হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (1237)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ قَالَ : حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ عُمَرُ : إِنَّ النَّارَ عَدُوٌّ فَاحْذَرُوهَا .




১২৩৭। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ আগুন (তোমাদের) শত্রু। অতএব তা থেকে সতর্ক থাকো। তাই ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাতে ঘুমানোর পূর্বে তার পরিবারের আগুন নিভিয়ে দিতেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1238)


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ قَالَ : حَدَّثَنِي ابْنُ الْهَادِ قَالَ : حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : لاَ تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ، فَإِنَّهَا عَدُوٌّ .




১২৩৮। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহে আগুন জ্বলিয়ে রেখে দিও না। কেননা তা দুশমন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1239)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاءِ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ : احْتَرَقَ بِالْمَدِينَةِ بَيْتٌ عَلَى أَهْلِهِ مِنَ اللَّيْلِ، فَحُدِّثَ بِذَلِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : إِنَّ هَذِهِ النَّارَ عَدُوٌّ لَكُمْ، فَإِذَا نِمْتُمْ فَأَطْفِئُوهَا عَنْكُمْ .




১২৩৯। আবু মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মদীনার এক পরিবারের ঘরে রাতের বেলা আগুন লেগে তা পুড়ে গেলো। তাদের এই ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করা হলে তিনি বলেনঃ নিশ্চয় আগুন তোমাদের শত্রু। অতএব তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে তখন তা নিভিয়ে দিবে। (বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1240)


حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا مَطَرَتِ السَّمَاءُ يَقُولُ : يَا جَارِيَةُ، أَخْرِجِي سَرْجِي، أَخْرِجِي ثِيَابِي، وَيَقُولُ : ( وَنَزَّلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً مُبَارَكًا ) .




১২৪০। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। আকাশ থেকে যখন বৃষ্টি হতো তখন তিনি বলতেন, হে বালিকা (বা বাঁদী) আমার জিনপোষ বের করে রাখো, আমার কাপড়-চোপড় বের করে রাখো। আর তিনি পড়তেন, ”এবং আমরা আকাশ (মেঘ) থেকে বরকতপূর্ণ পানি বর্ষণ করি”। (সূরা কাফঃ ৯)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1241)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ عَلْقَمَةَ أَبُو الْمُغِيرَةِ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِتَعْلِيقِ السَّوْطِ فِي الْبَيْتِ .




১২৪১। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে চাবুক ঝুলিয়ে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1242)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْقَعْقَاعُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : إِيَّاكُمْ وَالسَّمَرَ بَعْدَ هُدُوءِ اللَّيْلِ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لاَ يَدْرِي مَا يَبُثُّ اللَّهُ مِنْ خَلْقِهِ، غَلِّقُوا الأَبْوَابَ، وَأَوْكُوا السِّقَاءَ، وَأَكْفِئُوا الإِنَاءَ، وَأَطْفِئُوا الْمَصَابِيحَ .




১২৪২। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা গভীর রাত পর্যন্ত গল্প-গুজবে মশগুল থেকে না। কারণ তোমাদের কেউ জানে না যে, আল্লাহ তাঁর কতক সৃষ্টিকুল রাতে স্বাধীনভাবে বিচরণ করতে ছড়িয়ে দেন। তোমরা (রাতের বেলা) ঘরের দরজাগুলো বন্ধ রাখো, পানপাত্রের মুখ বেঁধে রাখো, পাত্রসমূহ ঢেকে রাখো এবং আলো নিভিয়ে দাও।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1243)


حَدَّثَنَا عَارِمٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : كُفُوًا صِبْيَانَكُمْ حَتَّى تَذْهَبَ فَحْمَةُ، أَوْ فَوْرَةُ، الْعِشَاءِ، سَاعَةَ تَهَبُّ الشَّيَاطِينُ .




১২৪৩। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা রাতের সূচনায় অন্ধকার দূর না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের শিশুদের সামলিয়ে রাখো। এই সময় শয়তানেরা (চতুর্দিকে) ছড়িয়ে পড়ে। (মুসলিম হাঃ ৫০৮২)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1244)


حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يُحَرِّشَ بَيْنَ الْبَهَائِمِ .




১২৪৪। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি পশুদের মধ্যে পরস্পর লড়াই বাধানো অপছন্দ করতেন। (তিরমিযী, আবু দাউদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1245)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : أَقِلُّوا الْخُرُوجَ بَعْدَ هُدُوءٍ، فَإِنَّ لِلَّهِ دَوَابَّ يَبُثُّهُنَّ، فَمَنْ سَمِعَ نُبَاحَ الْكَلْبِ، أَوْ نُهَاقَ حِمَارٍ، فَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، فَإِنَّهُمْ يَرَوْنَ مَا لا تَرَوْنَ .




১২৪৫। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা গভীর রাতে খুব কম বাইরে বের হবে। কেননা আল্লাহ তাআলা তার কতক জীবজন্তুকে (এ সময়) স্বাধীনভাবে বিচরণ করতে ছড়িয়ে দেন। তোমাদের কেউ কুকুরের ঘেউঘেউ এবং গাধার ডাক শোনলে যেন আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে। কারণ এরা (এমন কিছু) দেখতে পায় যা তোমরা দেখো না। (আবু দাউদ, আহমাদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1246)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِذَا سَمِعْتُمْ نُبَاحَ الْكِلاَبِ أَوْ نُهَاقَ الْحَمِيرِ مِنَ اللَّيْلِ، فَتَعَوَّذُوا بِاللَّهِ، فَإِنَّهُمْ يَرَوْنَ مَالاَ تَرَوْنَ، وَأَجِيفُوا الأَبْوَابَ، وَاذْكُرُوا اسْمَ اللهِ عَلَيْهَا، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لاَ يَفْتَحُ بَابًا أُجِيفَ وَذُكِرَ اسْمُ اللهِ عَلَيْهِ، وَغَطُّوا الْجِرَارَ، وَأَوْكِئُوا الْقِرَبَ وَأَكْفِئُوا الآنِيَةَ .




১২৪৬। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাতের বেলা তোমরা যখন কুকুরের ঘেউঘেউ শব্দ এবং গাধার ডাক শোনতে পাও তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো। কারণ এরা (এমন কিছু) দেখতে পায় যা তোমরা দেখতে পাও না। (রাতের বেলা) তোমরা আল্লাহর নাম স্মরণ করে ঘরের দরজাসমূহ বন্ধ করো। কারণ আল্লাহর নাম স্মরণ করে বন্ধকৃত দরজা শয়তান খোলতে পারে না। তোমরা কলসিগুলোর মুখ ঢেকে দাও, মশকের (চামড়ার তৈরী পানির পাত্র) মুখ বেঁধে দাও এবং পাত্রগুলো উপুড় করে রেখে দাও। (আবু দাউদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1247)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ، وَعَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالاَ : حَدَّثَنَا اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ الْهَادِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ ابْنُ الْهَادِ : وَحَدَّثَنِي شُرَحْبِيلُ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : أَقِلُّوا الْخُرُوجَ بَعْدَ هُدُوءٍ، فَإِنَّ لِلَّهِ خَلْقًا يَبُثُّهُمْ، فَإِذَا سَمِعْتُمْ نُبَاحَ الْكِلاَبِ أَوْ نُهَاقَ الْحَمِيرِ، فَاسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ .




১২৪৭। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ রাত শান্তভাব ধারণ করার পর তোমরা কমই বাইরে বের হবে। কারণ (এ সময়) আল্লাহ তাঁর কতক সৃষ্টিকে (স্বাধীনভাবে বিচরণ করতে) ছড়িয়ে দেন। অতএব তোমরা কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ ও গাধার ডাক শোনতে পেলে শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1248)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ : إِذَا سَمِعْتُمْ صِيَاحَ الدِّيَكَةِ مِنَ اللَّيْلِ، فَإِنَّهَا رَأَتْ مَلَكًا، فَسَلُوا اللَّهَ مِنْ فَضْلِهِ، وَإِذَا سَمِعْتُمْ نُهَاقَ الْحَمِيرِ مِنَ اللَّيْلِ، فَإِنَّهَا رَأَتْ شَيْطَانًا، فَتَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ .




১২৪৮। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাতে তোমরা মোরগের ডাক শোনলে আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো। কারণ সে একজন ফেরেশতাকে দেখতে পায়। আর রাতের বেলা তোমরা গাধার ডাক শোনতে পেলে শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। কারণ সে একটি শয়তানকে দেখতে পেয়েছে। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1249)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ أَبُو حَاتِمٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلاً لَعَنَ بُرْغُوثًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : لاَ تَلْعَنْهُ، فَإِنَّهُ أَيْقَظَ نَبِيًّا مِنَ الأنْبِيَاءِ لِلصَّلاةِ .




১২৪৯। আনাস ইবনে মালেক (রহঃ) থেকে বার্ণত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বুরগূছকে (পাখাহীন এক প্রকার ক্ষুদ্র কীট) গালি দিলে তিনি বলেনঃ একে অভিশাপ দিও না। কারণ সে নবীগণের মধ্যকার একজন নবীকে নামাযের জন্য জাগ্রত করেছিল। (মুসনাদ আবু ইয়ালা, তাবারানী, বাযযার)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1250)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ السَّائِبِ، عَنْ عُمَرَ قَالَ : رُبَّمَا قَعَدَ عَلَى بَابِ ابْنِ مَسْعُودٍ رِجَالٌ مِنْ قُرَيْشٍ، فَإِذَا فَاءَ الْفَيْءُ قَالَ : قُومُوا فَمَا بَقِيَ فَهُوَ لِلشَّيْطَانِ، ثُمَّ لاَ يَمُرُّ عَلَى أَحَدٍ إِلاَّ أَقَامَهُ، قَالَ : ثُمَّ بَيْنَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ قِيلَ : هَذَا مَوْلَى بَنِي الْحَسْحَاسِ يَقُولُ الشِّعْرَ، فَدَعَاهُ فَقَالَ : كَيْفَ قُلْتَ ؟ فَقَالَ : وَدِّعْ سُلَيْمَى إِنْ تَجَهَّزْتَ غَازِيَا كَفَى الشَّيْبُ وَالإِسْلاَمُ لِلْمَرْءِ نَاهِيَا، فَقَالَ : حَسْبُكَ، صَدَقْتَ صَدَقْتَ .




১২৫০। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কুরাইশ বংশের কতক লোক প্রায়ই ইবনে মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র বাড়ির দরজায় বসতেন। ছায়া ঢলে পড়লে তিনি বলতেন, তোমরা উঠে যাও। এখন দিনের যা অবশিষ্ট আছে তা শয়তানের। অতঃপর তিনি যার নিকট দিয়েই যেতেন তাকে (বসা থেকে) উঠিয়ে দিতেন। রাবী বলেন, এমতাবস্থায় বলা হলো, এ হলো বনু হাসহাসের মুক্তদাস, সে কবিতা আবৃত্তি করে। তিনি তাকে ডেকে এনে বলেন, তুমি কিরূপ বলো? সে বললো, ”সালমাকে যদি তুমি প্রেমিকা বানিয়ে থাকো তবে তাকে বিদায় দাও। বার্ধক্য ও ইসলাম মানুষকে প্রতিহত করতে যথেষ্ট”। তিনি বলেন, যথেষ্ট হয়েছে, তুমি সত্য বলেছো, সত্য বলেছো। (ইসাবা)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1251)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَحْشِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ : كَانَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَمُرُّ بِنَا نِصْفَ النَّهَارِ، أَوْ قَرِيبًا مِنْهُ، فَيَقُولُ : قُومُوا فَقِيلُوا، فَمَا بَقِيَ فَلِلشَّيْطَانِ .




১২৫১। সায়েব ইবনে ইয়াযীদ (রহঃ) বলেন, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দুপুরবেলা বা তার কাছাকাছি সময় আমাদের নিকট আসতেন এবং বলতেন, তোমরা ওঠো, গিয়ে বিশ্রাম করো। (কথা) যা অবশিষ্ট রয়েছে তা শয়তানের জন্য।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1252)


حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : كَانُوا يَجْمَعُونَ، ثُمَّ يَقِيلُونَ .




১২৫২। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, লোকজন একত্র হতো, অতঃপর দুপুরের বিশ্রাম করতো। (আহমাদ, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1253)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، قَالَ أَنَسٌ : مَا كَانَ لأَهْلِ الْمَدِينَةِ شَرَابٌ، حَيْثُ حُرِّمَتِ الْخَمْرُ، أَعْجَبَ إِلَيْهِمْ مِنَ التَّمْرِ وَالْبُسْرِ، فَإِنِّي لَأَسْقِي أَصْحَابَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُمْ عِنْدَ أَبِي طَلْحَةَ، مَرَّ رَجُلٌ فَقَالَ : إِنَّ الْخَمْرَ قَدْ حُرِّمَتْ، فَمَا قَالُوا : مَتَى ؟ أَوْ حَتَّى نَنْظُرَ، قَالُوا : يَا أَنَسُ، أَهْرِقْهَا، ثُمَّ قَالُوا عِنْدَ أُمِّ سُلَيْمٍ حَتَّى أَبْرَدُوا وَاغْتَسَلُوا، ثُمَّ طَيَّبَتْهُمْ أُمُّ سُلَيْمٍ، ثُمَّ رَاحُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَإِذَا الْخَبَرُ كَمَا قَالَ الرَّجُلُ .
قَالَ أَنَسٌ : فَمَا طَعِمُوهَا بَعْدُ .




১২৫৩৷ সাবিত (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, শরাব হারাম হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত খেজুর ও বার্লির তৈরী শরাবই ছিল মদীনাবাসীদের আকর্ষণীয় পানীয়। আমি আবু তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র বাড়িতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের শরাব পরিবেশন করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে বললো, শরাব হারাম ঘোষিত হয়েছে। তাদের কেউই (একথা শুনে) বলেননি, কখন অথবা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখি? তারা বলেন, হে আনাস! শরাব ঢেলে ফেলে দাও। অতঃপর তারা উম্মে সুলাইম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র এখানে গেলেন, ঠাণ্ডা বা শান্ত হলেন এবং গোসল করলেন। অতঃপর উম্মু সুলাইম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদের মাখার জন্য সুগন্ধি দেন। অতঃপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে জানতে পারলেন, লোকটি যা খবর দিয়েছিল তাই সত্য। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তারা আর কখনো শরাব পান করেননি। (বুখারী, মুসলিম)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1254)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ : نَوْمُ أَوَّلِ النَّهَارِ خُرْقٌ، وَأَوْسَطُهُ خُلْقٌ، وَآخِرُهُ حُمْقٌ .




১২৫৪। খাওয়াত ইবনে জুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, দিনের প্রথমাংশের ঘুম হলো অস্বাভাবিক, মধ্যাহ্নের ঘুম হলো অভ্যাস এবং শেষ বেলার ঘুম হলো আহম্মকি। (জামে সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1255)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ قَالَ : سَمِعْتُ مَيْمُونًا يَعْنِي ابْنَ مِهْرَانَ قَالَ : سَأَلْتُ نَافِعًا : هَلْ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَدْعُو لِلْمَأْدُبَةِ ؟ قَالَ : لَكِنَّهُ انْكَسَرَ لَهُ بَعِيرٌ مَرَّةً فَنَحَرْنَاهُ، ثُمَّ قَالَ : احْشُرْ عَلَيَّ الْمَدِينَةَ، قَالَ نَافِعٌ : فَقُلْتُ : يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَلَى أَيِّ شَيْءٍ ؟ لَيْسَ عِنْدَنَا خُبْزٌ، فَقَالَ : اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ، هَذَا عُرَاقٌ، وَهَذَا مَرَقٌ، أَوْ قَالَ : مَرَقٌ وَبَضْعٌ، فَمَنْ شَاءَ أَكَلَ، وَمَنْ شَاءَ وَدَعَ .




১২৫৫। মায়মূন ইবনে মিহরান (রহঃ) বলেন, আমি নাফে (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কি জনসাধারণকে দাওয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, ঘটনা এই যে, একবার তার একটি উট দুর্বল হয়ে পড়লে আমরা সেটি যবেহ করলাম। অতঃপর তিনি বলেন, মদীনাবাসীদের আমার নিকট একত্র করো। নাফে (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, আবদুর রহমানের পিতা! কোন জিনিসের জন্য? আমাদের নিকট তো রুটি নাই। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! তোমার জন্য সকল প্রশংসা, এই হাড়, এই ঝোল অথবা এই ঝোল ও গোশতের টুকরা। যার ইচ্ছা হয় সে খাবে, আর যার ইচ্ছা ফিরে যাবে।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1256)


أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ ثَمَانِينَ سَنَةً، وَاخْتَتَنَ بِالْقَدُومِ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللهِ : يَعْنِي مَوْضِعًا .




১২৫৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইবরাহীম (আঃ) আশি বছরোর্দ্ধ বয়সে খতনা করেন। তিনি কাদূম নামক স্থানে খতনা করেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ‘কাদুম’ একটি জায়গার নাম। (বুখারী, মুসলিম)