)’র উপর হাত রেখে অভিশাপ দিয়ে বলি, মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লা’নত।’ এর সনদ সহীহ। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭, ৪৯, ৫০।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
২৯৬৪. তাউস (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলবর্তী করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৫৪, ১৯০৫৫, ১৯০৫৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৬।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى شُرَيْحٍ وَعِنْدَهُ عَامِرٌ وَإِبْرَاهِيمُ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فِي فَرِيضَةِ امْرَأَةٍ مِنَّا الْعَالِيَةِ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَأَخَاهَا لِأَبِيهَا وَجَدَّهَا فَقَالَ لِي هَلْ مِنْ أُخْتٍ قُلْتُ لَا قَالَ هَلْ مِنْ أُخْتٍ قُلْتُ لَا قَالَ لِلْبَعْلِ الشَّطْرُ وَلِلْأُمِّ الثُّلُثُ قَالَ فَجَهِدْتُ عَلَى أَنْ يُجِيبَنِي فَلَمْ يُجِبْنِي إِلَّا بِذَلِكَ فَقَالَ إِبْرَاهِيمُ وَعَامِرٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ مَا جَاءَ أَحَدٌ بِفَرِيضَةٍ أَعْضَلَ مِنْ فَرِيضَةٍ جِئْتَ بِهَا قَالَ فَأَتَيْتُ عَبِيدَةَ السَّلْمَانِيَّ وَكَانَ يُقَالُ لَيْسَ بِالْكُوفَةِ أَحَدٌ أَعْلَمَ بِفَرِيضَةٍ مِنْ عَبِيدَةَ وَالْحَارِثِ الْأَعْوَرِ وَكَانَ عَبِيدَةُ يَجْلِسُ فِي الْمَسْجِدِ فَإِذَا وَرَدَتْ عَلَى شُرَيْحٍ فَرِيضَةٌ فِيهَا جَدٌّ رَفَعَهُمْ إِلَى عَبِيدَةَ فَفَرَضَ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِنْ شِئْتُمْ نَبَّأْتُكُمْ بِفَرِيضَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فِي هَذَا جَعَلَ لِلزَّوْجِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ النِّصْفَ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ السُّدُسُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ وَلِلْأَخِ سَهْمٌ وَلِلْجَدِّ سَهْمٌ قَالَ أَبُو إِسْحَقَ الْجَدُّ أَبُو الْأَبِ
২৯৬৫. আবী ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমাদের এক সম্ভ্রান্ত মহিলার মীরাছ সম্পর্কে (জিজ্ঞাসা করার জন্য) শুরাইহ’র নিকট প্রবেশ করলাম, যে তার স্বামী, মা, এক বৈমাত্রেয় ভাই ও তার দাদা রেখে মৃত্যু বরণ করেছেন। তখন তার নিকট আমীর, ইবরাহীম ও আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ বসে ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, তার কোন বোন আছে কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, স্বামী পাবে অর্ধেক এবং মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ।
তখন আমি বারবার চেষ্টা করলাম যাতে তিনি আমাকে (অন্য কোনো) জবাব দেন। কিন্তু তিনি এছাড়া অন্য কোনো জবাবই দিলেন না (বারবার একই জবাব দিলেন)।
আমীর, ইবরাহীম ও আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ বললেন: আপনি ফারাইয বিষয়ে যে মাস’আলাটি নিয়ে এসেছেন, এর চেয়ে কোনো কঠিন মাস’আলা আর কেউ কখনো নিয়ে আসেনি।
এরপর আমি উবাইদাহ আস সালমানী’র নিকট এলাম। আর তার সম্পর্কে বলা হতো যে, ‘কুফায় উবাইদাহ ও হারিস আল আওয়ার এর চেয়ে ফারাইয বিষয়ে অধিক জ্ঞানী আর কেউ নাই।’ আর উবাইদাহ তখন মসজিদে বসে ছিলেন। আর শুরাইহ’র নিকট ফারাইযের এমন কোনো মাস’আলা আসতো, যাতে দাদা’ (অংশ) বিদ্যমান থাকতো, তিনি তা উবাইদাহ’র নিকট পাঠিয়ে দিতেন, আর তিনি অংশ ভাগ করে দিতেন। (রাবী বলেন), আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি তোমরা চাও তবে আমি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ফায়সালা জানিয়ে দিতে পারি (তা হলো): তিনি স্বামীর জন্য অর্ধাংশ তথা তিন ভাগ নির্ধারণ করতেন, বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ দিতেন যা মুল সম্পদের এক ষষ্ঠাংশ হতো; আর ভাইয়ের এক ভাগ এবং দাদার এক ভাগ।[1] আবূ ইসহাক বলেন, দাদা হলেন পিতার পিতা।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭১; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫১ নং ১১১৩৭; বুখারী, কাবীর ২/১৯ তা’লীক হিসেবে; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯, ২৪০; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩০ জাইয়্যেদ বা উত্তম সনদে।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ زَيْدًا كَانَ يُشَرِّكُ الْجَدَّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى الثُّلُثِ
২৯৬৬. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইদের সাথে এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত (মীরাসে) শরীক করতেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৫ নং ১১২৭৪। এর পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসগুলি দেখুন।
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ كَانَ يُقَاسِمُ بِالْجَدِّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى الثُّلُثِ ثُمَّ لَا يُنْقِصُهُ
২৯৬৭. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ভাইদের সাথে দাদাকে এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত (মীরাসে) অংশ বন্টন করতেন এরপর তাকে আর কমাতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/, ২৯৭ নং ১১২৭৯, ১১/৩১৭ নং ১১৩০৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫০।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ عَنْ إِسْمَعِيلَ قَالَ قَالَ عُمَرُ خُذْ مِنْ أَمْرِ الْجَدِّ مَا اجْتَمَعَ النَّاسُ عَلَيْهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي قَوْلَ زَيْدٍ
২৯৬৮. ইসমাঈল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমির (রহঃ) বলেন, তোমরা দাদার ব্যাপারে লোকদের সম্মিলিত মতামতকে গ্রহণ করবে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থ: যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আমির শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: মালিক, ফারাইয ২; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪২; ইবনু আবী শাইবা ১১/ ২৯০ নং ১১২৫৭, ১১/৩১৯-৩২০ নং ১১৩১৬।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ قَتَادَةَ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ قَالَ فِي أُخْتٍ وَأُمٍّ وَزَوْجٍ وَجَدٍّ قَالَ جَعَلَهَا مِنْ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ لِلْأُمِّ سِتَّةٌ وَلِلزَّوْجِ تِسْعَةٌ وَلِلْجَدِّ ثَمَانِيَةٌ وَلِلْأُخْتِ أَرْبَعَةٌ
২৯৬৯. কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, বোন, মা, স্বামী ও দাদা’র (অংশ মিশ্রিত হলে) সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: তিনি একে সাতাশ ভাগ করেন: যার মা পাবে সাত ভাগ, স্বামী নয় ভাগ, দাদা আট ভাগ এবং বোন পাবে চার ভাগ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ কাতাদাহ পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩০১ নং ১১২৮৯ সহীহ সনদে, ১১২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৬৫।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ أَوَّلَ جَدَّةٍ أُطْعِمَتْ فِي الْإِسْلَامِ سَهْمًا أَمُّ أَبٍ وَابْنُهَا حَيٌّ
২৯৭০. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইসলামে সর্ব প্রথম যে মহিলাকে এক অংশ (মীরাছ) ভোগ করতে দেওয়া হয়েছে, তিনি হলেন দাদী। অথচ এ মহিলার পুত্রও তখন জীবিত ছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আছ ইবনু সিওয়ার এর দুর্বলতার কারণে। আর ইবনু সীরীন ইবনু মাসউদের সাক্ষাত পাননি। আর এটি ইবনু মাসউদের উপর মাওকুফ (তার বক্তব্য) হিসেবে বর্ণিত।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৮; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৯, ১০৯, ১১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ (তিনি দাদাকে মীরাছে অংশ দিয়েছেন) সনদ সহীহ; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৯, ২৮১ (মারফু’ হিসেবে) (সনদ যঈফ); তিরমিযী, ফারাইয ২২০৩ যঈফ সনদে।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَطْعَمَ جَدَّةً سُدُسًا
২৯৭১. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে (মীরাছে) এক ষষ্ঠাংশ ভোগ করতে দিয়েছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, লাইছ ইবনু আবী সালীম এর দুর্বলতার কারণে।
তাথরীজ: ইবনু মাজাহ, ফারাইয ২৭২৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২১ নং ১১৩২০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৪।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ وَرَّثَ جَدَّةً مَعَ ابْنِهَا
২৯৭২. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পিতার সাথে দাদীকেও (মীরাছে) অংশীদার করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, ইবনু জুরাইজ এটি ‘আন ‘আন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। (আর তিনি মুদাল্লিস রাবী)
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ (সহীহ সনদে)।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي مَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ قَالَ سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَطْعَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ جَدَّاتٍ سُدُسًا قَالَ قُلْتُ لِإِبْرَاهِيمَ مَنْ هُنَّهْ قَالَ جَدَّتَاكَ مِنْ قِبَلِ أَبِيكَ وَجَدَّتُكَ مِنْ قِبَلِ أُمِّكَ
২৯৭৩. মু’তামির হতে হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবরাহিম (রহঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দাদী/নানীকে (মীরাছে) ভোগ করতে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলাম, তারা কে কে? তিনি উত্তর দিলেন, তোমার পিতার দিক থেকে দু’ দাদী এবং মাতার দিকে থেকে এক নানী।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মু’দ্বাল। (অগ্রহণযোগ্য)
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২২ নং ১১৩২৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৭৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭২; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭৯।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَنْبَأَنِي الْحَسَنُ قَالَ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
২৯৭৪. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাসান (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, দাদী তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ। এটি হাসান হতে মাওকুফ (তার বক্তব্য) হিসেবে বর্ণিত
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩২ নং ১১৩৫৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৬, ৯৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৮১।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ لَا تَرِثُ أُمُّ أَبِ الْأُمِّ ابْنُهَا الَّذِي تُدْلِي بِهِ لَا يَرِثُ فَكَيْفَ تَرِثُ هِيَ
২৯৭৫. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, পিতার মা তথা পিতামহী (দাদী) (নাতীর সম্পদের) মীরাছ লাভ করবে না। তার গর্ভজাত পুত্রই মীরাছ পায় না, সেখানে সে কিভাবে মীরাছ পাবে?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আমির শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৭৫।
أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ عَلْقَمَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ عَنْ أَبِي الدَّهْمَاءِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
২৯৭৬. আবী দাহমাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী তার ছেলের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। আর এটি ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মাওকুফ (তার বক্তব্য) হিসেবে বর্ণিত।
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১০২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৮০ যঈফ সনদে।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ جَاءَتْ إِلَى أَبِي بَكْرٍ جَدَّةٌ أُمُّ أَبٍ أَوْ أُمُّ أُمٍّ فَقَالَتْ إِنَّ ابْنَ ابْنِي أَوْ ابْنَ ابْنَتِي تُوُفِّيَ وَبَلَغَنِي أَنَّ لِي نَصِيبًا فَمَا لِي فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِيهَا شَيْئًا وَسَأَسْأَلُ النَّاسَ فَلَمَّا صَلَّى الظُّهْرَ قَالَ أَيُّكُمْ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي الْجَدَّةِ شَيْئًا فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ أَنَا قَالَ مَاذَا قَالَ أَعْطَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُدُسًا قَالَ أَيَعْلَمُ ذَاكَ أَحَدٌ غَيْرُكَ فَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ صَدَقَ فَأَعْطَاهَا أَبُو بَكْرٍ السُّدُسَ فَجَاءَتْ إِلَى عُمَرَ مِثْلُهَا فَقَالَ مَا أَدْرِي مَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهَا شَيْئًا وَسَأَسْأَلُ النَّاسَ فَحَدَّثُوهُ بِحَدِيثِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ فَقَالَ عُمَرُ أَيُّكُمَا خَلَتْ بِهِ فَلَهَا السُّدُسُ فَإِنْ اجْتَمَعْتُمَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا
২৯৭৭. যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক পিতামহী (দাদী) বা মাতামহী (নানী) আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বললঃ আমার পৌত্র বা দৌহিদ্র (মেয়ের ছেলে) মারা গেছে। আমি শুনেছি যে, আমার জন্য তাতে অংশ আছে। ফলে আমার জন্য কী পরিমাণ রয়েছে?
আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন ফায়সালা দিতে আমি শুনিনি। তবে আমি শীঘ্রই লোকদেরকে (সাহাবীগণকে) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব।
যুহরের সালাত আদায় করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাদী বা নানীর ব্যাপারে কোন ফায়সালা দিতে শুনেছে? তখন মুগীরা ইবন শু’বা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি শুনেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কী শুনেছো? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এক ষষ্ঠামাংশ দিয়েছেন।
তিনি (আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেনঃ তোমার সঙ্গে আর কে এ বিষয়টি শুনেছেন? মুহাম্মদ ইবন মাসলামা বললেনঃ তিনি সত্য বলেছেন। তখন আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে এক ষষ্ঠমাংশ প্রদান করলেন।এরপর তার মত অন্য এক দাদী বা নানী উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এল। তিনি তাকে বললেনঃ আমি তো জানি না। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন ফায়সালা দিতে আমি শুনিনি। তবে আমি শীঘ্রই লোকদেরকে (সাহাবীগণকে) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব। তখন তাকে মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ এবং মুহাম্মদ ইবনু মাসলামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র হাদীস শোনানো হলো। এরপর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যদি তোমাদের দু’জনের একজন হও, তবে সে এক ষষ্ঠামাংশ পাবে। আর যদি তোমাদের দু্জন (একাধিক জন) এতে একত্রিত হও তবে তা তোমাদের উভয়ের মাঝে বন্টিত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ
তাথরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৯, ১২০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩১; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৩ তে। সংযোজনী: এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৮৩। ((আবূ দাউদ ২৮৯৪; তিরমিযী ২১০০, ২১০১; ইবনু মাজাহ ২৭২৪; হাকিম ৪/৩৩৮; হাকিম ও যাহাবী একে বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। -ফাতহুল মান্নান, হা/৩১১৯। -অনুবাদক))
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالَا إِذَا كَانَتْ الْجَدَّاتُ سَوَاءً وَرِثَ ثَلَاثُ جَدَّاتٍ جَدَّتَا أَبِيهِ أُمُّ أُمِّهِ وَأُمُّ أَبِيهِ وَجَدَّةُ أُمِّهِ فَإِنْ كَانَتْ إِحَدَاهُنَّ أَقْرَبَ فَالسَّهْمُ لِذَوِي الْقُرْبَى
২৯৭৮. শা’বী (রহঃ) আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে বলেন, যদি দাদী/নানীগণ সকলেই সমস্তরের হয়, তখন তিন দাদী/নানী কে (মীরাছে) অংশ প্রদান করা হবে: পিতার দিকের দুই দাদী, তথা মৃতের মায়ের মা (মাতামহী) ও পিতার মা (পিতামহী) এবং তার মায়ের এক দাদী। তবে যদি তাদের মধ্য থেকে কোন একজন অধিকতর নিকটবর্তী হয়, তবে এদের মধ্যকার যাবিল কুরবা’ তথা নিকটাত্মীয়ের অংশও সে পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আছ ইবনু সিওয়ার এর দুর্বলতার কারণে।
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯০; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৯ নং ১১৩৪৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৪, ১০০, ১০১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২৩৬-২৩৭।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمَا كَانَا لَا يُوَرِّثَانِ الْجَدَّةَ أُمَّ الْأَبِ مَعَ الْأَبِ
২৯৭৯. শা’বী (রহঃ) আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে পিতার সাথে পিতামহী (দাদী) কে মীরাস দিতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আছ ইবনু সিওয়ার এর দুর্বলতার কারণে।
তাথরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّ عُثْمَانَ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْجَدَّةَ وَابْنُهَا حَيٌّ
২৯৮০. যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদীকে তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থা (নাতীর সম্পদের) মীরাছ দিতেন না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যুহুরী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৪ নং ১১৩৫৮।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ الْجَدَّاتِ لَيْسَ لَهُنَّ مِيرَاثٌ إِنَّمَا هِيَ طُعْمَةٌ أُطْعِمْنَهَا وَالْجَدَّاتُ أَقْرَبُهُنَّ وَأَبْعَدُهُنَّ سَوَاءٌ
২৯৮১. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী-নানীগণ মীরাছ পাবে না, তবে তাদেরকে যা দেওয়া হয়েছিল, তা তাদের পানাহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে তারা দুরবর্তী ও নিকটবর্তী উভয়েই সমান।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান: ১. আশ’আছ ইবনু সিওয়ার এর দুর্বলতা ২. সনদে বিচ্ছিন্নতা।
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২২৬। তবে অপর সনদে ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৬ নং ১১৩৩৭ এ বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদী-নানীগণকে মীরাছ দিতেন যদি তারা দশ জনও হতেন; আর তিনি বলতেন: আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে একভাগ দিয়েছিলেন, তা ছিল তাদের পানাহারের উদ্দেশ্যে। অপর একটি যঈফ সনদে আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৯১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৭ শেষাংশ বর্ণনা করেন।
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
২৯৮২. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী/নানী তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বিচ্ছিন্নতার কারণে সনদ যঈফ।
তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৮, ১০৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ যঈফ সনদে।