হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (401)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ حَسَّانَ، قَالَ: «مَا ازْدَادَ عَبْدٌ بِاللَّهِ عِلْمًا، إِلَّا ازْدَادَ النَّاسُ مِنْهُ قُرْبًا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪০১. আওযাঈ হাসসান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন বান্দার আল্লাহ সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, তখন আল্লাহর রহমতে লোকেরা ঐ ব্যক্তির নৈকট্য অর্জনে দ্রুত অগ্রসর হয়।[1]




[2]وَقَالَ فِي حَدِيثٍ آخَرَ: quot; مَا ازْدَادَ عَبْدٌ عِلْمًا: إِلَّا ازْدَادَ قَصْدًا، وَلَا قَلَّدَ اللَّهُ عَبْدًا قِلَادَةً خَيْرًا مِنْ سَكِينَةٍ



অপর হাদীসে তিনি বলেন: (আল্লাহর) কোনো বান্দা যখন তার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে নেয়, তখন সে (এর দ্বারা) তার হেদায়েতকেও সুসংহত করে নেয়। আর আল্লাহ কোনো বান্দাকে প্রশান্তি বা স্থিরতার চেয়ে উত্তম কোনো সম্পদে ভূষিত করেননি।[3]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/৭৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৫০৮।

[2] (মুহাক্কিক্ব এটি এবং পরের হাদীসটি- এ দু’টি হাদীসেরই নম্বর দিয়েছেন ৪০২ করে। আমরা এটির নম্বর দেয়া হতে বিরত রইলাম এবং পরেরটিকেই ৪০২ নং হিসেবে ঠিক রাখলাম- অনুবাদক)

[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদও পূর্বের হাদীসটির মতো সহীহ। এখানে ব্যতীত আমি এটি অন্যত্র পাইনি। পূর্বের টীকা এবং ইবনুল মুবারক, আয যুহদ ১৭৮; হিলইয়া, ৫/১২৩ দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (402)


أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ شُرَيْحٍ، يُحَدِّثُ: عَنْ عَمِيرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ: إِنَّ رَجُلًا قَالَ لِابْنِهِ: " اذْهَبْ فَاطْلُبِ الْعِلْمَ، فَخَرَجَ فَغَابَ عَنْهُ مَا غَابَ، ثُمَّ جَاءَ، فَحَدَّثَهُ بِأَحَادِيثَ، فَقَالَ لَهُ أَبُوهُ: يَا بُنَيَّ اذْهَبْ فَاطْلُبِ الْعِلْمَ، فَغَابَ عَنْهُ أَيْضًا زَمَانًا. ثُمَّ جَاءَ بِقَرَاطِيسَ فِيهَا من كُتُبٌ فَقَرَأَهَا عَلَيْهِ، فَقَالَ لَهُ: هَذَا سَوَادٌ فِي بَيَاضٍ، فَاذْهَبْ فاطْلبِ الْعِلْمَ، فَخَرَجَ فَغَابَ عَنْهُ مَا غَابَ، ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ لِأَبِيهِ: سَلْنِي عَمَّا بَدَا لَكَ، فَقَالَ لَهُ أَبُوهُ: أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّكَ مَرَرْتَ بِرَجُلٍ يَمْدَحُكَ، وَمَرَرْتَ بِآخَرَ يَعِيبُكَ؟ قَالَ: إِذًا لَمْ أَلُمِ الَّذِي يَعِيبُنِي، وَلَمْ أَحْمَدِ الَّذِي يَمْدَحُنِي. فَقَالَ: أَرَأَيْتَ لَوْ مَرَرْتَ بِصَفِيحَةٍ؟ " قَالَ أَبُو شُرَيْحٍ: لَا أَدْرِي أَمِنْ ذَهَبٍ أَوْ وَرِقٍ. فَقَالَ: " إِذًا لَمْ أُهَيِّجْهَا وَلَمْ أَقْرَبْهَا. فقالَ: اذْهَبْ فَقَدْ عَلِمْتَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪০২. আব্দুর রহমান্ ইবনু শুরাইহ, আমীরাহকে বলতে শুনেছেন: একটি লোক তার এক পুত্রকে বলছে: যাও, ইলম অন্বেষণ কর। অতঃপর সে বের হয়ে পড়ল, আর কিছুদিন সে তার থেকে অনুপস্থিত থাকল। অতঃপর (একদিন) সে তার পিতার নিকট এসে তাকে কিছু কথা শুনাল। তখন তার পিতা তাকে বলল: হে পুত্র! যাও এবং জ্ঞান অন্বেষণ কর। এরপর সে এক যুগ ধরে তার নিকট থেকে অনুপস্থিত থাকল। তারপর একদিন সে কিতাবের কিছু পৃষ্ঠা নিয়ে তার পিতার নিকট হাজির হল এবং সেগুলো তাকে পড়ে শুনালো। তখন সে তাকে বলল: এতো শূন্য সাদা পাতার উপর কিছু কালো রঙের দাগমাত্র। তুমি আবার যাও এবং জ্ঞান অন্বেষণ কর। তখন সে আবার বেরিয়ে পড়লো এবং তার নিকট হতে বেশ কিছুদিন অনুপস্থিত থাকল। তারপর সে ফিরে এসে তার পিতাকে বলল: আপনার যা মনে চায় আমাকে প্রশ্ন করুন। তখন তার পিতা তাকে বলল: (ধরো) তুমি এমন একটি লোকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলে যে তোমার প্রশংসা করল। আবার (অন্য সময়) তুমি অপর এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গমন করলে যে তোমার নিন্দা করল। এমতাবস্থায় (তোমার এদের সাথে কী আচরণ করা উচিত বলে) তুমি মনে কর? সে বলল: যে আমার নিন্দা করল, আমি তাকে দোষারোপ করবো না । আবার, যে আমার প্রশংসা করল আমি তারও প্রশংসা করব না। আবার সে বলল: (আবার) যদি তুমি কোনো (রাস্তায় পড়ে থাকা) পাতের পাশ দিয়ে গমন কর, তখন (তুমি কী করবে বলে) তুমি মনে কর? (বর্ণনাকারী আবু zwj;শুরাইহ বলেন: সেটি সোনার পাত নাকি রূপার পাত- তা আমি জানিনা।) তখন জবাবে সে বলল: সেটি আমাকে আকৃষ্ট করে না, ফলে আমি তার নিকটেও যাবো না। তখন সে (পিতা) তাকে বলল: যাও, এখন তুমি (প্রকৃতই) জ্ঞান অর্জন করেছো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ছাড়া এটি আমি আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (403)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، عَنِ السَّكَنِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ وَهْبَ بْنَ مُنَبِّهٍ، يَقُولُ: يَا بُنَيَّ عَلَيْكَ بِالْحِكْمَةِ، فَإِنَّ الْخَيْرَ فِي الْحِكْمَةِ كُلَّهُ: وَتُشَرِّفُ الصَّغِيرَ عَلَى الْكَبِيرِ، وَالْعَبْدَ عَلَى الْحُرِّ، وَتُزِيدُ السَّيِّدَ سُؤْدُدًا، وَتُجْلِسُ الْفَقِيرَ مَجَالِسَ الْمُلُوكِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف بقية مدلس تدليس تسوية ولم يصرح بالتحديث إلى نهاية الإسناد




৪০৩. সাকান ইবনু উমাইর বলেন, আমি ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহকে বলতে শুনেছি: হে পুত্র! তোমার উপর অপরিহার্য হলো ‘হিকমাহ’ অবলম্বন করা। আর হিকমাতের মধ্যেই রয়েছে পরিপূর্ণ কল্যাণ। (আর হিকমাহ হলো এই যে): তুমি বড়দের উপরে ছোটদেরকে এবং স্বাধীন লোকদের উপর দাসদেরকে মর্যাদা দান করবে। আর তুমি মর্যাদাবান ব্যক্তির মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং রাজার আসনে ফকীরকে বসাবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: দেখুন, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৫-৬২৬।









সুনান আদ-দারিমী (404)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بَقِيَّهُ، سَمِعْتُ عُتْبَةَ بْنَ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «وَمَا نَحْنُ لَوْلَا كَلِمَاتُ الْعُلَمَاءِ؟

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف بسبب الانقطاع فإن عتبة لم يدرك أبا الدرداء




৪০৪. উতবাহ ইবনু আবী হাকীম, আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জ্ঞানী ব্যক্তিদের বাণী বা উক্তি না থাকলে আমাদের যে কী হতো![1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ‘ইনকিত্বা’র কারণে এর সনদ যঈফ। কেননা, উতবাহ আবু দারদা’র সাক্ষাৎ পাননি। (তবে খতীবের সনদ সহীহ। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ১৪১ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (405)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: قَالَ أَبُو قِلَابَةَ لَا تُجَالِسُوا أَهْلَ الْأَهْوَاءِ وَلَا تُجَادِلُوهُمْ، فَإِنِّي لَا آمَنُ أَنْ يَغْمِسُوكُمْ فِي ضَلَالَتِهِمْ، أَوْ يَلْبِسُوا عَلَيْكُمْ مَا كُنْتُمْ تَعْرِفُونَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪০৫. আবু ক্বিলাবাহ বলেন: তোমরা প্রবৃত্তির অনুসারীদের নিকট বসবে না এবং তাদের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হবে না। কেননা, আমি এ ব্যাপারে আশংকামুক্ত নই যে, তারা তোমাদেরকে তাদের বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত করবে না। কিংবা তোমাদের চেনা-জানা বিষয়গুলিকেও তারা তোমাদের নিকট সন্দেহপূর্ণ করে তুলবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৬৩,৩৬৪,৬১০; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/১৩৪; লালিকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২৪৩, ২৪৪; ইবনু ওয়াদা’, আল বিদআ’ নং ১৩২; আজুরী, আশ শরীয়া’হ পৃ: ৬৭; বাইহাকী, ইতিকাদ ও হিদয়াহ, পৃ: ১৫৮।









সুনান আদ-দারিমী (406)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: رَآنِي سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ، جَلَسْتُ إِلَى طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ فَقَالَ لِي: أَلَمْ أَرَكَ جَلَسْتَ إِلَى طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ؟ لَا تُجَالِسَنَّهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪০৬. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনু যুবাইর আমাকে তাল্ক ইবন হাবীবের নিকট বসতে দেখলেন। তারপর তিনি আমাকে বললেন: আমি কি তোমাকে তাল্ক ইবনু হাবীবের নিকট বসতে দেখিনি? তুমি কখনোই তার নিকট বসো না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু ওয়াদাহ’, আল বিদ’আ’ নং ১৪৫; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৪১৩।









সুনান আদ-দারিমী (407)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، أَنبَأَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، حَدَّثَنِي أَبُو صَخْرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ: إِنَّ فُلَانًا يَقْرَأُ عَلَيْكَ السَّلَامَ. قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّهُ قَدْ أَحْدَثَ، فَإِنْ كَانَ قَدْ أَحْدَثَ، فَلَا تَقْرَأْ عَلَيْهِ السَّلَامَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪০৭. নাফি’ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বললো, অমুক আপনার প্রতি সালাম জানিয়েছেন। তখন তিনি বলেন: আমার নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, সে নতুন বিষয় (বিদ’আত/মুহদাছ) উদ্ভাবন করেছে। ফলে যদি সে বিদ’আত সৃষ্টি করে, তবে তুমি তাকে আমার সালাম জানাবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ব্যতীত এটি আমি আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (408)


أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَغْرَاءَ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، قَالَ: كَانَ إِبْرَاهِيمُ لَا يَرَى غِيبَةً لِلْمُبْتَدِعِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات وهذا إسناده صحيح




৪০৮. আমা’শ বর্ণনা করেন, ইবরাহীম (আন্ নাখঈ) বিদ’আত সৃষ্টিকারীর গীবত (দোষ বর্ণনা) করাকে গীবত বলে মনে করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। কিন্তু, আ’মাশ হতে আব্দুর রহমানের বর্ণিত হাদীসের ব্যাপারে সমালোচনা (কালাম) রয়েছে। (তবে অপর একটি সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাখরীজ দ্রষ্টব্য-অনুবাদক)

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহু উসূলুল ই’তিকাদ নং ২২৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৩২০ সহীহ সনদে; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী ৪১৬ নং হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (409)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: إِنَّمَا سُمِّيَ الْهَوَى لِأَنَّهُ يَهْوِي بِصَاحِبِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد




৪০৯. ইবনু শাবরামাহ শা’বী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‘প্রবৃত্তি (কামনা-বাসনা) কে প্রবৃত্তি নামে নামকরণ করা হয়েছে এজন যে, এর অনুসারী (প্রবৃত্তির অনুসারী) একে কামনা করে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ; কেননা, মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যঈফ।

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২২৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৩২০ সহীহ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (410)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ قَالَ: كَانَ مُسْلِمُ بْنُ يَسَارٍ يَقُولُ: إِيَّاكُمْ وَالْمِرَاءَ، فَإِنَّهَا سَاعَةُ جَهْلِ الْعَالِمِ، وَبِهَا يَبْتَغِي الشَّيْطَانُ زَلَّتَهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১০. মুহাম্মদ ইবনু ওয়াসি বলেন: মুসলিম ইবনু ইয়াসার বলতেন: তোমরা অবশ্যই ঝগড়া-বিতর্ক থেকে সাবধান থাকবে। কেননা, তা হলো একজন আলিমের অজ্ঞতার মুহুর্ত এবং এ মুহুর্তে শয়তান এর দ্বারা তার পদস্খলন বা বিভ্রান্তি সুযোগ খোঁজে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আজুরী, আশ শরীয়াহ, পৃ: ৬১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২৯৪; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৫৪৭, ৫৪৮।









সুনান আদ-দারিমী (411)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: دَخَلَ رَجُلَانِ مِنْ أَصْحَابِ الْأَهْوَاءِ عَلَى ابْنِ سِيرِينَ فَقَالَا: يَا أَبَا بَكْرٍ نُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ؟ قَالَ: «لَا»، قَالَا: فَنَقْرَأُ عَلَيْكَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ؟ قَالَ: «لَا، لِتَقُومَانِ عَنِّي أَوْ لَأَقُومَنَّ»، قَالَ: فَخَرَجَا، فَقَالَ: بَعْضُ الْقَوْمِ. يَا أَبَا بَكْرٍ، وَمَا كَانَ عَلَيْكَ أَنْ يَقْرَآ عَلَيْكَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى؟ قَالَ: «إِنِّي خَشِيتُ أَنْ يَقْرَآ عَلَيَّ آيَةً فَيُحَرِّفَانِهَا، فَيَقِرُّ ذَلِكَ فِي قَلْبِي

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১১. আসমা বিন উবাইদ বলেন: ইবনু সীরীন এর নিকট প্রবৃত্তির অনুসারীদের মধ্যকার দু’জন লোক প্রবেশ করে ইবনু সীরীনকে বলল: হে আবু বাকর! আমরা কি আপনাকে একটি হাদীস শোনাবো? তিনি বললেন: না। তখন তারা দু’জন বলল: তাহলে আমরা আপনাকে আল্লাহর কিতাব কুরআন থেকে একটি আয়াত পাঠ করে শোনাই? তিনি আবারও বললেন: না। হয় তোমরা আমার নিকট থেকে উঠে যাও, তা নাহলে আমি উঠব।

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন তারা দু’জন বের হয়ে গেলো। এরপর লোকদের কেউ তাকে বললো: হে আবু বাকর! আপনার কী হলো যে, তারা আপনার নিকট আল্লাহ তা’আলার কিতাবের একটি আয়াত পাঠ করতে চাইলো, (তবুও আপনি তা শুনতে অস্বীকার করলেন)? তিনি বললেন: আমি আশংকা করলাম যে, তারা আমার নিকট একটি আয়াত তিলাওয়াত করবে অতঃপর তার বিকৃত (মনগড়া) ব্যাখ্যা করবে, আর তা আমার অন্তরে স্থায়ীভাবে বসে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৯৮; লালকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২৪২; আজুরী, আশ শরীয়া’হ পৃ: ৬২। আবার ইবনু ওযাদাহ, আল বিদ’আ নং ১৫০ অপর একটি যঈফ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (412)


أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ، عَنْ سَلَّامِ بْنِ أَبِي مُطِيعٍ، أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، قَالَ: لِأَيُّوبَ، يَا أَبَا بَكْرٍ، أَسْأَلُكَ عَنْ كَلِمَةٍ؟ قَالَ: «فَوَلَّى، وَهُوَ يُشِيرُ بِأُصْبُعِهِ وَلَا نِصْفَ كَلِمَةٍ» وَأَشَارَ لَنَا سَعِيدٌ بِخِنْصِرِهِ الْيُمْنَى

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১২. সালাম ইবনু আবী মুতী’ হতে বর্ণিত, প্রবৃত্তির অনুসারীদের এক ব্যক্তি আইয়্যুব (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলো: হে আবু বাকর! আমি কি আপনাকে একটি কথা জিজ্ঞেস করতে পারি? বর্ণনাকারী বলেন: তখন তিনি উঠে চলে যেতে লাগলেন এবং তিনি তার আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে বললেন: আধখানা কথাও নয়।’ এবং (পরবর্তী রাবী) সাঈদ আমাদের দিকে তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে দেখালেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৪০২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/৯; লালকাঈ, শারহু উসুলুল ইতিকাদ নং ২৯১।









সুনান আদ-দারিমী (413)


أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُلْثُومِ بْنِ جَبْرٍ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، عَنْ شَيْءٍ فَلَمْ يُجِبْهُ، فَقِيلَ لَهُ، فَقَالَ أَزِيشَانْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১৩. কুলছুম ইবনু জাবর হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ)-কে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তার জবাব দিলেন না। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন: এরা তাদের (প্রবৃত্তির অনুসারীদের[1]) অন্তর্ভুক্ত।[2]

[1] এখানে মুল শব্দটি ‘আযাইয়ান’ যা একটি ফার্সী শব্দ যার অর্থ: ‘তাদের অন্তর্ভুক্ত’, মানে প্রবৃত্তির অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত- zwj;মুহাক্কিক্ব।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (414)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا فُضَيْلٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: لَا تُجَالِسُوا أَصْحَابَ الْخُصُومَاتِ، فَإِنَّهُمُ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِ اللَّهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف الليث هو: ابن أبي سليم




৪১৪. আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনু আলী থেকে বর্ণিত,nbsp; তিনি বলেন: তোমরা ঝগড়া-বিতর্ককারী লোকদের নিকট বসো না। কেননা, তারা হলো এমন লোক যারা আল্লাহর আয়াত সম্বন্ধে উপহাসমূলক কথা বলে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা লাইছ যঈফ রাবী।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল্ ইবানাহ নং ৫৪৩, অপর সনদে ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৫৩, ৪০৫, ৮০৮।









সুনান আদ-দারিমী (415)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ وَابْنِ سِيرِينَ: أَنَّهُمَا قَالَا: لَا تُجَالِسُوا أَصْحَابَ الْأَهْوَاءِ، وَلَا تُجَادِلُوهُمْ، وَلَا تَسْمَعُوا مِنْهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১৫. হিশাম হাসান ও ইবনু সীরীন হতে বর্ণনা করেন: তারা উভয়ে বলতেন: তোমরা প্রবৃত্তির অনুসারীদের নিকট বসবে না এবং তাদের সাথে ঝগড়া-বিতর্কে লিপ্ত হবে না এবং তাদের নিকট থেকে কিছু শুনবেও না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৯৫, ৪৫৮; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৮০৩; লালিকাঈ, শারহু উছুলুল ই’তিকাদ নং ২৪০ ইবনু সীরীন ছাড়াই।









সুনান আদ-দারিমী (416)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أُمَيٍّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: إِنَّمَا سُمُّوا أَصْحَابَ الْأَهْوَاءِ، لِأَنَّهُمْ يَهْوُونَ فِي النَّارِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل شريك




৪১৬. উমাইয়ী বর্ণনা করেন, শা’বী বলেন: প্রবৃত্তির (পছন্দ-ভাললাগা’র) অনুসারীদেরকে এ নামে নামকরণ করার কারণ তারা জাহান্নামে পতিত হতে পছন্দ করে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, শারীক এর কারণে।

তাখরীজ: লালকাঈ, শারহু উসুলুল ইতিকাদ নং ২২৯ সহীহ সনদে; পূর্ণ তাখরীজের জন্য ৪০৯ নং দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (417)


أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ مَيْسَرَةَ، قَالَ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ، الشَّرِيفُ، وَالْوَضِيعُ، عِنْدَهُ سَوَاءٌ، غَيْرَ طَاوُسٍ، وَهُوَ يَحْلِفُ عَلَيْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৪১৭. সুফিয়ান ইবনু মায়সারাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাউসকে ব্যতীত আর কোনো লোককে দেখিনি, যার নিকট ইতর-ভদ্র সকলেই সমান। আর এর (কথার) উপর তিনি কসম করেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/১৬ ।









সুনান আদ-দারিমী (418)


أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: كُنَّا نَكْرَهُ كِتَابَةَ الْعِلْمِ، حَتَّى أَكْرَهَنَا عَلَيْهِ السُّلْطَانُ، فَكَرِهْنَا أَنْ نَمْنَعَهُ أَحَدًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১৮. সুফিয়ান বর্ণনা করেন, যুহরী বলেন: “আমরা ইলম লিখে রাখাকে অপছন্দ করতাম, কিন্তু যখন সুলতান আমাদেরকে তা করতে বাধ্য করল, তখন থেকে আমরা কাউকে তা (ইলম লিখে রাখা) থেকে নিষেধ করাকেই বরং অপছন্দ করতে লাগলাম।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০৯৬; আব্দুর রাযযাক ১১/২৫৮ নং ২০৪৮৬; খতীব, তাকয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৭; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/৩৮৮-৩৮৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪৩৯, ৪৪৩; আরও দেখুন, ফাসাওয়ী, আল মারিফাহ ১/৬৩৩।









সুনান আদ-দারিমী (419)


أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، قَالَ: كَلَّمُوا مُحَمَّدًا، فِي رَجُلٍ - يَعْنِي: يُحَدِّثُهُ - فَقَالَ: لَوْ كَانَ رَجُلًا مِنَ الزِّنْجِ، لَكَانَ عِنْدِي وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ فِي هَذَا سَوَاءً

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪১৯. ইবনু আউন বলেন: তারা মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন)-এর নিকট কোনো এক ব্যক্তি সম্পর্কে সমালোচনা করলেন তথা সে তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছিল। তখন তিনি বললেন: যদি সে কোনো কালো মানুষ (নিগ্রো)ও হতো, তবুও সে এবং মুহাম্মদের (তথা নিজের) ছেলেnbsp; আব্দুল্লাহ এ (হাদীস বর্ণনার) বিষয়ে আমার নিকট সমান হতো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক।)









সুনান আদ-দারিমী (420)


أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ رَاشِدٍ، قَالَ: سَأَلَ سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ طاووسًا، عَنْ مَسْأَلَةٍ فَلَمْ يُجِبْهُ، فَقِيلَ لَهُ: هَذَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ قَالَ: ذَلِكَ أَهْوَنُ لَهُ عَلَيَّ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৪২০. সালত ইবনু রাশিদ থেকে বর্ণিত, সালম্ ইবনু কুতাইবা একদা তাউসকে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু তিনি তার জবাব দিলেন না। তখন তাকে বলা হলো, ইনি সালম্ ইবনু কুতাইবা। তখন তিনি বললেন: তার ক্ষেত্রে এ কাজ করা আমার জন্য অধিকতর সহজ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আমি এ ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।