সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمَرْأَةِ الْحَامِلِ إِذَا ضَرَبَهَا الطَّلْقُ وَرَأَتْ الدَّمَ عَلَى الْوَلَدِ فَلْتُمْسِكْ عَنْ الصَّلَاةِ وَقَالَ عَبْد اللَّهِ تُصَلِّي مَا لَمْ تَضَعْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৮১. ইউনুস হতে বর্ণিত, গর্ভবতী নারীর সম্পর্কে হাসান রাহি. বলেন, যদি তার প্রসব বেদনা উঠে, আর সে প্রসবকালীন রক্ত দেখে, তবে সে যেন সালাত থেকে বিরত থাকে।[1]
আব্দুল্লাহ বলেন: বাচ্চা প্রসব না করা পর্যন্ত সে সালাত আদায় করবে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু্ আবী শাইবা ২/২১৩।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ فِي النُّفَسَاءِ كَطُهْرِ امْرَأَةٍ مِنْ نِسَائِهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৮২. মা’মার হতে বর্ণিত, কাতাদা রাহি. (মহিলাদের) নিফাসের (প্রসূতি অবস্থার) সময়সীমা সম্পর্কে বলেন, তা তাদের পরিবারের অন্যান্য নারীদের সময়সীমা অনুসারে হবে, যেমন পবিত্রতার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২০০।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي النُّفَسَاءِ تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا فَإِنْ رَأَتْ الطُّهْرَ فَذَاكَ وَإِنْ لَمْ تَرَ الطُّهْرَ أَمْسَكَتْ عَنْ الصَّلَاةِ أَيَّامًا خَمْسًا سِتًّا فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا أَمْسَكَتْ عَنْ الصَّلَاةِ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْخَمْسِينَ فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
৯৮৩. ইউনুস থেকে বর্ণিত, হাসান রাহি. প্রসূতি (নিফাসগ্রস্ত) মহিলা সম্পর্কে বলেন, সে সালাত আদায় করা হতে চল্লিশ দিন বিরত থাকবে। তারপর যদি সে পবিত্রাবস্থা লক্ষ্য করে তো তা (ভালোই)। আর যদি সে পবিত্রাবস্থা দেখতে না পায়, তবে এরপর সে পাঁচ-ছয়দিন যাবত সালাত হতে বিরত থাকবে। যদি সে পবিত্রতা লক্ষ্য করে তো ভালোই। তা না হলে সে এরপর থেকে পঞ্চাশ দিন হওয়া পর্যন্ত যে কয়দিন অবশিষ্ট থাকবে, সে কয়দিনও সে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। এরপর যদি সে পবিত্র হয়ে যায় তো ভালো, তা না হলে সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা বলে গণ্য হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: এটি ৮৫৯ (অনুবাদে ৮৫৫) নং এ গত হয়েছে। আরও দেখুন পরবর্তী টীকাটি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ أَنَّهُ كَانَ لَا يَقْرَبُ النُّفَسَاءَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا وَقَالَ الْحَسَنُ النُّفَسَاءُ خَمْسَةٌ وَأَرْبَعُونَ إِلَى خَمْسِينَ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده منقطع الحسن لم يسمع من عثمان شيئا
৯৮৪. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, উছমান ইবনু আবিল আ’স চল্লিশ দিন তার (নিফাসগ্রস্ত) প্রসূতি স্ত্রীলোকদের নিকটবর্তী হতেন না। এবং হাসান বলেন, নিফাস (প্রসূতি)-এর মেয়াদকাল পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত। এরচেয়ে বেশিদিন ধরে (নিফাসকালীন স্রাব) হলে সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত ।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। হাসান উছমান হতে কিছুই শ্রবণ করেননি।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২০১; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ১১৮; পরবর্তী টীকাটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ قَالَ وَقْتُ النُّفَسَاءِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا فَإِنْ طَهُرَتْ وَإِلَّا فَلَا تُجَاوِزْهُ حَتَّى تُصَلِّيَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف إسماعيل بن مسلم والحسن لم يسمع من عثمان شيئا
৯৮৫. (অপর সূত্রে) হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, উছমান ইবনু আবিল আ’স বলেন: নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) অবস্থার সময়সীমা চল্লিশ দিন। যদি এ সময়ের মধ্যে পবিত্র হয়ে যায়, তো ভালো; আর (পবিত্র) না হলে সে এ সীমা (চল্লিশ দিন) অতিক্রম করবে না। এমনকি সে সালাত আদায় করতে থাকবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, ইসমাঈল ইবনু মুসলিম যঈফ। এবং হাসান উছমান হতে কিছুই শোনেননি। আগের টীকাটি দেখুন।
তাখরীজ: বাইহাকী, ১/৩৪১ আগের সনদটির চেয়েও অধিক যঈফ।...; আব্দুর রাযযাক নং ১২০২ এ সনদে অজ্ঞাত রাবী রয়েছে; হাফিজ তালখীসুল হাবীর ১/১৭১ এ বলেন, এটি মুনকাতি’ এবং মাশহুর হলো এটি উছমান এর কথা হিসেবে মাওকুফ। আরও দেখুন, দারুকুতনী ১/২২০ নং ৬৭, ৬৮, ৬৯।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ إِنْ كَانَ لِلنُّفَسَاءِ عَادَةٌ وَإِلَّا جَلَسَتْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৮৬. আশ’আস হতে বর্ণিত, আতা বলেন, নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলার (পূর্ব) অভ্যাস থাকে, (তবে সেটি হবে তার সময়সীমা;) তা নাহলে সে চল্লিশ দিন অপেক্ষা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৩৬৮, সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ النِّفَاسُ حَيْضٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف وابن جريج قد عنعن وهو مدلس
৯৮৭. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা রাহি. বলেন, নিফাস হচ্ছে হায়েয।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন’আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: ((মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক।))
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَنْتَظِرُ النُّفَسَاءُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ نَحْوَهَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৮৮. ইউসুফ ইবনু মাহাক থেকে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলা চল্লিশ দিন অথবা, অনুরূপ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৩৬৮; বাইহাকী ১/৩৪১; সামনে ৯৯৭ (অনুবাদে ৯৯১) নং এ আসছে।
أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ أَبِي سَهْلٍ الْبَصْرِيِّ عَنْ مُسَّةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ كَانَتْ النُّفَسَاءُ تَجْلِسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً وَكَانَتْ إِحْدَانَا تَطْلِي الْوَرْسَ عَلَى وَجْهِهَا مِنْ الْكَلَفِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৯৮৯. উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যামানায় নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) নারীরা চল্লিশদিন কিংবা চল্লিশ রাত্রি বিরত থাকতো। আমাদের কেউ কেউ মুখের তামাটে রংয়ের দাগ (দূর করার) জন্য মুখমণ্ডলে ‘ওয়ার্’সা’[1] নামক গাছের (নির্যাসের) প্রলেপ ব্যবহার করতেন।[2]
[1] ওয়ারসা’: এক প্রকার হলুদ উদ্ভিদ যা ইয়েমেনে জন্মায়। এথেকে মুখমণ্ডলে ব্যবহারের জন্য প্রলেপ তৈরী করা হয়।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ। ... হাফিজ তাকরীব’ এ বলেন: একে সহীহ বলেছেন, বুখারী, তিরমিযী, হাকিম, যাহাবী এবং হাসান ও জাইয়্যেদ বলেছেন নববী তার ‘আল মাজমু’ ২/৫২৫ তে...।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৬৮; আহমাদ ৬/৩০০, ৩০৩, ৩০৪, ৩০৯-৩১০; আবু দাউদ ৩১১; হাকিম ১/১৭৫; দারুকুতনী ১/২২২; বাইহাকী ১/৩৪১; আল মা’রিফাহ নং ২২৮১; ইবনু হিব্বান, আল মাজরুহীন ২/২২৪-২২৫; তিরমিযী ১৩৯; ইবনু মাজাহ ৬৪৮। মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০২৩ এ আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি।
এ অনুচ্ছেদে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আনাস রা: থেকে, যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৭৯১। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/১৭১।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ جَلْدٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ أَنَّ امْرَأَةً لِعَائِذِ بْنِ عَمْرٍو نُفِسَتْ فَجَاءَتْ بَعْدَمَا مَضَتْ عِشْرُونَ لَيْلَةً فَدَخَلَتْ فِي لِحَافِهِ فَقَالَ مَنْ هَذِهِ قَالَتْ أَنَا فُلَانَةُ إِنِّي قَدْ تَطَهَّرْتُ فَرَكَضَهَا بِرِجْلِهِ فَقَالَ لَا تُغَرِّنِي عَنْ دِينِي حَتَّى تَمْضِيَ أَرْبَعُونَ لَيْلَةً
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف جدا
৯৯০. মুয়াবিয়াহ ইবনু কুররাহ হতে বর্ণিত, আয়িয ইবনু আমরের এক স্ত্রী নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) হলেন, তারপর বিশ রাত অতিক্রান্ত হলে সেই স্ত্রী তার (আয়িযের) লেপের নিচে প্রবেশ করতে গেলে তিনি বলেন: তুমি কে? সেই স্ত্রী বললো: আমি অমুক (স্ত্রী)। আমি পবিত্রতা লাভ করেছি’। একথা শুনে তিনি তাকে পা দিয়ে লাথি মেরে বললেন: আমার দীন নিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করো না। (তুমি আমার নিকটবর্তী হয়ো না) যতক্ষণ না চল্লিশ রাত অতিক্রান্ত হয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল বা জাল পর্যায়ের)। হাদীস নং ৮৬২ (অনুবাদে ৮৫৮) এর টীকাটি দেখুন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৩৬৭; দারুকুতনী ১/২২২, দারুকুতনী জালদ-কে যঈফ বলেছেন।
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ النُّفَسَاءُ تَجْلِسُ نَحْوًا مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْمًا
৯৯১. ইউসুফ ইবনু মাহাক হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলা চল্লিশ দিন মতো অপেক্ষা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ৯৯৪ (অনুবাদে ৯৮৮) এ গত হয়েছে।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ النُّفَسَاءُ تَنْتَظِرُ نَحْوًا مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْمًا
৯৯২. (অপর সূত্রে) ইউসুফ ইবনু মাহাক হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলা চল্লিশ দিন মতো অপেক্ষা করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
তাখরীজ: পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের হাদীসটি দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الْحَسَنَ قَالَ فِي النُّفَسَاءِ الَّتِي تَرَى الدَّمَ تَرَبَّصُ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ثُمَّ تُصَلِّي وَقَالَ الشَّعْبِيُّ شَهْرَيْنِ ثُمَّ هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :أثران بإسناد واحد وهو أسناد جيد
৯৯৩. মু’তামির তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, হাসান রাহি. বলেন, নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলা যে রক্ত দেখতে পায়, সে চল্লিশ রাত অপেক্ষা করবে। তারপর সে সালাত আদায় করবে। তিনি বলেন: এবং শা’বী (এ সম্পর্কে) বলেন: (সেই মহিলা) দু’মাস (অপেক্ষা করবে), তারপর (ও স্রাব চলতে থাকলে) সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্থলাভিষিক্ত হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ আছার (হাদীস) দু’টির সনদ একই। আর এ সনদটি জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/৩৬৭-৩৬৮।
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَفْطَسُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ بْنَ الْحَارِثِ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ الْمَرْأَةُ تَنْتَظِرُ مِنْ الْغُلَامِ ثَلَاثِينَ يَوْمًا وَمِنْ الْجَارِيَةِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا يَعْنِي النُّفَسَاءَ قَالَ مَرْوَانُ هُوَ قَوْلُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَقَالَ الْأَوْزَاعِيُّ هُمَا سَوَاءٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৯৪. আলা’ ইবনুল হারিছ হতে বর্ণিত, মাকহুল বলেন, ছেলে সন্তান হলে মহিলা তিরিশ দিন অপেক্ষা করবে; আর মেয়ে সন্তান হলে চল্লিশ দিন অপেক্ষা করবে। এর অর্থ: নিফাসগ্রস্ত (প্রসূতি) মহিলা।
মারওয়ান বলেন: এটি সাঈদ ইবনু আব্দুল আযীযেরও মত। আর আওযাঈ বলেন: তারা (ছেলে-মেয়ে) উভয়ে সমান।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি আমি আর অন্য কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ عِنْدَ الطَّلْقِ يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ فَهُوَ مِنْ النِّفَاسِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৯৫. ইউনুস থেকে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, যদি সে (গর্ভবতী) নারী প্রসবের নিকটবর্তী সময়ে দু’-একদনি রক্ত দেখে, তবে তা নিফাসগ্রস্ত মহিলা বলে গণ্য হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْحَامِلِ تَرَى الدَّمَ وَهِيَ تَطْلُقُ قَالَ تَصْنَعُ مَا تَصْنَعُ الْمُسْتَحَاضَةُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج
৯৯৬. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, এমন গর্ভবতী মহিলা, যার প্রসব আসন্ন, সে যদি রক্ত দেখতে পায়, তার সম্পর্কে আতা’ রাহি. বলেন, একজন ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা যা করে, সেও তাই করবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। ইবনু জুরাইজ আন’আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। আর তিনি মুদাল্লিস। কিন্তু এটি ‘হাদ্দাছানা’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১২১২ তে।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/২১৩।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الْمَرْأَةِ تُجْنِبُ ثُمَّ تَحِيضُ قَالَ تَغْتَسِلُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৯৭. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, এমন মহিলা যে, ‘জুনুবী’ হয়, আর এর পরপরই তার হায়েয আসে- এমন মহিলা সম্পর্কে ইবরাহীম রাহি. বলেন, তাকে (জানাবাতের ফরয) গোসল করতে হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৭৭; আব্দুর রাযযাক নং ১০৫৯, ১০৬০ সহীহ সনদে। এটি ১০০৬ (অনুবাদে ১০০০) নং এ আসছে। সেখানে পূর্ণ তারখরীজ দেখুন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ مِثْلَهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৯৮. হিশাম রাহি. হাসান রাহি. হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদটি আগের হাদীসটির সনদের অনুরূপ (তথা সহীহ)।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১০৫৯, ১৩০০ সহীহ সনদে; এটি সামনে ১০০৮ (অনুবাদে ১০০২) নং এ আসছে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ الْحَيْضُ أَكْبَرُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৯৯৯. আলা ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আতা রাহি. বলেছেন, হায়েয (জানাবাত হতে) অনেক বেশি গুরত্বপূর্ণ বিষয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১০৫৯, ১০৬০, ১২৯৯ সহীহ সনদে।
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي رَجُلٍ غَشِيَ امْرَأَتَهُ فَحَاضَتْ فَقَالَ تَغْتَسِلُ أَحَبُّ إِلَيَّ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :أثر صحيح
১০০০. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, এমন মহিলা যার স্বামী তার সাথে মিলিত হলো, এরপর তার হায়েয হলো- এমন মহিলা সম্পর্কে ইবরাহীম রাহি. বলেন, ‘সে গোসল করবে’- এটাই আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি ১০০৩ (অনুবাদে ৯৯৭)