হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (421)


421 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخبرنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ، قَالَ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ تَوَضَّأَ، فَأَفْرَغَ عَلَى يَدَيْهِ ثَلاثًا فَغَسَلَهُمَا، ثُمَّ مَضْمَضَ وَاسْتَنْثَرَ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثًا، ثُمَّ غَسَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْمِرْفَقِ ثَلاثًا، ثُمَّ الْيُسْرَى مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ، ثُمَّ غَسَلَ قَدَمَهُ الْيُمْنَى ثَلاثًا، ثُمَّ الْيُسْرَى مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ نَحْوًا مِنْ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ قَالَ: " مَنْ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يُحَدِّثُ فِيهِمَا نَفْسَهُ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৪২১। হাদীস নং ৪১৮ দ্রষ্টব্য।



৪১৮। হুমরান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের আসনে বসা অবস্থায় পানি আনতে বললেন। তারপর পাত্র থেকে পানি ঢেলে ডান হাত ধুলেন। তারপর ডান হাত পাত্রে ঢুকিয়ে নিজের দুই হাতের তালু তিনবার করে ধুলেন। তারপর নিজের মুখমণ্ডল তিনবার করে ধুলেন, তিনবার করে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন। তারপর গোড়ালি পর্যন্ত পা ধুলেন তিনবার করে। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই ওযূর মত ওযূ করবে, তারপর দু’রাকআত নামায এমনভাবে পড়বে যে, নামাযের ভেতরে নিজের সাথে কোন কথা বলবে না, (অর্থাৎ অন্য কোন বিষয়ে চিন্তা করবে না।) তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (422)


422 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ نُبَيْهِ بْنِ وَهْبٍ، قَالَ: أَرْسَلَ عُمَرُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ إِلَى أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ: أَيُكَحِّلُ عَيْنَيْهِ وَهُوَ مُحْرِمٌ؟ أَوْ بِأَيِّ شَيْءٍ يُكَحِّلُهُمَا وَهُوَ مُحْرِمٌ؟ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ: أَنْ يُضَمِّدَهُمَا بِالصَّبِرِ، فَإِنِّي سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ يُحَدِّثُ ذَلِكَ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৪২২। নুবাইহ বিন ওয়াহব বলেন, উমার ইবনে উবাইদুল্লাহ উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর ছেলে আবানের নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন যে, ইহরাম অবস্থায় চোখে সুরমা লাগাতে পারবে কি? অথবা, ইহরাম অবস্থায় চোখে কী ব্যবহার করবো? আবান এর জবাবে জানালেন যে, সাবির নামক উদ্ভিদ দ্বারা চোখে পট্টি বাঁধবেন। কেননা আমি উসমান বিন আফফানকে একথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরাত দিয়ে বলতে শুনেছি।

[মুসলিম-১২০৪, ইবনু খুযাইমা-২৬৫৪, মুসনাদে আহমাদ-৪৬৫, ৪৯৪, ৪৯৭]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (423)


423 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " مَنْ عَلِمَ أَنَّ الصَّلاةَ حَقٌّ وَاجِبٌ، دَخَلَ الْجَنَّةَ " . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৪২৩। হুমরান বিন আবান বলেন, উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিশ্বাস করবে যে, নামায একটা অপরিহার্য দায়িত্ব, সে জান্নাতে যাবে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (424)


424 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو مَعْشَرٍ - يَعْنِي الْبَرَّاءَ، وَاسْمُهُ يُوسُفُ بْنُ يَزِيدَ - حَدَّثَنَا ابْنُ حَرْمَلَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: حَجَّ عُثْمَانُ، حَتَّى إِذَا كَانَ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ أُخْبِرَ عَلِيٌّ أَنَّ عُثْمَانَ نَهَى أَصْحَابَهُ عَنِ التَّمَتُّعِ بِالْعُمْرَةِ وَالْحَجِّ ، فَقَالَ عَلِيٌّ لِأَصْحَابِهِ: إِذَا رَاحَ فَرُوحُوا. فَأَهَلَّ عَلِيٌّ وَأَصْحَابُهُ بِعُمْرَةٍ، فَلَمْ يُكَلِّمْهُمْ عُثْمَانُ، فَقَالَ عَلِيٌّ: أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّكَ نَهَيْتَ عَنِ التَّمَتُّعِ، أَلَمْ يَتَمَتَّعْ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: فَمَا أَدْرِي مَا أَجَابَهُ عُثْمَانُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৪২৪। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব বলেন, উসমান হজ্জে যাত্রা করলেন। কিছু দূর অগ্রসর হলে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জানানো হলো যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার সাথীদেরকে তামাত্তু’র মাধ্যমে হজ্জ ও উমরা এক সাথে করতে নিষেধ করেছেন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার সাথীদেরকে বললেন, উসমান যদি যায়, (অর্থাৎ তামাত্তু’র মাধ্যমে হজ্জ ও উমরা করতে রওনা হয়) তবে তোমরা যাও। এরপর আলী ও তার সাথীরা উমরার আয়োজন শুরু করলেন। উসমান তাদেরকে কিছু বললেন না। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমাকে কি জানানো হয়নি যে, আপনি তামাত্তু’ করতে নিষেধ করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তামাত্তু’ করেননি? এরপর উসমান কী জবাব দিয়েছেন জানিনা।

[হাদীস নং-৪০২ দ্রষ্টব্য]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (425)


425 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ، قَالَ: أَرْسَلَ إِلَيَّ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَبَيْنمَا أَنَا كَذَلِكَ، إِذْ جَاءَهُ مَوْلاهُ يَرْفَأُ، فَقَالَ: هَذَا عُثْمَانُ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ وَسَعْدٌ وَالزُّبَيْرُ بْنُ الْعَوَّامِ - قَالَ: وَلا أَدْرِي أَذَكَرَ طَلْحَةَ أَمْ لَا - يَسْتَأْذِنُونَ عَلَيْكَ. قَالَ: ائْذَنْ لَهُمْ. ثُمَّ مَكَثَ سَاعَةً ثُمَّ جَاءَ، فَقَالَ: هَذَا الْعَبَّاسُ وَعَلِيٌّ يَسْتَأْذِنَانِ عَلَيْكَ. قَالَ: ائْذَنْ لَهُمَا. فَلَمَّا دَخَلَ الْعَبَّاسُ، قَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اقْضِ بَيْنِي وَبَيْنَ هَذَا. وَهُمَا حِينَئِذٍ يَخْتَصِمَانِ فِيمَا أَفَاءَ اللهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْ أَمْوَالِ بَنِي النَّضِيرِ، فَقَالَ الْقَوْمُ: اقْضِ بَيْنَهُمَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، وَأَرِحْ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْ صَاحِبِهِ، فَقَدْ طَالَتْ خُصُومَتُهُمَا. فَقَالَ عُمَرُ: أَنْشُدُكُمُ اللهَ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمََاواتُ وَالْأَرْضُ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " لَا نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ "؟ قَالُوا: قَدْ قَالَ ذَلِكَ. وَقَالَ لَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ، فََقََالَا: نَعَمْ. قَالَ: فَإِنِّي سَأُخْبِرُكُمْ عَنْ هَذَا الْفَيْءِ، إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ خَصَّ نَبِيَّهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْهُ بِشَيْءٍ لَمْ يُعْطِهِ غَيْرَهُ، فَقَالَ:{وَمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْهُمْ فَمَا أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ} [الحشر: 6] ، وَكَانَتْ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاصَّةً، وَاللهِ مَا احْتَازَهَا دُونَكُمْ، وَلا اسْتَأْثِرُهَا عَلَيْكُمْ، لَقَدْ قَسَمَهَا بَيْنَكُمْ وَبَثَّهَا فِيكُمْ، حَتَّى بَقِيَ مِنْهَا هَذَا الْمَالُ، فَكَانَ يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ مِنْهُ سَنَةً، ثُمَّ يَجْعَلُ مَا بَقِيَ مِنْهُ مَجْعَلَ مَالِ اللهِ، فَلَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ: أَنَا وَلِيُّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَهُ، أَعْمَلُ فِيهَا بِمَا كَانَ يَعْمَلُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهَا . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৪২৫। মালিক বিন আওস বিন হাদছান বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমি তাঁর দরবারে এলাম। এই সময়ে তার মুক্ত গোলাম ইয়ারফা এলো তাঁর কাছে। সে বললো, এই যে উসমান, আবদুর রহমান, সা’দ ও যুবাইর ইবনুল আওয়াম উপস্থিত। (আমার মনে নেই তালহার কথাও বলেছিল কিনা) ওঁরা সবাই আপনার কাছে আসবার অনুমতি চাইছেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, ওদেরকে অনুমতি দাও। এরপর ইয়ারফা কিছুক্ষণ কাটিয়ে আবার এলো এবং বললো, আব্বাস ও আলী আপনার নিকট আসবার অনুমতি চাইছেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, ওদের দু’জনকে আসতে দাও। আব্বাস এসেই বললেনঃ হে আমীরুল মুমিনীন, আমার ও এই ব্যক্তির মধ্যে ফায়সালা করে দিন। তারা উভয়ে (অর্থাৎ আব্বাস ও আলী) বনু নাযীরের যে সম্পত্তি আল্লাহ তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দিয়েছিলেন তা নিয়ে বিবাদে লিপ্ত ছিলেন।

উপস্থিত লোকেরা বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, ওদের বিবাদ মিটিয়ে দিন এবং একজনকে অপর জন থেকে নিষ্কৃতি দিন। কেননা তাদের উভয়ের বিবাদ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে গেছে। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, যে আল্লাহর অনুমতিতে আকাশ ও পৃথিবী টিকে আছে, সেই আল্লাহর শপথ দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি, তোমরা কি জান, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে বণ্টিত হয় না এবং আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকা? সকলে বললোঃ হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছেন। তিনি ওঁদের দু’জনকে লক্ষ্য করেও একই কথা বললেন। তারা উভয়ে বললেনঃ হ্যাঁ।

উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তাহলে আমি তোমাদেরকে এই ফাই’ (বিজয়ার্জিত ভূ-সম্পত্তি) সম্পর্কে অবহিত করছি। মহান আল্লাহ তার নবীকে নিজের পক্ষ থেকে এমন কিছু জিনিস দিয়ে বিশেষভাবে গৌরবান্বিত করেছেন, যা আর কাউকে দেননি। আল্লাহ বলেনঃ

وَمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْهُمْ فَمَا أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ

“আর আল্লাহ তাদের (ইহুদীদের) কাছ থেকে তাঁর রাসূলকে যে সম্পত্তি দান করেছেন, তার জন্য তোমরা সেখানে ঘোড়া বা উট দাবড়াওনি।” [হাশরঃ ৬]

বস্তুত সে সম্পত্তি ছিল নিরংকুশভাবে শুধুই আল্লাহর রাসূলের জন্য। আল্লাহর কসম, তিনি তোমাদেরকে বাদ দিয়ে শুধু নিজের জন্যই তা রেখে দেননি, তোমাদের ওপর অগ্রাধিকার হিসাবেও তা গ্রহণ করেননি। বরঞ্চ তিনি তা তোমাদেরকে সকলের মধ্যে বণ্টন করেছেন এবং তোমাদের মধ্যে তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তা থেকে শুধু এইটুকু সম্পত্তি অবশিষ্ট রয়েছে। এ থেকে তিনি তার পরিবার পরিজনের সারা বছরের ব্যয় নির্বাহ করতেন। আর যা অবশিষ্ট থাকতো, তাকে আল্লাহর সম্পত্তি গণ্য করতেন। অতঃপর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, তখন আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর আমি তার অভিভাবক। এই সম্পত্তিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করতেন, আমি তাই করবো।

[মুসনাদে আহমাদ-১৭২]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (426)


426 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عِمْرَانَ بْنِ مَنَّاحٍ، عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ عُثْمَانَ: أَنَّهُ رَأَى جَنَازَةً فَقَامَ لَهَا، وَقَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى جَنَازَةً فَقَامَ لَهَا . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৪২৬। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর ছেলে আবান বর্ণনা করেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একটি জানাযার আয়োজন দেখা মাত্রই সেদিকে ছুটে গেলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, একটি জানাযার আয়োজন দেখেই সেদিকে ছুটে গেলেন। [মুসনাদে আহমাদ-৪৫৭, ৪৯৫, ৫২৯]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (427)


427 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قَارِظٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، قَالَ: شَهِدْتُ عَلِيًّا وَعُثْمَانَ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، فِي يَوْمِ الْفِطْرِ وَالنَّحْرِ يُصَلِّيَانِ، ثُمَّ يَنْصَرِفَانِ، فَيُذَكِّرَانِ النَّاسَ، فَسَمِعْتُهُمَا يَقُولانِ: نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَوْمِ هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৪২৭। আবু উবাইদ বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে দেখেছি, তারা উভয়ে নামায পড়েই ঘুরে দাঁড়াতেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন। তাদের উভয়কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।

[মুসনাদে আহমাদ-৪৩৫, ৫১০]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (428)


428 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ الْجُنْدَعِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ حُمْرَانَ مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: رَأَيْتُ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ عُثْمَانَ يَتَوَضَّأُ، فَأَهْرَاقَ عَلَى يَدَيْهِ ثَلَاثَ مِرَارٍ، ثُمَّ اسْتَنْثَرَ ثَلاثًا وَمَضْمَضَ ثَلاثًا ... وَذَكَرَ الْحَدِيثَ مِثْلَ مَعْنَى حَدِيثِ مَعْمَرٍ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৪২৮। হাদীস নং ৪১৮ দ্রষ্টব্য।



৪১৮। হুমরান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের আসনে বসা অবস্থায় পানি আনতে বললেন। তারপর পাত্র থেকে পানি ঢেলে ডান হাত ধুলেন। তারপর ডান হাত পাত্রে ঢুকিয়ে নিজের দুই হাতের তালু তিনবার করে ধুলেন। তারপর নিজের মুখমণ্ডল তিনবার করে ধুলেন, তিনবার করে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন। তারপর গোড়ালি পর্যন্ত পা ধুলেন তিনবার করে। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই ওযূর মত ওযূ করবে, তারপর দু’রাকআত নামায এমনভাবে পড়বে যে, নামাযের ভেতরে নিজের সাথে কোন কথা বলবে না, (অর্থাৎ অন্য কোন বিষয়ে চিন্তা করবে না।) তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (429)


429 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أخبرنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عُثْمَانَ قَالَ: أَلا أُرِيكُمْ كَيْفَ كَانَ وُضُوءُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالُوا: بَلَى، فَدَعَا بِمَاءٍ، فَتَمَضْمَضَ ثَلاثًا، وَاسْتَنْثَرَ ثَلاثًا، وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثًا، وَذِرَاعَيْهِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا، وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ، وَغَسَلَ قَدَمَيْهِ ، ثُمَّ قَالَ: وَاعْلَمُوا أَنَّ الْأُذُنَيْنِ مِنَ الرَّأْسِ ثُمَّ قَالَ: قَدْ تَحَرَّيْتُ لَكُمْ وُضُوءَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৪২৯। জনৈক আনসারী স্বীয় পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ওযূ করতেন, তা কি আমি দেখাবো না? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ, দেখান। তখন তিনি পানি আনতে বললেন, তারপর তিনবার কুলি করলেন, তিনবার নাকে পানি দিলেন, তিনবার মুখ ধুলেন, তিনবার দু’হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং তিনবার দু’পা ধুলেন। তারপর বললেনঃ তোমরা জেনে রেখ যে, কান দুটো মাথার অংশ। তারপর বললেন, আমি তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ সর্বোত্তমভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি।

[মুসনাদ আহমাদ-৫৫৪]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (430)


430 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ الْأَعْرَابِيُّ، عَنْ مَعْبَدٍ الْجُهَنِىِّ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ وُضُوئِهِ تَبَسَّمَ، فَقَالَ: هَلْ تَدْرُونَ مِمَّا ضَحِكْتُ؟ قَالَ: فَقَالَ: تَوَضَّأَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا تَوَضَّأْتُ، ثُمَّ تَبَسَّمَ، ثُمَّ قَالَ: " هَلْ تَدْرُونَ مِمَّ ضَحِكْتُ؟ " قَالَ: قُلْنَا: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: " إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا تَوَضَّأَ فَأَتَمَّ وُضُوءَهُ، ثُمَّ دَخَلَ فِي صَلاتِهِ فَأَتَمَّ صَلاتَهُ، خَرَجَ مِنْ صَلاتِهِ كَمَا خَرَجَ مِنْ بَطْنِ أُمِّهِ مِنَ الذُّنُوبِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৪৩০। হাদীস নং ৪১৫ দ্রষ্টব্য।

সংযোজন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বান্দা পূর্ণাঙ্গভাবে ওযূ করে নামাযে প্রবেশ করলো, সে সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ন্যায় সকল গুনাহ থেকে পবিত্র হয়ে গেল।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (431)


431 - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ شَقِيقٍ، يَقُولُ: كَانَ عُثْمَانُ يَنْهَى عَنِ الْمُتْعَةِ، وَعَلِيٌّ يُلَبِّي بِهَا، فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ قَوْلًا، فَقَالَ لَهُ عَلِيٌّ: لَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ ذَلِكَ؟ قَالَ عُثْمَانُ: أَجَلْ، وَلَكِنَّا كُنَّا خَائِفِينَ . قَالَ شُعْبَةُ: فَقُلْتُ لِقَتَادَةَ: مَا كَانَ خَوْفُهُمْ؟ قَالَ: لَا أَدْرِي.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৪৩১। আবদুল্লাহ বিন শাকীক বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মুত’আ বিয়ে করতে নিষেধ করতেন, আর আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার পক্ষে ফতোয়া দিতেন। এরপর উসমান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে কী যেন বললেন। তারপর তাকে আলী(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তুমিতো জানো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করেছেন? উসমান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হ্যাঁ, তবে আমরা ভয় পেতাম। (মুসনাদে আহমাদ-৪৩২, ৭৫৬)

এ হাদীসের অন্যতম বর্ণনাকারী শু’বা বলেন, আমি কাতাদাকে জিজ্ঞাসা করলামঃ তারা কিসের ভয় পেতেন? কাতাদা বললেনঃ জানি না।

[মুসলিম-১২২৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (432)


432 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ شَقِيقٍ: كَانَ عُثْمَانُ يَنْهَى عَنِ الْمُتْعَةِ، وَعَلِيٌّ يَأْمُرُ بِهَا، فَقَالَ عُثْمَانُ لِعَلِيٍّ قَوْلًا، ثُمَّ قَالَ عَلِيٌّ: لَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّا قَدْ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: أَجَلْ، وَلَكِنَّا كُنَّا خَائِفِينَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৪৩২। হাদীস নং ৪৩১ দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (433)


433 - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا كَهْمَسٌ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ ثَابِتٍ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: قَالَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ وَهُوَ يَخْطُبُ عَلَى مِنْبَرِهِ: إِنِّي مُحَدِّثُكُمْ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا كَانَ يَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ إِلَّا الضِّنُّ عَلَيْكُمْ، وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " حَرَسُ لَيْلَةٍ فِي سَبِيلِ اللهِ تَعَالَى أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ لَيْلَةٍ يُقَامُ لَيْلُهَا، وَيُصَامُ نَهَارُهَا " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن وهذا إسناد ضعيف]




৪৩৩। আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর বলেন, উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মিম্বারে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে বললেনঃ আমি তোমাদেরকে সেই হাদীসটি শুনাচ্ছি, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে শুনেছি। এতদিন শুনাইনি শুধু এজন্য যে, আমি তোমাদের প্রতি কার্পণ্য করছিলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর পথে এক রাত পাহারা দেয়া এমন এক হাজার রাতের চেয়ে ভালো, যার রাতগুলো জেগে ইবাদাত করে কাটানো হয় এবং দিনগুলোতে রোযা রাখা হয়।

[ইবনু মাজাহ-২৭৬৬, মুসনাদে আহমাদ-৪৬৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (434)


434 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " مَنْ بَنَى مَسْجِدًا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ، بَنَى اللهُ لَهُ مِثْلَهُ فِي الْجَنَّةِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৪৩৪। উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি মসজিদ বানাবে, আল্লাহ তার জন্য অনুরূপ একটি ঘর বানাবেন।

[বুখারী-৪৫০, মুসলিম-৫৩৩, ইবনু খুযাইমা-১২৯১, ইবনু হিব্বান-১৬৯, মুসনাদে আহমাদ-৫০৬]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (435)


435 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قَارِظٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ، قَالَ: رَأَيْتُ عَلِيًّا وَعُثْمَانَ يُصَلِّيَانِ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى، ثُمَّ يَنْصَرِفَانِ يُذَكِّرَانِ النَّاسَ، قَالَ: وَسَمِعْتُهُمَا يَقُولانِ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ " . قَالَ: وسَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ: نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَبْقَى مِنْ نُسُكِكُمْ عِنْدَكُمْ شَيْءٌ بَعْدَ ثَلاثٍ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৪৩৫। আবদুর রহমান বিন আযহারের মুক্ত গোলাম আবু উবাইদ বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে দেখেছি, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়তেন, তারপর পেছনের দিকে ফিরে জনগণকে উপদেশ দিতেন। আবু উবাইদ আরো বলেন, আমি উক্ত দু’জনকেই বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’দিন রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন। আবু উবাইদ বলেন, আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি যে, তিন দিন পরে তোমাদের কুরবানীর কিছু অবশিষ্ট রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।

[মুসনাদে আহমাদ-৪২৭, ৫১০, ৫৮৭, ৮০৬l









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (436)


436 - حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى ابْنِ دَارَةَ مَوْلَى عُثْمَانَ، قَالَ: فَسَمِعَنِي أُمَضْمِضُ، قَالَ: فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ. قَالَ: قُلْتُ: لَبَّيْكَ. قَالَ: أَلَا أُخْبِرُكَ عَنْ وُضُوءِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ وَهُوَ بِالْمَقَاعِدِ دَعَا بِوَضُوءٍ، فَمَضْمَضَ ثَلَاثًا، وَاسْتَنْشَقَ ثَلَاثًا، وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا، وَذِرَاعَيْهِ ثَلاثًا ثَلَاثًا، وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثَلَاثًا، وَغَسَلَ قَدَمَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: مَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى وُضُوءِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَهَذَا وُضُوءُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৪৩৬। হাদীস নং ৪১৮ দ্রষ্টব্য।



৪১৮। হুমরান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের আসনে বসা অবস্থায় পানি আনতে বললেন। তারপর পাত্র থেকে পানি ঢেলে ডান হাত ধুলেন। তারপর ডান হাত পাত্রে ঢুকিয়ে নিজের দুই হাতের তালু তিনবার করে ধুলেন। তারপর নিজের মুখমণ্ডল তিনবার করে ধুলেন, তিনবার করে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন। তারপর গোড়ালি পর্যন্ত পা ধুলেন তিনবার করে। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই ওযূর মত ওযূ করবে, তারপর দু’রাকআত নামায এমনভাবে পড়বে যে, নামাযের ভেতরে নিজের সাথে কোন কথা বলবে না, (অর্থাৎ অন্য কোন বিষয়ে চিন্তা করবে না।) তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (437)


437 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ وَعَفَّانُ، الْمَعْنَى، قَالا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، قَالَ: كُنَّا مَعَ عُثْمَانَ وَهُوَ مَحْصُورٌ فِي الدَّارِ، فَدَخَلَ مَدْخَلًا كَانَ إِذَا دَخَلَهُ يَسْمَعُ كَلامَهُ مَنْ عَلَى الْبَلَاطِ، قَالَ: فَدَخَلَ ذَلِكَ الْمَدْخَلَ وَخَرَجَ إِلَيْنَا، فَقَالَ: إِنَّهُمْ يَتَوَعَّدُونَنِي بِالْقَتْلِ آنِفًا. قَالَ: قُلْنَا: يَكْفِيكَهُمُ اللهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ. قَالَ: وَبِمَ يَقْتُلُونَنِي ؟ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ إِلَّا بِإِحْدَى ثَلاثٍ: رَجُلٌ كَفَرَ بَعْدَ إِسْلامِهِ، أَوْ زَنَى بَعْدَ إِحْصَانِهِ، أَوْ قَتَلَ نَفْسًا فَيُقْتَلُ بِهَا "، فَوَاللهِ مَا أَحْبَبْتُ أَنَّ لِي بِدِينِي بَدَلًا مُنْذُ هَدَانِي اللهُ، وَلا زَنَيْتُ فِي جَاهِلِيَّةٍ وَلا إِسْلامٍ قَطُّ، وَلا قَتَلْتُ نَفْسًا، فَبِمَ يَقْتُلُونَنِي؟ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৪৩৭। আবু উমামা বিন সাহল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, উসমান যখন তাঁর বাড়িতে অবরুদ্ধ, তখন আমরা তাঁর সাথে ছিলাম। অতঃপর তিনি এমন একটা কক্ষে প্রবেশ করলেন, যেখানে তিনি প্রবেশ করলে তাঁর আওয়ায প্রাসাদের ওপর অবস্থানকারীরা শুনতে পেত। তিনি সেখানে প্রবেশ করে আবার আমাদের কাছে বেরিয়ে এলেন। তিনি বললেন, অবরোধকারীরা আমাকে হত্যারও হুমকি দিচ্ছে। আমরা বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনার পক্ষে আল্লাহই ওদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন। (অর্থাৎ প্রতিহত করবেন।) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমাকে কোন অপরাধে তারা হত্যা করবে? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তিনটি কারণের যে কোন একটি ব্যতীত কোন মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়ঃ মুসলিম হওয়ার পর কাফির হওয়া, বিয়ে করার পর ব্যভিচার করা এবং কাউকে হত্যা করা। আল্লাহর কসম, আল্লাহ যেদিন আমাকে হিদায়াত করেছেন, তারপর থেকে আমি কখনো পছন্দ করিনি যে, আমার এই দীনের পরিবর্তে অন্য কোন দীন আমার হোক। জাহিলিয়াতে বা ইসলামে কখনো আমি ব্যভিচার করিনি, আর কাউকে আমি হত্যাও করিনি। তাহলে তারা কী কারণে আমাকে হত্যা করবে?

[আল হাকেম-৪/৩৫০, আবু দাউদ-৪৫০২, ইবনু মাজাহ-২৫৩৩, তিরমিযী-২১৫৮, নাসায়ী ৯১/৭, মুসনাদে আহমাদ-৪৩৮, ৪৬৮, ৫০৯]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (438)


438 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُمَامَةَ بْنُ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ: إِنِّي لَمَعَ عُثْمَانَ فِي الدَّارِ وَهُوَ مَحْصُورٌ، وَقَالَ: كُنَّا نَدْخُلُ مَدْخَلًا ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ مِثْلَهُ، وَقَالَ: قَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ مِثْلَهُ أَوْ نَحْوَهُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৪৩৮। হাদীস নং ৪৩৭ দ্রষ্টব্য। (দেখুন পূর্বের হাদিস)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (439)


439 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ - يَعْنِي ابْنَ الْفَضْلِ - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، قَالَ: دَعَا عُثْمَانُ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِيهِمْ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ، فَقَالَ: إِنِّي سَائِلُكُمْ، وَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ تَصْدُقُونِي: نَشَدْتُكُمُ اللهَ أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُؤْثِرُ قُرَيْشًا عَلَى سَائِرِ النَّاسِ، وَيُؤْثِرُ بَنِي هَاشِمٍ عَلَى سَائِرِ قُرَيْشٍ؟ فَسَكَتَ الْقَوْمُ، فَقَالَ عُثْمَانُ: لَوْ أَنَّ بِيَدِي مَفَاتِيحَ الْجَنَّةِ لَأَعْطَيْتُهَا بَنِي أُمَيَّةَ حَتَّى يَدْخُلُوا مِنْ عِنْدِ آخِرِهِمْ. فَبَعَثَ إِلَى طَلْحَةَ وَالزُّبَيْرِ، فَقَالَ عُثْمَانُ: أَلا أُحَدِّثُكُمَا عَنْهُ - يَعْنِي عَمَّارًا -؟ أَقْبَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آخِذًا بِيَدِي نَتَمَشَّى فِي الْبَطْحَاءِ، حَتَّى أَتَى عَلَى أَبِيهِ وَأُمِّهِ وَعَلَيْهِ يُعَذَّبُونَ، فَقَالَ أَبُو عَمَّارٍ: يَا رَسُولَ اللهِ، الدَّهْرَ هَكَذَا؟ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " اصْبِرْ " ثُمَّ قَالَ: " اللهُمَّ اغْفِرْ لِآلِ يَاسِرٍ، وَقَدْ فَعَلْتُ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف لانقطاعه]




৪৩৯। সালেম বিন আবিল জা’দ বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতিপয় সাহাবীকে ডেকে আনলেন। তাঁদের মধ্যে আম্মার বিন ইয়াসির ছিলেন। তারপর বললেন, আমি তোমাদের নিকট জিজ্ঞাসা করতে চাই, আমি চাই তোমরা আমাকে সমর্থন কর। আমি তোমাদেরকে শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করি, তোমরা কি জান, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল মানুষের ওপর কুরাইশকে এবং কুরাইশদের সকলের ওপর বনু হাশিম গোত্র কে অগ্রাধিকার দিতেন? উপস্থিত সকলে নীরব রইল। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমার হাতে যদি জান্নাতের চাবিকাঠি থাকতো, তাহলে তা বনু উমাইয়াকে দিতাম, যাতে তাদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করে।

এরপর তিনি তালহা ও যুবাইরকে ডেকে পাঠালেন। তাঁদের উভয়কে উসমান বললেন, আমি কি তার সম্পর্কে অর্থাৎ আম্মার সম্পর্কে তোমাদেরকে সঠিক খবর জানাবো না? আমি মক্কার নিম্নাঞ্চলের সমতল ভূমিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এগিয়ে গেলাম। তিনি আমার হাত ধরে চলছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আম্মার, তার পিতা ও মাতার নিকট পৌছলেন, তখন তাদের ওপর নির্যাতন চলছিল। আম্মারের পিতা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, যুগ কি এ রকম? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাবে বললেনঃ সবর কর। তারপর বললেনঃ “হে আল্লাহ, ইয়াসারের পরিবারকে ক্ষমা কর।” ইয়াসিরের প্রকৃত ঘটনা আমি তোমাদেরকে জানালাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (440)


440 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا حُرَيْثُ بْنُ السَّائِبِ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي حُمْرَانُ: عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " كُلُّ شَيْءٍ سِوَى ظِلِّ بَيْتٍ، وَجِلْفِ الْخُبْزِ، وَثَوْبٍ يُوَارِي عَوْرَتَهُ، وَالْمَاءِ، فَمَا فَضَلَ عَنْ هَذَا فَلَيْسَ لِابْنِ آدَمَ فِيهِ (*) حَقٌّ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف ولا يصح عن النبي صلى الله عليه وسلم]




৪৪০। উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, একটা ঘরের ছায়া, যেন তেন একটা রুটি, ছতর ঢাকার মত পোশাক এবং পানি- এ ক’টি জিনিসের অতিরিক্ত যা কিছু, তাতে আদম সন্তানের কোন অধিকার নেই।

[আল হাকেম-৩১২/৪, তিরমিযী-২৩৪১]