হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (3483)


حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِعَشْرِ آيَاتٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ




৩৪৮৩. কা’ব কুরাযী হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি দশটি আয়াত (রাতের সালাতে) পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের মধ্যে লিখা হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: হাকিম নং ২০৪২; কিন্তু যাহাবী বলেছেন এটি ওয়াহীন (ত্রুটিযুক্ত)। ইবনু আবী শাইবা ১০/৫০৮ নং ১০১৩৭। আগের ও পরের হাদীসগুলি দেখুন। আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা হতে ইবনু খুযাইমা নং ১১৪৩; হাকিম নং ২০৪১; ইবনুস সু্ন্নী, আমলুল ইয়াওমী ওয়াল লাইলাহ নং ৭০২। দেখুন, আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৬৫০ হতে ৩৬৫৮ পর্যন্ত। আর আব্দুল্লাহ ইবনু আমরের হাদীসটির আমরা পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৭২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৬২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3484)


حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِعَشْرِ آيَاتٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ




৩৪৮৪. মুগীরাহ ইবনু আব্দুল্লাহ আল জাদলী হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দশটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের (অমনোযোগীদের) মধ্যে লিখা হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুগীরাহ ইবনু আব্দুল্লাহ আল জাদলীর জীবনী আমি পাইনি। তবে কেবল মুসলিম, মুনফারিদাত ওয়াল ওয়াহদান নং ৩৭৩ তে তাকে সেই সকল ব্যক্তির মধ্যে উল্লেখ করেছেন, যাদের থেকে আবী ইসহাক সাবিঈ হাদীস বর্ণনা করেছেন। অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ৬৩ ও ইবনু মানসূর ১/২৯ নং ২৪ এর সনদে জাহালাত বা অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। আগের টি দেখুন। আর এর পরের হাদীসটিও এর শাহিদ হয়। বিস্তারিত সামনে আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (3485)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا فِطْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِخَمْسِينَ آيَةً لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ




৩৪৮৫. আবীল আহওয়াস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) পঞ্চাশটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের মধ্যে লিখা হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি আব্দুল্লাহর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উপর মাওকুফ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৫০৮ নং ১০১৩৭; তাবারাণী, কাবীর ৯/১৫৮ নং ১০১৩৫ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3486)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِسْطَامَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ وَفَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَا مَنْ قَرَأَ بِخَمْسِينَ آيَةً فِي لَيْلَةٍ كُتِبَ مِنْ الْحَافِظِينَ




৩৪৮৬. আল কাসিম আবূ আব্দুর রহমান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তামীম দারী ও ফুযালাহ ইবনু উবাইদ উভয়ে বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে পঞ্চাশটি আয়াত (সালাতে) পাঠ করবে, তাকে ‘হাফিজগণের মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ এটি বিচ্ছিন্নতার কারণে। কাসিম আবূ আব্দুর রহমান তামীম দারীর সাক্ষাত পাননি।

তাখরীজ: এর সনদ গত হয়েছে ‘দশ আয়াত পাঠের ফযীলতে’ নং ৩৪৭৯ তে। এটি সামনেও আসছে একশত আয়াত পাঠের ফযীলতে।









সুনান আদ-দারিমী (3487)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ يُحَنَّسَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ عَنْ سَالِمٍ أَخِي أُمِّ الدَّرْدَاءِ فِي اللَّهِ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ بِمِائَةِ آيَةٍ فِي لَيْلَةٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد مِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ مَكَانَ سَالِمٍ رَاشِدُ بْنُ سَعْدٍ




৩৪৮৭. আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) একশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের মধ্যে লিখা হবে না।“[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বর্ণনাকারী সালিম এর স্থলে রাশিদ ইবনু সা’দ এর নাম উল্লেখ করেছেন।[2]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ অত্যন্ত যঈফ, এটি মাওযূ বা বানোয়াট হওয়ার কাছাকাছি। মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম মিথ্যাবাদী।

তাখরীজ: এটি সামনে আসছে। দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৬৫৬।

[2] এটি এ সনদে ইবনু আবী শাইবা ১০/৫০৬ নং ১০১৩১ তে বর্ণনা করেছেন। আর উম্মু দারদা হতে তার কোনো বর্ণনা নেই। আল্লাহই ভাল জানেন।









সুনান আদ-দারিমী (3488)


حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৮৮. কা’ব কুরাযী হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে একশ’টি আয়াত (সালাতে) পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ‘দশ আয়াত পাঠের ফযীলতে’ নং ৩৪৮০ তে। এটি সামনেও আসছে।









সুনান আদ-দারিমী (3489)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِسْطَامَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ بِمِائَةِ آيَةٍ فِي لَيْلَةٍ كُتِبَ لَهُ قُنُوتُ لَيْلَةٍ




৩৪৮৯. তামীম দারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি রাতে একশ’টি আয়াত (সালাতে) পাঠ করবে, তাকে সেই রাতের অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান যদি সুলাইমান যদি কাছীর হতে শুনে থাকেন।

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১০৩; তাবারাণী, কাবীর ২/৫০ নং ১২৫২; ইবনুস সু্ন্নী, আমলুল ইয়াওমী ওয়াল লাইলাহ নং ৪৩৮ হাসান সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3490)


حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ قَالَ قَالَ كَعْبٌ مَنْ قَرَأَ مِائَةَ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৯০. আবী সালিহ হতে বর্ণিত, কা’ব কুরাযী বলেন, যে ব্যক্তি রাতে একশ’টি আয়াত (সালাতে) পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ এটি বিচ্ছিন্নতার কারণে। কা’ব হতে আবূ সালিহর কোন বর্ণনা আমরা জানতে পারিনি। আল্লাহই ভাল জানেন। ((তবে অপর একটি সহীহ সনদেও বর্ণিত। তাখরীজ দেখুন।– অনুবাদক))

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৫০৭ নং ১০১৩৩ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (3491)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِسْطَامَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ الْحَارِثِ عَنْ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ وَفَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَا مَنْ قَرَأَ بِمِائَةِ آيَةٍ فِي لَيْلَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৯১. আল কাসিম আবূ আব্দুর রহমান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তামীম দারী ও ফুযালাহ ইবনু উবাইদ উভয়ে বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে একশ’টি আয়াত (সালাতে) পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ এটি বিচ্ছিন্নতার কারণে। তবে হাদীসটি হাসান।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ‘দশ আয়াত পাঠের ফযীলতে’ নং ৩৪৭৮, ৩৪৭৯ তে। ‘পঞ্চাশ আয়াত পাঠের ফযীলতে’ নং ৩৪৮৩ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3492)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا فِطْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৯২. আবীল আহওয়াস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) একশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৫০৮ নং ১০১৩৫। এটি গত হয়েছে নং ৩৪৮২ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3493)


حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا حَرِيزُ بْنُ عُثْمَانَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ يَقُولُ مَنْ قَرَأَ بِمِائَةِ آيَةٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ




৩৪৯৩. হাবীব ইবনু উবাইদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) একশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের মধ্যে লিখা হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর উপর মাওকুফ।

তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ৮/২১১ নং ৭৭৪৮ মারফু’ হিসেবে যঈফ সনদে। সেখানে রয়েছে: একশ’টি’ এর পরিবর্তে দশটি আয়াত’ এর কথা।









সুনান আদ-দারিমী (3494)


حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا حَرِيزٌ عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ يَقُولُ مَنْ قَرَأَ مِائَتَيْ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৯৪. হাবীব ইবনু উবাইদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দুশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর উপর মাওকুফ।

তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ৮/২১১ নং ৭৭৪৮ দীর্ঘাকারে যার সনদ অত্যন্ত দুর্বল। আগের টীকাটিও দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (3495)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ يُحَنَّسَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ عَنْ سَالِمٍ أَخِي أُمِّ الدَّرْدَاءِ فِي اللَّهِ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ مِائَتَيْ آيَةٍ فِي لَيْلَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ




৩৪৯৫. আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দু’শটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম মিথ্যাবাদী। মুসা ইবনু উবাইদ যঈফ। (হাদীসটি জাল বা বানোয়াট পর্যায়ের-অনুবাদক।)

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩৪৮৪ নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (3496)


حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَدَلِيِّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ عَشْرَ آيَاتٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنْ الْغَافِلِينَ وَمَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ وَمَنْ قَرَأَ بِمِائَتَيْ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْفَائِزِينَ




৩৪৯৬. মুগীরাহ ইবনু আব্দুল্লাহ আল জাদলী হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দশটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে গাফিলদের (অমনোযোগীদের) মধ্যে লিখা হবে না। আর যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দু’শটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে সফলকামদের মধ্যে লিখা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুগীরাহ ইবনু আব্দুল্লাহ আল জাদলীর জীবনী আমি পাইনি। অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: এর প্রথম অংশটি নং ৩৪৮১ তে এবং পরবর্তী অংশ নং ৩৪৮৫ তে গত হয়েছে। বিস্তারিত সে হাদীস দু’টির টীকায় দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (3497)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ عَشْرَ آيَاتٍ كُتِبَ مِنْ الذَّاكِرِينَ وَمَنْ قَرَأَ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنْ الْقَانِتِينَ وَمَنْ قَرَأَ بِخَمْسِ مِائَةِ آيَةٍ إِلَى الْأَلْفِ أَصْبَحَ وَلَهُ قِنْطَارٌ مِنْ الْأَجْرِ قِيلَ وَمَا الْقِنْطَارُ قَالَ مِلْءُ مَسْكِ الثَّوْرِ ذَهَبًا




৩৪৯৭. আবী নাযরাহ হতে বর্ণিত, আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দশটি আয়াত পাঠ করবে, তাকে ‘যাকিরীন’দের (অধিক যিকিরকারীদের) মধ্যে লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) একশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) পাঁচশ’টি আয়াত পাঠ করবে, সে সকালে উঠবে অশেষ বিনিময়সহ। তাকে বলা হলো, ‘ক্বিনতার’ (অঢেল, অশেষ) কী জিনিস? তিনি বললেন, ‘ষাঁড়ের চামড়া ভর্তি সোনার সমপরিমাণ।’[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর উপর মাওকুফ। তবে এ উপমা নিজের পক্ষ থেকে আপন মত দ্বারা বলা যায় না। আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ: বাইহাকী, নিকাহ ৭/২৩৩ অতি সংক্ষিপ্তাকারে; তাবারাণী, আওসাত ৭৬৭৪ মারফু’ হিসেবে (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে), তবে এর সনদ যঈফ। আমরা সেটি তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়ােইদ নং ৩৬৫৭ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3498)


حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ مِائَةَ آيَةٍ لَمْ يُحَاجَّهُ الْقُرْآنُ تِلْكَ اللَّيْلَةَ وَمَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ مِائَتَيْ آيَةٍ كُتِبَ لَهُ قُنُوتُ لَيْلَةٍ وَمَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ خَمْسَ مِائَةِ آيَةٍ إِلَى الْأَلْفِ أَصْبَحَ وَلَهُ قِنْطَارٌ فِي الْآخِرَةِ قَالُوا وَمَا الْقِنْطَارُ قَالَ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا




৩৪৯৮. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) একশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তবে কুরআন ঐ রাতে তার বিরূদ্ধে বাদী হবে না। আর যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দু’শ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে পূর্ণ রাত ইবাদতকারীদের মধ্যে লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) পাঁচশ’ হতে এক হাজারটি আয়াত পাঠ করবে, সে সকালে এমন অবস্থায় ঘুম থেকে উঠবে যে, আখিরাতে ‘ক্বিনতার’ (অঢেল সম্পদ) তার প্রাপ্য হবে।“ তারা বললো, ‘ক্বিনতার’ (অঢেল সম্পদ) আবার কী? তিনি বললেন, বার হাজার পরিমাণ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ মুরসাল হওয়ার কারণে।

তাখরীজ: আর এটি তিবরিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ নং ২১৮৬ তে একে দারেমী’র প্রতি সম্বোন্ধিত করেছেন। দেখুন, তাবারী, তাফসীর ৩/২০০।









সুনান আদ-দারিমী (3499)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا فِطْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ ثَلَاثَ مِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ لَهُ قِنْطَارٌ وَمَنْ قَرَأَ سَبْعَ مِائَةِ آيَةٍ لَا أَدْرِي أَيَّ شَيْءٍ قَالَ فِيهَا أَبُو نُعَيْمٍ بِقَوْلِهِ




৩৪৯৯. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) তিনশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ‘ক্বিনতার’ (অশেষ) পরিমাণে বিনিময় লিখা হবে। আর যে ব্যক্তি (সালাতে) সাতশ’টি আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য কী (লিখা) হবে আমি জানি না। তিনি বলেন, এ সনদে আবূ নুয়াইম রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে বিভিন্ন শব্দে নং ৩৪৮২ ও ৩৪৮৯ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3500)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا حَرِيزٌ عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ يَقُولُ مَنْ قَرَأَ أَلْفَ آيَةٍ كُتِبَ لَهُ قِنْطَارٌ مِنْ الْأَجْرِ وَالْقِيرَاطُ مِنْ ذَلِكَ الْقِنْطَارِ لَا يَفِي بِهِ دُنْيَاكُمْ يَقُولُ لَا يَعْدِلُهُ دُنْيَاكُمْ




৩৫০০. হাবীব ইবনু উবাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবূ উমামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) এক হাজার আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ‘ক্বিনতার’ (অশেষ) পরিমাণ সাওয়াব লিখা হবে। ‘ক্বিরাত’ এসেছে এ ‘ক্বিনতার’ (অশেষ, অঢেল) থেকেই, যা তোমাদের পূরো দুনিয়া (’র সম্পদ) দিয়েও পরিশোধ করা যাবে না। তিনি বলেন, তোমাদের পুরো দুনিয়া (’র সম্পদ) ও তার সমতুল্য হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে নং ৩৪৯৭ তে এ শব্দে: ‘যে ব্যক্তি একশ’ আয়াত পাঠ করল, তাকে গাফিলদের মধ্যে লিখা হবে না।’ এবং ৩৪৯৮ তে যার শব্দাবলী: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) দু’শ’টি আয়াত পাঠ করবে, তাকে অনুগতদের (ইবাদতকারীদের) মধ্যে লিখা হবে।’









সুনান আদ-দারিমী (3501)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِسْطَامَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ وَفَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَا مَنْ قَرَأَ أَلْفَ آيَةٍ فِي لَيْلَةٍ كُتِبَ لَهُ قِنْطَارٌ وَالْقِيرَاطُ مِنْ الْقِنْطَارِ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَاكْتَنَزَ مِنْ الْأَجْرِ مَا شَاءَ اللَّهُ




৩৫০১. আল কাসিম আবূ আব্দুর রহমান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তামীম দারী ও ফুযালাহ ইবনু উবাইদ উভয়ে বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে (সালাতে) এক হাজার আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ‘ক্বিনতার’ (অশেষ) পরিমাণ সাওয়াব লিখা হবে। আর ‘ক্বিনতার’ (অশেষ, অঢেল)-এর মধ্যে থেকে ‘ক্বিরাত’ পরিমাণ সম্পদও তোমাদের এ পূরো দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুর চেয়ে উত্তম। আর সে আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী (তথা অপরিসীম বিনিময়) অর্জন করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ তবে হাদীসটি হাসান।

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে নং ৩৪৭৮, ৩৪৭৯, ৩৪৮৩ ও ৩৪৮৮ তে।

তাবারাণী, কাবীর ২/৫০, ৫১ নং ১২৫৩; আওসাত নং ৮৪৪৬ তে।









সুনান আদ-দারিমী (3502)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ يُحَنَّسَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ عَنْ سَالِمٍ أَخِي أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَرَأَ أَلْفَ آيَةٍ إِلَى خَمْسِ مِائَةٍ كُتِبَ لَهُ قِنْطَارٌ مِنْ الْأَجْرِ الْقِيرَاطُ مِنْهُ مِثْلُ التَّلِّ الْعَظِيمِ




৩৫০২. আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি (রাতের সালাতে) এক হাজার আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ‘ক্বিনতার’ (অশেষ) পরিমাণ সাওয়াব লিখা হবে। আর ‘ক্বিনতার’ (অশেষ, অঢেল)-এর মধ্যে থেকে ‘ক্বিরাত’ পরিমাণ সম্পদ একটি বিশাল পাহাড়ের সমপরিমাণ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম মিথ্যাবাদী। মুসা ইবনু উবাইদ যঈফ। (হাদীসটি জাল বা বানোয়াট পর্যায়ের-অনুবাদক।)

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩৪৮৪ যার শব্দ: একশ’ আয়াত পাঠ করবে’ এবং ৩৪৯২ নং এ যার শব্দ: দু’শ আয়াত পাঠ করবে’।