আল-আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ : حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُهَاجِرٍ قَالَ : حَدَّثَنِي عَقِيلُ بْنُ شَبِيبٍ، عَنْ أَبِي وَهْبٍ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : تَسَمَّوْا بِأَسْمَاءِ الأَنْبِيَاءِ، وَأَحَبُّ الأسْمَاءِ إِلَى اللهِ عَزَّ وَجَلَّ : عَبْدُ اللهِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَأَصْدَقُهَا : حَارِثٌ، وَهَمَّامٌ، وَأَقْبَحُهَا : حَرْبٌ، وَمُرَّةُ .
৮২১। আবু ওয়াহব আল-জুশামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন সাহাবী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা নবীগণের নামানুসারে নাম রাখো। নামসমূহের মধ্যে আল্লাহর নিকট প্রিয়তর হচ্ছে আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান। যথার্থ নাম হচ্ছে হারিস (চাষী) ও হাম্মাম (দাতা) এবং সবচেয়ে নিকৃষ্ট নাম হচ্ছে হারব ও মুররা। -(নাসাঈ, আবু দাউদ, আহমাদ)
حَدَّثَنَا صَدَقَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ : وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا غُلاَمٌ فَسَمَّاهُ : الْقَاسِمَ، فَقُلْنَا : لاَ نُكَنِّيكَ أَبَا الْقَاسِمِ وَلاَ كَرَامَةَ، فَأُخْبِرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : سَمِّ ابْنَكَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ .
৮২২। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তির একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হলো। সে তার নাম রাখলো কাসেম। আমরা বললাম, আমরা তোমাকে আবুল কাসেম (কাসেমের পিতা) ডাকনাম দিয়ে গৌরবান্বিত করবো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অবহিত করা হলে তিনি বলেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখো আবদুর রহমান। (বুখারী, মুসলিম)
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ قَالَ : أُتِيَ بِالْمُنْذِرِ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ وُلِدَ، فَوَضَعَهُ عَلَى فَخِذِهِ، وَأَبُو أُسَيْدٍ جَالِسٌ، فَلَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِشَيْءٍ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَأَمَرَ أَبُو أُسَيْدٍ بِابْنِهِ فَاحْتُمِلَ مِنْ فَخِذِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَاسْتَفَاقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أَيْنَ الصَّبِيُّ ؟ فَقَالَ أَبُو أُسَيْدٍ : قَلَبْنَاهُ يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ : مَا اسْمُهُ ؟ قَالَ : فُلاَنٌ، قَالَ : لاَ، لَكِنِ اسْمُهُ الْمُنْذِرُ، فَسَمَّاهُ يَوْمَئِذٍ الْمُنْذِرَ .
৮২৩। সাহল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মুনযির ইবনে আবু উসাইদ জন্মগ্রহণ করলে তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে আনা হলো। তিনি তাকে তার উরুর উপর রাখলেন। আর আবু উসাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর পাশে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সামনের কোন একটি জিনিসে মনোযোগী হয়ে রইলেন। তখন আবু উসাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার পুত্রকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উরু থেকে তুলে নিতে বললে তাকে তুলে নেয়া হলো। উক্ত বিষয়ের প্রতি মনোযোগ শেষ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ বাচ্চাটি কোথায়? আবু উসাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাকে বাড়ী পাঠিয়ে দিয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তার নাম কি? তিনি বলেন, অমুক। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ না, বরং তার নাম মুনযির। ঐ দিন থেকে তার নাম হলো মুনযির। -(বুখারী, মুসলিম, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : أَخْنَى الأسْمَاءِ عِنْدَ اللهِ رَجُلٌ تَسَمَّى مَلِكَ الأمْلاكِ .
৮২৪। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোকের নাম মালিকুল আমলাক (রাজাধিরাজ) রাখা হয়েছে, আল্লাহর কাছে সেটি সর্বনিকৃষ্ট নাম। (বুখারী, মুসলিম, দারিমী, তিরমিযী)
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُهَلَّبِ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ قَالَ : كُنْتُ أَشَدَّ النَّاسِ تَكْذِيبًا بِالشَّفَاعَةِ، فَسَأَلْتُ جَابِرًا، فَقَالَ : يَا طُلَيْقُ، سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : يَخْرُجُونَ مِنَ النَّارِ بَعْدَ دُخُولٍ، وَنَحْنُ نَقْرَأُ الَّذِي تَقْرَأُ .
৮২৫। তলক ইবনে হাবীব (রহঃ) বলেন, আমি শাফাআতের বিষয়টিকে কঠোরভাবে অস্বীকার করতাম। আমি জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হে তুলায়ক! আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ একদল লোক দোযখে যাওয়ার পর (শাফাআতধন্য হয়ে) সেখান থেকে বের হয়ে আসবে। তুমি যা পড়ো আমরাও তাই পড়ি। (বুখারী, মুসলিম, মুসনাদ আহমাদ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا ذَيَّالُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حَنْظَلَةَ قَالَ : حَدَّثَنِي جَدِّي حَنْظَلَةُ بْنُ حِذْيَمَ قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُعْجِبُهُ أَنْ يُدْعَى الرَّجُلُ بِأَحَبِّ أَسْمَائِهِ إِلَيْهِ، وَأَحَبِّ كُنَاهُ .
৮২৬। হানবাল ইবনে হিয়াম (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে তার নামসমূহের মধ্যে তাঁর নিকট অপেক্ষাকৃত প্রিয় নামে বা উপনামে ডাকতেই পছন্দ করতেন। (তাহযীবুল কামাল)
حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ غَيْرَ اسْمَ عَاصِيَةَ وَقَالَ : أَنْتِ جَمِيلَةُ .
৮২৭। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ”আসিয়া” (পপিষ্ঠা) নাম পরিবর্তন করেন এবং বলেনঃ তুমি জামীলা (সুন্দরী)। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, মুসনাদ আবু আওয়ানা, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ، وَسَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ : حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ : حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، فَسَأَلَتْهُ عَنِ اسْمِ أُخْتٍ لَهُ عِنْدَهُ ؟ قَالَ : فَقُلْتُ : اسْمُهَا بَرَّةُ، قَالَتْ : غَيِّرِ اسْمَهَا، فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَكَحَ زَيْنَبَ بِنْتَ جَحْشٍ وَاسْمُهَا بَرَّةُ، فَغَيَّرَ اسْمَهَا إِلَى زَيْنَبَ، وَدَخَلَ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ حِينَ تَزَوَّجَهَا، وَاسْمِي بَرَّةُ، فَسَمِعَهَا تَدْعُونِي : بَرَّةَ، فَقَالَ : لاَ تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ، فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ أَعْلَمُ بِالْبَرَّةِ مِنْكُنَّ وَالْفَاجِرَةِ، سَمِّيهَا زَيْنَبَ، فَقَالَتْ : فَهِيَ زَيْنَبُ، فَقُلْتُ لَهَا : سَمِّي، فَقَالَتْ : غَيِّرْهُ إِلَى مَا غَيَّرَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَمِّهَا زَيْنَبَ .
৮২৮। মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যয়নব বিনতে আবু সালামার নিকট প্রবেশ করলেন। যয়নব তাকে তার সংগী বোনটির নাম জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তার নাম বাররা (পুণ্যবতী)। তিনি বলেন, তার নাম পরিবর্তন করো। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যয়নব বিনতে জাহশকে বিবাহ করেন এবং তার নাম ছিল বাররা। তিনি তা পরিবর্তন করে তার নাম রাখেন যয়নব। বিবাহ করার পর তিনি তার ঘরে গেলেন। তখন আমার নাম ছিল বাররা। তিনি উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আমাকে এই নামে ডাকতে শুনলেন। তখন তিনি বলেনঃ তোমরা নিজেদেরকে পবিত্রতায় আখ্যায়িত করো না। কেননা কে পুণ্যবতী আর কে পাপিষ্ঠা তা আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। তুমি তার নাম রাখো যয়নব। তিনি বলেন, সে যয়নবই। আমি তাকে বললাম, আমার নাম? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে নামে পরিবর্তন করেছেন সেই নাম রেখে দাও। অতএব তিনি তার নাম রাখলেন যয়নব। (মুসলিম, দারিমী, মুসনাদ আবু আওয়ানা, আহমাদ, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ : حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ قَالَ : حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَخْزُومِيُّ، حَدَّثَنِي جَدِّي، عَنْ أَبِيهِ، وَكَانَ اسْمُهُ الصَّرْمَ، فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَعِيدًا، قَالَ : رَأَيْتُ عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مُتَّكِئًا فِي الْمَسْجِدِ .
৮২৯। সাঈদ আল-মাখযূমী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তাঁর পূর্বনাম ছিল সারম (কর্তনকার, ছিন্নকারী)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখেন সাঈদ (ভাগ্যবান)। (অধস্তন রাবী আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন) আমি উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে মসজিদে হেলান দিয়ে বসা অবস্থায় দেখেছি। (হাকিম)
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ هَانِئِ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : لَمَّا وُلِدَ الْحَسَنُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمَّيْتُهُ : حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ ؟ قُلْنَا : حَرْبًا، قَالَ : بَلْ هُوَ حَسَنٌ . فَلَمَّا وُلِدَ الْحُسَيْنُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمَّيْتُهُ حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ ؟ قُلْنَا : حَرْبًا، قَالَ : بَلْ هُوَ حُسَيْنٌ . فَلَمَّا وُلِدَ الثَّالِثُ سَمَّيْتُهُ : حَرْبًا، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : أَرُونِي ابْنِي، مَا سَمَّيْتُمُوهُ ؟ قُلْنَا : حَرْبًا، قَالَ : بَلْ هُوَ مُحْسِنٌ، ثُمَّ قَالَ : إِنِّي سَمَّيْتُهُمْ بِأَسْمَاءِ وَلَدِ هَارُونَ : شِبْرٌ، وَشَبِيرٌ، وَمُشَبِّرٌ .
৮৩০। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, হাসান ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নাম রাখলাম হারব (যুদ্ধ)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমরা তার কি নাম রেখেছে? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম হাসান। পরে হুসাইন ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নাম রাখলাম হারব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমরা তার কি নাম রেখেছো? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম হুসাইন। অতঃপর তৃতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে আমি তার নামও রাখলাম হারব। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বলেনঃ আমার নাতি আমাকে দেখাও, তোমারা তার কি নাম রেখেছে? আমরা বললাম, হারব। তিনি বলেনঃ বরং তার নাম মুহসিন। অতঃপর তিনি বলেনঃ আমি হারূন (আঃ)-এর সন্তান শিবর, শুবায়র ও মুশাব্বির-এর নাম অনুসারে এদের নাম রাখলাম। (ইসতীআব, আহমাদ, হাকিম)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ أَبْزَى قَالَ : حَدَّثَتْنِي أُمِّي رَائِطَةُ بِنْتُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِيهَا قَالَ : شَهِدْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حُنَيْنًا، فَقَالَ لِي : مَا اسْمُكَ ؟ قُلْتُ : غُرَابٌ، قَالَ : لا، بَلِ اسْمُكَ مُسْلِمٌ .
৮৩১। রায়েতা বিনতে মুসলিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে হুনায়ন যুদ্ধে শরীক ছিলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? আমি বললাম, গুরাব (কাক)। তিনি বলেনঃ না, বরং তোমার নাম মুসলিম। (আবু দাউদ, তারীখুল কাবীর)
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ : شِهَابٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : بَلْ أَنْتَ هِشَامٌ .
৮৩২। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে শিহাব নামক এক ব্যক্তির প্রসঙ্গ উঠলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বরং তুমি হিশাম (দানশীল)। (আবু দাউদ)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ زَكَرِيَّا قَالَ : حَدَّثَنِي عَامِرٌ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُطِيعٍ قَالَ : سَمِعْتُ مُطِيعًا يَقُولُ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ، يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ : لاَ يُقْتَلُ قُرَشِيٌّ صَبْرًا بَعْدَ الْيَوْمِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، فَلَمْ يُدْرِكِ الإِسْلاَمَ أَحَدٌ مِنْ عُصَاةِ قُرَيْشٍ غَيْرُ مُطِيعٍ، كَانَ اسْمُهُ الْعَاصَ فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُطِيعًا .
৮৩৩। আবদুল্লাহ ইবনে মুতী (রহঃ) বলেন, আমি মুতী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আমি মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আজকের পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত কোন কুরাইশ বংশীয় লোককে (চাঁদমারির) লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা করা যাবে না। কুরাইশের ‘আস’ নামীয়দের মধ্যে মুতী ছাড়া আর কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। তার নামও ছিল আস (অবাধ্য)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখেন মুতী (বাধ্য)। (মুসলিম, দারিমী, তাহাবী)
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : يَا عَائِشُ، هَذَا جِبْرِيلُ يَقْرَأُ عَلَيْكِ السَّلاَمَ، قَالَتْ : وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، قَالَتْ : وَهُوَ يَرَى مَا لا أَرَى .
৮৩৪। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আইশ! ইনি হচ্ছেন জিবরীল (আঃ)। তিনি তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বলেন, তার প্রতিও সালাম এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তিনি দেখতে পান যা আমি দেখি না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْيَشْكُرِيُّ الْبَصْرِيُّ قَالَ : حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي أُمُّ كُلْثُومٍ بِنْتُ ثُمَامَةَ، أَنَّهَا قَدِمَتْ حَاجَّةً، فَإِنَّ أَخَاهَا الْمُخَارِقَ بْنَ ثُمَامَةَ قَالَ : ادْخُلِي عَلَى عَائِشَةَ، وَسَلِيهَا عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، فَإِنَّ النَّاسَ قَدْ أَكْثَرُوا فِيهِ عِنْدَنَا، قَالَتْ : فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا فَقُلْتُ : بَعْضُ بَنِيكِ يُقْرِئُكِ السَّلاَمَ، وَيَسْأَلُكِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَتْ : وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللهِ، قَالَتْ : أَمَّا أَنَا فَأَشْهَدُ عَلَى أَنِّي رَأَيْتُ عُثْمَانَ فِي هَذَا الْبَيْتِ فِي لَيْلَةٍ قَائِظَةٍ، وَنَبِيُّ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَجِبْرِيلُ يُوحِي إِلَيْهِ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَضْرِبُ كَفَّ، أَوْ كَتِفَ، ابْنِ عَفَّانَ بِيَدِهِ : اكْتُبْ، عُثْمُ، فَمَا كَانَ اللَّهُ يُنْزِلُ تِلْكَ الْمَنْزِلَةَ مِنْ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ رَجُلاً عَلَيْهِ كَرِيمًا، فَمَنْ سَبَّ ابْنَ عَفَّانَ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ .
৮৩৫। উম্মে কুলসুম বিনতে ছুমামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি হজ্জ উপলক্ষে (বসরা থেকে মদীনা) আসেন। তার ভাই মুখারিক ইবনে ছুমামা (রহঃ) বলেন, আপনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে উসমান ইবনে আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন। কেননা বহু লোক তার সম্পর্কে আমাদের কাছে নানা কথা বলে। উম্মে কুলসুম (রহঃ) বলেন, আমি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনার কোন এক সন্তান আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং উসমান ইবনে আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করেছে। তিনি বলেন, ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ (তার উপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)। তিনি বলেন, শোনো! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই ঘরের মধ্যেই এই গরমের রাতে একত্রে দেখেছি। জিবরীল (আঃ) তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর ওহী নাযিল করেন। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাতে অথবা কাঁধের উপর চপেটাঘাত করে বলেনঃ লিখে নাও হে উসম! আল্লাহ তাআলা কারো প্রতি সদয় না হলে তার নবীর পক্ষ থেকে এমন মর্যাদা তাকে দেন না। সুতরাং যে উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে গালি দেয় তার প্রতি আল্লাহর গযব। (আহমাদ)
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ شَيْبَانَ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ سُمَيْرٍ قَالَ : حَدَّثَنِي بَشِيرُ بْنُ نَهِيكٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَشِيرٌ قَالَ : أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : مَا اسْمُكَ ؟ قَالَ : زَحْمٌ، قَالَ : بَلْ أَنْتَ بَشِيرٌ، فَبَيْنَمَا أَنَا أُمَاشِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ : يَا ابْنَ الْخَصَاصِيَةِ، مَا أَصْبَحْتَ تَنْقِمُ عَلَى اللهِ ؟ أَصْبَحْتَ تُمَاشِي رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قُلْتُ : بِأَبِي وَأُمِّي، مَا أَنْقِمُ عَلَى اللهِ شَيْئًا، كُلَّ خَيْرٍ قَدْ أَصَبْتُ . فَأَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ : لَقَدْ سَبَقَ هَؤُلاَءِ خَيْرًا كَثِيرًا، ثُمَّ أَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ : لَقَدْ أَدْرَكَ هَؤُلاَءِ خَيْرًا كَثِيرًا، فَإِذَا رَجُلٌ عَلَيْهِ سِبْتِيَّتَانِ يَمْشِي بَيْنَ الْقُبُورِ، فَقَالَ : يَا صَاحِبَ السِّبْتِيَّتَيْنِ، أَلْقِ سِبْتِيَّتَكَ، فَخَلَعَ نَعْلَيْهِ .
৮৩৬। বশীর ইবনে নাহীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নীত হলে তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ তোমার নাম কি? তিনি বলেন, জাহম। তিনি বলেনঃ বরং তোমার নাম বশীর। একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে যাচ্ছিলাম। তিনি বলেনঃ হে খাসাসিয়ার পুত্ৰ! তোমার কি হলো যে, তুমি আল্লাহর কাজে দোষ খুঁজে বেড়াও? আর সেজন্যই তুমি কি আল্লাহর রাসূলের পিছনে লেগেছো? আমি বললাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কোরবান হোক। আমি আল্লাহর কাজে দোষ খুঁজি না। আমি সর্বপ্রকার কল্যাণ লাভ করেছি। অতঃপর তিনি মুশরিকদের কবরস্থানে পৌঁছে বলেনঃ এরা প্রভূত কল্যাণ হারিয়েছে। অতঃপর তিনি মুসলিমদের কবরস্থানে পৌঁছে বলেনঃ এরা প্রভূত কল্যাণ লাভ করেছে। এই সময় চপ্পল পরিহিত এক ব্যক্তি কবরস্থানের উপর দিয়ে যাচ্ছিলো। রাসূলুল্লাহ। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে চপ্পল পরিহিত! তোমার চপ্পলজোড়া খুলে ফেলে দাও। অতএব সে তার চপ্পলজোড়া খুলে ফেলে দিলো। (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আহমাদ হাঃ ৭৮০ নং-ও দ্র.)
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ إِيَادٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : سَمِعْتُ لَيْلَى امْرَأَةَ بَشِيرٍ تُحَدِّثُ، عَنْ بَشِيرِ ابْنِ الْخَصَاصِيَةِ، وَكَانَ اسْمُهُ زَحْمًا، فَسَمَّاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَشِيرًا .
৮৩৭। বশীর ইবনুল খাসাসিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তার নাম ছিল যাহম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখেন বশীর।
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ اسْمَ جُوَيْرِيَةَ كَانَ بَرَّةَ، فَسَمَّاهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم جُوَيْرِيَةَ .
৮৩৮। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। উম্মুল মুমিনীন জুয়াইরিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নাম ছিল বাররা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখেন জুয়াইরিয়া। (মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ, আবু আওয়ানা, ইবনে হিব্বান)
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : كَانَ اسْمُ مَيْمُونَةَ بَرَّةَ، فَسَمَّاهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَيْمُونَةَ .
৮৩৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মায়মূনা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নাম ছিল বাররা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখেন মায়মূনা।
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِنْ عِشْتُ نَهَيْتُ أُمَّتِي، إِنْ شَاءَ اللَّهُ، أَنْ يُسَمِّي أَحَدُهُمْ بَرَكَةَ، وَنَافِعًا، وَأَفْلَحَ، وَلاَ أَدْرِي قَالَ : رَافِعًا أَمْ لاَ ؟ ، يُقَالُ : هَا هُنَا بَرَكَةُ ؟ فَيُقَالُ : لَيْسَ هَا هُنَا، فَقُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْهَ عَنْ ذَلِكَ .
৮৪০। জাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি যদি জীবিত থাকি তবে ইনশাআল্লাহ আমার উম্মাতকে নিষেধ করবো যে, তাদের কেউ যেন বরকত, নাফে, আফলাহ ইত্যাদি নাম না রাখে। রাবী বলেন, তিনি রাফে নামের কথাও বলেছেন কিনা তা আমার স্মরণ নাই। হয় তো বলা হবে, এখানে বরকত আছে কি? জবাবে বলা হবে, না, এখানে নাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন, কিন্তু এসব নাম রাখতে নিষেধ করেননি। (আবু দাউদ)