হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (641)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ أَوْ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ فَإِنَّ حَيَاتَهُ مُذَاكَرَتُهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف أبي إسرائيل وهو: إسماعيل بن خليفة لكن الأثر صحيح بشواهده




৬৪১. আবুল আহওয়াস থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা পরস্পর হাদীস আলোচনা কর, কেননা, তা পুনর্জীবিত করা হলো তা নিয়ে পরস্পর আলোচনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, আবু ইসরাঈল যঈফ। এর যঈফ হওয়ার কারণ আতা হতে হাদীস শোনা হতে তার পিছিয়ে থাকা। তবে আছারটি সহীহ এর শাহিদ এর কারণে। দেখুন নং ৬১৭, ৬২৬, ৬২৭।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৬।









সুনান আদ-দারিমী (642)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ عَوْنٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لِأَصْحَابِهِ حِينَ قَدِمُوا عَلَيْهِ هَلْ تَجَالَسُونَ قَالُوا لَيْسَ نُتْرَكُ وَذَاكَ قَالَ فَهَلْ تَزَاوَرُونَ قَالُوا نَعَمْ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الرَّجُلَ مِنَّا لَيَفْقِدُ أَخَاهُ فَيَمْشِي فِي طَلَبِهِ إِلَى أَقْصَى الْكُوفَةِ حَتَّى يَلْقَاهُ قَالَ فَإِنَّكُمْ لَنْ تَزَالُوا بِخَيْرٍ مَا فَعَلْتُمْ ذَلِكَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والإنقطاع




৬৪২. আউন বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথীরা যখন তাঁর নিকট উপস্থিত হলো, তখন তিনি তাদেরকে বললেন: তোমরা কি একত্রে বসবে? তারা বলল, না, আমরা সেটি (বসা) পরিত্যাগ করলাম। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে কি তোমরা পরস্পরকে দেখতে এসেছো? তারা বললেন: হাঁ। হে আবু আব্দুর রহমান, আমাদের এক ব্যক্তি তার এক ভাইকে হারিয়ে ফেলেছিল, ফলে তার খোঁজে সে কুফার উপকণ্ঠ পর্যন্ত হেঁটে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর সে তাকে পেয়ে গেলো। তখন তিনি বললেন: তোমরা যতক্ষণ এটি করতে থাকবে ততক্ষণ তোমরা কল্যাণের মধ্যেই থাকবে।[1]

[1] তাহ্কীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল মাসউদী যঈফ। ২. ইনকিতা। আউন ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ রা: এর সাক্ষাৎ লাভ করেন নি।

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৯/২২৬ নং ৮৯৭৯









সুনান আদ-দারিমী (643)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ آفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ وَتَرْكُ الْمُذَاكَرَةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف الوليد هو: ابن مسلم مدلس وقد عنعن




৬৪৩. আউযাঈ হতে বর্ণিত, যুহরী রাহি. বলেন: ইলমের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া এবং পারস্পরিক আলোচনা পরিত্যাগ করা।[1]

[1] তহাক্বীক্ব: এর সনদ যঈফ। ওয়ালীদ হলেন ইবনুল মুসলিম সে মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, তারীখ দিমাশক- যুহরী নং ২৩৫;









সুনান আদ-দারিমী (644)


أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَنْبَأَنَا أَبُو عُمَيْسٍ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ آفَةُ الْحَدِيثِ النِّسْيَانُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه القاسم بن عبد الرحمن المسعودي لم يسمع عبد الله بن مسعود




৬৪৪. কাসিম বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: হাদীসের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ইনকিতা’র কারণে যযীফ। কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান আল মাসউদী আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা: হতে কিছু শোনেননি। তবে হাদীসটি সহীহ। পরবর্তী হাদীসটি এর শাহিদ হওয়ায়।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৯১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৯১।









সুনান আদ-দারিমী (645)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ طَارِقٍ عَنْ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ آفَةً وَآفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৪৫. হাকীম ইবনু জাবির বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: প্রত্যেক জিনিসেরই একটি বিপদ রয়েছে। আর ইলমের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (646)


أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ وَإِضَاعَتُهُ أَنْ تُحَدِّثَ بِهِ غَيْرَ أَهْلِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده معضل




৬৪৬. আ’মাশ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইলমের বিপদ হচ্ছে ভুলে যাওয়া আর তার ধ্বংস বা বিলুপ্তি হচ্ছে অনুপযুক্ত ব্যক্তির নিকট তা বর্ণনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মু’দাল (বিক্ষিপ্ত)।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৯০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৯০; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৯৩ আ’মাশের কথা হিসেবে সহীহ।









সুনান আদ-দারিমী (647)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا أَبُو حَمْزَةَ الثُّمَالِيُّ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ غَائِلَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :الأثر صحيح بشواهده




৬৪৭. হাসান রাহি. বলেন: ইলমের বিপদ হচ্ছে ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে আবু হামযাহ আত তাম্মার। বাকী রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। শাহিদ থাকার জন্য হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৮৯।









সুনান আদ-দারিমী (648)


أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا كَهْمَسٌ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ وَتَزَاوَرُوا فَإِنَّكُمْ إِنْ لَمْ تَفْعَلُوا يَدْرُسْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৪৮. ইবনু বুরাইদাহ হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা এ হাদীস নিয়ে পরস্পর আলোচনা করো এবং পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ করো। কেননা, তোমরা যদি তা না করো, তাহলে তা মিটে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩৩ নং ৬১৮৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৪, ৭৮৭; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২১; খতীব, আল জামি’ নং ৪৬৭, ৪৬৮।









সুনান আদ-দারিমী (649)


أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ يَقُولُ قَالَ الزُّهْرِيُّ كُنْتُ أَحْسَبُ بِأَنِّي أَصَبْتُ مِنْ الْعِلْمِ فَجَالَسْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ فَكَأَنِّي كُنْتُ فِي شِعْبٍ مِنْ الشِّعَابِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৪৯. সুফিয়ান বলেন, যুহরী রাহি. বলেন, আমি ধারণা করতাম যে, আমি হয়তো ইলমের কিছু অংশ লাভ করেছি। কিন্তু যখন আমি উবাইদুল্লাহ-এর সাথে একত্রে বসলাম, তখন আমার মনে হলো যে, আমি যেন (জ্ঞানের অনেকগুলো) শাখাসমূহের মধ্যে একটি শাখা মাত্র।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৩৯৫; দেখুন, পূর্ববর্তী ৬৪১ নং হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (650)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ قِيلَ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ لَوْ جَمَعْتَ النَّاسَ عَلَى شَيْءٍ فَقَالَ مَا يَسُرُّنِي أَنَّهُمْ لَمْ يَخْتَلِفُوا قَالَ ثُمَّ كَتَبَ إِلَى الْآفَاقِ وَإِلَى الْأَمْصَارِ لِيَقْضِ كُلُّ قَوْمٍ بِمَا اجْتَمَعَ عَلَيْهِ فُقَهَاؤُهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৫০. হামীদ বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহি.কে বললাম, (কতই না উত্তম হতো), আপনি যদি লোকদেরকে একটি বিষয়ের উপর একত্রিত করে দিতেন! তখন তিনি বললেন: আমি এতে আনন্দিত হতাম না যে, তারা মতবিরোধ করবে না। তিনি বলেন: তারপর তিনি দিক-দিগন্তে (চতুর্দিকে) লিখে পাঠালেন যে, প্রত্যেক গোত্রের ফকীহগণের ঐকমত্য অনুযায়ী যেন তাদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এ শব্দে এটি আর কোথাও পাইনি। “মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লামের সাথীরা মতবিরোধ না করলে সেটিই আমাকে আনন্দিত করতো না।’’ এ অংশটুকু বর্ণনা করেছেন খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৭৪৩ (হাসান সনদে),৭৪৫ যঈফের নিকটবর্তী সনদে।...









সুনান আদ-দারিমী (651)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ عَنْ الْمَسْعُودِيِّ عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَا أُحِبُّ أَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَخْتَلِفُوا فَإِنَّهُمْ لَوْ اجْتَمَعُوا عَلَى شَيْءٍ فَتَرَكَهُ رَجُلٌ تَرَكَ السُّنَّةَ وَلَوْ اخْتَلَفُوا فَأَخَذَ رَجُلٌ بِقَوْلِ أَحَدٍ أَخَذَ بِالسُّنَّةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن عبد الله بن عتبة المسعودي




৬৫১. আউন ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি. বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ মতবিরোধ না করুন- এটি আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। কারণ, যদি তারা কোনো একটি বিষয়ের উপর ঐকমত্য পোষণ করতেন, আর কোনো লোক সেটি পরিত্যাগ করতো, তাহলে এর দ্বারা সে সুন্নাতকেই পরিত্যাগ করে বসতো। আর যেহেতু তারা তারা মতভেদ করেছেন, ফলে সেই বিষয়ে যদি কোনো লোক তাঁদের কোনো একজনের মতামত অবলম্বন করে, তবে সে (এর দ্বারা) সুন্নাতকেই আঁকড়ে ধরেছে (বলে গণ্য)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ আল মাসউদী যঈফ।

তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন। (মুহাক্বিক্ব কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক)









সুনান আদ-দারিমী (652)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ رُبَّمَا رَأَى ابْنُ عَبَّاسٍ الرَّأْيَ ثُمَّ تَرَكَهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف الليث وهو ابن أبي سليم




৬৫২. তাউস রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কখনো (কোনো বিষয়ে) একটি অভিমত পোষণ করতেন, তারপর সেটি পরিত্যাগ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। লাইছ ইবনু আবী সালীম যঈফ।

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক)









সুনান আদ-দারিমী (653)


أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ قَالَ قَالَ لِي عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ إِنَّ عُمَرَ قَالَ لِي إِنِّي قَدْ رَأَيْتُ فِي الْجَدِّ رَأْيًا فَإِنْ رَأَيْتُمْ أَنْ تَتَّبِعُوهُ فَاتَّبِعُوهُ قَالَ عُثْمَانُ إِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَكَ فَإِنَّهُ رَشَدٌ وَإِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَ الشَّيْخِ قَبْلَكَ فَنِعْمَ ذُو الرَّأْيِ كَانَ قَالَ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يَجْعَلُهُ أَبًا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




৬৫৩. মারওয়ান ইবনুল হাকাম বলেন: উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন: উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেছিলেন: আমি দাদার ব্যাপারে একটি অভিমত পোষণ করি। যদি তোমরা মনে করো যে, তোমরা তা অনুসরণ করবে, তবে তোমরা তা অনুসরণ করতে পারো। উছমান (তাঁকে) বললেন: আমরা যদি আপনার অভিমত অনুসরণ করি, তবে সেটি হবে সঠিক পথ। তবে আমরা যদি আপনার পূর্ববর্তী বৃদ্ধের মতামত অনুসরণ করি, তবে তিনি কতই না উত্তম মতের অধিকারী ছিলেন! তিনি বলেন: আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে (দাদাকে) পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: হাকিম, আল মুসতাদরাক ৪/৩৪০; সামনে এ হাদীস আসছে (ফারাইয অধ্যায়ে) ২৯৬০ নং এ।









সুনান আদ-দারিমী (654)


أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الْأَحْوَلُ قَالَ عَرَضْتُ عَلَى الشَّعْبِيِّ أَحَادِيثَ الْفِقْهِ فَأَجَازَهَا لِي

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৫৪. আসিম আল আহওয়াল বলেন: আমি ফিকহ বিষয়ক হাদীসসমূহ শা’বী’র নিকট উপস্থাপন করলাম। তখন তিনি আমার সেই বিষয়টি (হাদীস উপস্থাপন করাকে) অনুমোদন দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৬৪; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৬, ৪৮৫।









সুনান আদ-দারিমী (655)


أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ أَسَمِعْتَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ مَرَّ فِي الْمَسْجِدِ بِسِهَامٍ أَمْسِكْ بِنِصَالِهَا قَالَ نَعَمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৫৫. সুফইয়ান ইবনু ওয়াইনা বলেন, আমি আমর ইবনু দীনারকে জিজ্ঞাসা করলাম: এক ব্যক্তি তীর সাথে নিয়ে মাসজিদ অতিক্রম করছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “এর ফলাগুলো হাত দিয়ে ধরে রাখ।“- আপনি কি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিম কৃর্তক বর্ণিত হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৪৫১, ৭০৭৩, ৭০৭৪; সহীহ মুসলিম ২৬১৪; আমরা পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৪; ইবনু খুযাইমা ১৩১৬,১৩১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৩৯। (হুমাইদী নং ১২৫২; আহমদ ৩/৩০৮, ৩৫০; নাসাঈ ৭১৯; ইবনু মাজাহ ৩৭৭৭; আবু দাউদ ২৫৮৬; ইবনু খুযাইমা ১৩১৬,১৩১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৩৯, ১৬৪০। - তাহক্বীক্ব, আদ দারানী, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৪)









সুনান আদ-দারিমী (656)


أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ أَسَمِعْتَ أَبَاكَ يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ قَالَ نَعَمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح والحديث متفق عليه




৬৫৬. সুফইয়ান বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনু কাসিমকে বললাম: তুমি তোমার পিতাকে আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি কি, যে সিয়ামরত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে চুম্বন করেছেন? তিনি বললেন: হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী ও মুসলিম উভয়ের বর্ণিত হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৯২৮; মুসলিম ১১০৬; আবু দাউদ ২৩৭২, ২৩৭৩, ২৩৭৪, ২৩৮৬; তিরমিযী ৭২৭, ৭২৯; ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, ১৬৮৪; বাইহাকী ৪/২৩৩, ২৩৪; দারু কুতনী ২/১১৮০; মালিক, সিয়াম ১৪; শাফিঈ, আল উম্মু ২/৯৮; মুসনাদুশ শাফিঈ পৃ: ১০৪; আহমদ ৬/১৩০, ১৯৩, ২০৭, ২৩১, ২৫৬, ২৬৪-২৬৫; হুমাইদী ১/১০১ নং ১৯৭, ১৯৮; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ২০০০, ২০০৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ২/৯১, ৯২, ৯৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ৭৪০৮, ৭৪৩১; বাগাবী, শারহুস zwj;সুন্নাহ নং ১৭৪৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪২৮; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১১/২৫৮।









সুনান আদ-দারিমী (657)


أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا مِسْكِينُ بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ كَتَبَ إِلَيَّ مَنْصُورٌ بِحَدِيثٍ فَلَقِيتُهُ فَقُلْتُ أُحَدِّثُ بِهِ عَنْكَ قَالَ أَوَ لَيْسَ إِذَا كَتَبْتُ إِلَيْكَ فَقَدْ حَدَّثْتُكَ




৬৫৭. শু’বাহ বলেন: মানসুর আমার নিকট একটি হাদীস লিখে পাঠালে আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তখন আমি তাকে বললাম: আমি কি সেই হাদীসটি আপনার থেকে বর্ণনা করব? তিনি বললেন: আমি যখন সেটি তোমার নিকট লিখে পাঠালাম, তখন (তার মানে) তোমার নিকট আমি হাদীস বর্ণনা করলাম, তাই নয় কি?[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর তাহক্বীক্ব ও তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (658)


قَالَ وَسَأَلْتُ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيَّ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৫৮. তিনি (শু’বাহ) বলেন: এবং আমি আইয়্যুব সাখতিয়ানী রাহি.-কেও এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনিও অনুরূপই বলেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। উপরের দুটি হাদীসই একই সনদে বর্ণিত।

তাখরীজ: এ দু’টি বর্ণনা করেছেন, ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৫-৮২৬,; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ৩৪৩-৩৪৪;

আর মানসুরের (১ম) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৭; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ৩০৬; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৩।









সুনান আদ-দারিমী (659)


أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ عَرَضْتُ عَلَيْهِ كِتَابًا فَقُلْتُ أَرْوِيهِ عَنْكَ قَالَ وَمَنْ حَدَّثَكَ بِهِ غَيْرِي

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৫৯. মা’মার যুহরী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তার নিকট একটি লিখিত পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করলাম, তারপর তাকে বললাম, আমি কি আপনার থেকে এ হাদীস বর্ণনা করতে পারি? তিনি বললেন: আমি ব্যতীত এ হাদীস তোমাকে আর কে বর্ণনা করেছে?[1]



[1]তাহক্বীক্ব : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৭; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৬৬, ২৭৩; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৭৭; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২২৭১, ২২৮০।









সুনান আদ-দারিমী (660)


أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَطَاءٍ مَوْلَى الْمُزَنِيِّينَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ عَرْضُ الْكِتَابِ وَالْحَدِيثُ سَوَاءٌ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف داود بن عطاء




৬৬০. হিশাম ইবনু উরওয়াহ তার পিতা উরওয়াহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (মুহাদ্দিসের সামনে) লিখিত পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করা এবং হাদীস (শোনানোর মাধ্যমে) উপস্থাপন করা- উভয়ই সমান।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা দাউদ ইবনু আত্বা যঈফ।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৭।