صحيح الشمائل المحمدية
Sahih Ash-Shama’il Al-Muhammadiyah
সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ ، عَنِ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي أَبُو رِمْثَةَ ، قَالَ : أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ ابْنٍ لِي ، فَقَالَ : ` ابْنُكَ هَذَا ؟ ` فَقُلْتُ : نَعَمْ , أَشْهَدُ بِهِ ، قَالَ : ` لا يَجْنِي عَلَيْكَ ، وَلا تَجْنِي عَلَيْهِ ` ، قَالَ : وَرَأَيْتُ الشَّيْبَ أَحْمَرَ
অনুবাদঃ
খিযাব (خضاب) পরিচিতি : এটা আরবী শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ, রন্ধন বা রং করার পদার্থ, যার দ্বারা রং করা হয়। আর শব্দটির ক্রিয়ামূল হিসেবে অর্থ করলে অর্থ হবে রং করা। পরিভাষায় মেহেদী কিংবা কোন প্রকার উদ্ভিদ, যা দ্বারা দাড়ি-চুল রঙ্গীন করাকে বুঝায়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খিযাব ব্যবহার করতেন:
৩৮. আবু রিমসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার আমার ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি তখন জিজ্ঞেস করলেন, এ ছেলেটি কি তোমার? আমি বললাম, জি-হ্যাঁ। আপনি যদি এর সাক্ষী থাকতেন! তিনি বললেন, সে অপরাধ করলে তা তোমার উপর বর্তাবে না এবং তুমি অপরাধ করলে তাঁর উপর বর্তাবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি তাঁর কেশ লাল দেখলাম।[1]
[1] মুসনাদে আহমাদ, হা/৭১১৩; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৬৫৭।