হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (301)


301 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ قَالَ: اتَّزِرُوا وَارْتَدُوا، وَانْتَعِلُوا وَأَلْقُوا الْخِفَافَ وَالسَّرَاوِيلاتِ، وَأَلْقُوا الرُّكُبَ وَانْزُوا نَزْوًا، وَعَلَيْكُمْ بِالْمَعَدِّيَّةِ، وَارْمُوا الْأَغْرَاضَ، وَذَرُوا التَّنَعُّمَ وَزِيَّ الْعَجَمِ ، وَإِيَّاكُمْ وَالْحَرِيرَ، فَإِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قَدْ نَهَى عَنْهُ وَقَالَ: " لَا تَلْبَسُوا مِنَ الْحَرِيرِ إِلَّا مَا كَانَ هَكَذَا " وَأَشَارَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِإِصْبَعَيْهِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩০১। হাদীস নং ৯২ দ্রষ্টব্য।



৯২। আবু উসমান বলেছেন, আমরা যখন আযার বাইজানে, তখন আমাদের কাছে উমারের চিঠি এল। তিনি লিখলেনঃ হে উতবা ইবনে ফারকাদ, বিলাসিতা থেকে, মুশরিকদের বেশভূষা থেকে ও রেশম থেকে সাবধান। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে রেশম পরতে নিষেধ করেছেন, তবে এটুকু পরিমাণ। এই বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে তার (মধ্যম ও শাহাদাত) আঙ্গুলদ্বয় তুলে ধরলেন। ইমাম মুসলিমের এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই, তিন অথবা চার আঙ্গুলের অধিক পরিমাণ রেশমী কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (302)


302 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ: إِيَّاكُمْ أَنْ تَهْلِكُوا عَنْ آيَةِ الرَّجْمِ، وَأَنْ يَقُولَ قَائِلٌ: لَا نَجِدُ حَدَّيْنِ فِي كِتَابِ اللهِ، فَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجَمَ، وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح ]




৩০২। হাদীস নং ২৪৯ দ্রষ্টব্য।



২৪৯। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ সাবধান, তোমরা রজমের আয়াত উপলক্ষ করে ধ্বংস হয়ে যেওনা, আমরা আল্লাহর কিতাবে ব্যভিচারের দুটি শাস্তি পাই না। (অর্থাৎ একশো বেত্রাঘাত ও রজম তথা পাথর মেরে হত্যা) তবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রজম করতে দেখেছি এবং আমরাও রজম করেছি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (303)


303 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ، حَدَّثَنِي شَيْخٌ كَانَ مُرَابِطًا بِالسَّاحِلِ، قَالَ: لَقِيتُ أَبَا صَالِحٍ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَقَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: " لَيْسَ مِنْ لَيْلَةٍ إِلَّا وَالْبَحْرُ يُشْرِفُ فِيهَا ثَلاثَ مَرَّاتٍ عَلَى الْأَرْضِ، يَسْتَأْذِنُ اللهَ فِي أَنْ يَنْفَضِخَ عَلَيْهِمْ، فَيَكُفُّهُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ " .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالحسن.] {الجامع الصغير (7676).}




৩০৩। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, সমুদ্র প্রতি রাতে পৃথিবীকে তিনবার পর্যবেক্ষণ করে এবং তার ওপর আছড়ে পড়ার জন্য আল্লাহর অনুমতি চায়। কিন্তু আল্লাহ তাকে থামিয়ে দেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (304)


304 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ: حَدِّثْنِي عَنْ طَلاقِكَ امْرَأَتَكَ، قَالَ: طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ، قَالَ: فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا، فَإِذَا طَهُرَتْ، فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا ". قَالَ: قُلْتُ لَهُ: هَلِ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ؟ قَالَ: فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا، وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجِزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط مسلم ]




৩০৪। আনাস বিন সিরীন বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জানালাম। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা জানালেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক। আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললামঃ ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন? তিনি বললেনঃ ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।

[হাদীস নং-৫২৬৮]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (305)


305 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا أَصْبَغُ، عَنْ أَبِي الْعَلاءِ الشَّامِيِّ، قَالَ: لَبِسَ أَبُو أُمَامَةَ ثَوْبًا جَدِيدًا، فَلَمَّا بَلَغَ تَرْقُوَتَهُ، قَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنِ اسْتَجَدَّ ثَوْبًا فَلَبِسَهُ، فَقَالَ حِينَ يَبْلُغُ تَرْقُوَتَهُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي، ثُمَّ عَمَدَ إِلَى الثَّوْبِ الَّذِي أَخْلَقَ - أَوْ قَالَ: أَلْقَى - فَتَصَدَّقَ بِهِ، كَانَ فِي ذِمَّةِ اللهِ، وَفِي جِوَارِ اللهِ، وَفِي كَنَفِ اللهِ حَيًّا وَمَيِّتًا، حَيًّا وَمَيِّتًا، حَيًّا وَمَيِّتًا " .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالحسن.] {الجامع الصغير (8400).}




৩০৫। আবুল আ’লা শামী বলেন, আবু উমামা একটা নতুন পোশাক পরলেন। পোশাক যখন তাঁর বুকের ওপর পর্যন্ত পৌছলো, অমনি বললেন, মহান আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি আমার ছতর ঢাকা ও আমার সৌন্দর্য বর্ধনের উপযুক্ত পোশাক পরিয়েছেন। অতঃপর বললেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নতুন কোন পোশাক লাভ করলো ও তা পরিধান করলো, অতঃপর যখন সে পোশাক তার বুকের ওপর পর্যন্ত পৌছলো, তখন বললো, মহান আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, যিনি আমাকে আমার ছতর ঢাকা ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য পোশাক পরিয়েছেন। অতঃপর সে তার পুরানো পোশাক দান করে দিল, সে আল্লাহর নিরাপত্তায় আল্লাহর ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে ও আল্লাহর আশ্রয়ে অবস্থান নিল, জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায়, জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায়, জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (306)


306 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَحَدُنَا إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ وَهُوَ جُنُبٌ، كَيْفَ يَصْنَعُ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ؟ قَالَ: " يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلاةِ ثُمَّ يَنَامُ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده حسن ]




৩০৬। হাদীস নং ৯৪ দ্রষ্টব্য।



৯৪। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) স্বীয় পিতা উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কারো ওপর যদি গোসল ফারয বা ওয়াজিব হয় এবং সে গোসল করার আগে ঘুমাতে চায়, তা হলে সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার উচিত নামাযের ওযূর মত ওযূ করা, তারপর ঘুমানো।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (307)


307 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا وَرْقَاءُ. وَأَبُو النَّضْرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى الثَّعْلَبِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ: كُنْتُ مَعَ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي الْبَقِيعِ يَنْظُرُ إِلَى الْهِلالِ، فَأَقْبَلَ رَاكِبٌ، فَتَلَقَّاهُ عُمَرُ فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ جِئْتَ؟ فَقَالَ: مِنَ المَغْرِبِ . قَالَ: أَهْلَلْتَ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ عُمَرُ: اللهُ أَكْبَرُ، إِنَّمَا يَكْفِي الْمُسْلِمِينَ الرَّجُلُ. ثُمَّ قَامَ عُمَرُ فَتَوَضَّأَ، فَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ، ثُمَّ قَالَ: هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ. قَالَ أَبُو النَّضْرِ: وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ، فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ تَحْتِهَا وَمَسَحَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف ]




৩০৭। হাদীস নং ১৯৩ দ্রষ্টব্য।



১৯৩। আবদুর রাহমান ইবনে আবি লাইলা বলেন, আমি উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে ছিলাম। এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললো, আমি শাওয়ালের চাঁদ দেখেছি। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তৎক্ষণাত বললেন, হে জনতা, তোমরা রোযায় বিরতি দাও। তারপর তিনি একটি নৈশ প্রহরা কেন্দ্রে গেলেন, যেখানে পানি ছিল। তিনি ওযূ করলেন এবং তার মোযায় মাসেহ করলেন। লোকটি বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, আমি আপনার নিকট এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতেই এসেছি, আপনি কি অন্য কাউকে এ কাজ করতে দেখেছেন? উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হ্যাঁ, আমার চেয়েও যিনি ভালো এমনকি সমগ্র উম্মাহর মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ, সেই আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি ডাকনাম) আমি যা করলাম, তা করতে দেখেছি। তখন তাঁর গায়ে ছিল চাপা হাতাওয়ালা সিরীয় জুব্বা। জুব্বার নিচ দিয়ে তিনি নিজের হাত ঢুকালেন। তারপর উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মাগরিবের নামায পড়লেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (308)


308 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، أَخْبَرَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ الْخِرِّيتِ ، عَنْ أَبِي لَبِيدٍ ، قَالَ: خَرَجَ رَجُلٌ مِنْ طَاحِيَةَ مُهَاجِرًا، يُقَالُ لَهُ: بَيْرَحُ بْنُ أَسَدٍ، فَقَدِمَ الْمَدِينَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَيَّامٍ، فَرَآهُ عُمَرُ، فَعَلِمَ أَنَّهُ غَرِيبٌ، فَقَالَ لَهُ: مَنْ أَنْتَ؟ قَالَ: مِنْ أَهْلِ عُمَانَ. قَالَ: مِنْ أَهْلِ عُمَان؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: فَأَخَذَ بِيَدِهِ فَأَدْخَلَهُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَقَالَ: هَذَا مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ الَّتِي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنِّي لَأَعْلَمُ أَرْضًا يُقَالُ لَهَا: عُمَانُ، يَنْضَحُ بِنَاحِيَتِهَا الْبَحْرُ، بِهَا حَيٌّ مِنَ الْعَرَبِ لَوْ أَتَاهُمْ رَسُولِي مَا رَمَوْهُ بِسَهْمٍ وَلا حَجَرٍ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده ضعيف لانقطاعه ]




৩০৮। আবু লবীদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের কিছু দিন পর বাইরাহ বিন আসাদ নামক এক ব্যক্তি তাহিয়া থেকে হিজরাত করে মদীনায় এলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে দেখে বুঝতে পারলেন সে একজন বহিরাগত। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কে? সে বললোঃ ওমানের অধিবাসী। তিনি বললেনঃ ওমানের অধিবাসী? সে বললোঃ জী। তখন তিনি তার হাত ধরলেন এবং আবু বাকরের নিকট নিয়ে গেলেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, ইনি সেই দেশের অধিবাসী, যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আমি এমন একটি ভূ-খণ্ডের কথা জানি, যার নাম ওমান, যার এক পাশ দিয়ে সমুদ্র প্রবাহিত, সেখানে একটা আরব গোত্র আছে, আমার দূত তাদের কাছে গেলে তারা তাকে তীর বা পাথর নিক্ষেপ করবে না।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (309)


309 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ - قَالَ: لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا رَفَعَهُ - قَالَ: " يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: مَنْ تَوَاضَعَ لِي هَكَذَا - وَجَعَلَ يَزِيدُ بَاطِنَ كَفِّهِ إِلَى الْأَرْضِ، وَأَدْنَاهَا إِلَى الْأَرْضِ - رَفَعْتُهُ هَكَذَا - وَجَعَلَ بَاطِنَ كَفِّهِ إِلَى السَّمَاءِ، وَرَفَعَهَا نَحْوَ السَّمَاءِ - " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩০৯। ইয়াযীদ বর্ণনা করেন যে, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, (ইয়াযীদ বলেন, আমি নিশ্চিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকেই শুনে এ কথা বলেছেন) আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার জন্য বিনয়ী হবে এভাবে (এই বলে ইয়াযীদ তার হাতের তালু মাটির দিকে ঝুকালেন এবং তাকে মাটির নিকটবর্তী করলেন) তাকে আমি অবশ্যই উচ্চতর মর্যাদার অধিকারী করবো, (এই বলে ইয়াযীদ) তার হাতের তালু আকাশমুখী করলেন এবং তাকে আকাশের দিকে তুললেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (310)


310 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا دَيْلَمُ بْنُ غَزْوَانَ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا مَيْمُونٌ الْكُرْدِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، قَالَ: إِنِّي لَجَالِسٌ تَحْتَ مِنْبَرِ عُمَرَ، وَهُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ، فَقَالَ فِي خُطْبَتِهِ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَى هَذِهِ الْأُمَّةِ كُلُّ مُنَافِقٍ عَلِيمِ اللِّسَانِ " . *

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (2191).}




৩১০। আবু উসমান আন নাহদী বলেন, আমি উমারের মিম্বারের নিচেই বসা ছিলাম। তখন তিনি জনগণের সামনে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি তার খুতবায় বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, এই উম্মাতের জন্য যাকে আমি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক মনে করি ও সবচেয়ে ভয় করি, সে হচ্ছে অতিশয় বাকপটু মুনাফিক।

[হাদীস নং-১৪৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (311)


311 - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ (ح) وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنِي مَالِكٌ. قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللهِ بْنِ أَحْمَدَ: وحَدَّثَنَا مُصْعَبٌ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، أَنَّ عَبْدَ الْحَمِيدِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَخْبَرَهُ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ:{وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّاتِهِمُ } الْآيَةَ [الأعراف: 172] فَقَالَ عُمَرُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللهَ خَلَقَ آدَمَ ثُمَّ مَسَحَ ظَهْرَهُ بِيَمِينِهِ، وَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ ذُرِّيَّةً، فَقَالَ: خَلَقْتُ هَؤُلاءِ لِلْجَنَّةِ وَبِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ يَعْمَلُونَ، ثُمَّ مَسَحَ ظَهْرَهُ فَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ ذُرِّيَّةً، فَقَالَ: خَلَقْتُ هَؤُلاءِ لِلنَّارِ وَبِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ يَعْمَلُونَ ". فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللهِ، فَفِيمَ الْعَمَلُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا خَلَقَ الْعَبْدَ لِلْجَنَّةِ اسْتَعْمَلَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، فَيُدْخِلَهُ بِهِ الْجَنَّةَ، وَإِذَا خَلَقَ الْعَبْدَ لِلنَّارِ اسْتَعْمَلَهُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ، حَتَّى يَمُوتَ عَلَى عَمَلٍ مِنْ أَعْمَالِ أَهْلِ النَّارِ، فَيُدْخِلَهُ بِهِ النَّارَ " . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح لغيره وهذا اسناد ضعيف ]




৩১১। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّاتِهِمُ “স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক আদম সন্তানদের পিঠ থেকে তাদের বংশধরকে বের করলেন এবং তাদেরকে নিজেদের ওপর সাক্ষী বানিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি কি তোমাদের প্রতিপালক নই? তারা জবাব দিয়েছিল, হ্যাঁ”। (সূরা আল আ’রাফঃ ১৭২) তখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জবাবে বলেছেনঃ আল্লাহ যখন আদমকে সৃষ্টি করলেন তখন তার পিঠ ডান হাত দিয়ে দলন করলেন এবং সেখান থেকে তার একদল বংশধরকে বের করলেন। তারপর বললেনঃ তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছি এবং এরা জান্নাতবাসীর উপযুক্ত কাজ করবে। পুনরায় তার পিঠ দলন করলেন এবং সেখান থেকে একদল বংশধরকে বের করলেন। তারপর বললেনঃ এদেরকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি এবং এরা জাহান্নামবাসীর উপযুক্ত কাজ করবে।

এ কথা শুনে এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, তাহলে কিসের জন্য কাজ করা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ যখন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জান্নাতবাসীর উপযুক্ত কাজে লাগিয়ে দেন, শেষ পর্যন্ত জান্নাতবাসীর উপযুক্ত কোন একটি কাজ করতে করতে সে মারা যায়। তখন আল্লাহ তাকে ঐ কাজের বিনিময়ে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর যখন বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তাকে জাহান্নামবাসীর উপযুক্ত কাজে লাগিয়ে দেন, অবশেষে সে জাহান্নামবাসীর উপযুক্ত কোন একটি কাজ করতে থাকা অবস্থায় মারা যায়। ফলে সেই কাজের বিনিময়ে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান।

[আবু দাউদ-৪৭০৩, তিরমিযী-৩০৭৫]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (312)


312 - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَائِمٌ يَخْطُبُ، فَقَالَ عُمَرُ: أَيَّةُ سَاعَةٍ هَذِهِ؟ فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، انْقَلَبْتُ مِنَ السُّوقِ فَسَمِعْتُ النِّدَاءَ، فَمَا زِدْتُ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ فَأَقْبَلْتُ. فَقَالَ عُمَرُ: الْوُضُوءُ أَيْضًا! وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَأْمُرُنَا بِالْغُسْلِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩১২। হাদীস নং ১৯৯ দ্রষ্টব্য।



১৯৯। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, জুম’আর দিন যখন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) খুৎবা দিচ্ছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক সাহাবী মসজিদে প্রবেশ করলেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ এখন কোন সময়? সাহাবী বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন, বাজার থেকে ফিরেই আযান শুনেছি, তাই ওযূর বেশি কিছু করিনি। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ শুধু ওযূ? অথচ তুমি তো জান, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসল করার আদেশ দিতেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (313)


313 - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ عَتِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ بَعْضِ بَنِي يَعْلَى، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ: طُفْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَاسْتَلَمَ الرُّكْنَ، قَالَ يَعْلَى: فَكُنْتُ مِمَّا يَلِي الْبَيْتَ، فَلَمَّا بَلَغْتُ الرُّكْنَ الْغَرْبِيَّ الَّذِي يَلِي الْأَسْوَدَ، جَرَرْتُ بِيَدِهِ لِيَسْتَلِمَ، فَقَالَ: مَا شَأْنُكَ؟ فَقُلْتُ: أَلا تَسْتَلِمُ؟ قَالَ: أَلَمْ تَطُفْ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقُلْتُ: بَلَى، فَقَالَ: أَفَرَأَيْتَهُ يَسْتَلِمُ هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ الْغَرْبِيَّيْنِ؟ قَالَ: فَقُلْتُ: لَا. قَالَ: أَفَلَيْسَ لَكَ فِيهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ؟ قَالَ: قُلْتُ: بَلَى. قَالَ: فَانْفُذْ عَنْكَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ حديث صحيح ]




৩১৩। ইয়ালা বিন উমাইয়া বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে তাওয়াফ করেছিলাম। তখন তিনি রুকনে ইয়ামানীকে স্পর্শ করলেন। ইয়ালা বলেন, আমি আল্লাহর ঘরের সংলগ্ন স্থানে ছিলাম। যখন রুকনে হাজরে আসওয়াদ সংলগ্ন পশ্চিমাংশে পৌছলাম, তার হাত টেনে ধরলাম, যাতে উনি ওটা স্পর্শ করেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কী হয়েছে? আমি বললামঃ স্পর্শ করবেন না? তিনি বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাওয়াফ করনি? আমি বললামঃ করেছি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাশের এই দুই রুকনকে কি স্পর্শ করতে তাকে দেখেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তবে কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে তোমার জন্য উত্তম আদর্শ নেই? আমি বললামঃ আছে। তিনি বললেন, তাহলে এগিয়ে যাও।

[হাদীস নং-২৫৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (314)


314 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، وَأَبُو عَامِرٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ، قَالَ: جِئْتُ بِدَنَانِيرَ لِي فَأَرَدْتُ أَنْ أَصْرِفَهَا، فَلَقِيَنِي طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ، فَاصْطَرَفَهَا وَأَخَذَهَا، فَقَالَ: حَتَّى يَجِيءَ خَازِنِي - قَالَ أَبُو عَامِرٍ: مِنَ الْغَابَةِ، وَقَالَ فِيهَا كُلِّهَا: هَاءَ وَهَاءَ - فَسَأَلْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " الذَّهَبُ بِالْوَرِقِ رِبًا إِلَّا هَاءَ وَهَاتِ ، وَالْبُرُّ بِالْبُرِّ رِبًا إِلَّا هَاءَ وَهَاتِ، وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ رِبًا إِلَّا هَاءَ وَهَاتِ، وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ رِبًا إِلَّا هَاءَ وَهَاتِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩১৪। হাদীস নং ১৬২ দ্রষ্টব্য।



১৬২। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন এবং সুফিয়ান বলেছেনঃ তিনি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ রৌপ্যের সাথে স্বর্ণের বিনিময় সুদে পরিণত হবে যদি উভয়পক্ষ থেকে নগদ লেনদেন না হয়, গমের সাথে গমের বিনিময় সুদ হবে যদি নগদ লেনদেন না হয়, যবের সাথে যবের বিনিময় সুদ হবে যদি নগদ লেনদেন না হয়। খোরমার সাথে খোরমার বিনিময় সুদ হবে যদি নগদ লেনদেন না হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (315)


315 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ أَنَّ عُمَرَ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح رجاله ثقات رجال الشيخين ]




৩১৫। হাদীস নং ১৮০ দ্রষ্টব্য।



১৮০। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদলে কবরে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (316)


316 - حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الْمُغِيرَةِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: أَتَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِي أُنَاسٍ مِنْ قَوْمِي، فَجَعَلَ يَفْرِضُ لِلرَّجُلِ مِنْ طَيِّئٍ فِي أَلْفَيْنِ وَيُعْرِضُ عَنِّي، قَالَ: فَاسْتَقْبَلْتُهُ، فَأَعْرَضَ عَنِّي، ثُمَّ أَتَيْتُهُ مِنْ حِيَالِ وَجْهِهِ فَأَعْرَضَ عَنِّي، قَالَ: فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَتَعْرِفُنِي؟ قَالَ: فَضَحِكَ حَتَّى اسْتَلْقَى لِقَفَاهُ، ثُمَّ قَالَ: نَعَمْ وَاللهِ إِنِّي لَأَعْرِفُكَ، آمَنْتَ إِذْ كَفَرُوا، وَأَقْبَلْتَ إِذْ أَدْبَرُوا، وَوَفَيْتَ إِذْ غَدَرُوا، وَإِنَّ أَوَّلَ صَدَقَةٍ بَيَّضَتْ وَجْهَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَوُجُوهَ أَصْحَابِهِ صَدَقَةُ طَيِّئٍ ؛ جِئْتَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ أَخَذَ يَعْتَذِرُ، ثُمَّ قَالَ: إِنَّمَا فَرَضْتُ لِقَوْمٍ أَجْحَفَتْ بِهِمُ الْفَاقَةُ، وَهُمْ سَادَةُ عَشَائِرِهِمْ، لِمَا يَنُوبُهُمْ مِنَ الْحُقُوقِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح رجاله ثقات ]




৩১৬। আদী ইবনে হাতিম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার গোত্রের কিছু লোককে সাথে নিয়ে উমার ইবনুল খাত্তাবের নিকট এলাম। তিনি তাই গোত্রের এক এক ব্যক্তিকে ফাই থেকে প্রাপ্ত সম্পদ দিতে লাগলেন এবং আমাকে উপক্ষো করলেন। আমি তার সাথে দেখা করলাম। তথাপি তিনি আমাকে উপেক্ষা করলেন। তারপর তার চোখের সামনে দিয়ে একবার তার নিকট এলাম। এবারও তিনি আমাকে উপক্ষো করলেন। তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনি কি আমাকে চেনেন? এ কথা শুনে তিনি হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়লেন। তারপর বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে চিনি। যখন অন্যরা কুফর অবলম্বন করেছে, তখন তুমি ঈমান এনেছ। যখন অন্যরা পালিয়েছে, তখন তুমি এগিয়ে এসেছ। যখন অন্যরা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তখন তুমি বিশ্বস্ততার পরিচয় দিয়েছ। আর প্রথম যে যাকাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদের মুখকে উজ্জ্বল করেছিল তা ছিল তাই গোত্রের যাকাত, যা তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে এসেছিলে। অতঃপর তিনি (উমার) ওযর পেশ করতে লাগলেন। তিনি বললেন, আমি সেই গোষ্ঠীকে সাহায্য বরাদ্দ করেছি, যারা নিজ গোত্রের সরদার। অথচ অভাব তাদেরকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। কারণ নানা রকমের পাওনার দাবী দাওয়া অহরহ তাদের কাছে আসতো।

[বুখারী-৪৩৯৪, মুসলিম-২৫২৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (317)


317 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ: فِيمَ الرَّمَلانُ الْآنَ، وَالْكَشْفُ عَنِ الْمَنَاكِبِ، وَقَدْ أَطَّأَ اللهُ الْإِسْلامَ، وَنَفَى الْكُفْرَ وَأَهْلَهُ، وَمَعَ ذَلِكَ لَا نَدَعُ شَيْئًا كُنَّا نَفْعَلُهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح لغيره وهذا اسناد حسن ]




৩১৭ যায়িদ বিন আসলাম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁর পিতা বলেছেন যে, আমি উমার ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, (তাওয়াফে কুদূমে) রমল করা ও কাঁধ খোলা রাখার এখন আর প্রয়োজন কোথায়? এখন তো আল্লাহ ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফিরকে হটিয়ে দিয়েছেন। এতদসত্ত্বেও আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলে করতাম এমন কোন কাজ পরিত্যাগ করি না।*

[বুখারী-১৬০৫, আল হাকেম-৪৫৪/১, ইবনু খুযাইমা-২৭০৮]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (318)


318 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ وَعَفَّانُ، قَالا: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي الْفُرَاتِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ بُرَيْدَةَ - قَالَ عَفَّانُ: عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ - عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ الدِّيلِيِّ، قَالَ: أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ، وَقَدْ وَقَعَ بِهَا مَرَضٌ - قَالَ عَبْدُ الصَّمَدِ: فَهُمْ يَمُوتُونَ مَوْتًا ذَرِيعًا - فَجَلَسْتُ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَمَرَّتْ بِهِ جَنَازَةٌ، فَأُثْنِيَ عَلَى صَاحِبِهَا خَيْرٌ، فَقَالَ: وَجَبَتْ، ثُمَّ مُرَّ بِأُخْرَى، فَأُثْنِيَ عَلَى صَاحِبِهَا خَيْرٌ، فَقَالَ: وَجَبَتْ، ثُمَّ مُرَّ بِأُخْرَى فَأُثْنِيَ عَلَيْهَا شَرٌّ، فَقَالَ عُمَرُ: وَجَبَتْ، فَقَالَ أَبُو الْأَسْوَدِ: فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، مَا وَجَبَتْ؟ فَقَالَ: قُلْتُ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَيُّمَا مُسْلِمٍ شَهِدَ لَهُ أَرْبَعَةٌ بِخَيْرٍ إِلَّا أَدْخَلَهُ اللهُ الْجَنَّةَ " قَالَ: قُلْنَا: وَثَلاثَةٌ ؟ قَالَ: " وَثَلاثَةٌ " قُلْنَا: وَاثْنَانِ؟ قَالَ: " وَاثْنَانِ ". قَالَ: وَلَمْ نَسْأَلْهُ عَنِ الْوَاحِدِ .

تحقيق الحافظ جلال الدين السيوطي: [رمز له بالصحة.] {الجامع الصغير (2975)}




৩১৮। হাদীস নং ১৩৯ দ্রষ্টব্য।



১৩৯। আবুল আসওয়াদ বলেন, আমি মদীনায় উপস্থিত হলাম এবং তার সর্বত্র ব্যাপকভাবে সফর করলাম। এর অব্যবহিত পূর্বে মদীনায় একটা রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তার ফলে লোকেরা ব্যাপকভাবে মারা যাচ্ছিল। আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট বসলাম। তখন তার কাছ দিয়ে একটা লাশ নিয়ে যাওয়া হলো। উপস্থিত লোকেরা মৃত ব্যক্তির প্রশংসা করলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললো, অবধারিত হয়ে গেল। এরপর আর একটা লাশ গেল। উপস্থিত লোকেরা তারও প্রশংসা করলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, অবধারিত হয়ে গেল। এরপর তৃতীয় একটা লাশ গেল। উপস্থিত লোকেরা তার নিন্দা করলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, অবধারিত হয়ে গেল।

আবুল আসওয়াদ বললেন, কী অবধারিত হলো, হে আমীরুল মু’মিনীন? উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুকরণেই কথাটা বলেছি। তিনি বলেছেনঃ যে কোন মুসলিমের পক্ষে চার ব্যক্তি উত্তম বলে সাক্ষ্য দিলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমরা বললাম, যদি তিনজন সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, তিনজন দিলেও। আমরা বললাম, যদি দুইজন সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, দুইজন দিলেও। এরপর আমরা তাকে একজনের সাক্ষ্য দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (319)


319 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا حَرْبٌ - يَعْنِي ابْنَ شَدَّادٍ -، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ: بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَجَلَسَ، فَقَالَ عُمَرُ: لِمَ تَحْتَبِسُونَ عَنِ الْجُمُعَةِ؟ فَقَالَ الرَّجُلُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، مَا هُوَ إِلَّا أَنْ سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَتَوَضَّأْتُ، ثُمَّ أَقْبَلْتُ. فَقَالَ عُمَرُ: وَأَيْضًا! أَلَمْ تَسْمَعُوا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِذَا رَاحَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ "؟ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩১৯। হাদীস নং ৯১ দ্রষ্টব্য।



৯১। আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন, একদিন উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জুমু’আর খুৎবা দিচ্ছিলেন। সহসা এক ব্যক্তি এল। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমরা নামাযে আসতে বিলম্ব কর কেন? সে বললোঃ আযান শোনা মাত্রই আমি ওযূ করেছি। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তাই? তোমরা কি শোননি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযে যেতে চাইলে তার গোসল করা উচিত।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (320)


320 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ الْمُعَلِّمُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُ: أَنَّ عُمَرَ بَيْنَا هُوَ يَخْطُبُ ... فَذَكَرَهُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]




৩২০। হাদীস নং ৯১ দ্রষ্টব্য। দেখুন পূর্বের হাদীস।