صحيح الشمائل المحمدية
Sahih Ash-Shama’il Al-Muhammadiyah
সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَاصِمِ ابْنِ بَهْدَلَةَ ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : ` مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِينَارًا وَلا دِرْهَمًا وَلا شَاةً وَلا بَعِيرًا ` ، قَالَ : ` وَأَشُكُّ فِي الْعَبْدِ وَالأَمَةِ ` .
অনুবাদঃ
স্বপ্ন এমন কিছু কল্পনা, যা আল্লাহ তা’আলা ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের অন্তরে সৃষ্টি করে দেন। অথবা ফেরেশতার মাধ্যমে কল্পনার উদ্রেক করান। আবার কখনো শয়তানের মাধ্যমে কল্পনার উদ্রেক হয় তাকে স্বপ্ন বলে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, স্বপ্ন তিন প্রকার- ১. ভালো স্বপ্ন তা আল্লাহর পক্ষ থেকে শুভ সংবাদ। ২. ভীতিকর স্বপ্ন যা শয়তানের প্রভাবে মানুষ দেখে। ৩. ঐ সমস্ত ধারণা, যা মানুষ জাগ্রত অবস্থায় করে থাকে ঘুমের ঘোরে তার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে স্বপ্নে দেখল যে বাস্তবেই নবীকে দেখল:
৩১৩. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে যেন আমাকেই দেখল। কারণ, শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।[1]
[1] সহীহ বুখারী, হা/৬৯৯৪; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৫৬; ইবনে মাজাহ, হা/৩৯০১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪১৯৩; দারেমী, হা/২১৮৫; জামেউস সগীর, হা/১১২০২।