হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (101)


101 - حَدَّثَنَا سَكَنُ بْنُ نَافِعٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ دَرَّاجٍ: أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ سَبَّحَ بَعْدَ الْعَصْرِ رَكْعَتَيْنِ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ، فَرَآهُ عُمَرُ فَتَغَيَّظَ عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: أَمَا وَاللهِ لَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهَا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




রবীয়া ইবনে দাররাজ বলেছেন যে, আলী ইবনে আবি তালেব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মক্কা যাওয়ার পথে আছরের পর দু’রাকআত নামায পড়লেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটা দেখে তার ওপর রাগান্বিত হলেন এবং বললেনঃ আল্লাহর কসম, আমি জানি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা নিষিদ্ধ করেছেন। (দেখুন, হাদীস নং ১০৬)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (102)


102 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ قُرَيْشٍ مِنْ بَنِي سَهْمٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْهُمْ يُقَالُ لَهُ: مَاجِدَةُ، قَالَ: عَارَمْتُ غُلامًا بِمَكَّةَ فَعَضَّ أُذُنِي فَقَطَعَ مِنْهَا - أَوْ عَضِضْتُ أُذُنَهُ فَقَطَعْتُ مِنْهَا - فَلَمَّا قَدِمَ عَلَيْنَا أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ حَاجًّا رُفِعْنَا إِلَيْهِ، فَقَالَ: انْطَلِقُوا بِهِمَا إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَإِنْ كَانَ الْجَارِحُ بَلَغَ أَنْ يُقْتَصَّ مِنْهُ فَلْيَقْتَصَّ، قَالَ: فَلَمَّا انْتُهِيَ بِنَا إِلَى عُمَرَ نَظَرَ إِلَيْنَا، فَقَالَ: نَعَمْ، قَدْ بَلَغَ هَذَا أَنْ يُقْتَصَّ مِنْهُ، ادْعُوا لِي حَجَّامًا. فَلَمَّا ذَكَرَ الْحَجَّامَ، قَالَ: أَمَا إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " قَدْ أَعْطَيْتُ خَالَتِي غُلامًا، وَأَنَا أَرْجُو أَنْ يُبَارِكَ اللهُ لَهَا فِيهِ، وَقَدْ نَهَيْتُهَا أَنْ تَجْعَلَهُ حَجَّامًا أَوْ قَصَّابًا أَوْ صَائِغًا " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




আবদুর রহমান বিন ইয়াকুব বনু সাহম বংশোদ্ভূত মাজেদা নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে, মাজেদা বলেছেনঃ মক্কায় এক যুবকের সাথে আমার সংঘর্ষ বেধেছিল। তখন সে আমার কান কামড়ে তার একাংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে, অথবা আমি তার কান কামড়ে একাংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলি। (বর্ণনাকারীর সন্দেহ যে, মাজেদা এই দুটি কথার যে কোন একটি বলেছে) এরপর যখন আবু বাকর হজ্জ করতে মক্কায় এলেন, তখন আমাদের উভয়ের ঘটনাটি তার কাছে পেশ করা হলো। তখন তিনি আমাদের উভয়কে উমার ইবনুল খাত্তাবের কাছে নিয়ে যেতে আদেশ দিলেন। আমাদেরকে যখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো, তখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ, ব্যাপারটা এতদূর গড়িয়েছে যে, কিসাস নিতে হবে। (সমপরিমাণ বদলা নিতে হবে, অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির কান কেটে দিতে হবে) তোমরা একজন হাজ্জামকে (পেশাদার কর্তনকারী) আমার কাছে ডেকে আন। তিনি যখন হাজ্জামের কথা বললেন, তখন মাজেদা বললেনঃ শুনে রাখুন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আমি আমার খালাকে একটি দাস দান করেছি আর আমি আশা করি আল্লাহ্‌ তাকে এর মধ্যে বরকত দিবেন। আমি তাকে (দাসটিকে) পেশাদার কর্তনকারী, কিংবা কসাই কিংবা স্বর্ণকারে পরিণত করতে খালাকে নিষেধ করেছি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (103)


103 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي الْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي سَهْمٍ عَنِ ابْنِ مَاجِدَةَ السَّهْمِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: حَجَّ عَلَيْنَا أَبُو بَكْرٍ فِي خِلافَتِهِ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




আবদুর রহমান বিন ইয়াকুব বনু সাহম বংশোদ্ভূত মাজেদা নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে, মাজেদা বলেছেনঃ মক্কায় এক যুবকের সাথে আমার সংঘর্ষ বেধেছিল। তখন সে আমার কান কামড়ে তার একাংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে, অথবা আমি তার কান কামড়ে একাংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলি। (বর্ণনাকারীর সন্দেহ যে, মাজেদা এই দুটি কথার যে কোন একটি বলেছে) এরপর যখন আবু বাকর হজ্জ করতে মক্কায় এলেন, তখন আমাদের উভয়ের ঘটনাটি তার কাছে পেশ করা হলো। তখন তিনি আমাদের উভয়কে উমার ইবনুল খাত্তাবের কাছে নিয়ে যেতে আদেশ দিলেন। আমাদেরকে যখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট নিয়ে যাওয়া হলো, তখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ, ব্যাপারটা এতদূর গড়িয়েছে যে, কিসাস নিতে হবে। (সমপরিমাণ বদলা নিতে হবে, অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তির কান কেটে দিতে হবে) তোমরা একজন হাজ্জামকে (পেশাদার কর্তনকারী) আমার কাছে ডেকে আন। তিনি যখন হাজ্জামের কথা বললেন, তখন মাজেদা বললেনঃ শুনে রাখুন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আমি আমার খালাকে একটি দাস দান করেছি আর আমি আশা করি আল্লাহ্‌ তাকে এর মধ্যে বরকত দিবেন। আমি তাকে (দাসটিকে) পেশাদার কর্তনকারী, কিংবা কসাই কিংবা স্বর্ণকারে পরিণত করতে খালাকে নিষেধ করেছি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (104)


104 - حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: خَطَبَ عُمَرُ النَّاسَ، فَقَالَ: " إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ رَخَّصَ لِنَبِيِّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا شَاءَ، وَإِنَّ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ مَضَى لِسَبِيلِهِ، فَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ كَمَا أَمَرَكُمُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ، وَحَصِّنُوا فُرُوجَ هَذِهِ النِّسَاءِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح رجاله ثقات رجال الصحيح ابو نضره هو المنذر بن مالك بن قطعه العبدي ]




আবু সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জনগণের সামনে এক ভাষণ দিতে গিয়ে বললেনঃ মহান আল্লাহ যেমন চেয়েছেন, তাঁর নবীকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। আর আল্লাহর নবী আল্লাহর পথেই চলেছেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহ যেভাবে আদেশ দিয়েছেন, সেভাবে হজ্জ ও উমরা সম্পাদন কর। আর নারীদের সতীত্ব সুরক্ষিত কর। (অর্থাৎ তাদেরকে অবিবাহিত রেখ না।)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (105)


105 - حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَرْقُدُ الرَّجُلُ إِذَا أَجْنَبَ؟ قَالَ: نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط البخاري رجاله ثقات ]




উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন ব্যক্তি (বীর্যপাতের কারণে) অপবিত্র হলে (পবিত্র না হয়ে) সে কি ঘুমাতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, যদি ওযূ করে তবে। (দেখুন, হাদীস ৯৪)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (106)


106 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ دَرَّاجٍ: أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللهُ عَنْهُ صَلَّى بَعْدَ الْعَصْرِ رَكْعَتَيْنِ، فَتَغَيَّظَ عَلَيْهِ عُمَرُ، وَقَالَ: أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْهَى عَنْهَا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف لانقطاعه ]




উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন ব্যক্তি (বীর্যপাতের কারণে) অপবিত্র হলে (পবিত্র না হয়ে) সে কি ঘুমাতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, যদি ওযূ করে তবে। (দেখুন, হাদীস ৯৪)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (107)


107 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ، حَدَّثَنَا شُرَيْحُ بْنُ عُبَيْدٍ ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: خَرَجْتُ أَتَعَرَّضُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ أَنْ أُسْلِمَ، فَوَجَدْتُهُ قَدْ سَبَقَنِي إِلَى الْمَسْجِدِ، فَقُمْتُ خَلْفَهُ، فَاسْتَفْتَحَ سُورَةَ الْحَاقَّةِ، فَجَعَلْتُ أَعْجَبُ مِنْ تَأْلِيفِ الْقُرْآنِ، قَالَ: فَقُلْتُ: هَذَا وَاللهِ شَاعِرٌ كَمَا قَالَتْ قُرَيْشٌ، قَالَ: فَقَرَأَ:{إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ. وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيلًا مَّا تُؤْمِنُونَ} قَالَ: قُلْتُ: كَاهِنٌ، قَالَ:{وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ. تَنْزِيلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعَالَمِينَ. وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيلِ. لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ. ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ. فَمَا مِنْكُمْ مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ} [الحاقة:

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف لانقطاعه ]




উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুঁজতে বের হলাম। দেখলাম তিনি আমার আগেই মসজিদে (মসজিদে হারামে) পৌছেছেন, আমি তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম। তিনি সূরা আল-হাক্কা পড়া শুরু করলেন। আল কুরআন কিভাবে আমার হৃদয়কে আকৃষ্ট করছে, তা দেখে আমি অভিভূত হলাম। (মনে মনে) বললাম, কুরাইশরা যেমন বলেছে, ইনি নিশ্চয়ই কবি। পরক্ষণেই তিনি (সূরাটির একটি আয়াত) পড়লেন, “এটি একজন সম্মানিত দূতের আনীত বাণী, এটি কোন কবির কথা নয়। তোমরা খুব কমই বিশ্বাস কর।” এরপর আমি (মনে মনে) বললাম, ইনি একজন জ্যোতিষী। পরক্ষণেই তিনি পড়লেন, “এটি কোন জ্যোতিষীর বাণীও নয়। তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করে থাক। এতো বিশ্ব প্রভুর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ বাণী। আর যদি সে আমার সম্পর্কে কিছু কথা মনগড়াভাবে বলতো, তাহলে আমি তাকে হাত দিয়ে পাকড়াও করতাম, অতঃপর তার ঘাড়ের রগ কেটে ফেলতাম। তখন তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতো না”। এভাবে তিনি পুরো সূরাটি শেষ করলেন। এতে ইসলাম আমার হৃদয়ে পূর্ণভাবে বদ্ধমূল হলো।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (108)


108 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، وَعِصَامُ بْنُ خَالِدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا صَفْوَانُ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ وَرَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، وَغَيْرِهِمَا، قَالُوا: لَمَّا بَلَغَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ سَرْغَ حُدِّثَ أَنَّ بِالشَّامِ وَبَاءً شَدِيدًا، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ شِدَّةَ الْوَبَاءِ فِي الشَّامِ، فَقُلْتُ: إِنْ أَدْرَكَنِي أَجَلِي، وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ حَيٌّ، اسْتَخْلَفْتُهُ، فَإِنْ سَأَلَنِي اللهُ: لِمَ اسْتَخْلَفْتَهُ عَلَى أُمَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قُلْتُ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَكَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنَّ لِكُلِّ نَبِيٍّ أَمِينًا، وَأَمِينِي أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ " فَأَنْكَرَ الْقَوْمُ ذَلِكَ، وَقَالُوا: مَا بَالُ عُلْيَى قُرَيْشٍ؟! - يَعْنُونَ بَنِي فِهْرٍ - ثُمَّ قَالَ: فَإِنْ أَدْرَكَنِي أَجَلِي، وَقَدْ تُوُفِّيَ أَبُو عُبَيْدَةَ، اسْتَخْلَفْتُ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، فَإِنْ سَأَلَنِي رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ: لِمَ اسْتَخْلَفْتَهُ؟ قُلْتُ: سَمِعْتُ رَسُولَكَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنَّهُ يُحْشَرُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بَيْنَ يَدَيِ الْعُلَمَاءِ نَبْذَةً " . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (2430).}




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন সারাগ পৌছলেন, তখন তাকে জানানো হলো যে, সিরিয়ায় মহামারী দেখা দিয়েছে। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি জানতে পেরেছি যে, সিরিয়ায় ভয়াবহ মহামারীর প্রাদুর্ভাব হয়েছে। আমি যদি মারা যাই এবং তখন আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ বেঁচে থাকেন, তবে আমি তাঁকে আমার পরবর্তী খালীফা মনোনীত করবো। এরপর আল্লাহ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তাকে কেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মাতের জন্য খালীফা মনোনীত করলে? আমি বলবো, আমি আপনার রাসূলকে বলতে শুনেছি যে, প্রত্যেক উম্মাতের একজন পরম বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকে, আর আমার উম্মাতের পরম বিশ্বস্ত ব্যক্তি হলো আবু উবাইদা।

কিন্তু জনগণ তার এ প্রস্তাব অগ্রাহ্য করলো এবং বললো, উর্ধ্বতন কুরাইশ ব্যক্তিবর্গের কী হয়েছে। তারা বনু ফিহরের ব্যক্তিবর্গের দিকে ইঙ্গিত করছিল। (অর্থাৎ তারা কী দোষ করেছে যে, তাদেরকে বাদ দিয়ে আবু উবাইদাকে মনোনীত করা হবে?) এরপর উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পুনরায় বললেন :যদি আমার মৃত্যু আসে এবং তখন আবু উবাইদা মারা গিয়ে থাকে, তাহলে আমি মুয়ায বিন জাবালকে খালীফা মনোনীত করবো। এরপর যদি আল্লাহ আমাকে জিজ্ঞেস করেন,ওকে কেন খালীফা মনোনীত করলে? আমি বলবো, আমি আপনার রাসূলকে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন আলিমদের সম্মুখে কতিপয় বাছাইকৃত ব্যক্তিকে জমায়েত করা হবে। (অর্থাৎ আমার বিবেচনায় সেই সব বাছাইকৃত ব্যক্তিবর্গেরই অন্যতম মুয়ায বিন জাবাল)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (109)


109 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْأَوْزَاعِيُّ وَغَيْرُهُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: وُلِدَ لِأَخِي أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غُلامٌ، فَسَمَّوْهُ: الْوَلِيدَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " سَمَّيْتُمُوهُ بِأَسْمَاءِ فَرَاعِنَتِكُمْ، لَيَكُونَنَّ فِي هَذِهِ الْأُمَّةِ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: الْوَلِيدُ، لَهُوَ شَرٌّ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ مِنْ فِرْعَوْنَ لِقَوْمِهِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামার ভাইয়ের একটি ছেলে জন্ম নিল এবং তার নাম রাখা হলো ওয়ালীদ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তোমাদের ফিরাউনদের নামে তার নামকরণ করলে? এই উম্মাতের মধ্যে ওয়ালীদ নামক এক ব্যক্তির উদ্ভব হবে, সে হবে এই উম্মাতের জন্য ফিরাউনের চেয়েও ক্ষতিকর।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (110)


110 - حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِى الْعَالِيَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: شَهِدَ عِنْدِي رِجَالٌ مَرْضِيُّونَ فيهُمْ عُمَرُ، وَأَرْضَاهُمْ عِنْدِي عُمَرُ: أَنَّ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: " لَا صَلاةَ بَعْدَ صَلاةِ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ، وَلا صَلاةَ بَعْدَ صَلاةِ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ " .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (9893).}




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, অত্যন্ত সন্তোষভাজন কতিপয় ব্যক্তি, যাদের মধ্যে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অন্যতম এবং আমার নিকট উমারই সর্বাপেক্ষা সন্তোষভাজন ব্যক্তি, আমার নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন নামায নেই এবং ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন নামায নেই।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (111)


111 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْكِنْدِيِّ، أَنَّهُ رَكِبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ يَسْأَلُهُ عَنْ ثَلاثِ خِلالٍ، قَالَ: فَقَدِمَ الْمَدِينَةَ، فَسَأَلَهُ عُمَرُ: مَا أَقْدَمَكَ؟ قَالَ: لِأَسْأَلَكَ عَنْ ثَلاثِ خِلالٍ، قَالَ: وَمَا هُنَّ؟ قَالَ: رُبَّمَا كُنْتُ أَنَا وَالْمَرْأَةُ فِي بِنَاءٍ ضَيِّقٍ، فَتَحْضُرُ الصَّلاةُ، فَإِنْ صَلَّيْتُ أَنَا وَهِيَ، كَانَتْ بِحِذَائِي، وَإِنْ صَلَّتْ خَلْفِي، خَرَجَتْ مِنَ الْبِنَاءِ، فَقَالَ عُمَرُ: تَسْتُرُ بَيْنَكَ وَبَيْنَهَا بِثَوْبٍ، ثُمَّ تُصَلِّي بِحِذَائِكَ إِنْ شِئْتَ. وَعَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَقَالَ: نَهَانِي عَنْهُمَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. قَالَ: وَعَنِ الْقَصَصِ، فَإِنَّهُمْ أَرَادُونِي عَلَى الْقَصَصِ، فَقَالَ: مَا شِئْتَ، كَأَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يَمْنَعَهُ، قَالَ: إِنَّمَا أَرَدْتُ أَنْ أَنْتَهِيَ إِلَى قَوْلِكَ، قَالَ: أَخْشَى عَلَيْكَ أَنْ تَقُصَّ فَتَرْتَفِعَ عَلَيْهِمْ فِي نَفْسِكَ، ثُمَّ تَقُصَّ فَتَرْتَفِعَ، حَتَّى يُخَيَّلَ إِلَيْكَ أَنَّكَ فَوْقَهُمْ بِمَنْزِلَةِ الثُّرَيَّا، فَيَضَعَكَ اللهُ تَحْتَ أَقْدَامِهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقَدْرِ ذَلِكَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده حسن رجاله ثقات ]




হারিস বিন মুয়াবিয়া আল-কিন্দী তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার জন্য উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট রওনা করলেন। তিনি মদীনায় এসে পৌছলে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন এসেছ? আল-কিন্দী বললেনঃ আপনার নিকট তিনটি প্রশ্ন করার জন্য। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ সেগুলি কী? তিনি বললেনঃ কখনো কখনো আমি ও আমার স্ত্রী একটি সংকীর্ণ ভবনে অবস্থান করি। সেখানে আমি ও সে যদি নামায পড়ি তাহলে সে আমার পাশে থাকে। আর যদি সে পেছনে থাকতে চায় তাহলে তাকে ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে হয়। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমার ও তার মধ্যে একটা কাপড় দিয়ে আড়াল করে নিও, তারপর সে তোমার পাশে দাঁড়িয়ে নামায পড়বে— যদি তুমি চাও।

দ্বিতীয় প্রশ্ন আছরের পর দু’রাকআত নফল নামায পড়া নিয়ে। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ এটা পড়তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন। তৃতীয় প্রশ্ন গল্প-গুজব করা নিয়ে। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমার যেমন ইচ্ছা। মনে হচ্ছিল যেন তিনি তাকে নিষেধ করা অপছন্দ করছিলেন। আল-কিন্দী বললেন, আমি চাই, আপনি যা বলবেন, অবিকল তাই করবো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমার আশঙ্কা হয়, তুমি জনগণকে গল্প শুনাতে শুনাতে নিজেকে তাদের চেয়ে বড় মনে করবে। এরপর আরো গল্প শুনাবে, তাতে নিজেকে এত বড় মনে করতে থাকবে যে, এক সময় ভাববে, তুমি তাদের ওপরে নক্ষত্রপুঞ্জে পৌছে গেছ। ফলে আল্লাহ তোমাকে কিয়ামতের দিন সেই পরিমাণেই তাদের পায়ের নিচে ফেলবেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (112)


112 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ " قَالَ عُمَرُ: فَوَاللهِ مَا حَلَفْتُ بِهَا مُنْذُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهَا، وَلا تَكَلَّمْتُ بِهَا ذَاكِرًا وَلا آثِرًا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط البخاري ]




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বাপদাদার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই নিষেধাজ্ঞা শোনার পর থেকে আমি কখনো বাপদাদার নামে শপথ করিনি এবং নিজের স্মৃতি থেকে কিংবা অন্যের কাছ থেকে উদ্ধৃত করে বাপদাদা সম্পর্কে কোন কথাও বলিনি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (113)


113 - حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَحُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَأْخُذْ مِنَ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ صَدَقَةً .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح لغيره وهذا اسناد ضعيف ]




উমার ইবনুল খাত্তাব ও হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া ও দাসদাসী থেকে সাদাকা (যাকাত) আদায় করেন নি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (114)


114 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ، أخبرنا عَبْدُ اللهِ - يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ - أخبرنا مُحَمَّدُ بْنُ سُوقَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ خَطَبَ بِالْجَابِيَةِ ، فَقَالَ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَقَامِي فِيكُمْ، فَقَالَ: " اسْتَوْصُوا بِأَصْحَابِي خَيْرًا، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ يَفْشُو الْكَذِبُ حَتَّى إِنَّ الرَّجُلَ لَيَبْتَدِئُ بِالشَّهَادَةِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا، فَمَنْ أَرَادَ مِنْكُمْ بَحْبَحَةَ الْجَنَّةِ فَلْيَلْزَمُ الْجَمَاعَةَ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ مَعَ الْوَاحِدِ، وَهُوَ مِنَ الِاثْنَيْنِ أَبْعَدُ، لَا يَخْلُوَنَّ أَحَدُكُمْ بِامْرَأَةٍ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ ثَالِثُهُمَا، وَمَنْ سَرَّتْهُ حَسَنَتُهُ وَسَاءَتْهُ سَيِّئَتُهُ، فَهُوَ مُؤْمِنٌ " .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (2795).}




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জাবিয়াতে প্রদত্ত ভাষণে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই জায়গায় আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ আমার সাহাবীদের জন্য সব সময় শুভ কামনা কর, তারপর তাদের পরবর্তীদের জন্য, তারপর তাদের পরবর্তীদের জন্য। এরপর মিথ্যা ছড়িয়ে পড়বে, এমনকি এমনও ঘটবে যে, কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করার আগেই সে সাক্ষ্য দিতে শুরু করবে। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জান্নাতের মাঝখানে থাকতে ইচ্ছুক, সে যেন অবশ্যই জামাতবদ্ধ জীবন যাপন করে। কেননা শয়তান একাকী মানুষের সঙ্গী এবং দু’জন থেকে সে অপেক্ষাকৃত দূরে থাকে। তোমাদের কেউ যেন কোন মহিলার সাথে নির্জনে সাক্ষাত না করে। কেননা সে সময় শয়তান হয় তৃতীয় জন। আর নিজের সৎকাজ যাকে আনন্দ দেয় এবং নিজের মন্দ কাজ যাকে দুঃখ দেয়, সেই প্রকৃত মুমিন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (115)


115 - حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ عُمَيْرٍ وَضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالا: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى هَدْيِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلْيَنْظُرْ إِلَى هَدْيِ عَمْرِو بْنِ الْأَسْوَدِ " .

تحقيق الحافظ زين الدين العراقي: [رواه أحمد بإسناد جيد عن عمر.] {المغني (4020).}




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুরবানীর পশু কেমন ছিল দেখতে চায়, সে যেন আমর ইবনুল আসওয়াদের কুরবানীর পশু দেখে নেয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (116)


116 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا سِمَاكٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَكْبٍ، فَقَالَ رَجُلٌ: لَا وَأَبِي، فَقَالَ رَجُلٌ: " لَا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ "، فَالْتَفَتُّ فَإِذَا هُوَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح لغيره ]




উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একটা কাফিলায় ছিলাম। সহসা এক ব্যক্তি বলে উঠলো, “না, আমার বাবার কসম” তৎক্ষণাত অপর এক ব্যক্তি বললো, তোমাদের বাপদাদার নামে কসম খাবে না। শেষোক্ত ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে দেখি, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (117)


117 - حَدَّثَنَا عِصَامُ بْنُ خَالِدٍ، وَأَبُو الْيَمَانِ، قَالا: أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ بَعْدَهُ، وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ، قَالَ عُمَرُ: يَا أَبَا بَكْرٍ، كَيْفَ تُقَاتِلُ النَّاسَ، وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، فَمَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، فَقَدْ عَصَمَ مِنِّي مَالَهُ وَنَفْسَهُ إِلَّا بِحَقِّهِ، وَحِسَابُهُ عَلَى اللهِ "؟ قَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَاللهِ لَأُقَاتِلَنَّ - قَالَ أَبُو الْيَمَانِ: لَأَقْتُلَنَّ - مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالزَّكَاةِ، فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ، وَاللهِ لَوْ مَنَعُونِي عَنَاقًا كَانُوا يُؤَدُّونَهَا إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهَا. قَالَ عُمَرُ: فَوَاللهِ مَا هُوَ إِلَّا أَنْ رَأَيْتُ أَنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ شَرَحَ صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ لِلْقِتَالِ، فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, তারপরে আবু বাকর (খালিফা হিসাবে) ছিলেন এবং আরবদের মধ্য থেকে কিছু লোক কাফির হয়ে গেল, (তখন আবু বাকর তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করলেন)। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আবু বাকর, আপনি কিভাবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেরা যতক্ষণ “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই” এ কথা না বলবে, ততক্ষণ তাদের সাথে যুদ্ধ করতে আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি বলবে, “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই” সে আমার কাছ থেকে তার সম্পদ ও প্রাণ রক্ষা করবে, যথাযথ কারণ ছাড়া তা নষ্ট করা যাবে না। তার হিসাব আল্লাহর নিকট সমর্পিত।

আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আল্লাহর কসম, যে ব্যক্তি নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, তার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ করবো, (আবুল ইয়ামান বলেন, আবু বাকর বলেছিলেন, ... তাকে আমি হত্যা করবো) কেননা যাকাত হচ্ছে সম্পদের হক। আল্লাহর কসম, যে পাঠী ছাগল তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দিত, তাও যদি দিতে অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যুদ্ধ করবো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আল্লাহর কসম, আমি দেখতে পেয়েছিলাম যে, আবু বাকরের বুক আল্লাহ যুদ্ধের জন্য খুলে দিয়েছেন। ফলে আমি উপলব্ধি করেছিলাম যে, তার সিদ্ধান্তই সঠিক।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (118)


118 - حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " لَا صَلاةَ بَعْدَ صَلاةِ الصُّبْحِ إِلَى طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَلا بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ " .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (9893).}




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, অত্যন্ত সন্তোষভাজন কতিপয় ব্যক্তি, যাদের মধ্যে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অন্যতম এবং আমার নিকট উমারই সর্বাপেক্ষা সন্তোষভাজন ব্যক্তি, আমার নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন নামায নেই এবং ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন নামায নেই।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (119)


119 - حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي سَبَأٍ عُتْبَةَ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ عَامِرٍ الْيَزَنِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ مُغِيثٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ صَاحِبَ الدَّابَّةِ أَحَقُّ بِصَدْرِهَا .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (4975).}




উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মর্মে রায় দিয়েছেন যে, জন্তুর মালিক তার বুকের বেশি হকদার। (অর্থাৎ জন্তুর সম্মুখভাগে আরোহণ করার)।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (120)


120 - حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ حُمْرَةَ بْنِ عَبْدِ كُلالٍ، قَالَ: سَارَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِلَى الشَّامِ بَعْدَ مَسِيرِهِ الْأَوَّلِ كَانَ إِلَيْهَا، حَتَّى إِذَا شَارَفَهَا، بَلَغَهُ وَمَنْ مَعَهُ أَنَّ الطَّاعُونَ فَاشٍ فِيهَا، فَقَالَ لَهُ أَصْحَابُهُ: ارْجِعْ وَلا تَقَحَّمْ عَلَيْهِ، فَلَوْ نَزَلْتَهَا وَهُوَ بِهَا لَمْ نَرَ لَكَ الشُّخُوصَ عَنْهَا. فَانْصَرَفَ رَاجِعًا إِلَى الْمَدِينَةِ، فَعَرَّسَ مِنْ لَيْلَتِهِ تِلْكَ، وَأَنَا أَقْرَبُ الْقَوْمِ مِنْهُ، فَلَمَّا انْبَعَثَ، انْبَعَثْتُ مَعَهُ فِي أَثَرِهِ، فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: رَدُّونِي عَنِ الشَّامِ بَعْدَ أَنْ شَارَفْتُ عَلَيْهِ، لِأَنَّ الطَّاعُونَ فِيهِ، أَلَا وَمَا مُنْصَرَفِي عَنْهُ بمُؤَخِّرٍّ فِي أَجَلِي، وَمَا كَانَ قُدُومِي مِنْهُ بمُعَجِّلِي عَنْ أَجَلِي، أَلا وَلَوْ قَدْ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَفَرَغْتُ مِنْ حَاجَاتٍ لَا بُدَّ لِي مِنْهَا، لَقَدْ سِرْتُ حَتَّى أَدْخُلَ الشَّامَ، ثُمَّ أَنْزِلَ حِمْصَ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " لَيَبْعَثَنَّ اللهُ مِنْهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ سَبْعِينَ أَلْفًا لَا حِسَابَ عَلَيْهِمْ وَلا عَذَابَ عَلَيْهِمْ، مَبْعَثُهُمْ فِيمَا بَيْنَ الزَّيْتُونِ وَحَائِطِهَا فِي الْبَرْثِ الْأَحْمَرِ مِنْهَا " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




হুমরা ইবনে আবদ কুলাল বলেনঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) প্রথমবারসিরিয়া ভ্রমণের পর পুনরায় সিরিয়া সফরে রওনা হন। যখন সিরিয়ার কাছাকাছি পৌছেন, তখন তার ও তার সঙ্গীদের নিকট সংবাদ আসে যে, দেশটিতে প্লেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তখন তার সাথীরা তাকে বললোঃ ফিরে চলুন, ঝুঁকি নিয়ে ওখানে যাওয়ার দরকার নেই। কেননা আপনি যদি সিরিয়ায় পৌছে যান এবং সেখানে প্লেগ সত্যিই থেকে থাকে, তাহলে আমাদের মনে হয়না আপনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। তাই তিনি মদীনায় ফিরে চললেন। সেই রাতেই তিনি বাসর ঘরে ঘুমালেন। তখন আমিই ছিলাম তার সবচেয়ে নিকটবর্তী। তারপর যখন তিনি সেখান থেকে যাত্রা করলেন, তখন আমিও তার পেছনে পেছনে যাত্রা করলাম। তখন আমি শুনলাম, তিনি বলছেনঃ (সাথীরা) আমাকে সিরিয়া থেকে ফিরিয়ে দিল। অথচ আমি তার কাছেই পৌছে গিয়েছিলাম। ওখানে প্লেগ দেখা দিয়েছে বলে আমাকে ফিরিয়ে দিল।

জেনে রাখ, আমার ফিরে আসায় আমার মৃত্যু বিলম্বিত হবে না। আর সেখানে যাওয়াতে আমার মৃত্যু ত্বরান্বিতও হতো না। জেনে রাখ, আমি যদি মদীনায় পৌছে যাই এবং সেখানে আমার কিছু জরুরী প্রয়োজন সেরে আসতে পারি তাহলে আমি রওনা হয়ে সিরিয়ায় চলে যাব, অতঃপর হিমসে উপনীত হব। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সিরিয়া থেকে এমন সত্তর হাজার ব্যক্তিকে উথিত করবেন, যাদের কোন হিসাব দিতে হবে না, আযাবও হবে না। তারা উথিত হবে যাইতুন ও তার মধ্যকার বারাচুল আহমারের প্রাচীরের মধ্যস্থল থেকে। (আল হাকেম)