বুলূগুল মারাম
وَلَهُ مِنْ حَدِيثِ أَنَسٍ بِلَفْظِ: «الدُّعَاءُ مُخُّ الْعِبَادَةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف رواه الترمذي (3271) وقال: «هذا حديث غريب من هذا الوجه، لا نعرفه إلا من حديث ابن لهيعة». قلت: وهو صحيح بلفظ الحديث السابق، وأما بهذا اللفظ: «مخ» فهو ضعيف
১৫৪৯। তিরমিযীতে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত: মারফূ সূত্রে এরূপ শব্দেও বর্ণিত হয়েছে, দুআ ইবাদাতের মগজ (মূল বস্তু)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৩২৭১, ইবনু মাজাহ ৪২১৯। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তাঁর তুহফাতুল আহওয়াযী (৮/৩৭৪) গ্রন্থে বলেন, মুহাদ্দিসগণের নিকট ইবনু লাহিয়া দুর্বল, বরং দুর্বল হওয়ার সাথে সাথে মুদ্দাল্লিসও বটে। এবং দুর্বল রাবীর থেকে হাদীস বর্ণনা করে বর্ণনাকারীর দোষ ত্রুটি গোপন করত। শাইখ আলবানী তার আহকামুল জানায়িয (২৪৭) গ্রন্থে উক্ত রাবীকে স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে দুর্বল বললেও অর্থের দিক দিয়ে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। এছাড়া যঈফুল জমে (৩০০৩), যঈফ। তিরমিযী (৩৩৭১), যঈফ তারগীব (১০১৬) গ্রন্থসমূহে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (২১৭২) গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন।
وَلَهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ رَفَعَهُ: «لَيْسَ شَيْءٌ أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ مِنَ الدُّعَاءِ». وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الترمذي (3370)، وابن حبان (870) والحاكم (1/ 490)
১৫৫০। এ কিতাবে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে মারফূ সূত্রে (অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ দুআর থেকে আল্লাহর কাছে আর কোন বস্তু (ইবাদত) অধিক মর্যাদাসম্পন্ন নয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৩৩৭০, ইবনু মাজাহ ৩৮২৯।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الدُّعَاءُ بَيْنَ الْأَذَانِ وَالْإِقَامَةِ لَا يُرَدُّ». أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ, وَغَيْرُهُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَغَيْرُهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي في «عمل اليوم والليلة»، ص (168)، وابن حبان (1696)، وفي الأصل زيادة تخريجه مع الكلام على ألفاظه
১৫৫১। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের মধ্যবতী দুআ (প্রার্থনা) আল্লাহর দরবার হতে ফিরিয়ে দেয়া হয় না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ‘আমলুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলা ১৬৮ পৃষ্ঠা, ইবনু হিব্বান ১৬৯৬।
وَعَنْ سَلْمَانَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ رَبَّكُمْ حَيِيٌّ كَرِيمٌ, يَسْتَحِي مِنْ عَبْدِهِ إِذَا رَفَعَ إِلَيْهِ يَدَيْهِ أَنْ يَرُدَّهُمَا صِفَرًا». أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (1488)، والترمذي (3556)، وابن ماجه (3865)، والحاكم (1/ 497)
১৫৫২। সালমান (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক চিরঞ্জীব, দানশীল। তাঁর কোন বান্দা নিজের দু হাত তুলে তাঁর নিকট দুআ করলে তিনি তার শূন্যহাত বা তাকে নিরাশ করে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৪৮৮, তিরমিযী ৩৫৫৬, ইবনু মাজাহ ৩৮৬৫, আহমাদ ২৩২০২।
وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا مَدَّ يَدَيْهِ فِي الدُّعَاءِ, لَمْ يَرُدَّهُمَا, حَتَّى يَمْسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ. أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه الترمذي (3386) وقال: «هذا حديث صحيح غريب، لا نعرفه إلا من حديث حماد بن عيسى، وقد تفرَّد به، وهو قليل الحديث، وقد حدث عنه الناس». قلت: وهو ضعيف، كما ذهب إلى ذلك الحافظ نفسه في «التقريب»، وقال أبو داود: «ضعيف، روى أحاديث مناكير». قلت: وهذا الحديث لا شك أنه من تلك المناكير، إذ رفع اليدين في الدعاء ثابتة برواية الثقات، ولم يرد في شيء من ذلك مسح الوجه
১৫৫৩। ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দুআ করার জন্য দুহাত উঠাতেন তখন তাঁর মুখমণ্ডলে হাত ফেরানোর আগে তা নামাতেন না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৩৩৮৬। বিন বায তার হাশিয়া বুলুগুল মারাম (৮২৬) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে হাম্মাদ ইবনু ঈসা আল জুহানী আল ওয়াসিত্বকে অধিকাংশ মুহাদ্দিস দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তার সিয়ারু আ’লামুন নুবালা (১৬/৬৭) গ্রন্থে উক্ত রাবীকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম নববী তাঁর আল খুলাসা (১/৪৬২) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন।
وَلَهُ شَوَاهِدُ مِنْهَا
حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ: عَنْ أَبِي دَاوُدَ. وَمَجْمُوعُهَا يَقْتَضِي أَنَّهُ حَدِيثٌ حَسَنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر كسابقه. رواه أبو داود، ولفظه: «لا تستروا الجدر، من نظر في كتاب أخيه بغير إذنه فإنما ينظر في النار، سلوا الله ببطون أكفكم، ولا تسألوه بظهورها، فإذا فرغتم فامسحوا بها وجوهكم». وقال أبو داود:» روى هذا الحديث من غير وجه عن محمد بن كعب، كلها واهية، وهذا الطريق أمثلها، وهو ضعيف -أيضا-»، وقال أبو حاتم في: «العلل» (2/ 351): «هذا حديث منكر
১৫৫৪। এ হাদীসের অনেক পৃষ্ঠপোষক হাদীস রয়েছে, তার মধ্যে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; হাদীসটি আবূ দাউদে রয়েছে। ঐগুলোর সানাদের সমষ্টির অবস্থা দেখে বলা যায় হাদীসটি হাসান।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] পূর্বের হাদীসের ন্যায় এটিও মুনকার। ইলাল আবূ হাতিম, ২য় খণ্ড ৩৫১ পৃষ্ঠা।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ, أَكْثَرُهُمْ عَلَيَّ صَلَاةً». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (484)، وابن حبان (911) وقال الترمذي:» هذا حديث حسن غريب». قلت: في سنده مجهول، وآخر سيئ الحفظ
১৫৫৫। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উপর অধিক দরূদ পাঠকারী কিয়ামতের দিনে আমার বেশি সান্নিধ্য অর্জনকারী হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৪৮৪। ইবনু আদী তাঁর আলকামিল ফিয যু’আফা (৩/৪৬৫) গ্রন্থে বলেন, আমার নিকট খালিদ ইবনু মুখাল্লাদ এর মধ্যে আল্লাহ চাহেত কোন সমস্যা নেই। ইবনুল কীসরানী তাঁর দাখীরাতুল হুফফায (১/৫৪০) গ্রন্থে বলেন, মূসা ইবনু ইয়াকুব হাদীসের ক্ষেত্রে শক্তিশালী রাবী নন। আল মুনযিরীও আত তারগীব ওয়াত তারহীব (২/৪০২) গ্রন্থে উক্ত রাবীর দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (৮৮৩), যঈফুল জামে (১৮২১) গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। তবে সহীহ তারগীব (১৬৬৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান লিগাইরিহী পর্যায়ে উল্লেখ করেছেন।
وَعَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «سَيِّدُ الِاسْتِغْفَارِ, أَنْ يَقُولَ الْعَبْدُ: اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي, لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ, خَلَقْتَنِي, وَأَنَا عَبْدُكَ, وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ, أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ, أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ, وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي, فَاغْفِرْ لِي; فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6306) وليس عنده لفظ:» العبد» وإن كان عند غير، وزاد: «من قالها من النهار، موقنا بها، فمات من يومه قبل أن يمسي، فهو من أهل الجنة، ومن قالها من الليل، وهو موقن بها، فمات قبل أن يصبح، فهو من أهل الجنة»، و «أبوء»: أعترف
১৫৫৬। শাদ্দাদ ইবনু আউস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার হলো বান্দার এ দুআ পড়া- আল্লা-হুম্মা আন্তা রাব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আন্তা খালাক্বতানী, ওয়া আনা আব্দুকা ওয়া আনা আল আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাত্বাতু, আউযুবিকা মিন শাররি মা স্বানাতু, আবূউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবূউ বিযামবী ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা য়্যাগফিরুয যুনুবা ইল্লা আনতা।
“হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা, তুমি ব্যতীত আর কোন ক্ষমাকারী নেই।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৩০৬, ৬৩২৩, তিরমিযী ৩৩৯৩, নাসায়ী ৫৫২২, আহমাদ ১৬৬৬২, ১৬৬৮১।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَدَعُ هَؤُلَاءِ الْكَلِمَاتِ حِينَ يُمْسِي وَحِينَ يُصْبِحُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي دِينِي, وَدُنْيَايَ, وَأَهْلِي, وَمَالِي, اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي, وَآمِنْ رَوْعَاتِي, وَاحْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ, وَمِنْ خَلْفِي, وَعَنْ يَمِينِي, وَعَنْ شِمَالِي, وَمِنْ فَوْقِي, وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي». أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي في «عمل اليوم والليلة» (566)، وابن ماجه (3871)، والحاكم (1/ 517 - 518)
১৫৫৭। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তেন:
“আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আ-ফিয়াতা ফী দ্বীনী ওয়া দুনয়্যা-য়্যা ওয়া আহলী ওয়া মা-লী, আল্লা-হুম্মাসতুর আওরা-তী ওয়া আ-মিন রাওআ-তী, ওয়াহফাযনী মিম বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়ামিন খালফী ওয়াআন ইয়ামীনী ওয়াআন শিমা-লী অমিন ফাউকী, ওয়া আউযূ বিআযমাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী।
“হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আমার দীন, আমার দুনিয়া, আমার পরিবার ও আমার সম্পদের স্বস্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমার লজ্জাস্থানকে গোপন রাখো, আমার ভয়কে শান্তিতে পরিণত করো এবং আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে ও আমার উপরের দিক থেকে আমাকে হেফাজত করো। আমি তোমার নিকট আমার নিচের দিক দিয়ে আমাকে ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ৩৮৭১, নাসায়ী ৫৫২৯, ৫৫৩০।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ, وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ, وَفَجْأَةِ نِقْمَتِكَ, وَجَمِيعِ سَخَطِكَ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2739) وكذا وقع في «الأصلين»: «فجأة»، ووقع في مسلم: «فجاءة»، وهما لغتان، والمراد: بغتة
১৫৫৮। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আউযূ বিকা মিন যাওয়ালি নিমাতিক, ওয়া তাহাওউলি ‘আফিয়াতিক, ওয়া ফাজিয়াতি নি#39;মাতিক, ও জামিঈ সাখাতিক। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার দানের অবসান হতে, তোমার দয়া সুখের রদবদল থেকে এবং হঠাৎ করে তোমার শাস্তি হতে আর তোমার অসন্তুষ্টি ও ক্ৰোধ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৭৩৯, আবূ দাউদ ১৫৪৫।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ, وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ, وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه النسائي (8/ 265)، والحاكم (1/ 104)
১৫৫৯। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুআ বলতেন: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আউযূ বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়াগালাবাতিল আদুউবি অশামা-তাতিল আদা-#39;।
অর্থঃ- হে আল্লাহ! অবশ্যই আমি তোমার নিকট ঋণ ও শত্রুর কবল এবং দুশমন-হাসি থেকে রক্ষা চাচ্ছি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৫৪৭৫, আহমাদ ৬৫৮১।
وَعَنْ بُرَيْدَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - رَجُلًا يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ, الأَحَدُ الصَّمَدُ, الَّذِي لَمْ يَلِدْ, وَلَمْ يُولَدْ, وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ». فَقَالَ: «لَقَدْ سَأَلَ اللَّهُ بِاسْمِهِ الَّذِي إِذَا سُئِلَ بِهِ أَعْطَى, وَإِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ». أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (1493)، والنسائي في «الكبرى» (4/ 394 - 395) والترمذي (3475)، وابن ماجه (3857)، وابن حبان (2383)
১৫৬০। বুরাইদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন : “হে আল্লাহ! অবশ্য আমি তোমার কাছে এ বলে প্রার্থনা করছি যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয় তুমিই একমাত্র আল্লাহ, তুমি একক সত্তা, স্বয়ংসম্পূর্ণ, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেয়া হয়নি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই”। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহর নিকট তাঁর মহান নামের উসীলায় প্রার্থনা করেছে, যাঁর উসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি অবশ্যই দান করেন এবং যাঁর উসীলায় দুআ করলে তিনি অবশ্যই কবুল করেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৪৯৩, তিরমিযী ৩৪৭৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - إِذَا أَصْبَحَ, يَقُولُ: «اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا, وَبِكَ أَمْسَيْنَا, وَبِكَ نَحْيَا, وَبِكَ نَمُوتُ, وَإِلَيْكَ النُّشُورُ». وَإِذَا أَمْسَى قَالَ مِثْلَ ذَلِكَ; إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: «وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ». أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (5068)، والنسائي في «عمل اليوم والليلة» (564) والترمذي (3391)، وابن ماجه (3868) وعند أبي داود: «وإليك النشور» في دعاء الصباح والمساء، وأما النسائي فعنده في دعاء المساء «وإليك النشور». قال ومرة أخرى: «وإليك المصير»، وأما ابن ماجه والترمذي فروايتهما للحديث من أمره -صلى الله عليه وسلم-: «إذا أصبحتم فقولوا ..... » أو: «إذا اصبح أحدكم فليقل: .... »، وعند الترمذي في دعاء الصباح «وإليك المصير» وفي دعاء المساء: «وإليك النشور»! وأما ابن ماجه ففي دعاء المساء كما قال الحافظ، إلا أنه في دعاء الصباح ليس عنده: «وإليك النشور»، وقال الترمذي: «هذا حديث حسن
১৫৬১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ভোরে উপনীত হয়ে বলবে, “হে আল্লাহ! তোমার হুকুমেই আমরা প্ৰভাতে উপনীত হই এবং তোমার হুকুমেই আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই, তোমার হুকুমেই আমরা জীবন ধারণ করি এবং তোমার হুকুমেই আমরা মৃত্যুবরণ করি”। আর তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েও অনুরূপ বলবে, তবে এর সাথে এও বলবে- তোমার নিকটই আমাদের প্রত্যাবর্তন”।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৫০৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৮৬৮, আহমাদ ৮৪৩৫, ১০৩৮৪।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً, وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً, وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6389)، ومسلم (2690) وفي رواية لمسلم «اللهم» بدل: «ربنا» والباقي مثله
১৫৬২। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময়ই এ দুআ পড়তেন: হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে রক্ষা কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৩৮৯, মুসলিম ২৬৮৮, তিরমিযী ৩৮৮৭, আবূ দাউদ ১৫১৯, আহমাদ ১১৫৭০, ১১৬৩৮।
وَعَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - يَدْعُو: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيئَتِي, وَجَهْلِي, وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِي, وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي جِدِّي, وَهَزْلِي, وَخَطَئِي, وَعَمْدِي, وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِي, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ, وَمَا أَخَّرْتُ, وَمَا أَسْرَرْتُ, وَمَا أَعْلَنْتُ, وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي, أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَالْمُؤَخِّرُ, وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6398)، ومسلم (2819)
১৫৬৩। আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ দুআ করতেন: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার কাজের সকল বাড়াবাড়ি এবং আমার যেসব গুনাহ আপনি আমার চেয়ে অধিক জানেন। হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল-ত্রুটি, আমার ইচ্ছাকৃত গুনাহ ও আমার অজ্ঞতা এবং আমার উপহাসমূলক গুনাহ আর এ রকম গুনাহ যা আমার মধ্যে আছে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন যেসব গুনাহ আমি আগে করেছি এবং পরের গুনাহ যা হবে। যে গুনাহ আমি গোপনে করেছি আর যে গুনাহ প্ৰকাশ্যে করেছি। আর যেগুলো আপনি আমার চেয়ে বেশি জ্ঞাত আছেন ঐসবই আপনি ক্ষমা করে দিন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পশ্চাদবর্তী করেন এবং আপনিই সব বিষয়োপরি সর্বশক্তিমান।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৩৯৮, ৬৩৯৯, মুসলিম ২৭১৯, আহমাদ ১৯২৩৯।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي, وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي, وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي إِلَيْهَا مَعَادِي, وَاجْعَلْ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ, وَاجْعَلْ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2820)
১৫৬৪। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুআ বলতেনঃ হে আল্লাহ আমার দ্বীন যা সকল ব্যাপারে আমার জন্য রক্ষা কবজ সে দ্বীনকে আমার জন্য দুরস্ত করে দাও, আমার পার্থিব বিষয় যা আমার জীবিকার আধার সে বিষয়টিকেও ঠিক করে দাও। আমার আখিরাত (পাকালের জীবন) যা আমার জন্য সর্বশেষ অবস্থানক্ষেত্র তা দুরস্ত (সহজ) করে দাও। প্রত্যেক কল্যাণময় ব্যাপারে আমার জীবনে আধিক্য দান কর আর মৃত্যুকে যাবতীয় অকল্যাণ হতে আমার জন্য স্বস্তিতে পরিণত কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৭২০।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي, وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي, وَارْزُقْنِي عِلْمًا يَنْفَعُنِي». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن رواه الحاكم (1/ 510) ويشهد له ما بعده، وأما عزوه للنسائي فلا أظنه إلا من أوهام الحافظ -رحمه الله- إذ لم أجده لا في «المجتبى» ولا في «الكبرى» ولم أر أحدا عزاه للنسائي غير الحافظ، والله أعلم
১৫৬৫। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুআটি পড়তেনঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যা শিক্ষা দান করেছ তার দ্বারা আমাকে উপকৃত কর, আর যা আমার জন্য উপকারে আসবে তা আমাকে শিক্ষা দান কর, আমার উপকারে আসবে এমন জ্ঞান আমাকে দান কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সিলসিলাহ সহীহাহ ৩১৫১, আলবানী বলেন, হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুসারে সহীহ। হাকিম ১ম খণ্ড ৫১০ পৃষ্ঠা।
وَلِلتِّرْمِذِيِّ: مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ نَحْوُهُ, وَقَالَ فِي آخِرِهِ: «وَزِدْنِي عِلْمًا, وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ, وَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ حَالِ أَهْلِ النَّارِ». وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن دون هذه الزيادة؛ إذ في سندها ضعيف، ومجهول. ورواه الترمذي (3599) وغيره. وقال: «هذا حديث حسن غريب
১৫৬৬। তিরমিযীতে আবূ হুরাইরাহ কর্তৃক বর্ণিত অনুরূপ হাদীস রয়েছে। তার শেষাংশে আছে, আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও, সকল অবস্থাতেই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য আর আমি জাহান্নামীদের দূরবস্থা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৩৫৯৯, ইবনু মাজাহ ২৫১, ৩৮৩৩।
وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَلَّمَهَا هَذَا الدُّعَاءَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ, عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ, مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ, وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ, عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ, مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ, اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ, وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ, اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ, وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ, وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ, وَمَا قَرَّبَ مِنْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ, وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا». أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن ماجه (3846)، وابن حبان (869)، والحاكم (1/ 512 - 522) وفي سند ابن حبان سقط
১৫৬৭। ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এই দুআ শিখিয়েছেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে যাবতীয় কল্যাণ ভিক্ষা করছি, যা তাড়াতাড়ি আসে, যা দেরীতে আসে, যা জানা আছে, যা জানা নেই। আর আমি যাবতীয় মন্দ হতে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করছি- যা তাড়াতাড়ি আগমনকারী আর যা দেরীতে আগমনকারী আর যা আমি জানি আর যা অবগত নই। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে ঐ মঙ্গলই চাচ্ছি যা চেয়েছেন- তোমার (নেক) বান্দা ও তোমার নবী, আর তোমার কাছে ঐ মন্দ বস্তু থেকে পানাহ চাচ্ছি যা হতে তোমার বান্দা ও নবী আশ্রয় চেয়েছেন। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাচ্ছি এবং ঐসব কথা ও কাজ চাচ্ছি যেগুলো আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে দেবে। আর আমি জাহান্নাম নিকটবর্তী করে দেবে। আর আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি যে, তুমি আমার জন্য যেসব ফায়সালা করে রেখেছ তা আমার জন্য কল্যাণকর করে দাও।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ৩৮৪৬, আহমাদ ২৪৪৯৮, ২৪৬১৩।
وَأَخْرَجَ الشَّيْخَانِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ, خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ, ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ, سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6406)، ومسلم (2694)
১৫৬৮। বুখারী ও মুসলিমে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি কালিমাহ আছে, যেগুলো দয়াময়ের কাছে অতি প্রিয়, মুখে উচ্চারণ করা খুবই সহজ, দাঁড়িপাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বাণী দুটো হচ্ছে), সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী সুবহান্নাল্লাহিল আযীম;- আমরা আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, মহান আল্লাহ (যাবতীয় ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে) অতি পবিত্র।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৪৬, আবূ দাউদ ৫৬০, ইবনু মাজাহ, আহমাদ ১১১২৯।