হাদীস বিএন


মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (641)


641 - حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ الْكِنْدِيِّ، عَنْ زَاذَانَ أَبِي عُمَرَ ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيًّا، فِي الرَّحْبَةِ وَهُوَ يَنْشُدُ النَّاسَ: مَنْ شَهِدَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ، وَهُوَ يَقُولُ مَا قَالَ؟ فَقَامَ ثَلاثَةَ عَشَرَ رَجُلًا، فَشَهِدُوا أَنَّهُمْ سَمِعُوا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ: " مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلاهُ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [صحيح لغيره ، وهذا إسناد ضعيف]




৬৪১। যাযান আবু উমার বলেন, আমি প্রকাশ্য ময়দানে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছিঃ গাদীরে খুমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমাবেশে কে ছিল? সেখানে তিনি যা বলার তা বলেছেন। এ সময় তেরো ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালেন। তারা সাক্ষ্য দিল যে, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেঃ আমি যার অভিভাবক, আলী তার অভিভাবক।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (642)


642 - حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: وَاللهِ إِنَّهُ لَمِمَّا عَهِدَ إِلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَنَّهُ لَا يُبْغِضُنِي إِلا مُنَافِقٌ، وَلا يُحِبُّنِي إِلا مُؤْمِنٌ " . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده على شرط الشيخين]




৬৪২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যে কয়টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার মধ্যে একটি হলো, মুনাফিক ব্যতীত কেউ আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না এবং মু&#৩৯;মিন ছাড়া কেউ আমাকে ভালোবাসবেনা।

[মুসলিম ৭৮, ইবনু হিব্বান ৬৯২৪, মুসনাদ আহমাদ ৭৩১, ১০৬২]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (643)


643 - حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، أَخْبَرَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " جَهَّزَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاطِمَةَ فِي خَمِيلٍ، وَقِرْبَةٍ، وَوِسَادَةِ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفُ الْإِذْخِرِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده قوي]




৬৪৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে একটা মোটা কাপড়ের চাদর, একটা মশক ও একটা ইযখারের আঁশ ভরা চামড়ার বালিশ উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন।

[মুসনাদ আহমাদ ৭১৫, ৮১৯, ৮৩৮, ৮৫৩]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (644)


644 - حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَكِيمٍ الْمَدَائِنِيُّ، عَنْ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: انْطَلَقْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَتَيْنَا الْكَعْبَةَ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " اجْلِسْ " وَصَعِدَ عَلَى مَنْكِبَيَّ، فَذَهَبْتُ لِأَنْهَضَ بِهِ، فَرَأَى مِنِّي ضَعْفًا، فَنَزَلَ، وَجَلَسَ لِي نَبِيُّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: " اصْعَدْ عَلَى مَنْكِبَيَّ " قَالَ: فَصَعِدْتُ عَلَى مَنْكِبَيْهِ، قَالَ: فَنَهَضَ بِي، قَالَ: فَإِنَّهُ يُخَيَّلُ إِلَيَّ أَنِّي لَوْ شِئْتُ لَنِلْتُ أُفُقَ السَّمَاءِ، حَتَّى صَعِدْتُ عَلَى الْبَيْتِ، وَعَلَيْهِ تِمْثَالُ صُفْرٍ أَوْ نُحَاسٍ، فَجَعَلْتُ أُزَاوِلُهُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ، وَبَيْنَ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ، حَتَّى إِذَا اسْتَمْكَنْتُ مِنْهُ، قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " اقْذِفْ بِهِ " فَقَذَفْتُ بِهِ، فَتَكَسَّرَ كَمَا تَتَكَسَّرُ الْقَوَارِيرُ، ثُمَّ نَزَلْتُ، فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَسْتَبِقُ حَتَّى تَوَارَيْنَا بِالْبُيُوتِ، خَشْيَةَ أَنْ يَلْقَانَا أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৪। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, একদিন আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাথে চলতে চলতে কা’বার সন্নিকটে উপনীত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, বস। আমি বসলে তিনি আমার ঘাড়ে চড়লেন। আমি তাঁকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম; চলতে লাগলাম। কিন্তু তিনি আমার মধ্যে কিছু দুর্বলতা দেখলেন। তাই তিনি নামলেন। এরপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য বসলেন এবং বললেনঃ আমার ঘাড়ে ওঠা। আমি তাঁর ঘাড়ে উঠলাম। তিনি আমাকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তখন আমার মনে হলো, আমি ইচ্ছে করলে আকাশের কিনারা ধরতে পারি। অবশেষে কা’বা ঘরের ওপরে আরোহণ করলাম। তখনও তার ওপরে একটা পিতল বা তামার মূর্তি ছিল। সেটি আমি তার আগে, পিছে, ডানে ও বামে ধরে নাড়াতে লাগলাম। যখন আমি মূর্তিটাকে নিজের হাতে নিয়ে নিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ ওটা ছুঁড়ে ফেলে দাও। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম। ফলে শিশি বোতল যেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়, মূর্তিটিও সেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল। এরপর আমি নামলাম। তারপর আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরস্পর পাল্লা দিয়ে চলতে লাগলাম। অবশেষে বাড়ি-ঘর সমূহের আড়ালে লুকিয়ে চলতে লাগলাম, যাতে লোকেরা আমাদের দেখতে না পায়। [মুসনাদ আহমাদ ১৩০২]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (645)


645 - حَدَّثَنَا فَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا يَاسِينُ الْعِجْلِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " الْمَهْدِيُّ مِنَّا أَهْلَ الْبَيْتِ، يُصْلِحُهُ اللهُ فِي لَيْلَةٍ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৫। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাহদী আমাদের বংশধর থেকেই আবির্ভূত হবে। আল্লাহ তাকে এক রাতের মধ্যেই যোগ্যতা দান করবেন।

[ইবনু মাজাহ ৪০৮৫]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (646)


646 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْبَرِيدِ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، قَاضِي الرَّيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ: سَمِعْتُ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ عَلِيًّا يَقُولُ: اجْتَمَعْتُ أَنَا وَفَاطِمَةُ، وَالْعَبَّاسُ، وَزَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ، عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ الْعَبَّاسُ: يَا رَسُولَ اللهِ، كَبِرَ سِنِّي، وَرَقَّ عَظْمِي، وَكَثُرَتْ مُؤْنَتِي، فَإِنْ رَأَيْتَ يَا رَسُولَ اللهِ أَنْ تَأْمُرَ لِي بِكَذَا وَكَذَا وَسْقًا مِنْ طَعَامٍ فَافْعَلْ. فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "نَفْعَلُ" فَقَالَتْ فَاطِمَةُ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنْ رَأَيْتَ أَنْ تَأْمُرَ لِي كَمَا أَمَرْتَ لِعَمِّكَ فَافْعَلْ. فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " نَفْعَلُ ذَلِكَ " ، ثُمَّ قَالَ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ: يَا رَسُولَ اللهِ، كُنْتَ أَعْطَيْتَنِي أَرْضًا كَانَتْ مَعِيشَتِي مِنْهَا، ثُمَّ قَبَضْتَهَا، فَإِنْ رَأَيْتَ أَنْ تَرُدَّهَا عَلَيَّ فَافْعَلْ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " نَفْعَلُ ذَاكَ " قَالَ: فَقَلتْ: أَنَا: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنْ رَأَيْتَ أَنْ تُوَلِّيَنِي هَذَا الْحَقَّ الَّذِي جَعَلَهُ اللهُ لَنَا فِي كِتَابِهِ مِنْ هَذَا الْخُمُسِ، فَأَقْسِمُهُ فِي حَيَاتِكَ كَيْ لَا يُنَازِعَنِيهِ أَحَدٌ بَعْدَكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " نَفْعَلُ ذَاكَ " فَوَلانِيهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَسَمْتُهُ فِي حَيَاتِهِ، ثُمَّ وَلانِيهِ أَبُو بَكْرٍ فَقَسَمْتُهُ فِي حَيَاتِهِ، ثُمَّ وَلانِيهِ عُمَرُ فَقَسَمْتُ فِي حَيَاتِهِ، حَتَّى كَانَتْ آخِرُ سَنَةٍ مِنْ سِنِي عُمَرَ، فَإِنَّهُ أَتَاهُ مَالٌ كَثِيرٌ

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৬। আমীরুল মুমিনীন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি, ফাতিমা, আব্বাস ও যায়িদ বিন হারিসা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সমবেত হলাম। আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হে রাসূল, আমি বুড়ো, হাড় জিরজিরে হয়ে গেছি। আমার ব্যয়ও বেড়ে গেছে। কাজেই হে রাসূল, আপনি যদি মনে করেন আমাকে স্বল্পমূল্যে এক ওয়াসাক খাদ্য শস্য দেয়ার আদেশ দেবেন, তাহলে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঠিক আছে দিচ্ছি। এরপর ফাতিমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি যদি মনে করেন, আপনার চাচার জন্য যেমন আদেশ দিয়েছেন, তেমনি আমাকে দেবেন, তাহলে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঠিক আছে, দিচ্ছি। তারপর যায়িদ বিন হারিসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি আমাকে এক টুকরো জমি দিয়েছিলেন, তা দ্বারা আমার জীবিকা নির্বাহ হতো। তারপর সেটা আবার আপনি ফেরৎ নিয়েছেন। এখন আপনি যদি সেটা আমাকে ফিরিয়ে দেয়া ভালো মনে করেন, তবে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, দিচ্ছি।

আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর আমি বললামঃ আল্লাহ তা’আলা তাঁর কিতাবে এই খুমুছ থেকে আমাদের জন্য যে প্রাপ্য নির্ধারণ করেছেন, সেই প্রাপ্য যদি আমাদেরকে দিতে চান, তবে দিন। তাহলে আমি আপনার জীবদ্দশায়ই তা বণ্টন করবো, যাতে আপনার পরে কেউ আমার সাথে ঝগড়া বিবাদ করতে না আসে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঠিক আছে দিচ্ছি। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত প্রাপ্য আমার অধিকারে অর্পণ করলেন। আমি তার জীবিতাবস্থায় তা বণ্টন করলাম। পুনরায় আবু বাকর আমাকে তা অর্পণ করলেন। আমি তা তাঁর জীবিতাবস্থায় বণ্টন করলাম। পুনরায় উমার আমাকে উক্ত প্রাপ্য অৰ্পণ করলেন। আমি তাঁর জীবিতাবস্থায় তা বিতরণ করলাম। অবশেষে উমারের আমলের শেষ বছরগুলো এল। তখন তার কাছে প্রচুর সম্পদ জমা হতে লাগলো। [আবু দাউদ ২৯৮৩ ও ২৯৮৪]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (647)


647 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ مُدْرِكٍ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ نُجَيٍّ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ لِي عَلِيٌّ: كَانَتْ لِي مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلَةٌ لَمْ تَكُنْ لِأَحَدٍ مِنَ الْخَلائِقِ، إِنِّي كُنْتُ آتِيهِ كُلَّ سَحَرٍ فَأُسَلِّمُ عَلَيْهِ حَتَّى يَتَنَحْنَحَ، وَإِنِّي جِئْتُ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ، فَقُلْتُ: السَّلامُ عَلَيْكَ يَا نَبِيَّ اللهِ. فَقَالَ: " عَلَى رِسْلِكَ يَا أَبَا حَسَنٍ حَتَّى أَخْرُجَ إِلَيْكَ " فَلَمَّا خَرَجَ إِلَيَّ قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللهِ، أَغْضَبَكَ أَحَدٌ؟ قَالَ: " لَا ". قُلْتُ: فَمَا لَكَ لَا تُكَلِّمُنِي فِيمَا مَضَى حَتَّى كَلَّمْتَنِي اللَّيْلَةَ؟ قَالَ: " إِنِّي سَمِعْتُ فِي الْحُجْرَةِ حَرَكَةً، فَقُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ فَقَالَ: أَنَا جِبْرِيلُ، قُلْتُ: ادْخُلْ. قَالَ: لَا، اخْرُجْ إِلَيَّ. فَلَمَّا خَرَجْتُ قَالَ: إِنَّ فِي بَيْتِكَ شَيْئًا لَا يَدْخُلُهُ مَلَكٌ مَا دَامَ فِيهِ. قُلْتُ: مَا أَعْلَمُهُ يَا جِبْرِيلُ؟ قَالَ: اذْهَبْ فَانْظُرْ فَفَتَحْتُ الْبَيْتَ فَلَمْ أَجِدْ فِيهِ شَيْئًا غَيْرَ جَرْوِ كَلْبٍ كَانَ يَلْعَبُ بِهِ الْحَسَنُ قُلْتُ مَا وَجَدْتُ إِلا جَرْوًا قَالَ: " إِنَّهَا ثَلاثٌ لَنْ يَلِجَ مَلَكٌ مَا دَامَ فِيهَا أَبَدًا وَاحِدٌ مِنْهَا كَلْبٌ، أَوْ جَنَابَةٌ، أَوْ صُورَةُ رُوحٍ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৭। হাদীস নং ৫৭০ দ্রষ্টব্য।



৫৭০। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমার জন্য শেষ রাতের একটা সময় নির্দিষ্ট ছিল, যখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যেতাম। তিনি যদি তখন নামাযে থাকতেন, তবে তিনি আমার আগমন উপলক্ষে সুবহানাল্লাহ পড়তেন, সেটা হতো আমার জন্য প্রবেশের অনুমতি। আর যদি নামাযে না থাকতেন তাহলে আমাকে অনুমতি দিতেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (648)


648 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ مُدْرِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ نُجَيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَارَ مَعَ عَلِيٍّ، وَكَانَ صَاحِبَ مِطْهَرَتِهِ، فَلَمَّا حَاذَى نِينَوَى وَهُوَ مُنْطَلِقٌ إِلَى صِفِّينَ، فَنَادَى عَلِيٌّ: اصْبِرْ أَبَا عَبْدِ اللهِ، اصْبِرْ أَبَا عَبْدِ اللهِ، بِشَطِّ الْفُرَاتِ قُلْتُ: وَمَاذَا قَالَ؟، دَخَلْتُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ وَعَيْنَاهُ تَفِيضَانِ، قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللهِ، أَغْضَبَكَ أَحَدٌ، مَا شَأْنُ عَيْنَيْكَ تَفِيضَانِ؟ قَالَ: " بَلْ قَامَ مِنْ عِنْدِي جِبْرِيلُ قَبْلُ، فَحَدَّثَنِي أَنَّ الْحُسَيْنَ يُقْتَلُ بِشَطِّ الْفُرَاتِ " قَالَ: فَقَالَ: " هَلْ لَكَ إِلَى أَنْ أُشِمَّكَ مِنْ تُرْبَتِهِ؟ " قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ. فَمَدَّ يَدَهُ، فَقَبَضَ قَبْضَةً مِنْ تُرَابٍ فَأَعْطَانِيهَا، فَلَمْ أَمْلِكْ عَيْنَيَّ أَنْ فَاضَتَا

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৮। একদিন নুজাই আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে কোথাও যাচ্ছিলেন। সিফফীনে যাওয়ার পথে যখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিনেভার সমান্তরালে পৌঁছলেন, তখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হে আবু আবদুল্লাহ, ধৈর্য ধারণ কর। হে আবু আবদুল্লাহ, ফোরাতের তীরে ধৈর্য ধারণ কর। নুজাই বললেনঃ কী হয়েছে? আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ একদিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে দেখলাম, তাঁর দু’চোখ দিয়ে অশ্রু করেছে। আমি বললামঃ হে আল্লাহর নবী, আপনার দু’চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে কেন? আপনাকে কি কেউ রাগান্বিত করেছে? তিনি বললেনঃ এইমাত্র জিবরীল আমার কাছ থেকে উঠে গেলেন। তিনি আমাকে বলে গেলেন যে, হুসাইনকে ফোরাতের তীরে হত্যা করা হবে। এরপর জিবরীল বললেনঃ আপনি কি চান, ফোরাতের তীরের মাটি থেকে কিছুটা এনে আপনাকে তার ঘ্রাণ শুঁকাই? আমি বললামঃ হ্যাঁ। এরপর জিবরীল হাত বাড়িয়ে এক মুঠ মাটি নিলেন এবং আমাকে দিলেন। তখন আমি চোখের পানি সম্বরণ করতে পারিনি।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (649)


649 - حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، أَخْبَرَنَا الْأَزْهَرُ بْنُ رَاشِدٍ الْكَاهِلِيُّ، عَنْ الْخَضِرِ بْنِ الْقَوَّاسِ، عَنْ أَبِي سُخَيْلَةَ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: أَلا أُخْبِرُكُمْ بِأَفْضَلِ آيَةٍ فِي كِتَابِ اللهِ تَعَالَى حَدَّثَنَا بِهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "{مَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَنْ كَثِيرٍ} [الشورى: 30] ، " وَسَأُفَسِّرُهَا لَكَ يَا عَلِيُّ: مَا أَصَابَكُمْ مِنْ مَرَضٍ، أَوْ عُقُوبَةٍ، أَوْ بَلاءٍ فِي الدُّنْيَا، فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ، وَاللهُ تَعَالَى أَكْرَمُ مِنْ أَنْ يُثَنِّيَ عَلَيْهِمِ الْعُقُوبَةَ فِي الْآخِرَةِ، وَمَا عَفَا اللهُ تَعَالَى عَنْهُ فِي الدُّنْيَا، فَاللهُ تَعَالَى أَحْلَمُ مِنْ أَنْ يَعُودَ بَعْدَ عَفْوِهِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৪৯। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাবের একটি শ্রেষ্ঠ আয়াতের পরিচয় জানাবোনা, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানিয়েছেন? সেটি হলোঃ “তোমাদের ওপর যে মুসিবাতই আসুক না। কেন, তা তোমাদের হাত দ্বারাই উপার্জিত এবং অনেকগুলোই আল্লাহ ক্ষমা করে দেন”। (সূরা আশ-শূরাঃ ৩০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আলী, আমি তোমাকে এ আয়াতের ব্যাখ্যা দিচ্ছি। তোমরা যেসব রোগব্যাধি, আযাব অথবা বিপদাপদে দুনিয়ার জীবনে আক্রান্ত হও, তা তোমাদেরই কর্মফল। আল্লাহর সম্মান ও মর্যাদা এর অনেক ঊর্ধে যে, তিনি তোমাদেরকে দুনিয়ায় এ সব শান্তি ভোগ করানোর পর পুনরায় আখিরাতে তা ভোগ করবেন। আর যেসব গুনাহ আল্লাহ্‌ দুনিয়াতেই মাফ করে দেন, মাফ করার পর পুনরায় আখিরাতে তার জন্য শাস্তি দেবেন-- তার ধৈর্য এর চেয়ে অনেক ঊর্ধে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (650)


650 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَإِسْرَائِيلُ، وَأَبِي، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، قَالَ: سَأَلْنَا عَلِيًّا، عَنْ تَطَوُّعِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّهَارِ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ لَا تُطِيقُونَهُ. قَالَ: قُلْنَا: أَخْبِرْنَا بِهِ نَأْخُذْ مِنْهُ مَا أَطَقْنَا. قَالَ: " كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الْفَجْرَ أَمْهَلَ، حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَاهُنَا - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ - مِقْدَارُهَا مِنْ صَلاةِ الْعَصْرِ مِنْ هَاهُنَا مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ، قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ يُمْهِلُ حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَاهُنَا، - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ - مِقْدَارُهَا مِنْ صَلاةِ الظُّهْرِ مِنْ هَاهُنَا - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ - قَامَ فَصَلَّى أَرْبَعًا، وَأَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ، وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا، وَأَرْبَعًا قَبْلَ الْعَصْرِ، يَفْصِلُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ بِالتَّسْلِيمِ عَلَى الْمَلائِكَةِ الْمُقَرَّبِينَ، وَالنَّبِيِّينَ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ، وَالْمُسْلِمِينَ " قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: تِلْكَ سِتَّ عَشْرَةَ رَكْعَةً، تَطَوُّعُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّهَارِ، وَقَلَّ مَنْ يُدَاوِمُ عَلَيْهَا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ: حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ لأَبِي إِسْحَاقَ، حِينَ حَدَّثَهُ يَا أَبَا إِسْحَاقَ، " يَسْوَى حَدِيثُكَ هَذَا مِلْءَ مَسْجِدِكَ ذَهَبًا "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده قوي، رجاله ثقات]




৬৫০। আসিম বিন যামরা বলেন, আমরা আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের বেলায় কেমন নফল ইবাদাত করতেন? আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদেরকে বলুন না, যতদূর পারি অনুকরণ করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ার পর কিছুটা বিরতি দিতেন। তারপর সূর্য যখন পূর্ব প্রান্তে এতটা ওপরে উঠতো, যতটা আছরের সময় পশ্চিম প্রান্তে থাকে, তখন উঠে দু’রাকাআত পড়তেন। তারপর আবার কিছুক্ষণ বিরতি দিতেন। তারপর যোহরের সময় সূর্য পশ্চিম প্রান্তে যতটা ওপরে থাকে, ততটা যখন পূর্ব প্রান্তে থাকতো, তখন উঠে চার রাকাআত পড়তেন। তারপর সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর যোহরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন এবং দুরাকাআত যোহরের পরে পড়তেন। আর আছরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন। এই চার রাকাআতের দুই দুই রাকাআত শেষে আল্লাহর ঘনিষ্ঠতম ফেরেশতাদের ওপর, নবীদের ওপর ও তাদের অনুসারী মুমিন ও মুসলিম নরনারীর ওপর সালাম পাঠাতেন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ এই ষোল রাকাআত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের নফল নামায। তবে এই নামাযগুলো নিয়মিতভাবে খুব কম সংখ্যক লোকই পড়ে থাকে।

[ইবনু খুযাইমা ১২১১ ও ১২৩২, ইবনু মাজাহ ১১৬১, তিরমিযী। ৪২৪, ৪২৯, ৫৯৮, ৫৯,৯, নাসায়ী ১১৯/২, মুসনাদ আহমাদ ৬৮২, ৮৮৫, ১২০২, ১২০৩, ১২০৮, ১২৪২, ১২৫২, ১২৫৮, ১২৬১, ১৩৭৫]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (651)


651 - حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، وَحُسَيْنٌ، قَالا: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " مِنْ كُلِّ اللَّيْلِ قَدْ أَوْتَرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ أَوَّلِهِ، وَأَوْسَطِهِ، وَآخِرِهِ، فَثَبَتَ الْوَتْرُ آخِرَ اللَّيْلِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৫১। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের সকল অংশেই বিতর নামায পড়তেন। কখনো প্রথমভাগে, কখনো মধ্যভাগে এবং কখনো শেষ রাতে। অবশেষে শেষ রাতে বিতর পড়া স্থায়ী হয়।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (652)


652 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " الْوَتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ مِثْلَ الصَّلاةِ، وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده قوي، رجاله ثقات]




৬৫২। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, বিতর ফরয নামাযের মত বাধ্যতামূলক নয়। তবে এটা সুন্নাত- যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চালু করেছেন।

[ইবনু খুযাইমা ১০৬৭, আবু দাউদ ১৪১৬, ইবনু মাজাহ ১১৬৯, তিরমিযী ৪৫৩, ৪৫৪, নাসায়ী ২২৮/৩, মুসনাদ আহমাদ ৭৬১, ৭৮৬, ৮৪২, ৮৭৭, ৯২৭, ৯৬৯, ১২১৪, ১২২০, ১২২৫, ১২২৮, ১২৩২, ১২৬২]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (653)


653 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: " أَوْتَرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ، وَآخِرِهِ، وَأَوْسَطِهِ، فَانْتَهَى، وِتْرُهُ إِلَى السَّحَرِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده قوي]




৬৫৩। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে, শেষভাগে ও মধ্যভাগে বিতর পড়তেন। অবশেষে তাঁর বিতর শেষ রাতে দাঁড়ায়।

[মুসনাদ আহমাদ ৫৮০]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (654)


654 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ حَارِثَةَ بْنِ مُضَرِّبٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: لَقَدْ " رَأَيْتُنَا يَوْمَ بَدْرٍ وَنَحْنُ نَلُوذُ بِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهُوَ أَقْرَبُنَا إِلَى الْعَدُوِّ، وَكَانَ مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ يَوْمَئِذٍ بَأْسًا "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده صحيح]




৬৫৪। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমরা বদরের দিন নিজেদের দিকে তাকালাম। আমরা সবাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আশ্রয় নিচ্ছিলাম। অথচ তিনি আমাদের মধ্যে শত্রুর সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করছিলেন। সেদিন তিনি ছিলেন সবচেয়ে দুর্ধর্ষ বীরযোদ্ধা।

[মুসনাদ আহমাদ ১০৪২, ১৩৪৭]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (655)


655 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُسْلِمٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّا نَكُونُ بِالْبَادِيَةِ فَتَخْرُجُ مِنْ أَحَدِنَا الرُّوَيْحَةُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ، إِذَا فَعَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ، وَلا تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَعْجَازِهِنَّ " وَقَالَ مَرَّةً: " فِي أَدْبَارِهِنَّ " . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৫৫। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, জনৈক বেদুইন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এল এবং বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা মরুবাসীদের কারো কারো পেট থেকে হালকা বাতাস বের হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা সত্য প্রকাশে লজ্জা পান না। তোমাদের কেউ একাজ করলে সে যেন ওযূ করে নেয়। আর তোমরা কখনো তোমাদের স্ত্রীদের মল দ্বারে সহবাস করো না।

[তিরমিযী ১১৬৬, মুসনাদ আহমাদ ২৪২৫০]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (656)


656 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى الطَّبَّاعُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عِيَاضِ بْنِ عَمْرٍو الْقَارِيِّ قَالَ: جَاءَ عَبْدُ اللهِ بْنُ شَدَّادٍ، فَدَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ، وَنَحْنُ عِنْدَهَا جُلُوسٌ، مَرْجِعَهُ مِنَ الْعِرَاقِ لَيَالِيَ قُتِلَ عَلِيٌّ، فَقَالَتْ لَهُ: يَا عَبْدَ اللهِ بْنَ شَدَّادٍ، هَلْ أَنْتَ صَادِقِي عَمَّا أَسْأَلُكَ عَنْهُ؟ تُحَدِّثُنِي عَنْ هَؤُلَاءِ الْقَوْمِ الَّذِينَ قَتَلَهُمْ عَلِيٌّ، قَالَ: وَمَا لِي لَا أَصْدُقُكِ؟ قَالَتْ: فَحَدِّثْنِي عَنْ قِصَّتِهِمْ قَالَ: فَإِنَّ عَلِيًّا لَمَّا كَاتَبَ مُعَاوِيَةَ، وَحَكَّمَ الْحَكَمَيْنِ ، خَرَجَ عَلَيْهِ ثَمَانِيَةُ آلافٍ مِنْ قُرَّاءِ النَّاسِ، فَنَزَلُوا بِأَرْضٍ يُقَالُ لَهَا: حَرُورَاءُ، مِنْ جَانِبِ الْكُوفَةِ، وَإِنَّهُمْ عَتَبُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا: انْسَلَخْتَ مِنْ قَمِيصٍ أَلْبَسَكَهُ اللهُ تَعَالَى، وَاسْمٍ سَمَّاكَ اللهُ تَعَالَى بِهِ، ثُمَّ انْطَلَقْتَ فَحَكَّمْتَ فِي دِينِ اللهِ، فَلا حُكْمَ إِلا لِلَّهِ تَعَالَى. فَلَمَّا أَنْ بَلَغَ عَلِيًّا مَا عَتَبُوا عَلَيْهِ، وَفَارَقُوهُ عَلَيْهِ، فَأَمَرَ مُؤَذِّنًا فَأَذَّنَ: أَنْ لَا يَدْخُلَ عَلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ إِلا رَجُلٌ قَدْ حَمَلَ الْقُرْآنَ. فَلَمَّا أَنِ امْتَلاتِ الدَّارُ مِنْ قُرَّاءِ النَّاسِ، دَعَا بِمُصْحَفٍ إِمَامٍ عَظِيمٍ، فَوَضَعَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ، فَجَعَلَ يَصُكُّهُ بِيَدِهِ وَيَقُولُ: أَيُّهَا الْمُصْحَفُ، حَدِّثِ النَّاسَ، فَنَادَاهُ النَّاسُ فَقَالُوا: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، مَا تَسْأَلُ عَنْهُ إِنَّمَا هُوَ مِدَادٌ فِي وَرَقٍ، وَنَحْنُ نَتَكَلَّمُ بِمَا رُوِينَا مِنْهُ، فَمَاذَا تُرِيدُ؟ قَالَ: أَصْحَابُكُمْ هَؤُلاءِ الَّذِينَ خَرَجُوا، بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ كِتَابُ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، يَقُولُ اللهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ فِي امْرَأَةٍ وَرَجُلٍ: وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلاحًا يُوَفِّقِ اللهُ بَيْنَهُمَا فَأُمَّةُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْظَمُ دَمًا وَحُرْمَةً مِنَ امْرَأَةٍ وَرَجُلٍ وَنَقَمُوا عَلَيَّ أَنْ كَاتَبْتُ مُعَاوِيَةَ: كَتَبَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَقَدْ جَاءَنَا سُهَيْلُ بْنُ عَمْرٍو، وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحُدَيْبِيَةِ، حِينَ صَالَحَ قَوْمَهُ قُرَيْشًا، فَكَتَبَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ". فَقَالَ: سُهَيْلٌ لَا تَكْتُبْ : بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. فَقَالَ: " كَيْفَ نَكْتُبُ ؟ " فَقَالَ: اكْتُبْ بِاسْمِكَ اللهُمَّ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَاكْتُبْ: مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ " فَقَالَ: لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ رَسُولُ اللهِ لَمْ أُخَالِفْكَ. فَكَتَبَ: هَذَا مَا صَالَحَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ قُرَيْشًا. يَقُولُ: اللهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ: لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ " فَبَعَثَ إِلَيْهِمْ عَلِيٌّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَبَّاسٍ، فَخَرَجْتُ مَعَهُ، حَتَّى إِذَا تَوَسَّطْنَا عَسْكَرَهُمْ، قَامَ ابْنُ الْكَوَّاءِ يَخْطُبُ النَّاسَ، فَقَالَ: يَا حَمَلَةَ الْقُرْآنِ، إِنَّ هَذَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبَّاسٍ، فَمَنْ لَمْ يَكُنْ يَعْرِفُهُ فَأَنَا أُعَرِّفُهُ مِنْ كِتَابِ اللهِ مَا يَعْرِفُهُ بِهِ، هَذَا مِمَّنْ نَزَلَ فِيهِ وَفِي قَوْمِهِ: قَوْمٌ خَصِمُونَ فَرُدُّوهُ إِلَى صَاحِبِهِ، وَلا تُوَاضِعُوهُ كِتَابَ اللهِ. فَقَامَ خُطَبَاؤُهُمْ فَقَالُوا: وَاللهِ لَنُوَاضِعَنَّهُ كِتَابَ اللهِ، فَإِنْ جَاءَ بِحَقٍّ نَعْرِفُهُ لَنَتَّبِعَنَّهُ، وَإِنْ جَاءَ بِبَاطِلٍ لَنُبَكِّتَنَّهُ بِبَاطِلِهِ. فَوَاضَعُوا عَبْدَ اللهِ الْكِتَابَ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ، فَرَجَعَ مِنْهُمْ أَرْبَعَةُ آلافٍ كُلُّهُمْ تَائِبٌ، فِيهِمُ ابْنُ الْكَوَّاءِ، حَتَّى أَدْخَلَهُمْ عَلَى عَلِيٍّ الْكُوفَةَ، فَبَعَثَ عَلِيٌّ، إِلَى بَقِيَّتِهِمْ، فَقَالَ: قَدْ كَانَ مِنْ أَمْرِنَا وَأَمْرِ النَّاسِ مَا قَدْ رَأَيْتُمْ، فَقِفُوا حَيْثُ شِئْتُمْ، حَتَّى تَجْتَمِعَ أُمَّةُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَنْ لَا تَسْفِكُوا دَمًا حَرَامًا، أَوْ تَقْطَعُوا سَبِيلًا، أَوْ تَظْلِمُوا ذِمَّةً، فَإِنَّكُمْ إِنْ فَعَلْتُمْ فَقَدْ نَبَذْنَا إِلَيْكُمِ الْحَرْبَ عَلَى سَوَاءٍ، إِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ الْخَائِنِينَ. فَقَالَتْ لَهُ عَائِشَةُ: يَا ابْنَ شَدَّادٍ، فَقَدْ قَتَلَهُمْ فَقَالَ: وَاللهِ مَا بَعَثَ إِلَيْهِمْ حَتَّى قَطَعُوا السَّبِيلَ، وَسَفَكُوا الدَّمَ، وَاسْتَحَلُّوا أَهْلَ الذِّمَّةِ. فَقَالَتْ: آَللَّهُ؟ قَالَ: آللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ لَقَدْ كَانَ. قَالَتْ: فَمَا شَيْءٌ بَلَغَنِي عَنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ يَتَحَدَّثُونَهُ؟ يَقُولُونَ: ذُو الثُّدَيِّ، وَذُو الثُّدَيِّ. قَالَ: قَدْ رَأَيْتُهُ، وَقُمْتُ مَعَ عَلِيٍّ عَلَيْهِ فِي الْقَتْلَى، فَدَعَا النَّاسَ فَقَالَ: أَتَعْرِفُونَ هَذَا؟ فَمَا أَكْثَرَ مَنْ جَاءَ يَقُولُ: قَدْ رَأَيْتُهُ فِي مَسْجِدِ بَنِي فُلَانٍ يُصَلِّي، وَرَأَيْتُهُ فِي مَسْجِدِ بَنِي فُلَانٍ يُصَلِّي، وَلَمْ يَأْتُوا فِيهِ بِثَبَتٍ يُعْرَفُ إِلَّا ذَلِكَ. قَالَتْ: فَمَا قَوْلُ عَلِيٍّ حِينَ قَامَ عَلَيْهِ كَمَا يَزْعُمُ أَهْلُ الْعِرَاقِ؟ قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: صَدَقَ اللهُ وَرَسُولُهُ قَالَتْ: هَلْ سَمِعْتَ مِنْهُ أَنَّهُ قَالَ غَيْرَ ذَلِكَ؟ قَالَ: اللهُمَّ لَا. قَالَتْ: أَجَلْ، صَدَقَ اللهُ وَرَسُولُهُ، يَرْحَمُ اللهُ عَلِيًّا إِنَّهُ كَانَ مِنْ كَلَامِهِ لَا يَرَى شَيْئًا يُعْجِبُهُ إِلَّا قَالَ: صَدَقَ اللهُ وَرَسُولُهُ، فَيَذْهَبُ أَهْلُ الْعِرَاقِ يَكْذِبُونَ عَلَيْهِ، وَيَزِيدُونَ عَلَيْهِ فِي الْحَدِيثِ

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده حسن]




৬৫৬। উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াদ বলেছেন, আবদুল্লাহ বিন শাদ্দাদ আলীর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিহত হওয়ার কয়েকদিন পর ইরাক থেকে ফিরে আয়িশার কাছে এলেন। আমরা তখন আয়িশার নিকট বসেছিলাম। আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বললেনঃ হে আবদুল্লাহ বিন শাদ্দাদ, আমি যা তোমাকে জিজ্ঞাসা করবো তুমি কি তার জবাবে আমাকে সত্য বলবে? আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কর্তৃক নিহত লোকদের ঘটনা আমাকে বলবে? সে বললোঃ আমার কী হয়েছে যে আপনার কাছে সত্য বলবো না? আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর তিনি তাদের কাহিনী নিম্নরূপ বর্ণনা করলেনঃ

আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন মুয়াবিয়ার সাথে চুক্তিবদ্ধ হলেন এবং দু’জন শালিশ তাদের সিদ্ধান্ত দিলেন, তখন আট হাজার কুরআনের পাঠক (হাফিয) তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলো। তার হারুরা নামক স্থানে কুফার দিক থেকে এসে সমবেত হলো এবং তারা এই বলে ভর্ৎসনা করলোঃ যে জামাটি আল্লাহ আপনাকে পরিয়েছিলেন, (অর্থাৎ খিলাফাত) তা আপনি খুলে ফেলেছেন এবং যে নামে আল্লাহ আপনাকে নামকরণ করেছিলেন তা আপনি খুইয়ে ফেলেছেন। তারপর আপনি এতদূর গিয়েছেন যে, আল্লাহর দীনের ব্যাপারে অন্যদের শালিশ মেনেছেন। সুতরাং আল্লাহ ছাড়া আর কারো শাসন নয়। (অৰ্থাৎ আপনাকে শাসক মানি না) আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন তাদের এই ভর্ৎসনা ও তাদের পক্ষ থেকে তাকে ত্যাগ করার খবর শুনলেন, তখন জনৈক ঘোষণাকারীকে আদেশ দিয়ে এই ঘোষণা জারী করালেন যে, আমীরুল মুমিনীনের কাছে কুরআন বহনকারী ছাড়া আর কেউ যেন না আসে।

এ ঘোষণার ফলে যখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বাড়ি হাফিযদের দ্বারা পূর্ণ হয়ে গেল, তখন একটি বড় আকারের কুরআন শরীফ তাঁর কাছে নিয়ে আসার আদেশ দিলেন। সেই কুরআন শরীফটি তার সামনে রাখা হলো। তিনি তার ওপর হাত চাপড়ে বললেনঃ ওহে কুরআন শরীফ, মানুষকে জানাও। লোকেরা তাকে বললেনঃ হে আমীরুল মুমিনীন, তার কাছে আপনি কী চাইছেন? সেতো একটা কাগজের ওপর কিছু কালি ছাড়া কিছু নয়। আর আমরা কথা বলছি আমাদের পক্ষ থেকে যা বর্ণনা করা হয়েছে সে সম্পর্কে। সুতরাং আপনি কী চান?

আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমাদের এই সব সাথী, যারা বিদ্রোহ করেছে, তাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব ফায়সালাকারী হিসাবে বিদ্যমান। আল্লাহ তাঁর কিতাবে একজন পুরুষ ও স্ত্রী সম্পর্কে বলেছেনঃ তোমরা যদি স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে বিরোধের আশঙ্কা কর, তাহলে স্বামীর পরিবার থেকে একজন শালিশ এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন শালিশ পাঠাও। তারা উভয়ে যদি নিজেদের সংশোধন কামনা করে, তাহলে আল্লাহ তাদের মধ্যে সম্প্রীতির সৃষ্টি করে দেবেন।” মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মাতের রক্ত ও সম্মান একজন স্বামী ও স্ত্রীর চেয়ে অনেক বেশি মর্যাদা সম্পন্ন। তারা আমার ওপর রাগান্বিত এ জন্য যে, আমি মুয়াবিয়ার সাথে সন্ধি করেছি। অথচ আবু তালিবের ছেলে আলী চুক্তি লিখেছিল তখন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্বগোত্র কুরাইশের সাথে সন্ধি করেছিলেন।

তখন সুহাইল বিন আমর আমাদের নিকট উপস্থিত হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিখলেন “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।” সুহাইল বললোঃ “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম” লিখবেন না। তিনি বললেনঃ তাহলে কী লিখবো? সে বললোঃ লিখুন, বিসমিকা আল্লাহুম্মা”। এরপর রাসূলুল্লাহ আমাকে বললেনঃ লেখঃ “আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ” ... সুহাইল বাধা দিয়ে বললোঃ আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রাসূল মানতাম, তাহলে তো আপনার বিরোধিতাই করতাম না। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিখলেনঃ এটা সেই সন্ধি, যা আবদুল্লাহর ছেলে মুহাম্মাদ কুরাইশের সাথে স্থাপন করেছেন। আল্লাহ তাঁর কিতাবে বলেনঃ “আল্লাহর রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে যারা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তাদের জন্য।” (অর্থাৎ কাফিরদের সাথে যদি সন্ধি করা বৈধ হয়ে থাকে, তাহলে মুয়াবিয়ার সাথে তা অবশ্যই বৈধ হবে)

অতঃপর আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে পাঠালেন। আমিও তার সাথে রওনা হলাম। যখন তাদের বাহিনীর মাঝে পৌঁছলাম, তখন ইবনুল কাওয়া জনগণের সামনে ভাষণ দিতে আরম্ভ করলো। সে বললোঃ হে কুরআন বহনকারীগণ, এ হচ্ছে আবদুল্লাহ ইবনুল আব্বাস। তাঁকে যারা চেনে না, আমি তাদের সামনে আল্লাহর কিতাব থেকে তাঁর পরিচয় তুলে ধরছি। এই ব্যক্তি তাদেরই একজন, যাদের সম্পর্কে কুরআনে নাযিল হয়েছে قَوْمٌ خَصِمُونَ “তারা হলো একটা ঝগড়াটে জাতি।” সুতরাং তাকে তার বন্ধুর কাছে (আলীর কাছে) ফেরত পাঠাও এবং তার সাথে আল্লাহর কিতাব দ্বারা বাজি ধরোনা।

তৎক্ষণাত তাদের মধ্য থেকে অন্যান্য ভাষণদাতা উঠে বললোঃ আল্লাহর কসম, আমরা অবশ্যই তার সাথে আল্লাহর কিতাব দ্বারা বাজি ধরবো। সে যদি সত্য ও সঠিক বক্তব্য নিয়ে আসে এবং আমরা তা বুঝতে পারি। তাহলে আমরা অবশ্যই তা মেনে চলবো। আর যদি অসত্য নিয়ে আসে, তাহলে আমরা তাকে অবশ্যই তার বাতিলযুক্তিতে পরাজিত করবো। তারপর তারা আবদুল্লাহর সাথে তিনদিন আল্লাহর কিতাবের বাজি ধরে রইল। এরপর তাদের (মুয়াবিয়ার পক্ষের) মধ্য থেকে চারহাজার ব্যক্তি তাদের বাজি প্রত্যাহার করলো এবং প্রত্যেকে তাওবা করলো। ইবনুল কাওয়াও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যিনি তাদের সবাইকে কুফায় আলীর নিকট হাজির করলেন।

আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অবশিষ্ট লোকদের নিকট এই মর্মে বার্তা পাঠালেন, ইতিমধ্যে আমাদের ও জনগনের মধ্যে যা হয়েছে, তা তো তোমরা দেখতেই পেয়েছ। সুতরাং তোমরা যেখানে চাও, স্থির হও, যতক্ষণ মুহাম্মাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর উম্মাত আমাদের ও তোমাদের মধ্যে সমবেত না হয়। তোমরা কোন অবৈধ রক্তপাত করো না। ডাকাতি রাহাজানি ও লুণ্ঠন করো না এবং কোন সংখ্যালঘুর ওপর যুলুম করো না। যদি এসব কর, তাহলে আমরাও একইভাবে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো। কেননা আল্লাহ বিশ্বাসঘাতকদেরকে পছন্দ করেন না। আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হে ইবনে শাদ্দাদ, আলী কি তাদেরকে হত্যা করেছিলেন? ইবনে শাদ্দাদ বললেনঃ আল্লাহর কসম, তাদের কাছে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কোন বাহিনী ততক্ষণ পাঠাননি, যতক্ষণ না তারা ডাকাতি ও লুটপাট চালিয়েছে, রক্তপাত করেছে এবং অমুসলিমদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে।

আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ সত্যি? সে বললোঃ আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই। এটাই ঘটেছিল। আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তাহলে ইরাকীদের সম্পর্কে আমি যে শুনলাম, তারা বলাবলি করে, “উন্নত বক্ষা নারীদের মালিক”, উন্নত বক্ষা নারীদের মালিক”- এটা কী? ইবনে শাদ্দাদ বললেনঃ যে ব্যক্তি এ রকম রটনা করে, তাকে আমি দেখেছি এবং আলীকে সাথে নিয়ে নিহতদের মধ্যে তার জানাযা পড়েছি। তিনি লোকজনকে ডাকলেন এবং বললেনঃ তোমরা একে চিন? বহুলোক এসে বললোঃ ওকে অমুক গোত্রের মসজিদে নামায পড়তে দেখেছি, অমুক মসজিদে নামায পড়তে দেখেছি। কিন্তু তারা এইটুকু ছাড়া কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কেউ দিতে পারলো না।

আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন তার জানাযা পড়লেন, তখন ইরাকবাসী যে ধারণা পোষণ করে, তার সম্পর্কে তিনি কী বললেন? ইবনে শাদ্দাদ বললেনঃ তাকে বলতে শুনলামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন। আয়িশা বললেনঃ তাকে কি অন্য কিছু বলতে শুনেছি? ইবনে শাদ্দাদ বললেনঃ আল্লাহর কসম, না। আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন। আল্লাহ আলীর ওপর রহমত করুন। কারণ তিনি যে কোন বিস্ময়কর ব্যাপার দেখলেই বলতেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন। অথচ ইরাকবাসী তার ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে ও অতিরঞ্জিত কথা বলে।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (657)


657 - حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْهُذَلِيِّ ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَقَالَ: " أَيُّكُمْ يَنْطَلِقُ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلا يَدَعُ بِهَا وَثَنًا إِلا كَسَرَهُ، وَلا قَبْرًا إِلا سَوَّاهُ، وَلا صُورَةً إِلا لَطَّخَهَا؟ " فَقَالَ رَجُلٌ: أَنَا يَا رَسُولَ اللهِ. فَانْطَلَقَ، فَهَابَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ، فَرَجَعَ، فَقَالَ عَلِيٌّ: أَنَا أَنْطَلِقُ يَا رَسُولَ اللهِ. قَالَ: " فَانْطَلِقْ " فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، لَمْ أَدَعْ بِهَا وَثَنًا إِلا كَسَرْتُهُ، وَلا قَبْرًا إِلا سَوَّيْتُهُ، وَلا صُورَةً إِلا لَطَّخْتُهَا. ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنْ عَادَ لِصَنْعَةِ شَيْءٍ مِنْ هَذَا، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " ثُمَّ قَالَ: " لَا تَكُونَنَّ فَتَّانًا وَلا مُخْتَالًا، وَلا تَاجِرًا إِلا تَاجِرَ الْخَيْرِ، فَإِنَّ أُولَئِكَ هُمِ الْمَسْبُوقُونَ بِالْعَمَلِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৫৭। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।)

[মুসনাদ আহমাদ ৬৫৮, ৮৮১, ১১৭০, ১১৭৫, ১১৭৬, ১১৭৭]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (658)


658 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ، قَالَ: وَيُكَنِّيهِ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَبَا مُوَرِّعٍ قَالَ: وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يُكَنُّونَهُ بِأَبِي مُحَمَّدٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، وَلَمْ يَقُلْ عَنْ عَلِيٍّ، وَقَالَ: " وَلا صُورَةً إِلا طَلَخَهَا " فَقَالَ: مَا أَتَيْتُكَ يَا رَسُولَ اللهِ حَتَّى لَمْ أَدَعْ صُورَةً إِلا طَلَخْتُهَا. وَقَالَ: " لَا تَكُنْ فَتَّانًا وَلا مُخْتَالًا "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৫৮। হাদীস নং ৬৫৭ দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (659)


659 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " كَانَ يُوتِرُ عِنْدَ الْأَذَانِ، وَيُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ عِنْدَ الْإِقَامَةِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [إسناده ضعيف]




৬৫৯। হাদীস নং ৫৬৯ দ্রষ্টব্য।



৫৬৯। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’রাকাআত (সুন্নাত) নামায ইকামাতের সময় (অর্থাৎ পূর্ব মুহুর্তে) পড়তেন।









মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল (660)


660 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ يَعْنِي الرَّازِيَّ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: - لَا أَشُكُّ إِلَّا أَنَّهُ عَلِيٌّ -، قَالَ: " لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آكِلَ الرِّبَا، وَمُوكِلَهُ، وَشَاهِدَيْهِ، وَكَاتِبَهُ، وَالْوَاشِمَةَ، وَالْمُسْتَوْشِمَةَ، وَالْمُحِلِّ، وَالْمُحَلَّلَ لَهُ، وَمَانِعَ الصَّدَقَةِ، وَكَانَ يَنْهَى عَنِ النَّوْحِ "

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [حسن لغيره ، وهذا إسناد ضعيف]




৬৬০। হাদীস নং ৬৩৫ দ্রষ্টব্য।



৬৩৫। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, দশ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেনঃ সুদখোর, সুদদাতা, সুদ সংক্রান্ত বিষয়ের লেখক, সুদের দু’জন সাক্ষী, হিল্লাকারী, যার জন্য হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, উল্কি অঙ্কনকারী, যে উল্কি করায়।