সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ قَالَ سَأَلْتُ الْحَسَنَ وَمُحَمَّدًا عَنْ الرَّجُلِ يُوصِي إِلَى الرَّجُلِ قَالَا نَخْتَارُ أَنْ يَقْبَلَ
৩২৮৩. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হাসান ও মুহাম্মদ (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করলো। তখন তারা উভয়ে বললেন: তাকে তা কবুল করা বা না করার স্বাধীনতা দেওয়া হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৯৯ নং ১০৯৫৭ ইবনু সীরীন হতে সহীহ সনদে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ فَإِذَا قَدِمَ فَإِنْ شَاءَ قَبِلَ فَإِذَا قَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرُدَّ
৩২৮৪. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর সে উপস্থিত হলে, তবে সে ইচ্ছে হলে কবুল করবে। আর যখন সে কবুল করবে, তখন আর তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ লাইয়্যেন (দুর্বল), মুহাম্মদ ইবনু আসআদ বা সাঈদ এর কারণে। তবে তিনি এ বর্ণনায় একাকী নন, বরং তার মুতাবিয়াত রয়েছে, ফলে একে হাসান স্তরে উন্নীত করে। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২১০ নং ১০৯৯৮ হাসান সনদে।
حَدَّثَنَا الْوَضَّاحُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ فَعُرِضَتْ عَلَيْهِ الْوَصِيَّةُ وَكَانَ غَائِبًا فَقَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ
৩২৮৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর (সে উপস্থিত হলে) যখন তার নিকট (মৃত্যব্যক্তির) ওয়াসীয়াত পেশ করা হয়, আর সে কবুল করে, তবে সে আর তা ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আল ওয়াযাহ ইবনু ইয়াহইয়ার স্মৃতি শক্তি দুর্বল (সু’য়ুল হিফজ)। তবে তার মুতাবিয়াত রয়েছে।
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ لِإِنْسَانٍ وَهُوَ غَائِبٌ وَكَانَ مَيِّتًا وَهُوَ لَا يَدْرِي فَهِيَ رَاجِعَةٌ
৩২৮৬. আবী মা’শার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি (অজানা) কারো জন্য ওয়াসীয়াত করে, যে অনুপস্থিত, সে যেন মৃতব্যক্তির মত অজ্ঞাত পরিচয়। ফলে তা ফিরিয়ে নেওয়া হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ:; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৬ নং ১০৭৮৯ সহীহ সনদে; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৬৮।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى لِعَبْدِهِ ثُلُثَ مَالِهِ رُبُعَ مَالِهِ خُمُسَ مَالِهِ فَهُوَ مِنْ مَالِهِ دَخَلَتْهُ عَتَاقَةٌ
৩২৮৭. ইউনূস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক তার দাসের জন্য তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ-এক চতুর্থাংশ-এক পঞ্চমাংশ ওয়াসীয়াত করে, তবে তা তার সম্পদ, যা তাকে মুক্তদাসের অন্তর্ভূক্ত করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
তবে দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৯ নং ১০৯১৮।
حَدَّثَنَا يَعْلَى عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ قَيْسٍ قَالَ كَانَ يُقَالُ إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحْرَمُ بَرَكَةَ مَالِهِ فِي حَيَاتِهِ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْمَوْتِ تَزَوَّدَ بِفَجْرَةٍ
৩২৮৮. কায়িস হতে বর্ণিত, বলা হতো যে, নিশ্চয় কোনো কোনো লোক তার জীবদ্দশায় তার মালকে (দান সদকা করা হতে বিরত থেকে) বরকত হতে বঞ্চিত করে, এরপর যখন মৃত্যু এসে যায়, তখন তার অক্ষমতার সময় তা দান করে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
((এর অর্থ: জীবদ্দশায় কৃপণতা করে দান করা হতে বিরত থাকে, কিন্তু মৃত্যুর সময় প্রচুর পরিমাণে দান করতে গিয়ে অপচয় করে ফেলে।–মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।–অনুবাদক))
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْمُرَّانِ الْإِمْسَاكُ فِي الْحَيَاةِ وَالتَّبْذِيرُ عِنْدَ الْمَوْتِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُقَالُ مُرٌّ فِي الْحَيَاةِ وَمُرٌّ عِنْدَ الْمَوْتِ
৩২৮৯. ইবরহীম আত তাইমী তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দু’টি তিক্ত/কষ্টদায়ক স্বভাব হলো: ১. জীবদ্দশায় (সম্পদকে ব্যবহার না করে) আটকে রাখা। ২. আর মৃত্যুকালে (শরঈ সীমালঙ্ঘন করে যথেচ্ছা দান সাদাকা করার মাধ্যমে) অপচয় করা।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, জীবদ্দশায় কষ্টদায়ক, মৃত্যুকালেও কষ্টদায়ক কাজ।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭১৮৫ তে।
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ لِآخَرَ بِمِثْلِ نَصِيبِ ابْنِهِ فَلَا يَتِمُّ لَهُ مِثْلُ نَصِيبِهِ حَتَّى يَنْقُصَ مِنْهُ
৩২৯০. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক অন্য কারো জন্য তার ছেলের প্রাপ্য অংশের সমপরিমাণ সম্পদ ওয়াসীয়াত করে, তবে তার অংশের সমপরিমাণ সম্পদের (ওয়াসীয়াত) পূর্ণরূপে প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না তা থেকে কমানো হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭০ নং ১০৮৪৪।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ كَانَ لَهُ ثَلَاثَةُ بَنِينَ فَأَوْصَى لِرَجُلٍ مِثْلَ نَصِيبِ أَحَدِهِمْ لَوْ كَانُوا أَرْبَعَةً قَالَ الشَّعْبِيُّ يُعْطَى الْخُمُسَ
৩২৯১. দাউদ ইবনু আবী হিন্দ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তির তিনটি ছেলে ছিল। এরপর সে ছেলেদের একজনের সমপরিমাণ সম্পদ কোনো এক লোকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো। যদি তারা চারজন হতো, (তবে সে কি পরিমাণ সম্পদ পেতো?)-এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাকে (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে) এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এশব্দে এটি অন্য কোথাও পাইনি। পরের আছারটিও দেখুন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ قَالَ سَأَلْنَا عَامِرًا عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ ابْنَيْنِ وَأَوْصَى بِمِثْلِ نَصِيبِ أَحَدِهِمْ لَوْ كَانُوا ثَلَاثَةً قَالَ أَوْصَى بِالرُّبُعِ
৩২৯২. দাউদ ইবনু আবী হিন্দ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তির দু’টি ছেলে রেখে মৃত্যুবরণ করলো এবং সে ছেলেদের একজনের সমপরিমাণ সম্পদ কোনো এক লোকের জন্য ওয়াসীয়াত করে গেলো। যদি তারা তিনজন হতো! এ সম্পর্কে আমির (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে তো এক চুতর্থাংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৬৮ নং ১০৮৩৮, ১০৮৩৯, ১০৮৪০; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৪৯।
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ فِي رَجُلٍ أَوْصَى بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ قَالَ لَا يَجُوزُ وَإِنْ كَانَ أَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ حَسَنٌ
৩২৯৩. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে, তার সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, এটি জায়িয (বৈধ) নয়, যদিও তা এক তৃতীয়াংশ অপেক্ষা কম হয়।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, তিনি হলেন হাসান।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৪৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭০ নং ১০৮৪৪।
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ أَبِي السَّفَرِ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ أَوْصَى فِي غَلَّةِ عَبْدِهِ بِدِرْهَمٍ وَغَلَّتُهُ سِتَّةٌ قَالَ لَهُ سُدُسُهُ
৩২৯৪. ইবনু আবী সাফার হতে বর্ণিত, কোন লোক তার দাসের ফসল বা আয় হতে এক দিরহাম ওয়াসীয়াত করলো, আর তার আয় ছিল ছয় দিরহাম। এ ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, সে তার আয়ের এক ষষ্ঠাংশ পাবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ يَقُولُ إِذَا أَقَرَّ لِوَارِثٍ وَلِغَيْرِ وَارِثٍ بِمِائَةِ دِرْهَمٍ أَرَى أَنْ أُبْطِلَهُمَا جَمِيعًا
৩২৯৫. কাবীসা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সুফিয়ান (রহঃ) কে বলতে শুনেছি, যদি কেউ ওয়ারিসের জন্য এবং ওয়ারিস ব্যতীত অন্য কারো জন্য একশত দিরহাম (ওয়াসীয়াতের) স্বীকৃতি দেয়, তবে তিনি বলেন, আমার মত হলো, আমি এ উভয়টিই বাতিল করে দেব।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সুফিয়ান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ لَا يَجُوزُ إِقْرَارٌ لِوَارِثٍ قَالَ وَقَالَ الْحَسَنُ أَحَقُّ مَا جَازَ عَلَيْهِ عِنْدَ مَوْتِهِ أَوَّلَ يَوْمٍ مِنْ أَيَّامِ الْآخِرَةِ وَآخِرَ يَوْمٍ مِنْ أَيَّامِ الدُّنْيَا
৩২৯৬. ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত, শুরাইহ বলেন, ওয়ারিসের জন্য (ওয়াসীয়াতের) ঘোষণা দেওয়া জায়িয (বৈধ) নয়। তিনি বলেন, হাসান (রহঃ) বলেন, মানুষের জন্য বৈধ (কথার) মধ্যে সর্বাধিক সঠিক (কথা) হলো তার মৃত্যুকালীন কথা (তথা ওয়াসীয়াত)। এটি আখিরাতের দিনগুলির মধ্যে সর্বপ্রথম দিন এবং দুনিয়ার দিনগুলির মধ্যে সর্বশেষ দিন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শুরাইহ পর্যন্ত সহীহ এবং হাসান পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: শুরাইহ’র কথাটি: বাইহাকী, ইকরার ৬/৮৫ সনদ যঈফ; ইবনু আবী শাইবা ৬/১৯৬ নং ৭৮৭, ৭৯১।
আর হাসানের বক্তব্যটি: বাইহাকী, ইকরার ৬/৮৫ বুখারীর বরাতে।
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ خَالِدٍ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ لَا يَجُوزُ لِوَارِثٍ وَصِيَّةٌ
৩২৯৭. আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, ওয়ারিসের জন্য ওয়াসীয়াত করা জায়িয নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حُمَيْدٍ أَنَّ رَجُلًا يُكْنَى أَبَا ثَابِتٍ أَقَرَّ لِامْرَأَتِهِ عِنْدَ مَوْتِهِ أَنَّ لَهَا عَلَيْهِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِرْهَمٍ مِنْ صَدَاقِهَا فَأَجَازَهُ الْحَسَنُ
৩২৯৮. হুমাইদ হতে বর্ণিত, আবু ছাবিত নামক এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় স্বীকৃতি দিল যে, তার স্ত্রী মোহরাণা বাবদ তার নিকট চারশত দিরহাম পাওনা রয়েছে। তখন হাসান তার স্বীকৃতিকে অনুমোদন করলেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হুমাইদ পর্যন্ত সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَارِجَةَ قَالَ كُنْتُ تَحْتَ نَاقَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ تَقْصَعُ بِجِرَّتِهَا وَلُعَابُهَا يَنُوصُ بَيْنَ كَتِفَيَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ أَلَا إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلَا يَجُوزُ وَصِيَّةٌ لِوَارِثٍ
৩২৯৯. ‘আমর ইবনে খারিজা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (আরোহী) উটের নিচে অবস্থান করছিলাম। আর সেসময় উটটি জাবর কাটছিল আর তার মুখের লালা আমার দু’কাঁধের মাঝখান দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছিল। এমতাবস্থায় আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: “আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক হকদারকে তার হক দিয়ে দিয়েছেন সুতরাং ওয়ারিসের জন্য ওয়াসীয়াত নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ২৫৬৪ নং এ। ((তিরমিযী, ওয়াসাইয়া ২১২১; নাসাঈ ৬/২৪৭; ইবনু মাজাহ ২/৯০৫ নং ২৭১২।
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمْ الْمَوْتُ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ فَأَمَرَ أَنْ يُوصِيَ لِوَالِدَيْهِ وَأَقَارِبِهِ ثُمَّ نُسِخَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي سُورَةِ النِّسَاءِ فَجَعَلَ لِلْوَالِدَيْنِ نَصِيبًا مَعْلُومًا وَأَلْحَقَ لِكُلِّ ذِي مِيرَاثٍ نَصِيبَهُ مِنْهُ وَلَيْسَتْ لَهُمْ وَصِيَّةٌ فَصَارَتْ الْوَصِيَّةُ لِمَنْ لَا يَرِثُ مِنْ قَرِيبٍ وَغَيْرِهِ
৩৩০০. হাম্মাম হতে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: “যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়, সে যদি সম্পদ রেখে যায়, তবে ন্যায়ানুগ প্রথামত তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান তোমাদের দেওয়া হলো।“ (সুরা বাকারা: ১৮০) (এ আয়াত সম্পর্কে) কাতাদা বলেন, উল্লিখিত আয়াতে পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত নির্ধারিত ছিল। পরে সুরা নিসার আয়াতের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে পিতা-মাতা উভয়ের জন্য অংশ নির্ধারিত হয়েছে। আর মীরাছের হকদারদেরও এতে অংশ নির্ধারিত রয়েছে। ফলে তাদের জন্য কোনো ওয়াসীয়াত নেই। ফলে যে ব্যক্তি ওয়ারিস নয়, কেবল এমন নিকট আত্মীয় ও অন্যদের জন্য এখন ওয়াসীয়াতের বিধান স্থির হয়ে গেল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ কাতাদা পর্যন্ত সহীহ। এটি কাতাদার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: আব্দ ইবনু হুমাইদ, বরাতে ইবনুল জাউযী, নাসিখুল কুরআন ওয়া মানসূখাহ-নাওয়াসিখুল কুরআন পৃ. ১৯৩ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত; দেখুন, তাফসীর তাবারী ২/১১৭।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ الْمَالُ لِلْوَلَدِ وَكَانَتْ الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ فَنَسَخَ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ مَا أَحَبَّ فَجَعَلَ لِلذَّكَرِ مِثْلَ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَجَعَلَ لِلْأَبَوَيْنِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسَ وَالثُّلُثَ وَجَعَلَ لِلْمَرْأَةِ الثُّمُنَ وَالرُّبُعَ وَلِلزَّوْجِ الشَّطْرَ وَالرُّبُعَ
৩৩০১. ইবনু ‘আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ারিস (উত্তরাধিকারী) হিসেবে সম্পদ পেতো সন্তান আর পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়ের জন্য ছিল ওয়াসীয়াত। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা তাঁর পছন্দ মত এ বিধান রহিত করে ছেলের অংশ মেয়ের দ্বিগুণ, পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠাংশ ও এক তৃতীয়াংশ, স্ত্রীর জন্য এক অষ্টমাংশ, এক চতুর্থাংশ এবং স্বামীর জন্য অর্ধেক, এক চতুর্থাংশ নির্ধারণ করেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ওয়াসাইয়া ২৭৪৭, তাফসীর ৪৫৭৮, ফারাইয ৬৭৩৯;বাইহাকী, ওয়াসাইয়া ৬/২৬৩।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ عَنْ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ عَنْ يَزِيدَ عَنْ عِكْرِمَةَ وَالْحَسَنِ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ وَكَانَتْ الْوَصِيَّةُ كَذَلِكَ حَتَّى نَسَخَتْهَا آيَةُ الْمِيرَاثِ
৩৩০২. ইকরিমাহ ও হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: “সে যদি সম্পদ রেখে যায়, তবে ন্যায়ানুগ প্রথামত তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান তোমাদের দেওয়া হলো।“ (সুরা বাকারা: ১৮০) (এ আয়াত সম্পর্কে) কাতাদা বলেন, উল্লিখিত আয়াতে এরূপ (পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য) ওয়াসীয়াত নির্ধারিত ছিল। পরবর্তীতে মীরাছের আয়াতের মাধ্যমে তা রহিত হলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: তাফসীর তাবারী ২/১১৯ তাবারীর শাইখ যঈফ। আগের টীকাটি দেখুন।