হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1329)


وَعَنْ أَسْمَاءِ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: نَحَرْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَرَسًا, فَأَكَلْنَاهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5510)، ومسلم (1942)




১৩২৯। আসমা বিনতু আবী বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ঘোড়া নাহর (যাবাহ) করেছিলাম ও এর গোশত খেয়েছিলাম।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৫১১, ৫৫১২, মুসলিম ১৯৪২, নাসায়ী ৪৪২১, ইবনু মাজাহ ৩১৯০, আহমাদ ২৬৩৭৯, ২৬৩৯০, দারেমী ১৯৯২।









বুলূগুল মারাম (1330)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أُكِلَ الضَّبُّ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7358)، ومسلم (1947) من حديث ابن عباس قال: أهدت خالتي أم حفيد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم سمنًا وأقطًا وأضبًا. فأكل من السمن والأقط، وترك الضب تقذرًا، وأكل على مائدة رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو كان حرامًا ما أكل على مائدة رسول الله صلى الله عليه وسلم. والسياق لمسلم




১৩৩০। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দস্তর খানের উপর দব্বের গোশত খাওয়া হয়েছে।[1]



তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীতে রয়েছে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,

أهدت خالتي أم حفيد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم سمنًا وأقطًا وأضبًا. فأكل من السمن والأقط، وترك الضب تقذرًا، وأكل على مائدة رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو كان حرامًا ما أكل على مائدة رسول الله صلى الله عليه وسلم

হারিস ইবনু হাযনের মেয়ে উম্মু হুফায়দ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব হাদিয়া পাঠালেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাঁর দস্তরখানে খাওয়া হল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘৃণার কারণে খেতে অপছন্দ করলেন। ওগুলো হারাম হলে তাঁর দস্ত রখানে তা খাওয়া হত না এবং তিনিও এগুলো খেতে অনুমতি দিতেন না। বুখারী ২৫৭৫, ৫৩৮৯, ৫৪০২, মুসলিম ১৯৪৭, নাসায়ী ৪৩১৯, আবূ দাউদ ৩৭৯৩, আহমাদ ২২৯৯, ২৩৫০, ২৫৬৫।









বুলূগুল মারাম (1331)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ - رضي الله عنه: أَنَّ طَبِيبًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم عَنِ الضِّفْدَعِ يَجْعَلُهَا فِي دَوَاءٍ, فَنَهَى عَنْ قَتْلِهَا. أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 499)، والحاكم (4/ 411) من طريق ابن المسيب، عن عبد الرحمن، به. قلت: وأيضا رواه أبو داود (3871)، والنسائي (7/ 210) من نفس الطريق، وبنفس اللفظ




১৩৩১। আব্দুর রহমান ইবনু উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন চিকিৎসক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ব্যাঙ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন এটা ঔষধে প্রয়োগ করবেন কি না? তিনি ওটা হত্যা করতে নিষেধ করলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৫৩৩০, নাসায়ী ৪৩৫৫, আবূ দাউদ ৩৮৭১, দারেমী ১৯৯৮, হাকিম ৪র্থ খণ্ড ৪১১ পৃষ্ঠা।









বুলূগুল মারাম (1332)


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنِ اتَّخَذَ كَلْبًا, إِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ, أَوْ صَيْدٍ, أَوْ زَرْعٍ, انْتَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2322)، ومسلم (1575) (58) والسياق لمسلم




১৩৩২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গৃহপালিত পশুর রক্ষণাবেক্ষণ বা শিকার করণার্থে অথবা শস্য ক্ষেতের পাহারার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, প্রতিদিন তার নেক আমল হতে এক কীরাত পরিমাণ কমতে থাকবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩২২, ৩৩২৪, মুসলিম ১৫৭৫, তিরমিযী ১৪৯০, নাসায়ী ৪২৮৯, ৪২৯০, আবূ দাউদ ২৮৪৪, ইবনু মাজাহ ৩২০৪, আহমাদ ৭৮৬৬, ৯৭৬৫।









বুলূগুল মারাম (1333)


وَعَنْ عَدِيِّ بنِ حَاتِمٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَرْسَلْتَ كَلْبَكَ فَاذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ, فَإِنْ أَمْسَكَ عَلَيْكَ فَأَدْرَكْتَهُ حَيًّا فَاذْبَحْهُ, وَإِنْ أَدْرَكْتَهُ قَدْ قُتِلَ وَلَمْ يُؤْكَلْ مِنْهُ فَكُلْهُ, وَإِنْ وَجَدْتَ مَعَ كَلْبِكَ كَلْبًا غَيْرَهُ وَقَدْ قُتِلَ فَلَا تَأْكُلْ، فَإِنَّكَ لَا تَدْرِي أَيَّهُمَا قَتَلَهُ, وَإِنْ رَمَيْتَ سَهْمَكَ فَاذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ, فَإِنْ غَابَ عَنْكَ يَوْمًا, فَلَمْ تَجِدْ فِيهِ إِلَّا أَثَرَ سَهْمِكَ, فَكُلْ إِنْ شِئْتَ, وَإِنْ وَجَدْتَهُ غَرِيقًا فِي الْمَاءِ, فَلَا تَأْكُلْ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَهَذَا لَفْظُ مُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (5484)، ومسلم (1929) (6)




১৩৩৩। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন, তুমি যদি তোমার কুকুরকে শিকার ধরার জন্য পাঠাবে বিসমিল্লাহ বলে পাঠাবে, যদি সে শিকারকে তোমার জন্য রেখে দেয় এবং তুমি তা জীবিত পাও তবে জবাই করবে। আর যদি তুমি দেখা যে, কুকুর তার শিকারকে মেরে ফেলেছে কিন্তু সে তা হতে কিছু খায়নি, তবে তুমি তা খেতে পার। আর যদি তুমি তোমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুর দেখতে পাও এবং সেগুলো শিকার ধরে মেরে ফেলে, তা হলে তা খাবে না। কেননা, তুমি তো জান না যে, কোন কুকুরটি হত্যা করেছে? আর যদি তুমি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ কর তখন বিসমিল্লাহ বলবে। এরপর তা একদিন বা দুদিন পর এমন অবস্থায় হাতে পাও যে, তার গায়ে তোমার তীরের আঘাত ব্যতীত অন্য কিছু নেই, তাহলে খাও। আর যদি তা পানির মধ্যে পড়ে থাকে, তা হলে তা খাবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৭৫, ২০৫৪, ৫৪৭৫, ৫৪৭৭, ৫৪৮৩, মুসলিম ১৯২৯।









বুলূগুল মারাম (1334)


وَعَنْ عَدِيٍّ قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ صَيْدِ الْمِعْرَاضِ فَقَالَ: «إِذَا أَصَبْتَ بِحَدِّهِ فَكُلْ, وَإِذَا أَصَبْتَ بِعَرْضِهِ, فَقُتِلَ, فَإِنَّهُ وَقِيذٌ, فَلَا تَأْكُلْ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5476)




১৩৩৪। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তীরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: যদি তীরের ধারালো অংশ দ্বারা আঘাত করে থাক তাহলে খাও, আর যদি ফলার আঘাত লেগে থাকে এবং শিকারটি মারা যায়, তাহলে খেও না। কেননা, সেটি ওয়াকীয বা থেতলে মরার মধ্যে গণ্য।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৪৬৫, ১৪৬৯, ১৪৭০, নাসায়ী ৪২৬৪, ৪২৬৫, আবূ দাউদ ২৮৪৭, ২৮৫১, ২৮৫৩, ইবনু মাজাহ ২১১৩, ৩২০৮, ৩২১২, আহমাদ ১৭১৮, ১৭৭৯১, দারেমী ২০০২।









বুলূগুল মারাম (1335)


وَعَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا رَمَيْتَ بِسَهْمِكَ, فَغَابَ عَنْكَ, فَأَدْرَكْتَهُ فَكُلْهُ, مَا لَمْ يُنْتِنْ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1931)




১৩৩৫। আবূ সা#39;লাবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: (আল্লাহর নাম নিয়ে) তুমি শিকারের প্রতি তোমার তীর নিক্ষেপ করার পর যদি ঐ শিকার তোমার হস্তগত না হয়ে অদৃশ্য থাকে, তারপর তুমি ওটা পেলে এবারে তুমি তা খাও যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা দুৰ্গন্ধযুক্ত না হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৪৭৮, ৫৪৮৮, ৫৫৯৬, মুসলিম ১৯৩১, তিরমিযী ১৪৬৩, ১৭৯৭, নাসায়ী ৪২৬৫, ৪৩০৩, আবূ দাউদ ২৮৫২, ২৮৫৫, ২৮৫৬, ইবনু মাজাহ ৩২০৭, আহমাদ ১৭২৮৪।









বুলূগুল মারাম (1336)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ قَوْمًا قَالُوا لِلنَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم: إِنَّ قَوْمًا يَأْتُونَنَا بِاللَّحْمِ, لَا نَدْرِي أَذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ أَمْ لَا? فَقَالَ: «سَمُّوا اللَّهَ عَلَيْهِ أَنْتُمْ, وَكُلُوهُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5507)




১৩৩৬। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। একদল লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল কতক লোক আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, পশু যবহের সময় বিসমিল্লাহ বলা হয়েছিল কিনা। তখন নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরাই এর উপর বিসমিল্লাহ পড় এবং তা খাও।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৫৭, ৭৩৯৮, নাসায়ী ৪৪৩৬, আবূ দাউদ ২৮২৯, ইবনু মাজাহ ৩১৭৪, মালেক ১০৫৪, দারেমী ১৯৭৬।









বুলূগুল মারাম (1337)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَهَى عَنِ الْخَذْفِ, وَقَالَ: «إِنَّهَا لَا تَصِيدُ صَيْدًا, وَلَا تَنْكَأُ عَدُوًّا, وَلَكِنَّهَا تَكْسِرُ السِّنَّ, وَتَفْقَأُ الْعَيْنَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5479)، ومسلم (1954) (56) والخذف: هو أن يرمي الإنسان الحصاة جاعلا إياها بين سبابتيه، أو بين السبابة والإبهام، وفي هامش النسخة «أ»: خذف الحصى: برؤوس الأصابع




১৩৩৭। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল মুজানী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছোট পাথর নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেনঃ এর দ্বারা কোন প্ৰাণী শিকার করা হয় না এবং কোন শক্ৰকেও ঘায়েল করা হয় না। তবে এটি কারো দাঁত ভেঙ্গে ফেলতে পারে এবং চোখ ফুঁড়ে দিতে পারে।-শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] والخذف উভয় তর্জনীর মাঝখানে অথবা বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর মধ্যে কংকর রেখে তা নিক্ষেপ করাকে الخذف বলা হয়।

বুখারী ৪৮৪২, ৬২৬০, মুসলিম ১৯৫৬, নাসায়ী ৪৮১৫, আবূ দাউদ ২৭, ৫২৭০, ইবনু মাজাহ ৩২২৭, আহমাদ ১৬৩৫২, ২০০১৭, ২০০৩৮, দারেমী ৪৩৯, ৪৪০।









বুলূগুল মারাম (1338)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تَتَّخِذُوا شَيْئًا فِيهِ الرُّوحُ غَرَضًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1957) والغرض: الهدف




১৩৩৮। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: কোন জীবন্ত জন্তুকে তীর মারার জন্য নিশানারূপে গ্ৰহণ করবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৯৯৭, তিরমিযী ১৪৭৫, নাসায়ী ৪৪৪৩, ৪৪৪৪, ইবনু মাজাহ ৩১৮৭, আহমাদ ১৮৬৬, ২৪৭০, ২৫২৮।









বুলূগুল মারাম (1339)


وَعَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ امْرَأَةً ذَبَحَتْ شَاةً بِحَجَرٍ, فَسُئِلَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ ذَلِكَ, فَأَمَرَ بِأَكْلِهَا. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (9/ 631 / فتح)




১৩৩৯। কাব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক নারী পাথরের সাহায্যে একটি বকরী যবহ করেছিল। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি সেটি খাওয়ার নির্দেশ দেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩০৪, ৫৫০১, ৫৫০২, ইবনু মাজাহ ৩১৮২, আহমাদ ১৫৩৩৮, ২৬৬২৭, মালেক ১০৫৭।









বুলূগুল মারাম (1340)


وَعَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَا أُنْهِرَ الدَّمُ, وَذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ, فَكُلْ لَيْسَ السِّنَّ وَالظُّفْرَ; أَمَّا السِّنُّ; فَعَظْمٌ; وَأَمَّا الظُّفُرُ: فَمُدَى الْحَبَشِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5503)، ومسلم (1968)




১৩৪০। রাফি বিন খাদীজ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়, তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। দাঁত হল হাড় আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৪৮৮, ২৫০৭, ৩০৩৫, মুসলিম ১৯৬৮, তিরমিযী ১৪৯১, ১৪৯২, নাসায়ী ৪২৯৭, ৪৪০৪, আবূ দাউদ ২৮২১, ইবনু মাজাহ ৩১৩৭, ৩১৮৩, আহমাদ ১৬৮১০, ১৬৮৩২, দারেমী ১৯৭৭।









বুলূগুল মারাম (1341)


وَعَنْ جَابِرِ بنِ عَبْدِ اللَّهِ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُقْتَلَ شَيْءٌ مِنَ الدَّوَابِّ صَبْرًا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1959) ووقع في «الأصلين»: «أن نقتل شيئًا» والتصحيح من مسلم




১৩৪১। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন জন্তুকে বেধে রেখে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৯৫৯, ইবনু মাজাহ। ৩১৮৮, আহমাদ ১৪০১৪, ১৪০৩৯।









বুলূগুল মারাম (1342)


وَعَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ, فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ, وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذِّبْحَةَ, وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ, وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1955)




১৩৪২। শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা প্রতিটি জীবের উপর ইহসান করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, (কোন ন্যায্য কারণে) যদি হত্যা কর তবে ভালভাবে হত্যা করবে, (যথা সম্ভব কষ্টের লাঘব করবে) যাবাহ করলে ভালভাবে যাবাহ করবে-ছুরি ভাল করে ধার দেবে, যবাহকৃত জম্ভর কষ্টের লাঘব করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৯৫৫, তিরমিযী ১০০৯, নাসায়ী ৪৪০৫, ৪৪১১, আবূ দাউদ ২৮১৫, ইবনু মাজাহ। ৩১৭০, আহমাদ ১৬৬৫৪, ১৬৬৭৯, দারেমী ১৯৭০।









বুলূগুল মারাম (1343)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أحمد (3/ 39)، وابن حبان (1077) من طريق يونس بن أبي إسحاق، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد، به. قلت: وهذا إسناد حسن كما قال المنذري. ولعله لذلك اختاره الحافظ، وإلا فالحديث رواه الأربعة، إلا النسائي لكن بسند ضعيف. وعلى أية حال الحديث صحيح إذ له طرق عن أبي سعيد، وأيضًا شواهد من حديث ابن عمر، وأبي هريرة وجابر بن عبد الله، وهي مخرجة في «الأصل» وقال الحافظ في «التلخيص» (4/ 165): «الحق أن فيها ما تنتهض به الحجة، وهي مجموع طرق حديث أبي سعيد، وطرق حديث جابر




১৩৪৩। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ভ্রুণের যবাহ কাজ তার মায়ের যাবাহ দ্বারা সম্পন্ন হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৪৭৬, আবূ দাউদ ২৮২৭, ইবনু মাজাহ ৩১৯৯, আহমাদ ১০৮৬৭, ১০৯৫০, ইবনু হিব্বান ১০৭৭, আত-তালখীসুল হাবীর ৪র্থ খণ্ড ১৬৫ পৃষ্ঠা।









বুলূগুল মারাম (1344)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الْمُسْلِمُ يَكْفِيهِ اسْمُهُ, فَإِنْ نَسِيَ أَنْ يُسَمِّيَ حِينَ يَذْبَحُ, فَلْيُسَمِّ, ثُمَّ لِيَأْكُلْ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَفِي إِسْنَادِهِ مُحَمَّدُ بنُ يَزِيدَ بنِ سِنَانٍ, وَهُوَ صَدُوقٌ ضَعِيفُ الْحِفْظِ
وَأَخْرَجَهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ, مَوْقُوفًا عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (4/ 296 / 98) من طريق محمد بن يزيد، حدثنا معقل، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس مرفوعًا. قلت: وفيه علة أخرى غير التي ذكرها الحافظ، فمعقل: هو ابن عبيد الله الجزري، وهو إن كان من رجال مسلم إلا أنه أخطأ في رفع الحديث، وهو كما قال الحافظ في «التقريب»: «صدوق يخطئ». ومما يوضح خطأه مخالفة سفيان بن عيينة له كما في التعليق التالي

رواه عبد الرزاق (4/ 481 / رقم 8548) عن ابن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن أبي الشعثاء قال: حدثنا عين - يعني: عكرمة - عن ابن عباس قال: إن في المسلم اسم الله، فإن ذبح ونسي اسم الله، فليأكل، وإن ذبح المجوسي، وذكر اسم الله فلا تأكله. وصححه الحافظ في «الفتح» (9/ 624)




১৩৪৪। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: মুসলিমের জন্য (আল্লাহর) নামই যথেষ্ট, যদি যাবাহ করার সময় আল্লাহর নাম দিতে ভুলে যায়। তবে আল্লাহর নাম নেবে (বিসমিল্লাহ বলবে) তারপর খাবে।



আব্দুর রাযযাক সহীহ সানাদে, ইবনু আব্বাস হতে মওকুফররূপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাকে রয়েছে, আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ن في المسلم اسم الله، فإن ذبح ونسي اسم الله، فليأكل، وإن ذبح المجوسي، وذكر اسم الله فلا تأكله নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহর নাম রয়েছে। যদি সে জবেহ করার সময় আল্লাহর নাম নিতে ভুলে যায়, তাহলে সে খেতে পারবে। আর যদি কোন মাজুসী (অগ্নিপূজক) জবেহ করার সময় আল্লাহর নামও নেয়, তাহলেও তা ভক্ষণ করোনা। হাফিজ ইবনু হাজার আসকালানী ফাতহুল বারীতে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1345)


وَلَهُ شَاهِدٌ عِنْدَ أَبِي دَاوُدَ فِي «مَرَاسِيلِهِ» بِلَفْظِ: «ذَبِيحَةُ الْمُسْلِمِ حَلَالٌ, ذَكَرَ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا أَوْ لَمْ يَذْكُرْ». وَرِجَالُهُ مُوَثَّقُونَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف رواه أبو داود في «المراسيل» (378) عن الصلت السدوسي، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره. قلت: وهذا مع كونه مرسلا، فمرسله أيضًا مجهول




১৩৪৫। ইমাম আবূ দাউদের মারাসিল নামক হাদীস গ্রন্থে এর একটা শাহিদ (সম অৰ্থবাহী) হাদীস রয়েছে-তাতে আছে, মুসলিমের যবহকৃত জন্তু হালাল, সে তাতে বিসমিল্লাহ বলুক বা না বলুক। এর বর্ণনাকারী রাবীগণ মাজবুত (নির্ভরযোগ্য)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম ৩/৫৭৯ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটির দোষ হচ্ছে মুরসাল, কারণ স্বলত আস সাদূসীর অবস্থা জানা যায় না। ইবনু উসাইমীন শরহে বুলুগুল মারাম ৬/৬৭ গ্রন্থে এ হাদীসটিকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন। ইবনু কাসীর তাঁর তাফসীরুল কুরআন ৩/৩১৮ গ্রন্থে ও বাইহাকী সুনান আস সুগরা ৪/৪৩ গ্রন্থে, ইমাম নববী তাঁর মাজমু ৮/৪১২ গ্রন্থে, ইমাম যঈলায়ী নাসবুর রায়া একে মুরসাল বলেছেন। ইমাম সনআনী, নববী, শাওকানী, আল আইনী, ইবনুল মুলকিন সহ অনেকেই এ হাদীসটিকে মুরসাল বলেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী আত-তালখীসুল হাবীর ৪/১৪৩৮ গ্রন্থে এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন। আলবানী যঈফুল জামেতে ৩০৩৯ এ যঈফ বলেছেন। তবে ইবনু হাজার আসকালানী ফাতহুল বারী ৯/৫৫২ গ্রন্থে একে ‘মুরসাল জাইয়েদ’ ভালো মুরসাল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1346)


عَنْ أَنَسِ بنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يُضَحِّي بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ, أَقْرَنَيْنِ, وَيُسَمِّي, وَيُكَبِّرُ, وَيَضَعُ رِجْلَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا. وَفِي لَفْظٍ: [ص: 413] ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. (1)
وَفِي لَفْظِ: سَمِينَيْنِ
وَلِأَبِي عَوَانَةَ فِي «صَحِيحِهِ»: ثَمِينَيْنِ. بِالْمُثَلَّثَةِ بَدَلَ السِّينِ
وَفِي لَفْظٍ لِمُسْلِمٍ, وَيَقُولُ: «بِسْمِ اللَّهِ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5565)، ومسلم (1966) (17)
(2) - قال البخاري في «صحيحه» (10/ 9 / فتح): «باب أضحية النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أقرنين. ويذكر سمينين». قلت: رواه ابن ماجه من حديث عائشة، وأبي هريرة (3122) بسند حسن




১৩৪৬। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা দুম্বা কুরবানী করতেন। আর এতে আল্লাহর নাম নিতেন, তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করতেন এবং তিনি স্বীয় পা তাদের পাঁজরে রাখতেন। আরেক বর্ণনায় আছে, তিনি স্বহস্তে সে দুটিকে যাবহ করেন।



অন্য বর্ণনায় আছে, সামীনাইনে (দুটো মোটা তাজা), হাসান: ইবনু মাজাহ (৩১২২) আর আবূ আওয়ানাহ সহীহ সংকলনে আছে, (ছামীনাইনে) দুটো মূল্যবান দুম্বা-অৰ্থাৎ সীন-এর বদলে ছা রয়েছে। আর মুসলিমের শব্দে আছে, তিনি বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার বলতেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৯৫৪, ৯৮৪, ১৮৯, ১৫৪৬, ১৫৪৭, ১৫৪৮, মুসলিম ৬৯০, ১২৩২, ১৩৫০, ১৯৬৬, তিরমিযী ৫৪৬, ৮২১, ১৪৯৪, নাসায়ী ৪৬৯, ৪৭৭, আবূ দাউদ ১২০২, ২৭৭৩, ইবনু মাজাহ ১৯৯৭, ২৯৬৮, আহমাদ ১১৫৪৭, ১১৫৭৩, দারেমী ১৫০৭, ১৫০৮।









বুলূগুল মারাম (1347)


وَلَهُ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَمَرَ بِكَبْشٍ أَقْرَنَ, يَطَأُ فِي سَوَادٍ, وَيَبْرُكُ فِي سَوَادٍ, وَيَنْظُرُ فِي سَوَادٍ; لِيُضَحِّيَ بِهِ, فَقَالَ: «اشْحَذِي الْمُدْيَةَ»، ثُمَّ أَخَذَهَا, فَأَضْجَعَهُ, ثُمَّ ذَبَحَهُ, وَقَالَ: «بِسْمِ اللَّهِ, اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنْ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ, وَمِنْ أُمّةِ مُحَمَّدٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1967) وقد اختصر الحافظ بعض ألفاظه




১৩৪৭। সহীহ মুসলিমে আয়িশা (রাঃ) এর বর্ণনায় আছে, তিনি কুরবানী করার জন্য শিং বিশিষ্ট একটা দুম্বা নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিলেন-যার পা, পেট, চোখের পার্শ্বদেশ কাল রংয়ের ছিল। তিনি (আয়িশা) (রাঃ) কে বলেন, ছুরিখানা পাথরে ঘষে ধার দাও। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছুরিটি নিলেন ও দুম্বাটি ধরলেন, তারপর দুম্বাটিকে মাটিতে ফেলে ধরে যাবাহ করলেন, যবাহ করার সময় বললেন:



বাংলা উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা তাকাব্বাল মিন মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মাদিন ওয়া মিন উম্মাতি মুহাম্মাদিন।



অর্থ: আল্লাহর নামে-হে আল্লাহ! তুমি এটা মুহাম্মাদ; মুহাম্মাদের স্বজন ও তার উম্মতগণের তরফ থেকে ক্ববূল কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাফিজ ইবনু হাজার আসকালানী উক্ত হাদীসের কতিপয় শব্দ সংক্ষিপ্ত করেছেন। বুখারী ৫৪৭৩, ৫৪৭৪, তিরমিযী ১৫১২, নাসায়ী ৪২২২, ৪২২৩, আবূ দাউদ ২৮৩১, ইবনু মাজাহ ৩১৬৮, আহমাদ ৭০৯৫, ৭২১৫, দারেমী ১৯৬৪।









বুলূগুল মারাম (1348)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ, فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَابْنُ مَاجَه, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, لَكِنْ رَجَّحَ الْأَئِمَّةُ غَيْرُهُ وَقْفَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (8256)، والحاكم (4/ 231 - 232) من طريق عبد الله بن يزيد المقرئ وابن ماجه (3123) من طريق زيد بن الحباب، كلاهما عن عبد الله بن عياش، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، مرفوعًا، به. قلت: وهذا سند حسن من أجل ابن عياش. ورواه عبد الله بن وهب، عن ابن عياش فأوقفه. رواه الحاكم (4/ 232) وقال أوقفه عبد الله بن وهب إلا أن الزيادة من الثقة مقبولة، وأبو عبد الرحمن المقرئ فوق الثقة




১৩৪৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কুরবানী করার সামৰ্থ্য রয়েছে তবুও কুরবানী করল না। তবে যেন সে আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ৩১২৩, আহমাদ ৮০৭৪।