আল-আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، قَالَ : أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ أَخْبَرَهُمْ قَالَ : سَمِعْتُ عَطَاءً، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : إِذَا دَخَلَ وَلَمْ يَقُلِ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، فَقُلْ : لاَ، حَتَّى يَأْتِيَ بِالْمِفْتَاحِ : السَّلامِ .
১০৭৭। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কেউ সালাম না দিয়ে প্রবেশ করলে তুমি বলো, সে চাবি নিয়ে না আসা পর্যন্ত অর্থাৎ সালাম না দেয়া পর্যন্ত। (খোলা যাবে না)
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لَوْ اطَّلَعَ رَجُلٌ فِي بَيْتِكَ، فَخَذَفْتَهُ بِحَصَاةٍ فَفَقَأْتَ عَيْنَهُ، مَا كَانَ عَلَيْكَ جُنَاحٌ .
১০৭৮। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি কোন লোক তোমার ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে দেখে এবং তুমি তার প্রতি কংকর নিক্ষেপ করো, তা তার চোখে বিদ্ধ হলে তাতে তোমার কোন দোষ হবে না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ)
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَائِمًا يُصَلِّي، فَاطَّلَعَ رَجُلٌ فِي بَيْتِهِ، فَأَخَذَ سَهْمًا مِنْ كِنَانَتِهِ، فَسَدَّدَ نَحْوَ عَيْنَيْهِ .
১০৭৯। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে নামায পড়ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে তাকায়। তিনি তাঁর তুণীর থেকে তীর তুলে নিয়ে তার দুই চোখ বরাবর তাক করেন। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَجُلاً اطَّلَعَ مِنْ جُحْرٍ فِي بَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَمَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِدْرًى يَحُكُّ بِهِ رَأْسَهُ، فَلَمَّا رَآهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْتَظِرُنِي لَطَعَنْتُ بِهِ فِي عَيْنِكَ .
১০৮০। সাহল ইবনে সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি দিলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন লোহার একটি চিরুনী দিয়ে তাঁর মাথা আচড়াচ্ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে বলেনঃ আমি যদি জানতে পারতাম যে, তুমি (উঁকি মেরে) আমাকে দেখছো, তাহলে আমি এই চিরুনী দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِنَّمَا جُعِلَ الإِذْنُ مِنْ أَجْلِ الْبَصَرِ .
১০৮১। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ চোখের কারণেই অনুমতি প্রার্থনার বিধান দেয়া হয়েছে। (আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْفَزَارِيُّ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : اطَّلَعَ رَجُلٌ مِنْ خَلَلٍ فِي حُجْرَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَسَدَّدَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِمِشْقَصٍ، فَأَخْرَجَ الرَّجُلُ رَأْسَهُ .
১০৮২। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘরের দরজা দিয়ে ভেতরে উঁকি মারে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তীরের ফলা দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। লোকটি তার মাথা টেনে বের করে নেয়।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ مَرْوَانَ بْنِ عُثْمَانَ، أَنَّ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ : اسْتَأْذَنْتُ عَلَى عُمَرَ، فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي ثَلاَثًا، فَأَدْبَرْتُ، فَأَرْسَلَ إِلَيَّ فَقَالَ : يَا عَبْدَ اللهِ، اشْتَدَّ عَلَيْكَ أَنْ تُحْتَبَسَ عَلَى بَابِي ؟ اعْلَمْ أَنَّ النَّاسَ كَذَلِكَ يَشْتَدُّ عَلَيْهِمْ أَنْ يُحْتَبَسُوا عَلَى بَابِكَ، فَقُلْتُ : بَلِ اسْتَأْذَنْتُ عَلَيْكَ ثَلاَثًا، فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي، فَرَجَعْتُ، فَقَالَ : مِمَّنْ سَمِعْتَ هَذَا ؟ فَقُلْتُ : سَمِعْتُهُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : أَسَمِعْتَ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ نَسْمَعْ ؟ لَئِنْ لَمْ تَأْتِنِي عَلَى هَذَا بِبَيِّنَةٍ لَأَجْعَلَنَّكَ نَكَالاً، فَخَرَجْتُ حَتَّى أَتَيْتُ نَفَرًا مِنَ الأَنْصَارِ جُلُوسًا فِي الْمَسْجِدِ فَسَأَلْتُهُمْ، فَقَالُوا : أَوَيَشُكُّ فِي هَذَا أَحَدٌ ؟ فَأَخْبَرْتُهُمْ مَا قَالَ عُمَرُ، فَقَالُوا : لاَ يَقُومُ مَعَكَ إِلاَّ أَصْغَرُنَا، فَقَامَ مَعِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، أَوْ أَبُو مَسْعُودٍ، إِلَى عُمَرَ، فَقَالَ : خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُرِيدُ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ، حَتَّى أَتَاهُ فَسَلَّمَ، فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، ثُمَّ سَلَّمَ الثَّانِيَةَ، ثُمَّ الثَّالِثَةَ، فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، فَقَالَ : قَضَيْنَا مَا عَلَيْنَا، ثُمَّ رَجَعَ، فَأَدْرَكَهُ سَعْدٌ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ، وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا سَلَّمْتَ مِنْ مَرَّةٍ إِلاَّ وَأَنَا أَسْمَعُ، وَأَرُدُّ عَلَيْكَ، وَلَكِنْ أَحْبَبْتُ أَنْ تُكْثِرَ مِنَ السَّلاَمِ عَلَيَّ وَعَلَى أَهْلِ بَيْتِي، فَقَالَ أَبُو مُوسَى : وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لَأَمِينًا عَلَى حَدِيثِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : أَجَلْ، وَلَكِنْ أَحْبَبْتُ أَنْ أَسْتَثْبِتَ .
১০৮৩। আবু মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র নিকট তিনবার প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এলাম। তিনি আমার নিকট লোক পাঠিয়ে বলেন, হে আবদুল্লাহ! তোমার কতো কষ্ট হলো যে, তুমি আমার ঘরের দরজায় অবরুদ্ধ হলে। বুঝে নাও! তোমার ঘরের দরজায়ও লোকজন এভাবে অবরুদ্ধ হয়ে কষ্ট ভোগ করে। আমি বললাম, আমি আপনার নিকট তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করেছি, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই আমি ফিরে এসেছি। আর আমাদেরকে অনুরূপ নির্দেশই দেয়া হয়েছে।
উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আপনি তা কার নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, সত্যিই কি আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছেন, যা আমি শুনিনি? আপনি যদি একথার প্রমাণ নিয়ে আসতে ব্যর্থ হন তবে আমি আপনাকে উচিৎ শাস্তি দিবো। অতএব আমি রওয়ানা হয়ে মসজিদে (নববীতে) উপবিষ্ট একদল আনসারীর নিকট গিয়ে পৌঁছলাম এবং তাদের নিকট প্রমাণ প্রার্থনা করলাম। তারা বলেন, এই বিষয়ে কি কেউ সন্দেহ করতে পারে? অতএব উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যা বলেছেন আমি তাদেরকে তা অবহিত করলাম।
তারা বলেন, আমাদের মধ্যকার কনিষ্ঠতর ব্যক্তিই তোমার সাথে দাঁড়াবে। অতএব আবু সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অথবা আবু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার সাথে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র নিকট যেতে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে রওয়ানা হলাম। তিনি সাদ ইবনে উবাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখতে যাওয়ার মনস্থ করলেন। তিনি তার বাড়িতে পৌছে সালাম দিলেন, কিন্তু তাঁকে অনুমতি দেয়া হলো না। এভাবে তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার সালাম দিলেন, কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তিনি বলেনঃ আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করেছি।
অতঃপর তিনি ফিরে চললেন। ইতিমধ্যে সা'দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (বের হয়ে এসে) তার সাথে সাক্ষাত করে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেই মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন! আপনি যতবারই সালাম দিয়েছেন তা আমি শুনতে পেয়েছি এবং আপনার সালামের উত্তর দিয়েছি। কিন্তু আমার প্রতি ও আমার পরিবার-পরিজনের প্রতি আপনার অধিক সালাম আশা করছিলাম (তাই সাড়া দেইনি)। আবু মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবার উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলেন, আল্লাহর শপথ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসের ব্যাপারে অবশ্যই আমি বিশ্বস্ত আমানতদার। তিনি বলেন, অবশ্যই, কিন্তু আমি এর অনুকূলে আরো প্রমাণ আশা করছিলাম। (বুখারী, মুসলিম)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ : إِذَا دُعِيَ الرَّجُلُ فَقَدْ أُذِنَ لَهُ .
১০৮৪। আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তিকে ডাকা হলে তাকে অনুমতি দেওয়া হলো। (ইবনে আবু শায়বাহ)
حَدَّثَنَا عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ : حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَجَاءَ مَعَ الرَّسُولِ، فَهُوَ إِذْنُهُ .
১০৮৫। আবু হুরায়রা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কাউকে ডাকা হলে এবং সে বার্তাবাহকের সাথে আগমন করলে সেটাই তার জন্য অনুমতি। (বুখারী, আবু দাউদ, বাযযার, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبٍ، وَهِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : رَسُولُ الرَّجُلِ إِلَى الرَّجُلِ إِذْنُهُ .
১০৮৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তির নিকট অপর ব্যক্তির বার্তাবাহক পাঠানোই তার অনুমতি গণ্য হবে। (আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ أَبِي الْعَلاَنِيَةِ قَالَ : أَتَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ فَسَلَّمْتُ فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي، ثُمَّ سَلَّمْتُ فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي، ثُمَّ سَلَّمْتُ الثَّالِثَةَ فَرَفَعْتُ صَوْتِي وَقُلْتُ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الدَّارِ، فَلَمْ يُؤْذَنْ لِي، فَتَنَحَّيْتُ نَاحِيَةً فَقَعَدْتُ، فَخَرَجَ إِلَيَّ غُلاَمٌ فَقَالَ : ادْخُلْ، فَدَخَلْتُ، فَقَالَ لِي أَبُو سَعِيدٍ : أَمَا إِنَّكَ لَوْ زِدْتَ لَمْ يُؤْذَنْ لَكَ، فَسَأَلْتُهُ عَنِ الأَوْعِيَةِ، فَلَمْ أَسْأَلْهُ عَنْ شَيْءٍ إِلاَّ قَالَ : حَرَامٌ، حَتَّى سَأَلْتُهُ عَنِ الْجَفِّ، فَقَالَ : حَرَامٌ . فَقَالَ مُحَمَّدٌ : يُتَّخَذُ عَلَى رَأْسِهِ إِدَمٌ، فَيُوكَأُ .
১০৮৭। আবুল আলানিয়া (রহঃ) বলেন, আমি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র বাড়িতে এসে সালাম দিলাম। কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। আমি পুনরায় সালাম দিলাম, কিন্তু অনুমতি প্রাপ্ত হলাম না। আমি তৃতীয়বার উচ্চস্বরে বললাম, আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাদ দার। এবারও আমি অনুমতি প্রাপ্ত হলাম না। অতএব আমি একপাশে সরে গিয়ে বসে থাকলাম। আমার নিকট একটি গোলাম বের হয়ে এসে বললো, প্রবেশ করুন। আমি প্রবেশ করলে আবু সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বলেন, তুমি আরো অধিকবার অনুমতি প্রার্থনা করলে তোমাকে অনুমতি দেয়া হতো না। আমি তার নিকট বিভিন্ন পাত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। আর আমি যে জিনিস সম্পর্কেই তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বলেন, হারাম। শেষে আমি তাকে চামড়ার পাত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হারাম। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘জাফ’ অর্থ মাথায় চামড়া জড়িয়ে দেহে জ্বর উঠানো। (নাসাঈর ওলীমা)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ قَالَ : حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْيَحْصِبِيُّ قَالَ : حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ بُسْرٍ، صَاحِبُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَتَى بَابًا يُرِيدُ أَنْ يَسْتَأْذِنَ لَمْ يَسْتَقْبِلْهُ، جَاءَ يَمِينًا وَشِمَالاً، فَإِنْ أُذِنَ لَهُ وَإِلا انْصَرَفَ .
১০৮৮। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে বুসর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কেউ প্রবেশানুমতি প্রার্থনার অভিপ্রায়ে আগমন করলে সে যেন দরজার মুখামুখি না দাঁড়ায়, বরং একটু ডানে বা বাঁয়ে সরে দাঁড়াবে। তাকে অনুমতি দেয়া হলে তো ভালো, অন্যথায় সে ফিরে যাবে। (আবু দাউদ, আহমাদ)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي ابْنُ شُرَيْحٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ وَاهِبَ بْنَ عَبْدِ اللهِ الْمَعَافِرِيَّ يَقُولُ : حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : قَدِمْتُ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَاسْتَأْذَنْتُ عَلَيْهِ، فَقَالُوا لِي : مَكَانَكَ حَتَّى يَخْرُجَ إِلَيْكَ، فَقَعَدْتُ قَرِيبًا مِنْ بَابِهِ، قَالَ : فَخَرَجَ إِلَيَّ فَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ مَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، فَقَالَ : يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَمِنَ الْبَوْلِ هَذَا ؟ قَالَ : مِنَ الْبَوْلِ، أَوْ مِنْ غَيْرِهِ .
১০৮৯। আবদুর রহমান ইবনে মুআবিয়া ইবনে হুদাইজ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র নিকট এসে তার সাক্ষাতের অনুমতি প্রার্থনা করলাম। লোকজন আমাকে বললো, তিনি বের হয়ে না আসা পর্যন্ত স্বস্থানে অপেক্ষা করুন। আমি তার ঘরের দরজার কাছাকাছি বসে থাকলাম। রাবী বলেন, তিনি আমার নিকট বের হয়ে এসে পানি নিয়ে ডাকলেন। তিনি উযু করলেন, অতঃপর তার মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করলেন। আমি বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! পেশাবের পর এই উযু? তিনি বলেন, পেশাব ইত্যাদির পর এই উযু (করা ভালো)।
حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْمُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللهِ الأَصْبَهَانِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ الْمُنْتَصِرِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ : إِنَّ أَبْوَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ تُقْرَعُ بِالأظَافِيرِ .
১০৯০। আনাস ইবনে মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরজাসমূহ (অনুমতি চেয়ে) নখ দ্বারা খটখট করা হতো। (আবু নাঈমের তারীখ ইসবাহান)
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، وَأَفْهَمَنِي بَعْضَهُ عَنْهُ أَبُو حَفْصِ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ : ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنَا قَالَ : أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ أَبِي سُفْيَانَ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ عَبْدِ اللهِ بْنِ صَفْوَانَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ كَلَدَةَ بْنَ حَنْبَلٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ بَعَثَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْفَتْحِ بِلَبَنٍ وَجِدَايَةٍ وَضَغَابِيسَ، قَالَ أَبُو عَاصِمٍ : يَعْنِي الْبَقْلَ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِأَعْلَى الْوَادِي، وَلَمْ أُسَلِّمْ وَلَمْ أَسْتَأْذِنْ، فَقَالَ : ارْجِعْ، فَقُلِ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُلُ ؟ ، وَذَلِكَ بَعْدَ مَا أَسْلَمَ صَفْوَانُ .
১০৯১। কালদা ইবনে হাম্বল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। মক্কা বিজয়ের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার উচ্চভূমিতে অবস্থান করছিলেন। সাফওয়ান ইবনে উমাইয়্যা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে দুধ, ছাগলের বাচ্চা ও তরকারীসহ তাঁর নিকট পাঠান। আমি (তথায় পৌঁছে) সালামও দেইনি, অনুমতিও প্রার্থনা করিনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি ফিরে যাও এবং বলো, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করতে পারি? এটা সাফওয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র ইসলাম গ্রহণের পরের ঘটনা। (দারিমী, তিরমিযী)
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَمْزَةَ قَالَ : حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِذَا أَدْخَلَ الْبَصَرَ فَلاَ إِذْنَ لَهُ .
১০৯২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কারো দৃষ্টি (ভেতরে) চলে গেলে তার জন্য অনুমতি নাই। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : إِذَا قَالَ : أَأَدْخُلُ ؟ وَلَمْ يُسَلِّمْ، فَقُلْ : لاَ، حَتَّى تَأْتِيَ بِالْمِفْتَاحِ، قُلْتُ : السَّلاَمُ ؟ قَالَ : نَعَمْ .
১০৯৩। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কেউ সালাম না দিয়ে যদি বলে, ”প্রবেশ করতে পারি কি”, তবে তুমি বলো, ”না, যতক্ষণ না তুমি চাবি নিয়ে আসো”। আমি বললাম, সালাম? তিনি বলেন, হাঁ।
قَالَ : وَأَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ قَالَ : حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَامِرٍ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أَأَلِجُ ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْجَارِيَةِ : اخْرُجِي فَقُولِي لَهُ : قُلِ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُلُ ؟ فَإِنَّهُ لَمْ يُحْسِنِ الِاسْتِئْذَانَ، قَالَ : فَسَمِعْتُهَا قَبْلَ أَنْ تَخْرُجَ إِلَيَّ الْجَارِيَةُ فَقُلْتُ : السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُلُ ؟ فَقَالَ : وَعَلَيْكَ، ادْخُلْ، قَالَ : فَدَخَلْتُ فَقُلْتُ : بِأَيِّ شَيْءٍ جِئْتَ ؟ فَقَالَ : لَمْ آتِكُمْ إِلاَّ بِخَيْرٍ، أَتَيْتُكُمْ لِتَعْبُدُوا اللَّهَ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَتَدَعُوا عِبَادَةَ اللاَّتِ وَالْعُزَّى، وَتُصَلُّوا فِي اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ، وَتَصُومُوا فِي السَّنَةِ شَهْرًا، وَتَحُجُّوا هَذَا الْبَيْتَ، وَتَأْخُذُوا مِنْ مَالِ أَغْنِيَائِكُمْ فَتَرُدُّوهَا عَلَى فُقَرَائِكُمْ، قَالَ : فَقُلْتُ لَهُ : هَلْ مِنَ الْعِلْمِ شَيْءٌ لاَ تَعْلَمُهُ ؟ قَالَ : لَقَدْ عَلَّمَ اللَّهُ خَيْرًا، وَإِنَّ مِنَ الْعِلْمِ مَا لاَ يَعْلَمُهُ إِلاَّ اللَّهُ، الْخَمْسُ لاَ يَعْلَمُهُنَّ إِلاَّ اللَّهُ : ( إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ، وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ، وَيَعْلَمُ مَا فِي الأَرْحَامِ، وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا، وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ ) .
১০৯৪। রিবঈ ইবনে হিরাশ (রহঃ) বলেন, আমের গোত্রের এক ব্যক্তি আমার নিকট বর্ণনা করেন, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে বললেন, আমি কি ভিতরে প্রবেশ করতে পারি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদীকে বলেনঃ তুমি বাইরে গিয়ে তাকে বলে, ”তুমি বলো, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করতে পারি”? কারণ সে সুন্দরভাবে প্রবেশানুমতি প্রার্থনা করতে পারেনি। রাবী বলেন, বাদী বের হয়ে আসার পূর্বেই আমি ঐকথা শুনে ফেললাম এবং বললাম, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করতে পারি? তিনি বলেনঃ তোমাকেও (সালাম), প্রবেশ করো। রাবী বলেন, আমি প্রবেশ করে বললাম, আপনি কি জিনিস নিয়ে এসেছেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের নিকট কল্যাণকর জিনিস নিয়েই এসেছি।
আমি তোমাদের নিকট যা নিয়ে এসেছি তা হলো, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত করবে যাঁর কোন শরীক নাই এবং লাত ও উযযার ইবাদত ত্যাগ করবে, প্রতি দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়বে, বছরে এক মাস রোযা রাখবে এবং এই ঘরের হজ্জ করবে। তোমরা তোমাদের ধনীদের মাল থেকে (যাকাত) গ্রহণ করে তা তোমাদের মধ্যকার দরিদ্রজনদের মধ্যে বিতরণ করবে। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, এমন কিছু জ্ঞানও আছে কি যা আপনি জ্ঞাত নন? তিনি বলেনঃ আল্লাহ সব কিছু জানেন। তবে এমন পাঁচটি জ্ঞান আছে যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না।
”কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকটই আছে। তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং জরায়ুতে যা আছে তা তিনিই জানেন। কেউই জানে না যে, সে আগামী কাল কি উপার্জন করবে। কেউ জানে না যে, সে কোন স্থানে মারা যাবে”। (সূরা লোকমানঃ ৩৪) (আবু দাউদ, আহমাদ, ইবনে শায়বাহ, ইবনুস সুন্নী)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ : حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : اسْتَأْذَنَ عُمَرُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : السَّلاَمُ عَلَى رَسُولِ اللهِ، السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ، أَيَدْخُلُ عُمَرُ ؟ .
১০৯৫। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করে বলেন, আসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম, উমার কি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে?
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ قَالَ : سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ : أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي دَيْنٍ كَانَ عَلَى أَبِي، فَدَقَقْتُ الْبَابَ، فَقَالَ : مَنْ ذَا ؟ فَقُلْتُ : أَنَا، قَالَ : أَنَا، أَنَا ؟ ، كَأَنَّهُ كَرِهَهُ .
১০৯৬। মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) বলেন, আমি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আমার পিতার রেখে যাওয়া কিছু ঋণের ব্যাপারে আলোচনার জন্য আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলাম। আমি দরজায় করাঘাত করলে তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ কে? আমি বললাম, আমি। তিনি বলেনঃ আমি, আমি। তিনি যেন জবাবটি অপছন্দ করলেন। (বুখারী, মুসলিম)