আল-আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ : أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ : أَرْسَلَ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَاطِمَةَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَاسْتَأْذَنَتْ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَعَ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فِي مِرْطِهَا، فَأَذِنَ لَهَا فَدَخَلَتْ، فَقَالَتْ : إِنَّ أَزْوَاجَكَ أَرْسَلْنَنِي يَسْأَلْنَكَ الْعَدْلَ فِي بِنْتِ أَبِي قُحَافَةَ، قَالَ : أَيْ بُنَيَّةُ، أَتُحِبِّينَ مَا أُحِبُّ ؟ قَالَتْ : بَلَى، قَالَ : فَأَحِبِّي هَذِهِ، فَقَامَتْ فَخَرَجَتْ فَحَدَّثَتْهُمْ، فَقُلْنَ : مَا أَغْنَيْتِ عَنَّا شَيْئًا فَارْجِعِي إِلَيْهِ، قَالَتْ : وَاللَّهِ لاَ أُكَلِّمُهُ فِيهَا أَبَدًا . فَأَرْسَلْنَ زَيْنَبَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَاسْتَأْذَنَتْ، فَأَذِنَ لَهَا، فَقَالَتْ لَهُ ذَلِكَ، وَوَقَعَتْ فِيَّ زَيْنَبُ تَسُبُّنِي، فَطَفِقْتُ أَنْظُرُ : هَلْ يَأْذَنُ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمْ أَزَلْ حَتَّى عَرَفْتُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَكْرَهُ أَنْ أَنْتَصِرَ، فَوَقَعْتُ بِزَيْنَبَ، فَلَمْ أَنْشَبْ أَنْ أَثْخَنْتُهَا غَلَبَةً، فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قَالَ : أَمَا إِنَّهَا ابْنَةُ أَبِي بَكْرٍ .
৫৬১। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণ ফাতেমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পাঠান। তিনি (গিয়ে) অনুমতি প্রার্থনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বিছানায় ছিলেন। তিনি তাকে প্রবেশের অনুমতি দিলেন। তিনি প্রবেশ করে বলেন, আপনার স্ত্রীগণ আবু কুহাফার কন্যার ব্যাপারে তাদের প্রতি সুবিচার প্রার্থনা করার জন্য আমাকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তিনি বলেনঃ হে আমার কন্যা! আমি যা ভালোবাসি তুমি কি তা ভালোবাসবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ তবে তুমি তাকে (আয়েশা) ভালোবাসবে। অতঃপর ফাতেমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উঠে চলে এলেন এবং বিষয়টি তাদের বললেন। তারা বলেন, তুমি আমাদের কোন উপকার করতে পারলে না। তুমি আবার তাঁর কাছে যাও।
তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! এই প্রসঙ্গে আমি আর কখনো তাঁর সাথে কথা বলবো না। অতঃপর তারা নবী-পত্নী যয়নব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে পাঠান। তিনি গিয়ে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন। তিনি তখন সেই কথা তাঁকে বলেন। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যয়নব আমাকে গালি দিয়ে কথা বলতে লাগলো। আমি অপেক্ষা করতে থাকলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে (প্রতিউত্তরের) অনুমতি দেন কিনা। আমি যখন বুঝতে পারলাম যে, আমি প্রত্যুত্তর করলে তিনি অপছন্দ করবেন না, তখন আমিও যয়নবের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম এবং তাকে পরাস্ত করে ছাড়লাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসলেন এবং বললেনঃ সাবধান! সে তো আবু বাকরের কন্যা। (মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ بَشِيرٍ الْجَهْضَمِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا عُمَارَةُ الْمَعْوَلِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : يَكُونُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ مَجَاعَةٌ، مَنْ أَدْرَكَتْهُ فَلاَ يَعْدِلَنَّ بِالأَكْبَادِ الْجَائِعَةِ .
৫৬২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, শেষ যমানায় দুর্ভিক্ষ হবে। যে ব্যক্তি সেই যুগ পাবে, সে যেন ক্ষুধার্ত প্রাণীদের প্রতি অবিচার না করে।
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ الأَنْصَارَ قَالَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : اقْسِمْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ إِخْوَانِنَا النَّخِيلَ، قَالَ : لاَ، فَقَالُوا : تَكْفُونَا الْمَؤُونَةَ، وَنُشْرِكُكُمْ فِي الثَّمَرَةِ ؟ قَالُوا : سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا .
৫৬৩। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। আনসার সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলেন, আমাদের এবং আমাদের (মুহাজির) ভাইদের মধ্যে খেজুর বাগান ভাগ করে দিন। তিনি বলেনঃ না। তারা বলেন, আপনারা আমাদের বাগানে মেহনত করুন, আপনাদের ভাগ দেবো। তারা (মুহাজিররা) বলেন, আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)
حَدَّثَنَا أَصْبَغُ قَالَ : أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَالِمًا أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ عَامَ الرَّمَادَةِ، وَكَانَتْ سَنَةً شَدِيدَةً مُلِمَّةً، بَعْدَ مَا اجْتَهَدَ عُمَرُ فِي إِمْدَادِ الأعْرَابِ بِالإِبِلِ وَالْقَمْحِ وَالزَّيْتِ مِنَ الأَرْيَافِ كُلِّهَا، حَتَّى بَلَحَتِ الأَرْيَافُ كُلُّهَا مِمَّا جَهَدَهَا ذَلِكَ، فَقَامَ عُمَرُ يَدْعُو فَقَالَ : اللَّهُمَّ اجْعَلْ رِزْقَهُمْ عَلَى رُءُوسِ الْجِبَالِ، فَاسْتَجَابَ اللَّهُ لَهُ وَلِلْمُسْلِمِينَ، فَقَالَ حِينَ نَزَلَ بِهِ الْغَيْثُ : الْحَمْدُ لِلَّهِ، فَوَاللَّهِ لَوْ أَنَّ اللَّهَ لَمْ يُفْرِجْهَا مَا تَرَكْتُ بِأَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ لَهُمْ سَعَةٌ إِلاَّ أَدْخَلْتُ مَعَهُمْ أَعْدَادَهُمْ مِنَ الْفُقَرَاءِ، فَلَمْ يَكُنِ اثْنَانِ يَهْلِكَانِ مِنَ الطَّعَامِ عَلَى مَا يُقِيمُ وَاحِدًا .
৫৬৪। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দুর্ভিক্ষের বছর বলেন, আর সেই বছরটি ছিল ভীষণ দুর্বিপাক ও কষ্টের। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পল্লী অঞ্চলের বেদুইনদের উট, খাদ্যশস্য ও তৈল প্রভৃতি সাহায্য সামগ্ৰী পৌঁছাবার চেষ্টা করেন। এমনকি তিনি গ্রামাঞ্চলের এক খণ্ড জমিও অনাবাদী পড়ে থাকতে দেননি এবং তার চেষ্টা ফলপ্রসূ হলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দোয়া করতে দাঁড়িয়ে বলেন, ”হে আল্লাহ! আপনি তাদের রিযিক পর্বত চূড়ায় পৌছে দিন”। আল্লাহ তার এবং মুসলিমদের দোয়া কবুল করলেন। তখন বৃষ্টি বর্ষিত হলে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর)। আল্লাহর শপথ! যদি আল্লাহ এই বিপর্যয় দূর না করতেন, তবে আমি কোন সচ্ছল মুসলিম পরিবারকেই তাদের সাথে সম-সংখ্যক অভাবী লোককে যোগ না করে ছাড়তাম না। যতটুকু খাদ্যে একজন জীবন ধারণ করতে পারে, তার সাহায্যে দু’জন লোক ধ্বংস থেকে রক্ষা পেতে পারে।
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : ضَحَايَاكُمْ، لاَ يُصْبِحُ أَحَدُكُمْ بَعْدَ ثَالِثَةٍ، وَفِي بَيْتِهِ مِنْهُ شَيْءٌ . فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، نَفْعَلُ كَمَا فَعَلْنَا الْعَامَ الْمَاضِيَ ؟ قَالَ : كُلُوا وَادَّخِرُوا، فَإِنَّ ذَلِكَ الْعَامَ كَانُوا فِي جَهْدٍ فَأَرَدْتُ أَنْ تُعِينُوا .
৫৬৫। সালামা ইবনুল আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোরবানী করে, সে যেন তৃতীয় দিনের পর এমন অবস্থায় ভোরে উপনীত না হয় যে, তার ঘরে কোরবানীর গোশতের কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে। পরবর্তী বছর আসলে লোকেরা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা গত বছর যেরূপ করেছিলাম, এ বছরও কি তদ্রুপ করবো? তিনি বলেনঃ নিজেরা খাও, অন্যকে খেতে দাও এবং জমা রাখো। (যেহেতু) ঐ বছর মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম যে, এই অবস্থায় তোমরা তাদের সাহায্য করো। (বুখারী, মুসলিম)
حَدَّثَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ مُعَاوِيَةَ، فَحَدَّثَ نَفْسَهُ، ثُمَّ انْتَبَهَ فَقَالَ : لاَ حِلْمَ إِلاَّ تَجْرِبَةٌ، يُعِيدُهَا ثَلاثًا .
৫৬৬। হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুয়াবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট বসা ছিলাম। তার মনে যেন কি চিন্তার উদ্রেক হলো। অতঃপর তিনি সচকিত হয়ে বলেন, অভিজ্ঞতা ও অনুশীলন দ্বারাই সহিষ্ণুতা অর্জিত হয়। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। (ইবনে আবু শায়বাহ, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ زَحْرٍ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ : لاَ حَلِيمَ إِلاَّ ذُو عَثْرَةٍ، وَلاَ حَكِيمَ إِلاَّ ذُو تَجْرِبَةٍ .
৫৬৭। আবু সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পদে পদে বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিই সহনশীল ও ধৈর্যশীল হয় এবং অভিজ্ঞতা ছাড়া বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান হওয়া যায়। না (বুখারী, তিরমিযী, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)(1)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ أَبُو الرَّبِيعِ، قَالَ : حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ نَشْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ عَلِيٍّ قَالَ : لأَنْ أَجْمَعَ نَفَرًا مِنْ إِخْوَانِي عَلَى صَاعٍ أَوْ صَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ، أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَخْرُجَ إِلَى سُوقِكُمْ فَأُعْتِقَ رَقَبَةً .
৫৬৮। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমার কতক ভাইকে একত্র করে তাদেরকে আমার এক বা দুই সা পরিমাণ আহার করানো—তোমাদের বাজারে গিয়ে আমার একটি গোলাম (খরিদ করে তাবারানী) দাসত্বমুক্ত করার চেয়ে আমার নিকট অধিক প্রিয়।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : شَهِدْتُ مَعَ عُمُومَتِي حِلْفَ الْمُطَيَّبِينَ، فَمَا أُحِبُّ أَنْ أَنْكُثَهُ، وَأَنَّ لِي حُمْرَ النَّعَمِ .
৫৬৯। আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি আমার চাচাদের সাথে মুতাইয়্যাবীনের চুক্তিতে (হিলফুল ফুযূল) শরীক ছিলাম। বহুমূল্য লাল উটের বিনিময়েও তা লংঘন করা আমার পছন্দনীয় নয় (আহমাদঃ ১৬৫৫ ও ১৬৭৬)।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : آخَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ ابْنِ مَسْعُودٍ وَالزُّبَيْرِ .
৫৭০। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র মধ্যে ভ্রাতৃ সম্পর্ক স্থাপন করিয়ে দেন (আহমাদ)।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : حَالَفَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ قُرَيْشٍ وَالأَنْصَارِ فِي دَارِي الَّتِي بِالْمَدِينَةِ .
৫৭১। আনাস ইবনে মালেক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মদীনার বাড়িতে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে বন্ধুত্ব চুক্তি স্থাপন করেন (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)।
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ قَالَ : حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ : جَلَسَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَامَ الْفَتْحِ عَلَى دَرَجِ الْكَعْبَةِ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ : مَنْ كَانَ لَهُ حِلْفٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، لَمْ يَزِدْهُ الإِسْلاَمُ إِلاَّ شِدَّةً، وَلاَ هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْحِ .
৫৭২। আমর ইবনে শুয়াইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবা ঘরের সিঁড়িতে বসলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর বলেনঃ জাহিলী যুগে যার চুক্তি ছিল, ইসলাম তা আরো মজবুত করেছে এবং মক্কা বিজয়ের পর আর হিজরত নাই। (তিরমিযী, আহমাদ, ইবনে খুজাইমাহ)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : أَصَابَنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَطَرٌ، فَحَسَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثَوْبَهُ عَنْهُ حَتَّى أَصَابَهُ الْمَطَرُ، قُلْنَا : لِمَ فَعَلْتَ ؟ قَالَ : لأَنَّهُ حَدِيثُ عَهْدٍ بِرَبِّهِ .
৫৭৩। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সংগে থাকা অবস্থায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হতে লাগলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দেহের উপরিভাগ থেকে কাপড় সরিয়ে দিলেন। ফলে তাঁর শরীর বৃষ্টিতে ভিজে গেলো। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কেন এরূপ করলেন? তিনি বলেনঃ যেহেতু মহান প্রভুর কাছ থেকে সদ্য আগত (তাই আমি তা শরীরে লাগিয়ে নিলাম বরকতের জন্য)।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ خُثَيْمٍ أَنَّهُ قَالَ : كُنْتُ جَالِسًا مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ بِأَرْضِهِ بِالْعَقِيقِ، فَأَتَاهُ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَلَى دَوَابَّ، فَنَزَلُوا، قَالَ حُمَيْدٌ : فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ : اذْهَبْ إِلَى أُمِّي وَقُلْ لَهَا : إِنَّ ابْنَكِ يُقْرِئُكِ السَّلاَمَ وَيَقُولُ : أَطْعِمِينَا شَيْئًا، قَالَ : فَوَضَعَتْ ثَلاَثَةَ أَقْرَاصٍ مِنْ شَعِيرٍ، وَشَيْئًا مِنْ زَيْتٍ وَمِلْحٍ فِي صَحْفَةٍ، فَوَضَعْتُهَا عَلَى رَأْسِي، فَحَمَلْتُهَا إِلَيْهِمْ، فَلَمَّا وَضَعْتُهُ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ، كَبَّرَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَقَالَ : الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَشْبَعَنَا مِنَ الْخُبْزِ بَعْدَ أَنْ لَمْ يَكُنْ طَعَامُنَا إِلاَّ الأَسْوَدَانِ : التَّمْرُ وَالْمَاءُ، فَلَمْ يُصِبِ الْقَوْمُ مِنَ الطَّعَامِ شَيْئًا، فَلَمَّا انْصَرَفُوا قَالَ : يَا ابْنَ أَخِي، أَحْسِنْ إِلَى غَنَمِكَ، وَامْسَحْ الرُّغَامَ عَنْهَا، وَأَطِبْ مُرَاحَهَا، وَصَلِّ فِي نَاحِيَتِهَا، فَإِنَّهَا مِنْ دَوَابِّ الْجَنَّةِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَيُوشِكُ أَنْ يَأْتِيَ عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ تَكُونُ الثُّلَّةُ مِنَ الْغَنَمِ أَحَبَّ إِلَى صَاحِبِهَا مِنْ دَارِ مَرْوَانَ .
৫৭৪। হুমাইদ ইবনে মালেক ইবনে খায়ছাম (রহঃ) বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে তার আকীক নামক স্থানের ভূমিতে বসা ছিলাম। তখন জন্তুযানে আরোহী একদল মদীনাবাসী তার নিকট উপস্থিত হন। তারা অবতরণ করলেন। হুমাইদ (রহঃ) বলেন, আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেন, আমার মায়ের নিকট গিয়ে বলো, আপনার পুত্র আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং বলেছেন, আমাদের কিছু আহার করান। রাবী বলেন, তিনি তিনটি যবের পিঠা, কিছু যায়তুন তৈল ও কিছু লবণ একটি পেয়ালায় করে দিলেন। আমি তা আমার মাথায় তুলে নিয়ে তাদের নিকট ফিরে এলাম। আমি তা তাদের সামনে রেখে দিলে আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ”আল্লাহু আকবার” বলেন এবং আরো বলেন, সেই সত্তার প্রশংসা যিনি আমাদের রুটি খাওয়ালেন। নতুবা এমন একদিন ছিল যখন দু’টি কালো বস্তু অর্থাৎ খেজুর ও পানি ছাড়া আমাদের আর কিছু জুটতো না। এই খাদ্যে দলের লোকজনের কিছু হলো না। তারা চলে গেলে আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বলেন, হে ভাইপো! তোমার ছাগলগুলোর খুব যত্ন করো, এগুলোর গায়ের ধুলাবালি ঝেড়ে দাও, এগুলোর খোঁয়াড় পরিষ্কার রাখো এবং এর এক কোণে নামায পড়ো। কেননা এগুলো বেহেশতের জীবজন্তু। যাঁর হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার শপথ। অচিরেই লোকজনের উপর এমন এক সময় আসবে যখন এক পাল ছাগল তার মালিকের নিকট মারোয়ানের রাজপ্রাসাদের চেয়েও প্রিয়তর হবে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ الأَزْرَقُ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : الشَّاةُ فِي الْبَيْتِ بَرَكَةٌ، وَالشَّاتَانِ بَرَكَتَانِ، وَالثَّلاَثُ بَرَكَاتٌ .
৫৭৫। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঘরে একটি বকরী একটি বরকতস্বরূপ, দুইটি বকরী দুইটি বরকতস্বরূপ এবং তিনটি বকরী অনেক বরকত।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : رَأْسُ الْكُفْرِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ، وَالْفَخْرُ وَالْخُيَلاَءُ فِي أَهْلِ الْخَيْلِ وَالإِبِلِ، الْفَدَّادِينَ أَهْلِ الْوَبَرِ، وَالسَّكِينَةُ فِي أَهْلِ الْغَنَمِ .
৫৭৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কুফরীর মূল পূর্ব দিকে (প্রাচ্যে), দম্ভ ও অহংকার উট ও ঘোড়ার পালের মালিকদের মধ্যে এবং বেদুইনদের মধ্যে যারা তাদের উটের পাল নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং দীনের প্রতি মনোযোগী হয় না। আর প্রশান্তি ছাগলের মালিকের মধ্যে। (বুখারী, মুসলিম)
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : عَجِبْتُ لِلْكِلاَبِ وَالشَّاءِ، إِنَّ الشَّاءَ يُذْبَحُ مِنْهَا فِي السَّنَةِ كَذَا وَكَذَا، وَيُهْدَى كَذَا وَكَذَا، وَالْكَلْبُ تَضَعُ الْكَلْبَةُ الْوَاحِدَةُ كَذَا وَكَذَا وَالشَّاءُ أَكْثَرُ مِنْهَا .
৫৭৭। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কুকুর ও ছাগলের ব্যাপারে আমি বিস্মিত হই। ছাগল বছরে এতো এতো সংখ্যক যবেহ করা হয়, এতো এতো সংখ্যক কোরবানী করা হয়। আর কুকুর, এক একটি মাদী কুকুর এতো এতো সংখ্যক শাবক প্রসব করে। অথচ ছাগলের সংখ্যা কুকুরের চেয়ে অধিক।
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي هِنْدَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ قَالَ : قَالَ لِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ : يَا أَبَا ظَبْيَانَ، كَمْ عَطَاؤُكَ ؟ قُلْتُ : أَلْفَانِ وَخَمْسُمِئَةٍ، قَالَ لَهُ : يَا أَبَا ظَبْيَانَ، اتَّخِذْ مِنَ الْحَرْثِ وَالسَّابْيَاءِ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَلِيَكُمْ غِلْمَةُ قُرَيْشٍ، لاَ يُعَدُّ الْعَطَاءُ مَعَهُمْ مَالاً .
৫৭৮। আবু যাবয়ান (রহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বলেন, হে আবু যাবয়ান। তোমার রাষ্ট্ৰীয় ভাতার পরিমাণ কতো? আমি বললাম, আড়াই হাজার। তিনি তাকে বলেন, হে আবু যাবয়ান! কুরাইশ বংশের গোলামেরা তোমাদের শাসক হওয়ার পূর্বেই তুমি চাষাবাদ ও পশুপালনে মনোযোগী হও। তাদের সামনে ভাতা কোন উল্লেখযোগ্য সম্পদ নয়।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، سَمِعْتُ عَبْدَةَ بْنَ حَزْنٍ يَقُولُ : تَفَاخَرَ أَهْلُ الإِبِلِ وَأَصْحَابُ الشَّاءِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : بُعِثَ مُوسَى وَهُوَ رَاعِي غَنَمٍ، وَبُعِثَ دَاوُدُ وَهُوَ رَاعٍ، وَبُعِثْتُ أَنَا وَأَنَا أَرْعَى غَنَمًا لأَهْلِي بِأَجْيَادِ .
৫৭৯। আবদা ইবনে হুযন (রহঃ) বলেন, উট পালের মালিক ও বকরীর পালের মালিকগণ পরস্পর গর্ব প্রকাশ করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মূসা (আঃ) মেষপাল চরানো অবস্থায় নবুয়াত লাভ করেন। দাউদ (আঃ) মেষপাল চরানো অবস্থায় নবুয়াত লাভ করেন। আমিও আজয়াদ নামক স্থানে আমার পরিবারের মেষপাল চরানো অবস্থায় নবুয়াত লাভ করি। (নাসাঈ)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : الْكَبَائِرُ سَبْعٌ، أَوَّلُهُنَّ : الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَقَتْلُ النَّفْسِ، وَرَمْيُ الْمُحْصَنَاتِ، وَالأعْرَابِيَّةُ بَعْدَ الْهِجْرَةِ .
৫৮০। আবু হুরায়রা (রহঃ) বলেন, কবীরা গুনাহ সাতটি। তার প্রথমটি আল্লাহর সাথে শরীক করা (২) নরহত্যা, (৩) সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি যেনার মিথ্যা অপবাদ রটানো এবং (৪) হিজরতের পর পুনরায় যাযাবর জীবন বরণ করা।