হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (501)


501 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، قَالَ: قَالَ قَيْسٌ: فَحَدَّثَنِي أَبُو سَهْلَةَ: أَنَّ عُثْمَانَ قَالَ يَوْمَ الدَّارِ حِينَ حُصِرَ: إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهِدَ إِلَيَّ عَهْدًا، فَأَنَا صَابِرٌ عَلَيْهِ. قَالَ قَيْسٌ: فَكَانُوا يَرَوْنَهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৫০১। হাদীস নং ৪০৭ দ্রষ্টব্য।



৪০৭। কায়েস বলেন, আবু সাহলা আমাকে জানিয়েছেন যে, যেদিন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে গেলেন, সেদিন বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি ব্যাপারে (ধৈর্য ধারণ) করতে আদেশ করেছেন। তা পালন করতে আমি ধৈর্য ধারণ করবো। কায়েস বলেন, সেদিন জনগণ তাকে সেই আদেশ পালন করতে দেখছিল।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (502)


502 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي رَبَاحٌ، قَالَ: زَوَّجَنِي مَوْلايَ جَارِيَةً رُومِيَّةً، فَوَقَعْتُ عَلَيْهَا فَوَلَدَتْ لِي غُلامًا أَسْوَدَ مِثْلِي، فَسَمَّيْتُهُ عَبْدَ اللهِ، ثُمَّ وَقَعْتُ عَلَيْهَا فَوَلَدَتْ لِي غُلامًا أَسْوَدَ مِثْلِي، فَسَمَّيْتُهُ عُبَيْدَ اللهِ، ثُمَّ طَبِنَ لِي غُلامٌ رُومِيٌّ - قَالَ: حَسِبْتُهُ قَالَ: لِأَهْلِي رُومِيٌّ - يُقَالُ لَهُ: يُوحَنَّسُ، فَرَاطَنَهَا بِلِسَانِهِ - يَعْنِي بِالرُّومِيَّةِ - فَوَقَعَ عَلَيْهَا فَوَلَدَتْ لَهُ غُلامًا أَحْمَرَ، كَأَنَّهُ وَزَغَةٌ مِنَ الْوُزْغَانِ، فَقُلْتُ لَهَا: مَا هَذَا؟ فَقَالَتْ: هَذَا مِنْ يُوحَنَّسَ. قَالَ: فَارْتَفَعْنَا إِلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، وَأَقَرَّا جَمِيعًا، فَقَالَ عُثْمَانُ: إِنْ شِئْتُمْ قَضَيْتُ بَيْنَكُمْ بِقَضِيَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى: أَنَّ الْوَلَدَ لِلْفِرَاشِ. قَالَ: حَسِبْتُهُ قَالَ: وَجَلَدَهُمَا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف لجهالة رباح]




৫০২। হাদীস নং ৪১৬ দ্রষ্টব্য।



৪১৬। রাবাহ বলেন, আমার পরিবার আমাকে তাদের জনৈক রোমক দাসীর সাথে বিয়ে দিল। তার গর্ভে আমারই মত কালো একটা ছেলে জন্ম নিল। আমি তার নাম রাখলাম আবদুল্লাহ। এরপরে পুনরায় তার গর্ভে আমার মত কালো আরো একটা ছেলে ভূমিষ্ঠ হলো। আমি তার নাম রাখলাম উবাইদুল্লাহ। এরপর আমার পরিবারের আর একটি রোমক গোলাম- যার নাম ইউহান্‌স- দাসীটির কাছে সুদর্শন ও উজ্জ্বল মনে হলো। (অর্থাৎ ভালো লাগলো।) গোলামটি দাসীটির সাথে তার ভাষায় কথা বললো। (অর্থাৎ রোমক ভাষায়) এরপর দাসীটি এমন একটি সন্তান জন্ম দিল যেন তা একটি গিরগিটি। আমি বললাম, এ কী? সে বললোঃ এ সন্তান ইউহানসের। এরপর আমরা আমীরুল মুমিনীন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট বিষয়টি নিয়ে গেলাম।

(বর্ণনাকারী বলেনঃ আমার মনে হয়, তিনি গোলাম ও দাসীটিকে জিজ্ঞাসা করলে তারা উভয়ে (ব্যভিচারের কথা) স্বীকার করলো। তখন আমীরুল মুমিনীন বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিচার অনুসারে তোমাদের দু’জনের বিচার করি, এতে রাজী আছ? অতঃপর তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিচার করেছেন এভাবে যে, বিছানা যার সন্তান তার (অর্থাৎ বিবাহিত স্বামীর) আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। (বর্ণনাকারী বলেনঃ আমার যতদূর মনে হয় তিনি উভয়কে বেত্রাঘাত করেছেন। তারা উভয়েই ছিল দাস ও দাসী।)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (503)


503 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ حُمْرَانَ بْنَ أَبَانَ يُحَدِّثُ أَبَا بُرْدَةَ فِي الْمَسْجِدِ أَنَّهُ سَمِعَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: " مَنْ أَتَمَّ الْوُضُوءَ كَمَا أَمَرَهُ اللهُ، فَالصَّلَوَاتُ الْمَكْتُوبَاتُ كَفَّارَاتٌ لِمَا بَيْنَهُنَّ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৫০৩। হাদীস নং ৪০৬ দ্রষ্টব্য।



৪০৬। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ অনুসারে পূর্ণাঙ্গভাবে ওযূ করে, তার (পাঁচ ওয়াক্ত) ফারয নামাযসমূহ তার মধ্যবর্তী সকল গুনাহর জন্য কাফফারা স্বরূপ।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (504)


504 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبَّادَ بْنَ زَاهِرٍ أَبَا رُوَاعٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ يَخْطُبُ، فَقَالَ: إِنَّا وَاللهِ قَدْ صَحِبْنَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي السَّفَرِ وَالْحَضَرِ، فكَانَ يَعُودُ مَرْضَانَا، وَيَتْبَعُ جَنَائِزَنَا، وَيَغْزُو مَعَنَا، وَيُوَاسِينَا بِالْقَلِيلِ وَالْكَثِيرِ، وَإِنَّ نَاسًا يُعْلِّمُونِي بِهِ، عَسَى أَنْ لَا يَكُونَ أَحَدُهُمْ رَآهُ قَطُّ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৫০৪। আব্বাদ বিন যাহির আবু রু’য়া বলেন, আমি উসমান বিন আফফানকে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আল্লাহর কসম, আমরা প্রবাসকালে ও নিজ এলাকায় বসবাসকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে থাকতাম। তিনি (সকল অবস্থায়) আমাদের মধ্যে যে রোগাক্রান্ত হতো, তাকে দেখতে আসতেন, যে মারা যেত তার জানাযায় উপস্থিত হতেন, আমাদের সাথে থেকে যুদ্ধ করতেন। কমবেশি যাই হোক তা দ্বারা আমাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতেন। এমন অনেক লোক আমাকে তার সম্পর্কে তথ্য জানাতো যাদের কেউ কেউ হয়তো তাকে কখনো দেখেনি।

(“কমবেশি যাই হোক” এর অর্থ দু’রকম হতে পারে, এক, বিপদাপদ কম বা বেশি যাই হোক, তাতে তিনি সহানুভূতি জানাতেন। দুই, কম হোক বা বেশি হোক সাহায্য বা উপহার সহকারে তিনি সহানুভূতি জানাতেন। -অনুবাদক)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (505)


505 - حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنِي شُعَيْبٌ أَبُو شَيْبَةَ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً الْخُرَاسَانِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ يَقُولُ: رَأَيْتُ عُثْمَانَ قَاعِدًا فِي الْمَقَاعِدِ، فَدَعَا بِطَعَامٍ مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ فَأَكَلَهُ، ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاةِ فَصَلَّى، ثُمَّ قَالَ عُثْمَانُ: قَعَدْتُ مَقْعَدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَكَلْتُ طَعَامَ رَسُولِ اللهِ، وَصَلَّيْتُ صَلاةَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره وهذا إسناد ضعيف]




৫০৫। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে দেখেছি আসনে বসা। তারপর তিনি আগুনে রান্না করা খাবার আনতে আদেশ দিলেন এবং তা খেলেন, তারপর নামাযের জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং নামায পড়লেন। তারপর উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ন্যায় আসনে বসেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা খেতেন তা খেয়েছি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে নামায পড়তেন সেভাবে নামায পড়েছি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (506)


506 - حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ: أَنَّ عُثْمَانَ أَرَادَ أَنْ يَبْنِيَ مَسْجِدَ الْمَدِينَةِ، فَكَرِهَ النَّاسُ ذَاكَ، وَأَحَبُّوا أَنْ يَدَعُوهُ عَلَى هَيْئَتِهِ، فَقَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " مَنْ بَنَى مَسْجِدًا لِلَّهِ، بَنَى اللهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ مِثْلَهُ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৫০৬। মাহমুদ বিন লবীদ বলেছেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইচ্ছা করলেন মদীনার মসজিদকে পুনর্নির্মাণ করতে। কিন্তু লোকেরা তা অপছন্দ করলো এবং ওটা যেমন আছে তেমন থাকুক এটাই তারা কামনা করতো। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে তদ্রুপ একটি ঘর নির্মাণ করবেন। (হাদীস নং-৪৩৪ দ্রষ্টব্য)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (507)


507 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ؛ يَعْنِي قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنْ تَعَمَّدَ عَلَيَّ كَذِبًا، فَلْيَتَبَوَّأْ بَيْتًا فِي النَّارِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৫০৭। মাহমুদ বিন লাবীদ বর্ণনা করেছেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নামের একটি বাড়িকে নিজের বাসস্থান রূপে গ্রহণ করে।

(অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেননি বা করেননি, তা মনগড়াভাবে তিনি বলেছেন বা করেছেন বলে প্রচার করে, অথবা তিনি যা বলেছেন বা করেছেন, তা করেননি বা বলেননি বলে প্রচার করে বা বিকৃত করে। -অনুবাদক)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (508)


508 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ فَرُّوخَ مَوْلَى الْقُرَشِيِّينَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَدْخَلَ اللهُ رَجُلًا الْجَنَّةَ كَانَ سَهْلًا: مُشْتَرِيًا، وَبَائِعًا، وَقَاضِيًا، وَمُقْتَضِيًا " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৫০৮। উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা এমন এক ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যে ক্রেতা হিসাবে, বিক্রেতা হিসাবে, বিচারক হিসাবে ও বিচার প্রার্থী হিসাবে (অর্থাৎ সকল অবস্থায়) কোমল আচরণকারী ছিল। [হাদীস নং-৪১০]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (509)


509 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ: كُنَّا مَعَ عُثْمَانَ وَهُوَ مَحْصُورٌ فِي الدَّارِ، قَالَ: وَلِمَ يَقْتُلُونَنِي ؟ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: " لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ إِلَّا بِإِحْدَى ثَلاثٍ: رَجُلٌ كَفَرَ بَعْدَ إِسْلامِهِ، أَوْ زَنَى بَعْدَ إِحْصَانِهِ، أَوْ قَتَلَ نَفْسًا فَيُقْتَلُ بِهَا " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط الشيخين]




৫০৯। হাদীস নং ৪৩৭ দ্রষ্টব্য।



৪৩৭। আবু উমামা বিন সাহল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, উসমান যখন তাঁর বাড়িতে অবরুদ্ধ, তখন আমরা তাঁর সাথে ছিলাম। অতঃপর তিনি এমন একটা কক্ষে প্রবেশ করলেন, যেখানে তিনি প্রবেশ করলে তাঁর আওয়ায প্রাসাদের ওপর অবস্থানকারীরা শুনতে পেত। তিনি সেখানে প্রবেশ করে আবার আমাদের কাছে বেরিয়ে এলেন। তিনি বললেন, অবরোধকারীরা আমাকে হত্যারও হুমকি দিচ্ছে। আমরা বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনার পক্ষে আল্লাহই ওদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন। (অর্থাৎ প্রতিহত করবেন।) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমাকে কোন অপরাধে তারা হত্যা করবে? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তিনটি কারণের যে কোন একটি ব্যতীত কোন মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়ঃ মুসলিম হওয়ার পর কাফির হওয়া, বিয়ে করার পর ব্যভিচার করা এবং কাউকে হত্যা করা। আল্লাহর কসম, আল্লাহ যেদিন আমাকে হিদায়াত করেছেন, তারপর থেকে আমি কখনো পছন্দ করিনি যে, আমার এই দীনের পরিবর্তে অন্য কোন দীন আমার হোক। জাহিলিয়াতে বা ইসলামে কখনো আমি ব্যভিচার করিনি, আর কাউকে আমি হত্যাও করিনি। তাহলে তারা কী কারণে আমাকে হত্যা করবে?









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (510)


510 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قَارِظٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ قَالَ: رَأَيْتُ عَلِيًّا وَعُثْمَانَ يُصَلِّيَانِ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى، ثُمَّ يَنْصَرِفَانِ يُذَكِّرَانِ النَّاسَ، قَالَ: وَسَمِعْتُهُمَا يَقُولانِ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ. قَالَ: وَسَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ: نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَبْقَى مِنْ نُسُكِكُمْ عِنْدَكُمْ شَيْءٌ بَعْدَ ثَلاثٍ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৫১০। হাদীস নং ৪২৭, ৪৩৫ দ্রষ্টব্য।



৪২৭। আবু উবাইদ বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে দেখেছি, তারা উভয়ে নামায পড়েই ঘুরে দাঁড়াতেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন। তাদের উভয়কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (511)


511 - حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ جَاوَانَ ، قَالَ: قَالَ الْأَحْنَفُ: انْطَلَقْنَا حُجَّاجًا، فَمَرَرْنَا بِالْمَدِينَةِ، فَبَيْنَمَا نَحْنُ فِي مَنْزِلِنَا، إِذْ جَاءَنَا آتٍ، فَقَالَ: النَّاسُ مِنْ فَزَعٍ فِي الْمَسْجِدِ. فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَصَاحِبِي، فَإِذَا النَّاسُ مُجْتَمِعُونَ عَلَى نَفَرٍ فِي الْمَسْجِدِ، قَالَ: فَتَخَلَّلْتُهُمْ حَتَّى قُمْتُ عَلَيْهِمْ، فَإِذَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَالزُّبَيْرُ وَطَلْحَةُ وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: فَلَمْ يَكُنْ ذَلِكَ بِأَسْرَعَ مِنْ أَنْ جَاءَ عُثْمَانُ يَمْشِي، فَقَالَ: أَهَاهُنَا عَلِيٌّ؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَهَاهُنَا الزُّبَيْرُ؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَهَاهُنَا طَلْحَةُ؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَهَاهُنَا سَعْدٌ؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " مَنْ يَبْتَاعُ مِرْبَدَ بَنِي فُلانٍ غَفَرَ اللهُ لَهُ ". فَابْتَعْتُهُ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ: إِنِّي قَدِ ابْتَعْتُهُ. فَقَالَ: " اجْعَلْهُ فِي مَسْجِدِنَا وَأَجْرُهُ لَكَ "؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " مَنْ يَبْتَاعُ بِئْرَ رُومَةَ؟ " فَابْتَعْتُهَا بِكَذَا وَكَذَا، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: إِنِّي قَدِ ابْتَعْتُهَا، يَعْنِي بِئْرَ رُومَةَ، فَقَالَ: " اجْعَلْهَا سِقَايَةً لِلْمُسْلِمِينَ وَأَجْرُهَا لَكَ "؟ قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: أَنْشُدُكُمْ بِاللهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَظَرَ فِي وُجُوهِ الْقَوْمِ يَوْمَ جَيْشِ الْعُسْرَةِ، فَقَالَ: " مَنْ يُجَهِّزُ هَؤُلاءِ غَفَرَ اللهُ لَهُ " فَجَهَّزْتُهُمْ، حَتَّى مَا يَفْقِدُونَ خِطَامًا وَلا عِقَالًا؟ قَالُوا: اللهُمَّ نَعَمْ. قَالَ: اللهُمَّ اشْهَدْ، اللهُمَّ اشْهَدْ، اللهُمَّ اشْهَدْ. ثُمَّ انْصَرَفَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حديث صحيح لغيره، وهذا إسناد ضعيف ]




৫১১। আহনাফ বলেছেন, আমরা হজ করতে রওনা হলাম এবং মদীনা অতিক্রম করলাম। আমরা যখন আমাদের মানযিলে অবস্থান করছিলাম, তখন সহসা এক ব্যক্তি আমাদের নিকট উপস্থিত হলো। সে বললোঃ লোকেরা ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় মসজিদে অবস্থান করছে। এ কথা শুনে আমি ও আমার সাথী চলে গেলাম। অল্পক্ষণের মধ্যেই আমি তাদের সাথে মিলিত হলাম এবং তাদের সামনে দাঁড়ালাম। দেখলাম, সেখানে আলী বিন আবি তালিব, যুবাইর, তালহা ও সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রয়েছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সেখানে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, এখানে কি আলী আছে? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেন, এখানে কি যুবাইর আছে? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেন, এখানে কি তালহা আছে? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেন, এখানে কি সা’দ আছে? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ।

তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ করে তোমাদেরকে বলছি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, তোমরা কি জান যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ যে ব্যক্তি অমুক গোত্রের উম্মুক্ত প্রান্তরটি খরিদ করবে, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। তখন আমি সেটি খরিদ করলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলাম। আমি বললামঃ আমি সেই প্রান্তরটি খরিদ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটাকে আমাদের মসজিদের অন্তর্ভুক্ত কর, তুমিই এর সওয়াব পাবে। লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ, জানি।

উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পুনরায় বললেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহর শপথ করে বলছি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, তোমরা কি জান যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, রুমার কূপটি কে খরিদ করবে? তখন আমি সেটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে খরিদ করলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলাম এবং বললামঃ আমি রুমার কূপটি খরিদ করেছি। তিনি বললেনঃ ওটাকে মুসলিমদের খাবার পানির উৎসরূপে নির্ধারণ কর এবং এর সাওয়াব তুমিই পাবে। লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ, জানি, এ সবই সত্য।

উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবার বললেনঃ তোমাদেরকে আল্লাহর শপথ করে জিজ্ঞাসা করছি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, তোমরা কি জান যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম দুর্যোগের সেনাবাহিনী সংগঠনের দিনে মুসলিমদের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি এই মুসলিমদেরকে যুদ্ধের সাজ সরঞ্জাম সজ্জিত করবে, আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেবেন। তখন আমি তাদেরকে যুদ্ধ সাজে সজ্জিত করলাম। এমনকি তাদের একটি লাগাম, ধনুকের জ্যা ও এক গাছি রাশিরও অভাব রইল না। লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ, জানি। এসবই আপনি করেছেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হে আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থাক, হে আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থাক, হে আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থাক। অতঃপর তিনি চলে গেলেন।

[ইবনু হিব্বান-৬৯২০, ইবনু খুযাইমা-২৪৮৭, নাসায়ী-৪৬/৬, ২৩৩, ২৩৪। মুসনাদে আহমাদ-৪২০]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (512)


512 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ عَتِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ بَعْضِ بَنِي يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ: قَالَ يَعْلَى: طُفْتُ مَعَ عُثْمَانَ، فَاسْتَلَمْنَا الرُّكْنَ، قَالَ يَعْلَى: فَكُنْتُ مِمَّا يَلِي الْبَيْتَ، فَلَمَّا بَلَغْنَا الرُّكْنَ الْغَرْبِيَّ الَّذِي يَلِي الْأَسْوَدَ، جَرَرْتُ بِيَدِهِ لِيَسْتَلِمَ، فَقَالَ: مَا شَأْنُكَ؟ فَقُلْتُ: أَلا تَسْتَلِمُ؟ قَالَ: فَقَالَ: أَلَمْ تَطُفْ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقُلْتُ: بَلَى. قَالَ: أَرَأَيْتَهُ يَسْتَلِمُ هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ الْغَرْبِيَّيْنِ؟ قُلْتُ: لَا. قَالَ: أَفَلَيْسَ لَكَ فِيهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ؟ قُلْتُ: بَلَى. قَالَ: فَانْفُذْ عَنْكَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح لغيره]




৫১২। ইয়ালা বলেছেন, আমি উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে তাওয়াফ করেছিলাম এবং রুকনে ইয়ামানী হাত দিয়ে স্পর্শ করেছিলাম। ইয়ালা বলেন, আমি পবিত্র ঘরের অতি নিকটে ছিলাম। যখন হাজরে আসওয়াদ সংলগ্ন পশ্চিম রুকনের নিকট উপস্থিত হলাম, তখন আমি তার হাত ধরে টানলাম যেন তিনি পশ্চিম রুকনকে হাত দিয়ে স্পর্শ করেন। হাত ধরে টানলে তিনি বললেনঃ তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, আপনি স্পর্শ করবেন না? তিনি বললেনঃ তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাওয়াফ করনি? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে কি এই দুটি পশ্চিম রুকনকে স্পর্শ করতে দেখেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তবে কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে তোমার জন্য উত্তম আদর্শ নেই? আমি বললাম, আছে। তিনি বললেনঃ তাহলে সামনে এগিয়ে চল।

[হাদীস নং-২৫৩ দ্রষ্টব্য]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (513)


513 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَقِيلٍ، أَنَّهُ سَمِعَ الْحَارِثَ مَوْلَى عُثْمَانَ يَقُولُ: جَلَسَ عُثْمَانُ يَوْمًا وَجَلَسْنَا مَعَهُ، فَجَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ، فَدَعَا بِمَاءٍ فِي إِنَاءٍ، أَظُنُّهُ سَيَكُونُ فِيهِ مُدٌّ، فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ قَالَ: " وَمَنْ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى صَلاةَ الظُّهْرِ، غُفِرَ لَهُ مَا كَانَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ الصُّبْحِ، ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلاةِ الظُّهْرِ، ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلاةِ الْعَصْرِ، ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلاةِ الْمَغْرِبِ، ثُمَّ لَعَلَّهُ أَنْ يَبِيتَ يَتَمَرَّغُ لَيْلَتَهُ، ثُمَّ إِنْ قَامَ فَتَوَضَّأَ وَصَلَّى الصُّبْحَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ صَلاةِ الْعِشَاءِ، وَهُنَّ الْحَسَنَاتُ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ". قَالُوا: هَذِهِ الْحَسَنَاتُ، فَمَا الْبَاقِيَاتُ يَا عُثْمَانُ؟ قَالَ: هُنَّ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَسُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَاللهُ أَكْبَرُ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৫১৩। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মুক্ত দাস হারেস বলেছেন, একদিন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বসে ছিলেন, আমরাও তার সাথে বসেছিলাম। তখন তাঁর কাছে ঘোষণাকারী এল। তিনি এমন একটি পাত্রে করে পানি আনতে বললেন, যাতে আমার মনে হয়, এক মুদ পরিমাণ থাকতে পারে। অতঃপর তিনি ওযূ করলেন, তারপর বললেন, আমি যে রকম ওযূ করলাম, ঠিক এ রকম ওযূ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে করতে দেখেছি। ওযূ করে তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার এই ওযূর মত ওযূ করবে, তারপর দাঁড়িয়ে যোহরের নামায পড়বে, তার ফযর ও যোহরের মাঝখানে সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। তারপর (একই রকম ওযূ করে) আসরের নামায পড়লে তার যোহর ও আসরের মাঝখানের সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। তারপর মাগরিবের নামায পড়লে তার মাগরিব ও আসরের মাঝখানের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। তারপর ইশার নামায পড়লে তার মাগরিব ও ইশার মাঝখানের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। তারপর হয়তো সে রাত্রে মুখ দিয়ে প্রচুর লালা ঝরাবে। তারপর যদি সে ঘুম থেকে উঠে ওযূ করে ও ফজরের নামায পড়ে, তার ইশা ও ফজরের মাঝখানের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। এগুলো (ওযূ ও নামায) সৎকাজ, যা খারাপ কাজকে নষ্ট করে দেয়। লোকেরা বললোঃ (বুঝলাম) এগুলো সৎকাজ। তাহলে হে উসমান, স্থায়ী কাজগুলো কী কী? তিনি বললেনঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। (অর্থাৎ নামায শেষে নিয়মিত এ তাসবীহগুলো পাঠ করা।)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (514)


514 - حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعُثْمَانَ حَدَّثَاهُ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ اسْتَأْذَنَ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهُوَ مُضْطَجِعٌ عَلَى فِرَاشِهِ، لَابِسٌ مِرْطَ عَائِشَةَ، فَأَذِنَ لِأَبِي بَكْرٍ وَهُوَ كَذَلِكَ، فَقَضَى إِلَيْهِ حَاجَتَهُ، ثُمَّ انْصَرَفَ، ثُمَّ اسْتَأْذَنَ عُمَرُ، فَأَذِنَ لَهُ وَهُوَ عَلَى تِلْكَ الْحَالِ، فَقَضَى إِلَيْهِ حَاجَتَهُ، ثُمَّ انْصَرَفَ، قَالَ عُثْمَانُ: ثُمَّ اسْتَأْذَنْتُ عَلَيْهِ، فَجَلَسَ، وَقَالَ لِعَائِشَةَ: " اجْمَعِي عَلَيْكِ ثِيَابَكِ " فَقَضَيْتُ إِلَيْهِ حَاجَتِي، ثُمَّ انْصَرَفْتُ. قَالَتْ عَائِشَةُ: يَا رَسُولَ اللهِ، مَا لِي لَمْ أَرَكَ فَزِعْتَ لِأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ، كَمَا فَزِعْتَ لِعُثْمَانَ؟ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ عُثْمَانَ رَجُلٌ حَيِيٌّ، وَإِنِّي خَشِيتُ إِنْ أَذِنْتُ لَهُ عَلَى تِلْكَ الْحَالِ، أَنْ لَا يَبْلُغَ إِلَيَّ فِي حَاجَتِهِ ". وقَالَ اللَّيْثُ: وَقَالَ جَمَاعَةُ النَّاسِ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعَائِشَةَ: " أَلَا أَسْتَحِي مِمَّنْ يَسْتَحْيِي مِنْهُ الْمَلَائِكَةُ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৫১৪। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জানিয়েছেন যে, (একবার) আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি আয়িশার চাদর গায়ে জড়িয়ে শুয়েছিলেন। তিনি ঐ অবস্থাতেই আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে অনুমতি দিলেন। আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার নিকট যা বলার ছিল তা বলে চলে গেলেন। এরপর উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অনুমতি চাইলেন। তাঁকেও তিনি ঐ অবস্থায় অনুমতি দিলেন। তিনিও প্রয়োজনীয় কথা বলে চলে গেলেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর আমি তার সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলাম। তিনি উঠে বসলেন এবং আয়িশাকে বললেনঃ তোমার কাপড় চোপড় দিয়ে নিজকে আচ্ছাদিত কর। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বললেন। তারপর আমি চলে গেলাম।

আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ব্যাপার কি, আপনাকে তো আবু বকর ও উমারের জন্য এতটা উদ্বিগ্ন হতে দেখলাম না, যতটা উসমানের জন্য হলেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উসমান একজন অতিশয় লাজুক ব্যাক্তি। আমি আশংকা করেছিলাম যে, তাকে যদি আমার ঐ অবস্থায় (শুয়ে থাকা অবস্থায়) আসবার অনুমতি দেই, তাহলে হয়ত সে আমার সাথে তার প্রয়োজনীয় কথা বলতে পারবে না।

(এই হাদীসের জনৈক বর্ণনাকারী) লায়স বলেন, একদল লোকের বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যাক্তিকে ফেরেশতারা পর্যন্ত লজ্জা পায়, আমি কি তাকে লজ্জা পাব না?

[মুসলিম-২৪০২, মুসনাদে আহমাদ-৫১৫]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (515)


515 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُثْمَانَ، وَعَائِشَةَ حَدَّثَاهُ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ اسْتَأْذَنَ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهُوَ مُضْطَجِعٌ عَلَى فِرَاشِهِ، لَابِسٌ مِرْطَ عَائِشَةَ ... فَذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ عُقَيْلٍ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرط مسلم]




৫১৫। হাদীস নং ৫১৪ দ্রষ্টব্য। দেখুন পূর্বের হাদিস।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (516)


516 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ - يَعْنِي ابْنَ أَبِي سَلَمَةَ - وَنَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ حُمْرَانَ مَوْلَى عُثْمَانَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " مَنْ تَوَضَّأَ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ، ثُمَّ مَشَى إِلَى صَلاةٍ مَكْتُوبَةٍ فَصَلَّاهَا، غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح على شرطهما]




৫১৬। হাদীস নং ৪১৮ দ্রষ্টব্য।



৪১৮। হুমরান থেকে বর্ণিত। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের আসনে বসা অবস্থায় পানি আনতে বললেন। তারপর পাত্র থেকে পানি ঢেলে ডান হাত ধুলেন। তারপর ডান হাত পাত্রে ঢুকিয়ে নিজের দুই হাতের তালু তিনবার করে ধুলেন। তারপর নিজের মুখমণ্ডল তিনবার করে ধুলেন, তিনবার করে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং কনুই পর্যন্ত হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাসেহ করলেন। তারপর গোড়ালি পর্যন্ত পা ধুলেন তিনবার করে। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই ওযূর মত ওযূ করবে, তারপর দু’রাকআত নামায এমনভাবে পড়বে যে, নামাযের ভেতরে নিজের সাথে কোন কথা বলবে না, (অর্থাৎ অন্য কোন বিষয়ে চিন্তা করবে না।) তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (517)


517 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَوْهَبٍ - أَخْبَرَنِي عَمِّي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنُ مَوْهَبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: رَاحَ عُثْمَانُ إِلَى مَكَّةَ حَاجًّا، وَدَخَلَتْ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ امْرَأَتُهُ، فَبَاتَ مَعَهَا حَتَّى أَصْبَحَ، ثُمَّ غَدَا عَلَيْهِ رَدْعُ الطِّيبِ، وَمِلْحَفَةٌ مُعَصْفَرَةٌ مُفْدَمَةٌ، فَأَدْرَكَ النَّاسَ بِمَلَلٍ قَبْلَ أَنْ يَرُوحُوا، فَلَمَّا رَآهُ عُثْمَانُ انْتَهَرَه وَأَفَّفَ، وَقَالَ: أَتَلْبَسُ الْمُعَصْفَرَ وَقَدْ نَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ لَهُ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَنْهَهُ وَلا إِيَّاكَ، إِنَّمَا نَهَانِي . *

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৫১৭। আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, একবার উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হজ্জ করতে মক্কায় গেলেন। সেই সময় একদিন জাফর বিন আবু তালিবের ছেলে মুহাম্মাদের নিকট তাঁর স্ত্রী গেল এবং মুহাম্মাদ তাঁর কাছে সাথে রাত যাপন করলো এবং ভোর পর্যন্ত অবস্থান করলো। তারপর সকাল বেলা সে উসমানের কাছে গেল। গায়ে জাফরানী সুগন্ধি মেখে ও হলুদ রঙের আবরণীতে শরীরের সম্মুখভাগ আবৃত করে। সেখানে উপস্থিত লোকেরা বিদায় হওয়ার আগে এই দৃশ্য দেখে বিরক্তি বোধ করলো। উসমান যখন মুহাম্মাদকে দেখলেন, তখন বিরক্তি সহকারে উফ্‌ আফ্‌ করতে লাগলেন এবং বললেন, তুমি হলুদ রঙের কাপড় পর? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওটা পরতে নিষেধ করেছেন। তখন আলী ইবনে আবি তালেব তাকে বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকেও নিষেধ করেননি, তোমাকেও নিষেধ করেননি। নিষেধ করেছেন শুধু আমাকে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (518)


518 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبِي وَأَبُو خَيْثَمَةَ قَالا: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، قَالَ أَبِي فِي حَدِيثِهِ: قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، وَقَالَ أَبُو خَيْثَمَةَ: حَدَّثَنِي عَنْ عَمِّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ، أَنَّ عَامِرَ بْنَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَانَ بْنَ عُثْمَانَ يَقُولُ: قَالَ عُثْمَانُ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " أَرَأَيْتَ لَوْ كَانَ بِفِنَاءِ أَحَدِكُمْ نَهَرٌ يَجْرِي، يَغْتَسِلُ مِنْهُ كُلَّ يَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ، مَا كَانَ يَبْقَى مِنْ دَرَنِهِ؟ " قَالُوا: لَا شَيْءَ. قَالَ: " فَإِنَّ الصَّلَوَاتِ تُذْهِبُ الذُّنُوبَ كَمَا يُذْهِبُ الْمَاءُ الدَّرَنَ " . °

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৫১৮। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর ছেলে আবান জানান যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ ভেবে দেখেছ কি, তোমাদের কারো বাড়ির পাশ দিয়ে যদি একটা নদী প্রবাহিত থাকে এবং সে তাতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তাহলে তার শরীরে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকতে পারে কি? লোকেরা বললোঃ না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “পানি যেভাবে ময়লা দূর করে, নামায সেভাবে পাপ দূর করে দেয়।”









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (519)


519 - قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مُخَارِقِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ جَابِرٍ الْأَحْمَسِيِّ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنْ غَشَّ الْعَرَبَ لَمْ يَدْخُلْ فِي شَفَاعَتِي، وَلَمْ تَنَلْهُ مَوَدَّتِي " . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف جدا]




৫১৯। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আরবদেরকে ধোকা দেবে সে আমার শাফায়াতের (সুপারিশ) অন্তর্ভুক্ত হবে না এবং আমার ভালোবাসাও পাবে না।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (520)


520 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ وَأَبُو يَحْيَى الْبَزَّازُ، قَالَا: حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ مُرَاجِمٍ، مِنْ بَنِي قَيْسِ بْنِ ثَعْلَبَةَ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ عُثْمَانَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّ الْجَمَّاءَ لَتُقَصُّ مِنَ الْقَرْنَاءِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره وهذا إسناد ضعيف]




৫২০। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন শিংবিহীন মেষের জন্য শিংওয়ালা মেষের কাছ থেকে বদলা আদায় করা হবে। (অর্থাৎ শিংওয়ালা মেষ দুনিয়ায় শিংবিহীন মেষকে গুতো দিয়ে যে যুলম করেছে, কিয়ামতের দিন সেই যুলমের প্রতিশোধ নেয়া হবে।)