হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (521)


أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ عَنْ أَبِيهِ حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ بِحَدِيثٍ فَقُلْتُ أَكْتُبُهُ عَنْكَ قَالَ فَرَخَّصَ لِي وَلَمْ يَكَدْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح




৫২১. হারুন ইবনু আনতারাহ তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তারপর আমি বললাম: আমি আপনার থেকে এ হাদীসটি কি লিখে নিতে পারি? তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, এরপর তিনি আমাকে (লিপিবদ্ধ করার) অনুমতি দিলেন এবং তিনি আমাকে (লিপিবদ্ধ করা হতে) বাধা দিলেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৫ নং ৬৫০৩; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৯ যার শব্দাবলী: “ইবনু আব্বাস হতে তিনি তাকে লিপিবদ্ধ করার অনুমতি দিলেন।“









সুনান আদ-দারিমী (522)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ شَابُورٍ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي السَّائِبِ عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ أَنَّهُ حَدَّثَهُ قَالَ كَتَبَ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ إِلَى عَامِلِهِ أَنْ يَسْأَلَنِي عَنْ حَدِيثٍ قَالَ رَجَاءٌ فَكُنْتُ قَدْ نَسِيتُهُ لَوْلَا أَنَّهُ كَانَ عِنْدِي مَكْتُوبًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫২২. রাজা’আ ইবনু হাইওয়াত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হিশাম ইবনু আব্দুল মালিক আমাকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য তার কর্মচারীর নিকট লিখে পাঠালেন। রাজা’আ বলেন, আমার নিকট সেটি লিখিত না থাকলে তো আমি সেটি ভুলেই যেতাম।[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু যুরআহ, তারীখ নং ৭৯৩; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ১০৮।









সুনান আদ-দারিমী (523)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ قَالَ كَانَ يُسْأَلُ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ وَيُكْتَبُ مَا يُجِيبَ فِيهِ بَيْنَ يَدَيْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৫২৩. হিশাম ইবনুল গায বলেন যে, তিনি আতা ইবনু আবু রাবাহ’কে প্রশ্ন করতেন এবং তিনি উত্তরে যা বলতেন, সে তাঁর সামনেই সেগুলি লিখে নিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আমি এ স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (524)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ شَابُورٍ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي السَّائِبِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى أَنَّهُ رَأَى نَافِعًا مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ يُمْلِي عِلْمَهُ وَيُكْتَبُ بَيْنَ يَدَيْهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫২৪. সুলাইমান ইবনু মূসা থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনু উমারের মুক্ত দাস নাফি’কে দেখেছেন, তিনি তার ইলমকে (লিপিবদ্ধ করার) অনুমতি দিচ্ছেনnbsp; আর তিনি তার সম্মুখেই লিপিবদ্ধ করছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ৭৯২।









সুনান আদ-দারিমী (525)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ كَانَ سُفْيَانُ يَكْتُبُ الْحَدِيثَ بِاللَّيْلِ فِي الْحَائِطِ فَإِذَا أَصْبَحَ نَسَخَهُ ثُمَّ حَكَّهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫২৫. আল-মুবারক ইবনু সা’ঈদ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান রাতের বেলায় দেয়ালে হাদীস লিখে রাখতেন। আর যখন সকাল হতো, তখন তিনি সেটির অনুলিপি বানিয়ে নিতেন এবং (দেয়াল হতে) সেটি ঘষে তুলে ফেলতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি অন্যত্র পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (526)


أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنَا أَبُو غِفَارٍ الْمُثَنَّى بْنُ سَعْدٍ الطَّائِيُّ حَدَّثَنِي عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ [ ص: 140 ] حَدَّثَنِي فُلَانٌ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَرَفَهُ عُمَرُ قُلْتُ حَدَّثَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْحَيَاءَ وَالْعَفَافَ وَالْعِيَّ عِيَّ اللِّسَانِ لَا عِيَّ الْقَلْبِ وَالْفِقْهَ مِنْ الْإِيمَانِ وَهُنَّ مِمَّا يَزِدْنَ فِي الْآخِرَةِ وَيُنْقِصْنَ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا يَزِدْنَ فِي الْآخِرَةِ أَكْثَرُ وَإِنَّ الْبَذَاءَ وَالْجَفَاءَ وَالشُّحَّ مِنْ النِّفَاقِ وَهُنَّ مِمَّا يَزِدْنَ فِي الدُّنْيَا وَيُنْقِصْنَ فِي الْآخِرَةِ وَمَا يُنْقِصْنَ فِي الْآخِرَةِ أَكْثَرُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫২৬. আউন ইবনু আব্দুল্লাহ বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহি.-কে বললাম: আমাকে অমুক ব্যক্তি অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এক সাহাবী হাদীস বর্ণনা করেছেন। ফলে তিনি তাঁকে চিনতে পারলেন। আমি বললাম: তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয় লজ্জা, পবিত্রতা/সংযম ও অক্ষমতা- ক্বলবের (অন্তরের) অক্ষমতা নয়, জবানের অক্ষমতা- এবং বুদ্ধিমত্তা (ফিকহ) ঈমানের অঙ্গ। এগুলো আখিরাত (এর নেয়ামত)-কে বৃদ্ধি করবে আর দুনিয়া (-এর ভোগ-সামগ্রী)-কে কমিয়ে দেবে। তবে আখিরাত (এর নেয়ামত) বৃদ্ধি পাওয়াই হলো সর্বাধিক (বৃদ্ধি)। অপরদিকে অশ্লীলতা, কঠোরতা ও কৃপণতা (বা লোভ) নিফাক (মুনাফিকী’) হতে (উদ্ভূত)। আর এগুলো দুনিয়া (-এর ভোগ-সামগ্রী)-কে বাড়িয়ে দেবে এবং আখিরাত (এর নেয়ামত)-কে কমিয়ে দেবে। আর যা আখিরাতকে কমিয়ে দেয়, সেটাই হলো সর্বাধিক (কমতি)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: একই সনদে অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে অন্য সনদে বর্ণনা করেছেন তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/২৯ নং ৬৩; বুখারী, আল কাবীর ২/৮৮ ও ৭/১৮১; ফাসাওয়ী, মা’রেফাত ওয়াত তারীখ ১/৩১১; বাইহাকী, শাহাদাত ১০/১৯৪; আবু নুআইম, হিলইয়া ৩/১২৫; ইবনু আবিদ দুনিয়া, মাকারিমুল আখলাক্ব নং ৮৭- যঈফ সনদে। ইবনু আবী শাইবা ১৪/২১ নং ১৭৪২৩ অপর একটি যঈফ সনদে।









সুনান আদ-দারিমী (527)


أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ قَالَ أَبُو قِلَابَةَ خَرَجَ عَلَيْنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ وَمَعَهُ قِرْطَاسٌ ثُمَّ خَرَجَ عَلَيْنَا لِصَلَاةِ الْعَصْرِ وَهُوَ مَعَهُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا هَذَا الْكِتَابُ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَدَّثَنِي بِهِ عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فَأَعْجَبَنِي فَكَتَبْتُهُ فَإِذَا فِيهِ هَذَا الْحَدِيثُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫২৭. আবু কিলাবাহ বলেন, উমার ইবনু আব্দুল আযীয যখন zwj;যুহরের সালাত আদায় করার জন্য আমাদের নিকট আসলেন, তখন তার সাথে ছিল একটি কাগজ। আবার যখন তিনি আসরের সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে আমাদের নিকট এলেন, তখনও সেই কাগজটি তার সাথেই ছিল। তখন আমি তাকে বললাম: হে আমীরুল মু’মিনীন! এ লেখা কাগজটি কিসের? তিনি বললেন: এটি একটি হাদীস যা আউন ইবনু আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছিলেন এবং সেটি আমাকে মুগ্ধ/আনন্দিত করেছিল ফলে আমি সেটি লিখে নিয়েছিলাম। মূলত এখানে সেই হাদীসটিই রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি এটি পাইনি। পূর্বের হাদীসের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (528)


أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا مَسْعُودٌ عَنْ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ عَنْ شُرَحْبِيلَ أَبِي سَعْدٍ قَالَ دَعَا الْحَسَنُ بَنِيهِ وَبَنِي أَخِيهِ فَقَالَ يَا بَنِيَّ وَبَنِي أَخِي إِنَّكُمْ صِغَارُ قَوْمٍ يُوشِكُ أَنْ تَكُونُوا كِبَارَ آخَرِينَ فَتَعَلَّمُوا الْعِلْمَ فَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ أَنْ يَرْوِيَهُ أَوْ قَالَ يَحْفَظَهُ فَلْيَكْتُبْهُ وَلْيَضَعْهُ فِي بَيْتِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف شرحبيل بن سعد




৫২৮. সুরাহবীল ইবনু সা’দ[1] বলেন: হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার ছেলেকে এবং তার ভাতিজাকে ডেকে বললেন: হে প্রিয় ছেলে এবং হে আমার ভাতিজা! তোমাদের এখন গোত্রের মধ্যে ছোট, অচিরেই তোমরা অন্যদের মধ্যে বড় হয়ে যাবে। সুতরাং তোমরা ইলম শিক্ষা কর। তবে যদি তোমাদের কেউ তা বর্ণনা করতে সক্ষম না হয় কিংবা- বর্ণনাকারী বলেন: মুখস্ত করতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেনো সেটি লিখে রাখে এবং তা তার নিজ বাড়িতে রেখে দেয়।[2]

[1] এখানে রয়েছে সাঈদ (যেটি বিকৃতি)।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, শারাহবীল যঈফ রাবী।

তাখরীজ:: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৯১; আরও দেখুন, ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪৪৮।









সুনান আদ-দারিমী (529)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ حَدَّثَنَاهُ عَاصِمٌ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ جَرِيرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً عُمِلَ بِهَا بَعْدَهُ كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَجْرِهِ شَيْءٌ وَمَنْ سَنَّ سُنَّةً سَيِّئَةً كَانَ عَلَيْهِ مِثْلُ وِزْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَوْزَارِهِ شَيْءٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل عاصم ولكن الحديث صحيح




৫২৯. জারীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজের রীতি প্রচলন করে আর তার পরবর্তীতে তা অনুসরণে আমল করা হয়, তবে তার কাজের সাওয়াব তো সে পাবেই, উপরন্তু যারা তার অনুসরণে এর উপর আমল করেছে, তাদের সমান সাওয়াবও সে পাবে। কিন্তু তাতে তার সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। আর যদি কেউ কোনো মন্দ কাজের রীতি প্রচলন করে তবে (তার নিজের পাপ এবং) যারা তার অনুসরণে এ কাজ করেছে, তাদের সকলের পাপ তার উপর বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীদের নিজের পাপের কোনো কমতি হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান কিন্তু হাদীসটি সহীহ মুসলিমের সহীহ হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ১০১৭; নাসাঈ ৫/৭৫-৭৭; তিরমিযী ২৬৭৫; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দমা ২০৩; আহমদ, ৪/৩৫৭-৩৫৯; ইবনু আবী শাইবা ৩/১০৯-১১০; তাবারাণী, ২৩৭৩, ২৩৭৪; বাইহাকী, ৪/১৭৫-১৭৬; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ২৪৩; তায়ালিসী ৬৭০।









সুনান আদ-দারিমী (530)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ مَوْلَى الْحُرَقَةِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنْ الْأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ اتَّبَعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنْ الْإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩০. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি (কাউকে) হেদায়েতের দিকে আহবান করে, তবে যে তার অনুসরণ করেছে, তার সমান সাওয়াব সেও পাবে। কিন্তু তাতে অনুসরণকারীর সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। আর যদি কেউ পথভ্রষ্টতার দিকে কাউকে আহবান করে তবে, যে তার অনুসরণ করেছে, তার সমান পাপ ঐ ব্যক্তির উপরও বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীর নিজের পাপের কোনো কমতি হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৬৭৪, আবু দাউদ ৪৬০৯; তিরমিযী, ২৬৭৪; ইবনু মাজাহ, ২০৬; মুসনাদে আহমাদ ২/৩৯৭; বাগাবী, শারহুস zwj;সুন্নাহ ১০৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ১১২।









সুনান আদ-দারিমী (531)


أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ يَعْنِي ابْنَ صُبَيْحٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِلَالٍ الْعَبْسِيِّ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَثَّ النَّاسَ عَلَى الصَّدَقَةِ فَأَبْطَئُوا حَتَّى بَانَ فِي وَجْهِهِ الْغَضَبُ ثُمَّ إِنَّ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ جَاءَ بِصُرَّةٍ فَتَتَابَعَ النَّاسُ حَتَّى رُئِيَ فِي وَجْهِهِ السُّرُورُ فَقَالَ مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً كَانَ لَهُ أَجْرُهُ وَمِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْءٌ وَمَنْ سَنَّ سُنَّةً سَيِّئَةً كَانَ عَلَيْهِ وِزْرُهُ وَمِثْلُ وِزْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْءٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩১. জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করলেন। তারপর তিনি লোকদেরকে দান-সাদাকা করার জন্য উৎসাহিত করলেন। কিন্তু লোকেরা সাদাকা দিতে বিলম্ব করছিল। এমনকি তাঁর চেহারায় রাগ (এর চিহ্ন) স্পষ্ট হয়ে উঠলো। তারপর একজন আনসারী ব্যক্তি একটি থলে নিয়ে এলেন। এরপর লোকেরা তার অনুসরনে (দান করা) শুরু করলে তাঁর চেহারায় খুশীর চিহ্ন ফুটে উঠল। তখন তিনি বললেন: “যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজের রীতি প্রচলন করে, তবে তার কাজের সাওয়াব তো সে পাবেই, উপরন্তু যারা তার অনুসরণে এর উপর আমল করছে, তাদের সমান সাওয়াবও সে পাবে। কিন্তু তাতে অনুসরণকারীদের সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। অপরদিকে যদি কেউ কোনো মন্দ কাজের রীতি প্রচলন করে তবে তার নিজের পাপ এবং যারা তার অনুসরণে এ কাজ করেছে, তাদের সকলের পাপের সমান পাপ তার উপর বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীদের নিজেদের পাপের কোনো কমতি হবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৬৭৪; এর বিস্তারিত তাখরীজ ৫২৯ নং এ গত হয়েছে। এটি আরও বর্ণনা করেছেন লালকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ৫।









সুনান আদ-দারিমী (532)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَنَا أَعْظَمُكُمْ أَجْرًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِأَنَّ لِي أَجْرِي وَمِثْلَ أَجْرِ مَنْ اتَّبَعَنِي

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :مرسل وإسناده صحيح




৫৩২. হাসান ইবনু আতিয়াহ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “কিয়ামতের দিন আমার সাওয়াব তোমাদের থেকে অধিক হবে। কেননা, আমার জন্য থাকবে আমার (আমলের) সাওয়াব এবং যারা আমার অনুসরণ করবে, তাদের সকলের সমান সাওয়াবও।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : মুরসাল, তবে এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি।









সুনান আদ-দারিমী (533)


أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ عَنْ لَيْثٍ عَنْ بِشْرٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ دَعَا إِلَى أَمْرٍ وَلَوْ دَعَا رَجُلٌ رَجُلًا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَوْقُوفًا بِهِ لَازِمًا بِغَارِبِهِ ثُمَّ قَرَأَ وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم




৫৩৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কাউকে কোনো একটি বিষয়ের দিকে আহ্বান করে, এমনকি যদিও একজন লোক কোনো একজন লোককেও আহ্বান করে, তবে কিয়ামতের দিন সে তার জন্য থেমে থাকবে এবং তার কাঁধের সাথে জড়িয়ে থাকবে। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ) (অর্থ: এদেরকে থামাও কেননা, এদেরকে প্রশ্ন করা হবে।“) [সূরা সাফফাত ৩৭: ২৪][1]

[1] তাহক্বীক: এর সনদ যঈফ, লাইস বিন আবী সালীম এর কারণে।









সুনান আদ-দারিমী (534)


أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ قَالَ أَرْبَعٌ يُعْطَاهَا الرَّجُلُ بَعْدَ مَوْتِهِ ثُلُثُ مَالِهِ إِذَا كَانَ فِيهِ قَبْلَ ذَلِكَ لِلَّهِ مُطِيعًا وَالْوَلَدُ الصَّالِحُ يَدْعُو لَهُ مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِ وَالسُّنَّةُ الْحَسَنَةُ يَسُنُّهَا الرَّجُلُ فَيُعْمَلُ بِهَا بَعْدَ مَوْتِهِ وَالْمِائَةُ إِذَا شَفَعُوا لِلرَّجُلِ شُفِّعُوا فِيهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح إلى عبد الله ولكن مثله لا يقال بالرأي




৫৩৪. শা’বী হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: চারটি জিনিস (এর বিনিময়) মানুষ তার মৃত্যুর পরও পেতে থাকবে। তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ (এর সাওয়াব), যদি সে তা মৃত্যুর আগে আল্লাহর উদ্দেশ্যে দান করে থাকে। নেককার সন্তান যে তার মৃত্যুর পর তার জন্য দু’আ করতে থাকবে। কোনো উত্তম রীতি যা মানুষ প্রচলন করে থাকে আর লোকেরা তার মৃত্যুর পরেও তার উপর আমল করতে থাকে। আর যদি তার জন্য সুপারিশকারী লোকের সংখ্যা একশত জন হয়, তবে তার ব্যাপারে সুপারিশ কবুল করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এ সনদে অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে এর অনেক শাহিদ (সমর্থক) হাদীস রয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (535)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ جَهَدْنَا بِإِبْرَاهِيمَ حَتَّى أَنْ نُجْلِسَهُ إِلَى سَارِيَةٍ فَأَبَى

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩৫. আ’মাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা ইবরাহীমকে একটি স্তম্ভের নিকট বসানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু তিনি (সেখানে বসতে) অস্বীকার করলেন।[1]

[1] এর কারণ হয়তো, তার সাথে সম্পৃক্ত করে এ খুঁটির নামকরণ করে বলা হবে, ‘সারিয়্যাতু ইবরাহীম’ তথা ইবরাহীম খুঁটি। ফলে তার নাম প্রসিদ্ধি লাভ করবে, যেটি তিনি ভয় করেছেন। (দেখুন, ফাতহুল মান্নান, হা/৫৪৬ এর ব্যাখ্যা)।

তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৯৯৭; ইবনু আবী শাইবা, ৯/১০২ নং ৬৬৮০। নিচের হাদীসটি দ্রষ্টব্য।









সুনান আদ-দারিমী (536)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ كَانَ يَكْرَهُ أَنْ يَسْتَنِدَ إِلَى السَّارِيَةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح




৫৩৬. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম হতে বর্ণনা করেন, তিনি (বসার সময়) স্তম্ভের উপর ভর দিতে অপছন্দ করতেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। তাখরীজ: (ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৯০; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন আগের হাদীসে।)









সুনান আদ-দারিমী (537)


أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ قَالَ كَانَ إِبْرَاهِيمُ لَا يَبْتَدِئُ الْحَدِيثَ حَتَّى يُسْأَلَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩৭. মুগীরাহ বলেন: ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা না করা পর্যন্ত তিনি (নিজ থেকে) কখনো হাদীস বর্ণনা করা শুরু করতেন না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৩৬২; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৯২ হাসান সনদে। এখানে ইবরাহীমের সাথে আতা’ রাহি.-এর কথাও উল্লেখ আছে যে, তাদেরকে কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করার পূর্বে তারা কখনো কথা বলতেন না।









সুনান আদ-দারিমী (538)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ خَيْثَمَةَ قَالَ كَانَ الْحَارِثُ بْنُ قَيْسٍ الْجُعْفِيُّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ وَكَانُوا مُعْجَبِينَ بِهِ فَكَانَ يَجْلِسُ إِلَيْهِ الرَّجُلُ وَالرَّجُلَانِ فَيُحَدِّثُهُمَا فَإِذَا كَثُرُوا قَامَ وَتَرَكَهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩৮. খায়ছামা বলেন: হারিস ইবনু কায়িস আল-জু’ফী আব্দুল্লাহ’ রা: এর একজন সঙ্গী ছিলেন। তারা (লোকেরা) তার (হারিসের) প্রতি মুগ্ধ/ গর্বিত ছিলেন। এক-দু’জন লোক তার নিকট বসলে তিনি সেই দু’জনের নিকট হাদীস বর্ণনা করতেন। এরপর লোকজন অনেক বেশি হয়ে গেলে তিনি উঠে পড়তেন এবং তাদেরকে পরিত্যাগ করে চলে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মিযযী, তাহযীবুল কামাল ৫/২৭৩। এধরনের বক্তব্য তাউস ও অন্যান্যদের থেকেও বর্ণিত আছে।









সুনান আদ-দারিমী (539)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ قِيلَ لَهُ حِينَ مَاتَ عَبْدُ اللَّهِ لَوْ قَعَدْتَ فَعَلَّمْتَ النَّاسَ السُّنَّةَ فَقَالَ أَتُرِيدُونَ أَنْ يُوطَأَ عَقِبِي

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৫৩৯. আলকামাহ বলেন, যখন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মৃত্যুবরণ করলেন, তখন তাকে বলা হলো: আপনি যদি (লোকদের নিকট) বসতেন এবং লোকদেরকে সুন্নাত (হাদীস) শিক্ষা দিতেন, ( তবে কতই না উত্তম হতো)! তথন তিনি বললেন: তোমরা কি চাও যে, আমার গোড়ালী পদদলিত করা হোক (আমার পিছনে সবসময় লোকদের ভীড় লেগেই থাকুক)?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/৬০; দেখুন আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ২৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া ২/১০০।









সুনান আদ-দারিমী (540)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ قَالَ سَمِعْتُ هَارُونَ بْنَ عَنْتَرَةَ عَنْ سُلَيْمِ بْنِ حَنْظَلَةَ قَالَ أَتَيْنَا أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ لِنَتَحَدَّثَ إِلَيْهِ فَلَمَّا قَامَ قُمْنَا وَنَحْنُ نَمْشِي خَلْفَهُ فَرَهَقَنَا عُمَرُ فَتَبِعَهُ فَضَرَبَهُ عُمَرُ بِالدِّرَّةِ قَالَ فَاتَّقَاهُ بِذِرَاعَيْهِ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا نَصْنَعُ قَالَ أَوَ مَا تَرَى فِتْنَةً لِلْمَتْبُوعِ مَذَلَّةً لِلتَّابِعِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




৫৪০. সুলাইম ইবনু হানযালাহ বলেন: আমরা উবাই ইবনু কা’ব রা: এর নিকট আসলাম যাতে আমরা তাঁর নিকট হাদীস বর্ণনা করতে পারি। এরপর যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, তখন আমরাও উঠে দাঁড়ালাম এবং তাঁর পিছে পিছে চলতে লাগলাম। এরপর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের নিকট আসলেন এবং তিনি (উবাই রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর অনুসরণ করলেন। এরপর উমার রা: তাঁকে বেত্রাঘাত করেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি তাঁর দু’বাহু দ্বারা নিজেকে রক্ষা করলেন। তখন তিনি (উবাই রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি এ কী আচরণ করছেন? তিনি বললেন: তুমি কি দেখছো না- অনুসৃত ব্যক্তি জন্য এটি একটি ফিতনা, আর অনুসরণকারীদের জন্য এটি একটি অবমাননাকর বিষয়?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: নুয়াইম বিন হাম্মাদ, যাওয়াইদ আলা যুহদ লি ইবনুল zwj;মুবারক নং ৪৮; ইবনু আবী শাইবা, ৯/২০ নং ৬৩৬৬; বাইহাকী, যুহদুল কাবীর নং ৩০৩; খতীব, আল জামি’ নং ৯৩১।