হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (361)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ قَالَ : حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : أَخْبِرُونِي بِشَجَرَةٍ مَثَلُهَا مَثَلُ الْمُسْلِمِ، تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا، لاَ تَحُتُّ وَرَقَهَا، فَوَقَعَ فِي نَفْسِي النَّخْلَةُ، فَكَرِهْتُ أَنْ أَتَكَلَّمَ، وَثَمَّ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، فَلَمَّا لَمْ يَتَكَلَّمَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : هِيَ النَّخْلَةُ، فَلَمَّا خَرَجْتُ مَعَ أَبِي قُلْتُ : يَا أَبَتِ، وَقَعَ فِي نَفْسِي النَّخْلَةُ، قَالَ : مَا مَنَعَكَ أَنْ تَقُولَهَا ؟ لَوْ كُنْتَ قُلْتَهَا كَانَ أَحَبَّ إِلَيَّ مِنْ كَذَا وَكَذَا، قَالَ : مَا مَنَعَنِي إِلاَّ لَمْ أَرَكَ، وَلاَ أَبَا بَكْرٍ تَكَلَّمْتُمَا، فَكَرِهْتُ .




৩৬১। ইবনে উমার (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমাকে এমন একটি গাছ সম্পর্কে অবহিত করে যা মুসলিমের সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ, যা তার প্রভুর নির্দেশে অনবরত ফল দান করে এবং যার পাতাও ঝরে না। তখন আমার মনে খেজুর গাছ স্মরণ হলো। কিন্তু আবু বাকর ও উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উপস্থিত থাকাতে আমি কথা বলা অসঙ্গত মনে করলাম। তারাও কোন উত্তর দিলেন না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তা খেজুর গাছ। আমি আমার পিতার সাথে মজলিস ত্যাগ করে বললাম, পিতা! আমার মনেও খেজুর গাছের কথা উদয় হয়েছিল। তিনি বলেন, তোমাকে তা বলতে কিসে বাধা দিলো? তুমি তা বললে আমার নিকট তা এই জিনিস হতেও আনন্দদায়ক হতো। আমি বললাম, আমার বলতে কোন বাধা ছিলো না। তবে আমি দেখলাম, আপনি বা আবু বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কেউ কথা বলছেন না। তাই আমি তা বলা অসঙ্গত মনে করলাম (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (362)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ : سَمِعْتُ مُطَرِّفًا، عَنْ حَكِيمِ بْنِ قَيْسِ بْنِ عَاصِمٍ، أَنَّ أَبَاهُ أَوْصَى عِنْدَ مَوْتِهِ بَنِيهِ فَقَالَ : اتَّقُوا اللَّهَ وَسَوِّدُوا أَكْبَرُكُمْ، فَإِنَّ الْقَوْمَ إِذَا سَوَّدُوا أَكْبَرَهُمْ خَلَفُوا أَبَاهُمْ، وَإِذَا سَوَّدُوا أَصْغَرَهُمْ أَزْرَى بِهِمْ ذَلِكَ فِي أَكْفَائِهِمْ . وَعَلَيْكُمْ بِالْمَالِ وَاصْطِنَاعِهِ، فَإِنَّهُ مَنْبَهَةٌ لِلْكَرِيمِ، وَيُسْتَغْنَى بِهِ عَنِ اللَّئِيمِ . وَإِيَّاكُمْ وَمَسْأَلَةَ النَّاسِ، فَإِنَّهَا مِنْ آخِرِ كَسْبِ الرَّجُلِ . وَإِذَا مُتُّ فَلاَ تَنُوحُوا، فَإِنَّهُ لَمْ يُنَحْ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم . وَإِذَا مُتُّ فَادْفِنُونِي بِأَرْضٍ لاَ يَشْعُرُ بِدَفْنِي بَكْرُ بْنُ وَائِلٍ، فَإِنِّي كُنْتُ أُغَافِلُهُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ .




৩৬২। হাকীম ইবনে কায়েস ইবনে আসেম (রহঃ) থেকে বর্ণিত।.তার পিতা তার মৃত্যুকালে তার সন্তানদের ওসিয়াত করে বলেন, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের মধ্যকার প্রবীণ ব্যক্তিকে নেতৃত্ব দান করো। কেননা কোন সম্প্রদায় তাদের প্রবীণদের উপর নেতৃত্ব অর্পণ করলে তারা তাদের পূর্বপুরুষের অনুসরণ করে এবং তাদের বয়কনিষ্ঠদের নেতৃপদে দিলে তারা তাদের সমকক্ষদের দৃষ্টিতে তাদেরকে হেয় করে দেয়। তোমরা অবশ্যই সম্পদ সংরক্ষণ করো এবং তা উৎপাদনমুখী কাজে বিনিয়োগ করো। কেননা তা সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিকে স্মরণীয় করে এবং তা দ্বারা ইতর লোকের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে বাঁচা যায়। সাবধান! মানুষের কাছে যাঞ্চা করা থেকে বিরত থাকবে। কারণ তা হচ্ছে মানুষের উপার্জনের সর্বশেষ উপায়। আমি মারা গেলে তোমরা আমার জন্য বিলাপ করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য বিলাপ করা হয়নি। আমি মারা গেলে আমাকে এমন স্থানে দাফন করবে যেন বাকর ইবনে ওয়াইল গোত্র তা টের না পায়। কেননা জাহিলী যুগে আমি তাদের সাথে বহু অন্যায় করেছি (নাসাঈ, আহমাদ, বুখারী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (363)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أُتِيَ بِالزَّهْوِ قَالَ : اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا وَمُدِّنَا، وَصَاعِنَا، بَرَكَةً مَعَ بَرَكَةٍ، ثُمَّ نَاوَلَهُ أَصْغَرَ مَنْ يَلِيهِ مِنَ الْوِلْدَانِ .




৩৬৩। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মৌসুমের প্রথম ফল আনা হলে তিনি বলতেনঃ ”হে আল্লাহ! আমাদের শহরে এবং আমাদের ওজনে ও মাপে বরকতের সাথে আরো বরকত দিন”। অতঃপর তিনি তার নিকট উপস্থিত শিশুদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠকে তা খেতে দিতেন (মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (364)


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا، وَيَعْرِفْ حَقَّ كَبِيرِنَا .




৩৬৪। আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের দয়া করে না এবং আমাদের বড়োদের অধিকারের পরোয়া করে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (365)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مُرَّةَ أَنَّهُ قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَدُعِينَا إِلَى طَعَامٍ فَإِذَا حُسَيْنٌ يَلْعَبُ فِي الطَّرِيقِ، فَأَسْرَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَمَامَ الْقَوْمِ، ثُمَّ بَسَطَ يَدَيْهِ، فَجَعَلَ يَمُرُّ مَرَّةً هَا هُنَا وَمَرَّةً هَا هُنَا، يُضَاحِكُهُ حَتَّى أَخَذَهُ، فَجَعَلَ إِحْدَى يَدَيْهِ فِي ذَقْنِهِ وَالأُخْرَى فِي رَأْسِهِ، ثُمَّ اعْتَنَقَهُ فَقَبَّلَهُ، ثُمَّ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : حُسَيْنٌ مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ، أَحَبَّ اللَّهُ مَنْ أَحَبَّ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ، سَبِطَانِ مِنَ الأَسْبَاطِ .




৩৬৫। ইয়ালা ইবনে মুররা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আহারের এক দাওয়াতে রওয়ানা হলাম। তখন হুসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাস্তায় খেলছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্রুত গতিতে সকলের অগ্রগামী হয়ে তাঁর দুই হাত বাড়িয়ে দিলেন। তখন বালকটি এদিক ওদিক ছুটাছুটি করতে লাগলো এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাসাতে লাগলেন। শেষে তিনি তাকে ধরে ফেললেন। তিনি তাঁর এক হাত তার চোয়ালের নিচে রাখলেন এবং অপর হাত তার মাথায় রাখলেন, তারপর তাকে আলিঙ্গন করলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হুসাইন আমার থেকে এবং আমি হুসাইনের থেকে। যে ব্যক্তি হুসাইনকে ভালোবাসে আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। হুসাইন আমার নাতিদের একজন (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (366)


حَدَّثَنَا أَصْبَغُ قَالَ : أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ رَأَى عَبْدَ اللهِ بْنَ جَعْفَرٍ يُقَبِّلُ زَيْنَبَ بِنْتَ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، وَهِيَ ابْنَةُ سَنَتَيْنِ أَوْ نَحْوَهُ .




৩৬৬। বুকাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রহঃ)-কে উমার ইবনে আবু সালামার দুই বছর বয়সের কন্যা যয়নবকে চুমা দিতে দেখেন।









আল-আদাবুল মুফরাদ (367)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ خُطَّافٍ، عَنْ حَفْصٍ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ : إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ لاَ تَنْظُرَ إِلَى شَعْرِ أَحَدٍ مِنْ أَهْلِكَ، إِلاَّ أَنْ يَكُونَ أَهْلَكَ أَوْ صَبِيَّةً، فَافْعَلْ .




৩৬৭। হাসান (রহঃ) বলেন, সম্ভব হলে তুমি তোমার পরিবারের কারো চুলের দিকে দৃষ্টিপাত করবে না। তবে তোমার স্ত্রী বা ছোট্ট বালিকা হলে ভিন্ন কথা।









আল-আদাবুল মুফরাদ (368)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي الْهَيْثَمِ الْعَطَّارُ قَالَ : حَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلاَّمٍ قَالَ : سَمَّانِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُوسُفَ، وَأَقْعَدَنِي عَلَى حِجْرِهِ، وَمَسَحَ عَلَى رَأْسِي .




৩৬৮। ইউসুফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নাম রাখেন ইউসুফ। তিনি আমাকে তার কোলে বসান এবং আমার মাথায় হাত বুলান (আহমাদ, শামাইল তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (369)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلامٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ : كُنْتُ أَلْعَبُ بِالْبَنَاتِ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَ لِي صَوَاحِبُ يَلْعَبْنَ مَعِي، فَكَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ يَنْقَمِعْنَ مِنْهُ، فَيُسَرِّبُهُنَّ إِلَيَّ، فَيَلْعَبْنَ مَعِي .




৩৬৯। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পুতুল নিয়ে খেলা করতাম এবং আমার সখীরাও আমার সাথে খেলা করতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে আসলে তারা লুকিয়ে যেতো। তিনি তাদেরকে বের করে এনে আমার নিকট পাঠাতেন। তখন তারা আমার সাথে খেলা করতো (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (370)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ أَبِي غَنِيَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الْعَجْلاَنِ الْمُحَارِبِيِّ قَالَ : كُنْتُ فِي جَيْشِ ابْنِ الزُّبَيْرِ، فَتُوُفِّيَ ابْنُ عَمٍّ لِي، وَأَوْصَى بِجَمَلٍ لَهُ فِي سَبِيلِ اللهِ، فَقُلْتُ لِابْنِهِ : ادْفَعْ إِلَيَّ الْجَمَلَ، فَإِنِّي فِي جَيْشِ ابْنِ الزُّبَيْرِ، فَقَالَ : اذْهَبْ بِنَا إِلَى ابْنِ عُمَرَ حَتَّى نَسْأَلَهُ، فَأَتَيْنَا ابْنَ عُمَرَ، فَقَالَ : يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِنَّ وَالِدِي تُوُفِّيَ، وَأَوْصَى بِجَمَلٍ لَهُ فِي سَبِيلِ اللهِ، وَهَذَا ابْنُ عَمِّي، وَهُوَ فِي جَيْشِ ابْنِ الزُّبَيْرِ، أَفَأَدْفَعُ إِلَيْهِ الْجَمَلَ ؟ قَالَ ابْنُ عُمَرَ : يَا بُنَيَّ، إِنَّ سَبِيلَ اللهِ كُلُّ عَمَلٍ صَالِحٍ، فَإِنْ كَانَ وَالِدُكَ إِنَّمَا أَوْصَى بِجَمَلِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، فَإِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا مُسْلِمِينَ يَغْزُونَ قَوْمًا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، فَادْفَعْ إِلَيْهِمُ الْجَمَلَ، فَإِنْ هَذَا وَأَصْحَابَهُ فِي سَبِيلِ غِلْمَانِ قَوْمٍ أَيُّهُمْ يَضَعُ الطَّابَعَ .




৩৭০। আবুল আজলান আল-মুহারিবী (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুয যুবাইরের সামরিক বাহিনীতে ছিলাম। আমার এক চাচাতো ভাই মারা যান। তিনি তার একটি উট আল্লাহর রাস্তায় দান করার জন্য ওসিয়াত করে যান। আমি তার ছেলেকে বললাম, উটটি আমাকে দাও। কারণ আমি ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র সামরিক বাহিনীতে ছিলাম। সে বললো, চলো আমরা ইবনে উমারের কাছে যাই এবং এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করে নেই। অতএব আমরা ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র নিকট গেলাম। সে বললো, হে আবদুর রহমানের পিতা! আমার পিতা মারা গেছেন এবং তিনি তার একটি উট আল্লাহর রাস্তায় দান করার ওসিয়াত করেছেন। আর ইনি আমার চাচাতো ভাই। তিনি ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। আমি কি তাকে এই উট দিতে পারি? ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, হে আমার পুত্র। আল্লাহর রাস্তায় প্রতিটি কাজই উত্তম। তোমার পিতা যদি তার উট মহামহিম আল্লাহর রাস্তায় দান করার ওসিয়াত করে থাকেন, তবে মুশরিকদের সাথে মুসলিমদের জিহাদে তুমি তা দান করো। আর এই ব্যক্তি ও তার সাথীরা তো সমাজের যুব শ্রেণীর রাস্তায় লড়ছে। শাসন ক্ষমতার অধিকারী হয়ে কে সীলমোহর অংকিত করবে তা নিয়েই তাদের যুদ্ধ।









আল-আদাবুল মুফরাদ (371)


حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ قَالَ : حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ وَهْبٍ قَالَ : سَمِعْتُ جَرِيرًا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ لاَ يَرْحَمِ النَّاسَ لاَ يَرْحَمْهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ .




৩৭১। জারীর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, মহামহিম আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (372)


حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ : أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ قَالَ : سَمِعْتُ قَبِيصَةَ بْنَ جَابِرٍ قَالَ : سَمِعْتُ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ : مَنْ لاَ يَرْحَمُ لاَ يُرْحَمُ، وَلاَ يُغْفَرُ مَنْ لاَ يَغْفِرُ، وَلاَ يُعْفَ عَمَّنْ لَمْ يَعْفُ، وَلاَ يُوقَّ مَنْ لا يَتَوَقَّ .




৩৭২। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যে ব্যক্তি দয়া করে না, সে দয়া পায় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে না, সে ক্ষমা পায় না। যে ব্যক্তি উদারতা প্রদর্শন করে না, সে উদারতা পায় না। যে ব্যক্তি অন্যকে রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয় না সে রক্ষা পায় না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (373)


حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ عُمَرَ قَالَ : لاَ يُرْحَمُ مَنْ لاَ يَرْحَمُ، وَلاَ يُغْفَرُ لِمَنْ لاَ يَغْفِرُ، وَلاَ يُتَابُ عَلَى مَنْ لاَ يَتُوبُ، وَلاَ يُوقَّ مَنْ لا يُتَوَقَّ .




৩৭৩। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যে ব্যক্তি দয়া করে না, সে দয়া পায় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে না তাকেও ক্ষমা করা হয় না। যে ব্যক্তি ওযর কবুল করে না, তার ওযরও কবুল করা হয় না। যে ব্যক্তি অন্যকে রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয় না, সেও রক্ষা পায় না (ইবনে খুজাইমাহ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (374)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ مِخْرَاقٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ : يَا رَسُولَ اللهِ، إِنِّي لَأَذْبَحُ الشَّاةَ فَأَرْحَمُهَا، أَوْ قَالَ : إِنِّي لَأَرْحَمُ الشَّاةَ أَنْ أَذْبَحَهَا، قَالَ : وَالشَّاةُ إِنْ رَحِمْتَهَا، رَحِمَكَ اللَّهُ مَرَّتَيْنِ .




৩৭৪। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ছাগল যবেহ করি এবং দয়াপরবশ হই অথবা সে বললো, ছাগল যবেহ করতে আমার অন্তরে দয়ার উদ্রেক হয়। তিনি দুইবার বলেনঃ তুমি যদি ছাগলের প্রতি দয়াপরবশ হও, তবে আল্লাহও তোমার প্রতি দয়াপরবশ হবেন (মুজামুস সগীর)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (375)


حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ مَوْلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ يَقُولُ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم الصَّادِقَ الْمَصْدُوقَ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : لاَ تُنْزَعُ الرَّحْمَةُ إِلا مِنْ شَقِيٍّ .




৩৭৫। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি সত্যবাদী এবং সত্যবাদী বলে সমর্থিত নবী আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ হতভাগা ছাড়া আর কারো অন্তর থেকে দয়ামায়া তুলে নেয়া হয় না (তিরমিযী, আবু দাউদ, আহমাদ, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (376)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ قَالَ : أَخْبَرَنِي قَيْسٌ قَالَ : أَخْبَرَنِي جَرِيرٌ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ لا يَرْحَمُ النَّاسَ لا يَرْحَمُهُ اللَّهُ .




৩৭৬। জারীর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন না (বুখারী, মুসলিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (377)


حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَرْحَمَ النَّاسِ بِالْعِيَالِ، وَكَانَ لَهُ ابْنٌ مُسْتَرْضَعٌ فِي نَاحِيَةِ الْمَدِينَةِ، وَكَانَ ظِئْرُهُ قَيْنًا، وَكُنَّا نَأْتِيهِ، وَقَدْ دَخَنَ الْبَيْتُ بِإِذْخِرٍ، فَيُقَبِّلُهُ وَيَشُمُّهُ .




৩৭৭। আনাস ইবনে মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মানুষের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন পরিবার-পরিজনের প্রতি সর্বাধিক দয়ালু। তাঁর এক পুত্র ছিল মদীনার উপকণ্ঠে এক মহিলার দুগ্ধপোষ্য। তার স্বামী ছিল লোহাড়। আমরা সেখানে যেতাম। ঘরটি ইযখির ঘাসের ধোঁয়ায় ভরে যেতো। তিনি তাকে চুমা দিতেন এবং নাক লাগিয়ে ঘ্ৰাণ নিতেন (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (378)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ وَمَعَهُ صَبِيٌّ، فَجَعَلَ يَضُمُّهُ إِلَيْهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : أَتَرْحَمُهُ ؟ قَالَ : نَعَمْ، قَالَ : فَاللَّهُ أَرْحَمُ بِكَ مِنْكَ بِهِ، وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ .




৩৭৮। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক ব্যক্তি একটি শিশুসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলো। সে তাকে নিজ দেহের সাথে লাগাচ্ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি তার প্রতি মায়া করো? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তার প্রতি তোমার চেয়ে অধিক দয়াপরবশ এবং তিনি দয়ালুদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু (নাসাঈ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (379)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ سُمَيٍّ مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقٍ اشْتَدَّ بِهِ الْعَطَشُ، فَوَجَدَ بِئْرًا فَنَزَلَ فِيهَا، فَشَرِبَ ثُمَّ خَرَجَ، فَإِذَا كَلْبٌ يَلْهَثُ، يَأْكُلُ الثَّرَى مِنَ الْعَطَشِ، فَقَالَ الرَّجُلُ : لَقَدْ بَلَغَ هَذَا الْكَلْبَ مِنَ الْعَطَشِ مِثْلُ الَّذِي كَانَ بَلَغَنِي، فَنَزَلَ الْبِئْرَ فَمَلَأَ خُفَّاهُ، ثُمَّ أَمْسَكَهَا بِفِيهِ، فَسَقَى الْكَلْبَ، فَشَكَرَ اللَّهُ لَهُ، فَغَفَرَ لَهُ، قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، وَإِنَّ لَنَا فِي الْبَهَائِمِ أَجْرًا ؟ قَالَ : فِي كُلِّ ذَاتِ كَبِدٍ رَطْبَةٍ أَجْرٌ .




৩৭৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একদা এক ব্যক্তি পথ চলতে চলতে তার ভীষণ পিপাসা লাগলো। সে একটি কূপ দেখতে পেয়ে তাতে নামলো এবং পানি পান করে উঠে আসলো। তখন সে দেখলো যে, একটি কুকুর পিপাসার্ত হয়ে হাপাচ্ছে এবং ভিজা মাটি চাটছে। লোকটি মনে মনে বললো, আমি যেমন পিপাসার্ত হয়েছিলাম, কুকুরটিরও তদ্রুপ পিপাসা লেগেছে। সে পুনরায় কূপে নামলো এবং তার মোজা ভর্তি করে পানি তুলে তা নিজের দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে উপরে আসলো এবং কুকুরটিকে তা পান করালো। আল্লাহ তার এই কাজ কবুল করলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! পশুর জন্যও কি আমাদেরকে সওয়াব দেয়া হবে? তিনি বলেনঃ প্রতিটি প্রাণধারী সৃষ্টির সেবার জন্য সওয়াব রয়েছে (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মুওয়াত্তা মালিক, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (380)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِي هِرَّةٍ حَبَسَتْهَا حَتَّى مَاتَتْ جُوعًا، فَدَخَلَتِ فِيهَا النَّارَ، يُقَالُ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ : لاَ أَنْتِ أَطْعَمْتِيهَا، وَلاَ سَقِيتِيهَا حِينَ حَبَسْتِيهَا، وَلاَ أَنْتِ أَرْسَلْتِيهَا، فَأَكَلَتْ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ .




৩৮০। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এক নারী একটি বিড়ালের কারণে দোযখের শাস্তি প্রাপ্ত হয়। সে সেটিকে বেঁধে রেখেছিল, ফলে অনাহারে তার মৃত্যু হয় এবং সেই কারণে উক্ত নারী দোযখে যায়। তাকে বলা হবে, আল্লাহ অধিক অবগত, তুই একে আটকে রাখা অবস্থায় না একে খাদ্য ও পানীয় দিলি আর না একে ছেড়ে দিলি যে, পোকা-মাকড় খেয়ে তার জীবন রক্ষা করতে পারতো (বুখারী, মুসলিম)।