হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (3303)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ أَوْصَى وَلَهُ أَخٌ مُوسِرٌ أَيُوصِ لَهُ قَالَ نَعَمْ وَإِنْ كَانَ رَبَّ عِشْرِينَ أَلْفًا ثُمَّ قَالَ وَإِنْ كَانَ رَبَّ مِائَةِ أَلْفٍ فَإِنَّ غِنَاهُ لَا يَمْنَعُهُ الْحَقَّ




৩৩০৩. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তির একজন দরিদ্র ভাই ছিল, সে কি তার জন্য ওয়াসীয়াত করবে?- হাসান (রহঃ) কে এ কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, হাঁ। যদিও সে বিশ হাজার (দিরহাম) এর মালিক হয়, এমনকি যদিও সে এক লক্ষ (দিরহাম)এরও মালিক হয়, তবুও। কেননা, তার প্রাচুর্য্য তাকে তার হক থেকে বাধা দিবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭৮।









সুনান আদ-দারিমী (3304)


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فِي رَجُلٍ قَالَ سَيْفِي لِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فُلَانٌ فَلِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فُلَانٌ فَمَرْجِعُهُ إِلَيَّ قَالَا هُوَ لِلْأَوَّلِ قَالَ وَقَالَ حُمَيْدُ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يُمْضَى كَمَا قَالَ




৩৩০৪. কাতাদা হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বললো, আমার এ তরবারীটি আমি অমুককে দেব। এরপর সে লোকটি মৃত্যুবরণ করলে, এটি অমুককে দেব। এরপর সে লোকটিও মৃত্যুবরণ করলে তা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে।

এ লোক সম্পর্কে হাসান ও সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) উভয়ে বলেন, তা প্রথম ব্যক্তিই পাবে। তিনি বলেন, হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান বলেন, সে যেভাবে বলেছে, সেভাবেই চলতে থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা পৃথক পৃথকভাবে ১১/১৬০ নং ১০৮০৭, ১০৮০৮, ১০৮০৯ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3305)


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَنَّ عُرْوَةَ قَالَ فِي الرَّجُلِ يُعْطِي الرَّجُلَ الْعَطَاءَ فَيَقُولُ هُوَ لَكَ فَإِذَا مُتَّ فَلِفُلَانٍ فَإِذَا مَاتَ فُلَانٌ فَلِفُلَانٍ وَإِذَا مَاتَ فُلَانٌ فَمَرْجِعُهُ إِلَيَّ قَالَ يُمْضَى كَمَا قَالَ وَإِنْ كَانُوا مِائَةً




৩৩০৫. হিশাম ইবনু উরওয়া হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তি কোনো কিছু দান করে বললো, এটি তোমাকে দেব। এরপর তুমি মৃত্যুবরণ করলে এটি অমুককে দেব। এরপর সে মৃত্যু বরণ করলে অমুককে দেব, এরপর সে মৃত্যু বরণ করলে অমুককে দেব। এরপর সে লোকটিও মৃত্যুবরণ করলে তা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে।এ লোক সম্পর্কে উরওয়া (রহঃ) বলেন, সে যেভাবে বলেছে, সেভা্বেই চলতে থাকবে যদিও তারা একশত জনও হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৬১ নং ১০৮১০ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3306)


حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا شَيْبَةُ بْنُ هِشَامٍ الرَّاسِبِيُّ وَكَثِيرُ بْنُ مَعْدَانَ قَالَا سَأَلْنَا سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ الرَّجُلِ يُوصِي فِي غَيْرِ قَرَابَتِهِ فَقَالَ سَالِمٌ هِيَ حَيْثُ جَعَلَهَا قَالَ فَقُلْنَا إِنَّ الْحَسَنَ يَقُولُ يُرَدُّ عَلَى الْأَقْرَبِينَ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ وَقَالَ قَوْلًا شَدِيدًا




৩৩০৬. শাইবাহ ইবনু হিশাম রাসিবী ও কাছীর ইবনু মা’দান হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, আমরা সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) কে এমন লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার আত্মীয়-স্বজন ব্যতীত অপর ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করেছে। তখন সালিম বললেন, তা তার জন্যই হবে, যার জন্য সে ওয়াসীয়াত করেছে।তারা বলেন, আমরা তাকে বললাম, হাসান (রহঃ) তো বলেন যে, তা আত্মীয়-স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে হবে।[1] তখন তিনি তা অস্বীকার করলেন এবং কিছু কঠিন কথা বললেন।[2]

[1] হাসানের বক্তব্যটি বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা ১১/১৬৭ নং ১০৮৩৪।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এ শব্দে পূর্ণভাবে কোথাও পাইনি। ইবনু আবী শাইবা ১১/১৬৫ নং ১০৮২৭ কাতাদা হতে বর্ণনা করেছেন, তাকে এমন লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে তার আত্মীয়-স্বজন ব্যতীত অপর ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করেছে। তখন তিনি বললেন, সালিম, সুলাইমান ইবনু ইয়াসার, ও আতা (রহঃ) সকলেই বলেন, তা তার জন্যই হবে, যার জন্য সে ওয়াসীয়াত করেছে।

আমাদের কথা হলো, এ সালিম হলেন ইবনু আবীল জা’দ, তিনি সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ নন। কেননা, আমরা যতটা জানতে পেরেছি, আতা সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ হতে কিছু বর্ণনা করেননি। আল্লাহই ভাল জনেন।









সুনান আদ-দারিমী (3307)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ فِي قَرَابَتِهِ فَهُوَ لِأَقْرَبِهِمْ بِبَطْنٍ الذَّكَرُ وَالْأُنْثَى فِيهِ سَوَاءٌ




৩৩০৭. আমর হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক তার আত্মীয় স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করবে, তখন তা গোত্রীয়-উপগোত্রীয় নিকটাত্মীয়-স্বজনের জন্য হবে এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এতে সকলেই সমান অংশীদার হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে নং ৩২৬৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3308)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ قَالَ أَحَدُ غُلَامَيَّ حُرٌّ ثُمَّ مَاتَ وَلَمْ يُبَيِّنْ قَالَ الْوَرَثَةُ بِمَنْزِلَتِهِ يُعْتِقُونَ أَيَّهُمَا أَحَبُّوا




৩৩০৮. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি বললো, আমার দু’জন দাসের মধ্য থেকে কোনো একজনকে মুক্ত (করলাম)। এরপর সে মৃত্যু বরণ করলো, কিন্তু সে স্পষ্টভাবে বলে যায়নি (যে তার কোন্ দাস মুক্ত করলো)। এ সম্পর্কে শা’বী রাহি: বলেন, তার ওয়ারিসগণ তার স্থলাভিষিক্ত হবে, তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী দু’জনের একজনকে মুক্তি দেবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শা’বী পর্যন্ত হাসান, আবূ বাকর ইবনু আইয়্যাশের কারণে।

তাখরীজ: আমি এ বর্ণনা প্রসঙ্গ আর কোথাও পাইনি। তবে ইবনু আবী শাইবা ১১/২১৪ নং ১১০১৭ তে শা’বী হতে বর্ণনা করেন, ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি পিতার স্থলাভিষিক্ত।’









সুনান আদ-দারিমী (3309)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ رَجُلًا قَالَ فِي مَرَضِهِ لِفُلَانٍ كَذَا وَلِفُلَانٍ كَذَا وَعَبْدِي فُلَانٌ حُرٌّ وَلَمْ يَقُلْ إِنْ حَدَثَ بِي حَدَثٌ فَبَرَأَ قَالَ هُوَ مَمْلُوكٌ




৩৩০৯. ইউনূস হতে বর্ণিত, অসুস্থ অবস্থায় কোন এক লোক বললো, অমুকের জন্য এত এত, তমুকের জন্য এত এত এবং আমার অমুক দাস মুক্ত (তথা মুক্তি দেওয়া হলো)। তবে সে একথা উল্লেখ করেনি যে, যদি আমার মৃত্যু হয়, তবে সে মুক্ত। হাসান (রহঃ) বলেন, সে দাসই রয়ে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৩৭৫।









সুনান আদ-দারিমী (3310)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ أَعْتَقَ غُلَامَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَلَيْسَ لَهُ غَيْرُهُ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ قَالَ يَسْعَى لِلْغُرَمَاءِ فِي ثَمَنِهِ




৩৩১০. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি তার মৃত্যু নিকটবর্তী সময়ে তার একটি দাস মুক্ত করলো। আর তার কিছু ঋণ ছিল এবং তার এ দাস ব্যতীত আর কোনো সম্পদ ছিল না।এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, সে দাস ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদেরকে তার মুল্য (মুক্তিপণ) পরিশোধের জন্য কর্ম করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, আবূ বাকর ইবনু আইয়্যাশের কারণে।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪১৪, ৪১৬।









সুনান আদ-দারিমী (3311)


حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ رَجُلًا اشْتَرَى عَبْدًا بِتِسْعِ مِائَةِ دِرْهَمٍ فَأَعْتَقَهُ وَلَمْ يَقْضِ ثَمَنَ الْعَبْدِ وَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا فَقَالَ عَلِيٌّ يَسْعَى الْعَبْدُ فِي ثَمَنِهِ




৩৩১১. কাতাদা হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নয়শত দিরহাম দিয়ে একটি দাস ক্রয় করলো এরপর সে তাকে মুক্ত করলো। কিন্তু সে দাসের মুল্য পরিশোধ করেনি, আবার সে আর কোনো সম্পদও রেখে যায়নি।এ সম্পর্কে আলী রা. বলেন, সে দাস কর্ম করে তার মুল্য (মুক্তিপণ) পরিশোধ করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ আলী পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৬৭৬৬; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪১৫ সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (3312)


حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১২. নাফিঈ’ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘মুদাব্বার’ (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আশ’আস ইবনু সিওয়ারের দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ: বাইহাকী, মুদাব্বার ১০/৩১৪। এছাড়া, ইবনু মাজাহ, ইতক ২৫১৪; তাবারাণী, কাবীর ২/৩৬৫ নং ১৩৩৬৫; ইবনু আদী, আল কামিল ৫/১৮৩৩; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১১/৪৪৪ মারফু’ হিসেবে; ইবনু মাজাহ বলেন, ইবনু আবী শাইবা বলেন, আবূ যুরআহ বলেন… “এ হাদীস বাতিল।“









সুনান আদ-দারিমী (3313)


حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১২. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ‘মুদাব্বার’ (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৬৯; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৪ নং ১৯১১।









সুনান আদ-দারিমী (3314)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১৪. কাছীর হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৭৩; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৩ নং ১৯০৮।









সুনান আদ-দারিমী (3315)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُعْتَقَةُ عَنْ دُبُرٍ وَوَلَدُهَا مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১৫. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভ করার অঙ্গীকারাবদ্ধ দাসী ও তার সন্তান এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।









সুনান আদ-দারিমী (3316)


حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ مَنْصُورٌ أَخْبَرَنِي عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১৬. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে নং ৩৩০৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3317)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّقَرِيِّ وَأَبِي هَاشِمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ




৩৩১৭. আবূ হাশিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ‘মুদাব্বার’ (মালিকের মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ) দাস পুরো সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৭০ সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (3318)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ سُئِلَ أَبُو مُحَمَّد بِأَيِّهِمَا تَقُولُ قَالَ مِنْ الثُّلُثِ




৩৩১৮. আবূ বিশর (রহঃ) হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস পুরো সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)। তিনি বলেন, আবূ মুহাম্মদ কে জিজ্ঞাসা করা হলো, (ইবরাহীম হতে বর্ণিত) এ দু’মতের কোনটি আপনার মত? তিনি বললেন, (আমার মত হলো) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৭৪; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৫ নং ১৯১৫।









সুনান আদ-দারিমী (3319)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَشْهَدْ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى تُقْرَأَ عَلَيْكَ وَلَا تَشْهَدْ عَلَى مَنْ لَا تَعْرِفُ




৩৩১৯. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, তোমার নিকট তা পঠিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি কোনো ওয়াসীয়াতের সাক্ষী হয়োনা এবং আবার তোমার অপরিচিত কোনো ব্যক্তির পক্ষেও সাক্ষী হয়োনা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮২ নং ১৮০৯১।









সুনান আদ-দারিমী (3320)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَوْصَى لِأُمَّهَاتِ أَوْلَادِهِ بِأَرْبَعَةِ آلَافٍ أَرْبَعَةِ آلَافٍ لِكُلِّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ




৩৩২০. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর যে সকল দাসীদের গর্ভে তার সন্তান জন্ম লাভ করেছে, এমন প্রত্যেক দাসীর জন্য চার হাজার (দিরহাম) করে ওয়াসীয়াত করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে সনদটি বিচ্ছিন্ন, কেননা, হাসান উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শ্রবন করেননি।

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৮ ; ইবনু আবী শাইবা ১১/২১৫ নং ১১০২১; আব্দুর রাযযাক ১৬৪৫৮ সনদ মাজহুল।









সুনান আদ-দারিমী (3321)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنَّهُ أَجَازَ وَصِيَّةَ ابْنِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ سَنَةً




৩৩২১. ইবনু আবী যিনাদ তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তের বছরের কিশোরের ওয়াসীয়াতকে জায়িয (বৈধ) করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৮৪ নং ১০৮৯৮; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৬, ১৬৪১৯ সনদ সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (3322)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ أَوْصَى غُلَامٌ مِنْ الْحَيِّ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ فَقَالَ شُرَيْحٌ إِذَا أَصَابَ الْغُلَامُ فِي وَصِيَّتِهِ جَازَتْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُعْجِبُنِي وَالْقُضَاةُ لَا يُجِيزُونَ




৩৩২২. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গোত্রের সাত বছর বয়স্ক একজন বালক ওয়াসীয়াত করলে শুরাইহ (রহঃ) বললেন, যদি ছেলেটি সঠিক পন্থায় ওয়াসীয়াত করে, তবে তা জায়িয (বৈধ) হবে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, তিনি (শুরাইহ) আমাকে আনন্দিত করেছেন, কিন্তু কাযীগণ (বিচারকগণ) তা জায়িয মনে করেন না।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৫৮ নং ১০৯০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর ৪৩৪ ; আব্দুর রাযযাক ১৬৪১৪; ওয়াকী’, আখবারুল কুযাত ২/২৬৪, ৩১৫।