সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَخْنَسِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كُنْتُ أَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ أَسْمَعُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيدُ حِفْظَهُ، فَنَهَتْنِي قُرَيْشٌ، وَقَالُوا: تَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَشَرٌ يَتَكَلَّمُ فِي الْغَضَبِ وَالرِّضَا؟ فَأَمْسَكْتُ عَنِ الْكِتَابِ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَوْمَأَ بِإِصْبَعِهِ إِلَى فِيهِ، وَقَالَ: «اكْتُبْ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، مَا خَرَجَ مِنْهُ إِلَّا حَقٌّ»
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৫০১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে যা-ই শুনতাম, মুখস্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার সবই লিখে রাখতাম। তারপর কুরাইশরা আমাকে (লিখতে) নিষেধ করল এবং বলল: তুমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সকল বিষয়ই লিখছ, কিন্তু তিনি তো একজন মানুষ। তিনি তো (কোনো কোনো সময়) রাগান্বিত অবস্থায় কথা বলেন, আবার সন্তুষ্ট অবস্থায়ও কথা বলেন। একথা শুনে আমি লিখা বন্ধ করে দেই এবং বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উল্লেখ করি। তখন তিনি তার আঙ্গুল দ্বারা তাঁর মুখের প্রতি ইশারা করে বললেন: “তুমি লিখতে থাকো। সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন, এ মুখ থেকে যা কিছু বের হয়, তা সবই সত্য“।[1]
nbsp;
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু দাউদ ৩৬৪৬; আহমদ, আল মুসনাদ ২/১৬৩, ১৯২; ইবনু আবী শাইবা, ৯/৪৯-৫০ নং ৬৪৭৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮০; হাকিম ১/১০৫-১০৬; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৮৯।
অনেকগুলি সনদে তিরমিযী, ৩৫০৪; নাসাঈ ৭/২৮৮, ২৯৫; ইবনুল জারুদ নং ৬০১; দারুকুতনী ৩/৭৪-৭৫ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُخْبِرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَرْوِيَ مِنْ حَدِيثِكَ، فَأَرَدْتُ أَنْ أَسْتَعِينَ بِكِتَابِ يَدِي مَعَ قَلْبِي، إِنْ رَأَيْتَ ذَلِكَ، فَقَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - إِنْ كَانَ قَالَهُ - عِ حَدِيثِي، ثُمَّ اسْتَعِنْ بِيَدِكَ مَعَ قَلْبِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده فيه علتان: ضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث وجهالة المخبر عن عبد الله بن عمرو
৫০২. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, একদা তিনি রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার হাদীস (লোকদের নিকট) বর্ণনা করতে চাই। ফলে আমি আমার অন্তরে (মুখস্ত) রাখার সাথে সাথে আমার হাতের সাহায্যে লিখেও রাখতে চাই, আপনি কী মনে করেন?
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমার হাদীস মুখস্ত রাখ; এরপর অন্তরে মুখস্ত রাখার সাথে সাথে (প্রয়োজনে) তোমার হাতের সাহায্য গ্রহণ কর“।[1]
[1] তাহকীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যঈফ। ২. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে হাদীস বর্ণনাকারী ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়।
তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত, ৪/২/৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল্ ইলম পৃ: ৮১।
أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قَبِيلٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ حَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَكْتُبُ إِذْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْمَدِينَتَيْنِ تُفْتَحُ أَوَّلًا قُسْطَنْطِينِيَّةُ أَوْ رُومِيَّةُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا بَلْ مَدِينَةُ هِرَقْلَ أَوَّلًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده قوي
৫০৩. আবু ক্বাবিল বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, কোন এক সময় আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশে বসে লিখছিলাম। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো: দু’শহরের কোন্ শহরটি সর্বপ্রথম বিজিত হবে, কনস্টানটিনোপল, না-কি রোম? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: না, বরং হিরাকল (হিরাক্লিয়াস)-এর শহর (কনস্টানটিনোপল) সর্বপ্রথম বিজিত হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।
তাখরীজ: আহমদ, ২/১৭৪; ইবনু আবী শাইবা, ৫/৩২৯-৩৩০; তাবারানী, আওয়াইল নং ৬১।
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي ضَمْرَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنْ اكْتُبْ إِلَيَّ بِمَا ثَبَتَ عِنْدَكَ مِنْ الْحَدِيثِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِحَدِيثِ عَمْرَةَ فَإِنِّي قَدْ خَشِيتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫০৪. আব্দুল্লাহ ইবনু দীনার বলেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহিমাহুল্লাহ আবু বাকর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু হাযম রাহি.-এর নিকট লিখে পাঠালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে তোমার নিকট সাব্যস্ত সকল হাদীস এবং আমরাহ বর্ণিত হাদীস আমার নিকট লিখে পাঠাও। কেননা, আমি ইলমের বিলুপ্তির এবং তা বিদায় নেয়ার আশঙ্কা করছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৫-১০৬; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দ্র:
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَنْ انْظُرُوا حَدِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاكْتُبُوهُ فَإِنِّي قَدْ خِفْتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَ أَهْلِهِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫০৫. আব্দুল্লাহ ইবনু দীনার বলেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয মদীনাবাসীদের নিকট লিখে পাঠালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের প্রতি মনোযোগ দাও এবং তা লিখে রাখো। কেননা, আমার আশঙ্কা যে, ইলমের বিলুপ্তি ঘটবে এবং ইলমের বাহকদের মৃত্যু ঘটবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪৬; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৬; আরও দেখুন, আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল হুমাইদী, মুকাদ্দমা, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৪১৮-৪১৯; সুয়ুতী, মিফতাহুল জান্নাহ পৃ: ৩২।
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ قَالَ يَعِيبُونَ عَلَيْنَا الْكِتَابَ وَقَدْ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي فِي كِتَابٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫০৬. আবুল মালীহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (ইলম) লিপিবদ্ধ করার জন্য আমাদেরকে দোষারোপ করা হয়; কিন্তু আল্লাহ তা’আলাই তো বলেছেন: “এর জ্ঞান রয়েছে আমার রবের নিকট (রক্ষিত) কিতাবে।“[1] (সূরা: ত্বহা: ৫২)
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৫১ নং ৬৪৮৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১১০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪০৭।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا سَوَادَةُ بْنُ حَيَّانَ قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ أَبَا إِيَاسٍ يَقُولُ كَانَ يُقَالُ مَنْ لَمْ يَكْتُبْ عِلْمَهُ لَمْ يُعَدَّ عِلْمُهُ عِلْمًا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫০৭. সাওয়াদাহ ইবনু হাইয়্যান বলেন, আমি আবু ইয়াস মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ কে বলতে শুনেছি: তার নিকট বর্ণিত হয়েছে: যে ব্যক্তি তার ইলম লিখে রাখে না, তার ইলম (বিশুদ্ধ) ইলম নয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৯; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪১-৩৪২;
أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنِي ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ أَنَّ أَنَسًا كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ قَيِّدُوا هَذَا الْعِلْمَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن من أجل عبد الله بن المثنى
৫০৮. ছুমামাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আনাস বর্ণনা করেন: আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পুত্রদেরকে বলতেন: হে পুত্র! (লিপিবদ্ধ করা মাধ্যমে) এ ইলমকে বন্দী করে রাখো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ৯৭; তাবারানী, আল কাবীর ১/২৪৬ নং ৭০০; হাকিম ১/১০৬; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১০; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১২০;
একে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩২৭; ইবনু শাহিন, নাসিখ ওয়াল মানসুখ নং ৫৯৯; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৫; আবুশ শাইখ, তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন ৩/১৪২ নং ৯০৯; খতীব, তারীখে বাগদাদ ১০/৫৬; ইবনুল জাওযী, আল ইলালুল মুতানাহিয়াহ ১/৮৬; কিন্তু মাওকুফ হিসেবেই এটি সহীহ, মারফু’ হিসেবে সহীহ নয়।- একথা বলেছেন খতীব।...।
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مَهْدِيِّ بْنِ مَيْمُونٍ عَنْ سَلْمٍ الْعَلَوِيِّ قَالَ رَأَيْتُ أَبَانَ يَكْتُبُ عِنْدَ أَنَسٍ فِي سَبُّورَةٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৫০৯. সালম আল-আলাবী বলেন: আমি আবানকে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট বসে পাথর খণ্ডে লিখতে দেখেছি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। (তবে রাবী সালমকে অনেকেই যঈফ ও মুনকার বলেছেন- দেখুন, ফাতহুল মান্নান হা/৫১৯ এর টীকা- অনুবাদক)
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৯; (ইবনু আদী, আল কামিল ৩/১১৭৫)।
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ جَابِرٍ أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ عَنْ كِتَابِ الْعِلْمِ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৫১০. হাসান ইবনু জাবির হতে বর্ণিত, তিনি আবু উমামা আল বাহিলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ইলম লিপিবদ্ধ করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বলেন: এতে কোনো আপত্তি নেই।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১১; আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৭২৬; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৯৮; আরও দেখুন, ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/২/১৩২।
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ مَا أَسْمَعُ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فَلَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أُفَارِقَهُ أَتَيْتُهُ بِكِتَابِهِ فَقَرَأْتُهُ عَلَيْهِ وَقُلْتُ لَهُ هَذَا سَمِعْتُ مِنْكَ قَالَ نَعَمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৫১১. বাশীর ইবনু নুহাইক বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যা শুনতাম সবকিছুই লিখে রাখতাম। তারপর আমি যখন তার নিকট হতে অন্যত্র চলে যেতে চাইলাম তখন আমি তার নিকট থেকে লিপিবদ্ধ করা সেই পাণ্ডুলিপিসহ তার কাছে এসে তা পাঠ করলাম এবং তাকে বললাম, আমি যা আপনার নিকট হতে শ্রবণ করেছি, এটি কি সেটি নয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৩৭; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫০ নং ৬৪৮৩; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০১; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৩।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ طَارِقِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَسْمَعُ مِنْ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ الْحَدِيثَ بِاللَّيْلِ فَأَكْتُبُهُ فِي وَاسِطَةِ الرَّحْلِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن
৫১২. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন: আমিnbsp;রাত্রি বেলায় ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে হাদীস শুনতাম তারপর সেগুলো উটের পিঠে আরোহণের জন্য রক্ষিত কাঠে লিখে রাখতাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২, ১০৩। পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন পরবর্তী ৫১৬ নং হাদীসটি।
`আর রহল: উটির পিঠে আরোহনের জন্য যে কাঠখণ্ড স্থাপন করা হয়।
‘ওয়াসিত্বাহ: আরোহীর সামনে প্রথমে বা শুরুতে যে কাঠখণ্ডটি থাকে, আরোহী আরোহন করার সময় তা ধরে...।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ مَا يُرَغِّبُنِي فِي الْحَيَاةِ إِلَّا الصَّادِقَةُ وَالْوَهْطُ فَأَمَّا الصَّادِقَةُ فَصَحِيفَةٌ كَتَبْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّا الْوَهْطُ فَأَرْضٌ تَصَدَّقَ بِهَا عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ كَانَ يَقُومُ عَلَيْهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف من أجل ليث بن أبي سليم
৫১৩. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার জীবনের আশা জাগানো দু’টি বস্তু হলো, ‘আস সাদিকা’[1] (লিখিত হাদীসের সহীফাহ) এবং ‘ওয়াহতু’[2] (তায়েফের নিকটবর্তী একটি স্থান)। আর ‘আস-সাদিকাহ’ হলো সেই সহীফা যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে লিখেছিলাম। আর ‘আল-ওয়াহতু’ হলো: সেই জমি যা আমর ইবনুল আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দান করেছিলেন, যেখানে তিনি অবস্থান করতেন।[3]
[1] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে হাদীস লিপিবদ্ধ করার অনুমতি দানের ফলে ইবনু আমর রা: তাঁর হতে শ্রবণকৃত সকল হাদীসের যে সহীফাটি লিখেছিলেন, সেটিই হলো ‘আস-সাদিকাহ’।
[2] প্রশান্ত ভূমি, তায়েফের নিকটবর্তী একটি স্থান, যেখানে আমর ইবনুল আস রা: এর সম্পত্তি ছিল, আমর রা: এর জন্য-ই এর মর্যাদা ছিল।
[3] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। লাইছ ইবনু আবু সালীম এর কারণে।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮৪, ৮৫; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৪; দেখুন মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩২৩।
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ عَمِّهْ عَمْرِو بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ قَيِّدُوا الْعِلْمَ بِالْكِتَابِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج
৫১৪. আমর ইবনু আবু সুফিয়ান হতে বর্ণিত, তিনি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: তোমরা লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে ইলমকে সংরক্ষণ করে রাখো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এখানে ইবনু জুরাইজ আন-আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৪৯ নং ৬৪৭৮; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮৮; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৬; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৫৮; হাকিম, ১/১০৬।
أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ الثَّقَفِيُّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَيِّدُوا هَذَا الْعِلْمَ بِالْكِتَابِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع عبد الملك بن عبد الله بن أبي سفيان لم يدرك عبد الله بن عمر. ولكن الأثر صحيح لغيره
৫১৫. আব্দুল মালিক ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবু সুফিয়ান সাক্বাফী হতে বর্ণিত,nbsp; ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু বলেন: তোমরা এ ইলমকে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে সংরক্ষণ করে রাখো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য । তবে এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন সূত্র। আব্দুল মালিক ইবনু উমারের সাক্ষাত লাভ করেননি। কিন্তু হাদীসটি সহীহ লি গয়রিহী।
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত অন্যত্র (একই সনদে) পাইনি। দেখুন, তাবারাণী, আল আওসাত নং ৮৫২; হাকিম, মুসতাদরাক ১/১০৬।
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ كُنْتُ أَسِيرُ مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ لَيْلًا وَكَانَ يُحَدِّثُنِي بِالْحَدِيثِ فَأَكْتُبُهُ فِي وَاسِطَةِ الرَّحْلِ حَتَّى أُصْبِحَ فَأَكْتُبَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫১৬. উছমান ইবনু হাকীম বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এক রাতে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র সাথে সাথে মক্কার পথে চলছিলাম। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করছিলেন আর আমি উটের পিঠে আরোহণের জন্য রক্ষিত কাঠখণ্ডে তা লিখতে লাগলাম। সকাল হলে আমি (তা অন্যত্র) লিখে নিলাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৫১ নং ৬৪৮৫; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৫ সহীহ সনদে; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২-১০৩।
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ يَعْقُوبَ الْقُمِّيِّ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي صَحِيفَةٍ وَأَكْتُبُ فِي نَعْلَيَّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أن ابن مندة قال: جعفر بن أبي المغيرة ليس بالقوي في سعيد بن جبير
৫১৭. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকটে থাকা কালে একটি সহীফা’য়nbsp; (হাদীস) লিখে নিতাম আবার (কখনো) আমার জুতা-স্যাণ্ডেলে লিখে নিতাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ বিশ্বস্ত । তবে ইবনু মানদাহ বলেছেন: সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে জা’ফর ইবনু মুগীরাহ শক্তিশালী নয়।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২। পূর্বের এবং পরের হাদীস দু’টি দেখুন।
أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا مَنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَنَزِيُّ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَجْلِسُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَأَكْتُبُ فِي الصَّحِيفَةِ حَتَّى تَمْتَلِئَ ثُمَّ أَقْلِبُ نَعْلَيَّ فَأَكْتُبُ فِي ظُهُورِهِمَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف علي بن مندل العنزي
৫১৮. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট বসে যেতাম এবং সহীফা’ ভরে না যাওয়া পর্যন্ত তাতে লিখতে থাকতাম; তারপর (সহীফা বা পাণ্ডুলিপি ভরে গেলে) আমার জুতাজোড়া উল্টে নিতাম এবং উভয়ের পিঠে লিখতাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, আলী ইবনু মানদাল আল আনাযী যঈফ।
তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২। পূর্ববর্তী হাদীস দু’টির টীকা দেখুন।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا فُضَيْلٌ عَنْ عُبَيْدٍ الْمُكْتِبِ قَالَ رَأَيْتُهُمْ يَكْتُبُونَ التَّفْسِيرَ عِنْدَ مُجَاهِدٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده صحيح
৫১৯. উবাইদ আল-মুকাতিব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাদেরকে মুজাহিদের নিকট হতে তাফসীর লিখতে দেখতাম।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৫।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا أَبُو وَكِيعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنَشٍ قَالَ رَأَيْتُهُمْ يَكْتُبُونَ عِنْدَ الْبَرَاءِ بِأَطْرَافِ الْقَصَبِ عَلَى أَكُفِّهِمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৫২০. আব্দুল্লাহ ইবনু হানাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাদেরকে বারা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট বসে বাঁশ/বেত বা হাড়ের প্রান্ত দ্বারা তাদের তালুতে (হাদীস) লিখতে দেখেছি।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৪৭; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫১ নং ৬৪৮৯; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৮; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ১০৫।