হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (581)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَاصِمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ قَالَ : حَدَّثَنِي صَفْوَانُ قَالَ : سَمِعْتُ رَاشِدَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ : سَمِعْتُ ثَوْبَانَ يَقُولُ : قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : لاَ تَسْكُنِ الْكُفُورَ، فَإِنَّ سَاكِنَ الْكُفُورِ كَسَاكِنِ الْقُبُورِ قَالَ أَحْمَدُ : الْكُفُورُ : الْقُرَى .




৫৮১। সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেনঃ তুমি বিরানভূমিতে বসতি স্থাপন করো না। কেননা বিরানভূমির অধিবাসী যেন কবরের অধিবাসী। আহমাদ (রহঃ) বলেন, কাফূর শব্দের অর্থ গ্রামাঞ্চল।









আল-আদাবুল মুফরাদ (582)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا بَقِيَّةُ ، قَالَ : حَدَّثَنِي صَفْوَانُ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَاشِدَ بْنَ سَعْدٍ ، يَقُولُ : سَمِعْتُ ثَوْبَانَ ، قَالَ : قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " يَا ثَوْبَانُ ، لا تَسْكُنِ الْكُفُورَ ، فَإِنَّ سَاكِنَ الْكُفُورِ كَسَاكِنِ الْقُبُورِ




৫৮২। সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ হে সাওবান! বিরানভূমিতে বসবাস করো না। কেননা বিরানভূমির বাসিন্দা কবরের বাসিন্দা তুল্য।









আল-আদাবুল মুফরাদ (583)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ : حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الْبَدْوِ قُلْتُ : وَهَلْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَبْدُو ؟ فَقَالَتْ : نَعَمْ، كَانَ يَبْدُو إِلَى هَؤُلاَءِ التِّلاعِ .




৫৮৩। মিকদাম ইবনে শুরায়হ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে মরু এলাকায় বসবাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মরুময় এলাকায় যেতেন! তিনি বলেনঃ তিনি (পাহাড়ের উপর থেকে নিচে প্রবাহিত) ঐসব পানির উৎসে যেতেন (আবু দাউদ, মুসলিম, আহমাদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (584)


حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصِ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ وَهْبٍ قَالَ : رَأَيْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللهِ بْنِ أُسَيْدٍ إِذَا رَكِبَ، وَهُوَ مُحْرِمٌ، وَضَعَ ثَوْبَهُ عَنْ مَنْكِبَيْهِ، وَوَضَعَهُ عَلَى فَخِذَيْهِ، فَقُلْتُ : مَا هَذَا ؟ قَالَ : رَأَيْتُ عَبْدَ اللهِ يَفْعَلُ مِثْلَ هَذَا .




৫৮৪। আমর ইবনে ওয়াহব (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উসাইদ (রহঃ)-কে দেখেছি যে, তিনি ইহরাম অবস্থায় জন্তুযানে আরোহণ করলে, তার দুই কাঁধের উপর থেকে কাপড় তার দুই উরুর উপর রাখতেন। আমি বললাম, এটা কি? তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এরূপ করতে দেখেছি।









আল-আদাবুল মুফরাদ (585)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ قَالَ : أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَرَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ كَانَا جَالِسَيْنِ، فَجَاءَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْقَارِيِّ فَجَلَسَ إِلَيْهِمَا، فَقَالَ عُمَرُ : إِنَّا لاَ نُحِبُّ مَنْ يَرْفَعُ حَدِيثَنَا، فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ : لَسْتُ أُجَالِسُ أُولَئِكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَ عُمَرُ : بَلَى، فَجَالِسْ هَذَا وَهَذَا، وَلاَ تَرْفَعْ حَدِيثَنَا، ثُمَّ قَالَ لِلأَنْصَارِيِّ : مَنْ تَرَى النَّاسَ يَقُولُونَ يَكُونُ الْخَلِيفَةَ بَعْدِي ؟ فَعَدَّدَ الأَنْصَارِيُّ رِجَالاً مِنَ الْمُهَاجِرِينَ، لَمْ يُسَمِّ عَلِيًّا، فَقَالَ عُمَرُ : فَمَا لَهُمْ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ ؟ فَوَاللَّهِ إِنَّهُ لَأَحْرَاهُمْ، إِنْ كَانَ عَلَيْهِمْ، أَنْ يُقِيمَهُمْ عَلَى طَرِيقَةٍ مِنَ الْحَقِّ .




৫৮৫। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কারী (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও এক আনসার ব্যক্তি একত্রে বসা ছিলেন। আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কারী (রহঃ) এসে তাদের নিকট বসলেন। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের কথা অন্যদের কাছে পৌছায় আমরা তাকে পছন্দ করি না। আবদুর রহমান (রহঃ) তাকে বলেন, হে আমীরুল মুমিনীন। আমি তাদের সাথে ওঠাবসা করি না। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, হাঁ, তুমি এর সাথে ওর সাথে ওঠাবসা করো, কিন্তু আমাদের (গোপন) কথা কোথাও ফাঁস করো না। অতঃপর তিনি আনসারীকে বলেন, আচ্ছা! আমার পরে কে খলীফা হবে বলে লোকজন আলোচনা করে? আনসারী মুহাজিরদের বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করলেন, কিন্তু তাতে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নাম উল্লেখ করেননি? উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তারা হাসানের পিতার (আলীর) কথা বলে না কেন? আল্লাহর শপথ তিনি তাদের শাসনভার প্রাপ্ত হলে তিনিই তাদের সত্য পথে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখার ব্যাপারে সর্বাধিক যোগ্য।









আল-আদাবুল মুফরাদ (586)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو هِلاَلٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، أَنَّ رَجُلاً تُوُفِّيَ وَتَرَكَ ابْنًا لَهُ وَمَوْلًى لَهُ، فَأَوْصَى مَوْلاَهُ بِابْنِهِ، فَلَمْ يَأْلُوهُ حَتَّى أَدْرَكَ وَزَوَّجَهُ، فَقَالَ لَهُ : جَهَّزْنِي أَطْلُبِ الْعِلْمَ، فَجَهَّزَهُ، فَأَتَى عَالِمًا فَسَأَلَهُ، فَقَالَ : إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَنْطَلِقَ فَقُلْ لِي أُعَلِّمْكَ، فَقَالَ : حَضَرَ مِنِّي الْخُرُوجُ فَعَلِّمْنِي، فَقَالَ : اتَّقِ اللَّهَ وَاصْبِرْ، وَلاَ تَسْتَعْجِلْ . قَالَ الْحَسَنُ : فِي هَذَا الْخَيْرُ كُلُّهُ، فَجَاءَ وَلاَ يَكَادُ يَنْسَاهُنَّ، إِنَّمَا هُنَّ ثَلاَثٌ، فَلَمَّا جَاءَ أَهْلَهُ نَزَلَ عَنْ رَاحِلَتِهِ، فَلَمَّا نَزَلَ الدَّارَ إِذَا هُوَ بِرَجُلٍ نَائِمٍ مُتَرَاخٍ عَنِ الْمَرْأَةِ، وَإِذَا امْرَأَتُهُ نَائِمَةٌ، قَالَ : وَاللَّهِ مَا أُرِيدُ مَا أَنْتَظِرُ بِهَذَا ؟ فَرَجَعَ إِلَى رَاحِلَتِهِ، فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَأْخُذَ السَّيْفَ قَالَ : اتَّقِ اللَّهَ وَاصْبِرْ، وَلاَ تَسْتَعْجِلْ . فَرَجَعَ، فَلَمَّا قَامَ عَلَى رَأْسِهِ قَالَ : مَا أَنْتَظِرُ بِهَذَا شَيْئًا، فَرَجَعَ إِلَى رَاحِلَتِهِ، فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَأْخُذَ سَيْفَهُ ذَكَرَهُ، فَرَجَعَ إِلَيْهِ، فَلَمَّا قَامَ عَلَى رَأْسِهِ اسْتَيْقَظَ الرَّجُلُ، فَلَمَّا رَآهُ وَثَبَ إِلَيْهِ فَعَانَقَهُ وَقَبَّلَهُ، وَسَاءَلَهُ قَالَ : مَا أَصَبْتَ بَعْدِي ؟ قَالَ : أَصَبْتُ وَاللَّهِ بَعْدَكَ خَيْرًا كَثِيرًا، أَصَبْتُ وَاللَّهِ بَعْدَكَ : أَنِّي مَشَيْتُ اللَّيْلَةَ بَيْنَ السَّيْفِ وَبَيْنَ رَأْسِكَ ثَلاَثَ مِرَارٍ، فَحَجَزَنِي مَا أَصَبْتُ مِنَ الْعِلْمِ عَنْ قَتْلِكَ .




৫৮৬। হাসান বসরী (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি মৃত্যুকালে একটি পুত্র সস্তান ও একটি মুক্তদাস রেখে যায়। সে তার পুত্রের বিষয়ে তার মুক্তদাসকে ওসিয়াত করে যায়। সে তার ব্যাপারে কোন অবহেলা করেনি। ছেলেটি বালেগ হলে সে তাকে বিবাহও করায়। সে মুক্তদাসকে বললো, আমার সফরের আয়োজন করে দাও। আমি জ্ঞান অন্বেষণ করবো। সে তার সফরের আয়োজন করে দিলো। অতএব সে একজন আলেমের নিকট এসে তার কাছে জ্ঞানদানের আবেদন করলো। আলেম ব্যক্তি তাকে বলেন, তোমার ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তখন আমাকে বলবে, আমি তোমাকে জ্ঞানের কথা শিখাবো। সে আলেমকে বললো, আমার প্রত্যাবর্তনের সময় হয়েছে। আপনি আমাকে জ্ঞানের কথা শিখিয়ে দিন।

আলেম বলেন, ”তুমি আল্লাহকে ভয় করো, ধৈর্য ধরো এবং (কোন ব্যাপারে) তাড়াহুড়া করো না”।

হাসান (রহঃ) বলেন, এতে সার্বিক কল্যাণ নিহিত রয়েছে। সে যখন ফিরে এলো তখন তা তার স্মরণে ছিল। কেননা কথা ছিল মাত্র তিনটি। সে তার পরিবারে পৌছে সওয়ারী থেকে অবতরণ করলো। সে ঘরে ঢুকে দেখলো যে, একটি পুরুষলোক শিথিল অবস্থায় একটি নারীর অদূরে ঘুমিয়ে আছে। আর সেই নারী হচ্ছে তারই স্ত্রী। সে মনে মনে বললো, আল্লাহর শপথ! এই দৃশ্য দেখার পর আর কিসের অপেক্ষা করবো। সে তার সওয়ারীর কাছে ফিরে এলো। তরবারি নিতে গিয়ে তার স্মরণ হলো, ”আল্লাহকে ভয় করো, ধৈর্য ধরে এবং তাড়াহুড়া করো না”।

সে আবার ফিরে গিয়ে তার শিয়রের নিকট দাঁড়িয়ে বললো, এমন দৃশ্য দেখার পর আর মোটেও অপেক্ষা করবো না। সে তার সওয়ারীর নিকট ফিরে এলো এবং তরবারি তুলতে যেতেই উপদেশের কথা স্মরণ হলো। পুনরায় সে তার নিকট ফিরে গেলো। সে তার শিয়রের নিকট দাড়াতেই নিদ্রিত ব্যক্তি জেগে উঠলো এবং তাকে দেখে জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন করলো, তার কুশলাদি জিজ্ঞেস করলো। সে বললো, আমার নিকট থেকে যাওয়ার পর আপনি কেমন ছিলেন? সে বললো, আল্লাহর শপথ! তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর আমি পর্যাপ্ত কল্যাণ লাভ করেছি, আল্লাহর শপথ। ভালোই।

আজ রাতে আমি মোট তিনবার তরবারি ও তোমার মাথার মাঝে যাতায়াত করেছি এবং যে জ্ঞান আমি অর্জন করেছি, তোমাকে হত্যা করার ব্যাপারে তা আমার প্রতিবন্ধক হয়েছে।









আল-আদাবুল মুফরাদ (587)


حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، قَالَ : حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ قَالَ : قَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِنَّ فِيكَ لَخُلُقَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ، قُلْتُ : وَمَا هُمَا يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ : الْحِلْمُ وَالْحَيَاءُ، قُلْتُ : قَدِيمًا كَانَ أَوْ حَدِيثًا ؟ قَالَ : قَدِيمًا، قُلْتُ : الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَبَلَنِي عَلَى خُلُقَيْنِ أَحَبَّهُمَا اللَّهُ .




৫৮৭। আবদুল কায়েস গোত্রের আশাজ্জ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার মধ্যে এমন দুইটি অভ্যাস আছে যা আল্লাহর পছন্দনীয়। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি কি? তিনি বলেনঃ সহিষ্ণুতা ও লজ্জাশীলতা। আমি বললাম, এই দুইটি অভ্যাস পূর্ব থেকে আমার মধ্যে ছিল না নতুনভাবে দেখছেন? তিনি বলেনঃ পূর্ব থেকে। আমি বললাম, সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমার মধ্যে জন্মগতভাবে এমন দু’টি অভ্যাস সৃষ্টি করেছেন যা আল্লাহ পছন্দ করেন। (নাসাঈ, আবু ইয়ালা)









আল-আদাবুল মুফরাদ (588)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي هَاشِمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ : حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَنْ لَقِيَ الْوَفْدَ الَّذِينَ قَدِمُوا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ، وَذَكَرَ قَتَادَةُ أَبَا نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لأَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ : إِنَّ فِيكَ لَخَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ : الْحِلْمُ وَالأَنَاةُ .




৫৮৮। আবু সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল কায়েস গোত্রের (প্রতিনিধি দলের নেতা) আশাজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলেনঃ তোমার মধ্যে এমন দুইটি অভ্যাস আছে যা আল্লাহ পছন্দ করেন। তা হলো সহিষ্ণুতা ও ধীরস্থিরতা। (মুসলিম)









আল-আদাবুল মুফরাদ (589)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، قَالَ : حَدَّثَنَا قُرَّةُ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلأَشَجِّ أَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ : إِنَّ فِيكَ لَخَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ : الْحِلْمُ وَالأنَاةُ .




৫৮৯। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল কায়েস গোত্রের (প্রতিনিধি দলের নেতা) আশাজ্জ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বললেনঃ তোমার মধ্যে এমন দুটি বৈশিষ্ট্য আছে যা আল্লাহ পছন্দ করেন, সহিষ্ণুতা ও ধীরস্থিরতা। (মুসলিম, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, আবু আওয়ানা)









আল-আদাবুল মুফরাদ (590)


حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا طَالِبُ بْنُ حُجَيْرٍ الْعَبْدِيُّ قَالَ : حَدَّثَنِي هُودُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعْدٍ، سَمِعَ جَدَّهُ مَزِيدَةَ الْعَبْدِيَّ قَالَ : جَاءَ الأَشَجُّ يَمْشِي حَتَّى أَخَذَ بِيَدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَبَّلَهَا، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : أَمَا إِنَّ فِيكَ لَخُلُقَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ، قَالَ : جَبْلاً جُبِلْتُ عَلَيْهِ، أَوْ خُلِقَا مَعِي ؟ قَالَ : لاَ، بَلْ جَبْلاً جُبِلْتَ عَلَيْهِ، قَالَ : الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَبَلَنِي عَلَى مَا يُحِبُّ اللَّهُ وَرَسُولُهُ .




৫৯০। মাযীদা আল-আবদী (রহঃ) বলেন, আশাজ্জ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) পদব্রজে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাত ধরে তাতে চুমা দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ জেনে রাখো, তোমার মধ্যে এমন দু’টি স্বভাব রয়েছে যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের খুবই মনঃপুত। আশাজ্জ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ঐগুলি কি আমার প্রকৃতিগত না আমার চরিত্রগত? তিনি বলেনঃ না, ঐগুলি তোমাকে প্রকৃতিগতভাবেই দান করা হয়েছে। আশাজ্জ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে প্রকৃতিগতভাবেই এমন স্বভাব দান করেছেন, যা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের মনঃপুত। (বুখারীর তারীখুল কাবীর)









আল-আদাবুল মুফরাদ (591)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا فِطْرٌ، عَنْ أَبِي يَحْيَى قَالَ : سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : لَوْ أَنَّ جَبَلاً بَغَى عَلَى جَبَلٍ لَدُكَّ الْبَاغِي .




৫৯১। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যদি এক পাহাড় অন্য পাহাড়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতো, তবে বিদ্রোহী পাহাড় একাকার হয়ে যেতো (তাফসীরে রূহুল মাআনী, সূরা ইউনুস, জামে সগীর, শুয়াবুল ঈমান)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (592)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : احْتَجَّتِ النَّارُ وَالْجَنَّةُ، فَقَالَتِ النَّارُ : يَدْخُلُنِي الْمُتَكَبِّرُونَ وَالْمُتَجَبِّرُونَ . وَقَالَتِ الْجَنَّةُ : لاَ يَدْخُلُنِي إِلاَّ الضُّعَفَاءُ الْمَسَاكِينُ . فَقَالَ لِلنَّارِ : أَنْتِ عَذَابِي، أَنْتَقِمُ بِكِ مِمَّنْ شِئْتُ، وَقَالَ لِلْجَنَّةِ : أَنْتِ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ شِئْتُ .




৫৯২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দোযখ ও বেহেশত বিতর্কে লিপ্ত হলো। দোযখ বললো, অহংকারী ও পরাক্রমশালী স্বৈরাচারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। বেহেশত বললো, দুর্বল ও নিঃস্বরাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তায়ালা দোযখকে বলেন, তুই হলি আমার আযাব। যার থেকে ইচ্ছা আমি তোর মাধ্যমে প্রতিশোধ নিবো। তিনি বেহেশতকে বলেন, তুমি আমার রহমত, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার মাধ্যমে অনুগ্রহ করবো।









আল-আদাবুল মুফরাদ (593)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو هَانِئٍ الْخَوْلاَنِيُّ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْجَنْبِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : ثَلاَثَةٌ لاَ يُسْأَلُ عَنْهُمْ : رَجُلٌ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ وَعَصَى إِمَامَهُ فَمَاتَ عَاصِيًا، فَلاَ تَسْأَلْ عَنْهُ، وَأَمَةٌ أَوْ عَبْدٌ أَبِقَ مِنْ سَيِّدِهِ، وَامْرَأَةٌ غَابَ زَوْجُهَا، وَكَفَاهَا مَؤُونَةَ الدُّنْيَا فَتَبَرَّجَتْ وَتَمَرَّجَتْ بَعْدَهُ . وَثَلاَثَةٌ لاَ يُسْأَلُ عَنْهُمْ : رَجُلٌ نَازَعَ اللَّهَ رِدَاءَهُ، فَإِنَّ رِدَاءَهُ الْكِبْرِيَاءُ، وَإِزَارَهُ عِزَّهُ، وَرَجُلٌ شَكَّ فِي أَمْرِ اللهِ، وَالْقُنُوطُ مِنْ رَحْمَةِ اللهِ .




৫৯৩। ফাদালা ইবনে উবাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন ব্যক্তিকে কোনরূপ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না (সরাসরি দোযখে নিক্ষিপ্ত হবে)। (১) যে ব্যক্তি জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো এবং তার ইমামের (নেতার) অবাধ্য হলো এবং অবাধ্য অবস্থায় মারা গেলো। তাকে কোনরূপ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না। (২) যে ক্রীতদাসী বা ক্রীতদাস তার মনিবের নিকট থেকে পালিয়ে গেলো। (৩) যে নারীর স্বামী বহির্দেশে গিয়েছে, সে যদি তার অনুপস্থিতিতে তার রূপ-যৌবনের পসরা করে বেড়ায় এবং ভ্রষ্টা হয়।

আরো তিন ব্যক্তিকে কোনরূপ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না। (১) যে ব্যক্তি আল্লাহর চাদর নিয়ে টানাহেঁচড়া করে। আর তাঁর চাদর হচ্ছে অহংকার এবং তাঁর পরিধেয় হচ্ছে তাঁর ইজ্জত। (২) যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুমের মধ্যে সন্দেহ পোষণ করে। (৩) যে ব্যক্তি আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়। (আবু দাউদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (594)


حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَكَّارُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : كُلُّ ذُنُوبٍ يُؤَخِّرُ اللَّهُ مِنْهَا مَا شَاءَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، إِلاَّ الْبَغْيَ، وَعُقُوقَ الْوَالِدَيْنِ، أَوْ قَطِيعَةَ الرَّحِمِ، يُعَجِّلُ لِصَاحِبِهَا فِي الدُّنْيَا قَبْلَ الْمَوْتِ .




৫৯৪। বাক্কার ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) থেকে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তার মর্যিমাফিক গুনাহসমূহের মধ্যে যে কোন গুনাহের শাস্তি প্রদান কিয়ামত পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারেন। কিন্তু তিনি বিদ্রোহ, পিতা-মাতার অবাধ্যাচরণ ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার গুনাহর শাস্তি অপরাধীর মৃত্যুর পূর্বেই এই দুনিয়াতে দিয়ে থাকেন (দারিমী, তিরমিযী)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (595)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مِسْكِينُ بْنُ بُكَيْرٍ الْحَذَّاءُ الْحَرَّانِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : يُبْصِرُ أَحَدُكُمُ الْقَذَاةَ فِي عَيْنِ أَخِيهِ، وَيَنْسَى الْجِذْلَ، أَوِ الْجِذْعَ، فِي عَيْنِ نَفْسِهِ .




৫৯৫। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তোমাদের কেউ তো তার ভাইয়ের চোখের মধ্যকার সামান্য ধুলিকণাও দেখতে পায়, কিন্তু তার নিজের চোখে আস্ত একটা কড়িকাঠ বা গুড়ি পড়ে থাকলেও তা দেখতে পায় না।









আল-আদাবুল মুফরাদ (596)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْخَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْمُسْتَنِيرُ بْنُ أَخْضَرَ قَالَ : حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ قَالَ : كُنْتُ مَعَ مَعْقِلٍ الْمُزَنِيِّ، فَأَمَاطَ أَذًى عَنِ الطَّرِيقِ، فَرَأَيْتُ شَيْئًا فَبَادَرْتُهُ، فَقَالَ : مَا حَمَلَكَ عَلَى مَا صَنَعْتَ يَا ابْنَ أَخِي ؟ قَالَ : رَأَيْتُكَ تَصْنَعُ شَيْئًا فَصَنَعْتُهُ، قَالَ : أَحْسَنْتَ يَا ابْنَ أَخِي، سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : مَنْ أَمَاطَ أَذًى عَنْ طَرِيقِ الْمُسْلِمِينَ كُتِبَ لَهُ حَسَنَةٌ، وَمَنْ تُقُبِّلَتْ لَهُ حَسَنَةٌ دَخَلَ الْجَنَّةَ .




৫৯৬। মুয়াবিয়া ইবনে কুররা (রহঃ) বলেন, আমি মাকিল আল-মুযানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে ছিলাম। তিনি রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করলেন। অতঃপর আমিও রাস্তায় কিছু একটা দেখে তা সরালাম। তিনি বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তোমাকে কিসে এই কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে? আমি বললাম, আপনাকে এরূপ করতে দেখে আমিও তাই করলাম। তিনি বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি খুব উত্তম কাজ করেছো। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করে, তার জন্য একটি সওয়াব লেখা হয়। আর যার একটি সওয়াবের কাজ কবুল হয়, সে বেহেশতে প্রবেশ করবে।









আল-আদাবুল মুফরাদ (597)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا ضِمَامُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ : سَمِعْتُ مُوسَى بْنَ وَرْدَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : تَهَادُوا تَحَابُّوا .




৫৯৭। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা পরস্পর উপহারাদি বিনিময় করো, তোমাদের পারস্পরিক মহব্বত সৃষ্টি হবে (যায়লাঈ ও সুয়ুতীর মতে আবু ইয়ালা, নাসাঈর কিতাবুল কুনা, শুআবুল ঈমান, ইবনে আদীর কামিল)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (598)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ قَالَ : كَانَ أَنَسٌ يَقُولُ : يَا بَنِيَّ، تَبَاذَلُوا بَيْنَكُمْ، فَإِنَّهُ أَوَدُّ لِمَا بَيْنَكُمْ .




৫৯৮। সাবিত (রহঃ) বলেন, আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন, হে বৎসগণ! তোমরা পরস্পরের জন্য অর্থ-সম্পদ ব্যয় করো, তা তোমাদের মধ্যে সদ্ভাব সৃষ্টির উপায় হবে।









আল-আদাবুল মুফরাদ (599)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : أَهْدَى رَجُلٌ مِنْ بَنِي فَزَارَةَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَاقَةً، فَعَوَّضَهُ، فَتَسَخَّطَهُ، فَسَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ : يَهْدِي أَحَدُهُمْ فَأُعَوِّضُهُ بِقَدْرِ مَا عِنْدِي، ثُمَّ يَسْخَطُهُ وَايْمُ اللهِ، لاَ أَقْبَلُ بَعْدَ عَامِي هَذَا مِنَ الْعَرَبِ هَدِيَّةً إِلاَّ مِنْ قُرَشِيٍّ، أَوْ أَنْصَارِيٍّ، أَوْ ثَقَفِيٍّ، أَوْ دَوْسِيٍّ .




৫৯৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ফাযারা গোত্রের এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি উষ্ট্রী উপহার দিলো। তিনিও তাকে প্রতিদান দিলেন। তাতে সে অসন্তুষ্ট হলো। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারে দাড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ আমাকে তোমাদের কেউ হাদিয়া দিলে আমিও আমার সামর্থ্য অনুসারে তাকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। তাতে সে অসন্তুষ্ট হয়। আল্লাহর শপথ! এই বছরের পর আমি কুরাশী, আনসারী, সাকাফী ও দাওসী গোত্র ছাড়া কোন বেদুইনের হাদিয়া গ্রহণ করবো না। (তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ, বাযযার, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (600)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ : حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ عُقْبَةُ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسَ مِنْ كَلاَمِ النُّبُوَّةِ : إِذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ .




৬০০। আবু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবুয়াতী কথার মধ্যে মানুষ যা পেয়েছে তাতে এও আছে, ”তুমি নির্লজ্জ হতে পারলে যাচ্ছে তাই করতে পারো”। (বুখারী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ, ইবনে হিব্বান, তাবারানী)