হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (541)


541 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ: أَنَّ عُثْمَانَ سَجَدَ فِي (ص) . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح]




৫৪১। সায়িব বিন ইয়াযীদ বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূরা সোয়াদের সিজদা করেছেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (542)


542 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا مَحْبُوبُ بْنُ مُحْرِزٍ بَيَّاعُ الْقَوَارِيرِ - كُوفِيٌّ ثِقَةٌ، كَذَا قَالَ سُرَيْجٌ - عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللهِ - يَعْنِي ابْنَ فَرُّوخَ - عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: صَلَّيْتُ خَلْفَ عُثْمَانَ الْعِيدَ فَكَبَّرَ سَبْعًا وَخَمْسًا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف لضعف محبوب بن محرز، وجهالة إبراهيم بن عبد الله بن فروخ]




৫৪২। আবদুল্লাহ ইবনে ফাররুখের পিতা বলেন, আমি উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর পেছনে ঈদের নামায পড়েছি। তিনি সাত ও পাঁচটি তাকবীর বলেছেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (543)


543 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا سَالِمٌ أَبُو جُمَيْعٍ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، وَذَكَرَ عُثْمَانَ وَشِدَّةَ حَيَائِهِ، فَقَالَ: إِنْ كَانَ لَيَكُونُ فِي الْبَيْتِ وَالْبَابُ عَلَيْهِ مُغْلَقٌ، فَمَا يَضَعُ عَنْهُ الثَّوْبَ لِيُفِيضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ، يَمْنَعُهُ الْحَيَاءُ أَنْ يُقِيمَ صُلْبَهُ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [رجاله ثقات رجال الشيخين غير سالم بن أبي جميع]




৫৪৩। হাসান উসমানের তীব্র লজ্জার বিবরণ দিয়ে বলেছেন, তিনি ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে বসে থাকতেন, শরীরে পানি ঢালার জন্য কাপড় খুলতেন না, লজ্জার কারণে তিনি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতেন না।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (544)


544 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنِي أُمَيَّةُ بْنُ شِبْلٍ وَغَيْرُهُ، قَالُوا: وَلِيَ عُثْمَانُ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ، وَكَانَتِ الْفِتْنَةُ خَمْسَ سِنِينَ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده منقطع]




৫৪৪। উমাইয়া বিন শিবল বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) শাসনকাৰ্য পরিচালনা করেন বারো বছর, আর দেশে গোলযোগ চলেছিল পাঁচ বছর।*










মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (545)


545 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى الطَّبَّاعُ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، قَالَ: وَقُتِلَ عُثْمَانُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، لِثَمَانِ عَشْرَةَ مَضَتْ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ، سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ، وَكَانَتْ خِلافَتُهُ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً إِلا اثْنَيْ عَشَرَ يَوْمًا . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده منقطع]




৫৪৫। আবু মা’শার বলেন, উসমান নিহত হন শুক্রবারে ১৮ই জিলহজ্জ হিঃ ৩৫ সন। তাঁর খিলাফাত ছিল ১২ দিন কম ১২ বছর।*









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (546)


546 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قَالَ أَبِي: حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ: أَنَّ عُثْمَانَ قُتِلَ فِي أَوْسَطِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৫৪৬। আবু উসমান বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আইয়ামে তাশরীকের মাঝখানে হত্যা করা হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (547)


547 - حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو هِلالٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ: أَنَّ عُثْمَانَ قُتِلَ وَهُوَ ابْنُ تِسْعِينَ سَنَةً، أَوْ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده منقطع]




৫৪৭। কাতাদাহ বলেছেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন নিহত হন তখন তাঁর বয়স নব্বই বা অষ্টাশি বছর ছিল।*









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (548)


548 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَلْدَةَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ قَالَ: كُنَّا بِبَابِ عُثْمَانَ، فِي عَشْرِ الْأَضْحَى .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৫৪৮। আবুল আলিয়া বলেন, আমরা ঈদুল আযহার দশদিন উসমানের দরজায় অবস্থান করেছিলাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (549)


549 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: صَلَّى الزُّبَيْرُ عَلَى عُثْمَانَ، وَدَفَنَهُ، وَكَانَ أَوْصَى إِلَيْهِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [رجاله ثقات رجال الشيخين غير أنه منقطع]




৫৪৯। কাতাদাহ বলেন, যুবাইর উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর জানাযা পড়েছিলেন এবং দাফন করেছিলেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে এ জন্য ওয়াসিয়াত করেছিলেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (550)


550 - حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، قَالَ: قُتِلَ عُثْمَانُ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ، فَكَانَتِ الْفِتْنَةُ خَمْسَ سِنِينَ، مِنْهَا أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ لِلْحَسَنِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ.

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৫৫০। আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ বিন আকীল বলেন, ৩৫ সালে উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে হত্যা করা হয়েছিল। গোলযোগ চলেছিল পাঁচ বছর, তন্মধ্যে চার মাস হাসানের কারণে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (551)


551 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَلْدَةَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، قَالَ: كُنَّا بِبَابِ عُثْمَانَ، فِي عَشْرِ الْأَضْحَى . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৫৫১। হাদীস নং ৫৪৮ দ্রষ্টব্য।



৫৪৮। আবুল আলিয়া বলেন, আমরা ঈদুল আযহার দশদিন উসমানের দরজায় অবস্থান করেছিলাম।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (552)


552 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ أَوْسٍ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو عُبَادَةَ الزُّرَقِيُّ الْأَنْصَارِيُّ، مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: شَهِدْتُ عُثْمَانَ يَوْمَ حُوصِرَ فِي مَوْضِعِ الْجَنَائِزِ، وَلَوْ أُلْقِيَ حَجَرٌ لَمْ يَقَعْ إِلا عَلَى رَأْسِ رَجُلٍ، فَرَأَيْتُ عُثْمَانَ أَشْرَفَ مِنَ الْخَوْخَةِ الَّتِي تَلِي مَقَامَ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلامُ، فَقَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ، أَفِيكُمْ طَلْحَةُ؟ فَسَكَتُوا، ثُمَّ قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ؟ فَسَكَتُوا، ثُمَّ قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ؟ فَسَكَتُوا ، ثُمَّ قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ أَفِيكُمْ طَلْحَةُ؟ فَقَامَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ، فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ: أَلَا أَرَاكَ هَاهُنَا؟ مَا كُنْتُ أَرَى أَنَّكَ تَكُونُ فِي جَمَاعَةٍ تَسْمَعُ نِدَائِي آخِرَ ثَلَاثِ مَرَّاتٍ ثُمَّ لَا تُجِيبُنِي، أَنْشُدُكَ اللهَ يَا طَلْحَةُ، تَذْكُرُ يَوْمَ كُنْتُ أَنَا وَأَنْتَ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَوْضِعِ كَذَا وَكَذَا، لَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ مِنْ [[أَصْحَابِهِ]] (*) غَيْرِي وَغَيْرُكَ؟ قَالَ: نَعَمْ. فَقَالَ لَكَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " يَا طَلْحَةُ، إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ نَبِيٍّ إِلَّا وَمَعَهُ مِنْ أَصْحَابِهِ رَفِيقٌ مِنْ أُمَّتِهِ مَعَهُ فِي الْجَنَّةِ، وَإِنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ هَذَا - يَعْنِينِي - رَفِيقِي مَعِي فِي الْجَنَّةِ ". قَالَ طَلْحَةُ: اللهُمَّ نَعَمْ. ثُمَّ انْصَرَفَ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৫৫২। যায়িদ বিন আসলামের পিতা বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যেদিন অবরুদ্ধ হলেন, সেদিন আমি জানাযার স্থানে বসে তাঁকে দেখেছিলাম। যদি একটি পাথরও নিক্ষিপ্ত হতো, তবে তা কোন না কোন মানুষের মাথার ওপর পড়তো। (অর্থাৎ বিপুল জনসমাগম হয়েছিল) দেখলাম, উসমান জিবরীলের দাঁড়ানোর জায়গার পার্শ্বে অবস্থিত একটি ছোট দরজায় দাঁড়িয়ে বলছেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? সবাই নীরবতা অবলম্বন করলো। তিনি আবার বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? এবারও কেউ জবাব দিল না। (পুনরায় তিনি বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? এবারও কেউ জবাব দিলনা।) পুনরায় তিনি বললেন, হে জনতা, তোমাদের মধ্যে কি তালহা আছে? তখন তালহা বিন উবায়দুল্লাহ উঠে দাঁড়ালেন। তখন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বললেনঃ আমি তোমাকে এখানে দেখছি না কেন?

আমি কখনো ভাবিনি যে, তুমি একটি দলের মধ্যে আমার ডাক শুনবে এবং তিনবার শুনেও জবাব দেবেনা। হে তালহা, তোমাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, তোমার কি মনে পড়ে অমুক জায়গায় একদিন আমি আর তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম? আমাদের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে আমি আর তুমি ব্যতীত আর কেউ ছিল না? তালহা বললেনঃ হ্যাঁ। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে বললেনঃ হে তালহা, আল্লাহর নবী মাত্রেরই সাহাবীদের মধ্য থেকে এমন একজন লোক জান্নাতে তাঁর সঙ্গী হয়, যে তাঁর উম্মাতের মধ্য থেকে একজন বিশিষ্ট বন্ধু। আর উসমান বিন আফফান জান্নাতে আমার সঙ্গী। তিনি আমার কথাই বলেছিলেন। তালহা বললেনঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ। অতঃপর তালহা চলে গেলেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (553)


553 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ: أَنَّهُ شَهِدَ عُثْمَانَ تَوَضَّأَ يَوْمًا، فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثًا ... وَحَدَّثَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ جَعْفَرٍ عَنْ سَعِيدٍ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৫৫৩। হাদীস নং ৪১৫ দ্রষ্টব্য।



৪১৫। হুমরান বিন আবান বর্ণনা করেন উসমান বিন আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পানি চাইলেন, তারপর তা দিয়ে ওযূ করলেন, কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, অতঃপর তিনবার তার মুখ ধুলেন, হাত দুখানাও তিনবার করে ধুলেন, তার মাথা ও পায়ের পিঠ মাসেহ করলেন, তারপর হাসলেন। তারপর তার সাথীদেরকে বললেনঃ আমি হাসলাম কেন, তা তোমরা জিজ্ঞাসা করলেনা? তারা বললোঃ হে আমীরুল মুমিনীন, কেন হাসলেন? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, এই জায়গার নিকটবর্তী জায়গা থেকে পানি চাইলেন, অতঃপর আমি যেভাবে ওযূ করেছি, সেভাবে ওযূ করলেন। তারপর হাসলেন। অতঃপর বললেনঃ তোমরা জিজ্ঞাসা করছনা আমি কেন হাসলাম? লোকেরা বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, কেন হাসলেন? তিনি বললেনঃ কোন বান্দা যখন ওযূর পানি চেয়ে নিয়ে মুখ ধোয়, তখন আল্লাহ তার মুখমণ্ডল দ্বারা অর্জিত সমস্ত গুনাহ নিশ্চিহ্ন করে দেন। তারপর যখন সে তার হাত ধোয় তখনো তদ্রুপ হয়, যখন মাথা মাসেহ করে তখনো তদ্রুপ হয় এবং যখন পা দু’খানাকে পবিত্র করে তখনো তদ্রুপ হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (554)


554 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ الْوَاسِطِيُّ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللهِ - عَنْ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ قَبِيصَةَ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الْأَنْصَارِ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنْتُ قَائِمًا عِنْدَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، فَقَالَ: أَلا أُنَبِّئُكُمْ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ؟ قُلْنَا: بَلَى. فَدَعَا بِمَاءٍ، فَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاثًا، وَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثَلاثًا، ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ إِلَى مِرْفَقَيْهِ ثَلاثًا، ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ وَأُذُنَيْهِ، وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ ثَلاثًا، ثُمَّ قَالَ: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৫৫৪। হাদীস নং ৪২৯ দ্রষ্টব্য।



৪২৯। জনৈক আনসারী স্বীয় পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ওযূ করতেন, তা কি আমি দেখাবো না? লোকেরা বললোঃ হ্যাঁ, দেখান। তখন তিনি পানি আনতে বললেন, তারপর তিনবার কুলি করলেন, তিনবার নাকে পানি দিলেন, তিনবার মুখ ধুলেন, তিনবার দু’হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন এবং তিনবার দু’পা ধুলেন। তারপর বললেনঃ তোমরা জেনে রেখ যে, কান দুটো মাথার অংশ। তারপর বললেন, আমি তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ সর্বোত্তমভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (555)


555 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْأَنْصَارِىُّ، حَدَّثَنَا هِلالُ بْنُ حِقٍّ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ حَزْنٍ الْقُشَيْرِيِّ قَالَ: شَهِدْتُ الدَّارَ يَوْمَ أُصِيبَ عُثْمَانُ، فَاطَّلَعَ عَلَيْهِمُ اطِّلاعَةً، فَقَالَ: ادْعُوا لِي صَاحِبَيْكُمِ اللَّذَيْنِ أَلَّبَاكُمْ عَلَيَّ. فَدُعِيَا لَهُ، فَقَالَ: نَشَدْتُكُمَا اللهَ، أَتَعْلَمَانِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ ضَاقَ الْمَسْجِدُ بِأَهْلِهِ، فَقَالَ: " مَنْ يَشْتَرِي هَذِهِ الْبُقْعَةَ مِنْ خَالِصِ مَالِهِ، فَيَكُونَ فِيهَا كَالْمُسْلِمِينَ، وَلَهُ خَيْرٌ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ " فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ خَالِصِ مَالِي، فَجَعَلْتُهَا بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ، وَأَنْتُمْ تَمْنَعُونِي أَنْ أُصَلِّيَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ. ثُمَّ قَالَ: أَنْشُدُكُمِ اللهَ أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ لَمْ يَكُنْ فِيهَا بِئْرٌ يُسْتَعْذَبُ مِنْهُ إِلا رُومَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنْ يَشْتَرِيهَا مِنْ خَالِصِ مَالِهِ، فَيَكُونَ دَلْوُهُ فِيهَا كَدُلِيِّ الْمُسْلِمِينَ، وَلَهُ خَيْرٌ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ " فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ خَالِصِ مَالِي، فَأَنْتُمْ تَمْنَعُونِي أَنْ أَشْرَبَ مِنْهَا. ثُمَّ قَالَ: هَلْ تَعْلَمُونَ أَنِّي صَاحِبُ جَيْشِ الْعُسْرَةِ؟ قَالُوا: اللهُمَّ نَعَمْ . *

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৫৫৫। হাদীস নং ৪২০ দ্রষ্টব্য।



৪২০। আবু সালামা বিন আবদুর রহমান বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন অবরুদ্ধ, তখন প্রাসাদ থেকে নিচের দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, আমি আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করি, হেরার দিনরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কে ছিল, যখন পাহাড় কেঁপে উঠলো? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পা দিয়ে লাথি মারলেন, তারপর বললেন, থামো হেরা, তোমার ওপরে একজন নবী, একজন সিদ্দিক ও একজন শহীদ ছাড়া আর কেউ নেই। তখন আমি তার সাথেই ছিলাম। উসমানের এ কথায় অনেকেই কসম খেয়ে সমর্থন জানালো।

উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, বাইয়াতুর রিদওয়ানের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কে ছিল? যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মক্কার মুশরিকদের নিকট পাঠালেন। তিনি বললেন, এটা আমার হাত, আর এটা উসমানের হাত। এভাবে আমার জন্য বাইয়াত নিলেন। এ কথার পক্ষেও সমবেত লোকদের অনেকে সায় দিল। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, সেই সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কে ছিল যখন তিনি বললেন, এই বাড়িটি কিনে দিয়ে কে মসজিদে নববীর সম্প্রসারণ করিয়ে দেবে? এর বিনিময়ে সে জান্নাতে একটা বাড়ি পাবে। তখন আমি নিজের টাকা দিয়ে বাড়িটি কিনে দিলাম এবং তা দ্বারা মসজিদের সম্প্রসারণ করলাম। অনেকেই তার এ কথার পক্ষে সাক্ষ্য দিল।

উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পুনরায় বললেন, মুসিবতের বাহিনীর দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কে ছিল? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আজকে কে এমন দান করবে, যা আল্লাহর নিকট কবুল হয়ে গেছে? আমি তৎক্ষণাত অর্ধেক বাহিনীকে নিজের টাকায় যাবতীয় প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করলাম। আমি আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি সেই জলাশয়টির কাছে কে ছিল, যার পানি পথিকের নিকট বিক্রি করা হতো? আমি নিজের টাকা দিয়ে সেটি কিনে দিয়েছি। এভাবে মুসাফিরের জন্য সেই জলাশয়কে অবাধ করে দিয়েছি। (যার ফলে এখন সে জলাশয় থেকে বিনা মূল্যে পানি পাওয়া যায়) এ সময়ও বহু লোক তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য দিল।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (556)


556 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبِي وَأَبُو خَيْثَمَةَ، قَالا: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ شَقِيقٍ، قَالَ: لَقِيَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ الْوَلِيدَ بْنَ عُقْبَةَ، فَقَالَ لَهُ الْوَلِيدُ: مَا لِي أَرَاكَ قَدْ جَفَوْتَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ عُثْمَانَ؟ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: أَبْلِغْهُ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، وَأَمَّا قَوْلُهُ: إِنِّي تَخَلَّفْتُ يَوْمَ بَدْرٍ، فَإِنِّي كُنْتُ أُمَرِّضُ رُقَيَّةَ بِنْتَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى مَاتَتْ، وَقَدْ ضَرَبَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَهْمٍ، وَمَنْ ضَرَبَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَهْمٍ فَقَدْ شَهِدَ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ إِلَى آخِرِهِ . •

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৫৫৬। হাদীস নং ৪৯০ দ্রষ্টব্য।



৪৯০। আবদুর রহমান বিন আওফের সাথে ওয়ালীদ বিন উকবার সাক্ষাত হলো। ওয়ালীদ তাকে বললেন, ব্যাপার কী? দেখতে পাচ্ছি, তুমি আমীরুল মুমিনীন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে রূঢ় আচরণ করেছ? আবদুর রহমান বললেন, তাকে জানাও যে, আমি উহুদের দিন পালাইনি, বদরেও অনুপস্থিত থাকিনি এবং উমারের সুন্নাত (রীতি) বর্জন করেনি। এরপর ওয়ালীদ চলে গেলেন এবং উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বিষয়টি জানালেন। তখন উসমান বললেন, সে বলেছেঃ আমি উহুদের দিন পালাইনি। তাহলে আমাকে সে কিভাবে এমন গুনাহর জন্য লজ্জা দেয় যা আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন? আল্লাহ তো বলেছেনঃ “তোমাদের মধ্য থেকে যারা উভয় দলের মুখোমুখি হবার দিন পালিয়েছিল, তাদেরকে তো শয়তানই তাদের কিছু গুনাহর কারণে পদস্থলন ঘটিয়েছিল। আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করেছেন। আর সে বলেছে যে, আমি বদরের দিন অনুপস্থিত ছিলাম। সেদিন তো আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে রুকাইয়ার সেবা সুশ্রুষা করছিলাম। শেষ পর্যন্ত সে মারা গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য গনীমাতের অংশ নির্ধারণ করেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার জন্য গনীমাতের অংশ নির্ধারণ করেন, সে তো (যুদ্ধের ময়দানে) উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত। আর সে বলেছেঃ “আমি উমারের রীতি বর্জন করিনি” এ ব্যাপারে আমার কথা হলো, এটা করা আমার পক্ষেও সম্ভব নয়। তার পক্ষেও নয়। যাও তার কাছে, তাকে এ কথাগুলো জানিয়ে দাও।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (557)


557 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنِي قَبِيصَةُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ: كَيْفَ بَايَعْتُمْ عُثْمَانَ وَتَرَكْتُمْ عَلِيًّا؟ قَالَ: مَا ذَنْبِي؟ قَدْ بَدَأْتُ بِعَلِيٍّ، فَقُلْتُ: أُبَايِعُكَ عَلَى كِتَابِ اللهِ وَسُنَّةِ رَسُولِهِ، وَسِيرَةِ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ. قَالَ: فَقَالَ: فِيمَا اسْتَطَعْتُ. قَالَ: ثُمَّ عَرَضْتُهَا عَلَى عُثْمَانَ، فَقَبِلَهَا .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৫৫৭। আবু ওয়ায়েল বলেন, আমি আবদুর রহমান বিন আওফকে বললামঃ আপনারা আলীকে বাদ দিয়ে কিভাবে উসমানের নিকট বাইয়াত করলেন? তিনি বললেনঃ আমার কী দোষ? প্রথমে আলীর কাছেই বাইয়াত করতে গিয়েছিলাম। বললাম, আল্লাহর কিতাব, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ এবং আবু বাকরের ও উমারের আদর্শের ভিত্তিতে আপনার নিকট বাইয়াত করছি। তিনি বললেনঃ যত দূর পারি। (অৰ্থাৎ আল্লাহর কিতাব, রাসূলের সুন্নাহ এবং আবু বাকর ও উমারের আদর্শ যতদূর পারি অনুকরণ করবো।)। এরপর আমি উসমানের নিকট বাইয়াত করতে গেলাম। তিনি গ্রহণ করলেন। (সম্ভবতঃ আলীর “যতদূর পারি।” এই উক্তিকে তিনি বাইয়াত কবুলে অনীহার ইঙ্গিত মনে করেছেন। -অনুবাদক)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (558)


558 - حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، حَدَّثَنَا زُهْرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ الْقُرَشِيُّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ مَوْلَى عُثْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ: أَيُّهَا النَّاسُ، إِنِّي كَتَمْتُكُمْ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَرَاهِيَةَ تَفَرُّقِكُمْ عَنِّي، ثُمَّ بَدَا لِي الْآنَ أَنْ أُحَدِّثَكُمُوهُ، لِيَخْتَارَ امْرُؤٌ لِنَفْسِهِ مَا بَدَا لَهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " رِبَاطُ يَوْمٍ فِي سَبِيلِ اللهِ، خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ يَوْمٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنَ الْمَنَازِلِ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حديث]




৫৫৮। হাদীস নং ৪৪২ দ্রষ্টব্য।



৪৪২। উসমানের মুক্ত গোলাম আবু সালেহ বলেন, আমি মীনায় উসমানকে বলতে শুনেছি, হে জনতা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে একটি হাদীস শুনেছি, সেটি তোমাদেরকে শুনাচ্ছি। তিনি বলেন, আল্লাহর পথে একদিন পাহারা দেয়া অন্য ক্ষেত্রে এক হাজার দিন পাহারা দেয়ার চেয়ে উত্তম। অতএব, প্রত্যেক মানুষের যেভাবে ইচ্ছা পাহারা দেয়া উচিত। আমি কথাটা পৌছে দিয়েছি তো? সবাই বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ তুমি সাক্ষী থাক।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (559)


559 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، بَاهِلِيٌّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ، وَذَكَرَهُ .

تحقيق الحافظ ابن حجر العسقلاني: [أخرجه أحمد، والبيهقي. هذا الحديث لا يصح؛ لأنه منقطع، وفي رواته من لا يحتج به.] { (الفتح (570/2).)}




৫৫৯। হাদীস নং ৪৪৩ দ্রষ্টব্য।



৪৪৩। আবু যুবাব তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান বিন আফফান মীনায় চার রাকআত করে নামায পড়তেন, (অর্থাৎ কসর করতেন না)। লোকেরা এ ব্যাপারে তার নিকট অসন্তোষ ব্যক্ত করলো। তখন উসমান বললেন, হে জনতা, আমি যেদিন মক্কায় এসেছি, সেদিন থেকেই এখানকার স্থায়ী অধিবাসী হয়েছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন শহরে স্থায়ী হয়ে যায়, সে যেন স্থায়ী বসবাসকারীর মত নামায পড়ে। (মীনাকে মক্কার অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়।)









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (560)


560 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ وَرْدَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ يَقُولُ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ يَخْطُبُ عَلَى الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ: كُنْتُ أَبْتَاعُ التَّمْرَ مِنْ بَطْنٍ مِنَ الْيَهُودِ يُقَالُ لَهُمْ: بَنُو قَيْنُقَاعٍ، فَأَبِيعُهُ بِرِبْحِ الْآصُعِ، فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: " يَا عُثْمَانُ، إِذَا اشْتَرَيْتَ فَاكْتَلْ، وَإِذَا بِعْتَ فَكِلْ " .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره]




৫৬০। হাদীস নং ৪৪৪ দ্রষ্টব্য।



৪৪৪৷ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব বলেন, উসমান বিন আফফানকে মসজিদের মিম্বারে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলছিলেনঃ আমি বনু কাইনুকা নামক ইহুদী গোত্রের কাছ থেকে খুরমা কিনতাম, অতঃপর তা মুনাফা নিয়ে বিক্রি করতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা জানতে পেরে বললেনঃ হে উসমান, যখন কিনবে মেপে কিনবে, আর যখন বিক্রি করবে মেপে বিক্রি করবে।