হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (1277)


حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ : ( وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ ) ، قَالَ : الْغِنَاءُ وَأَشْبَاهُهُ .




১২৭৭। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি মহামহিম আল্লাহর বাণীঃ ”কতক লোক ক্রীড়া-কৌতুকের কথাবার্তা ক্রয় করে”।(৩১ঃ ৬) সম্পর্কে বলেন, এর অর্থ গান-বাজনা ও অনুরূপ জিনিস। (তাবারী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1278)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْفَزَارِيُّ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالاَ : أَخْبَرَنَا قِنَانُ بْنُ عَبْدِ اللهِ النَّهْمِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : أَفْشُوا السَّلاَمَ تَسْلَمُوا، وَالأَشَرَةُ شَرٌّ .
قَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ : الأشَرَةُ : الْعَبَثُ .




১২৭৮। বারাআ ইবনে আয়েব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, শান্তিতে থাকবে। অসার কথাবার্তায় লিপ্ত হওয়া ক্ষতিকর। (মুসনাদ আবু ইয়ালা)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1279)


حَدَّثَنَا عِصَامٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَرِيزٌ، عَنْ سَلْمَانَ الأَلَهَانِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، وَكَانَ مَجْمَعًا مِنَ الْمُجَامِعِ، فَبَلَغَهُ أَنَّ أَقْوَامًا يَلْعَبُونَ بِالْكُوبَةِ، فَقَامَ غَضْبَانًا يَنْهَى عَنْهَا أَشَدَّ النَّهْيِ، ثُمَّ قَالَ : أَلاَ إِنَّ اللاَّعِبَ بِهَا لَيَأْكُلُ قَمْرَهَا كَآكِلِ لَحْمِ الْخِنْزِيرِ، وَمُتَوَضِّئٍ بِالدَّمِ .
يَعْنِي بِالْكُوبَةِ : النَّرْدَ .




১২৭৯। মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুস শিখখীর (রহঃ) বলেন, বসরা যেতে আমি ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র সফরসংগী হলাম। সফরে প্রতি দিনই তিনি আমাদের কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, পরোক্ষ বচন মিথ্যাকে এড়ানোর নিরাপদ উপায়।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1280)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْحَكَمِ الْقَاضِي، قَالَ : أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْوَصَّافِيُّ، عَنِ الْفُضَيْلِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : كَانَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِذَا خَرَجَ مِنْ بَابِ الْقَصْرِ، فَرَأَى أَصْحَابَ النَّرْدِ انْطَلَقَ بِهِمْ فَعَقَلَهُمْ مِنْ غُدْوَةٍ إِلَى اللَّيْلِ، فَمِنْهُمْ مَنْ يُعْقَلُ إِلَى نِصْفِ النَّهَارِ . قَالَ : وَكَانَ الَّذِي يُعْقَلُ إِلَى اللَّيْلِ هُمُ الَّذِينَ يُعَامِلُونَ بِالْوَرِقِ، وَكَانَ الَّذِي يُعْقَلُ إِلَى نِصْفِ النَّهَارِ الَّذِينَ يَلْهُونَ بِهَا، وَكَانَ يَأْمُرُ أَنْ لا يُسَلِّمُوا عَلَيْهِمْ .




১২৮০। ফুদাইল ইবনে মুসলিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বাবুল কাসর থেকে বের হলে তিনি দাবা/পাশা খেলোয়াড়দের দেখতে পান। তিনি তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আটক রাখেন। তাদের মধ্যে কতককে তিনি দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। রাবী বলেন, যারা অর্থের আদান-প্রদানের ভিত্তিতে খেলেছিল, তিনি তাদের রাত পর্যন্ত আটক রাখেন, আর যারা এমনি খেলেছিল তাদেরকে দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। তিনি নির্দেশ দিতেন, লোকজন যেন তাদেরকে সালাম না দেয়।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1281)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ .




১২৮১। আবু মূসা আশআরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দাবা/পাশা খেললো সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলো। (আবু দাউদ,ইবনে মাজাহ,আহমাদ, দার,হাকিম,ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1282)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ : إِيَّاكُمْ وَهَاتَيْنِ الْكَعْبَتَيْنِ الْمَوْسُومَتَيْنِ اللَّتَيْنِ يُزْجَرَانِ زَجْرًا، فَإِنَّهُمَا مِنَ الْمَيْسِرِ .




১২৮২। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, সাবধান! তোমরা এই চতুৰ্ভুজ টুকরায় পরিহার করো, যা নিক্ষেপ করা হয়। কারণ এই দু’টি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত। (আহমাদ হাঃ ৪২৬৩)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1283)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، وَقَبِيصَةُ، قَالاَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدَشِيرِ فَكَأَنَّمَا صَبَغَ يَدَهُ فِي لَحْمِ خِنْزِيرٍ وَدَمِهِ .




১২৮৩। আবু বুরায়দা (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দাবা/পাশা খেললো সে যেন তার হাত শূকরের গোশত ও রক্তে রঞ্জিত করলো। (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মুয়াত্তা মালিক)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1284)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَمَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ : حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ قَالَ : حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ قَالَ : حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ .




১২৮৪। আবু মূসা আশআরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দাবা/পাশা খেললো সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলো। (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, দারিমী, হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1285)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا وَجَدَ أَحَدًا مِنْ أَهْلِهِ يَلْعَبُ بِالنَّرْدِ ضَرَبَهُ، وَكَسَرَهَا .




১২৮৫। নাফে (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার পরিবারের কাউকে দাবা/পাশা খেলায় লিপ্ত দেখতে পেলে তাকে প্রহার করতেন এবং দাবা/পাশার সরঞ্জাম ভেঙ্গে ফেলতেন। (মুয়াত্তা মালিক)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1286)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، أَنَّهُ بَلَغَهَا أَنَّ أَهْلَ بَيْتٍ فِي دَارِهَا، كَانُوا سُكَّانًا فِيهَا، عِنْدَهُمْ نَرْدٌ، فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِمْ : لَئِنْ لَمْ تُخْرِجُوهَا لَأُخْرِجَنَّكُمْ مِنْ دَارِي، وَأَنْكَرَتْ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ .




১২৮৬। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি জানতে পারলেন যে, তার বাড়িতে বসবাসকারী এক পরিবারের নিকট দাবা/পাশা খেলার সরঞ্জাম আছে। তিনি লোক মারফত বলে পাঠান, তোমরা যদি তা বের করে ফেলে না দাও তবে আমি অবশ্যই আমার বাড়ি থেকে তোমাদের উচ্ছেদ করবো। তিনি তাদের এই আচরণ কঠোরভাবে অপছন্দ করেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1287)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا رَبِيعَةُ بْنُ كُلْثُومِ بْنِ جَبْرٍ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ : خَطَبَنَا ابْنُ الزُّبَيْرِ فَقَالَ : يَا أَهْلَ مَكَّةَ، بَلَغَنِي عَنْ رِجَالٍ مِنْ قُرَيْشٍ يَلْعَبُونَ بِلُعْبَةٍ يُقَالُ لَهَا : النَّرْدَشِيرُ، وَكَانَ أَعْسَرَ، قَالَ اللَّهُ : ( إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ ) ، وَإِنِّي أَحْلِفُ بِاللَّهِ : لاَ أُوتَى بِرَجُلٍ لَعِبَ بِهَا إِلاَّ عَاقَبْتُهُ فِي شَعْرِهِ وَبَشَرِهِ، وَأَعْطَيْتُ سَلَبَهُ لِمَنْ أَتَانِي بِهِ .




১২৮৭। রবীআ ইবনে কুলসূম (রহঃ) বলেন, আমার পিতা বলেছেন, ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, হে মক্কাবাসীগণ! আমি জানতে পারলাম যে, কুরাইশ বংশের কতক লোক দাবা/পাশা খেলায় লিপ্ত আছে। এটা ছিল অত্যন্ত কঠোর ব্যাপার। আল্লাহ বলেন, ”নিশ্চয় মদ ও জুয়া ...” (সূরা মায়িদাহঃ ৯০)। আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, কোন দাবা/পাশা খেলোয়াড়কে গ্রেপ্তার করে আনা হলে আমি অবশ্যই তার প্রতিটি পশমে ও চামড়ায় কঠোর শাস্তি দিবো এবং যে তাকে গ্রেপ্তার করে আনবে আমি তাকে তার মালপত্র দিয়ে দিবো।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1288)


حَدَّثَنَا ابْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي أُمَيَّةَ الْحَنَفِيِّ هُوَ الطَّنَافِسِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنِي يَعْلَى أَبُو مُرَّةَ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ فِي الَّذِي يَلْعَبُ بِالنَّرْدِ قِمَارًا : كَالَّذِي يَأْكُلُ لَحْمَ الْخِنْزِيرِ، وَالَّذِي يَلْعَبُ بِهِ مِنْ غَيْرِ الْقِمَارِ كَالَّذِي يَغْمِسُ يَدَهُ فِي دَمِ خِنْزِيرٍ، وَالَّذِي يَجْلِسُ عِنْدَهَا يَنْظُرُ إِلَيْهَا كَالَّذِي يَنْظُرُ إِلَى لَحْمِ الْخِنْزِيرِ .




১২৮৮। ইয়ালা ইবনে মুররা (রহঃ) বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি বাজি ধরে দাবা/পাশা খেলে সে শূকরের গোশত ভক্ষণকারীর সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি বাজি না ধরে দাবা/পাশা খেলে সে শূকরের রক্তে হাত রঞ্জিতকারীর সমতুল্য। আর যে ব্যক্তি তাদের সাথে বসে তাদের খেলা দেখে সে শূকরের গোশতের দিকে তাকিয়ে থাকা ব্যক্তির সমতুল্য।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1289)


حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ : اللاَّعِبُ بِالْفُصَّيْنِ قِمَارًا كَآكِلِ لَحْمِ الْخِنْزِيرِ، وَاللاَّعِبُ بِهِمَا غَيْرَ قِمَارٍ كَالْغَامِسِ يَدَهُ فِي دَمِ خِنْزِيرٍ .




১২৮৯। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, বাজি ধরে দুটি গুটি দ্বারা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণকারী শূকরের গোশত ভক্ষণকারীর সমতুল্য এবং বাজিবিহীন খেলায় অংশগ্রহণকারী শূকরের রক্তে হাত ডুবানো ব্যক্তিতুল্য।









আল-আদাবুল মুফরাদ (1290)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ : حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لاَ يُلْدَغُ الْمُؤْمِنُ مِنْ جُحْرٍ مَرَّتَيْنِ .




১২৯০। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুমিন ব্যক্তি একই গর্তে দু’বার দংশিত হয় না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1291)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ قَالَ : حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ رَمَانَا بِاللَّيْلِ فَلَيْسَ مِنَّا .




১২৯১। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি রাতের বেলা আমাদের প্রতি তীর নিক্ষেপ করলে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (আহমাদ, ইবনে হিব্বান, তাহাবী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1292)


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا .




১২৯২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (মুসলিম, তাহাবী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1293)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاءِ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا .




১২৯৩। আবু মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (বুখারী, মুসলিম)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1294)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِذَا أَرَادَ اللَّهُ قَبْضَ عَبْدٍ بِأَرْضٍ جَعَلَ لَهُ بِهَا حَاجَةً .




১২৯৪। আবুল মালীহ (রহঃ) থেকে তার গোত্রের এক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী ছিলেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ কোন নির্দিষ্ট এলাকায় কোন বান্দার মৃত্যুদান করতে চাইলে সেখানে (যাওয়ার জন্য) তার একটি প্রয়োজন সৃষ্টি করে দেন। (তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1295)


حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ تَمَخَّطَ فِي ثَوْبِهِ ثُمَّ قَالَ : بَخٍ بَخٍ، أَبُو هُرَيْرَةَ يَتَمَخَّطُ فِي الْكَتَّانِ، رَأَيْتُنِي أُصْرَعُ بَيْنَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ وَالْمِنْبَرِ، يَقُولُ النَّاسُ : مَجْنُونٌ، وَمَا بِي إِلا الْجُوعُ .




১২৯৫। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি তার পরিধেয় বস্ত্রে নাক পরিষ্কার করার পর বলেন, বাহ, বাহ! আবু হুরায়রা কাতান কাপড়ে নাক পরিষ্কার করছে। আমি নিজেকে আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র ঘর ও মসজিদে নববীর মিম্বারের মধ্যস্থলে ধরাশায়ী হয়ে পড়ে থাকতে দেখেছি। লোকে বলতো, পাগল (হয়ে গেছে)। ক্ষুধার যন্ত্রণায়ই আমার এই অবস্থা হয়েছিল। (বুখারী, তিরমিযী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (1296)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ : قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّا نَجِدُ فِي أَنْفُسِنَا شَيْئًا مَا نُحِبُّ أَنْ نَتَكَلَّمَ بِهِ وَإِنَّ لَنَا مَا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ، قَالَ : أَوَ قَدْ وَجَدْتُمْ ذَلِكَ ؟ قَالُوا : نَعَمْ، قَالَ : ذَاكَ صَرِيحُ الإيمَانِ .




১২৯৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মনের মধ্যে এমন কিছু চিন্তার উদ্রেক হয় যা সূর্য উদিত হওয়ার পরিধির মধ্যকার (মূল্যবান) সবকিছুর বিনিময়েও কথায় প্রকাশ করা আমরা মোটেও সমীচীন মনে করি না। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তোমরা কি তা অনুভব করো? তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ এটিই ঈমানের সুস্পষ্ট পরিচয়। (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান)