صحيح الشمائل المحمدية
Sahih Ash-Shama’il Al-Muhammadiyah
সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي ، يَقُولُ : قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ : ` إِذَا ابْتُلِيتَ بِالْقَضَاءِ فَعَلَيْكَ بِالأَثَرِ ` .
অনুবাদঃ
৩২০. ইবনে সীরীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাদীস শিক্ষা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত। অতএব তা শিক্ষার আগে একটি বিচার্য বিষয় হলো, তুমি দেখে নাও যে, কার কাছ থেকে এ দীন শিক্ষা করছ।[1]
উপসংহার
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি উদাহরণ
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিদ্রিত ছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর নিকট কয়েকজন ফেরেশতা আগমন করলেন। তারা পরস্পরে বলাবলি করতে লাগলেন। কেউ বলল, তিনি নিদ্রিত, আর কেউ বলল, তাঁর চক্ষু নিদ্রিত, কিন্তু হৃদয় জাগ্রত। অতঃপর কয়েকজন বলল, তোমাদের এ সাথীর (নবী সা. এর) একটি উদাহরণ আছে। কেউ বলল, তাহলে সে উদাহরণটি বর্ণনা করুন। তাদের কেউ বলল, তিনি তো নিদ্রিত, আবার কেউ বলল, তার চক্ষু নিদ্রিত কিন্তু অন্তর জাগ্রত। অতঃপর তারা বলল, তার উদাহরণ হচ্ছে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি গৃহ নিৰ্মাণ করল। অতঃপর সেখানে যিয়াফাতের আয়োজন করল। আর একজন আহবানকারী প্রেরণ করল, অতঃপর যে সে আহবানকারীর দাওয়াত গ্রহণ করে উপস্থিত হলো, সে গৃহে প্রবেশ করে যিয়াফাতের খানা খেয়ে নিল। আর যে দাওয়াত গ্রহণ করল না সে গৃহেও প্রবেশ করতে পারল না, খেতেও পারল না। তারা বলল, এ উদাহরণের ব্যাখ্যা খুলে বলুন, যেন তিনি বুঝতে পারেন। কেউ বলল, তিনি তো নিদ্রায় মগ্ন আছেন (কীভাবে বুঝবেন)। আবার কেউ বলল, তার শুধুমাত্র চক্ষুই নিদ্রিত, অন্তর জাগ্রত আছে। তারপর তারা ব্যাখ্যা করে বলল, গৃহ মানে জান্নাত, আর আহবানকারী হলেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাই যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করল সে যেন আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অমান্য করল, বস্তুত সে আল্লাহকেই অমান্য করল। (সহীহ বুখারী, হা/৭২৮১)
[1] সহীহ মুসলিম, হা/২৬; দারেমী, হা/৪২৪।