সিলসিলাতুল আহাদীসিদ দ্বাঈফাহ ওয়াল মাওদ্বুআহ
` قال ربكم عز وجل: لوأن عبادي أطاعوني لأسقيتهم المطر بالليل، وأطلعت عليهم الشمس بالنهار، ولما أسمعتهم صوت الرعد `.
ضعيف.
رواه الطيالسي (2586) وعنه أحمد (2 / 359) وكذا الحاكم (4 / 256) من طريق صدقة بن موسى السلمي الرقيقي: حدثنا محمد بن واسع عن شتير بن نهار عن أبي هريرة مرفوعا. وقال الحاكم:
` صحيح الإسناد `! وتعقبه الذهبي بقوله: ` قلت: صدقة ضعفوه `. قلت: وشتير ويقال فيه سمير، قال الذهبي في ` الميزان `: ` نكرة `. قلت: وصدقة بن موسى السلمي الدقيقي، أورده الذهبي في ` الضعفاء ` وقال أيضا: ` ضعفوه `. وقال في ` الميزان `:
` ضعفه ابن معين والنسائي وغيرهما، قال أبو حاتم: يكتب حديثه وليس بالقوي `. ثم ساق له مما أنكر عليه ثلاثة أحاديث هذا أحدها.
৮৮৩। তোমাদের প্রতিপালক বলেনঃ যদি আমার বান্দারা আমার অনুসরণ করে, তাহলে অবশ্যই আমি তাদের যমীনকে রাতের বেলায় সিক্ত করবো, তাদের উপর সূর্যকে দিনের বেলায় উদিত করবো আর তাদেরকে গর্জনের ডাক (আওয়ায) শুনতে দিব না।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি তায়ালিসী (২৫৮৬), তার থেকে ইমাম আহমাদ (২/৩৫৯) ও অনুরূপভাবে হাকিম (৪/২৫৬) সাদাকাহ ইবনু মূসা আস-সুলামী হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসে' হতে তিনি শুতায়ের ইবনু নাহার হতে তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ সাদাকাহকে সকলেই দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ শুতায়েরকে সুমায়ের বলা হয়। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি অজ্ঞাত।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সাদাকাহ ইবনু মূসা আস-সুলামীকে যাহাবী “আয-যোয়াফা` গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তাকে মুহাদ্দিছগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। তিনি “আল-মীযান` গ্রন্থে বলেনঃ তাকে ইবনু মা'ঈন, নাসাঈ ও অন্য বিদ্বানগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। আবু হাতিম বলেনঃ তার হাদীছ লিখা যায়, তবে তিনি শক্তিশালী নন। অতঃপর তিনি তার তিনটি মুনকার হাদীছ উল্লেখ করেছেন। এটি সে তিনটির একটি।
` ما ينفعكم أن أصلي على رجل روحه مرتهن في قبره، ولا تصعد روحه إلى الله، فلوضمن رجل دينه قمت فصليت عليه، فإن صلاتي تنفعه `.
ضعيف.
رواه البيهقي في ` سننه ` (6 / 75) من طريق أبي الوليد الطيالسي: حدثنا عيسى بن صدقة عن عبد الحميد بن أبي أمية قال: شهدت أنس بن مالك وهو يقول: الحمد لله الذي حبس السماء أن تقع على الأرض إلا بإذنه. فقال له رجل: يا أبا حمزة: لوحدثتنا حديثا عسى الله أن ينفعنا به، قال: من استطاع منكم أن يموت وليس عليه دين فليفعل، فإني شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأتي بجنازة رجل ليصلي عليه، فقال: عليه دين؟ قالوا: نعم قال: فما ينفعكم … `.
ثم روى عن البخاري أنه قال: ` قال أبو الوليد (يعني الطيالسي) : هو ضعيف، يعني عيسى بن صدقة هذا `. قلت: وكذا ضعفه أبو حاتم. وقال الدارقطني: ` متروك `. وقال ابن حبان (2 / 117) : ` منكر الحديث جدا، لا يجوز الاحتجاج به لغلبة المناكير عليه `.
قلت: وعبد الحميد بن أبي أمية قال الدارقطني: ` لا شيء `. وبه أعل الحديث الهيثمي فقال في ` مجمع الزوائد ` (3 / 40) : ` رواه الطبراني في ` الأوسط ` وفيه عبد الحميد بن أمية - كذا الأصل وهو ضعيف `.
قلت: وهذا إعلال قاصر لما عرفت من حال ابن صدقة، لاسيما وأن بعض الرواة عنه قد أسقط عبد الحميد هذا من الإسناد، وجعله من رواية ابن صدقة عن أنس! أخرجه البيهقي من طريق يونس بن محمد: حدثنا عيسى بن صدقة قال:
دخلت أنا وأبي وإمام الحي على أنس بن مالك، فقالوا له: حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ينفعنا الله به: قال: مات رجل فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلنا يا رسول الله أتصلي عليه؟ فقال: هل عليه دين؟ الحديث. دون قوله: ` ولا تصعد روحه.... ` وزاد ` حتى يبعثه الله يوم القيامة فيحاسبه `.
وقد تابعه على إسقاطه عبيد الله بن موسى إلا أنه قلب اسم عيسى بن صدقة فقال: عن صدقة بن عيسى قال: سمعت أنسا يقول: أتي النبي صلى الله عليه وسلم برجل يصلي عليه، فقال: عليه دين؟ قالوا: نعم، قال: ` إن ضمنتم دينه صليت عليه `. أخرجه البيهقي، فهذا يرجح رواية إسقاط عبد الحميد من الإسناد لاتفاق ثقتين عليه، وتنحصر علة الحديث في عيسى بن صدقة هذا، وهو الصحيح في اسمه كما قال أبو حاتم والذهبي وغيرهما، وقول عبيد الله فيه: ` صدقة بن عيسى ` خطأ انقلب عليه، والله أعلم.
والحديث عزاه السيوطي في ` الجامع الكبير ` (2 / 198 / 1) للباوردي والبيهقي. وسقط (البيهقي) من ` كنز العمال ` (3 / 235) . والله أعلم. واعلم أن في ضمان الدين عن الميت أحاديث صحيحة في البخاري والسنن وغيرها وكذلك في ترك الصلاة على من عليه دين وعلى الغال.
وإنما حملني على تخريج هذا وبيان ضعفه أنني رأيت ابن الجوزي جزم بنسبته إلى النبي صلى الله عليه وسلم في كتابه ` صيد الخاطر ` (ص 350) ! .
৮৮৪। যে ব্যক্তির রূহ তার কবরে ঋণগ্রস্ত হিসাবে রয়েছে তার জন্য আমার সালাত পড়া তোমাদেরকে উপকৃত করবে না। আল্লাহর নিকট তার রূহ উঠেও যাবে না। তবে যদি কোন ব্যক্তি তার ঋণের দায়িত্ব নিয়ে নেয়, আর আমি তার জন্য দাঁড়াই ও সালাত আদায় করি, তাহলে আমার সালাত তার উপকারে আসবে।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি বাইহাকী তার `সুনান` (৬/৭৫) গ্রন্থে আবুল ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী হতে তিনি ঈসা ইবনু সাদাকাহ হতে তিনি আব্দুল হামীদ ইবনু আবী উমাইয়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি ইমাম বুখারী হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ আবুল ওয়ালীদ বলেছেনঃ ঈসা ইবনু সাদাকাহ দুর্বল।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তাকে আবু হাতিমও দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরুক। ইবনু হিব্বান (২/১১৭) বলেনঃ তিনি খুবই মুনকারুল হাদীছ। তার উপর মুনকারগুলো প্রাধান্য বিস্তার করায় তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা না জায়েয।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আব্দুল হামীদ ইবনু আবী উমাইয়াহ সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি কিছুই না।
এর দ্বারাই হায়ছামী “মাজমাউয যাওয়ায়েদ” (৩/৪০) গ্রন্থে সমস্যা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আব্দুল হামীদ দুর্বল ।
মৃত ব্যক্তির ঋণের দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপারে বুখারী ও সুনান সহ অন্যান্য হাদীছ গ্রন্থে সহীহ হাদীছ এসেছে। অনুরূপভাবে ঋণী ও খিয়ানাতকারী ব্যক্তির সালাত না পড়ার ব্যাপারে সহীহ হাদীছ এসেছে। তবে এ হাদীছটি সহীহ নয়।
` لا تمنوا الموت، فإن هو ل المطلع شديد، وإن من السعادة أن يطول عمر العبد، ويرزقه الله الإنابة `.
ضعيف.
رواه أحمد (3 / 332) عن الحارث بن يزيد (وفي رواية: الحارث بن أبي يزيد) قال: سمعت جابر بن عبد الله يقول: فذكره مرفوعا.
قلت: وهذا إسناد فيه ضعف، الحارث هذا لم يوثقه غير ابن حبان، وقد اضطرب في اسمه على الوجهين المذكورين، وثمة وجه ثالث فقيل فيه ` سلمة بن أبي يزيد ` بدل ` الحارث `، قال البخاري: ` ولا يصح `. فالسند ضعيف عندي، وأما المنذري فقال (4 / 136) : ` رواه أحمد بإسناد حسن، والبيهقي `.
৮৮৫। তোমরা মৃত্যু কামনা করো না। কারণ মৃত্যুর আক্রমণ কঠিন। বান্দার বয়স বৃদ্ধিতেই সৌভাগ্য নিহিত। আল্লাহ তা'আলা তাকে তাওবার সুযোগ করে দেন।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি ইমাম আহমাদ (৩/৩৩২) হারেছ ইবনু ইয়াযীদ হতে (অন্য বর্ণনায় এসেছেঃ হারেছ ইবনু আবী ইয়াযীদ) তিনি জাবের ইবনু আবদিল্লাহ হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদে দুর্বলতা রয়েছে। এই হারেছকে ইবনু হিব্বান ছাড়া অন্য কেউ নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেননি। তার নামে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। দুটি উল্লেখ করা হয়েছে আর তৃতীয়টি এই যে, তাকে হারেছের পরিবর্তে সালামা ইবনু আবী ইয়াযীদও বলা হয়েছে।
ইমাম বুখারী বলেনঃ হাদীছটি সহীহ নয়।
আর সনদটি আমার নিকট দুর্বল। কিন্তু মুনযেরী (৪/১৩৬) বলেছেনঃ ইমাম আহমাদ হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন। বাইহাকীও বর্ণনা করেছেন।
888) `.
يشير إلى رواية مسلم المحفوظة!
৮৮৬। আল্লাহ তা'আলা মুমিন ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন ডাক দিয়ে তাকে তাঁর সম্মুখে দাঁড় করবেন। অতঃপর বলবেনঃ হে আমার বান্দা! তোমাকে আমি আমাকে ডাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। আর আমি তোমাকে ওয়াদা দিয়েছিলাম তোমার ডাকে সাড়া দেয়ার। তুমি কি আমাকে ডেকেছিলে? বান্দা বলবেঃ জি হ্যাঁ হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেলঃ সাবধান! তুমি যখনই আমাকে ডেকেছো তখনই আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়েছি। তুমি কি তোমার উপর নাযিল হওয়া বিপদের চিন্তা হতে আমি যাতে তোমাকে মুক্ত করি সেজন্য উমুক উমুক দিন আমাকে ডাকনি? অতঃপর আমি তোমাকে বিপদ মুক্ত করিনি? বান্দা বলবেঃ জি হ্যাঁ হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেনঃ আমি দুনিয়াতেই তোমার জন্য তা দেয়ার জন্য তাড়াহুড়া করেছি। আর তুমি কি তোমার উপর নাযিল হওয়া বিপদের চিন্তা হতে আমি যাতে তোমাকে মুক্ত করি সেজন্য উমুক উমুক দিন আমাকে ডাকনি? অতঃপর তুমি তা হতে মুক্ত হতে পারেনি? জি হ্যাঁ হে আমার প্রভু! আল্লাহ বলবেনঃ তার পরিবর্তে তোমার জন্য আমি জান্নাতে এরূপ এরূপ বস্তু রক্ষিত করেছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা তার মুমিন বান্দার কৃত দোআ তার নিকট বর্ণনা না করে ছাড়বেন না। হয় তার জন্য দুনিয়াতেই তার জন্য তার ফলাফল দিয়ে দিয়েছেন। না হয় তাকে আখেরাতে প্রতিফল দেয়ার জন্য জমা রেখেছেন। তিনি আরো বলেনঃ মুমিন ব্যক্তি সেই স্থানে বলবে, হায় আফসুস। যদি দুনিয়াতে তার দো'আর কোন অংশেরই প্রতিফল দ্রুত না দিতেন।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি হাকিম (১/৪৯৪) ফাযল ইবনু ঈসা হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির হতে তিনি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এ হাদীছটি ফাযল ইবনু ঈসা আর-রুকাশী এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তার অবস্থা এই যে তাকে জাল করার দোষে দোষী করা হয়নি। হাফিয যাহাবী তার কথাকে স্বীকার করেছেন আর মুনযেরী তার পূর্বেই (২/২৭২) তাকে সমর্থন করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তারা উভয়ে কিছুই করেননি। কারণ তিনি জাল করার দোষে দোষী না হলেও সকলে তার দুর্বল হওয়ার বিষয়ে একমত। হাফিয যাহাবী তাকে “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করে নিজে তার সম্পর্কে বলেছেনঃ তাকে মুহাদ্দিছগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। অতঃপর তিনি তার সম্পর্কে ইমামদের ভাষ্যগুলো উল্লেখ করেছেন। তিনি তার `আল-মুগনী` গ্রন্থে বলেনঃ সকলের ঐকমত্যে তিনি দুর্বল। হাফিয ইবনু হাজার `আত-তাকরীব` গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার মত ব্যক্তির হাদীছ `আল-মুসতাদরাক আলাস সাহীহায়েন` গ্রন্থে উল্লেখ করা ভাল হয়নি।
` كان فيمن كان قبلكم رجل مسرف على نفسه، وكان مسلما، كان إذا أكل طعاما طرح تفالة طعامه على مزبلة، فكان يأو ي إليها عابد، فإن وجد كسرة أكلها وإن وجد بقلة أكلها، وإن وجد عرقا تعرقه.... (الحديث وفيه) : فأمر الله عز وجل بذلك الملك فأخرج من النار جمرة ينفض فأعيد كما كان، فقال: يا رب هذا الذي كنت آكل من مزبلته قال: فقال الله عز وجل: خذ بيده فأدخله الجنة من معروف كان منه إليك لم يعلم به، أما لوعلم به ما أدخلته النار `.
باطل.
رواه تمام في ` الفوائد ` (2329) من طريق منصور بن عبد الله الوراق: حدثني علي بن جابر بن بسر الأو دي: حدثنا حسين بن حسن بن عطية: حدثنا أبي عن مسعر بن كدام عن عطية عن أبي سعيد مرفوعا. قلت: وهذا إسناد واه جدا، وفيه علل:
الأولى: عطية وهو ابن سعد العوفي ضعيف، وكان يدلس تدليسا خبيثا، فكان يقول: عن أبي سعيد يوهم أنه الخدري وهو يعني الكلبي الكذاب، وقد سبق تفصيل ذلك في الحديث (24 ص 32 ج 1) .
الثانية: حسن بن عطية وهو ابن العوفي المذكور آنفا، قال البخاري: ` ليس بذاك `. وقال ابن حبان (1 / 1 / 22) : ` منكر الحديث، فلا أدري البلية في أحاديثه منه أو من ابنه أو منهما معا `.
الثالثة: ابنه الحسين بن الحسن بن عطية، قال أبو حاتم: ` ضعيف الحديث ` كما في ` الجرح والتعديل ` (1 / 2 / 48) . وقال ابن معين: كان ضعيفا في القضاء، ضعيفا في الحديث `. وله ترجمة واسعة في ` تاريخ بغداد ` (8 / 29 - 32) وذكر له أخبارا طريفة في لحيته التي كانت تبلغ إلى ركبته!
الرابعة: علي بن جابر ومنصور الوراق لم أجد من ترجمهما. والحديث مع ضعف إسناده الشديد، فهو منكر بل باطل ظاهر البطلان، يشهد القلب بوضعه، ولعله من الإسرائيليات التي تلقها الكلبي من أهل الكتاب ثم دلسه عنه عطية العوفي، فإن من غير المعقول أن يثاب ذلك الرجل المجرم بعمل عمله لا يقصد به نفع الناس ولو قصده لم ينفعه حتى يبتغي به وجه الله، كما هو معلوم، مع أن العمل نفسه قد يمكن إدخاله في باب الإسراف وتضييع المال، فتأمل.
وإن مثل هذا الحديث ليفتح بابا كبيرا على الناس من التواكل والتكاسل عن القيام بما أمر الله به، والانتهاء عما نهى عنه، والاعتماد على الأعمال العادية التي لا يقصد بها التقرب إلى الله، متعللين بأنه عسى أن ينتفع بها بعض الناس فيغفر الله لنا!! .
৮৮৭। তোমাদের পূর্বে নিজের উপর অপচয়কারী এক মুসলিম ব্যক্তি ছিল। যখন সে তার খাদ্য খেত তখন তার খাদ্যের অবশিষ্ট অংশ আবর্জনা নিক্ষেপের স্থানে ফেলে দিতো। এক আবেদ সেই স্থানে আসত, অতঃপর যদি কোন গোশতের টুকরা পেত তাহলে তা খেয়ে নিত। আর যদি কোন তরকারী পেত তাও খেয়ে নিত। যদি কোন শিরার অংশ পেত তাহলে তাই খেয়ে নিত। (আল-হাদীছ, তাতে আরো রয়েছে)- আল্লাহ তা'আলা তার ব্যাপারে এক ফেরেশতাকে নির্দেশ দিলেন, জাহান্নামের আগুনের এক টুকরা বের করে এনে তাকে উত্তমরূপে পরিস্কার করলো। অতঃপর তাকে পূনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হলে, ঐ ব্যক্তি বললোঃ হে প্রভু এই সে ব্যক্তি যার ময়লা নিক্ষেপের স্থান হতে আমি ভক্ষণ করতাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তুমি তাকে ধর জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দাও। সেই উত্তম কর্মের জন্য যা তোমার উপরে সে করেছে অথচ সে তা জানে না। যদি সে তা জানতো তাহলে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতাম না।
হাদীছটি বাতিল।
এটি তাম্মাম `আল-ফাওয়ায়েদ` (২৩২৯) গ্রন্থে মানসূর ইবনু আবদিল্লাহ আল-ওয়াররাক সূত্রে তিনি আলী ইবনু জাবের আল-আওদী হতে তিনি হুসাইন ইবনু হাসান ইবনে আতিয়াহ হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি মিস'আর ইবনু কিদাম হতে তিনি আতিয়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। তাতে তিনটি সমস্যা রয়েছেঃ
১। আতিয়াহ ইবনু সা’আদ আল-আওফী দুর্বল। তিনি মন্দ তাদলীস করতেন। তিনি বলতেনঃ আবু সাঈদ হতে। ফলে ধারণা করা হতো আল-খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে। অথচ তিনি তার দ্বারা বুঝাতেন মিথ্যুক আল-কালবীকে। (তার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ১ম খণ্ডের ২৪ নম্বর হাদীছে)
২। হাসান ইবনু আতিয়াহ, তিনি উল্লেখিত ইবনুল আওফী। ইমাম বুখারী তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি সেরূপ নন। ইবনু হিব্বান (১/১/২২) বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। জানি না তার হাদীছগুলোতে সমস্যা তার থেকে, না তার পিতা থেকে, না তাদের দু'জন থেকেই।
৩। তার ছেলে হুসাইন ইবনুল হাসান ইবনে আতিয়াহ সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি হাদীছের ক্ষেত্রে দুর্বল। যেমনটি `আল-জারহু ওয়াত তা’দীল` (১/২/৪৮) গ্রন্থে এসেছে। ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি ফয়সালার ক্ষেত্রে দুর্বল আর হাদীছের ব্যাপারেও দুর্বল ছিলেন।
৪। আলী ইবনু জাবের ও মানসূর আল-ওয়াররাকের জীবনী পাচ্ছি না। হাদীছটি মুনকার বরং সুস্পষ্ট বাতিল। হৃদয় বানোয়াট হওয়ারই সাক্ষ্য দিচ্ছে। হাদীছটি সম্ভবত ইসরাঈলী বর্ণনা হতে এসেছে। কালবী আহলে কিতাবদের থেকে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর আতিয়াহ আল-আওফী তাদলীস করেছেন।
` مصر كنانة الله في أرضه، ما طلبها عدوإلا أهلكه الله `.
لا أصل له.
أورده السخاوي في ` المقاصد ` (1029) وقال: ` لم أره بهذا اللفظ في مصر، ولكن عند أبي محمد الحسن بن زولاق في ` فضائل مصر ` له بمعناه، ولفظه: ` مصر خزائن الأرض كلها، من يردها بسوء قصمه الله `. وعزاه المقريزي في ` الخطط ` لبعض الكتب الإلهية `. قلت: وابن زولاق هذا لا أعرف عنه شيئا، ولا عن كتبه، وهل هو على طريقة المحدثين في سوق الأحاديث بالأسانيد أم هو
على طريقة المتأخرين في ذكر الأحاديث تعليقا بدون إسناد؟ فإذا كان الأول، فلا أدري لماذا سكت عليه الحافظ السخاوي، ولقد كان من الواجب عليه أن يسوق إسناده على الأقل ليمكن النظر فيه والحكم على الحديث به، وإن كان يغلب على الظن أنه لا يصح، بل هو مأخوذ من بعض أهل الكتاب كما أشار إلى ذلك المقريزي، فهو مثل حديث: ` الشام كنانتي.... ` وقد تقدم برقم (15) .
৮৮৮। আল্লাহর যমীনে মিসর হচ্ছে তার তীর রাখার থলি। কোন দুশমন তার অনিষ্টতা করার ইচ্ছা পোষণ করলেই আল্লাহ তা'আলা তাকে ধ্বংস করে দিবেন।
এর কোন ভিত্তি নেই।
এটি হাফিয সাখাবী `আল-মাকাসিদ` (১০২৯) গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ মিসর সম্পর্কে হাদীছটি এ বাক্যে দেখছি না। তবে আবু মুহাম্মাদ হাসান ইবনু যাওলাক “ফাযায়েলু মিসর” গ্রন্থে নিম্নের বাক্যে উল্লেখ করেছেনঃ মিসর সব যমীনের খাযানা খানা .....।
এই ইবনুল যাওলাক সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। তার কিতাব সম্পর্কেও না। এটি সম্পর্কে মাকরীযী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এটি কোন আহলে কিতাব হতে গ্রহণ করা হয়েছে। এটি ১৫ নম্বর হাদীছটির ন্যায়।
` الجيزة روضة من رياض الجنة، ومصر خزائن الله في الأرض `.
موضوع.
أخرجه أبو نعيم في ` نسخة نبيط بن شريط ` (ق 158 / 2) عن أحمد بن إبراهيم بن نبيط بن شريط أبي جعفر الأشجعي قال: حدثني أبي إسحاق بن إبراهيم بن نبيط قال: حدثني أبي إبراهيم بن نبيط عن جده نبيط بن شريط مرفوعا. وأورده السيوطي في ` ذيل الأحاديث الموضوعة ` (ص 87) من طريق أبي نعيم، ثم قال: ` قال في ` الميزان `: أحمد هذا حدث عن أبيه عن جده بنسخة فيها بلايا، منها هذا الحديث، لا يحل الاحتجاج به فإنه كذاب `. وأقره ابن عراق في ` تنزيه الشريعة ` (2 / 57) ، وذكر العجلوني هذا الحديث في ` كشف الخفاء ` (ص 212) وقال: ` قال في ` اللآلي `: كذب `. والله أعلم.
৮৮৯। উপত্যকার পাড় জান্নাতের বাগিচাগুলোর একটি বাগিচা। আর যমীনের মধ্যে মিসর আল্লাহর খাযানা খানা।
হাদীছটি জাল।
এটি আবু নোয়াইম `নুসখাতু নুবায়েত ইবনে শারীত` (কাফ ২/১৫৮) গ্রন্থে আহমাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনে নুবায়েত হতে তিনি আবূ ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হতে ... বর্ণনা করেছেন।
হাদীছটি সুয়ূতী `যায়লুল আহাদীছিল মাওযুআহ` (পৃঃ ৮৭) গ্রন্থে আবু নোয়াইমের সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ এই আহমাদ তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে একটি পাণ্ডলিপি বর্ণনা করেছেন যাতে বিপদ রয়েছে। সেগুলোর একটি হচ্ছে এ হাদীছটি। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। কারণ তিনি মিথ্যুক।
ইবনু ইরাক `তানযীহুশ শারীয়াহ` (২/৫৭) গ্রন্থে তা স্বীকার করেছেন। আজলূনী `কাশফুল খাফা` (পৃঃ ২১২) গ্রন্থে হাদীছটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাফিয সুয়ূতী `আল-লাআলী` গ্রন্থে বলেনঃ এটি মিথ্যা।
` من لم يكثر ذكر الله تعالى قد برىء من الإيمان `.
موضوع.
قال المنذري في ` الترغيب ` (2 / 231) : ` رواه الطبراني في ` الأوسط ` و` الصغير ` من حديث أبي هريرة، وهو حديث غريب `. وقال الهيثمي في ` المجمع ` (10 / 79) : ` رواه الطبراني في ` الصغير، و` الأوسط ` عن شيخه محمد بن سهل بن المهاجر عن مؤمل بن إسماعيل، وفي ` الميزان `: ` محمد بن سهل عن مؤمل بن إسماعيل يروي الموضوعات `.
فإن كان هو ابن المهاجر فهو ضعيف، وإن كان غيره فالحديث حسن `! قلت: وعلق عليه الحافظ ابن حجر بما نصه: ` بل هو موضوع على الحالين، والمجهول إذا انفرد (الأصل إذ) لم يكن حديثه حسنا بحال `. وهذا كلام جيد. وما قاله الذهبي في ` الميزان ` في ابن سهل هذا أقره عليه الحافظ في ` اللسان `. وزاد عليه أنه ساق له هذا الحديث، وهو ظاهر الوضع.
مما ينبغي أن يعلم أن الحديث لم يرو هـ الطبراني في ` الصغير ` بهذا اللفظ، خلافا لما يوهمه صنيع المنذري ثم الهيثمي، بل بلفظ: ` من أكثر ذكر الله فقد بريء من النفاق `. ص (203) وفرق ظاهر بين اللفظين، وإن كان مدارهما على إسناد واحد عند الطبراني، يرويهما عن شيخ واحد هو محمد بن سهل هذا المتهم، ولكنه لم ينفرد باللفظ الثاني، فقد أخرجه أبو محمد المخلدي في ` الفوائد المنتخبة ` (3 / 1 / 2) ومحمد بن الحسن الأزدي في ` أحاديث منتقاة ` (ق 2 / 1 - 2) وأبو موسى المديني في ` اللطائف ` (ق 81 / 2) من طرق أخرى عن مؤمل بن إسماعيل به، فبرئت عهدة ابن سهل من هذا اللفظ الثاني، وانحصرت التهمة به في اللفظ الأول. وعلة اللفظ الثاني هو هذا الذي دارت عليه الطرق:
مؤمل ابن إسماعيل فإنه ضعيف لسوء حفظه وكثرة خطإه، قال أبو حاتم: ` صدوق شديد في السنة كثير الخطأ `. وقال البخاري: ` منكر الحديث `. وقال أبو زرعة: ` في حديثه خطأ كثير `، ومن هذا التحقيق يتلخلص أن الحديث بلفظه الأول موضوع، كما قال الحافظ بن حجر، وبلفظه الثاني ضعيف. ولقد أحسن السيوطي صنعا حيث أورده في ` الجامع الصغير ` من رواية ` صغير الطبراني ` دون اللفظ الآخر، والله الموفق.
وفي باب ذكر الله تعالى والإكثار منه وفضله أحاديث كثير مجموعة في ` الترغيب ` وغيره تغني عن مثل هذا الحديث.
৮৯০। যে ব্যক্তি বেশী করে আল্লাহর যিকর করে না, সে ঈমান হতে মুক্ত হয়ে গেছে।
হাদীছটি জাল।
মুনযেরী `আত-তারগীব` (২/২৩১) গ্রন্থে বলেনঃ তাবারানী “আল-আওসাত” এবং “মুজামুস সাগীর” গ্রন্থে আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীছ হতে বর্ণনা করেছেন। হাদীছটি গারীব। হায়ছামী `আল-মাজমা` (১০/৭৯) গ্রন্থে বলেনঃ হাদীছটি তাবারানী `আল-আওসাত` এবং “মুজামুস সাগীর” গ্রন্থে তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সাহল ইবনিল মুহাজির হতে তিনি মুয়াম্মাল ইবনু ইসমাইল হতে বর্ণনা করেছেন। `আল-মীযান` গ্রন্থে এসেছেঃ মুহাম্মাদ ইবনু সাহল মুয়াম্মাল ইবনু ইসমাঈল হতে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনাকারী। তিনি যদি ইবনুল মুহাজির হন তাহলে তিনি দুর্বল। আর যদি অন্য কেউ হন তাহলে তার হাদীছ হাসান!
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাফিয ইবনু হাজার বলেছেনঃ বরং হাদীছটি উভয় অবস্থায় বানোয়াট। মাজহুল বর্ণনাকারী যখন এককভাবে বর্ণনা করেন তখন তার হাদীছ কোন অবস্থাতেই হাসান হতে পারে না। এ কথাটি ভাল। যাহাবী `আল-মীযান` গ্রন্থে যে বলেছেনঃ তিনি হচ্ছেন ইবনু সাহল, তাকে ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। তিনি তার হাদীছটি উল্লেখ করে আরো বলেছেন, স্পষ্টত এটি বানোয়াট। জানা দরকার যে, তাবারানী হাদীছটি “আস-সাগীর” গ্রন্থে এ বাক্যে বর্ণনা করেননি। বরং তাতে বলা হয়েছেঃ `যে ব্যক্তি বেশী বেশী আল্লাহর যিকর করবে সে নিফাক হতে মুক্ত হয়ে যাবে।` দুটির মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট। যদিও তাবারানীর নিকট উভয়টির সনদ একই। তিনি এই মিথ্যার দোষে দোষী মুহাম্মাদ ইবনু সাহল হতেই বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি দ্বিতীয় শব্দে এককভাবে বর্ণনা করেননি। অন্য সূত্রেও মুয়াম্মাল ইবনু ইসমাঈল হতে বর্ণনা করেছেন।
তবে দ্বিতীয় শব্দের সমস্যা হচ্ছে এই মুয়াম্মাল ইবনু ইসমাঈল। কারণ তার হেফযে ক্রটি থাকায় এবং তার বেশী ভুল হওয়ায় তিনি দুর্বল। আবু হাতিম বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, সুন্নাতের ব্যাপারে কঠোর, তবে বহু ভুলকারী। ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। আবু যুর'আহ বলেনঃ তার হাদীছের মধ্যে বহু ভুল আছে। এর দ্বারা স্পষ্ট হচ্ছে এই যে, হাদীছটি প্রথম বাক্যে বানোয়াট যেমনটি ইবনু হাজার বলেছেন আর দ্বিতীয় বাক্যে দুর্বল।
` كان بلال إذا أراد أن يقيم الصلاة قالا: السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، يرحمك الله `.
موضوع.
رواه الطبراني في ` الأوسط ` (1 / 27 / 1 - مجمع البحرين) : حدثنا مقدام بن داود: حدثنا عبد الله بن محمد بن المغيرة: حدثنا كامل أبو العلاء عن أبي صالح عن أبي هريرة به. وقال: ` لم يرو هـ عن كامل إلا عبد الله `. قلت: وهذا موضوع، آفته ابن المغيرة هذا، فقد ساق له الذهبي أحاديث وقال: ` هذه موضوعات `.
ومقدام بن داود ليس بثقة كما قال النسائي: وفي ` مجمع الزوائد ` (2 / 75) : ` رواه الطبراني في ` الأوسط ` وفيه عبد الله بن محمد بن المغيرة، وهو ضعيف `.
قلت: وهذا إعلال قاصر من جهتين:
الأولى: أنه ألان القول في تضعيف ابن المغيرة وقد عرفت أنه صاحب موضوعات، وقد قال النسائي: ` روى عن الثوري ومالك بن مغول أحاديث كانا أتقى لله من أن يحدثا بها `.
الأخرى: أنه عصب التهمة بابن المغيرة مع أن الراوي عنه المقدام مثله أو قريب منه.
وهذا الحديث كأنه الأصل لتلك البدعة الفاشية التي رأيناها في حلب وإدلب وغيرها من بلاد الشمال، وهي الصلاة والسلام على النبي صلى الله تعالى عليه وآله وسلم جهرا قبيل الإقامة. وهي كالبدعة الأخرى وهي الجهر بها عقب الأذان كما بينه العلماء المحققون - وذكرناه في الرسالة الأولى من ` تسديد الإصابة `.
على أن الظاهر من الحديث - لوصح - أن بلالا كان يدخل على النبي صلى الله تعالى عليه وآله وسلم وهو في حجرته ليخبره بأنه يريد أن يقيم حتى يخرج عليه الصلاة والسلام فيقيم بلال، أولعله لا يسمع الإقامة فيخبر بها.
(تنبيه) : إن العلماء إذا أنكروا مثل هذه البدعة، فلا يتبادرن إلى ذهن أحد أنهم ينكرون أصل مشروعية الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم! بل إنما ينكرون وضعها في مكان لم يضعها رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه، أو أن تقترن بصفات وهيئات لم يشرعها الله على لسان نبيه، كما صح عن ابن عمر رضي الله عنه أن رجلا عطس فقال: الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقال ابن عمر: وأنا أقول: الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولكن ما هكذا علمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم،! قل: الحمد لله رب العالمين أو قال: على كل حال.
فانظر كيف أنكر ابن عمر رضي الله عنه وضع الصلاة بجانب الحمد بحجة أنه صلى الله عليه وسلم لم يصنع ذلك، مع تصريحه بأنه يصلي على النبي صلى الله عليه وسلم دفعا لما عسى أن يرد على خاطر أحد أنه أنكر الصلاة عليه صلى الله عليه وسلم جملة! كما يتوهم البعض الجهلة حينما يرو ن أنصار السنة ينكرون هذه البدعة وأمثالها، فيرمونهم بأنهم ينكرون الصلاة عليه صلى الله تعالى عليه وآله وسلم، هداهم الله تعالى إلى اتباع السنة.
৮৯১। বিলাল যখন সালাতের ইকামাত দেয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন বলতেনঃ আসসালামু আলাইকা আইউহান নবীয়্যূ ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, ইয়ারহামুকাল্লাহ।
হাদীছটি জাল।
এটি তাবারানী `আল-আওসাত` (১/২৭/১) গ্রন্থে মিকদাম ইবনু দাউদ হতে তিনি আবদিল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনিল মুগীরাহ হতে তিনি কামিল আবুল আলী হতে তিনি আবু সালেহ হতে তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ কামিল হতে একমাত্র আব্দুল্লাহই বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। তার সমস্যা হচ্ছে এই ইবনুল মুগীরা। যাহাবী তার কতিপয় হাদীছ উল্লেখ করে বলেছেনঃ এগুলো বানোয়াট। এ ছাড়া মিকদাম ইবনু দাউদ নির্ভরযোগ্য নন যেমনটি নাসাঈ বলেছেন। হায়ছামী `মাজমাউয যাওয়ায়েদ` (২/৭৫) গ্রন্থে আব্দুল্লাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ দুই দিক দিয়ে ক্রটিপূর্ণ সমস্যা বর্ণনা করা হয়েছেঃ
১। তিনি ইবনুল মুগীরাকে দুর্বল বলে শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। অথচ আপনারা অবহিত হয়েছেন যে, তিনি জালের অধিকারী। নাসাঈ বলেনঃ তিনি ছাওরী এবং মালেক ইবনু মিগওয়াল হতে কতিপয় হাদীছ বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়েই সেগুলো বর্ণনা করা হতে আল্লাহকে বেশী ভয় করতেন।
২। তিনি শুধুমাত্র ইবনুল মুগীরাকেই দোষী করেছেন। অথচ তার থেকে বর্ণনাকারী মিকদাম তার ন্যায় বা তার নিকটবর্তী (দুর্বলতার দিক দিয়ে)।
` من أحب أن يحيا حياتي، ويموت موتتي، ويسكن جنة الخلد التي وعدني ربي عز وجل، غرس قضبانها بيديه، فليتول علي بن أبي طالب، فإنه لن يخرجكم من هدى، ولن يدخلكم في ضلالة `.
موضوع.
رواه أبو نعيم في ` الحلية ` (4 / 349 - 350 و350) والحاكم (3 / 128) وكذا الطبراني في ` الكبير ` وابن شاهين في ` شرح السنة ` (18 / 65 / 2) من طرق عن يحيى
بن يعلى الأسلمي قال: حدثنا عمار بن رزيق عن أبي إسحاق عن زياد بن مطرف عن زيد بن أرقم - زاد الطبراني: وربما لم يذكر زيد بن أرقم - قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره. وقال أبو نعيم: ` غريب من حديث أبي إسحاق، تفرد به يحيى `. قلت: وهو شيعي ضعيف، قال ابن معين: ` ليس بشيء `. وقال البخاري: ` مضطرب الحديث `. وقال ابن أبي حاتم (4 / 2 / 196) عن أبيه: ` ليس بالقوي، ضعيف الحديث `. والحديث قال الهيثمي في ` المجمع ` (9 / 108) : ` رواه الطبراني، وفيه يحيى بن يعلى الأسلمي، وهو ضعيف `.
قلت: وأما الحاكم فقال: ` صحيح الإسناد `! فرده الذهبي بقوله: ` قلت: أنى له الصحة والقاسم متروك، وشيخه (يعني الأسلمي) ضعيف، واللفظ ركيك، فهو إلى الوضع أقرب `.
وأقول: القاسم - وهو ابن شيبة - لم يتفرد، بل تابعه راويان آخران عند أبي نعيم فالحمل فيه على الأسلمي وحده دونه. نعم للحديث عندي علتان أخريان:
الأولى: أبو إسحاق، وهو السبيعي فقد كان اختلط مع تدليسه، وقد عنعنه.
الأخرى: الاضطراب في إسناده منه أو من الأسلمي، فإنه يجعله تارة من مسند زيد بن أرقم وتارة من مسند زياد بن مطرف، وقد رواه عنه مطين والباوردي وابن جرير وابن شاهين في ` الصحابة ` كما ذكر الحافظ ابن حجر في ` الإصابة ` وقال: ` قال ابن منده: ` لا يصح `.
قلت: في إسناده يحيى بن يعلى المحاربي، وهو واه `.
قلت: وقوله ` المحاربي ` سبق قلم منه، وإنما هو الأسلمي كما سبق ويأتي.
(تنبيه) لقد كان الباعث على تخريج هذا الحديث ونقده والكشف عن علته، أسباب عدة، منها أنني رأيت الشيخ المدعو بعبد الحسين الموسوي الشيعي قد خرج الحديث في ` مرجعاته ` (ص 27) تخريجا أوهم به القراء أنه صحيح كعادته في أمثاله، واستغل في سبيل ذلك خطأ قلميا وقع للحافظ ابن حجر رحمه الله، فبادرت إلى الكشف عن إسناده، وبيان ضعفه، ثم الرد على الإيهام المشار إليه، وكان ذلك منه على وجهين، فأنا أذكرهما، معقبا على كل منهما ببيان ما فيه فأقول:
الأول: أنه ساق الحديث من رواية مطين ومن ذكرنا معه نقلا عن الحافظ من رواية زياد بن مطرف، وصدره برقم (38) . ثم قال: ` ومثله حديث زيد بن أرقم.... ` فذكره، ورقم له بـ (39) ، ثم علق عليهما مبينا
مصادر كل منهما، فأوهم بذلك أنهما حديثان متغايران إسنادا! والحقيقة خلاف ذلك، فإن كلا منهما مدار إسناده على الأسلمي، كما سبق بيانه، غاية ما في الأمر أن الراوي كان يرويه تارة عن زياد بن مطرف عن زيد بن أرقم، وتارة لا يذكر فيه زيد بن أرقم، ويوقفه على زياد ابن مطرف وهو يؤكد ضعف الحديث لاضطرابه في إسناده كما سبق. والآخر أنه حكى تصحيح الحاكم للحديث دون أن يتبعه بيان علته، أو على الأقل دون أن ينقل كلام الذهبي في نقده.
وزاد في إيهام صحته أنه نقل عن الحافظ قوله في ` الإصابة `: ` قلت: في إسناده يحيى بن يعلى المحاربي وهو واه `. فتعقبه عبد الحسين (!) بقوله: ` أقول هذا غريب من مثل العسقلاني، فإن يحيى بن يعلى المحاربي ثقة بالاتفاق، وقد أخرج له البخاري … ومسلم … `.
فأقول: أغرب من هذا الغريب أن يدير عبد الحسين كلامه في توهيمه الحافظ في توهينه للمحاربي، وهو يعلم أن المقصود بهذا التوهين إنما هو الأسلمي وليس المحاربي، لأن هذا مع كونه من رجال الشيخين، فقد وثقه الحافظ نفسه في ` التقريب ` وفي الوقت نفسه ضعف الأسلمي، فقد قال في ترجمة الأول: ` يحيى بن يعلى بن الحارث المحاربي الكوفي ثقة، من صغار التاسعة مات سنة ست عشرة `. وقال بعده بترجمة: ` يحيى بن يعلى الأسلمي الكوفي شيعي ضعيف، من التاسعة `. وكيف يعقل أن يقصد الحافظ تضعيف المحاربي المذكور وهو متفق على توثيقه، ومن رجال ` صحيح البخاري ` الذي استمر الحافظ في خدمته وشرحه وترجمة رجاله قرابة ربع قرن من الزمان؟! كل ما في الأمر أن الحافظ في ` الإصابة ` أراد أن يقول ` … الأسلمي وهو واه `، فقال واهما: ` المحاربي وهو واه `! . فاستغل الشيعي هذا الوهم أسوأ الاستغلال، فبدل أن ينبه أن الوهم ليس في التوهين، وإنما في كتب ` المحاربي مكان الأسلمي `، أخذ يوهم القراء عكس ذلك وهو أن راوي الحديث إنما هو المحاربي الثقة وليس هو الأسلمي الواهي!
فهل في صنيعه هذا ما يؤيد من زكاه في ترجمته في أول الكتاب بقوله: ` ومؤلفاته كلها تمتاز بدقة الملاحظة.... وأمانة النقل `. أين أمانة النقل يا هذا وهو ينقل الحديث من ` المستدرك ` وهو يرى فيه يحيى بن يعلى موصوفا بأنه ` الأسلمي ` فيتجاهل ذلك، ويستغل خطأ الحافظ ليوهم القراء أنه المحاربي الثقة، وأين أمانته أيضا وهو لا ينقل نقد الذهبي والهيثمي للحديث بالأسلمي هذا؟! فضلا عن أن الذهبي أعله بمن هو أشد ضعفا من هذا كما رأيت، ولذلك ضعفه السيوطي في ` الجامع الكبير ` على قلة عنايته فيه بالتضعيف فقال: ` وهو واه `.
وكذلك وقع في ` كنز العمال ` برقم (2578) . ومنه نقل الشيعي الحديث، دون أن ينقل تضعيفه هذا مع الحديث، فأين الأمانة المزعومة أين؟!
(تنبيه) أورد الحافظ بن حجر الحديث في ترجمة زياد بن بن مطرف في القسم الأول من ` الصحابة ` وهذا القسم خاص كما قال في مقدمته: ` فيمن وردت صحبته بطريق الرواية عنه أو عن غيره، سواء كانت الطريق صحيحة أو حسنة أو ضعيفة، أو وقع ذكره بما يدل على الصحبة بأي طريق كان، وقد كنت أولا - رتبت هذا القسم الواحد على ثلاثة أقسام، ثم بدا لي أن أجعله قسما واحدا، وأميز ذلك في كل ترجمة `.
قلت: فلا يستفاد إذن من إيراد الحافظ للصحابي في هذا القسم أن صحبته ثابتة ما دام أنه قد نص على ضعف إسناد الحديث الذي صرح فيه بسماعه من النبي صلى الله عليه وسلم وهو هذا الحديث، ثم لم يتبعه بما يدل على ثبوت صحبته من طريق أخرى، وهذا ما أفصح بنفيه الذهبي في ` التجريد ` بقوله: (1 / 199) : ` زياد بن مطرف، ذكره مطين في الصحابة، ولم يصح `.
وإذا عرفت هذا فهو بأن يذكر في المجهولين من التابعين، أولى من أن يذكر في الصحابة المكرمين وعليه فهو علة ثالثة في الحديث. ومع هذه العلل كلها في الحديث يريدنا الشيعي أن نؤمن بصحته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير عابئ بقوله صلى الله عليه وسلم: ` من حدث عني بحديث وهو يرى أنه كذب فهو أحد الكاذبين `. رواه مسلم في مقدمة ` صحيحه `. فالله المستعان.
وكتاب ` المرجعات ` للشيعي المذكور محشو بالأحاديث الضعيفة والموضوعة في فضل علي رضي الله عنه، مع كثير من الجهل بهذا العلم الشريف، والتدليس على القراء والتضليل عن الحق الواقع، بل والكذب الصريح، مما لا يكاد القارىء الكريم يخطر في باله أن أحدا من المؤلفين يحترم نفسه يقع في مثله، من أجل ذلك قويت الهمة في تخريج تلك الأحاديث - على كثرتها - وبيان عللها وضعفها، مع الكشف عما في كلامه عليها من التدليس والتضليل، وذلك مما سيأتي بإذن الله تعالى برقم (
৮৯২। যে ব্যক্তি আমার জীবনের ন্যায় জীবন ধারণ, আমার মৃত্যুর ন্যায় মৃত্যু ও আমার প্রভু আমাকে যে স্থায়ী জান্নাতে বসবাসের জন্য ওয়াদা দিয়েছেন (যিনি তার ডালগুলো (বৃক্ষগুলো) তাঁর দু'হাত দিয়ে রোপণ করেছেন) সে জান্নাতে বসবাস করা এ সবকে ভালবাসতে চাই। সে যেন আলী ইবনু আবী তালিবকে ওয়ালী হিসাবে গ্রহণ করে। কারণ সে হেদায়াত হতে তোমাদেরকে বের করবে না আর তোমাদেরকে ভ্ৰষ্টতার মধ্যে নিক্ষেপ করবে না।
হাদীছটি জাল।
এটি আবু নোয়াইম `আল-হিলইয়াহ` (৪/৩৪৯-৩৫০) গ্রন্থে, হাকিম (৩/১২৮), অনুরূপভাবে তাবারানী “আল-কাবীর” গ্রন্থে ও ইবনু শাহীন `শারহুস সুন্নাহ` (১৮/৬৫/২) গ্রন্থে বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ালা আল-আসলামী হতেতিনি আম্মার ইবনু রুযায়েক হতে তিনি আবূ ইসহাক হতে তিনি যিয়াদ ইবনু মুতরেক হতে ... বর্ণনা করেছেন। আবু নোয়াইম বলেনঃ আবু ইসহাকের হাদীছ হতে এটি গারীব। তিনি এটিকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি একজন শিয়াহ মতাবলম্বী দুর্বল বর্ণনাকারী। ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি কিছুই না। ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুযতারিবুল হাদীছ। ইবনু আবী হাতিম (৪/২/১৯৬) তার পিতার উদ্ধৃতিতে বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন, হাদীছের ক্ষেত্রে দুর্বল। হাদীছটি সম্পর্কে হায়ছামী `আল-মাজমা` (৯/১০৮) গ্রন্থে বলেনঃ তাতে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ালা আল-আসলামী রয়েছেন। তিনি দুর্বল।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তবে হাকিম বলেছেনঃ সনদটি সহীহ। হাফিয যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ যেখানে কাসেম মাতরূক সেখানে কিভাবে এটি সহীহ। তার শাইখ আল-আসলামী দুর্বল। শব্দগুলো বিদঘুটে। হাদীছটি জাল হওয়ারই নিকটবর্তী।
আমি বলছিঃ কাসেম হচ্ছেন ইবনু শাইবাহ। তিনি হাদীছটি এককভাবে বর্ণনা করেননি। আবু নোয়াইমের নিকট অন্য দুই বর্ণনাকারী তার মুতাবায়াত করেছেন। আমার নিকট হাদীছটির আরো দুটি সমস্যা রয়েছেঃ
১। আবু ইসহাক আস-সাবী'ঈ মুদাল্লিস হওয়ার সাথে সাথে তার মস্তিষ্ক বিকৃতিও ঘটেছিল।
২। সনদের মধ্যে তার থেকে কিংবা আল-আসলামীর পক্ষ হতে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। কারণ তিনি একবার বলেছেন, যায়েদ ইবনু আরকাম, আরেকবার বলেছেন, যিয়াদ ইবনু মাতরাফ।
` من سره أن يحيا حياتي ويموت ميتتي، ويتمسك بالقصبة الياقوتة التي خلقها الله بيده، ثم قال لها: ` كوني فكانت ` فليتول علي بن أبي طالب من بعدي `.
موضوع.
رواه أبو نعيم (1 / 86 و4 / 174) من طريق محمد بن زكريا الغلابي: حدثنا بشر بن مهران: حدثنا شريك عن الأعمش عن زيد بن وهب عن حذيفة مرفوعا، وقال: ` تفرد به بشر عن شريك `.
قلت: هو ابن عبد الله القاضي وهو ضعيف لسوء حفظه. وبشر بن مهران قال ابن أبي حاتم: ` ترك أبي حديثه `. قال الذهبي: ` قد روى عنه محمد بن زكريا الغلابي، لكن الغلابي متهم `.
قلت: ثم ساق هذا الحديث. والغلابي قال فيه الدارقطني: ` يضع الحديث `. فهو آفته. والحديث أورده ابن الجوزي في ` الموضوعات ` (1 / 387) من طرق أخرى، وأقره السيوطي في ` اللآلي ` (1 / 368 - 369) ، وزاد عليه طريقين آخرين أعلهما، هذا أحدهما وقال: ` الغلابي متهم `. وقد روي بلفظ أتم منه، وهو:
৮৯৩। যে ব্যক্তিকে আমার জীবনের ন্যায় জীবন ধারণ, আমার মৃত্যুর ন্যায় মৃত্যু ও ইয়াকুতের শহরকে গ্রহণ করা আনন্দিত করবে, যা আল্লাহ তা'আলা তার নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাকে বলেছেনঃ হয়ে যা ফলে হয়ে গেছে, সে যেন আমার পরে আলী ইবনু আবী তালিবকে ওয়ালী হিসাবে গ্রহণ করে।
হাদীছটি জাল।
এটি আবু নোয়াইম (১/৮৬, ৪/১৭৪) মুহাম্মাদ ইবনু যাকারিয়া আল-গাল্লাবী সূত্রে বিশর ইবনু মিহরান হতে তিনি শুরায়িক হতে তিনি আমাশ হতে তিনি যায়েদ ইবনু ওয়াহাব হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ বিশর শুরায়িক হতে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ শুরায়িক ইবনু আবদিল্লাহ আল-কাযী দুর্বল, তার হেফযে ক্রটি থাকার কারণে।
বিশর ইবনু মেহরান সম্পর্কে ইবনু আবী হাতিম বলেনঃ তার পিতা তার হাদীছ গ্রহণ করেননি। হাফিয যাহাবী বলেনঃ তার থেকে মুহাম্মাদ ইবনু যাকারিয়া আল-গাল্লাবী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু গাল্লাবী মিথ্যার দোষে দোষী।
আমি (আলবানী) বলছিঃ অতঃপর তিনি (যাহাবী) এ হাদীছটি উল্লেখ করেছেন। এই গাল্লাবী সম্পর্কে দারাকুতনী বলেনঃ তিনি হাদীছ জালকারী। তিনিই হাদীছটির বিপদ।
হাদীছটি ইবনুল জাওযী `আল-মাওযুআত` (১/৩৮৭) গ্রন্থে অন্য সূত্রে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী `আল-লাআলী` (১/৩৬৮-৩৬৯) গ্রন্থে তাকে সমর্থন করেছেন। তবে তিনি আরো দু'টি সূত্র উল্লেখ করে তার সমস্যা বর্ণনা করেছেন। সে দু’টাের একটি হচ্ছে এটি। অতঃপর বলেছেনঃ গাল্লাবী মিথ্যার দোষে দোষী।
` من سره أن يحيا حياتي، ويموت مماتي، ويسكن جنة عدن غرسها ربي، فليوال عليا من بعدي، وليوال وليه، وليقتد بالأئمة من بعدي، فإنهم عترتي، خلقوا من طينتي، رزقوا فهما وعلما، وويل للمكذبين بفضلهم من أمتي، القاطعين فيهم صلتي، لا أنالهم الله شفاعتي `.
موضوع.
أخرجه أبو نعيم (1 / 86) من طريق محمد بن جعفر بن عبد الرحيم: حدثنا أحمد بن محمد بن زيد بن سليم: حدثنا عبد الرحمن بن عمران بن أبي ليلى - أخومحمد بن عمران - : حدثنا يعقوب بن موسى الهاشمي عن ابن أبي رواد عن إسماعيل بن أمية عن عكرمة عن ابن عباس مرفوعا. وقال: ` وهو غريب `.
قلت: وهذا إسناد مظلم كل من دون أبي رواد مجهولون، لم أجد من ذكرهم، غير أنه يترجح عندي أن أحمد بن محمد بن يزيد بن سليم إنما هو ابن مسلم الأنصاري الأطرابلسي المعروف بابن الحناجر، قال ابن أبي حاتم (1 / 1 / 73) : ` كتبنا عنه وهو صدوق `. وله ترجمة في ` تاريخ ابن عساكر ` (2 / ق 113 - 114 / 1) .
وأما سائرهم فلم أعرفهم فأحدهم هو الذي اختلق هذا الحديث الظاهر البطلان والتركيب، وفضل علي رضي الله عنه أشهر من أن يستدل عليه بمثل هذه الموضوعات، التي يتشبث الشيعة بها، ويسودون كتبهم بالعشرات من أمثالها، مجادلين بها في إثبات حقيقة لم يبق اليوم أحد يجحدها، وهي فضيلة علي رضي الله عنه.
ثم الحديث عزاه في ` الجامع الكبير ` (2 / 253 / 1) للرافعي أيضا عن ابن عباس، ثم رأيت ابن عساكر أخرجه في ` تاريخ دمشق ` (12 / 120 / 2) من طريق أبي نعيم ثم قال عقبه: ` هذا حديث منكر، وفيه غير واحد من المجهولين `.
قلت: وكيف لا يكون منكرا وفيه مثل ذاك الدعاء! ` لا أنالهم الله شفاعتي ` الذي لا يعهد مثله عن النبي صلى الله عليه وسلم، ولا يتناسب مع خلقه صلى الله عليه وسلم ورأفته ورحمته بأمته. وهذا الحديث من الأحاديث التي أوردها صاحب ` المرجعات ` عبد الحسين الموسوي نقلا عن كنز العمال (6 / 155 و217 - 218) موهما أنه في مسند الإمام أحمد، معرضا عن تضعيف صاحب الكنز إياه تبعا للسيوطي! .
وكم في هذا الكتاب ` المراجعات ` من أحاديث موضوعات، يحاول الشيعي أن يوهم القراء صحتها وهو في ذلك لا يكاد يراعي قواعد علم الحديث حتى التي هي على مذهبهم! إذ ليست الغاية عنده التثبت مما جاء عنه صلى الله عليه وسلم في فضل علي رضي الله عنه، بل حشر كل ما روي فيه! وعلي رضي الله عنه كغيره من الخلفاء الراشدين والصحابة الكاملين أسمى مقاما من أن يمدحوا بما لم يصح عن رسول الله صلى الله تعالى عليه وآله وسلم.
ولو أن أهل السنة والشيعة اتفقوا على وضع قواعد في ` مصطلح الحديث ` يكون التحاكم إليها عند الاختلاف في مفردات الروايات، ثم اعتمدوا جميعا على ما صح منها، لو أنهم فعلوا ذلك لكان هناك أمل في التقارب والتفاهم في أمهات المسائل المختلف فيها بينهم، أما والخلاف لا يزال قائما في القواعد والأصول على أشده فهيهات هيهات أن يمكن التقارب والتفاهم معهم، بل كل محاولة في سبيل ذلك فاشلة. والله المستعان.
৮৯৪। যে ব্যক্তিকে আমার জীবনের ন্যায় জীবন ধারণ, আমার মৃত্যুর ন্যায় মৃত্যু ও আমার প্রভু কর্তৃক রোপণকৃত আদন নামক বাগিচায় বসবাস করা আনন্দিত করবে সে যেন আমার পরে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বন্ধু ও তার বন্ধুকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করে আর আমার পরে ইমামদের অনুসরণ করে। কারণ তারা আমার আত্মীয়। আমার মাটি হতেই তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদেরকে বুঝ শক্তি ও জ্ঞান দান করা হয়েছে। তাদের আমার উম্মাতের মিথ্যুকদের জন্য এবং তাদের মধ্য হতে আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারীদের জন্য ওয়ায়েল নামক জাহান্নাম। তাদেরকে আল্লাহ তা'আলা আমার শাফা’আত প্রাপ্তির সুযোগ দিবেন না।
হাদীছটি জাল।
এটি আবু নোয়াইম (১/৮৬) মুহাম্মাদ ইবনু জাফার সূত্রে আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াযীদ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু ইমরান হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনু ইমরান হতে তিনি ইয়াকুব ইবনু মূসা হাশেমী হতে তিনি ইবনু আবী রাওয়াদ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটি গারীব।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ইবনু আবী রাওয়াদের নিচের সকল বর্ণনাকারী মাজহুল। পাচ্ছি না কে তাদেরকে উল্লেখ করেছেন।
হাদীছটি রাফেঈর “আল-জামেউল কাবীর” (২/২৫৩/১) গ্রন্থে ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও উল্লেখ করা হয়েছে। আমি দেখেছি ইবনু আসাকির তার `তারীখু দেমাস্ক` (১২/১২০/২) গ্রন্থে আবু নোয়ামের সূত্র হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এ হাদীছটি মুনকার। তাতে একাধিক মাজহুল বর্ণনাকারী রয়েছেন। মাজহুল ব্যক্তিদের কোন একজন হাদীছটি জাল করেছেন। শিয়া সম্প্রদায় আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে বহু হাদীছ জাল করেছে। এমন কি তাদের গ্রন্থগুলো জাল হাদীছ দ্বারা ভরে ফেলেছে। তাদের পক্ষ হতে এ হাদীছটিকে সহীহ হিসাবে দাঁড় করানোর জন্য চেষ্টা করাও হয়েছে।
` لا تسبوا عليا، فإنه ممسوس في ذات الله تعالى `.
ضعيف جدا.
رواه أبو نعيم في ` الحلية ` (1 / 68) : حدثنا سليمان بن أحمد: حدثنا هارون بن سليمان المصري: حدثنا سعد بن بشر الكوفي حدثنا عبد الرحيم بن سليمان عن يزيد بن أبي زياد عن إسحاق بن كعب بن عجرة عن أبيه مرفوعا.
قلت: وهذا سند واه جدا، مسلسل بعلل عدة:
الأولى: إسحاق بن كعب فإنه ` مجهول الحال ` كما قال ابن القطان والحافظ.
الثانية: يزيد بن أبي زياد وهو الدمشقي، قال الحافظ: ` متروك `.
الثالثة: سعد بن بشر الكوفي لم أعرفه، وأخشى أن يكون وقع في اسمه تحريف، فقد أورد الحديث الهيثمي في ` مجمع الزوائد ` (9 / 130) وقال: ` رواه الطبراني في ` الكبير ` و` الأوسط ` وفيه سفيان بن بشر أو بشير، متأخر، ليس
هو الذي روى عن أبي عبد الرحمن الحبلي، ولم أعرفه، وبقية رجاله وثقوا، وفي بعضهم ضعف `.
الرابعة: هارون بن سليمان المصري لم أجد من ذكره. ومما سبق تعلم تقصير الهيثمي في الكلام عليه، والإفصاح عن علله التي تقضي على الحديث بالضعف الشديد، إن سلم من الوضع الذي يشهد به القلب، والله أعلم.
৮৯৫। তোমরা আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে গালি দিবে না। কারণ সে আল্লাহর সত্তার মধ্যে স্পর্শিত হয়েছে।
হাদীছটি নিতান্তই দুর্বল।
এটি আবু নোয়াইম `আল-হিলইয়াহ` (১/৬৮) গ্রন্থে সুলায়মান ইবনু আহমাদ হতে তিনি হারূণ ইবনু সুলায়মান আল-মিসরী হতে তিনি সা’আদ ইবনু বিশর আল-কূফী হতে তিনি আব্দুর রহীম ইবনু সুলায়মান হতে তিনি ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। তাতে ধারাবাহিকভাবে সমস্যা রয়েছেঃ
১। ইসহাক ইবনু কা'আব মাজহুলুল হাল (তার অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় না) যেমনটি ইবনুল কাত্তান ও হাফিয ইবনু হাজার বলেছেন।
২। ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ দেমাস্কী সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি মাতরূক।
৩। সা’আদ ইবনু বিশর কুফীকে আমি চিনি না। আশঙ্কা করছি তার নামের ক্ষেত্রে উলট-পালট করা হয়েছে। হায়ছামী `আল-মাজমা` (৯/১৩০) গ্রন্থে বলেছেনঃ হাদীছটি তাবারানী “আল-কাবীর” ও “আল-আওসাত” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাতে এসেছেঃ সুফিয়ান ইবনু বিশর বা বাশীর ...।
৪। হারূণ ইবনু সুলায়মান মিসরীকে কে উল্লেখ করেছেন পাচ্ছি না।
উল্লেখিত সমস্যাগুলো হাদীছটি খুব দুর্বল হওয়ারই প্রমাণ বহন করছে। আর হাদীছটি বানোয়াট হতে নিরাপদ হলেও হৃদয় তারই সাক্ষ্য দিচ্ছে।
` جددوا إيمانكم، قيل: يا رسول الله وكيف نجدد إيماننا؟ قال: أكثروا من قول: لا إله إلا الله `.
ضعيف.
أخرجه الحاكم (4 / 256) وأحمد (2، 359) من طريق صدقة بن موسى السلمي الدقيقي: حدثنا محمد بن واسع عن شتير بن نهار عن أبي هريرة مرفوعا، وقال الحاكم: ` صحيح الإسناد `! ورده الذهبي بقوله: ` قلت: صدقة ضعفوه `.
قلت: وشتير نكرة كما في ` الميزان `، فقول المنذري في ` الترغيب ` (2 / 239) : ` رواه أحمد والطبراني، وإسناد أحمد حسن ` ليس بحسن، وكذا قول الهيثمي (10 / 82) : ` رواه أحمد والطبراني ورجال أحمد ثقات `. وفي موضع آخر (1 / 52) : ` رواه أحمد وإسناده جيد، وفيه سمير بن نهار وثقه ابن حبان `.
فقد تبين منه أن توثيقه في الموضع الأول لبعض رجاله إنما عمدته في ذلك توثيق ابن حبان، وقد بينا في ` ردنا على الشيخ الحبشي ` وفي غيره أن توثيق ابن حبان مما لا ينبغي الاعتماد عليه، لأن من قاعدته فيه توثيق المجهولين!
৮৯৬। তোমরা তোমাদের ঈমানকে পুনরায় সতেজ করে নাও। বলা হলোঃ কিভাবে আমাদের ঈমানকে পুনরায় সতেজ করে নিব হে রাসূলুল্লাহ? তিনি বললেনঃ তোমরা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বেশী বেশী পাঠ করো।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি হাকিম (৪/২৫৬) এবং আহমাদ (২/৩৫৯) সাদাকাহ ইবনু মূসা সুলামী সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসে’ হতে তিনি শুকায়ের ইবনু নাহার হতে তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ! হাযিফ যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ সাদাকাকে সকলে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ শুতায়ের মুনকার যেমনটি “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে। মুনযেরী ও হায়ছামী যে তাবারানী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন বলে সনদটিকে হাসান বলেছেন, তা সঠিক নয়। তারা ইবনু হিব্বান কর্তৃক শুকায়ের বা সুমায়েরকে নির্ভরযোগ্য বলার কারণেই হাসান বলেছেন। তার এ নির্ভরযোগ্য বলার উপর ভরসা করা যায় না। কারণ তিনি বহু মাজহুল বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
` أعظم الناس هما المؤمن الذي يهتم بأمر دنياه وآخرته `.
ضعيف.
رواه ابن ماجه (2 / 2143) وابن أبي الدنيا في ` الهم والحزن ` (74 / 2) عن إسماعيل بن بهرام: حدثنا الحسن بن محمد بن عثمان - زوج بنت الشعبي - : حدثنا سفيان عن الأعمش عن يزيد الرقاشي عن أنس بن مالك مرفوعا، وقال ابن ماجه: ` غريب، تفرد به إسماعيل `. قلت: وهو صدوق كما في ` التقريب ` لكن شيخه الحسن محمد بن عثمان لم يوثقه أحد، وقال الأزدي: ` منكر الحديث `.
ويزيد الرقاشي ضعيف كما في ` التقريب ` وقال المناوي في ` الفيض `: ` قال في ` الميزان ` عن النسائي وغيره: متروك، وعن شعبة: لأن أزني أحب إلي من أن أحدث عنه! انتهى. ورواه عن أنس أيضا البخاري في ` الضعفاء ` فكان ينبغي للمصنف
ذكره للتقوية، وبه يصير حسنا لغيره `!
قلت: بل لا يزال الحديث واهيا، لأن البخاري رواه في ` الضعفاء ` من هذا الوجه كما في ` الميزان `، فلا أدري
كيف غفل المناوي عن هذا؟ ولئن كان علم ذلك وحسنه، فالأمر أدهى وأمر، لأن إخراج البخاري للطريق الواهي لاسيما في ` الضعفاء ` لا يقويه كما هو بدهي.
৮৯৭। সর্বাপেক্ষা বড় চিন্তামগ্ন সেই মুমিন ব্যক্তি যে তার দুনিয়া ও আখেরাতের বিষয়কে গুরুত্ব দেয়।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি ইবনু মাজাহ (২/২১৪৩) ও ইবনু আবিদ দুনিয়া `আল-হাম্মু ওয়াল হুযূন` (২/৭৪) গ্রন্থে ইসমাঈল ইবনু বাহরাম হতে তিনি হাসান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে উছমান হতে তিনি সুফিয়ান হতে তিনি আমাশ হতে তিনি ইয়াযীদ আর-রুকাশী হতে ... বর্ণনা করেছেন।
ইবনু মাজাহ বলেনঃ হাদীছটি গারীব। ইসমাঈল এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি সত্যবাদী যেমনটি `আত-তাকরীব` গ্রন্থে এসেছে। কিন্তু তার শাইখ হাসান ইবনু মুহাম্মাদকে কোন ব্যক্তিই নির্ভরযোগ্য বলেননি। আযদী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। আর ইয়াযীদ আর-রুকাশী দুর্বল যেমনটি `আত-তাকরীব` গ্রন্থে এসেছে। “আল-মীযান” গ্রন্থে যাহাবী বলেন, নাসাঈ ও অন্য বিদ্বানগণ বলেছেনঃ তিনি (রুকাশী) মাতরূক। শু'বাহ বলেছেনঃ আমার নিকট তার থেকে হাদীছ বর্ণনা করার চেয়ে যেনা করাই বেশী উত্তম। হাদীছটি ইমাম বুখারী `আয-যোয়াফা` গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এ জন্য মুসান্নেফের (সুয়ুতীর) উচিত ছিল এটিকে (বুখারীর বর্ণনাটিকে) উল্লেখ করা হাদীছটিকে শক্তিশালী করার জন্য। যাতে করে তার দ্বারা হাদীছটি হাসান পর্যায়ভুক্ত হয়ে যায়।
আমি (আলবানী) বলছিঃ `আল-মীযান` গ্রন্থে যে সূত্রে হাদীছটি উল্লেখ করা হয়েছে সে সূত্রেই ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন। অতএব কিভাবে হাদীছটি হাসান হবে? বরং হাদীছটি দুর্বলই রয়ে যাচ্ছে। বুখারী কর্তৃক `আয-যোয়াফা` গ্রন্থে উল্লেখ করাটা হাদীছটিকে শক্তি যোগায় না।
` كل معروف صدقة، وما أنفق الرجل في نفسه وأهله كتب له صدقة، وما وقى به المرء عرضه كتب له به صدقة، وما أنفق المؤمن من نفقة فإن خلفها على الله، فالله ضامن إلا ما كان في بنيان، أو معصية، فقلت لمحمد بن المنكدر: وما وقى به الرجل عرضه؟ قال: ما يعطي الشاعر وذا اللسان المتقى `.
ضعيف.
أخرجه عبد بن حميد في ` المنتخب من المسند ` (117 / 2) وابن عدي (249 / 2) والدارقطني (ص 300) والحاكم (2 / 50) والبغوي في ` شرح السنة ` (1 / 188 / 1) والثعلبي في ` تفسيره ` (3 / 145 / 1) من طرق عن عبد الحميد بن الحسن الهلالي: حدثنا محمد بن المنكدر عن جابر مرفوعا. وقال الحاكم: ` صحيح الإسناد `. ورده الذهبي بقوله: ` قلت: عبد الحميد ضعفه الجمهور `.
قلت: أنه كان يخطىء حتى خرج عن حد الاحتجاج به إذا انفرد، كما قال ابن حبان (2 / 135 - 136) وقال الساجي: ` ضعيف يحدث بمناكير `.
قلت: فهذا جرح مفسر، فهو مقدم على توثيق ابن معين له، مع تفرده به. ونقل المناوي عن الذهبي أنه قال في ` الميزان `: ` غريب جدا `. قلت: لكن الجملتان الأوليان من الحديث صحيحتان، لأن لهما شواهد كثيرة في الصحيحين وغيرهما، وإنما أوردناه هنا للزيادة التي بعدهما، وقد ساق لها الحاكم شاهدا بلفظ آخر ولكنه موضوع وهو:
৮৯৮। প্রত্যেকটি ভাল কর্মই সাদকাহ। কোন ব্যক্তি তার নিজের জন্য ও তার পরিবারের জন্য যা কিছু খরচ করে তা তার জন্য সাদকাহ হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। যে বস্তুর দ্বারা ব্যক্তি তার খ্যাতিকে রক্ষা করে তা তার জন্য সাদকাহ স্বরূপ লিপিবদ্ধ করা হয়। মুমিন ব্যক্তি কোন কিছু খরচ করলে, তার প্রতিদান দেয়ার দায়িত্ব আল্লাহর উপর। অট্টালিকা নির্মাণ বা গুনাহের ব্যাপারে খরচ করা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রের জন্য আল্লাহই যিম্মাদারিত্ব গ্রহণ করেন। আমি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদিরকে বললামঃ কোন বস্তুর দ্বারা ব্যক্তি তার খ্যাতিকে রক্ষা করবে? তিনি বললেনঃ এমন ধরনের কবি ও বাকপটুকে দান করার দ্বারা যাদের থেকে বৈচে থাকা হয়।
হাদীছটি দুর্বল।
এটি আব্দুল হামীদ `আল-মুন্তাখাব মিনাল মুসনাদ` (২/১১৭) গ্রন্থে, ইবনু আদী (২/২৪৯), দারাকুতনী (পৃঃ ৩০০), হাকিম (২/৫০), বাগাবী `শাহুস সুন্নাহ` (১/১৮৮/১) গ্রন্থে এবং ছায়ালাবী তার “তাফসীর” (৩/১৪৫/১) গ্রন্থে বিভিন্ন সূত্রে আব্দুল হামীদ ইবনু হাসান হিলালী হতে তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির হতে তিনি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাকিম বলেনঃ সনদটি সহীহ। যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ আব্দুল হামীদকে জামহুরে ওলামা দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ কারণ তিনি ভুল করতেন এমনকি তিনি যখন এককভাবে বর্ণনা করেছেন তখন তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করার সীমা হতে তিনি বেরিয়ে গেছেন, যেমনটি ইবনু হিব্বান (২/১৩৫-১৩৬) বলেছেন। সাজী তার সম্পকে বলেনঃ তিনি দুর্বল, মুনকার হাদীছ বর্ণনাকারী।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ দোষারোপ ব্যাখ্যা সম্বলিত। এ কারণেই ইবনু মা'ঈন কর্তৃক তাকে নির্ভরযোগ্য বলার উপর এ মত অগ্রাধিকার পাবে। এ ছাড়া তিনি তো এককভাবে বর্ণনা করেছেন। হাদীছটি খুবই গারীব।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তবে প্রথম বাক্য দুটি সহীহ। কারণ বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য হাদীছ গ্রন্থের মধ্যে তার বহু শাহেদ রয়েছে। বর্ধিত অংশগুলোর কারণে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
` من استطاع منكم أن يقي دينه وعرضه بماله فليفعل `.
موضوع.
أخرجه الحاكم (2 / 50) عن حامد بن آدم: حدثنا أبو عصمة نوح، عن عبد الرحمن بن بديل عن أنس بن مالك مرفوعا.
ذكره الحاكم شاهدا.. للحديث الذي قبله وقال: ` ليس من شرط هذا الكتاب `. وتعقبه الذهبي بقوله: ` قلت: أبو عصمة هالك `.
قلت: وهو نوح بن أبي مريم الجامع، كذاب وضاع مشهور، وقد قيل فيه: ` جمع كل شيء إلا الصدق `! والراوي عنه حامد بن آدم كذبه ابن عدي وغيره، وقال ابن معين: ` كذاب لعنه الله `. وعده السليماني فيمن اشتهر بوضع الحديث.
قلت: ومع هذا كله فقد سود السيوطي ` جامعه ` بهذا الحديث!
৮৯৯। তোমাদের মধ্য হতে যে ব্যক্তি তার ধর্ম ও তার যে খ্যাতি রয়েছে তা রক্ষা করতে সক্ষম হবে সে যেন তাই করে।
হাদীছটি জাল।
এটি হাকিম (২/৫০) হামেদ ইবনু আদম হতে তিনি আবু ইসমাহ নূহ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু বুদায়েল হতে তিনি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাকিম হাদীছটিকে পূর্বের হাদীছটির শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ আবু ইসমাহ হালেক।
আমি (আলবানী) বলছিঃ নুহ ইবনু আবী মারিয়াম আ-জামে মিথ্যুক, প্রসিদ্ধ জালকারী। তার সম্পর্কে বলা হয়ঃ তিনি সত্য ব্যতীত সব কিছুই একত্রিত করেছেন। তার থেকে বর্ণনাকারী হামেদ ইবনু আদমকে ইবনু আদী ও অন্য বিদ্বানগণ মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, তার উপর আল্লাহর অভিশাপ। সুলায়মানী তাকে প্রসিদ্ধ হাদীছ জালকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এতো কিছু সত্ত্বেও সুয়ূতী “আল-জামে” গ্রন্থে হাদীছটি উল্লেখ করে গ্রন্থটিকে কালিমালিপ্ত করেছেন!
` إني لأعلم أنك لا تضر ولا تنفع، ولكن هكذا فعل أبي إبراهيم `.
منكر.
أخرجه ابن قانع في ` حديث مجاعة بن الزبير أبي عبيدة ` (ق 72 / 2) : حدثنا أبو عبيدة عن القاسم بن عبد الرحمن عن منصور بن السود عن جابر بن عبد الله الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما قدم مكة هرول، ومشى أربعا، واستلم، ثم بكى وقال: فذكره.
قلت: وهذا سند ضعيف أبو عبيدة هذا ضعيف، والحديث منكر رفعه، والصحيح أنه من قول عمر بن الخطاب كما هو مشهور في ` الصحيحين ` وغيرهما دون قوله ` ولكن … ` وقال بدلها: ` ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبلك ما قبلتك `. وقد ذكره السيوطي في ` الجامع الكبير ` (3 / 118 / 1) عن عمر مرفوعا، وعن أبي بكر موقوفا، وقال: ` رواه ابن أبي شيبة والدارقطني في ` العلل ` `، وسكت على إسناده كما هي عادته، وما أراه يصح، والله أعلم.
৯০০। অবশ্যই আমি জানি তুমি কোন ক্ষতি ও উপকার করতে পারো না। কিন্তু আমার পিতা ইব্রাহীম এরূপই করেছেন।
হাদীছটি মুনকার।
এটি ইবনু কানে `হাদীছু মুজায়াহ ইবনুয যুবায়ের আবু ওবায়দাহ` (কাফ ২/৭২) গ্রন্থে আবু ওবায়দাহ হতে তিনি কাসেম ইবনু আবদির রহমান হতে তিনি মানসূর ইবনুল আসওয়াদ হতে তিনি জাবের ইবনু আবদিল্লাহ আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু ওবায়দাহ দুর্বল হওয়ার কারণে এ সনদটি দুর্বল। মারফু হিসাবে হাদীছটি মুনকার। সঠিক হচ্ছে এই যে, এটি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ভাষ্য যেমনটি বুখারী ও মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীছ গ্রন্থে (কিন্তু আমার পিতা... এ অংশটুকু ছাড়া) বর্ণিত হয়েছে। তার পরিবর্তে বলা হয়েছেঃ ‘আমি যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তোমাকে চুমু দিতে না দেখতাম তাহলে আমি তোমাকে চুমু দিতাম না।’ আলোচ্য হাদীছটি সুয়ূতী “আল-জামেউস সাগীর” (৩/১১৮/১) গ্রন্থে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে আর আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
মওকুফ হিসাবে সহীহ। মারফু' হিসাবে সহীহ নয় বরং মুনকার।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আলোচ্য হাদীছটিতে হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে-বলা হচ্ছে।
` خصلتان معلقتان في أعناق المؤذنين للمسلمين: صلاتهم وصيامهم `.
موضوع.
رواه ابن ماجه رقم (712) عن بقية عن مروان بن سالم عن عبد العزيز بن أبي رواد عن نافع عن ابن عمر مرفوعا.
قلت: قال البوصيري في ` الزوائد ` (ق 47 / 2) : ` هذا إسناد ضعيف، لتدليس بقية بن الوليد `.
قلت: شيخه مروان شر منه، قال فيه البخاري وغيره: ` منكر الحديث `. وقال أبو عروبة الحراني: ` يضع الحديث `، وقال ابن حبان (2 / 317) : ` كان ممن يروي عن المشاهير المناكير، ويأتي عن الثقات بما ليس من حديث الأثبات `.
৯০১। মুসলিমদের জন্য মুয়াযযিনদের কাঁধে দুটি অভ্যাস ঝুলন্ত থাকে। তাদের সালাত ও সিয়াম।
হাদীছটি জাল।
এটি ইবনু মাজাহ (নং ৭১২) বাকিয়াহ হতে তিনি মারওয়ান ইবনু সালেম হতে তিনি আব্দুল আযীয ইবনু আবী রাওয়াদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ বুসয়রী `আয-যাওয়ায়েদ` (কাফ ২/৪৭) গ্রন্থে বলেনঃ বাকিয়াহ ইবনুল ওয়ালীদ কর্তৃক তাদলীস সংঘটিত হওয়ায় এ সনদটি দুর্বল।
আমি বলছিঃ তার শাইখ মারওয়ান তার চেয়েও বেশী নিকৃষ্ট। তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও অন্য বিদ্বানগণ বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। আবু আরূবাহ আল-হাররানী বলেনঃ তিনি হাদীছ জালকারী। ইবনু হিব্বান (২/৩১৭) বলেনঃ তিনি প্রসিদ্ধদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীছ বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে যা তাদের হাদীছ নয় তাই নিয়ে আসতেন।
923) - ، فما قيمتها من حيث الصحة وهذه حالها؟!
ثم سرد بعدها أحاديث جابر بن زيد المرسلة - من رقم (
৯০২। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কর্ম যদি আল্লাহর প্রশংসা ও আমার উপর সালাত না আদায় করে শুরু করা হয়, তাহলে তা লেজ কাটা (বরকতহীন) হয়ে যায়, সকল প্রকার বরকত হতে সে কর্ম বঞ্চিত হয়।
হাদীছটি জাল।
হাদীছটি সুবকী “তাবাকাতুশ শাফেইয়াতিল কুবরা” (১/৮) গ্রন্থে ইসমাঈল হতে তিনি আবু সালামা হতে তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেনঃ হাদীছটি সাব্যস্ত হয়নি।
আমি (আলবানী) বলছিঃ বরং হাদীছটি বানোয়াট। তার সমস্যা হচ্ছে এই ইসমাঈল। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীছ।
আমি বলছিঃ হাদীছটি অন্য সূত্রে যুহরী হতে الصلاة علي 'আস-সালাতু আলাইয়্যা' এবং أبتر 'আবতার ...' অংশ দুটি ছাড়া বর্ণনা করা হয়েছে। উক্ত অংশ দুটি ছাড়া হাদীছটি দুর্বল যেমনটি আমি `ইরওয়াউল গালীল` গ্রন্থে ব্যাখ্যা দিয়েছি।