হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (681)


أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قُلْتُ أَرَأَيْتَ تَوَضُّؤَ ابْنِ عُمَرَ لِكُلِّ صَلَاةٍ طَاهِرًا أَوْ غَيْرَ طَاهِرٍ عَمَّ ذَلِكَ قَالَ حَدَّثَتْهُ أَسْمَاءُ بِنْتُ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي عَامِرٍ حَدَّثَهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمِرَ بِالْوُضُوءِ لِكُلِّ صَلَاةٍ طَاهِرًا أَوْ غَيْرَ طَاهِرٍ فَلَمَّا شَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ أُمِرَ بِالسِّوَاكِ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَرَى أَنَّ بِهِ عَلَى ذَلِكَ قُوَّةً فَكَانَ لَا يَدَعُ الْوُضُوءَ لِكُلِّ صَلَاةٍ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৮১. মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হিব্বান, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উমার হতে বর্ণণা করেন, তিনি বলেন, আমি (আব্দুল্লাহকে) বললাম: তুমি কি দেখনি যে, আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা ওযু থাকা বা না থাকা- zwj;উভয় অবস্থায় প্রত্যেক সালাতের পূর্বে ওযু করতেন? এর কারণ কী? তিনি জবাবে (একটি হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে) বলেন: তার নিকট আসমা বিনতে যাইদ ইবনুল খাত্তাব হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনু হানযালাহ ইবনু আবী আমির তার (আসমার) নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রতি সালাতের জন্য ওযু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু যখন এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কষ্টকর হলো, তখন প্রত্যেক সালাতের জন্য মিসওয়াক করার নির্দেশ দেয়া হলো। ইবনু উমার রা: মনে করতেন, তিনি এটি (প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু) করতে সক্ষম ছিলেন; বিধায় তিনি কোনো সালাতের সময়ই ওযু করা পরিত্যাগ করতেন না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। (হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন।)

তাখরীজ: আহমদ, ৫/২২৫; আবু দাউদ, ৪৮; বাইহাকী, তাহারাত ১/৩৭; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ ১৩৬ নং; আবী আসিম, আল আহাদ ওয়াল মাছনা ৪/২৪৪ নং ২২৪৭; হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৫৫-১৫৬।









সুনান আদ-দারিমী (682)


أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ حَتَّى كَانَ يَوْمُ فَتْحِ مَكَّةَ صَلَّى الصَّلَوَاتِ بِوُضُوءٍ وَاحِدٍ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ رَأَيْتُكَ صَنَعْتَ شَيْئًا لَمْ تَكُنْ تَصْنَعُهُ قَالَ إِنِّي عَمْدًا صَنَعْتُ يَا عُمَرُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد فَدَلَّ فِعْلُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ مَعْنَى قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ الْآيَةَ لِكُلِّ مُحْدِثٍ لَيْسَ لِلطَّاهِرِ وَمِنْهُ قَوْلُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا وُضُوءَ إِلَّا مِنْ حَدَثٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :




৬৮২. ইবনু বুরাইদাহ তার পিতা (বুরাইদাহ রা:) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতেন। কিন্তু তিনি মক্কা বিজয়ের দিন তিনি এক ওযুতে এবং দু’মোজার উপর মাসেহ করে সকল সালাত আদায় করলেন। এরপর উমার রা: তাঁকে বললেন: আপনাকে এমন কিছু আমি করতে দেখলাম, যা আপনি (ইতিপূর্বে) করেননি। তিনি বললেন: “হে উমার, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওটা করেছি।“

আবু zwj;মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল হচ্ছে এ কথার দলীল যে, আল্লাহ তা’আলার এ বাণী: (“যখন তোমরা সালাতের উদ্দেশ্যে দাঁড়াও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর“- আল মায়িদাহ: ৬) -এর অর্থ প্রত্যেক ‘মুহদিস’ (ওযু ভঙ্গকারী ব্যক্তি) এর জন্য ওযু করতে হবে, ওযু থাকলে তার জন্য এ নির্দেশ প্রযোজ্য নয়। এর মধ্যে রয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “ওযু ভঙ্গকারী লোক ব্যতীত আর কারো জন্য ওযু (জরুরী) নয়।“ আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ ৫/৩৫০, ৩৫১,৩৫৮; আব্দুর রাযযাক ১/৫৫ নং ১৫৮; মুসলিম ২৭৭; আবু দাউদ ১৭২; তিরিমিযী ৬১; নাসাঈ ১/৬; আবু আওয়ানাহ ১/২৩৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৪১; বাইহাকী, ১/১৬২; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ১; বাগবী, শারহুস zwj;সুন্নাহ নং ২৩১; ইবনু খুযাইমাহ ১২; তায়ালিসী ১/৫৪ নং ১৮৭; ইবনু আবী শাইবা ১/২৯; ইবনু মাজাহ ৫১০;...।









সুনান আদ-দারিমী (683)


أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ إِلَى الْحَاجَةِ أَبْعَدَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن




৬৮৩. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কতক সফরে সাথে তাঁর ছিলাম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হাজত পূরণে (পায়খানায়) গমন করতেন, তখন তিনি অনেক দূরে চলে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমদ ৪/২৪৮; আবু দাউদ ১; তিরিমিযী ২০; নাসাঈ ১/১৮, ১৯; ইবনুল জারুদ নং ২৭; বাইহাকী, ১/৯৩। আর শাহিদ হাদীস রয়েছে আব্দুর রহমান্ ইবনু আবী কুরাদ হতে নাসাঈ ১/১৭, ১৮; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৫১। আর মুগীরা’র হাদীসটি রয়েছে বুখারী ৩৬৩ ও মুসলিম ২৭৪ (৭৭) যেখানে রয়েছে: “যখন তিনি হাজতে যেতেন, তখন চলতে থাকতেন এমনকি তিনি আমার দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যেতেন এবং হাজত সারতেন।“









সুনান আদ-দারিমী (684)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَمْرِو بْنِ وَهْبٍ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَبَرَّزَ تَبَاعَدَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ الْأَدَبُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৮৪. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মলত্যাগ করতে যেতেন তখন অনেক দূরে চলে যেতেন। আবু মুহাম্মদ বলেন: এটাই এর শিষ্টাচার।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (685)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ الْحِمْيَرِيُّ أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْخَيْرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اكْتَحَلَ فَلْيُوتِرْ مَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ مَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ مَنْ فَعَلَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ مَنْ أَكَلَ فَلْيَتَخَلَّلْ فَمَا تَخَلَّلَ فَلْيَلْفِظْ وَمَا لَاكَ بِلِسَانِهِ فَلْيَبْتَلِعْ مَنْ أَتَى الْغَائِطَ فَلْيَسْتَتِرْ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ إِلَّا كَثِيبَ رَمْلٍ فَلْيَسْتَدْبِرْهُ فَإِنَّ الشَّيَاطِينَ يَتَلَاعَبُونَ بِمَقَاعِدِ بَنِي آدَمَ مَنْ فَعَلَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ




৬৮৫. আবু হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে সুরমা ব্যবহার করে, সে যেন বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে; যে ব্যক্তি এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) না করে, তাতে কোনো ক্ষতি নেই। যে ব্যক্তি কুলুখ ব্যবহার করে, সে যেনো বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) না করে, তাতে কোনো ক্ষতি নেই। যে ব্যক্তি খাওয়ার পর খিলাল দ্বারা দাঁতের ভুক্ত অংশ বের করে সে যেনো তা (মুখ থেকে বাইরে) ফেলে দেয়। আর জিহবার স্পর্শে যা বের হয়, তা যেন যেন খেয়ে ফেলে। যে ব্যক্তি এরূপ করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ না করে, তাতে কোনো দোষ নেই। যে ব্যক্তি পায়খানায় গমন করে, সে যেন আড়াল করে নেয়। যদি আড়াল করার মতো কিছু না পায়, তবে সে যেন অন্ততঃ বালুর স্তুপ করে তার দিকে পিঠ ফিরিয়ে বসে। কেননা, শয়তান বনী আদমের গুপ্তাঙ্গ (পর্দার স্থান তথা পেশাব-পায়খানার স্থান) নিয়ে খেলা করে। যে ব্যক্তি এরূপ করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ না করে, তাতে কোনো দোষ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান; (তবে একে সহীহ বলেছেন হাকিম এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন)

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১০। (এটি বর্ণনা করেছেন: আহমদ ২/৩৭১ নং ৮৮২৫; আবু দাউদ নং ৩৫; ইবনু মাজাহ ৩৩৭-৩৩৮, ৩৪৯৮; বাইহাকী, আল কুবরা ১/৯৪; হাকিম ৪/১৩৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ৪/২৫৭ নং ১৪১০; )









সুনান আদ-দারিমী (686)


أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ مَوْلَى الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ كَانَ أَحَبَّ مَا اسْتَتَرَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَاجَتِهِ هَدَفٌ أَوْ حَائِشُ نَخْلٍ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৮৬. আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাজত পূরণের সময় যা দিয়ে আড়াল করতেন, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয় ছিল টিলা (উচ্চভূমি) এবং একত্রিত খেজুর গাছ।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৪২; বাইহাকী, ১/৯৪; ইবনু খুযাইমা নং ৫৩; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দেখুন মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৭৮৭, ৬৭৮৮ (আমাদের তাহক্বীক্বকৃত)।









সুনান আদ-দারিমী (687)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ مَالِكٍ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ مَوْلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ فَقُلْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ عَلَيْكُمْ السَّلَامَ وَيَأْمُرُكُمْ إِذَا خَرَجْتُمْ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح بشواهده




৬৮৭. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন: “তুমি মক্কাবাসীর প্রতি আমার প্রেরিত দূত। ফলে তুমি তাদেরকে বলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে সালাম জানিয়েছেন এবং আদেশ করেছেন যে, যখন তোমরা (পেশাব-পায়খানার উদ্দেশ্যে) যাও, তখন কিবলাকে সম্মুখে কিংবা পিছনে রেখে বসো না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কিন্তু হাদীস সহীহ এর অনেকগুলি শাহিদ সহীহ হাদীস থাকার কারণে।

তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০২৩, ৬৯৮৫ এ। (বুখারী, আত তারীখুল কাবীর ১/২১১, তরজমাহ ৬৬৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক ৩/৪১২ ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ৮/৪৬৬ নং ১৫৯২০; আহমদ ৩/৪৮৭ নং ১৬০২৭- ফাতহুল মান্নান হা/৭০৯ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।)









সুনান আদ-দারিমী (688)


أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَتَيْتُمْ الْغَائِطَ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلَا بَوْلٍ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا قَالَ ثُمَّ قَالَ أَبُو أَيُّوبَ فَقَدِمْنَا الشَّامَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ قَدْ بُنِيَتْ عِنْدَ الْقِبْلَةِ فَنَنْحَرِفُ وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ وَعَبْدُ الْكَرِيمِ شِبْهُ الْمَتْرُوكِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৮৮. আবু আইয়্যুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা পায়খানায় যাও, তখন কিবলার দিকে মুখ করে বসো না এবং পিছন করেও বসো না- পায়খানার সময়ও না, পেশাব করতেও না; বরং পূর্বদিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসো।“[1] আবু আইয়্যুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর আমরা শাম (সিরিয়া) গেলাম। সেখানে আমরা দেখলাম যে, শৌচাগারগুলো কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছে। তখন আমরা অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতাম এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।[2]আবু মুহাম্মদ বলেন: এটি আব্দুল কারীমের হাদীসের চেয়ে অধিক সহীহ। আর আব্দুল কারীম ‘মাতরুক’ -হওয়ার নিকটবর্তী।

[1] মদীনা তাইয়্যেবা মক্কা মুকাররমা হতে উত্তরে অবস্থিত। এ হুকুম মদীনাবাসী ও দক্ষিণে অবস্থিত অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য। পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থানরতদের জন্য উত্তর-দক্ষিণমুখী বসার নির্দেশ প্রযোজ্য হবে।

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৩৯৪; সহীহ মুসলিম ২৬৪; আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১৬, ১৪১৭; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৮২।









সুনান আদ-দারিমী (689)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَرْفَعُ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنْ الْأَرْضِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ أَدَبٌ وَهُوَ أَشْبَهُ مِنْ حَدِيثِ الْمُغِيرَةِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لم يسمعه الأعمش من أنس




৬৮৯. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পেশাব-পায়খানার সময়) ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কাপড় উঠাতেন না।[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: এটাই শিষ্টাচার। এটি মুগীরাহ’র হাদীসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কেননা, আ’মাশ আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শোনেন নি।

তাখরীজ: তিরমিযী ১৪; আবু দাউদ ১৪; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১৪/২০৮।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু উমার হতে আবু দাউদ ১৪; বাইহাকী ১/৯৬ অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে এ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১/১০৭ মুনকাতি’ সনদে; বাইহাকী ১/৯৬ এ অপর একটি সহীহ সনদে।

এর অপর শাহিদ জাবির রা: হতে মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০৩৪ এ এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি।









সুনান আদ-দারিমী (690)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ وَاسِعَ بْنَ حَبَّانَ أَخْبَرَهُ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى ظَهْرِ بَيْتِنَا فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسًا عَلَى لَبِنَتَيْنِ مُسْتَقْبِلَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৯০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ‘একদা আমি আমাদের ঘরের উপরে উঠে দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’টি ইটের উপর বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বসেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৪৮-১৪৯; সহীহ মুসলিম ২৬৬; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১৮,১৪২১; আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/৯৮; সুনানে দারুকুতনী ১/৬১; আল মুহাল্লা ১/১৯৪-১৯৫; তামহীদ ১/৩০৫-৩০৬।









সুনান আদ-দারিমী (691)


أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى سُبَاطَةِ قَوْمٍ فَبَالَ وَهُوَ قَائِمٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَعْلَمُ فِيهِ كَرَاهِيَةً




৬৯১. হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা এক কওমের ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে এসে দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি এ ব্যাপারে অপছন্দনীয় কিছু আছে বলে জানি না।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২২৪; সহীহ মুসলিম ২৭৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪২৪, ১৪২৫, ১৪২৭, ১৪২৮; মুসনাদে হুমাইদী নং ৪৪৭; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১০৯।









সুনান আদ-দারিমী (692)


أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ قَالَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৯২: আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث – “আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ“- হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র জিনিস ও শয়তান থেকে তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। বুখারী মুসলিম বর্ণিত হাদীস।

তাখরজি: সহীহ বুখারী ১৪২; সহীহ মুসলিম ৩৭৫; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯০২, ৩৯৩১, ৩৯৪০ এবং সহীহ ইবনু হ্বিব্বান নং ১৪০৭।









সুনান আদ-দারিমী (693)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ قُرْطٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْغَائِطِ فَلْيَذْهَبْ مَعَهُ بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ يَسْتَطِيبُ بِهِنَّ فَإِنَّهَا تُجْزِئُ عَنْهُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد




৬৯৩. আয়শা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন পায়খানায় যায়, সে যেন তার সাথে তিনটি পাথর (কুলুখ) নিয়ে যায়, যা দ্বারা সে পবিত্রতা অর্জন করবে। আর এটাই তার জন্য যথেষ্ট।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)। এ হাদীসের শাহিদ রয়েছে যা একে সহীহতে উন্নীত করে।

তাখরীজ: আহমদ ১/১৩৩; আবু দাউদ ৪০; বাইহাকী, ১/১০৩; নাসাঈ ১/৪১-৪২; বুখারী, আল কাবীর ৭/২৭১; দারুকুতনী ১/৫৪-৫৫; তাহাবী শারহু মা’আনিল আছার ১/১২১।

দেখুন, নাসাবুর রায়াহ ১/২১৫; তালখীসুল হাবীর ১/১০৯; নাইলুল আওতার ১/১১০।









সুনান আদ-দারিমী (694)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ أَخْبَرَنَا عَلِيٌّ هُوَ ابْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ خُزَيْمَةَ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةُ أَحْجَارٍ لَيْسَ مِنْهُنَّ رَجِيعٌ يَعْنِي الِاسْتِطَابَةَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده جيد




৬৯৪. খুযাইমাহ ইবনু ছাবিত আল আনসারী তার পিতা (ছাবিত) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (ইস্তিনজার সময় কয়টি পাথর ব্যবহার করা উচিত- এ মর্মে জিজ্ঞাসিত হয়ে) বলেছেন: তিনটি পাথর, যার মধ্যে গোবর থাকবে না। এর অর্থ: পবিত্রতা অর্জনের জন্য।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১/১৫৪; আহমদ ৫/২১৩,২১৪,২১৫; আবু দাউদ ৪১; বাইহাকী ১/১০৩; ইবনু মাজাহ ৩১৫; ইবনু আব্দুল বার, তামহীদ ২২/৩০৯; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১৭৭।









সুনান আদ-দারিমী (695)


أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ هُوَ ابْنُ أَبِي الْمُخَارِقِ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ مَالِكٍ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ مَوْلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ فَقُلْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ عَلَيْكُمْ السَّلَامَ وَيَأْمُرُكُمْ أَنْ لَا تَسْتَنْجُوا بِعَظْمٍ وَلَا بِبَعْرَةٍ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ مَرَّةً وَيَنْهَاكُمْ أَوْ يَأْمُرُكُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني : إسناده ضعيف والحديث صحيح




৬৯৫. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেনঃ “তুমি মক্কাবাসীর প্রতি আমার প্রেরিত দূত। ফলে তুমি তাদেরকে বলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে সালাম জানিয়েছেন এবং আদেশ করেছেন যে, তোমরা হাড় কিংবা পশুর মল (গোবর) দ্বারা ইসতিনজা (পবিত্রতা অর্জন) করো না।[1]

আবু আসিম একবার বলেছেন: ‘তিনি তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন, (আরেকবার বলেছেন) অথবা তোমাদেরকে আদেশ করেছেন।’

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কিন্তু হাদীসটি সহীহ যা ৬৯১ (৬৮৭) তে গত হয়েছে।









সুনান আদ-দারিমী (696)


أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَأَبُو نُعَيْمٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَمَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ وَلَا يَتَمَسَّحْ بِيَمِينِهِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৯৬. আব্দুল্লাহ্ ইবনু আবী কাতাদাহ তার পিতা (আবু কাতাদাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “(যখন পায়খানায় যায় তখন) তোমাদের কেউ তার ডান হাত দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য না করে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ১৫৩, ১৫৪; মুসলিম ২৬৭; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৩৪; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৩২।









সুনান আদ-দারিমী (697)


حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْقَعْقَاعِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ مِثْلُ الْوَالِدِ لِلْوَلَدِ أُعَلِّمُكُمْ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا وَإِذَا اسْتَطَبْتَ فَلَا تَسْتَطِبْ بِيَمِينِكَ وَكَانَ يَأْمُرُنَا بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ وَيَنْهَى عَنْ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ قَالَ زَكَرِيَّا يَعْنِي الْعِظَامَ الْبَالِيَةَ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده حسن




৬৯৭. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: সন্তানদের পিতা যেভাবে (শিক্ষা দেয়), আমিও তোমাদেরকে ঠিক তেমনিভাবেই শিক্ষা দেই। অতএব, তোমরা কিবলাকে সামনে রেখে কিংবা পিছনে রেখে (পেশাব-পায়খানায়) বসবে না; আর যখন তোমরা ইসতিনজা (পবিত্রতা অর্জন) করবে, তখন ডান হাত দিয়ে ইসতিনজা করবে না।

আর তিনি আমাদেরকে তিনটি পাথর দিয়ে (ইসতিনজা করতে) আদেশ করতেন এবং পশুর মল (গোবর) ও হাড় দ্বারা (ইসতিনজা করতে) নিষেধ করতেন।[1]আর যাকারিয়া বলেন: এর অর্থ জীর্ণ বা পুরাতন হাড়।

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান;

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৩১, ১৪৪০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২৮, ১২৯, ১৩০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০১৮ তে।

আরও বর্ণনা করেছেন, শাফিঈ, আল উম্মু ১/২২, মুসনাদ ১/২৮; বাইহাকী, আল মা’রিফাহ ১/৩৪৩ নং ৮৪৬।

(সুনান ১/১০ নং ৫০; সুনানুল কুবরা ১/৯১; আহমদ, আল মুসনাদ ২/২৪৭, ২৫০ নং ৭৩৬২, ৭৪০৩; আবু দাউদ ৮; নাসাঈ ৪০; ইবনু মাজাহ ৩১২; সহীহ মুসলিম, কিতাবুত তাহারাত (সংক্ষিপ্ত আকারে)- ফাতহুল মান্নান। - অনুবাদক।)









সুনান আদ-দারিমী (698)


أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا ذَهَبَ لِحَاجَتِهِ أَتَيْتُهُ أَنَا وَغُلَامٌ بِعَنَزَةٍ وَإِدَاوَةٍ فَيَتَوَضَّأُ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৯৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর হাজত (প্রাকৃতিক প্রয়োজন) সারতে যেতেন, তখন আমি ও একটি ছেলে ‘আনাযাহ’ ও পানির পাত্র নিয়ে তাঁর নিকট যেতাম। অতঃপর তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৫০; মুসলিম ২৭১; আমরা পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৬৫৯, ৩৬৬২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৪২; পরবর্তী টীকাটি দেখুন। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/১২১।









সুনান আদ-দারিমী (699)


أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي مُعَاذٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ الْخَلَاءِ جَاءَ الْغُلَامُ بِإِدَاوَةٍ مِنْ مَاءٍ كَانَ يَسْتَنْجِي بِهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَبُو مُعَاذٍ اسْمُهُ عَطَاءُ بْنُ مَنِيعٍ أَبِي مَيْمُونَةٍ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح




৬৯৯. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বের হতেন, তখন একটি বালক পানির পাত্র নিয়ে আসতো। তিনি তা দ্বারা ইসতিনজা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ১৫০-১৫১। এবং পূর্ববর্তী টীকাটি দেখুন।









সুনান আদ-দারিমী (700)


أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ ذَرٍّ عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ نَجَبَةَ قَالَ حَدَّثَتْنِي عَمَّتِي وَكَانَتْ تَحْتَ حُذَيْفَةَ أَنَّ حُذَيْفَةَ كَانَ يَسْتَنْجِي بِالْمَاءِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه جهالة




৭০০. মুসাইয়্যেব ইবনু নুজাবাহ বলেন, আমার চাচা যিনি zwj;হুযায়ফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র অধীনে থাকতেন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, এ সনদে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে ...।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১/১৫২।