হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1229)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَطَعَ فِي مِجَنٍ، ثَمَنُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6795)، ومسلم (1686)، واللفظ للبخاري




১২২৯। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের চুরিতে হাত কেটেছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭৯৬, ৬৭৯৭, ৬৭৯৮, মুসলিম ১৬৮৯, তিরমিযী ১৪৪৬, নাসায়ী ৪৯০৬, ৪৯০৭, ৪৯০৮, আর দাউদ ৪৩৮৫, ইবনু মাজাহ ২৫৮৪. আহমাদ ৪৪৮৯, ৫১৩৫, মালেক ১৫৭২, দারেমী ২৩০১।









বুলূগুল মারাম (1230)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَعَنَ اللَّهُ السَّارِقَ؛ يَسْرِقُ الْبَيْضَةَ، فَتُقْطَعُ يَدُهُ، وَيَسْرِقُ الْحَبْلَ، فَتُقْطَعُ يَدُهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَيْضًا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6799)، ومسلم (1687)




১২৩০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর লানত বর্ষিত হয় চোরের উপর যে একটি ডিম চুরি করেছে। তাতে তার হাত কাটা গেছে বা একটি দড়ি চুরি করেছে যার ফলে তার হাত কাটা গেছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭৮৩, মুসলিম ১৬৮৭, নাসায়ী ৪৮৭৩, ইবনু মাজাহ ২৫৮৮, আহমাদ ৭৩৮৮।









বুলূগুল মারাম (1231)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَتَشْفَعُ فِي حَدٍ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ؟». ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ، فَقَالَ: «أَيُّهَا (1) النَّاسُ! إِنَّمَا هَلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ، وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ ... ». الْحَدِيثَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
وَلَهُ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: عَنْ عَائِشَةَ: كَانَتِ امْرَأَةٌ تَسْتَعِيرُ الْمَتَاعَ، وَتَجْحَدُهُ، فَأَمَرَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِقَطْعِ يَدِهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6788)، ومسلم (1688)، واللفظ لمسلم، وزاد: «وَايْمُ اللهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا




১২৩১। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি গুলোর একটি শাস্তির ব্যাপারে আমার কাছে সুপারিশ করছ? এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং খুতবা দিলেন। বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতরা এ জন্য ধ্বংস হয়েছিল যে, তারা তাদের মধ্যকার উচ্চ শ্রেণীর কোন লোক চুরি করলে তাকে ছেড়ে দিত। পক্ষান্তরে কোন দুর্বল চুরি কোন করলে তার উপর নির্ধারিত শাস্তি প্ৰয়োগ করত।



অন্য সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। কোন এক নারী আসবাবপত্র চেয়ে নিয়ে তা (ফেরত না দিয়ে) অস্বীকার করে বসত, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কাটার আদেশ দিয়েছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৪৮, ৩৪৭৫, ৩৭৩৩, ৪৩০৪, মুসলিম ১৬৮৮, তিরমিযী ১৪৩০, নাসায়ী ৪৮৯৫, ৪৮৯৭, ৪৮৯৮, আবূ দাউদ ৪৩৭৩, ইবনু মাজাহ ২৫৪৭, আহমাদ ২২৯৬৮, মালেক ২৩০২।









বুলূগুল মারাম (1232)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه -، عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَيْسَ عَلَى خَائِنٍ وَلَا مُنْتَهِبٍ، وِلَا مُخْتَلِسٍ، قَطْعٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ، وَالْأَرْبَعَةُ، وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ، وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح، رواه أحمد (3/ 380)




১২৩২। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমানতের খিয়ানতকারী ও ছিনতাইকারী, লুণ্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৪৪৮, নাসায়ী ৪৯৭১, ৪৯৭২, ৪৯৭৩, আবূ দাউদ৪৩৯১, ৪৩৯২, ইবনু মাজাহ ২৫৯১, আহমাদ ১৪৬৬২, দারেমী ২৩১০।









বুলূগুল মারাম (1233)


وَعَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ - رضي الله عنه -، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ وَلَا كَثَرٍ». رَوَاهُ الْمَذْكُورُونَ, وَصَحَّحَهُ أَيْضًا التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 463 و464، 540 و141)، وأبو داود (4388)، والنسائي (8/ 88)




১২৩৩। রাফি ইবনু খাদীজা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ফলে ও খেজুরের গাছের মাথিতে হাত কাটার বিধান নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৩৮৮, তিরমিযী ১৪৪৯, নাসায়ী ৪৯৬০, ৪৯৬১, ইবনু মাজাহ ২৫৯৩, আহমাদ ১৫৩৭৭, ১৫৩৮৭, মালেক ১৫৮৩, দারেমী ২৩০৪, ২৩০৫।









বুলূগুল মারাম (1234)


وَعَنْ أَبِي أُمَيَّةَ الْمَخْزُومِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: أُتِيَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِلِصٍّ قَدِ اعْتَرَفَ اعْتِرَافًا، وَلَمْ يُوجَدْ مَعَهُ مَتَاعٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «مَا إِخَالَكَ سَرَقْتَ». قَالَ: بَلَى، فَأَعَادَ عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، فَأَمَرَ بِهِ فَقُطِعَ. وَجِيءَ بِهِ، فَقَالَ: «اسْتَغْفِرِ اللَّهَ وَتُبْ إِلَيْهِ»، فَقَالَ: أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ»، ثَلَاثًا. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ، وَأَحْمَدُ، وَالنَّسَائِيُّ، وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (5/ 293) وأبو داود (4380)، والنسائي (8/ 67)




১২৩৪। আবূ উমাইয়া মাখযুমী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে কোন এক চোরকে আনা হলো যে যথারীতি চুরির কথা স্বীকার করেছিল কিন্তু তার নিকটে কোন মাল পাওয়া যায়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তুমি চুরি করেছ বলে তো আমি মনে করছি না! সে বলল: হাঁ। (আমি চুরি করেছি)। বৰ্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই কি তিনবার তাকে এ কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলেছেন। অতঃপর তাঁর আদেশত্রুমে তার হাত কাটা হলো এবং তাকে পুনরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে আনা হলো। তাকে তিনি বললেন: আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও ও তওবা কর। সে বললঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছি ও তাওবা করছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটির জন্য ৩ বার এই বলে প্রার্থনা জানালেন যে, হে আল্লাহ! তুমি তার তওবা কবুল কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২৫৯৭, নাসায়ী ৪৮৭৭, আর দাউদ ৪৩৮০, আহমাদ ২২০০২, দারেমী ২৩০৩। শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদে ৪৩৮০, যঈফ নাসাঈ ৪৮৯২ গ্রন্থদ্বয়ে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যায়লাঈ তাঁর নাসবুর রায়াহ ৪/৭৬ গ্রন্থে বলেন, এর এক বর্ণনাকারী আবূ মুনযির হচ্ছে অপরিচিত, এর অন্য একটি সূত্র রয়েছে। ইবনু কাসীর তাঁর ইরশীদুল ফাকীহ ২/৪২৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবূ (ফুরুওয়াহ) আল মাদীনী রয়েছে, তার সম্পর্কে হাদীসবিশারদগণ সমালোচনা করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1235)


وَأَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَسَاقَهُ بِمَعْنَاهُ، وَقَالَ فِيهِ: «اذْهَبُوا بِهِ، فَاقْطَعُوهُ، ثُمَّ احْسِمُوهُ». وَأَخْرَجَهُ الْبَزَّارُ أَيْضًا، وَقَالَ: لَا بَأْسَ بِإِسْنَادِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صعيف، رواه الحاكم (4/ 381) والبزار (1560) من طريق الدراودي




১২৩৫। ইমাম হাকিম আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে এ অর্থেই একটি হাদীস সংকলন করেছেন, তাতে রাবী বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে নিয়ে গিয়ে তার হাত কেটে দাও ও তার রক্ত বন্ধ করে দাও। হাদীসটি বাযযারও সংকলন করেছেন ও তিনি হাদীসটির সানাদকে নির্দোষ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম আবূ দাউদের আল মারাসীল (৩২৪), ইমাম হাইসামীর মাজমাউয যাওয়ায়েদ (৬/২৭৯) এর বর্ণনাকারী আহমাদ বিন আবান আল কুরাশীকে ইবনু হিব্বান সহীহ বিশ্বস্ত বলেছেন। অবশিষ্ট রাবীগণ বুখারীর। ইমাম বাইহাকীর আস সুনান আস সগীর (৩/৩১৪), ইমাম শাওকানীর নাইলুল আওত্বার (৭/৩১০) মুত্তাসিল ও মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1236)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يُغَرَّمُ السَّارِقُ إِذَا أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ، وَبَيَّنَ أَنَّهُ مُنْقَطِعٌ. وَقَالَ أَبُو حَاتِمٍ: هُوَ مُنْكَرٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف رواه النسائي (8/ 92)




১২৩৬। আব্দুর রহমান উবনু আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ চোরের উপর হাদ্দ জারি করা হলে তাকে মালের ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী করা যাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৯৮৪। ইমাম দারাকুতনী তাঁর সুনানে ৩/১০৪ গ্রন্থে একে মুরসাল বলেছেন। বাইহাকী তাঁর কুবরা ৮/২৭৭ গ্রন্থে বলেন, এ ব্যাপারে মতভেদ আছে, এটি বিচ্ছিন্ন সানাদে বর্ণিত হয়েছে। ইবনু হাজার লিসানুল আরাব ৪/৩৭ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আল মাসরুর বিন ইবরাহী রয়েছে। তার সম্পর্কে দারাকুতনী বলেন, তিনি আবদুর রহমান বিন আওফকে পাননি। ইমাম সানআনী বলেন, সে তার দাদা আবদুর রহমান বিন আওফকে পাননি, সুতরাং এর দ্বারা দলিল সাব্যস্ত হয় না। ইবনু উসাইমীন শরহে বুলুগুল মারাম ৫/৪০২ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মতনের দিক থেকে পরিত্যাজ্য আর সানাদের দিক থেকে মুনকাতি। আলবানী যঈফ নাসায়ীতে ৪৯৯৯ একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল ৪/১১৩ গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন, ইমাম নাসায়ী আদদিরায়াহ ২/১১৩ গ্রন্থে বলেন, এটির সানাদ বিচ্ছিন্ন, সুতরাং এর বিশুদ্ধতা প্রমাণিত নয়।









বুলূগুল মারাম (1237)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ التَّمْرِ الْمُعَلَّقِ؟ فَقَالَ: «مَنْ أَصَابَ بِفِيهِ مِنْ ذِي حَاجَةٍ، غَيْرَ مُتَّخِذٍ خُبْنَةً، فَلَا شَيْءَ عَلَيْهِ، وَمَنْ خَرَجَ بِشَيْءٍ مِنْهُ، فَعَلَيْهِ الْغَرَامَةُ وَالْعُقُوبَةُ، وَمَنْ خَرَجَ بِشَيْءٍ مِنْهُ بَعْدَ أَنْ يُؤْوِيَهُ الْجَرِينُ، فَبَلَغَ ثَمَنَ الْمِجَنِّ فَعَلَيْهِ الْقَطْعُ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، وَالنَّسَائِيُّ، وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (4390)، والنسائي (8/ 85)، والحاكم (4/ 380)




১২৩৭। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনিল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাছে ঝুলন্ত খেজুর প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ যদি নিয়ে যাওয়ার জন্য আচলে না বেঁধে কেবল প্রয়োজন (ক্ষুধা) মেটানোর জন্য খায় তবে তাতে কোন দোষ নেই। আর যদি কিছু নিয়ে বেরিয়ে যায় তবে তাকে জরিমানা করতে হবে ও শাস্তিও দিতে হবে। আর যদি খামারে রাখার পর সেখান হতে তার কিছু উঠিয়ে নিয়ে যায় আর তার মূল্য একটি ঢাল পরিমাণ হয়ে যায়। তবে তার হাত কাটা হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৯৫৭, ৪৯৫৯, তিরমিযী ১২৮৯, আর দাউদ ১৭১০, ৪৩৯০, আহমাদ ৬৬৪৮।









বুলূগুল মারাম (1238)


وَعَنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمِّيَّةٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُ لَمَّا أَمَرَ بِقَطْعِ الَّذِي سَرَقَ رِدَاءَهُ, فَشَفَعَ فِيهِ: «هَلَّا كَانَ ذَلِكَ قَبْلِ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ?». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةَ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (6/ 466) وأبو داود (4394)، والنسائي (8/ 69)، وابن ماجه (2595)، وابن الجارود (828)، والحاكم (4/ 380) - وطرقهم مختلفة - عن صفوان بن أمية قال: كنت نائما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما، فجاء رجل فاختلسها مني، فأخذ الرجل، فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأمر به ليقطع. قال: فأتيته، فقلت: أتقطعه من أجل ثلاثين درهما! أنا أبيعه وأنسئه ثمنها. قال: فذكره. والسياق لأبي داود. «تنبيه» عزو الحديث للأربعة وهم من الحافظ -رحمه الله- إذ لم يروه الترمذي




১২৩৮। সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছিলেন- যখন তিনি (সাফওয়ান) তার এক চাদর চুরির ব্যাপারে হাত কাটার আদেশ দেয়ার পর সুপারিশ করেছিলেন- কেন তুমি তাকে (চোরকে) আমার কাছে আনার আগেই এ সুপারিশ করনি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৮৭৮, ৪৮৭৯, ৪৮৮৩, ইবনু মাজাহ ২৫৯৫, আহমাদ ১৪৮৭৯, ২৭০৯০, ২৭০৯৭।









বুলূগুল মারাম (1239)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: جِيءَ بِسَارِقٍ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ». فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّمَا سَرَقَ. قَالَ: «اقْطَعُوهُ» فَقَطَعَ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الثَّانِيَةِ, فَقَالَ «اقْتُلُوهُ» فَذَكَرَ مِثْلَهُ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الرَّابِعَةِ كَذَلِكَ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الْخَامِسَةِ فَقَالَ: «اُقْتُلُوهُ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنِّسَائِيُّ, وَاسْتَنْكَرَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (4410)، والنسائي (8/ 90 - 91) من طريق مصعب بن ثابت، عن محمد بن المنكدر، عن جابر. به. قال النسائي: هذا حديث منكر، ومصعب بن ثابت ليس بالقوي في الحديث




১২৩৯। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক চোরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করতে বলেন। সাহাবীগণ বলেন, এ তো চুরি করেছে মাত্র। তিনি বলেন: তার হাত কেটে দাও ফলে তার হাত কাটা হল। তারপর দ্বিতীয় বার তাকে আনা হলে তিনি এবারেও বললেন: তাকে হত্যা করো। কিন্তু পূর্বের মতই ঘটল (হত্যা করা হল না) তারপর তৃতীয়বার তাকে আনা হলে ঐ রূপ ঘটলো। তারপর চতুৰ্থবার তাকে আনা হলো এবং ঐ রূপ ঘটল। তারপর তাকে পঞ্চম দফা আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৪৯৭৮, আবূ দাউদ ৪৪১০। শাইখ আলবানী তাঁর সহীহ আবূ দাউদ (৪৪১০) গ্রন্থে হাসান বলেছেন। ইমাম সান’আনী তাঁর সুবুলুস সালাম গ্রন্থে বলছেন, এর শাহেদ আছে। কিন্তু শাইখ বিন বায তাঁর বুলুলুগুল মারামের হাশিয়া (৬৮৬) গ্রন্থে একে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন। উসাইমীনও তাঁর বুলুগুল মারামের শরাহ (৫/৪০৭) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মুনকার, সহীহ নয়। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত-তালখীসুল হাবীর (৪/১৩৮৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মাসআব বিন সা’দ রয়েছে, তাঁর সম্পর্কে ইমাম নাসায়ী বলেন, তিনি শক্তিশালী বৰ্ণনাকারী নন। আর এ হাদীসটি মুনকার। এ সম্পর্কে আমার কোন সহীহ হাদীস জানা নেই। ইবনুল মুলকীনও তাঁর আল বাদরুল মুনীর (৮/৬৭২) গ্রন্থে বলেন, এ সানাদের বর্ণনাকারী মাসআব বিন সা’দকে দুর্বল বলা হয়েছে।









বুলূগুল মারাম (1240)


وَأَخْرُجَ مِنْ حَدِيثِ الْحَارِثِ بْنِ حَاطِبٍ نَحْوَهُ. وَذَكَرَ الشَّافِعِيُّ أَنَّ الْقَتْلَ فِي الْخَامِسَةِ مَنْسُوخٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه النسائي (8/ 89 - 90)




১২৪০। হারিস ইবনু হাত্বিব হতে অনুরূপ হাদীস নাসায়ীতে সংকলিত হয়েছে। আর ইমাম শাফিঈ বলেনঃ ৫ম দফায় চোরকে হত্যা করার আদেশ মানসুখ বা বাতিল হয়ে গেছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী (৪৯৭৭) এককভাবে বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি মুনকার।









বুলূগুল মারাম (1241)


عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى بِرَجُلٍ قَدْ شَرِبَ الْخَمْرَ, فَجَلَدَهُ بِجَرِيدَتَيْنِ نَحْوَ أَرْبَعِينَ. قَالَ: وَفَعَلَهُ أَبُو بَكْرٍ, فَلَمَّا كَانَ عُمَرُ اسْتَشَارَ النَّاسَ, فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: أَخَفَّ الْحُدُودِ ثَمَانُونَ, فَأَمَرَ بِهِ عُمَرُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6773)، ومسلم (1706) واللفظ لمسلم. «تنبيه»: الرواية: «أخف الحدود ثمانون» وليس كما ذكرها الحافظ، ولتوجيه ذلك انظر «الفتح




১২৪১। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। মন্দ পানকারী এ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে নিয়ে আসা হলো। তিনি তাকে দুখানা ছড়ি (এক যোগে ধরে তার) দ্বারা চল্লিশের মত কোড়া মারলেন। আনাস (রাঃ) বলেন: ১ম খলিফা আবূ বাকর (রাঃ) এরূপ কোড়া মেরেছেন, ‘উমার (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে এ ব্যাপারে লোকেদের সাথে পরামর্শ করলেন। আব্দুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন: সর্বাপেক্ষা হালকা শাস্তি হচ্ছে আশি (কোড়া)। ‘উমার (রাঃ) ঐ (৮০-র) আদেশই জারি করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭৭৩, ৬৭৭৬, মুসলিম ১৭০৬, তিরমিযী ১৪৪৩, আর দাউদ ৪৪৭৯, ইবনু মাজাহ ২৫৭০, আহমাদ ১১৭২৯, ১২৩৯৪, ১২৪৪৪, দারেমী ২৩১১।









বুলূগুল মারাম (1242)


وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ الْوَلِيدِ بْنِ عَقَبَةَ - جَلَدَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَرْبَعِينَ, وَأَبُو بَكْرٍ أَرْبَعِينَ, وَعُمَرُ ثَمَانِينَ, وَكُلٌّ سُنَّةٌ, وَهَذَا أَحَبُّ - إِلَيَّ. وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ: أَنَّ رَجُلًا شَهِدَ عَلَيْهِ أَنَّهُ رَآهُ يَتَقَيَّأْ الْخَمْرَ, فَقَالَ عُثْمَانُ: إِنَّهُ لَمْ يَتَقَيَّأْهَا حَتَّى شَرِبَهَا

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (1707)




১২৪২। মুসলিমে ওয়ালীদ উবনু উকবার ঘটনায় আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪০ কোড়া মেরেছেন, আবূ বাকার (রাঃ)ও ৪০ কোড়া মেরেছেন, উমার (রাঃ) আশি কোড়া মেরেছেন, আলী (রাঃ) বলেন: এগুলো সবই সুন্নাত (সঠিক)। কিন্তু আশি কোড়া মারা আমার নিকট অধিক প্রিয় (বুখারীর বর্ণনায় আশি কোড়া মারার কথা আছে)। এ হাদীসে আরো আছে কোন একজন লোক তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল, সে মদ বমি করেছিল। ফলে উসমান (রাঃ) বলেন: সে মদ খেয়েছে বলেই তো মদ বমি করেছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৪৮০, ৪৪৮১, ইবনু মাজাহ ২৫৭১, আহমাদ ১০২৭, ১২৩৪, দারেমী ২৩১২, মুসলিম ১৭০৭।









বুলূগুল মারাম (1243)


وَعَنْ مُعَاوِيَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ قَالَ فِي شَارِبِ الْخَمْرِ: «إِذَا شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ [الثَّانِيَةِ] فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ الثَّالِثَةِ فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ الرَّابِعَةِ فَاضْرِبُوا عُنُقَهُ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَهَذَا لَفْظُهُ, وَالْأَرْبَعَةُ
وَذَكَرَ التِّرْمِذِيُّ مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُ مَنْسُوخٌ, وَأَخْرَجَ ذَلِكَ أَبُو دَاوُدَ صَرِيحًا عَنْ الزُّهْرِيِّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه أحمد (4/ 96 و 101) والنسائي في «الكبرى»، وأبو داود (4482)، والترمذي (1444)، وابن ماجه (2573)




১২৪৩। মুআবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পানকারী প্রসঙ্গে বলেন: যখন তা পান করবে তখন তাকে কোড়া মারো, তারপর পান করলে কোড়া মারো তারপর ৩য় বার পান করলেও তাকে কোড়া মারো, তারপর ৪র্থ বার মদ পান করলে তার গর্দান কেটে দাও।



তিরমিযীর বক্তব্যে হাদীসটি মানসুখ হয়েছে বলে ব্যক্ত হয়েছে, ইমাম যুহরী হতে আবূ দাউদ এটা মানসুখ হওয়াকে স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৪৪, আর দাউদ ৪৪৮২, ইবনু মাজাহ ২৫৭৩, আহমাদ ১৬৪০৫, ১৬৪১৭, ১৬৪২৭।









বুলূগুল মারাম (1244)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا ضَرَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَّقِ الْوَجْهَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5/ 182 / فتح)، ومسلم (2612)، واللفظ الذي ذكره الحافظ هو لمسلم، لكنه ملفق من روايتين كل شطر من رواية. وعنده زيادة لفظ: «أخاه». ولم يقع هذا اللفظ في رواية البخاري. ولكن لفظه: «إذا قاتل أحدكم فليجتنب الوجه» وهو رواية لمسلم مع زيادة اللفظ المذكور آنفًا، ومع زيادة أخرى، وهي قوله: «فإن الله خلق آدم على صورته». وانظر لهذا الحديث «كتاب التوحيد» لإمام الأئمة بتحقيقنا




১২৪৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা হদ্দ মারবে তখন মুখণ্ডলে মারবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৫৯, মুসলিম ২৬১২।









বুলূগুল মারাম (1245)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِم

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الترمذي (1401)، والحاكم (4/ 369) وهو وإن كان ضعيف السند عندهما إلا أن له شواهد يتقوى بها، كما ذهب إلى ذلك الحافظ نفسه في التلخيص




১২৪৫। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে কোন হাদ্দ কায়িম করা (জারি করা) যাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৪০১। হাকিম ৪র্থ খণ্ড ৩৬৯ পৃষ্ঠা।









বুলূগুল মারাম (1246)


وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ تَحْرِيمَ الْخَمْرِ, وَمَا بِالْمَدِينَةِ شَرَابٌ يَشْرَبُ إِلَّا مِنْ تَمْرٍ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن رواه مسلم (1982)




১২৪৬। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আল্লাহ মদ হারাম করার আয়াত নাযিল করেছেন। আর মাদীনায় (তখন) খেজুরের মদ ছাড়া অন্য কোন মদ পান করা হত না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৬৪, ৭২৫৩, মুসলিম। ১৯৮০, নাসায়ী ৫৫৪১, ৫৫৪৩, আহমাদ ৩৬৭৩, ১২৪৫৮, ১২৪৭৭, ১২৫৬১, ১২৮৬২, মালেক ১৫৯৯।









বুলূগুল মারাম (1247)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ, وَهِيَ مِنْ خَمْسَةٍ: مِنَ الْعِنَبِ, وَالتَّمْرِ, وَالْعَسَلِ, وَالْحِنْطَةِ, وَالشَّعِيرِ. وَالْخَمْرُ: مَا خَامَرَ الْعَقْلَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5581)، ومسلم (3032)




১২৪৭। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, মদ হারাম করে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আর তা তৈরী হয় পাঁচ রকম জিনিস থেকেঃ আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও যব। আর মদ হল, যা বুদ্ধিকে বিলোপ করে। (অর্থাৎ চেতনার মধ্যে ব্যতিক্রম ঘটায়, সঠিকভাবে কোন বস্তুকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।)[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৬১৬, ৪৬১৯, ৫৫৮১, ৫৫৮৮, মুসলিম ৩০৩২, তিরমিযী ১৮৭২, নাসায়ী ৫৫৭৮, ৫৫৭৯, আবূ দাউদ ৩৬৬৯।









বুলূগুল মারাম (1248)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ, وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2003)، وفي رواية (… .... وكل خمر حرام) وزاد في أخرى: «من شرب الخمر في الدنيا فمات وهو يدمنها، ولم يتب، لم يشربها في الآخرة




১২৪৮। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু খামর (মাদক) আর প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু হারাম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৫৭৫, মুসলিম ২০০৩, তিরমিযী ১৮৬৯, নাসায়ী ৫৬৭১, ৫৬৭৩, ৫৬৭৪, আবূ দাউদ ৩৬৭৯, ইবনু মাজাহ ৩৩৭৩, ৩৩৯০, আহমাদ ৪৬৩০, ৪৬৭৬, ৪৭১৫, মালেক ১৫৯৭, দারেমী ২০৯০।