হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (121)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُعَاذٍ الأَشْهَلِيِّ، عَنْ جَدَّتِهِ، أَنَّهَا قَالَتْ : قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : يَا نِسَاءَ الْمُؤْمِنَاتِ، لاَ تَحْقِرَنَّ امْرَأَةٌ مِنْكُنَّ لِجَارَتِهَا، وَلَوْ كُرَاعُ شَاةٍ مُحَرَّقٍ .




১২১। আমর ইবনে মুআয আল-আশহালী (রহঃ) থেকে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ হে মুমিন নারীগণ! তোমাদের মধ্যকার কোন নারী যেন তার প্রতিবেশীকে যৎসামান্য দান করাকেও তুচ্ছ মনে না করে, যদিও তা রান্না করা বকরীর বাহুর সামান্য গোশতও হয় (বুখারী, মুসলিম, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (122)


حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : يَا نِسَاءَ الْمُسْلِمَاتِ، يَا نِسَاءَ الْمُسْلِمَاتِ، لاَ تَحْقِرَنَّ جَارَةٌ لِجَارَتِهَا وَلَوْ فِرْسِنُ شَاةٍ .




১২২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে মুসলিম নারীগণ, হে মুসলিম নারীগণ! কোন প্রতিবেশিনী যেন তার অপর প্রতিবেশিনীকে বকরীর (রান্না করা) ক্ষুরও (উপঢৌকন) দেওয়াকে তুচ্ছ মনে না করে (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (123)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلاَنَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ : يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّ لِي جَارًا يُؤْذِينِي، فَقَالَ : انْطَلِقْ فَأَخْرِجْ مَتَاعَكَ إِلَى الطَّرِيقِ، فَانْطَلَقَ فَأَخْرِجَ مَتَاعَهُ، فَاجْتَمَعَ النَّاسُ عَلَيْهِ، فَقَالُوا : مَا شَأْنُكَ ؟ قَالَ : لِي جَارٌ يُؤْذِينِي، فَذَكَرْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : انْطَلِقْ فَأَخْرِجْ مَتَاعَكَ إِلَى الطَّرِيقِ، فَجَعَلُوا يَقُولُونَ : اللَّهُمَّ الْعَنْهُ، اللَّهُمَّ أَخْزِهِ . فَبَلَغَهُ، فَأَتَاهُ فَقَالَ : ارْجِعْ إِلَى مَنْزِلِكَ، فَوَاللَّهِ لاَ أُؤْذِيكَ .




১২৩। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার এক প্রতিবেশী আছে, সে আমাকে পীড়া দেয়। তিনি বলেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তোমার ঘরের আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে দাও। অতএব সে ফিরে এসে তার ঘরের আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দিলো। এতে তার ঘরের সামনে লোকজন জড়ো হলো। তারা জিজ্ঞেস করলো, তোমার কি হয়েছে? সে বললো, আমার এক প্রতিবেশী আছে, সে আমাকে কষ্ট দেয়। আমি তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললে তিনি বলেনঃ যাও, ঘরে গিয়ে তোমার আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে দাও। তখন তারা বলতে লাগলো, ”হে আল্লাহ! তার উপর তোমার অভিসম্পাত, হে আল্লাহ! তাকে লাঞ্ছিত করো”। বিষয়টি প্রতিবেশী জানতে পেরে সেখানে এসে বললো, তুমি তোমার ঘরে ফিরে যাও। আল্লাহর শপথ! আমি তোমাকে আর কষ্ট দিবো না (আবু দাউদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (124)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَكِيمٍ الأَوْدِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ : شَكَا رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جَارَهُ، فَقَالَ : احْمِلْ مَتَاعَكَ فَضَعْهُ عَلَى الطَّرِيقِ، فَمَنْ مَرَّ بِهِ يَلْعَنُهُ، فَجَعَلَ كُلُّ مَنْ مَرَّ بِهِ يَلْعَنُهُ، فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : مَا لَقِيتُ مِنَ النَّاسِ ؟ فَقَالَ : إِنَّ لَعْنَةَ اللهِ فَوْقَ لَعْنَتِهِمْ، ثُمَّ قَالَ لِلَّذِي شَكَا : كُفِيتَ أَوْ نَحْوَهُ .




১২৪। আবু জুহাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অভিযোগ করলো। তিনি বলেনঃ তুমি তোমার মালপত্র তুলে রাস্তায় রেখে দাও। যে লোকই সেই পথ দিয়ে যাবে সে-ই তাকে অভিশাপ দিবে। অতএব যে লোকই সেই পথে গেলো সে-ই তাকে অভিশাপ দিলো। তখন সেই ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলে তিনি বলেনঃ লোকদের নিকট থেকে তুমি কি পেলে? তিনি আরো বলেনঃ লোকজনের অভিসম্পাতের সাথে রয়েছে আল্লাহর অভিশাপ। অতঃপর তিনি অভিযোগকারীকে বলেনঃ তোমার জন্য যথেষ্ট হয়েছে (তাবারানী, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (125)


حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو زُهَيْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَغْرَاءَ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْفَضْلُ يَعْنِي ابْنَ مُبَشِّرٍ قَالَ : سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَعْدِيهِ عَلَى جَارِهِ، فَبَيْنَا هُوَ قَاعِدٌ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ إِذْ أَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَرَآهُ الرَّجُلُ وَهُوَ مُقَاوِمٌ رَجُلاً عَلَيْهِ ثِيَابٌ بَيَاضٌ عِنْدَ الْمَقَامِ حَيْثُ يُصَلُّونَ عَلَى الْجَنَائِزِ، فَأَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللهِ، مَنِ الرَّجُلُ الَّذِي رَأَيْتُ مَعَكَ مُقَاوِمَكَ عَلَيْهِ ثِيَابٌ بِيضٌ ؟ قَالَ : أَقَدْ رَأَيْتَهُ ؟ قَالَ : نَعَمْ، قَالَ : رَأَيْتَ خَيْرًا كَثِيرًا، ذَاكَ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم رَسُولُ رَبِّي، مَا زَالَ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ جَاعِلٌ لَهُ مِيرَاثًا .




১২৫। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে আসলো। সে ‘রুকন’ ও ‘মাকাম’-এর মধ্যবর্তী স্থানে বসা অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে পৌছলেন। সে দেখলো যে, তিনি মাকামের নিকট একজন সাদা বস্ত্র পরিহিত লোকের সামনে দাঁড়ানো, যেখানে জানাযার নামায পড়া হয়। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কোরবান হোক। আপনার সামনে সাদা বস্ত্র পরিহিত যে লোকটিকে আমি দেখলাম তিনি কে? তিনি বলেনঃ তুমি কি তাকে দেখতে পেয়েছো? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ তুমি প্রভূত কল্যাণ প্রত্যক্ষ করছো। তিনি আমার প্রভুর বার্তাবাহক জিবরাঈল (আবু দাউদ)। তিনি আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এতো নসীহত করতে থাকেন যে, আমি মনে মনে ভাবলাম, তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে তার (অপর প্রতিবেশীর) ওয়ারিস বানাবেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (126)


حَدَّثَنَا عِصَامُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَرْطَاةُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ : سَمِعْتُ، يَعْنِي أَبَا عَامِرٍ الْحِمْصِيَّ، قَالَ : كَانَ ثَوْبَانُ يَقُولُ : مَا مِنْ رَجُلَيْنِ يَتَصَارَمَانِ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ، فَيَهْلِكُ أَحَدُهُمَا، فَمَاتَا وَهُمَا عَلَى ذَلِكَ مِنَ الْمُصَارَمَةِ، إِلاَّ هَلَكَا جَمِيعًا، وَمَا مِنْ جَارٍ يَظْلِمُ جَارَهُ وَيَقْهَرُهُ، حَتَّى يَحْمِلَهُ ذَلِكَ عَلَى أَنْ يَخْرُجَ مِنْ مَنْزِلِهِ، إِلاَّ هَلَكَ .




১২৬। আবু আমের আল-হিমসী (রহঃ) বলেন, সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন, দুই ব্যক্তি তিন দিনের অধিক কাল সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকলে তাদের একজনের সর্বনাশ হবেই। আর সম্পর্কচ্ছেদরত অবস্থায় তারা মারা গেলে উভয়ে সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে প্রতিবেশী তার অপর প্রতিবেশীকে নির্যাতন করে বা তার সাথে হীন আচরণ করে, ফলে তাতে সে নিজ বাড়ি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়, সে ধ্বংস হলো।









আল-আদাবুল মুফরাদ (127)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَشِيرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ : كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو، وَغُلاَمُهُ يَسْلُخُ شَاةً، فَقَالَ : يَا غُلاَمُ، إِذَا فَرَغْتَ فَابْدَأْ بِجَارِنَا الْيَهُودِيِّ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ : الْيَهُودِيُّ أَصْلَحَكَ اللَّهُ ؟ قَالَ : إِنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُوصِي بِالْجَارِ، حَتَّى خَشِينَا أَوْ رُئِينَا أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ .




১২৭। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট ছিলাম। তখন তার গোলাম ছাগলের চামড়া ছাড়াচ্ছিলো। তিনি বলেন, হে বালক! অবসর হয়েই তুমি প্রথমে আমাদের ইহুদী প্রতিবেশীকে গোশত দিবে। এক ব্যক্তি বললো, ইহুদী! আল্লাহ আপনাকে সংশোধন করুন। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রতিবেশী সম্পর্কে উপদেশ দিতে শুনেছি। এমনকি আমাদের আশংকা হলো বা আমাদের নিকট প্রতিভাত হলো যে, তিনি অচিরেই প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানাবেন (দারিমী, তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (128)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : أَيُّ النَّاسِ أَكْرَمُ ؟ قَالَ : أَكْرَمُهُمْ عِنْدَ اللهِ أَتْقَاهُمْ، قَالُوا : لَيْسَ عَنْ هَذَا نَسْأَلُكَ، قَالَ : فَأَكْرَمُ النَّاسِ يُوسُفُ نَبِيُّ اللهِ ابْنُ نَبِيِّ اللهِ ابْنِ خَلِيلِ اللهِ، قَالُوا : لَيْسَ عَنْ هَذَا نَسْأَلُكَ، قَالَ : فَعَنْ مَعَادِنِ الْعَرَبِ تَسْأَلُونِي ؟ قَالُوا : نَعَمْ، قَالَ : فَخِيَارُكُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ خِيَارُكُمْ فِي الإِسْلاَمِ إِذَا فَقِهُوا .




১২৮। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যকার সবাধিক আল্লাহভীরু ব্যক্তি সর্বাধিক মর্যাদাবান। তারা বলেন, আমরা এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বলেনঃ তাহলে মানুষের মধ্যে সবাধিক সম্মানিত হলেন আল্লাহর নবী ইউসুফ (আবু দাউদ), যিনি আল্লাহর নবী ইয়াকুব (আবু দাউদ)-এর পুত্র এবং আল্লাহর অন্তরঙ্গ বন্ধু ইবরাহীম (আবু দাউদ)-এর প্রপৌত্র। তারা বলেন, আমরা আপনাকে এ সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করিনি। তিনি বলেনঃ তাহলে তোমরা কি আরবের খনি (খান্দান) সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করছো। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ জাহিলী যুগে তোমাদের মধ্যে যারা উত্তম বিবেচিত হতো ইসলামী যুগেও তারাই উত্তম বিবেচিত হবে, যখন তারা ধর্মের জ্ঞানে ব্যুৎপত্তি অর্জন করবে (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (129)


حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ مُنْذِرٍ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَنَفِيَّةِ : ( هَلْ جَزَاءُ الإِحْسَانِ إِلاَّ الإِحْسَانُ ) ، قَالَ : هِيَ مُسَجَّلَةٌ لِلْبَرِّ وَالْفَاجِرِ .




১২৯। মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হানাফিয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ”সদ্ব্যহারের প্রতিদান সদ্ব্যবহার ভিন্ন আর কি হতে পারে”(৫৫ঃ ৬০) শীর্ষক আয়াত পুণ্যবান ও পাপাচারী সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আবু আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আবু উবায়েদ (রহঃ) বলেছেন, তা হলো সাধারণ নীতি (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (130)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : السَّاعِي عَلَى الأَرْمَلَةِ وَالْمَسَاكِينِ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللهِ، وَكَالَّذِي يَصُومُ النَّهَارَ وَيَقُومُ اللَّيْلَ .




১৩০। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিধবা ও গরীবজনদের জন্য চেষ্টা-সাধনাকারী ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদকারীর এবং যে ব্যক্তি দিনে রোযা রাখে ও রাতে (নফল) নামাযে লিপ্ত থাকে তার সমতুল্য (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (131)


حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ : حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ : جَاءَتْنِي امْرَأَةٌ مَعَهَا ابْنَتَانِ لَهَا، فَسَأَلَتْنِي فَلَمْ تَجِدْ عِنْدِي إِلاَّ تَمْرَةً وَاحِدَةً، فَأَعْطَيْتُهَا، فَقَسَمَتْهَا بَيْنَ ابْنَتَيْهَا، ثُمَّ قَامَتْ فَخَرَجَتْ، فَدَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَحَدَّثْتُهُ، فَقَالَ : مَنْ يَلِي مِنْ هَذِهِ الْبَنَاتِ شَيْئًا، فَأَحْسَنَ إِلَيْهِنَّ، كُنَّ لَهُ سِتْرًا مِنَ النَّارِ .




১৩১। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক স্ত্রীলোক তার দু’টি কন্যা সন্তানসহ আমার নিকট এসে কিছু প্রার্থনা করে। সে আমার কাছে একটি খেজুর ভিন্ন আর কিছুই পেলো না। আমি সেটি তাকে দান করলাম। সে তা তার কন্যাদ্বয়কে ভাগ করে দিলো। অতঃপর সে উঠে চলে গেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে এসে প্রবেশ করলে আমি তাঁকে তা বললাম। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি এই কন্যাদের প্রতি সামান্য সদয় ব্যবহার করবে, তারা তার জন্য দোযখ থেকে অন্তরাল হবে (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (132)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ صَفْوَانَ قَالَ : حَدَّثَتْنِي أُنَيْسَةُ، عَنْ أُمِّ سَعِيدٍ بِنْتِ مُرَّةَ الْفِهْرِيِّ، عَنْ أَبِيهَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ، أَوْ كَهَذِهِ مِنْ هَذِهِ . شَكَّ سُفْيَانُ فِي الْوُسْطَى وَالَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ .




১৩২। উম্মু সাঈদ (রহঃ) থেকে তার পিতা মুররা আল-ফিহরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি এবং ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী বেহেশতে এই দুইটি মধ্যমা ও তর্জনী আঙ্গুলের মতো একত্রে থাকবো (তাবারানী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (133)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ يَتِيمًا كَانَ يَحْضُرُ طَعَامَ ابْنِ عُمَرَ، فَدَعَا بِطَعَامٍ ذَاتَ يَوْمٍ، فَطَلَبَ يَتِيمَهُ فَلَمْ يَجِدْهُ، فَجَاءَ بَعْدَ مَا فَرَغَ ابْنُ عُمَرَ، فَدَعَا لَهُ ابْنُ عُمَرَ بِطَعَامٍ، لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُمْ، فَجَاءَه بِسَوِيقٍ وَعَسَلٍ، فَقَالَ : دُونَكَ هَذَا، فَوَاللَّهِ مَا غُبِنْتَ يَقُولُ الْحَسَنُ : وَابْنُ عُمَرَ وَاللَّهِ مَا غُبِنَ .




১৩৩। হাসান (রহঃ) বলেন, এক ইয়াতীম বালক ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর আহার গ্রহণকালে নিয়মিত উপস্থিত হতো। এক দিন তিনি আহার নিয়ে ডাকলেন এবং ইয়াতীমকে খোঁজ করলেন, কিন্তু তাকে পাননি। তার আহার গ্রহণ শেষ হলে সে এসে উপস্থিত হলো। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) খাদ্য নিয়ে ডাকলেন। তখন তাদের নিকট খাবার অবশিষ্ট ছিলো না। তার নিকট ছাতু ও মধু আনা হলো। তিনি বলেন, এটা গ্রহণ করো। আল্লাহর শপথ! তোমাকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে না। হাসান (রহঃ) এই হাদীস বর্ণনাকালে বলতেন, আল্লাহর শপথ! ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আহার থাকতে তা লুকাননি।









আল-আদাবুল মুফরাদ (134)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ قَالَ : حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ : سَمِعْتُ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ هَكَذَا، وَقَالَ بِإِصْبَعَيْهِ السَّبَّابَةِ وَالْوُسْطَى .




১৩৪। সাহল ইবনে সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ও ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী কিয়ামতের দিন এভাবে একত্রে থাকবো। একথা বলে তিনি তার তর্জনী ও মধ্যমার প্রতি ইংগিত করেন (বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (135)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ خَالِدِ بْنِ وَرْدَانَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ حَفْصٍ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ كَانَ لاَ يَأْكُلُ طَعَامًا إِلاَّ وَعَلَى خِوَانِهِ يَتِيمٌ .




১৩৫। আবু বাকর ইবনে হাফস (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইয়াতীমকে সঙ্গে না নিয়ে আহার করতেন না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (136)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَتَّابٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : خَيْرُ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُحْسَنُ إِلَيْهِ، وَشَرُّ بَيْتٍ فِي الْمُسْلِمِينَ بَيْتٌ فِيهِ يَتِيمٌ يُسَاءُ إِلَيْهِ، أَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيمِ فِي الْجَنَّةِ كَهَاتَيْنِ يُشِيرُ بِإِصْبَعَيْهِ .




১৩৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের ঘরসমূহের মধ্যে সেই ঘর সর্বোত্তম, যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করা হয়। মুসলিমদের ঘরসমূহের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট সেই ঘর যেখানে কোন ইয়াতীম আছে এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। আমি এবং ইয়াতীমের ভরণপোষণকারী বেহেশতে এই দুইটির মতো একত্রে থাকবো। এই বলে তিনি তার দুই আঙ্গুলের দিকে ইংগিত করেন (ইবনে মাজাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (137)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبْزَى قَالَ : قَالَ دَاوُدُ : كُنَّ لِلْيَتِيمِ كَالأَبِ الرَّحِيمِ، وَاعْلَمْ أَنَّكَ كَمَا تَزْرَعُ كَذَلِكَ تَحْصُدُ، مَا أَقْبَحَ الْفَقْرَ بَعْدَ الْغِنَى، وَأَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ، أَوْ أَقْبَحُ مِنْ ذَلِكَ، الضَّلاَلَةُ بَعْدَ الْهُدَى، وَإِذَا وَعَدْتَ صَاحِبَكَ فَأَنْجِزْ لَهُ مَا وَعَدْتَهُ، فَإِنْ لاَ تَفْعَلْ يُورِثُ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ، وَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ صَاحِبٍ إِنْ ذَكَرْتَ لَمْ يُعِنْكَ، وَإِنْ نَسِيتَ لَمْ يُذَكِّرْكَ .




১৩৭। আবদুর রহমান ইবনে আবযা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, দাউদ (আবু দাউদ) বলেছেনঃ ইয়াতীমের জন্য দয়ার্দ্র পিতৃতুল্য হও এবং জেনে রাখো! তুমি যেরূপ বপন করবে সেইরূপ কর্তন করবে। প্রাচুর্যের পর দরিদ্রতা কতই না মন্দ! তার চাইতেও মন্দ হলো হেদায়াত লাভের পর পথভ্রষ্টতা। তুমি কোন সঙ্গীর সাথে ওয়াদা করলে তা অবশ্যই পূর্ণ করবে। নতুবা তাতে তোমার ও তার মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হবে। এমন বন্ধু থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো, (বিপদে) যাকে স্মরণ করলে সে তোমাকে সাহায্য করবে না এবং তুমি তাকে ভুলে গেলে সে তোমাকে স্মরণ করবে না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (138)


نَجِيحٍ أَبُو عُمَارَةَ قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ : لَقَدْ عَهِدْتُ الْمُسْلِمِينَ، وَإِنَّ الرَّجُلَ مِنْهُمْ لَيُصْبِحُ فَيَقُولُ : يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَتِيمَكُمْ يَتِيمَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، مِسْكِينَكُمْ مِسْكِينَكُمْ، يَا أَهْلِيَهْ، يَا أَهْلِيَهْ، جَارَكُمْ جَارَكُمْ، وَأُسْرِعَ بِخِيَارِكُمْ وَأَنْتُمْ كُلَّ يَوْمٍ تَرْذُلُونَ . وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ : وَإِذَا شِئْتَ رَأَيْتَهُ فَاسِقًا يَتَعَمَّقُ بِثَلاَثِينَ أَلْفًا إِلَى النَّارِ مَا لَهُ قَاتَلَهُ اللَّهُ ؟ بَاعَ خَلاَقَهُ مِنَ اللهِ بِثَمَنِ عَنْزٍ، وَإِنْ شِئْتَ رَأَيْتَهُ مُضَيِّعًا مُرْبَدًّا فِي سَبِيلِ الشَّيْطَانِ، لاَ وَاعِظَ لَهُ مِنْ نَفْسِهِ وَلاَ مِنَ النَّاسِ .




১৩৮। হাসান বসরী (রহঃ) বলেন, আমি এমন মুসলিমদের সাক্ষাত পেয়েছি, যাদের কেউ ভোরে উপনীত হয়ে তার পরিজনকে বলতেন, ”হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের ইয়াতীম, তোমাদের ইয়াতীম। হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের দরিদ্রজন, তোমাদের দরিদ্রজন। হে আমার পরিবার, হে আমার পরিবার! তোমাদের প্রতিবেশী, তোমাদের প্রতিবেশী। তোমাদের সেই উৎকৃষ্টগণ (সাহাবীগণ) তো চলে গেলেন, আর তোমরা তো দিন দিন অধঃপতিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তুমি ইচ্ছা করলে দেখতে পাবে যে, পাপাচারী তিরিশ হাজার টাকার বিনিময়ে জাহান্নামের গভীরে প্রবেশ করছে। তার কি হলো! আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন। সে আল্লাহর কাছে তার প্রাপ্য অংশ একটি ছাগলের মূল্যে বিকিয়ে দিলো। তুমি ইচ্ছা করলে দেখতে পাবে যে, সে শয়তানের রাস্তার ইতর অনুসারী। সে নিজ বিবেকের উপদেশও গ্রহণ করে না এবং অন্যের উপদেশেও কর্ণপাত করে না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (139)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ : قُلْتُ لِابْنِ سِيرِينَ : عِنْدِي يَتِيمٌ، قَالَ : اصْنَعْ بِهِ مَا تَصْنَعُ بِوَلَدِكَ، اضْرِبْهُ مَا تَضْرِبُ وَلَدَكَ .




১৩৯। আসমা ইবনে উবায়েদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনে সীরীন (রহঃ)-কে বললাম, আমার কাছে এক ইয়াতীম আছে। তিনি বলেন, তুমি তার সাথে তোমার সন্তানের অনুরূপ ব্যবহার করো এবং তাকে প্রহার করো যে কারণে তুমি তোমার সন্তানকে প্রহার করে থাকো (তার সাথে তোমার সন্তানের অনুরূপ ব্যবহার করবে)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (140)


حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ نَهَّاسِ بْنِ قَهْمٍ، عَنْ شَدَّادٍ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : أَنَا وَامْرَأَةٌ سَفْعَاءُ الْخَدَّيْنِ، امْرَأَةٌ آمَتْ مِنْ زَوْجِهَا فَصَبَرْتَ عَلَى وَلَدِهَا، كَهَاتَيْنِ فِي الْجَنَّةِ .




১৪০। আওফ ইবনে মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ও ঝলসানো (বিষন্ন) গালবিশিষ্ট নারী, যার স্বামী মারা গেছে, কিন্তু সে তার সন্তানের কারণে ধৈর্য ধারণ করেছে (পুনর্বিবাহ করেনি) জান্নাতে এই দুই (আঙ্গুল)-এর মত একত্রে বসবাস করবো (আবু দাউদ, মুসনাদ আবু ইয়ালা)।